
০৮ জুন, ২০২৫ ১৬:৫২
মাত্র কয়েকদিন আগেও তাদের ‘বন্ধুত্ব’ ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। অথচ বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাধর সেই দুই ব্যক্তি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্কের বিরোধ এখন তুঙ্গে। তাদের মধ্যে বাড়তে থাকা দূরত্বের গুঞ্জন মুহূর্তেই ‘বাকযুদ্ধ’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে সবার সামনে।
এরইমধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইলন মাস্কের সঙ্গে তার সম্পর্ক শেষ। রোববার দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গার্ডিয়ানের উদ্ধৃতি দিয়ে ওয়াশিংটন থেকে এএফপি জানায়, এক সময়ের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ধনকুবের ইলন মাস্কের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ হয়েছে কি-না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে শনিবার এনবিসি নিউজকে ট্রাম্প বলেন, হ্যাঁ, আমি তাই মনে করছি।
সেইসঙ্গে মাস্কের সঙ্গে সম্পর্ক পুনরুদ্ধার করতে চান কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প স্পষ্টভাবে ‘না না, কখনো না’ বলে দেন।
এছাড়া ২০২৬ সালে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ইলন মাস্ক যদি ডেমোক্র্যাটদের অর্থায়ন করেন, তার জন্য কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছেন ট্রাম্প।
তিনি বলেছেন, যদি ইলন তা করে, তাহলে তাকে অত্যন্ত করুণ পরিণতি ভোগ করতে হবে।
অবশ্য কী ধরনের পরিণতি ভোগ করতে পারেন মাস্ক- সে সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেননি ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও ইলন মাস্ককে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, টেসলা ও স্পেসএক্সের সিইও ইলন মাস্ক প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে মারাত্মক ভুল করেছেন।
বিশ্বের ক্ষমতাধর দুই ব্যক্তির মধ্যে বিরোধের বিষয়টি সামনে আসতে শুরু করে গত সপ্তাহে। গত মঙ্গলবার মার্কিন সরকারের কর ও ব্যয় নীতির সমালোচনা করে এটাকে ‘জঘন্য’ অভিহিত করেন মাস্ক।
বুধবার এ নিয়ে গুঞ্জন বাড়ে এবং বৃহস্পতিবার বিকালে এটি ওভাল অফিসে চরম উত্তেজনার বিষয়ে পরিণত হয়।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডারিক মার্জ সেদিনের অতিথি হিসেবে ওভাল অফিসে অস্বস্তিকর নীরবতায় বসে ছিলেন। আর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আচরণ ছিল প্রত্যাখ্যাত প্রেমিকের মতো!
তার প্রশাসন প্রণীত আইন নিয়ে মাস্কের সমালোচনায় বিস্ময় প্রকাশ করেন ট্রাম্প। মাস্কের শত শত মিলিয়ন ডলারের সমর্থন না থাকলে তিনি গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হেরে যেতেন- এ ধারণারও বিরোধিতা করেন ট্রাম্প।
ট্রাম্প এটাও বলেছেন, মাস্ক এখন তার সুর পরিবর্তন করছেন। কারণ, তার গাড়ি কোম্পানি টেসলা, বৈদ্যুতিক যানবাহনের পেছনে করছাড় বন্ধের বিষয়ে রিপাবলিকানদের চাপে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
এরপর মাস্ক তার মালিকানাধীন সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল এক্স-এ দ্রুত লিখেছেন, হোয়াটএভার। মানে- যাই হোক না কেন, গাড়ির ভর্তুকি নিয়ে তিনি চিন্তিত নন।
তিনি জাতীয় ঋণ সঙ্কুচিত করতে চান, যেটিকে তিনি জাতির জন্য একটি অস্তিত্বগত হুমকি বলে মনে করছেন।
সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, তার সাহায্য ছাড়া গত বছরের নির্বাচনে রিপাবলিকানরা হয়তো জয় পেতো না।
তিনি ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে বলেছেন, ‘এত অকৃতজ্ঞতা’। এরপর একের পর এক আক্রমণাত্মক বক্তব্য দেওয়া শুরু করেন এই বিলিয়নেয়ার এবং বিবাদ তীব্রভাবে চলতে থাকে। শেষমেশ ট্রাম্প জানিয়ে দিলেন, মাস্কের সঙ্গে তার সম্পর্ক শেষ।
মাত্র কয়েকদিন আগেও তাদের ‘বন্ধুত্ব’ ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। অথচ বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাধর সেই দুই ব্যক্তি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্কের বিরোধ এখন তুঙ্গে। তাদের মধ্যে বাড়তে থাকা দূরত্বের গুঞ্জন মুহূর্তেই ‘বাকযুদ্ধ’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে সবার সামনে।
এরইমধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইলন মাস্কের সঙ্গে তার সম্পর্ক শেষ। রোববার দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গার্ডিয়ানের উদ্ধৃতি দিয়ে ওয়াশিংটন থেকে এএফপি জানায়, এক সময়ের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ধনকুবের ইলন মাস্কের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ হয়েছে কি-না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে শনিবার এনবিসি নিউজকে ট্রাম্প বলেন, হ্যাঁ, আমি তাই মনে করছি।
সেইসঙ্গে মাস্কের সঙ্গে সম্পর্ক পুনরুদ্ধার করতে চান কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প স্পষ্টভাবে ‘না না, কখনো না’ বলে দেন।
এছাড়া ২০২৬ সালে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ইলন মাস্ক যদি ডেমোক্র্যাটদের অর্থায়ন করেন, তার জন্য কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছেন ট্রাম্প।
তিনি বলেছেন, যদি ইলন তা করে, তাহলে তাকে অত্যন্ত করুণ পরিণতি ভোগ করতে হবে।
অবশ্য কী ধরনের পরিণতি ভোগ করতে পারেন মাস্ক- সে সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেননি ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও ইলন মাস্ককে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, টেসলা ও স্পেসএক্সের সিইও ইলন মাস্ক প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে মারাত্মক ভুল করেছেন।
বিশ্বের ক্ষমতাধর দুই ব্যক্তির মধ্যে বিরোধের বিষয়টি সামনে আসতে শুরু করে গত সপ্তাহে। গত মঙ্গলবার মার্কিন সরকারের কর ও ব্যয় নীতির সমালোচনা করে এটাকে ‘জঘন্য’ অভিহিত করেন মাস্ক।
বুধবার এ নিয়ে গুঞ্জন বাড়ে এবং বৃহস্পতিবার বিকালে এটি ওভাল অফিসে চরম উত্তেজনার বিষয়ে পরিণত হয়।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডারিক মার্জ সেদিনের অতিথি হিসেবে ওভাল অফিসে অস্বস্তিকর নীরবতায় বসে ছিলেন। আর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আচরণ ছিল প্রত্যাখ্যাত প্রেমিকের মতো!
তার প্রশাসন প্রণীত আইন নিয়ে মাস্কের সমালোচনায় বিস্ময় প্রকাশ করেন ট্রাম্প। মাস্কের শত শত মিলিয়ন ডলারের সমর্থন না থাকলে তিনি গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হেরে যেতেন- এ ধারণারও বিরোধিতা করেন ট্রাম্প।
ট্রাম্প এটাও বলেছেন, মাস্ক এখন তার সুর পরিবর্তন করছেন। কারণ, তার গাড়ি কোম্পানি টেসলা, বৈদ্যুতিক যানবাহনের পেছনে করছাড় বন্ধের বিষয়ে রিপাবলিকানদের চাপে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
এরপর মাস্ক তার মালিকানাধীন সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল এক্স-এ দ্রুত লিখেছেন, হোয়াটএভার। মানে- যাই হোক না কেন, গাড়ির ভর্তুকি নিয়ে তিনি চিন্তিত নন।
তিনি জাতীয় ঋণ সঙ্কুচিত করতে চান, যেটিকে তিনি জাতির জন্য একটি অস্তিত্বগত হুমকি বলে মনে করছেন।
সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, তার সাহায্য ছাড়া গত বছরের নির্বাচনে রিপাবলিকানরা হয়তো জয় পেতো না।
তিনি ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে বলেছেন, ‘এত অকৃতজ্ঞতা’। এরপর একের পর এক আক্রমণাত্মক বক্তব্য দেওয়া শুরু করেন এই বিলিয়নেয়ার এবং বিবাদ তীব্রভাবে চলতে থাকে। শেষমেশ ট্রাম্প জানিয়ে দিলেন, মাস্কের সঙ্গে তার সম্পর্ক শেষ।

২৬ মার্চ, ২০২৬ ১৪:১৪
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী মে মাসে চীন সফরে যাবেন। আট বছর পর এটি হবে তার প্রথম বেইজিং সফর। চলমান ইরান যুদ্ধের কারণে আগে নির্ধারিত এই সফরটি স্থগিত করা হয়েছিল। খবর জিও নিউজের।
স্থানীয় সময় বুধবার (২৫ মার্চ) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, তিনি ১৪ ও ১৫ মে বেইজিং সফর করবেন।
সেইসঙ্গে তিনি বলেন, চলতি বছরের শেষের দিকে ওয়াশিংটন সফরের জন্য তিনি শি জিনপিংকে স্বাগত জানাবেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘এই ঐতিহাসিক সফরগুলোর প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। আমি প্রেসিডেন্ট শি’র সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। এটি নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হবে।’
তবে এ বিষয়ে চীনের দূতাবাস জানিয়েছে, তারা এ মুহূর্তে কোনো তথ্য দিতে পারছে না। সাধারণত বেইজিং কয়েকদিন আগে পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট শি’র সফরসূচি প্রকাশ করে না।
এই বহুদিনের পরিকল্পিত সফর এবং এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক পুনর্গঠনের প্রচেষ্টা বারবার বিভিন্ন ঘটনার কারণে পিছিয়ে গেছে।
ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট প্রেসিডেন্টের শুল্ক আরোপের ক্ষমতা সীমিত করে, যা ট্রাম্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক হাতিয়ার ছিল। একই মাসের শেষ দিকে ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইলের সঙ্গে যৌথ সামরিক অভিযানে যুক্ত হওয়ার ফলে বেইজিংয়ের সঙ্গে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়, কারণ চীন ইরানের প্রধান তেল ক্রেতা।
২০১৭ সালে ট্রাম্পের শেষ চীন সফর ছিল কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের সর্বশেষ সফর। আগামী মে মাসের এই সফরটি হবে তাদের সর্বশেষ সরাসরি বৈঠকের পর প্রথম মুখোমুখি সাক্ষাৎ। এর আগে গত অক্টোবরে দক্ষিণ কোরিয়ায় বৈঠকে তারা বাণিজ্য নিয়ে একটি সাময়িক সমঝোতায় পৌঁছেছিলেন।
বরিশাল টাইমস
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী মে মাসে চীন সফরে যাবেন। আট বছর পর এটি হবে তার প্রথম বেইজিং সফর। চলমান ইরান যুদ্ধের কারণে আগে নির্ধারিত এই সফরটি স্থগিত করা হয়েছিল। খবর জিও নিউজের।
স্থানীয় সময় বুধবার (২৫ মার্চ) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, তিনি ১৪ ও ১৫ মে বেইজিং সফর করবেন।
সেইসঙ্গে তিনি বলেন, চলতি বছরের শেষের দিকে ওয়াশিংটন সফরের জন্য তিনি শি জিনপিংকে স্বাগত জানাবেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘এই ঐতিহাসিক সফরগুলোর প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। আমি প্রেসিডেন্ট শি’র সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। এটি নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হবে।’
তবে এ বিষয়ে চীনের দূতাবাস জানিয়েছে, তারা এ মুহূর্তে কোনো তথ্য দিতে পারছে না। সাধারণত বেইজিং কয়েকদিন আগে পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট শি’র সফরসূচি প্রকাশ করে না।
এই বহুদিনের পরিকল্পিত সফর এবং এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক পুনর্গঠনের প্রচেষ্টা বারবার বিভিন্ন ঘটনার কারণে পিছিয়ে গেছে।
ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট প্রেসিডেন্টের শুল্ক আরোপের ক্ষমতা সীমিত করে, যা ট্রাম্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক হাতিয়ার ছিল। একই মাসের শেষ দিকে ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইলের সঙ্গে যৌথ সামরিক অভিযানে যুক্ত হওয়ার ফলে বেইজিংয়ের সঙ্গে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়, কারণ চীন ইরানের প্রধান তেল ক্রেতা।
২০১৭ সালে ট্রাম্পের শেষ চীন সফর ছিল কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের সর্বশেষ সফর। আগামী মে মাসের এই সফরটি হবে তাদের সর্বশেষ সরাসরি বৈঠকের পর প্রথম মুখোমুখি সাক্ষাৎ। এর আগে গত অক্টোবরে দক্ষিণ কোরিয়ায় বৈঠকে তারা বাণিজ্য নিয়ে একটি সাময়িক সমঝোতায় পৌঁছেছিলেন।
বরিশাল টাইমস

২৪ মার্চ, ২০২৬ ২২:৫৭
লাতিন আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত দেখে মনে হচ্ছে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। এসব সংঘাত মূলত পশ্চিমা দেশগুলোর বৈশ্বিক প্রভাব ধরে রাখার প্রচেষ্টার সরাসরি ফল।
মস্কোয় গোরাসকভ ফান্ডের বোর্ড বৈঠকে দেওয়া বক্তব্যে এমন কথা বলেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সার্গেই ল্যাভরভ।
তিনি বলেন, পশ্চিমা দেশগুলো এখনো রাশিয়ার সঙ্গে সংঘাতে তাদের অবশিষ্ট রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পদ বিনিয়োগ করছে।
ল্যাভরভ আরও জানান, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের কেউ কেউ ইতোমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাত সম্ভাব্য তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হিসেবে আখ্যায়িত করতে শুরু করেছেন।
মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি যৌথবাহিনীর ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুধু আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাই নয়, বৈশ্বিক বাণিজ্য, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক পরিবহন ব্যবস্থাও ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
তিনি জানান, রাশিয়া এ পরিস্থিতি নিয়ে ইরান ও গালফ কাউন্সিলের সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও মতবিনিময় করছে।
ল্যাভরভ জোর দিয়ে বলেন, আলোচনা, ঐক্য এবং স্বার্থের ভারসাম্যের পথই মধ্যপ্রাচ্যের জন্য সবচেয়ে কার্যকর সমাধান।
পারমাণবিক নিরাপত্তা ইস্যুতে আইএইএ-এর ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি বলেন, সংস্থাটি বর্তমান হুমকির যথাযথ প্রতিক্রিয়া দিতে পারছে না।
এদিকে, কিউবার ওপর বাড়তে থাকা আন্তর্জাতিক চাপ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। রাশিয়া কিউবাকে প্রয়োজনীয় সহায়তা, বিশেষ করে মানবিক সহায়তা, অব্যাহত রাখবে বলে জানান।
ফিলিস্তিন ইস্যুতে ল্যাভরভ বলেন, রাশিয়া তার আরব ও মুসলিম মিত্রদের সঙ্গে কাজ করে জাতিসংঘের প্রস্তাব অনুযায়ী ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চেষ্টা চালিয়ে যাবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ল্যাভরভের এ বক্তব্য বর্তমান বৈশ্বিক উত্তেজনা ও শক্তির দ্বন্দ্ব আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।
বরিশাল টাইমস
লাতিন আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত দেখে মনে হচ্ছে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। এসব সংঘাত মূলত পশ্চিমা দেশগুলোর বৈশ্বিক প্রভাব ধরে রাখার প্রচেষ্টার সরাসরি ফল।
মস্কোয় গোরাসকভ ফান্ডের বোর্ড বৈঠকে দেওয়া বক্তব্যে এমন কথা বলেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সার্গেই ল্যাভরভ।
তিনি বলেন, পশ্চিমা দেশগুলো এখনো রাশিয়ার সঙ্গে সংঘাতে তাদের অবশিষ্ট রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পদ বিনিয়োগ করছে।
ল্যাভরভ আরও জানান, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের কেউ কেউ ইতোমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাত সম্ভাব্য তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হিসেবে আখ্যায়িত করতে শুরু করেছেন।
মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি যৌথবাহিনীর ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুধু আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাই নয়, বৈশ্বিক বাণিজ্য, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক পরিবহন ব্যবস্থাও ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
তিনি জানান, রাশিয়া এ পরিস্থিতি নিয়ে ইরান ও গালফ কাউন্সিলের সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও মতবিনিময় করছে।
ল্যাভরভ জোর দিয়ে বলেন, আলোচনা, ঐক্য এবং স্বার্থের ভারসাম্যের পথই মধ্যপ্রাচ্যের জন্য সবচেয়ে কার্যকর সমাধান।
পারমাণবিক নিরাপত্তা ইস্যুতে আইএইএ-এর ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি বলেন, সংস্থাটি বর্তমান হুমকির যথাযথ প্রতিক্রিয়া দিতে পারছে না।
এদিকে, কিউবার ওপর বাড়তে থাকা আন্তর্জাতিক চাপ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। রাশিয়া কিউবাকে প্রয়োজনীয় সহায়তা, বিশেষ করে মানবিক সহায়তা, অব্যাহত রাখবে বলে জানান।
ফিলিস্তিন ইস্যুতে ল্যাভরভ বলেন, রাশিয়া তার আরব ও মুসলিম মিত্রদের সঙ্গে কাজ করে জাতিসংঘের প্রস্তাব অনুযায়ী ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চেষ্টা চালিয়ে যাবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ল্যাভরভের এ বক্তব্য বর্তমান বৈশ্বিক উত্তেজনা ও শক্তির দ্বন্দ্ব আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।
বরিশাল টাইমস

২৪ মার্চ, ২০২৬ ২১:৫৪
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে কেন্দ্র করে সংঘাত চতুর্থ সপ্তাহে পৌঁছেছে। এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে হামলার পরিকল্পনা স্থগিত করেছেন, যা কিছুটা আশা জাগিয়েছে যে যুদ্ধ সম্ভবত এড়ানো যেতে পারে। তবে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেছেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ট্রাম্পের সঙ্গে সাম্প্রতিক আলোচনায় যুবরাজ ইরানের ওপর ধারাবাহিক চাপ বজায় রাখার পক্ষে জোর দিয়েছেন। তিনি যুক্তি দিয়েছেন যে চলমান মার্কিন-ইসরায়েলি সামরিক অভিযান মধ্যপ্রাচ্যকে নতুনভাবে গড়ার এক ‘ঐতিহাসিক সুযোগ’ বলে উল্লেখ করেছেন।
যুবরাজ আরও বলেছেন, ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য দীর্ঘমেয়াদী হুমকি, এবং এই হুমকি মোকাবিলা করা সম্ভব শুধুমাত্র দেশটির বর্তমান সরকারকে অপসারণের মাধ্যমে।
এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে সৌদি আরব সরকার জানিয়েছে, সৌদি আরব সংঘাত শুরু হওয়ার আগে থেকেই এর শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে ছিল। আজ আমাদের প্রধান উদ্বেগ হলো জনগণ এবং বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর প্রতিদিনের হামলা থেকে নিজেদের রক্ষা করা। ইরান গুরুতর কূটনৈতিক সমাধানের পরিবর্তে বিপজ্জনক চরমপন্থা বেছে নিয়েছে। এটি সংশ্লিষ্ট প্রতিটি পক্ষের ক্ষতি করে, তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় ইরানের নিজস্ব।
চলমান যুদ্ধ এরই মধ্যে সৌদি আরবের জন্য গুরুতর অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত প্রভাব ফেলেছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা তেলের বাজারকে ব্যাহত করেছে এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর হুমকি সৃষ্টি করেছে। হরমুজ প্রণালি, যা বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ পথ, মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর রপ্তানি প্রভাবিত হয়েছে।
ট্রাম্প একদিকে সম্ভাব্য উত্তেজনা হ্রাসের ইঙ্গিত দিয়েছেন, অন্যদিকে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করার আভাসও দিয়েছেন। সম্প্রতি তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ পোস্টে তিনি উল্লেখ করেছেন, আমাদের শত্রুতার একটি সম্পূর্ণ ও সার্বিক সমাধানের বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
তবে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, যুবরাজ মোহাম্মদ আরও কঠোর পদক্ষেপের পক্ষে যুক্তি দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা এবং তেহরান সরকারের ওপর স্থল অভিযান চালানোর সম্ভাবনা।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে কেন্দ্র করে সংঘাত চতুর্থ সপ্তাহে পৌঁছেছে। এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে হামলার পরিকল্পনা স্থগিত করেছেন, যা কিছুটা আশা জাগিয়েছে যে যুদ্ধ সম্ভবত এড়ানো যেতে পারে। তবে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেছেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ট্রাম্পের সঙ্গে সাম্প্রতিক আলোচনায় যুবরাজ ইরানের ওপর ধারাবাহিক চাপ বজায় রাখার পক্ষে জোর দিয়েছেন। তিনি যুক্তি দিয়েছেন যে চলমান মার্কিন-ইসরায়েলি সামরিক অভিযান মধ্যপ্রাচ্যকে নতুনভাবে গড়ার এক ‘ঐতিহাসিক সুযোগ’ বলে উল্লেখ করেছেন।
যুবরাজ আরও বলেছেন, ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য দীর্ঘমেয়াদী হুমকি, এবং এই হুমকি মোকাবিলা করা সম্ভব শুধুমাত্র দেশটির বর্তমান সরকারকে অপসারণের মাধ্যমে।
এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে সৌদি আরব সরকার জানিয়েছে, সৌদি আরব সংঘাত শুরু হওয়ার আগে থেকেই এর শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে ছিল। আজ আমাদের প্রধান উদ্বেগ হলো জনগণ এবং বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর প্রতিদিনের হামলা থেকে নিজেদের রক্ষা করা। ইরান গুরুতর কূটনৈতিক সমাধানের পরিবর্তে বিপজ্জনক চরমপন্থা বেছে নিয়েছে। এটি সংশ্লিষ্ট প্রতিটি পক্ষের ক্ষতি করে, তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় ইরানের নিজস্ব।
চলমান যুদ্ধ এরই মধ্যে সৌদি আরবের জন্য গুরুতর অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত প্রভাব ফেলেছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা তেলের বাজারকে ব্যাহত করেছে এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর হুমকি সৃষ্টি করেছে। হরমুজ প্রণালি, যা বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ পথ, মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর রপ্তানি প্রভাবিত হয়েছে।
ট্রাম্প একদিকে সম্ভাব্য উত্তেজনা হ্রাসের ইঙ্গিত দিয়েছেন, অন্যদিকে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করার আভাসও দিয়েছেন। সম্প্রতি তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ পোস্টে তিনি উল্লেখ করেছেন, আমাদের শত্রুতার একটি সম্পূর্ণ ও সার্বিক সমাধানের বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
তবে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, যুবরাজ মোহাম্মদ আরও কঠোর পদক্ষেপের পক্ষে যুক্তি দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা এবং তেহরান সরকারের ওপর স্থল অভিযান চালানোর সম্ভাবনা।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.