
১৪ জুন, ২০২৫ ২০:৪৬
অবরুদ্ধ গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় শনিবার জানিয়েছে, গত ৪৮ ঘণ্টায় ইসরাইলি বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণে অন্তত ৯০ জন নিহত এবং ৬০৫ জন আহত হয়েছেন।
ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, নিহতের আসল সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। কারণ অনেক মৃতদেহ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে বা এমন এলাকাগুলোতে রয়েছে, যেগুলো অ্যাম্বুলেন্স ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্মীদের জন্য এখনো অনিরাপদ।
এদিকে গাজার হাসপাতাল সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, শনিবার ভোর থেকে ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় কমপক্ষে ২৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১১ জন ছিলেন বেসামরিক নাগরিক, যারা মানবিক সহায়তা নিতে গিয়েছিলেন।
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরাইলের সামরিক আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত মোট ৫৫,২৯৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং ১,২৮,৪২৬ জন আহত হয়েছেন।
মন্ত্রণালয় আরও জানায়, গত ১৮ মার্চ যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের পর থেকে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৫,০১৪ জন নিহত এবং ১৬,৩৮৫ জন আহত হয়েছেন।
এদিকে শনিবারও গাজা উপত্যকার একাধিক স্থানে ইসরাইলের বিমান ও স্থল হামলা সারা দিন ধরে অব্যাহত ছিল। আশঙ্কাজনক হারে হতাহতের সংখ্যা বাড়তে থাকায় হাসপাতাল ও মেডিকেল টিমগুলো চরম সংকটে পড়েছে—চিকিৎসা সামগ্রীর ঘাটতি ও সীমিত সুযোগ-সুবিধার কারণে তারা প্রচণ্ড চাপের মুখে রয়েছে।
হামাস এক বিবৃতিতে এসব হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, ‘গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর পরিকল্পিতভাবে ক্ষুধা চাপিয়ে দেওয়া’ ইসরাইলের একটি ‘অভূতপূর্ব বর্বর অপরাধ’। যা আধুনিক যুগে নজিরবিহীন এবং মানবিক মূল্যবোধ, আন্তর্জাতিক সনদ ও আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
হামাসের এই বিবৃতি এমন সময় এসেছে, যখন ইসরাইলি বাহিনী অবরুদ্ধ গাজার বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ সংগ্রহ করতে যাওয়া বেসামরিক মানুষের ওপর গুলি চালিয়ে অন্তত ১৫ জনকে হত্যা এবং আরও অনেককে আহত করেছে।
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত দুই দিনে ত্রাণ সংগ্রহের সময় ইসরাইলি হামলায় অন্তত ২৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৩৮০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। এ নিয়ে ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে হামলায় মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭৪ জন। আর আহতের সংখ্যা ২,৫৩২ জনে পৌঁছেছে।
অন্যদিকে, শুক্রবার ভোররাত থেকে ইরানজুড়ে বিমান হামলা চালিয়েছে যুদ্ধবাজ ইসরাইল। এতে ইরানের বেশ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ও পরমাণু বিজ্ঞানীসহ অন্তত ১০৪ জন নিহত হন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও প্রায় ৩৮০ জন।
এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ হামলার জবাবে ইরান একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলের বিভিন্ন এলাকায় আঘাত হানে। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, এতে অন্তত ৩ জন নিহত ও ১৭০ জনের বেশি আহত হয়।
ইরানের জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ ওয়াহিদি বলেছেন, ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক অভিযানের সময় তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলের কমপক্ষে ১৫০টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সামরিক ঘাঁটিও রয়েছে। সূত্র: মিডলইস্ট আই
অবরুদ্ধ গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় শনিবার জানিয়েছে, গত ৪৮ ঘণ্টায় ইসরাইলি বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণে অন্তত ৯০ জন নিহত এবং ৬০৫ জন আহত হয়েছেন।
ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, নিহতের আসল সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। কারণ অনেক মৃতদেহ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে বা এমন এলাকাগুলোতে রয়েছে, যেগুলো অ্যাম্বুলেন্স ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্মীদের জন্য এখনো অনিরাপদ।
এদিকে গাজার হাসপাতাল সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, শনিবার ভোর থেকে ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় কমপক্ষে ২৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১১ জন ছিলেন বেসামরিক নাগরিক, যারা মানবিক সহায়তা নিতে গিয়েছিলেন।
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরাইলের সামরিক আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত মোট ৫৫,২৯৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং ১,২৮,৪২৬ জন আহত হয়েছেন।
মন্ত্রণালয় আরও জানায়, গত ১৮ মার্চ যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের পর থেকে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৫,০১৪ জন নিহত এবং ১৬,৩৮৫ জন আহত হয়েছেন।
এদিকে শনিবারও গাজা উপত্যকার একাধিক স্থানে ইসরাইলের বিমান ও স্থল হামলা সারা দিন ধরে অব্যাহত ছিল। আশঙ্কাজনক হারে হতাহতের সংখ্যা বাড়তে থাকায় হাসপাতাল ও মেডিকেল টিমগুলো চরম সংকটে পড়েছে—চিকিৎসা সামগ্রীর ঘাটতি ও সীমিত সুযোগ-সুবিধার কারণে তারা প্রচণ্ড চাপের মুখে রয়েছে।
হামাস এক বিবৃতিতে এসব হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, ‘গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর পরিকল্পিতভাবে ক্ষুধা চাপিয়ে দেওয়া’ ইসরাইলের একটি ‘অভূতপূর্ব বর্বর অপরাধ’। যা আধুনিক যুগে নজিরবিহীন এবং মানবিক মূল্যবোধ, আন্তর্জাতিক সনদ ও আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
হামাসের এই বিবৃতি এমন সময় এসেছে, যখন ইসরাইলি বাহিনী অবরুদ্ধ গাজার বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ সংগ্রহ করতে যাওয়া বেসামরিক মানুষের ওপর গুলি চালিয়ে অন্তত ১৫ জনকে হত্যা এবং আরও অনেককে আহত করেছে।
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত দুই দিনে ত্রাণ সংগ্রহের সময় ইসরাইলি হামলায় অন্তত ২৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৩৮০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। এ নিয়ে ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে হামলায় মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭৪ জন। আর আহতের সংখ্যা ২,৫৩২ জনে পৌঁছেছে।
অন্যদিকে, শুক্রবার ভোররাত থেকে ইরানজুড়ে বিমান হামলা চালিয়েছে যুদ্ধবাজ ইসরাইল। এতে ইরানের বেশ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ও পরমাণু বিজ্ঞানীসহ অন্তত ১০৪ জন নিহত হন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও প্রায় ৩৮০ জন।
এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ হামলার জবাবে ইরান একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলের বিভিন্ন এলাকায় আঘাত হানে। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, এতে অন্তত ৩ জন নিহত ও ১৭০ জনের বেশি আহত হয়।
ইরানের জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ ওয়াহিদি বলেছেন, ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক অভিযানের সময় তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলের কমপক্ষে ১৫০টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সামরিক ঘাঁটিও রয়েছে। সূত্র: মিডলইস্ট আই

০৮ মে, ২০২৬ ১২:০০
ভারতের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে বড় চমক দেখিয়েছে বিজয় থালাপতির দল তামিলাগা ভেট্ট্রি কাজাগাম (টিভিকে)। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন পায়নি দলটি। ফলে জোট নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে তার দলের ১০৭ এমপি একযোগে পদত্যাগের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
শুক্রবার (৮ মে) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্রাবিড় মুনেত্র কড়গম (ডিএমকে) বা সর্বভারতীয় আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কড়গম (এআইএডিএমকে) সরকার গঠনের চেষ্টা করলে দলের ১০৭ এমপি পদত্যাগ করবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে টিভিকে। দলীয় সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।
ডিএমকে ও এআইএডিএমকের শিবিরে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত সামনে এসেছে। এম কে স্টালিনের ডিএমকে এবং ই পালানিস্বামীর এআইএডিএমকে একসঙ্গে সরকার গঠনের চেষ্টা করছে বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। এ দুই দলের জোট হলে সর্বাধিক জনসমর্থন পাওয়া দল টিভিকে পিছিয়ে পড়তে পারে।
১০৭টি আসন জিতে টিভিকে দাবি করছে, একক বৃহত্তম দল হিসেবে সরকার গঠনের জন্য গভর্নরের উচিত তাদের আমন্ত্রণ জানানো। তবে তামিলনাড়ুর গভর্নর আর ভি আর্লেকার বিজয়কে সরকার গঠনের দাবি জানাতে অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন, বিজয়ের হাতে পর্যাপ্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য বিজয় যে পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছিলেন, তা-ও তিনি গ্রহণ করেননি।
সূত্র জানিয়েছে, টানা দুই দিনের মধ্যে দ্বিতীয় বৈঠকেও গভর্নর জানিয়েছেন, সরকার গঠনের জন্য অন্তত ১১৮ এমপির সমর্থনের চিঠি জমা দিতে হবে। রাজভবনের এক বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
এনডিটিভি জানিয়েছে, সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে টিভিকের আরও ১০টি আসন প্রয়োজন। এরই মধ্যে কংগ্রেসের ৫ এমপি তাদের সমর্থন দিয়েছে। বাম দল এবং কয়েকটি ছোট দলের সঙ্গে বাকি সমর্থন জোগাড়ে আলোচনা চলছে। সূত্র বলছে, বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ারও প্রস্তুতি নিচ্ছে টিভিকে।
ভারতের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে বড় চমক দেখিয়েছে বিজয় থালাপতির দল তামিলাগা ভেট্ট্রি কাজাগাম (টিভিকে)। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন পায়নি দলটি। ফলে জোট নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে তার দলের ১০৭ এমপি একযোগে পদত্যাগের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
শুক্রবার (৮ মে) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্রাবিড় মুনেত্র কড়গম (ডিএমকে) বা সর্বভারতীয় আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কড়গম (এআইএডিএমকে) সরকার গঠনের চেষ্টা করলে দলের ১০৭ এমপি পদত্যাগ করবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে টিভিকে। দলীয় সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।
ডিএমকে ও এআইএডিএমকের শিবিরে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত সামনে এসেছে। এম কে স্টালিনের ডিএমকে এবং ই পালানিস্বামীর এআইএডিএমকে একসঙ্গে সরকার গঠনের চেষ্টা করছে বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। এ দুই দলের জোট হলে সর্বাধিক জনসমর্থন পাওয়া দল টিভিকে পিছিয়ে পড়তে পারে।
১০৭টি আসন জিতে টিভিকে দাবি করছে, একক বৃহত্তম দল হিসেবে সরকার গঠনের জন্য গভর্নরের উচিত তাদের আমন্ত্রণ জানানো। তবে তামিলনাড়ুর গভর্নর আর ভি আর্লেকার বিজয়কে সরকার গঠনের দাবি জানাতে অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন, বিজয়ের হাতে পর্যাপ্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য বিজয় যে পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছিলেন, তা-ও তিনি গ্রহণ করেননি।
সূত্র জানিয়েছে, টানা দুই দিনের মধ্যে দ্বিতীয় বৈঠকেও গভর্নর জানিয়েছেন, সরকার গঠনের জন্য অন্তত ১১৮ এমপির সমর্থনের চিঠি জমা দিতে হবে। রাজভবনের এক বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
এনডিটিভি জানিয়েছে, সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে টিভিকের আরও ১০টি আসন প্রয়োজন। এরই মধ্যে কংগ্রেসের ৫ এমপি তাদের সমর্থন দিয়েছে। বাম দল এবং কয়েকটি ছোট দলের সঙ্গে বাকি সমর্থন জোগাড়ে আলোচনা চলছে। সূত্র বলছে, বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ারও প্রস্তুতি নিচ্ছে টিভিকে।

০২ মে, ২০২৬ ১২:১৭
কুয়েত সিটির ফারওয়ানিয়া গভর্নরেটে বাসযাত্রীদের লক্ষ্য করে ধারাবাহিক ডাকাতির ঘটনায় তিন সদস্যের একটি চক্রকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
গ্রেপ্তাররা সবাই বাংলাদেশি নাগরিক। জেলিব আল-শুয়ুখ পুলিশ স্টেশনের নেতৃত্বে একটি সমন্বিত অভিযানে তাদের আটক করা হয়। একটি গণপরিবহন কোম্পানির টিকিট পরিদর্শকের অভিযোগের পর এ অভিযান শুরু হয়। ওই পরিদর্শক জানান, বাসে যাত্রীদের কাছ থেকে বারবার ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছিল।
অভিযোগ পাওয়ার পর নিরাপত্তা বাহিনী নজরদারি বাড়ায় এবং যাচাই-বাছাই শুরু করে। বাসের ভেতরের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করা হয় এবং পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ৩৩৩ কুয়েতি দিনার উদ্ধার করা হয়েছে। এগুলো ডাকাতির অর্থ বলে ধারণা করা হচ্ছে। আটক ব্যক্তিদের জব্দকৃত অর্থসহ আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে। একই সঙ্গে জনগণকে যে কোনো সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের তথ্য জরুরি নম্বর ১১২-এ জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। সূত্র : আরব টাইমস
কুয়েত সিটির ফারওয়ানিয়া গভর্নরেটে বাসযাত্রীদের লক্ষ্য করে ধারাবাহিক ডাকাতির ঘটনায় তিন সদস্যের একটি চক্রকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
গ্রেপ্তাররা সবাই বাংলাদেশি নাগরিক। জেলিব আল-শুয়ুখ পুলিশ স্টেশনের নেতৃত্বে একটি সমন্বিত অভিযানে তাদের আটক করা হয়। একটি গণপরিবহন কোম্পানির টিকিট পরিদর্শকের অভিযোগের পর এ অভিযান শুরু হয়। ওই পরিদর্শক জানান, বাসে যাত্রীদের কাছ থেকে বারবার ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছিল।
অভিযোগ পাওয়ার পর নিরাপত্তা বাহিনী নজরদারি বাড়ায় এবং যাচাই-বাছাই শুরু করে। বাসের ভেতরের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করা হয় এবং পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ৩৩৩ কুয়েতি দিনার উদ্ধার করা হয়েছে। এগুলো ডাকাতির অর্থ বলে ধারণা করা হচ্ছে। আটক ব্যক্তিদের জব্দকৃত অর্থসহ আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে। একই সঙ্গে জনগণকে যে কোনো সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের তথ্য জরুরি নম্বর ১১২-এ জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। সূত্র : আরব টাইমস

০১ মে, ২০২৬ ১৪:৩০
উনিশ শতকের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রে শিল্পায়ন দ্রুত এগোলেও শ্রমিকদের সুরক্ষার জন্য তেমন কোনো নিয়মকানুন ছিল না। ফলে সেই সময়ের শ্রমিকদের শোচনীয় মজুরি ও দীর্ঘ, ক্লান্তিকর কর্মঘণ্টা সহ্য করতে হতো। ১৮৮৬ সালের মে মাসে পরিস্থিতির একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় আসে, যখন হাজার হাজার শ্রমিক দৈনিক কাজের সময় নির্দিষ্ট ও মানবিক সীমায় আনার দাবিতে শিকাগোর রাস্তায় নেমে আসে।
হেমার্কেট দাঙ্গার সময় একটি ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে, যা ব্যাপক দমনপীড়নের সূচনা করে। এতে পুলিশ ও বিক্ষোভকারী—উভয় পক্ষেরই প্রাণহানি ঘটে। পরবর্তীতে কয়েকজন শ্রমিক নেতা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হন, যা এই আন্দোলনকে বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের এক শক্তিশালী প্রতীকে পরিণত করে।
উত্তর আমেরিকায় তারিখ ভিন্ন কেন?
একটি বৈপরীত্য হলো, যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এই আন্দোলনের সূচনা, সেই দেশেই ১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে পালন করা হয় না। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা শ্রমিক দিবস হিসেবে সেপ্টেম্বরের প্রথম সোমবারকে বেছে নিয়েছে। এটি মূলত একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল জনগণকে ১৮৮৬ সালের তুলনামূলকভাবে সংগ্রামী শ্রমিক আন্দোলনের আদর্শ থেকে দূরে রাখা।
অন্যদিকে, ফ্রান্স বা সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মতো দেশগুলো ১ মে-কে সরকারি ছুটির দিন হিসেবে গ্রহণ করে, যেখানে বর্ণাঢ্য প্যারেড ও নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কিন্তু উত্তর আমেরিকায় এই তারিখটিকে দীর্ঘদিন ধরে তার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকে আড়াল করে রাখা হয়েছে।
২০২৬ সালের কর্মসংস্থান চ্যালেঞ্জ
বর্তমানে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের আলোচনা নতুন এক বাস্তবতায় পৌঁছেছে। একবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে এসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্বয়ংক্রিয়তা এবং অনিশ্চিত কর্মসংস্থান শ্রমবাজারের প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।
যদিও আট ঘণ্টার কর্মদিবসের মতো ঐতিহাসিক অর্জন এখনো বিদ্যমান, তবুও মজুরির বৈষম্য এবং অনানুষ্ঠানিক কাজের বিস্তার নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। এসব সমস্যার সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত ও আধুনিক উদ্যোগ।
উনিশ শতকের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রে শিল্পায়ন দ্রুত এগোলেও শ্রমিকদের সুরক্ষার জন্য তেমন কোনো নিয়মকানুন ছিল না। ফলে সেই সময়ের শ্রমিকদের শোচনীয় মজুরি ও দীর্ঘ, ক্লান্তিকর কর্মঘণ্টা সহ্য করতে হতো। ১৮৮৬ সালের মে মাসে পরিস্থিতির একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় আসে, যখন হাজার হাজার শ্রমিক দৈনিক কাজের সময় নির্দিষ্ট ও মানবিক সীমায় আনার দাবিতে শিকাগোর রাস্তায় নেমে আসে।
হেমার্কেট দাঙ্গার সময় একটি ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে, যা ব্যাপক দমনপীড়নের সূচনা করে। এতে পুলিশ ও বিক্ষোভকারী—উভয় পক্ষেরই প্রাণহানি ঘটে। পরবর্তীতে কয়েকজন শ্রমিক নেতা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হন, যা এই আন্দোলনকে বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের এক শক্তিশালী প্রতীকে পরিণত করে।
উত্তর আমেরিকায় তারিখ ভিন্ন কেন?
একটি বৈপরীত্য হলো, যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এই আন্দোলনের সূচনা, সেই দেশেই ১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে পালন করা হয় না। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা শ্রমিক দিবস হিসেবে সেপ্টেম্বরের প্রথম সোমবারকে বেছে নিয়েছে। এটি মূলত একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল জনগণকে ১৮৮৬ সালের তুলনামূলকভাবে সংগ্রামী শ্রমিক আন্দোলনের আদর্শ থেকে দূরে রাখা।
অন্যদিকে, ফ্রান্স বা সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মতো দেশগুলো ১ মে-কে সরকারি ছুটির দিন হিসেবে গ্রহণ করে, যেখানে বর্ণাঢ্য প্যারেড ও নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কিন্তু উত্তর আমেরিকায় এই তারিখটিকে দীর্ঘদিন ধরে তার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকে আড়াল করে রাখা হয়েছে।
২০২৬ সালের কর্মসংস্থান চ্যালেঞ্জ
বর্তমানে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের আলোচনা নতুন এক বাস্তবতায় পৌঁছেছে। একবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে এসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্বয়ংক্রিয়তা এবং অনিশ্চিত কর্মসংস্থান শ্রমবাজারের প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।
যদিও আট ঘণ্টার কর্মদিবসের মতো ঐতিহাসিক অর্জন এখনো বিদ্যমান, তবুও মজুরির বৈষম্য এবং অনানুষ্ঠানিক কাজের বিস্তার নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। এসব সমস্যার সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত ও আধুনিক উদ্যোগ।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.