
০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৪:০১
জমি কেনার বায়না টাকা ফেরত নিয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের কুটচালে বিপাকে পরেছেন কুয়াকাটা পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব নেছার উদ্দিন হাওলাদার।
স্থানীয় এক ব্যক্তির নিকট থেকে জোরপূর্বক ৩০ লক্ষ টাকার চেক হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ ভাইরাল করার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়েছেন তার প্রতিপক্ষরা। মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টার দিকে মুসুল্লীয়াবাদ গ্রামে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি পরিস্কার করলেন অভিযোগাকারীর পিতা মোস্তফা আকন।
গত রবিবার (৩১ আগষ্ট) কুয়াকাটা পৌর ছাত্রদল নেতা নেছার উদ্দিন হাওলাদার এক ব্যক্তির নিকট থেকে ৩০ লাখ টাকার একটি ব্যাংক চেক জোরপূর্বক হাতিয়ে নিয়েছেন এমন কিছু ছবি ও একটি ভিডিও ক্লিপ সাংবাদিকদের কাছে সরবরাহ করেন একটি পক্ষ। কিন্তু প্রেরিত ছবিতে কিছু অসংগতি এবং ভিডিও ক্লিপে কুয়াকাটা পৌর বিএনপির ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন ঘরামীর কণ্ঠ শোনা যায়। তিনি অভিযোগকারী হালিম আকনকে চেকটি উদ্ধার করতে চাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন।
ছবি ও ভিডিও ক্লিপ পাওয়ার পর হালিম আকনের বক্তব্য না পেয়ে অনেক সাংবাদিক সংবাদ প্রকাশ করেননি। তবে কয়েকটি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। এ বিষয়ে কুয়াকাটা পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন ঘরামী বলেন, ‘ভিডিও ধারণ করার সময় আমি পাশে থেকে হালিমের অভিযোগ শুনছিলাম। আমি কাউকে ভিডিও সরবরাহ করিনি।
কে বা কারা ভিডিও ও ছবি সরবরাহ করেছেন তা আমার জানা নেই।’ নেছার উদ্দিন জানান, তিনি ২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর জেএল ৩৪নং লতাচাপলী মৌজার এসএ ২১০৬ নং খতিয়ানের ৩৬৫৫ নং দাগ এবং বিএস ৪৩৯ নং খতিয়ানের ৪১০৬ নং দাগের অংশ থেকে ০.১৫ একর জমি ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকায় ক্রয় করেন। এরপর বিভিন্ন তারিখে ৩৬ লাখ টাকা পরিশোধ করে একশত টাকা মূল্যমানের তিনখানা ননজুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে একটি বায়না চুক্তিপত্র দলিল সম্পাদন করা হয়।
পরবর্তীতে ওই জমি বেশি মূল্যে দাতা মোস্তফা আকন অন্যত্র বিক্রয় করেন। বিষয়টি নেছার উদ্দিন জানতে চাইলে তাকে নগদ ৫ লাখ টাকা ফেরৎ দেন এবং মোস্তফা আকনের পুত্র আব্দুল হালিম আকনের নামীয় একটি ব্যাংক চেক প্রদান করেন। পরবর্তীতে জমি বিক্রয়ের টাকা নিয়ে পিতা-পুত্রের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়ে হালিম আকন সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে একটি আবেদন জমা দেন।
যাতে ছাত্রদল নেতা টাকা উত্তোলন করতে না পারেন। ব্যাংকে আবেদন করার বিষয়টি জানতে পেরে ছাত্রদল নেতার প্রতিপক্ষরা হালিম আকনকে ব্যবহার করে একটি ভিডিও ক্লিপ ধারণ করে স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে সরবরাহ করেন।
ছাত্রদল নেতা বিষয়টি টের পেয়ে মোস্তফা আকনকে জানালে তিনি ব্যাংকে উপস্থিত হয়ে ২৮ লাখ টাকা উত্তোলন করে দেন এবং হালিম আকনের চেকটি ফেরৎ নেন। এখনো নেছার উদ্দিন ৩ লাখ টাকা পাওনা আছেন।
এ বক্তব্য সাংবাদিকদের দেয়ার সময় মোস্তফা আকন পাশে বসা ছিলেন। ছাত্রদল নেতার বক্তব্যের সাথে একমত পোষণ করে তিনি বলেন, ‘নেছার উদ্দিন আমাদের কাছে জমির টাকা পাবে, তার প্রেক্ষিতে চেক দেওয়া হয়েছে, জোরপূর্বক নেয়নি। আমার ছেলে হালিমকে কেউ ভুল বুঝিয়ে মিথ্যা অভিযোগ প্রচার করিয়েছেন। নেছারের সঙ্গে আমাদের দেনা-পাওনার বিষয় সমাধান হয়ে গেছে। তার বিরুদ্ধে আমাদের পরিবারের কোন অভিযোগ নেই’ নেছার উদ্দিন হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, ‘এই ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য একটি মহল হালিম আকনকে জোরপূর্বক আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা স্টেটমেন্ট নিয়ে সেগুলো বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করেছেন। এমনকি আমার নামে কয়েকটি পত্রিকায় চাঁদাবাজির অভিযোগে সংবাদও প্রকাশ করা হয়েছে।
বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং পরিকল্পিত। এতে আমার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলন তিনি দাবি করেন। তবে এ বিষয়ে আব্দুল হালিম আকনের কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
তার ব্যবহৃত মুঠোফোন গত কয়েকদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। এ বিষয়ে কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মতিউর রহমান হাওলাদার বলেন, ‘কুয়াকাটা পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব নেছার উদ্দিনের সাথে মোস্তফা আকনের জমি ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত লেনদেন ছিলো। আমার জানামতে ইতোমধ্যে তা সমাধান হয়েছে।
তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠছিলো তাও মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। দলের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা কোন অন্যায় করলে মূল দলের নেতারা তা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করবেন। এ নিয়ে অপরাজনীতির কোন সুযোগ নেই।
জমি কেনার বায়না টাকা ফেরত নিয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের কুটচালে বিপাকে পরেছেন কুয়াকাটা পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব নেছার উদ্দিন হাওলাদার।
স্থানীয় এক ব্যক্তির নিকট থেকে জোরপূর্বক ৩০ লক্ষ টাকার চেক হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ ভাইরাল করার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়েছেন তার প্রতিপক্ষরা। মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টার দিকে মুসুল্লীয়াবাদ গ্রামে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি পরিস্কার করলেন অভিযোগাকারীর পিতা মোস্তফা আকন।
গত রবিবার (৩১ আগষ্ট) কুয়াকাটা পৌর ছাত্রদল নেতা নেছার উদ্দিন হাওলাদার এক ব্যক্তির নিকট থেকে ৩০ লাখ টাকার একটি ব্যাংক চেক জোরপূর্বক হাতিয়ে নিয়েছেন এমন কিছু ছবি ও একটি ভিডিও ক্লিপ সাংবাদিকদের কাছে সরবরাহ করেন একটি পক্ষ। কিন্তু প্রেরিত ছবিতে কিছু অসংগতি এবং ভিডিও ক্লিপে কুয়াকাটা পৌর বিএনপির ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন ঘরামীর কণ্ঠ শোনা যায়। তিনি অভিযোগকারী হালিম আকনকে চেকটি উদ্ধার করতে চাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন।
ছবি ও ভিডিও ক্লিপ পাওয়ার পর হালিম আকনের বক্তব্য না পেয়ে অনেক সাংবাদিক সংবাদ প্রকাশ করেননি। তবে কয়েকটি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। এ বিষয়ে কুয়াকাটা পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন ঘরামী বলেন, ‘ভিডিও ধারণ করার সময় আমি পাশে থেকে হালিমের অভিযোগ শুনছিলাম। আমি কাউকে ভিডিও সরবরাহ করিনি।
কে বা কারা ভিডিও ও ছবি সরবরাহ করেছেন তা আমার জানা নেই।’ নেছার উদ্দিন জানান, তিনি ২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর জেএল ৩৪নং লতাচাপলী মৌজার এসএ ২১০৬ নং খতিয়ানের ৩৬৫৫ নং দাগ এবং বিএস ৪৩৯ নং খতিয়ানের ৪১০৬ নং দাগের অংশ থেকে ০.১৫ একর জমি ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকায় ক্রয় করেন। এরপর বিভিন্ন তারিখে ৩৬ লাখ টাকা পরিশোধ করে একশত টাকা মূল্যমানের তিনখানা ননজুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে একটি বায়না চুক্তিপত্র দলিল সম্পাদন করা হয়।
পরবর্তীতে ওই জমি বেশি মূল্যে দাতা মোস্তফা আকন অন্যত্র বিক্রয় করেন। বিষয়টি নেছার উদ্দিন জানতে চাইলে তাকে নগদ ৫ লাখ টাকা ফেরৎ দেন এবং মোস্তফা আকনের পুত্র আব্দুল হালিম আকনের নামীয় একটি ব্যাংক চেক প্রদান করেন। পরবর্তীতে জমি বিক্রয়ের টাকা নিয়ে পিতা-পুত্রের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়ে হালিম আকন সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে একটি আবেদন জমা দেন।
যাতে ছাত্রদল নেতা টাকা উত্তোলন করতে না পারেন। ব্যাংকে আবেদন করার বিষয়টি জানতে পেরে ছাত্রদল নেতার প্রতিপক্ষরা হালিম আকনকে ব্যবহার করে একটি ভিডিও ক্লিপ ধারণ করে স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে সরবরাহ করেন।
ছাত্রদল নেতা বিষয়টি টের পেয়ে মোস্তফা আকনকে জানালে তিনি ব্যাংকে উপস্থিত হয়ে ২৮ লাখ টাকা উত্তোলন করে দেন এবং হালিম আকনের চেকটি ফেরৎ নেন। এখনো নেছার উদ্দিন ৩ লাখ টাকা পাওনা আছেন।
এ বক্তব্য সাংবাদিকদের দেয়ার সময় মোস্তফা আকন পাশে বসা ছিলেন। ছাত্রদল নেতার বক্তব্যের সাথে একমত পোষণ করে তিনি বলেন, ‘নেছার উদ্দিন আমাদের কাছে জমির টাকা পাবে, তার প্রেক্ষিতে চেক দেওয়া হয়েছে, জোরপূর্বক নেয়নি। আমার ছেলে হালিমকে কেউ ভুল বুঝিয়ে মিথ্যা অভিযোগ প্রচার করিয়েছেন। নেছারের সঙ্গে আমাদের দেনা-পাওনার বিষয় সমাধান হয়ে গেছে। তার বিরুদ্ধে আমাদের পরিবারের কোন অভিযোগ নেই’ নেছার উদ্দিন হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, ‘এই ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য একটি মহল হালিম আকনকে জোরপূর্বক আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা স্টেটমেন্ট নিয়ে সেগুলো বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করেছেন। এমনকি আমার নামে কয়েকটি পত্রিকায় চাঁদাবাজির অভিযোগে সংবাদও প্রকাশ করা হয়েছে।
বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং পরিকল্পিত। এতে আমার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলন তিনি দাবি করেন। তবে এ বিষয়ে আব্দুল হালিম আকনের কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
তার ব্যবহৃত মুঠোফোন গত কয়েকদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। এ বিষয়ে কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মতিউর রহমান হাওলাদার বলেন, ‘কুয়াকাটা পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব নেছার উদ্দিনের সাথে মোস্তফা আকনের জমি ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত লেনদেন ছিলো। আমার জানামতে ইতোমধ্যে তা সমাধান হয়েছে।
তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠছিলো তাও মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। দলের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা কোন অন্যায় করলে মূল দলের নেতারা তা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করবেন। এ নিয়ে অপরাজনীতির কোন সুযোগ নেই।
০৮ জুলাই, ২০২৬ ১৪:২৫
০৭ জুলাই, ২০২৬ ২০:১৭
০৭ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৫৮
০৭ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৫৪

০৭ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৫৮
পটুয়াখালীর বাউফলে নাসির উদ্দিন মৃধা (৪০) নামে এক যুবককে অপহরণ, নির্যাতন ও মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ এনে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতিসহ বিএনপির ১৪ জন নেতা কর্মীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের দায়িত্ব পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) কে দেওয়া দিয়েছেন। সোমবার (৬ জুলাই) পটুয়াখালীর অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ভুক্তভোগী নাসির উদ্দিন মৃধা বাদী হয়ে মামলাটি করেন। অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নওরিন করিম মামলাটি গ্রহণ করে ডিবিকে তদন্তের নির্দেশ দেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. বদলুল হক বাদল জানান, মামলায় বাউফল উপজেলা বিএনপির সদস্য ও দাসপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী আজম চৌধুরী, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, বাউফল পৌরসভা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ ওরফে হাজী পলাশসহ ১৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া সাত থেকে আটজন অজ্ঞাত নামা পরিচয় ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ১টার দিকে পটুয়াখালী শহরের হেতালিয়া বাঁধঘাট এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা নাসির উদ্দিনকে অপহরণ করে বাউফলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তার কাছে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয় এবং টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করা হয়। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর পেয়ে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে বাউফল থানার পুলিশ উপজেলার ইঞ্জিনিয়ার ফারুক আহমেদ তালুকদার মহিলা কলেজ এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে।
ভুক্তভোগী নাসির উদ্দিন অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওযায় তিনি এলাকায় যেতে পারছেন না এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকির কারণে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
তবে অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিএনপি নেতা আলী আজম চৌধুরী ও মাসুম বিল্লাহ ওরফে হাজী পলাশ। তাদের দাবি, অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত।
নাসির উদ্দিন মৃধা দাশপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এএনএম জাহাঙ্গীর হোসেনের সমর্থক ও কর্মী। অন্যদিকে ইউনিয়ন পরিষদকে নিয়ন্ত্রণ নেয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতা আলী আজম চৌধুরীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ রয়েছে এএনএম জাহাঙ্গীর হোসেনের সাথে। এর আগে ইউনিয়ন পরিষদে তালা দেওয়া এবং ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা সাইফুল ইসলাম মামুনকে মারধরের ঘটনায়ও আলী আজম চৌধুরীর বিরুদ্ধে পৃথক মামলা হয়েছে।
পটুয়াখালীর বাউফলে নাসির উদ্দিন মৃধা (৪০) নামে এক যুবককে অপহরণ, নির্যাতন ও মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ এনে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতিসহ বিএনপির ১৪ জন নেতা কর্মীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের দায়িত্ব পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) কে দেওয়া দিয়েছেন। সোমবার (৬ জুলাই) পটুয়াখালীর অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ভুক্তভোগী নাসির উদ্দিন মৃধা বাদী হয়ে মামলাটি করেন। অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নওরিন করিম মামলাটি গ্রহণ করে ডিবিকে তদন্তের নির্দেশ দেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. বদলুল হক বাদল জানান, মামলায় বাউফল উপজেলা বিএনপির সদস্য ও দাসপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী আজম চৌধুরী, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, বাউফল পৌরসভা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ ওরফে হাজী পলাশসহ ১৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া সাত থেকে আটজন অজ্ঞাত নামা পরিচয় ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ১টার দিকে পটুয়াখালী শহরের হেতালিয়া বাঁধঘাট এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা নাসির উদ্দিনকে অপহরণ করে বাউফলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তার কাছে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয় এবং টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করা হয়। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর পেয়ে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে বাউফল থানার পুলিশ উপজেলার ইঞ্জিনিয়ার ফারুক আহমেদ তালুকদার মহিলা কলেজ এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে।
ভুক্তভোগী নাসির উদ্দিন অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওযায় তিনি এলাকায় যেতে পারছেন না এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকির কারণে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
তবে অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিএনপি নেতা আলী আজম চৌধুরী ও মাসুম বিল্লাহ ওরফে হাজী পলাশ। তাদের দাবি, অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত।
নাসির উদ্দিন মৃধা দাশপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এএনএম জাহাঙ্গীর হোসেনের সমর্থক ও কর্মী। অন্যদিকে ইউনিয়ন পরিষদকে নিয়ন্ত্রণ নেয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতা আলী আজম চৌধুরীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ রয়েছে এএনএম জাহাঙ্গীর হোসেনের সাথে। এর আগে ইউনিয়ন পরিষদে তালা দেওয়া এবং ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা সাইফুল ইসলাম মামুনকে মারধরের ঘটনায়ও আলী আজম চৌধুরীর বিরুদ্ধে পৃথক মামলা হয়েছে।

০৭ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২৯
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় একটি পিকআপ ভ্যানের গোপন বাক্স থেকে ৬৬ কেজি ১০৪ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করেছে র্যাব-৮। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৮-এর একটি দল সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া বন্দরে অভিযান চালায়। এ সময় রাস্তায় ফেলে রাখা একটি পিকআপ ভ্যান (ঢাকা মেট্রো-ঠ ১১-৪৩৯৬) তল্লাশি করে এর নিচে থাকা গোপন বাক্স থেকে ৬৬ কেজি ১০৪ গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়।
র্যাব জানায়, তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারিরা আগেই পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
উদ্ধার করা গাঁজা ও পিকআপ ভ্যানটি পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন গাঁজা উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় একটি পিকআপ ভ্যানের গোপন বাক্স থেকে ৬৬ কেজি ১০৪ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করেছে র্যাব-৮। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৮-এর একটি দল সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া বন্দরে অভিযান চালায়। এ সময় রাস্তায় ফেলে রাখা একটি পিকআপ ভ্যান (ঢাকা মেট্রো-ঠ ১১-৪৩৯৬) তল্লাশি করে এর নিচে থাকা গোপন বাক্স থেকে ৬৬ কেজি ১০৪ গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়।
র্যাব জানায়, তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারিরা আগেই পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
উদ্ধার করা গাঁজা ও পিকআপ ভ্যানটি পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন গাঁজা উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

০৪ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২২
পটুয়াখালীর বাউফলে ফুটন্ত ভাতের পাতিল ঢেলে এক গৃহবধূকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে তার ননদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দগ্ধ গৃহবধূকে প্রথমে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থা খারাপ দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (৪ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের কর্পূরকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত শারমিন বেগম কর্পূরকাঠী গ্রামের দুলাল প্যাদার স্ত্রী। অভিযুক্ত সালমা বেগম তার (স্বামীর বোন) ননদ।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার সময় শারমিন বেগম রান্নাঘরে ভাত রান্না করছিলেন এবং সবজি কাটছিলেন। এ সময় ননদ সালমা বেগমের সাথে তুচ্ছ ঘটনায় বাকবিতন্ডা হয়। হঠাৎ ফুটন্ত ভাতের পাতিল তার শরীরের ওপর ঢেলে দেন। এতে তিনি গুরুতর দগ্ধ হন। পরে স্থানীয় বাসিন্দা ও স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
আহতের স্বামী দুলাল প্যাদা বলেন, “আমার বোন সালমা বেগম দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। হঠাৎ করেই সে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।”
বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, শারমিন বেগমের শরীরের প্রায় ২০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনা স্থানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে ফুটন্ত ভাতের পাতিল ঢেলে এক গৃহবধূকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে তার ননদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দগ্ধ গৃহবধূকে প্রথমে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থা খারাপ দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (৪ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের কর্পূরকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত শারমিন বেগম কর্পূরকাঠী গ্রামের দুলাল প্যাদার স্ত্রী। অভিযুক্ত সালমা বেগম তার (স্বামীর বোন) ননদ।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার সময় শারমিন বেগম রান্নাঘরে ভাত রান্না করছিলেন এবং সবজি কাটছিলেন। এ সময় ননদ সালমা বেগমের সাথে তুচ্ছ ঘটনায় বাকবিতন্ডা হয়। হঠাৎ ফুটন্ত ভাতের পাতিল তার শরীরের ওপর ঢেলে দেন। এতে তিনি গুরুতর দগ্ধ হন। পরে স্থানীয় বাসিন্দা ও স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
আহতের স্বামী দুলাল প্যাদা বলেন, “আমার বোন সালমা বেগম দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। হঠাৎ করেই সে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।”
বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, শারমিন বেগমের শরীরের প্রায় ২০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনা স্থানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।