
০১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৭:০২
ষাট বছরের সালাম হোসেন কাজ করতেন শহরের অপসো স্যালাইন ফার্মার স্টোরিপ্যাক (সিরিঞ্জ ও স্যালাইন সেট প্রস্তুতকারক) বিভাগে। তিনি জানান, অক্টোবর মাসের শেষের দিকে ৪ দিনের ছুটিতে পাঠানো হয় তাকে। এরপর হঠাৎ জানতে পারেন তিনিসহ ৫৭০ জনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে চাকরি হারিয়ে দিশেহারা তিনি। সংসারের খরচ, সন্তানদের পড়াশোনা সবই এখন প্রশ্নবিদ্ধ বলে জানান সালাম হোসেন।
একই প্রতিষ্ঠানের আরেক যুবক রাসেল জানান, সদ্য বিবাহিত ও পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী তিনি। চাকরি হারিয়ে হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন।
শুধু অপসোনিন নয়- বরিশাল শহরের মেডিমেট, ফরচুন সুজ, অমৃত পানিসহ অন্তত দশটি প্রতিষ্ঠান থেকে গত ১১ মাসে চাকরি হারিয়েছেন প্রায় দেড় হাজারেরও বেশি মানুষ। নানা সংকটে বন্ধ হয়ে গেছে একাধিক কারখানার শাখা। শ্রমিক ইউনিয়ন গঠনকে কেন্দ্র করে হয়েছে হামলার মতো ঘটনাও।
তথ্য বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে বরিশাল সিটি করপোরেশন থেকে ছাটাই হয় ১৬০ জন কর্মচারী। জুনে অমৃত পানির কারখানা বন্ধ হয়ে চাকরি হারান শতাধিক ব্যক্তি, অক্টোবরে অপসো স্যালাইন থেকে একসঙ্গে ছাটাই হয় ৫৭০ জন আর মেডিমেট থেকে ছাটাই হয় ১১ জন।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসেবে বরিশাল বিভাগে বেকারত্বের সংখ্যা এক লাখ ৩৯ হাজার। এরসঙ্গে নতুন করে যুক্ত হয়েছে ছাটাইয়ের শঙ্কা।
তথ্য বলছে, হিসেবের বাইরে গত এক বছরে ছোট-বড় প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে চাকরি হারিয়ে বরিশালে বেকারত্বে যুক্ত হয়েছেন তিন হাজারেরও বেশি মানুষ।
শহরের রুপাতলী মেডিমেট ফার্মাসিটিক্যালস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সোনিয়া আক্তার জানান, সঠিক সময়ে বেতন পাওয়ার দাবিতে আন্দোলন করেন শ্রমিকরা। এ নিয়ে পরবর্তীতে মালিকপক্ষ বিনা নোটিশে চাকরিচ্যুত করে ১১ শ্রমিককে।
রুপাতলীর বটতলা এলাকায় অবস্থিত আরেকটি প্রতিষ্ঠান পদ্মা ব্লোয়িং লিমিটেড। শ্রমিক ইউনিয়ন গঠনকে কেন্দ্র করে গত ১০ অক্টোবর মালিকপক্ষের লোকজন হামলা করে শ্রমিকদের ওপর। সেসময় আহত হন প্রায় আট শ্রমিক।
কারখানাটির শ্রমিক ইউনিয়ন সভাপতি জসিম উদ্দিন জানান, ১১ দফা দাবিতে তারা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছিলেন। যা নিয়ে তখন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপকের দাবির খসড়া দেন। এতে ক্ষুদ্ধ হয়ে মালিকপক্ষ পরিকল্পিতভাবে দালাল শ্রমিকদের দিয়ে তাদের ওপর হামলা করায়।
বাসদ বরিশাল জেলার সমন্বয়ক মনীষা চক্রবর্তী বলেন, ‘বিনা নোটিশে ছাটাইয়ের ফলে শ্রমিকরা চরম বিপাকে পড়েছেন। পরিবারগুলো আর্থিক দৈন্যতায় দিন কাটাচ্ছেন। অবিলম্বে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা উচিত।’
অর্থনীতিবিদ আখতারুজ্জামান খান জানান, তার মতে বরিশাল অপার সম্ভাবনাময় একটি জেলা। এখানে কৃষিসহ সব খাতই লাভজনক। শুধু প্রয়োজন সরকারের সু-দৃষ্টি। অন্যথায় স্থানীয় অর্থনীতিতে চাপ দূর করা সম্ভব নয়।
ষাট বছরের সালাম হোসেন কাজ করতেন শহরের অপসো স্যালাইন ফার্মার স্টোরিপ্যাক (সিরিঞ্জ ও স্যালাইন সেট প্রস্তুতকারক) বিভাগে। তিনি জানান, অক্টোবর মাসের শেষের দিকে ৪ দিনের ছুটিতে পাঠানো হয় তাকে। এরপর হঠাৎ জানতে পারেন তিনিসহ ৫৭০ জনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে চাকরি হারিয়ে দিশেহারা তিনি। সংসারের খরচ, সন্তানদের পড়াশোনা সবই এখন প্রশ্নবিদ্ধ বলে জানান সালাম হোসেন।
একই প্রতিষ্ঠানের আরেক যুবক রাসেল জানান, সদ্য বিবাহিত ও পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী তিনি। চাকরি হারিয়ে হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন।
শুধু অপসোনিন নয়- বরিশাল শহরের মেডিমেট, ফরচুন সুজ, অমৃত পানিসহ অন্তত দশটি প্রতিষ্ঠান থেকে গত ১১ মাসে চাকরি হারিয়েছেন প্রায় দেড় হাজারেরও বেশি মানুষ। নানা সংকটে বন্ধ হয়ে গেছে একাধিক কারখানার শাখা। শ্রমিক ইউনিয়ন গঠনকে কেন্দ্র করে হয়েছে হামলার মতো ঘটনাও।
তথ্য বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে বরিশাল সিটি করপোরেশন থেকে ছাটাই হয় ১৬০ জন কর্মচারী। জুনে অমৃত পানির কারখানা বন্ধ হয়ে চাকরি হারান শতাধিক ব্যক্তি, অক্টোবরে অপসো স্যালাইন থেকে একসঙ্গে ছাটাই হয় ৫৭০ জন আর মেডিমেট থেকে ছাটাই হয় ১১ জন।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসেবে বরিশাল বিভাগে বেকারত্বের সংখ্যা এক লাখ ৩৯ হাজার। এরসঙ্গে নতুন করে যুক্ত হয়েছে ছাটাইয়ের শঙ্কা।
তথ্য বলছে, হিসেবের বাইরে গত এক বছরে ছোট-বড় প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে চাকরি হারিয়ে বরিশালে বেকারত্বে যুক্ত হয়েছেন তিন হাজারেরও বেশি মানুষ।
শহরের রুপাতলী মেডিমেট ফার্মাসিটিক্যালস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সোনিয়া আক্তার জানান, সঠিক সময়ে বেতন পাওয়ার দাবিতে আন্দোলন করেন শ্রমিকরা। এ নিয়ে পরবর্তীতে মালিকপক্ষ বিনা নোটিশে চাকরিচ্যুত করে ১১ শ্রমিককে।
রুপাতলীর বটতলা এলাকায় অবস্থিত আরেকটি প্রতিষ্ঠান পদ্মা ব্লোয়িং লিমিটেড। শ্রমিক ইউনিয়ন গঠনকে কেন্দ্র করে গত ১০ অক্টোবর মালিকপক্ষের লোকজন হামলা করে শ্রমিকদের ওপর। সেসময় আহত হন প্রায় আট শ্রমিক।
কারখানাটির শ্রমিক ইউনিয়ন সভাপতি জসিম উদ্দিন জানান, ১১ দফা দাবিতে তারা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছিলেন। যা নিয়ে তখন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপকের দাবির খসড়া দেন। এতে ক্ষুদ্ধ হয়ে মালিকপক্ষ পরিকল্পিতভাবে দালাল শ্রমিকদের দিয়ে তাদের ওপর হামলা করায়।
বাসদ বরিশাল জেলার সমন্বয়ক মনীষা চক্রবর্তী বলেন, ‘বিনা নোটিশে ছাটাইয়ের ফলে শ্রমিকরা চরম বিপাকে পড়েছেন। পরিবারগুলো আর্থিক দৈন্যতায় দিন কাটাচ্ছেন। অবিলম্বে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা উচিত।’
অর্থনীতিবিদ আখতারুজ্জামান খান জানান, তার মতে বরিশাল অপার সম্ভাবনাময় একটি জেলা। এখানে কৃষিসহ সব খাতই লাভজনক। শুধু প্রয়োজন সরকারের সু-দৃষ্টি। অন্যথায় স্থানীয় অর্থনীতিতে চাপ দূর করা সম্ভব নয়।
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
বরিশাল নগরীতে বেপরোয়াগতির মোটরসাইকেল ও অটোরিক্সার সংঘর্ষে বাইক চালক শুভ (২৭) নামের একজন যুবক নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত ১০টার দিকে বান্দ রোডের কেডিসির সংযোগ সড়কের মুখে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কোতয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেলিম রেজা।
এসময় মোটরসাইকেল আরোহী নিহতের বন্ধু আরিফ (৩০) আহত হয়েছেন। তাদের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার লেবুখালির পাগলা এলাকায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, লঞ্চঘাটের দিক থেকে বেপরোয়া গতির একটি মোটরসাইকেলে দুইজন আসছিলেন। এসময় পার্শ্ববর্তী কেডিসি রোড থেকে একটি হলুদ অটোরিক্সা বের হয়। তখন মোটরসাইকেলটি জোরে ধাক্কা লাগলে চালক ও আরোহী সড়কে ছিটকে পড়েন। তাদের মাথায় হেলমেট না থাকায় মাথা ফেটে ঘটনাস্থলেই একজন গুরুতর অসুস্থ হয়ে যায়। তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে স্থানীয়রা।
বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার এসআই সেলিম রেজা বরিশালটাইমসকে বলেন, হাসপাতালে শুভ মারা গেছেন। অটোরিক্সার চালককে আটকের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।
বরিশাল নগরীতে বেপরোয়াগতির মোটরসাইকেল ও অটোরিক্সার সংঘর্ষে বাইক চালক শুভ (২৭) নামের একজন যুবক নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত ১০টার দিকে বান্দ রোডের কেডিসির সংযোগ সড়কের মুখে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কোতয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেলিম রেজা।
এসময় মোটরসাইকেল আরোহী নিহতের বন্ধু আরিফ (৩০) আহত হয়েছেন। তাদের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার লেবুখালির পাগলা এলাকায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, লঞ্চঘাটের দিক থেকে বেপরোয়া গতির একটি মোটরসাইকেলে দুইজন আসছিলেন। এসময় পার্শ্ববর্তী কেডিসি রোড থেকে একটি হলুদ অটোরিক্সা বের হয়। তখন মোটরসাইকেলটি জোরে ধাক্কা লাগলে চালক ও আরোহী সড়কে ছিটকে পড়েন। তাদের মাথায় হেলমেট না থাকায় মাথা ফেটে ঘটনাস্থলেই একজন গুরুতর অসুস্থ হয়ে যায়। তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে স্থানীয়রা।
বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার এসআই সেলিম রেজা বরিশালটাইমসকে বলেন, হাসপাতালে শুভ মারা গেছেন। অটোরিক্সার চালককে আটকের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১
বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের ৩৭নং বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিতি অভিযোগ দিয়েছেন তিন অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তারা হলেন- মোঃ সমির হোসেন বেপারী, নুপুর বেগম, মোঃ জিয়াউর রহমান খান। অভিযোগে বলা হয়- ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তিনি গত ১৬ জুন এবং ১৭ জুন বিদ্যালয়ের ক্লাস চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। শ্রেণিকক্ষে তিনি তার মোবাইল ফোনে রাখা নিজের-গোলাপ ফুল মার্কা এবং তার প্যানেলভূক্ত কাজী শাহিনের- বই, শিমু আক্তারের মই এবং রেহানা আক্তার হাসির কলস মার্কার পোস্টার দেখিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে প্রচারণা চালানোর জন্য এবং শিক্ষার্থীদের ভিতর থেকে যাদের ছোট ভাই বোন বা পরিচিত যাদের ছেলে মেয়ে বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত আছে তাদের বাবা-মাকে ওই চারটি মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য তাদের কাছে গিয়ে অনুরোধ জানান।
এই চারজন প্রার্থী নির্বাচিত হলে পরবর্তীতে তিনি তাদের ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হবেন বলে শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহিত করেন। একাধিক শ্রেণীর একাধিক শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় ছুটি পরে বাইরে এসে তার এ সকল কার্যক্রমের বর্ণনা দেয় যা অত্যন্ত আপত্তিকর এবং দুঃখজনক। এতে করে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অপরদিকে আপনার বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং উক্ত নির্বাচনকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তারা শস্কা প্রকাশ করেন পরবর্তীতেও তিনি শ্রেণিকক্ষে এই ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগকারীরা বলেন- মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘন করে বিদ্যালয়ের ক্লাশ চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। এটা নিয়ম বহির্ভূত কাজ। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।
এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি তা রিসিভ করেননি। প্রধান শিক্ষক শিরিন আকতার বলেন- অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের ৩৭নং বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিতি অভিযোগ দিয়েছেন তিন অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তারা হলেন- মোঃ সমির হোসেন বেপারী, নুপুর বেগম, মোঃ জিয়াউর রহমান খান। অভিযোগে বলা হয়- ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তিনি গত ১৬ জুন এবং ১৭ জুন বিদ্যালয়ের ক্লাস চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। শ্রেণিকক্ষে তিনি তার মোবাইল ফোনে রাখা নিজের-গোলাপ ফুল মার্কা এবং তার প্যানেলভূক্ত কাজী শাহিনের- বই, শিমু আক্তারের মই এবং রেহানা আক্তার হাসির কলস মার্কার পোস্টার দেখিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে প্রচারণা চালানোর জন্য এবং শিক্ষার্থীদের ভিতর থেকে যাদের ছোট ভাই বোন বা পরিচিত যাদের ছেলে মেয়ে বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত আছে তাদের বাবা-মাকে ওই চারটি মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য তাদের কাছে গিয়ে অনুরোধ জানান।
এই চারজন প্রার্থী নির্বাচিত হলে পরবর্তীতে তিনি তাদের ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হবেন বলে শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহিত করেন। একাধিক শ্রেণীর একাধিক শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় ছুটি পরে বাইরে এসে তার এ সকল কার্যক্রমের বর্ণনা দেয় যা অত্যন্ত আপত্তিকর এবং দুঃখজনক। এতে করে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অপরদিকে আপনার বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং উক্ত নির্বাচনকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তারা শস্কা প্রকাশ করেন পরবর্তীতেও তিনি শ্রেণিকক্ষে এই ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগকারীরা বলেন- মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘন করে বিদ্যালয়ের ক্লাশ চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। এটা নিয়ম বহির্ভূত কাজ। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।
এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি তা রিসিভ করেননি। প্রধান শিক্ষক শিরিন আকতার বলেন- অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৮:৩৯
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হস্তিশুন্ড গ্রামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে গড়ে ওঠা মজিবুর অটো রাইস মিলকে কেন্দ্র করে পরিবেশ দূষণ, শব্দ দূষণ ও জনদুর্ভোগের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মিলটির কার্যক্রমে শিক্ষার পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিলটির ১০০ মিটারের মধ্যেই রয়েছে ৭১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হস্তিশুন্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এ.আর. তালুকদার গার্লস স্কুল এবং একটি নূরানি-হাফিজি মাদ্রাসা।
এসব প্রতিষ্ঠানে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। অভিযোগ রয়েছে, মিলের বিকট শব্দ, ধুলাবালি, চালের কুঁড়া ও ঝাঁঝালো গন্ধে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং শিশু-বৃদ্ধরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।
এছাড়া মিলের ধান ও চালবোঝাই যানবাহন সড়কে অবস্থান করায় পথচারী ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মিলের পাশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জিং কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। একইসঙ্গে বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়াল সংলগ্ন স্থানে নতুন করে আরেকটি মিল স্থাপনের প্রস্তুতি চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। ফলে অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না।
তবে এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য মিল মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী দ্রুত উপজেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে পরিচালিত মিলটির কার্যক্রম তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হস্তিশুন্ড গ্রামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে গড়ে ওঠা মজিবুর অটো রাইস মিলকে কেন্দ্র করে পরিবেশ দূষণ, শব্দ দূষণ ও জনদুর্ভোগের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মিলটির কার্যক্রমে শিক্ষার পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিলটির ১০০ মিটারের মধ্যেই রয়েছে ৭১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হস্তিশুন্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এ.আর. তালুকদার গার্লস স্কুল এবং একটি নূরানি-হাফিজি মাদ্রাসা।
এসব প্রতিষ্ঠানে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। অভিযোগ রয়েছে, মিলের বিকট শব্দ, ধুলাবালি, চালের কুঁড়া ও ঝাঁঝালো গন্ধে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং শিশু-বৃদ্ধরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।
এছাড়া মিলের ধান ও চালবোঝাই যানবাহন সড়কে অবস্থান করায় পথচারী ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মিলের পাশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জিং কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। একইসঙ্গে বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়াল সংলগ্ন স্থানে নতুন করে আরেকটি মিল স্থাপনের প্রস্তুতি চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। ফলে অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না।
তবে এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য মিল মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী দ্রুত উপজেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে পরিচালিত মিলটির কার্যক্রম তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৪
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১
১৮ জুন, ২০২৬ ১৮:৫১