
১১ জুন, ২০২৫ ১৬:১৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: ঈদের পঞ্চম দিনেও ঢাকামুখী যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ নেই। রাজশাহী ছাড়া সব রুটের ট্রেনই নির্ধারিত সময়ে ঢাকা আসছে। ফলে প্রতিবছরের বিড়ম্বনার ঈদযাত্রায় এবার বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ স্বস্তিতেই কর্মস্থলে ফিরতে পারছে। এদিকে ঈদের ছুটি লম্বা হওয়ায় এখনো অনেকেই গ্রামেও যাচ্ছেন।
বুধবার (১১ জুন) রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ঘুরে এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র দেখা গেছে। সরেজমিন দেখা গেছে, সকাল থেকেই ঢাকায় এসে পৌঁছেছে জাহানাবাদ এক্সপ্রেস, মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস, যমুনা এক্সপ্রেস, এগারসিন্ধু এক্সপ্রেস, রংপুর এক্সপ্রেস, একতা এক্সপ্রেস, পর্যটন এক্সপ্রেসসহ প্রায় ১৫টি ট্রেন। এসব ট্রেনে বিগত সময়ের মতো যাত্রীদের ভিড় দেখা যায়নি। প্রায় সব ট্রেনেই নির্ধারিত সময়ে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ ছাড়াই ঢাকা এসে পৌঁছেছে।
এদিকে রাজশাহী থেকে খুলনা অভিমুখে ছেড়ে আসা সাগরদাঁড়ি ট্রেন ও ঢাকাগামী মধুমতি, বনলতা, সিল্ক সিটি এক্সপ্রেস অবরোধের মুখে প্রায় আড়াই ঘণ্টা থেমে থাকে। ফলে সারাদেশের সঙ্গে রাজশাহীর ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ ছিল কিছুক্ষণ। তবে এ ঘটনায় ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়ের সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে ঢাকা রেলওয়ে।
দেখা গেছে, আজ সকাল থেকে ঢাকা থেকে ছেড়ে যাচ্ছে রংপুর এক্সপ্রেস, নারায়ণগঞ্জ কমিউটার, তিস্তা ঈদ স্পেশাল, তিস্তা কমিউটারসহ বেশ কিছু ট্রেন। ঈদ শেষ করে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের পাশাপাশি গ্রামেও যাচ্ছেন অনেকেই। পরিবার পরিজন নিয়ে যারা ঈদের ছুটি পাননি তারা এখন গ্রামের উদ্দেশ্য পাড়ি জমাচ্ছেন। অনেকে আবার জরুরি কাজেও ঢাকা ছাড়ছেন।
সকাল ৯ টা ৪৫ মিনিটে কমলাপুরে পৌঁছানো জাহানাবাদ এক্সপ্রেসের যাত্রী মীর মো. আমিনুল বলেন, আসতে কোনো সমস্যা নেই। প্রতিবছর তো দেখি মাথার কাছে দশজন স্টান্ডিং টিকেটে দাঁড়িয়ে থাকে। এবার এমন সমস্যা হয়নি। অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ একটা ভয়ংকর অভিজ্ঞতা। এ কারণেই ছুটি শেষ হওয়ার আগেই স্ত্রী এবং সন্তানসহ ঢাকায় চলে এসেছি।
একই ট্রেনের আরেক যাত্রী মিজানুর রহমান বলেন, আসতে কোনো সমস্যা হয়নি। নির্ধারিত সময়ে ট্রেন ছেড়েছিল। প্রতিবারই তো ভোগান্তি হয়। এবার ভোগান্তি নেই বললেই চলে। তবে শুক্রবার এবং শনিবার মনে হয় সবাই ঢাকায় আসবে। সরকারি অফিস আদালত খুলেনি বলেই চাপ কিছুটা কম।
সকাল ১০ টায় জামালপুরগামী ট্রেন জামালপুর এক্সপ্রেসের যাত্রী ফজলে রাব্বী বলেন, আমি একটি বেসরকারি আইটি ফার্মে কাজ করি। ঈদে ছুটি পাইনি বলে গ্রামে যেতে পারিনি। ঈদে সহকর্মীরা ছুটি শেষ করে ঢাকায় আসায় আজ থেকে ছুটি পেলাম। স্ত্রী সন্তানরা গ্রামেই আছে। আমি এখন ওদের সঙ্গে যোগ দেব। প্রতি বছর সবাই একসঙ্গে হওয়ার আনন্দই আলাদা।
এদিকে ঈদ যাত্রা নিয়ে স্টেশন ম্যানেজার মো. সাজেদুল ইসলাম বলেন, কোনো ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় নেই। সবকিছু ভালোভাবেই চলছে। শুধু রাজশাহী রুটের তিনটি ট্রেনে আন্দোলনের কারণে বিলম্ব হয়েছে। বাকি সব রুটেই ট্রেন যথাসময়ে এসেছে। রাজশাহীর ট্রেনে যে সমস্যা হয়েছিল সেটাও সমাধান হয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, সকাল থেকে ঢাকায় ১৫টি ট্রেন এসেছে। ঢাকা থেকে ছেড়ে গেছে ১০টি ট্রেন। রাজশাহী থেকে যে ট্রেন কিছুটা বিলম্ব হয়েছে সেটা ঢাকা থেকে নির্ধারিত সময়েই ছেড়ে যাবে।
সাজেদুল ইসলাম বলেন, ঈদ ফেরত যাত্রায় যাত্রীর চাপ কম এখনো। শেষের দিকে চাপ দেখা দিতে পারে। তবে শুক্র ও শনিবার চাপ বাড়তে পারে। মাস্ক পরা শুরু করা হয়েছে। আমরা যাত্রীদের সচেতন করছি। সবাইকে মাস্ক পরে ট্রেনে যাত্রা করার অনুরোধ করা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: ঈদের পঞ্চম দিনেও ঢাকামুখী যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ নেই। রাজশাহী ছাড়া সব রুটের ট্রেনই নির্ধারিত সময়ে ঢাকা আসছে। ফলে প্রতিবছরের বিড়ম্বনার ঈদযাত্রায় এবার বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ স্বস্তিতেই কর্মস্থলে ফিরতে পারছে। এদিকে ঈদের ছুটি লম্বা হওয়ায় এখনো অনেকেই গ্রামেও যাচ্ছেন।
বুধবার (১১ জুন) রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ঘুরে এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র দেখা গেছে। সরেজমিন দেখা গেছে, সকাল থেকেই ঢাকায় এসে পৌঁছেছে জাহানাবাদ এক্সপ্রেস, মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস, যমুনা এক্সপ্রেস, এগারসিন্ধু এক্সপ্রেস, রংপুর এক্সপ্রেস, একতা এক্সপ্রেস, পর্যটন এক্সপ্রেসসহ প্রায় ১৫টি ট্রেন। এসব ট্রেনে বিগত সময়ের মতো যাত্রীদের ভিড় দেখা যায়নি। প্রায় সব ট্রেনেই নির্ধারিত সময়ে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ ছাড়াই ঢাকা এসে পৌঁছেছে।
এদিকে রাজশাহী থেকে খুলনা অভিমুখে ছেড়ে আসা সাগরদাঁড়ি ট্রেন ও ঢাকাগামী মধুমতি, বনলতা, সিল্ক সিটি এক্সপ্রেস অবরোধের মুখে প্রায় আড়াই ঘণ্টা থেমে থাকে। ফলে সারাদেশের সঙ্গে রাজশাহীর ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ ছিল কিছুক্ষণ। তবে এ ঘটনায় ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়ের সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে ঢাকা রেলওয়ে।
দেখা গেছে, আজ সকাল থেকে ঢাকা থেকে ছেড়ে যাচ্ছে রংপুর এক্সপ্রেস, নারায়ণগঞ্জ কমিউটার, তিস্তা ঈদ স্পেশাল, তিস্তা কমিউটারসহ বেশ কিছু ট্রেন। ঈদ শেষ করে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের পাশাপাশি গ্রামেও যাচ্ছেন অনেকেই। পরিবার পরিজন নিয়ে যারা ঈদের ছুটি পাননি তারা এখন গ্রামের উদ্দেশ্য পাড়ি জমাচ্ছেন। অনেকে আবার জরুরি কাজেও ঢাকা ছাড়ছেন।
সকাল ৯ টা ৪৫ মিনিটে কমলাপুরে পৌঁছানো জাহানাবাদ এক্সপ্রেসের যাত্রী মীর মো. আমিনুল বলেন, আসতে কোনো সমস্যা নেই। প্রতিবছর তো দেখি মাথার কাছে দশজন স্টান্ডিং টিকেটে দাঁড়িয়ে থাকে। এবার এমন সমস্যা হয়নি। অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ একটা ভয়ংকর অভিজ্ঞতা। এ কারণেই ছুটি শেষ হওয়ার আগেই স্ত্রী এবং সন্তানসহ ঢাকায় চলে এসেছি।
একই ট্রেনের আরেক যাত্রী মিজানুর রহমান বলেন, আসতে কোনো সমস্যা হয়নি। নির্ধারিত সময়ে ট্রেন ছেড়েছিল। প্রতিবারই তো ভোগান্তি হয়। এবার ভোগান্তি নেই বললেই চলে। তবে শুক্রবার এবং শনিবার মনে হয় সবাই ঢাকায় আসবে। সরকারি অফিস আদালত খুলেনি বলেই চাপ কিছুটা কম।
সকাল ১০ টায় জামালপুরগামী ট্রেন জামালপুর এক্সপ্রেসের যাত্রী ফজলে রাব্বী বলেন, আমি একটি বেসরকারি আইটি ফার্মে কাজ করি। ঈদে ছুটি পাইনি বলে গ্রামে যেতে পারিনি। ঈদে সহকর্মীরা ছুটি শেষ করে ঢাকায় আসায় আজ থেকে ছুটি পেলাম। স্ত্রী সন্তানরা গ্রামেই আছে। আমি এখন ওদের সঙ্গে যোগ দেব। প্রতি বছর সবাই একসঙ্গে হওয়ার আনন্দই আলাদা।
এদিকে ঈদ যাত্রা নিয়ে স্টেশন ম্যানেজার মো. সাজেদুল ইসলাম বলেন, কোনো ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় নেই। সবকিছু ভালোভাবেই চলছে। শুধু রাজশাহী রুটের তিনটি ট্রেনে আন্দোলনের কারণে বিলম্ব হয়েছে। বাকি সব রুটেই ট্রেন যথাসময়ে এসেছে। রাজশাহীর ট্রেনে যে সমস্যা হয়েছিল সেটাও সমাধান হয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, সকাল থেকে ঢাকায় ১৫টি ট্রেন এসেছে। ঢাকা থেকে ছেড়ে গেছে ১০টি ট্রেন। রাজশাহী থেকে যে ট্রেন কিছুটা বিলম্ব হয়েছে সেটা ঢাকা থেকে নির্ধারিত সময়েই ছেড়ে যাবে।
সাজেদুল ইসলাম বলেন, ঈদ ফেরত যাত্রায় যাত্রীর চাপ কম এখনো। শেষের দিকে চাপ দেখা দিতে পারে। তবে শুক্র ও শনিবার চাপ বাড়তে পারে। মাস্ক পরা শুরু করা হয়েছে। আমরা যাত্রীদের সচেতন করছি। সবাইকে মাস্ক পরে ট্রেনে যাত্রা করার অনুরোধ করা হয়েছে।

২৬ মার্চ, ২০২৬ ২৩:০৩
কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় প্রাইভেটকারে থাকা একই পরিবারের চারজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া মিয়ামি হোটেলের সামনে স্টারলাইন পরিবহণের ধাক্কায় প্রাইভেটকারটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকার চালক জামাল হোসেন (৫২) নিহত হন।
মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুসহ ৪ প্রাইভেটকার আরোহীকে ক্যান্টনমেন্ট জেনারেল হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। পরে একে একে চারজনের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন- আব্দুল মুমিন (৪৮) ঝর্না আক্তার (৪২), লাবিবা আক্তার (১৪), আরশাদ (১০)। নিহতরা নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী এলাকার বাসিন্দা।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার ওসি আব্দুল মুমিন বলেন, স্টার লাইন পরিবহণের সঙ্গে প্রাইভেটকারের সংঘর্ষ হয়। এতে একই পরিবারের চারজন নিহত হয়। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং দুর্ঘটনা-কবলিত প্রাইভেটকারটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় প্রাইভেটকারে থাকা একই পরিবারের চারজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া মিয়ামি হোটেলের সামনে স্টারলাইন পরিবহণের ধাক্কায় প্রাইভেটকারটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকার চালক জামাল হোসেন (৫২) নিহত হন।
মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুসহ ৪ প্রাইভেটকার আরোহীকে ক্যান্টনমেন্ট জেনারেল হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। পরে একে একে চারজনের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন- আব্দুল মুমিন (৪৮) ঝর্না আক্তার (৪২), লাবিবা আক্তার (১৪), আরশাদ (১০)। নিহতরা নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী এলাকার বাসিন্দা।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার ওসি আব্দুল মুমিন বলেন, স্টার লাইন পরিবহণের সঙ্গে প্রাইভেটকারের সংঘর্ষ হয়। এতে একই পরিবারের চারজন নিহত হয়। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং দুর্ঘটনা-কবলিত প্রাইভেটকারটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

২৬ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৪৪
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার শিবপুর এলাকায় দুষ্কৃতিকারীদের গুলিতে হামজা মুন্সী (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি রুহুল আমিন মুন্সীর ছেলে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে উপজেলার শিবপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, একদল দুষ্কৃতিকারী বাড়িতে ঢুকে হামজা মুন্সীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহতের চাচা বাচ্চু মুন্সী জানান, গুলির শব্দ শুনে বাইরে বের হয়ে তিনি দেখতে পান, প্রায় ৬ জন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছে। হামজা মুন্সী খুলনায় বসবাস করতেন এবং খুলনার কিছু ব্যক্তি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।
নিহতের পিতা রুহুল আমিন মুন্সী বলেন, ১০ থেকে ১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল হঠাৎ করে আমাদের বাড়িতে ঢুকে আমার ছেলেকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই আমার ছেলে মারা যায়। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু করেছে।
বরিশাল টাইমস
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার শিবপুর এলাকায় দুষ্কৃতিকারীদের গুলিতে হামজা মুন্সী (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি রুহুল আমিন মুন্সীর ছেলে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে উপজেলার শিবপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, একদল দুষ্কৃতিকারী বাড়িতে ঢুকে হামজা মুন্সীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহতের চাচা বাচ্চু মুন্সী জানান, গুলির শব্দ শুনে বাইরে বের হয়ে তিনি দেখতে পান, প্রায় ৬ জন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছে। হামজা মুন্সী খুলনায় বসবাস করতেন এবং খুলনার কিছু ব্যক্তি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।
নিহতের পিতা রুহুল আমিন মুন্সী বলেন, ১০ থেকে ১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল হঠাৎ করে আমাদের বাড়িতে ঢুকে আমার ছেলেকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই আমার ছেলে মারা যায়। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু করেছে।
বরিশাল টাইমস

২৬ মার্চ, ২০২৬ ১১:৫২
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এবং জীবিত উদ্ধার হয়েছেন ৮ জন। এখনও আনুমানিক ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের উদ্ধারে কাজ করছেন ফায়ার সার্ভিস ও নৌবাহিনীর ডুবুরি দল। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বুধবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। প্রায় ৬০ ফুট গভীরে বাসটি ডুবে যায়। দীর্ঘ সময় অভিযান চালিয়ে রাত ১২টা ৩৮ মিনিটে বাসটি উদ্ধার করা হয়। বাসটিতে আনুমানিক ৪০ জন যাত্রী ছিলেন।
ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, উদ্ধারকারী দল ও স্থানীয়দের সহায়তায় ৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে ৩ জন পুরুষ ও ৫ জন নারী। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক দুই নারীকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাসের ভেতর থেকে ২২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ১১ জন নারী এবং ৫ জন শিশু (৪ জন ছেলে ও ১ জন মেয়ে) রয়েছে।
সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ জনে। এর মধ্যে ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার করেছে ২২ জন, স্থানীয়দের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া ২ জনকে হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয় এবং নৌবাহিনীর ডুবুরিরা উদ্ধার করেন ১ জন। আনুমানিক এখনও ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে চেষ্টা চলছে।
উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট ও ১০ জন ডুবুরি অংশ নেন। এছাড়া সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিআইডব্লিউটিএ, কোস্টগার্ড ও স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরাও যৌথভাবে উদ্ধার কাজে অংশগ্রহণ করেন।
ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এবং জীবিত উদ্ধার হয়েছেন ৮ জন। এখনও আনুমানিক ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের উদ্ধারে কাজ করছেন ফায়ার সার্ভিস ও নৌবাহিনীর ডুবুরি দল। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বুধবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। প্রায় ৬০ ফুট গভীরে বাসটি ডুবে যায়। দীর্ঘ সময় অভিযান চালিয়ে রাত ১২টা ৩৮ মিনিটে বাসটি উদ্ধার করা হয়। বাসটিতে আনুমানিক ৪০ জন যাত্রী ছিলেন।
ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, উদ্ধারকারী দল ও স্থানীয়দের সহায়তায় ৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে ৩ জন পুরুষ ও ৫ জন নারী। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক দুই নারীকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাসের ভেতর থেকে ২২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ১১ জন নারী এবং ৫ জন শিশু (৪ জন ছেলে ও ১ জন মেয়ে) রয়েছে।
সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ জনে। এর মধ্যে ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার করেছে ২২ জন, স্থানীয়দের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া ২ জনকে হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয় এবং নৌবাহিনীর ডুবুরিরা উদ্ধার করেন ১ জন। আনুমানিক এখনও ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে চেষ্টা চলছে।
উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট ও ১০ জন ডুবুরি অংশ নেন। এছাড়া সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিআইডব্লিউটিএ, কোস্টগার্ড ও স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরাও যৌথভাবে উদ্ধার কাজে অংশগ্রহণ করেন।
ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.