
১৭ জুন, ২০২৫ ২০:৪১
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-ইসরাইল যুদ্ধে তেহরানে অবস্থানরত ৪০০ বাংলাদেশি গুরুতর ঝুঁকিতে রয়েছে। তাদেরকে এরই মধ্যে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ার তৎপরতা শুরু করেছে দূতাবাস। এখন পর্যন্ত ১০০ বাংলাদেশি নিরাপত্তা ইস্যুতে দূতাবাসের সহযোগিতা চেয়েছে, তাদেরকে সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। সব মিলিয়ে ইরানে প্রায় ২ হাজার বাংলাদেশি রয়েছেন। ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিব রুহুল আলম সিদ্দিকী মঙ্গলবার এসব তথ্য জানান।
ভারপ্রাপ্ত সচিব রুহুল আলম সিদ্দিক বলেন, ইরানে প্রায় ২ হাজারের বেশি বাংলাদেশি বসবাস করছেন। এর মধ্যে তেহরানে আছেন প্রায় ৪০০ জন, যাদের মধ্যে বাংলাদেশ দূতাবাসের ৪০ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও রয়েছেন। ইসরাইলের হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ইরানের রাজধানী তেহরানে অবস্থানরত প্রায় ৪০০ বাংলাদেশি বর্তমানে গুরুতর নিরাপত্তা হুমকির মুখে রয়েছেন। তাদের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। গত সোমবার রেডিও তেহরানের কার্যালয় ইসরায়েলি হামলার শিকার হয়েছে। রেডিও তেহরানের বাংলা বিভাগে কমপক্ষে ৮জন বাংলাদেশি সাংবাদিক কাজ করেন। হামলার সময় তারা অফিসেই ছিলেন। তবে তারা নিরাপদ ছিলেন।
ভারপ্রাপ্ত সচিব রুহুল আলম সিদ্দিক বলেন, এরই মধ্যে তেহরানে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই স্থানান্তরের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। তেহরানে অবস্থানরত ১০০ জন বাংলাদেশি নিরাপদ আশ্রয় চেয়ে দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, তাদের নিরাপদ এলাকায় সরে যাওয়ার জন্য সকল ধরনের (বাসস্থান, খাবার, ওষুধসহ আনুষঙ্গিক ব্যয়ভার বাংলাদেশ সরকার বহন করছে) সহযোগিতা করা হচ্ছে। শুধু তাদেরই নয় যারাই আমাদের সহযোগিতা চাইবেন তাদের সহযোগিতা দেওয়া হবে। এজন্য হট লাইন চালু করা হয়েছে। তেহরানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ইতোমধ্যে নিজের বাসভবন ছেড়ে তুলনামূলক নিরাপদ স্থানে সরে গেছেন। তেহরানে বাংলাদেশ দূতাবাসও ঝুঁকিতে রয়েছে। আমরা দূতাবাসও নিরাপদ কোনো স্থানে সরিয়ে নিচ্ছি।
এক প্রশ্নের জবাবে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ইরান থেকে বাংলাদেশিদের সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি সহজ নয়। ইরানের সঙ্গে আকাশ যোগাযোগ বন্ধ থাকায় সহজেই ইরান ছেড়ে অন্যত্র যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। আবার স্থলপথে ইরান থেকে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টিও নিরাপদ নয়। তাই তেহরান থেকে ইরানের মধ্যেই নিরাপদ দূরত্বে বাংলাদেশিদের সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। একইসঙ্গে ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার কারণে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে অর্থ পাঠানো অত্যন্ত কঠিন। তবে আমরা বিকল্প পথ খুঁজছি। এইক্ষেত্রে আমাদের বন্ধু দেশসহ ইরানের সহযোগিতা নিচ্ছি।
ইরান-ইসরাইল যুদ্ধে অর্থনীতিতে কী প্রভাব পড়তে পারে? এমন প্রশ্নের জবাবে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব বলেন, এই ঘটনার খুব বেশিদিন হয়নি এবং এমন পরিস্থিতি কতদিন চলবে তা আমাদের জানা নাই। তাই অর্থনীতিতে কী প্রভাব পড়বে তা এখনই আমরা নিরূপণ করতে পারিনি।
ইরান-ইসরাইল যুদ্ধে বাংলাদেশের অবস্থান কী? এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রণালয়ের জাতিসংঘ অনুবিভাগের মহাপরিচালক ব্রিফিংয়ে বলেন, বাংলাদেশ জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে একটি স্থিতিশীল মধ্যপ্রাচ্যের সমর্থনে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে গত ১৩ জুন বিবৃতি প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কূটনীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাই স্থায়ী শান্তির একমাত্র কার্যকর পথ। বাংলাদেশ সকল পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন এবং অস্থিতিশীল এ অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে, এমন পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। এ হামলা জাতিসংঘ সনদ, আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতি ও ইরানের সার্বভৌমত্বের প্রতি স্পষ্ট লঙ্ঘন। এধরনের হামলা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তায় একটি গুরুতর হুমকি এবং এটি সুদূরপ্রসারী পরিণতি ডেকে আনবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানে বসবাসকারী সকল বাংলাদেশি নাগরিক ও বাংলাদেশে তাদের আত্মীয়স্বজন জরুরি পরিস্থিতিতে দূতাবাস এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিম্নলিখিত মোবাইল ফোন নম্বরগুলোতে (হোয়াটসঅ্যাপ সহ) সরাসরি যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ দূতাবাস, তেহরান হটলাইন: +৯৮৯৯০৮৫৭৭৩৬৮ ও +৯৮৯১২২০৬৫৭৪৫। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ঢাকা হটলাইন: +৮৮০১৭১২০১২৮৪৭।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-ইসরাইল যুদ্ধে তেহরানে অবস্থানরত ৪০০ বাংলাদেশি গুরুতর ঝুঁকিতে রয়েছে। তাদেরকে এরই মধ্যে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ার তৎপরতা শুরু করেছে দূতাবাস। এখন পর্যন্ত ১০০ বাংলাদেশি নিরাপত্তা ইস্যুতে দূতাবাসের সহযোগিতা চেয়েছে, তাদেরকে সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। সব মিলিয়ে ইরানে প্রায় ২ হাজার বাংলাদেশি রয়েছেন। ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিব রুহুল আলম সিদ্দিকী মঙ্গলবার এসব তথ্য জানান।
ভারপ্রাপ্ত সচিব রুহুল আলম সিদ্দিক বলেন, ইরানে প্রায় ২ হাজারের বেশি বাংলাদেশি বসবাস করছেন। এর মধ্যে তেহরানে আছেন প্রায় ৪০০ জন, যাদের মধ্যে বাংলাদেশ দূতাবাসের ৪০ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও রয়েছেন। ইসরাইলের হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ইরানের রাজধানী তেহরানে অবস্থানরত প্রায় ৪০০ বাংলাদেশি বর্তমানে গুরুতর নিরাপত্তা হুমকির মুখে রয়েছেন। তাদের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। গত সোমবার রেডিও তেহরানের কার্যালয় ইসরায়েলি হামলার শিকার হয়েছে। রেডিও তেহরানের বাংলা বিভাগে কমপক্ষে ৮জন বাংলাদেশি সাংবাদিক কাজ করেন। হামলার সময় তারা অফিসেই ছিলেন। তবে তারা নিরাপদ ছিলেন।
ভারপ্রাপ্ত সচিব রুহুল আলম সিদ্দিক বলেন, এরই মধ্যে তেহরানে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই স্থানান্তরের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। তেহরানে অবস্থানরত ১০০ জন বাংলাদেশি নিরাপদ আশ্রয় চেয়ে দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, তাদের নিরাপদ এলাকায় সরে যাওয়ার জন্য সকল ধরনের (বাসস্থান, খাবার, ওষুধসহ আনুষঙ্গিক ব্যয়ভার বাংলাদেশ সরকার বহন করছে) সহযোগিতা করা হচ্ছে। শুধু তাদেরই নয় যারাই আমাদের সহযোগিতা চাইবেন তাদের সহযোগিতা দেওয়া হবে। এজন্য হট লাইন চালু করা হয়েছে। তেহরানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ইতোমধ্যে নিজের বাসভবন ছেড়ে তুলনামূলক নিরাপদ স্থানে সরে গেছেন। তেহরানে বাংলাদেশ দূতাবাসও ঝুঁকিতে রয়েছে। আমরা দূতাবাসও নিরাপদ কোনো স্থানে সরিয়ে নিচ্ছি।
এক প্রশ্নের জবাবে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ইরান থেকে বাংলাদেশিদের সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি সহজ নয়। ইরানের সঙ্গে আকাশ যোগাযোগ বন্ধ থাকায় সহজেই ইরান ছেড়ে অন্যত্র যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। আবার স্থলপথে ইরান থেকে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টিও নিরাপদ নয়। তাই তেহরান থেকে ইরানের মধ্যেই নিরাপদ দূরত্বে বাংলাদেশিদের সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। একইসঙ্গে ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার কারণে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে অর্থ পাঠানো অত্যন্ত কঠিন। তবে আমরা বিকল্প পথ খুঁজছি। এইক্ষেত্রে আমাদের বন্ধু দেশসহ ইরানের সহযোগিতা নিচ্ছি।
ইরান-ইসরাইল যুদ্ধে অর্থনীতিতে কী প্রভাব পড়তে পারে? এমন প্রশ্নের জবাবে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব বলেন, এই ঘটনার খুব বেশিদিন হয়নি এবং এমন পরিস্থিতি কতদিন চলবে তা আমাদের জানা নাই। তাই অর্থনীতিতে কী প্রভাব পড়বে তা এখনই আমরা নিরূপণ করতে পারিনি।
ইরান-ইসরাইল যুদ্ধে বাংলাদেশের অবস্থান কী? এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রণালয়ের জাতিসংঘ অনুবিভাগের মহাপরিচালক ব্রিফিংয়ে বলেন, বাংলাদেশ জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে একটি স্থিতিশীল মধ্যপ্রাচ্যের সমর্থনে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে গত ১৩ জুন বিবৃতি প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কূটনীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাই স্থায়ী শান্তির একমাত্র কার্যকর পথ। বাংলাদেশ সকল পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন এবং অস্থিতিশীল এ অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে, এমন পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। এ হামলা জাতিসংঘ সনদ, আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতি ও ইরানের সার্বভৌমত্বের প্রতি স্পষ্ট লঙ্ঘন। এধরনের হামলা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তায় একটি গুরুতর হুমকি এবং এটি সুদূরপ্রসারী পরিণতি ডেকে আনবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানে বসবাসকারী সকল বাংলাদেশি নাগরিক ও বাংলাদেশে তাদের আত্মীয়স্বজন জরুরি পরিস্থিতিতে দূতাবাস এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিম্নলিখিত মোবাইল ফোন নম্বরগুলোতে (হোয়াটসঅ্যাপ সহ) সরাসরি যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ দূতাবাস, তেহরান হটলাইন: +৯৮৯৯০৮৫৭৭৩৬৮ ও +৯৮৯১২২০৬৫৭৪৫। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ঢাকা হটলাইন: +৮৮০১৭১২০১২৮৪৭।

০৮ মে, ২০২৬ ১২:০০
ভারতের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে বড় চমক দেখিয়েছে বিজয় থালাপতির দল তামিলাগা ভেট্ট্রি কাজাগাম (টিভিকে)। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন পায়নি দলটি। ফলে জোট নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে তার দলের ১০৭ এমপি একযোগে পদত্যাগের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
শুক্রবার (৮ মে) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্রাবিড় মুনেত্র কড়গম (ডিএমকে) বা সর্বভারতীয় আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কড়গম (এআইএডিএমকে) সরকার গঠনের চেষ্টা করলে দলের ১০৭ এমপি পদত্যাগ করবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে টিভিকে। দলীয় সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।
ডিএমকে ও এআইএডিএমকের শিবিরে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত সামনে এসেছে। এম কে স্টালিনের ডিএমকে এবং ই পালানিস্বামীর এআইএডিএমকে একসঙ্গে সরকার গঠনের চেষ্টা করছে বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। এ দুই দলের জোট হলে সর্বাধিক জনসমর্থন পাওয়া দল টিভিকে পিছিয়ে পড়তে পারে।
১০৭টি আসন জিতে টিভিকে দাবি করছে, একক বৃহত্তম দল হিসেবে সরকার গঠনের জন্য গভর্নরের উচিত তাদের আমন্ত্রণ জানানো। তবে তামিলনাড়ুর গভর্নর আর ভি আর্লেকার বিজয়কে সরকার গঠনের দাবি জানাতে অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন, বিজয়ের হাতে পর্যাপ্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য বিজয় যে পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছিলেন, তা-ও তিনি গ্রহণ করেননি।
সূত্র জানিয়েছে, টানা দুই দিনের মধ্যে দ্বিতীয় বৈঠকেও গভর্নর জানিয়েছেন, সরকার গঠনের জন্য অন্তত ১১৮ এমপির সমর্থনের চিঠি জমা দিতে হবে। রাজভবনের এক বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
এনডিটিভি জানিয়েছে, সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে টিভিকের আরও ১০টি আসন প্রয়োজন। এরই মধ্যে কংগ্রেসের ৫ এমপি তাদের সমর্থন দিয়েছে। বাম দল এবং কয়েকটি ছোট দলের সঙ্গে বাকি সমর্থন জোগাড়ে আলোচনা চলছে। সূত্র বলছে, বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ারও প্রস্তুতি নিচ্ছে টিভিকে।

০২ মে, ২০২৬ ১২:১৭
কুয়েত সিটির ফারওয়ানিয়া গভর্নরেটে বাসযাত্রীদের লক্ষ্য করে ধারাবাহিক ডাকাতির ঘটনায় তিন সদস্যের একটি চক্রকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
গ্রেপ্তাররা সবাই বাংলাদেশি নাগরিক। জেলিব আল-শুয়ুখ পুলিশ স্টেশনের নেতৃত্বে একটি সমন্বিত অভিযানে তাদের আটক করা হয়। একটি গণপরিবহন কোম্পানির টিকিট পরিদর্শকের অভিযোগের পর এ অভিযান শুরু হয়। ওই পরিদর্শক জানান, বাসে যাত্রীদের কাছ থেকে বারবার ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছিল।
অভিযোগ পাওয়ার পর নিরাপত্তা বাহিনী নজরদারি বাড়ায় এবং যাচাই-বাছাই শুরু করে। বাসের ভেতরের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করা হয় এবং পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ৩৩৩ কুয়েতি দিনার উদ্ধার করা হয়েছে। এগুলো ডাকাতির অর্থ বলে ধারণা করা হচ্ছে। আটক ব্যক্তিদের জব্দকৃত অর্থসহ আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে। একই সঙ্গে জনগণকে যে কোনো সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের তথ্য জরুরি নম্বর ১১২-এ জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। সূত্র : আরব টাইমস

০১ মে, ২০২৬ ১৪:৩০
উনিশ শতকের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রে শিল্পায়ন দ্রুত এগোলেও শ্রমিকদের সুরক্ষার জন্য তেমন কোনো নিয়মকানুন ছিল না। ফলে সেই সময়ের শ্রমিকদের শোচনীয় মজুরি ও দীর্ঘ, ক্লান্তিকর কর্মঘণ্টা সহ্য করতে হতো। ১৮৮৬ সালের মে মাসে পরিস্থিতির একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় আসে, যখন হাজার হাজার শ্রমিক দৈনিক কাজের সময় নির্দিষ্ট ও মানবিক সীমায় আনার দাবিতে শিকাগোর রাস্তায় নেমে আসে।
হেমার্কেট দাঙ্গার সময় একটি ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে, যা ব্যাপক দমনপীড়নের সূচনা করে। এতে পুলিশ ও বিক্ষোভকারী—উভয় পক্ষেরই প্রাণহানি ঘটে। পরবর্তীতে কয়েকজন শ্রমিক নেতা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হন, যা এই আন্দোলনকে বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের এক শক্তিশালী প্রতীকে পরিণত করে।
উত্তর আমেরিকায় তারিখ ভিন্ন কেন?
একটি বৈপরীত্য হলো, যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এই আন্দোলনের সূচনা, সেই দেশেই ১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে পালন করা হয় না। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা শ্রমিক দিবস হিসেবে সেপ্টেম্বরের প্রথম সোমবারকে বেছে নিয়েছে। এটি মূলত একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল জনগণকে ১৮৮৬ সালের তুলনামূলকভাবে সংগ্রামী শ্রমিক আন্দোলনের আদর্শ থেকে দূরে রাখা।
অন্যদিকে, ফ্রান্স বা সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মতো দেশগুলো ১ মে-কে সরকারি ছুটির দিন হিসেবে গ্রহণ করে, যেখানে বর্ণাঢ্য প্যারেড ও নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কিন্তু উত্তর আমেরিকায় এই তারিখটিকে দীর্ঘদিন ধরে তার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকে আড়াল করে রাখা হয়েছে।
২০২৬ সালের কর্মসংস্থান চ্যালেঞ্জ
বর্তমানে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের আলোচনা নতুন এক বাস্তবতায় পৌঁছেছে। একবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে এসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্বয়ংক্রিয়তা এবং অনিশ্চিত কর্মসংস্থান শ্রমবাজারের প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।
যদিও আট ঘণ্টার কর্মদিবসের মতো ঐতিহাসিক অর্জন এখনো বিদ্যমান, তবুও মজুরির বৈষম্য এবং অনানুষ্ঠানিক কাজের বিস্তার নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। এসব সমস্যার সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত ও আধুনিক উদ্যোগ।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
ভারতের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে বড় চমক দেখিয়েছে বিজয় থালাপতির দল তামিলাগা ভেট্ট্রি কাজাগাম (টিভিকে)। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন পায়নি দলটি। ফলে জোট নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে তার দলের ১০৭ এমপি একযোগে পদত্যাগের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
শুক্রবার (৮ মে) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্রাবিড় মুনেত্র কড়গম (ডিএমকে) বা সর্বভারতীয় আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কড়গম (এআইএডিএমকে) সরকার গঠনের চেষ্টা করলে দলের ১০৭ এমপি পদত্যাগ করবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে টিভিকে। দলীয় সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।
ডিএমকে ও এআইএডিএমকের শিবিরে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত সামনে এসেছে। এম কে স্টালিনের ডিএমকে এবং ই পালানিস্বামীর এআইএডিএমকে একসঙ্গে সরকার গঠনের চেষ্টা করছে বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। এ দুই দলের জোট হলে সর্বাধিক জনসমর্থন পাওয়া দল টিভিকে পিছিয়ে পড়তে পারে।
১০৭টি আসন জিতে টিভিকে দাবি করছে, একক বৃহত্তম দল হিসেবে সরকার গঠনের জন্য গভর্নরের উচিত তাদের আমন্ত্রণ জানানো। তবে তামিলনাড়ুর গভর্নর আর ভি আর্লেকার বিজয়কে সরকার গঠনের দাবি জানাতে অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন, বিজয়ের হাতে পর্যাপ্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য বিজয় যে পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছিলেন, তা-ও তিনি গ্রহণ করেননি।
সূত্র জানিয়েছে, টানা দুই দিনের মধ্যে দ্বিতীয় বৈঠকেও গভর্নর জানিয়েছেন, সরকার গঠনের জন্য অন্তত ১১৮ এমপির সমর্থনের চিঠি জমা দিতে হবে। রাজভবনের এক বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
এনডিটিভি জানিয়েছে, সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে টিভিকের আরও ১০টি আসন প্রয়োজন। এরই মধ্যে কংগ্রেসের ৫ এমপি তাদের সমর্থন দিয়েছে। বাম দল এবং কয়েকটি ছোট দলের সঙ্গে বাকি সমর্থন জোগাড়ে আলোচনা চলছে। সূত্র বলছে, বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ারও প্রস্তুতি নিচ্ছে টিভিকে।
কুয়েত সিটির ফারওয়ানিয়া গভর্নরেটে বাসযাত্রীদের লক্ষ্য করে ধারাবাহিক ডাকাতির ঘটনায় তিন সদস্যের একটি চক্রকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
গ্রেপ্তাররা সবাই বাংলাদেশি নাগরিক। জেলিব আল-শুয়ুখ পুলিশ স্টেশনের নেতৃত্বে একটি সমন্বিত অভিযানে তাদের আটক করা হয়। একটি গণপরিবহন কোম্পানির টিকিট পরিদর্শকের অভিযোগের পর এ অভিযান শুরু হয়। ওই পরিদর্শক জানান, বাসে যাত্রীদের কাছ থেকে বারবার ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছিল।
অভিযোগ পাওয়ার পর নিরাপত্তা বাহিনী নজরদারি বাড়ায় এবং যাচাই-বাছাই শুরু করে। বাসের ভেতরের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করা হয় এবং পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ৩৩৩ কুয়েতি দিনার উদ্ধার করা হয়েছে। এগুলো ডাকাতির অর্থ বলে ধারণা করা হচ্ছে। আটক ব্যক্তিদের জব্দকৃত অর্থসহ আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে। একই সঙ্গে জনগণকে যে কোনো সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের তথ্য জরুরি নম্বর ১১২-এ জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। সূত্র : আরব টাইমস
উনিশ শতকের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রে শিল্পায়ন দ্রুত এগোলেও শ্রমিকদের সুরক্ষার জন্য তেমন কোনো নিয়মকানুন ছিল না। ফলে সেই সময়ের শ্রমিকদের শোচনীয় মজুরি ও দীর্ঘ, ক্লান্তিকর কর্মঘণ্টা সহ্য করতে হতো। ১৮৮৬ সালের মে মাসে পরিস্থিতির একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় আসে, যখন হাজার হাজার শ্রমিক দৈনিক কাজের সময় নির্দিষ্ট ও মানবিক সীমায় আনার দাবিতে শিকাগোর রাস্তায় নেমে আসে।
হেমার্কেট দাঙ্গার সময় একটি ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে, যা ব্যাপক দমনপীড়নের সূচনা করে। এতে পুলিশ ও বিক্ষোভকারী—উভয় পক্ষেরই প্রাণহানি ঘটে। পরবর্তীতে কয়েকজন শ্রমিক নেতা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হন, যা এই আন্দোলনকে বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের এক শক্তিশালী প্রতীকে পরিণত করে।
উত্তর আমেরিকায় তারিখ ভিন্ন কেন?
একটি বৈপরীত্য হলো, যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এই আন্দোলনের সূচনা, সেই দেশেই ১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে পালন করা হয় না। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা শ্রমিক দিবস হিসেবে সেপ্টেম্বরের প্রথম সোমবারকে বেছে নিয়েছে। এটি মূলত একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল জনগণকে ১৮৮৬ সালের তুলনামূলকভাবে সংগ্রামী শ্রমিক আন্দোলনের আদর্শ থেকে দূরে রাখা।
অন্যদিকে, ফ্রান্স বা সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মতো দেশগুলো ১ মে-কে সরকারি ছুটির দিন হিসেবে গ্রহণ করে, যেখানে বর্ণাঢ্য প্যারেড ও নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কিন্তু উত্তর আমেরিকায় এই তারিখটিকে দীর্ঘদিন ধরে তার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকে আড়াল করে রাখা হয়েছে।
২০২৬ সালের কর্মসংস্থান চ্যালেঞ্জ
বর্তমানে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের আলোচনা নতুন এক বাস্তবতায় পৌঁছেছে। একবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে এসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্বয়ংক্রিয়তা এবং অনিশ্চিত কর্মসংস্থান শ্রমবাজারের প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।
যদিও আট ঘণ্টার কর্মদিবসের মতো ঐতিহাসিক অর্জন এখনো বিদ্যমান, তবুও মজুরির বৈষম্য এবং অনানুষ্ঠানিক কাজের বিস্তার নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। এসব সমস্যার সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত ও আধুনিক উদ্যোগ।