
১৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩০
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীদের আপিল শুনানির শেষ দিন রোববার (১৮ জানুয়ারি)। পাশাপাশি এদিন দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা প্রার্থীরা জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত জানাবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এদিন নির্বাচন কমিশনে দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে শুনানির সময় ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু ও হাসনাত আবদুল্লাহর মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। ইসি সূত্র বলেছে, অপেক্ষাধীন আবেদনগুলোর প্রায় সবই দ্বৈত নাগরিত্ব নিয়ে। দ্বৈত নাগরিকত্ব বিষয়ে আবেদনের এখনো কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি। রোববার দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে কমিশন।
এদিকে, গতকাল শনিবার ইসিতে আপিল শুনানির অষ্টম দিনে ৪৪ জন তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। এ নিয়ে আট দিনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন প্রায় ৪০০ জন প্রার্থী। তবে, এদিন কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সি তার প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. আবুল হাসনাতের (হাসনাত আবদুল্লাহ) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রার্থিতা হারান। একইসঙ্গে হাসনাতের মনোনয়নের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সির আবেদন খারিজ করে দিয়েছে ইসি।
এ প্রসঙ্গে ইসি জানায়, গতকাল ১১২টি আবেদনের শুনানি হয়। এর মধ্যে ৩৭টি নামঞ্জুর হয়েছে। ৪৫টি মঞ্জুর হয়েছে। অপেক্ষাধীন আছে ১৯টি। নয়টি আবেদন প্রত্যাহারের কারণে উত্থাপিত হয়নি। দুটি আপিলের আবেদনকারী অনুপস্থিত ছিলেন। রোববার সকাল ১০টা থেকে আপিল শুনানির কথা রয়েছে। নির্ধারিত সময়ে মোট ৬৪৫টি আপিল ইসিতে জমা পড়েছিল।
গতকাল শনিবার শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, রোববার দুপুর ১২টা থেকে সব পেন্ডিং আবেদনের শুনানি শুরু হবে।
৭ প্রার্থীর বিরুদ্ধে বাদশা মিয়ার আপিল
সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাট-২ আসনে মোট ৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। স্থানীয় রিটার্নিং কর্মকর্তা সব মনোনয়নই বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। তাদের মধ্যে সিপিবিসহ সাতজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে ইসিতে একাই আপিল করেছেন বিএনএফ প্রার্থী বাদশা মিয়া। গতকাল শনিবার শুনানি শেষে ইসি সাত প্রার্থীর মনোনয়নই বৈধ ঘোষণা করেছে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীদের আপিল শুনানির শেষ দিন রোববার (১৮ জানুয়ারি)। পাশাপাশি এদিন দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা প্রার্থীরা জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত জানাবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এদিন নির্বাচন কমিশনে দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে শুনানির সময় ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু ও হাসনাত আবদুল্লাহর মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। ইসি সূত্র বলেছে, অপেক্ষাধীন আবেদনগুলোর প্রায় সবই দ্বৈত নাগরিত্ব নিয়ে। দ্বৈত নাগরিকত্ব বিষয়ে আবেদনের এখনো কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি। রোববার দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে কমিশন।
এদিকে, গতকাল শনিবার ইসিতে আপিল শুনানির অষ্টম দিনে ৪৪ জন তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। এ নিয়ে আট দিনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন প্রায় ৪০০ জন প্রার্থী। তবে, এদিন কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সি তার প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. আবুল হাসনাতের (হাসনাত আবদুল্লাহ) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রার্থিতা হারান। একইসঙ্গে হাসনাতের মনোনয়নের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সির আবেদন খারিজ করে দিয়েছে ইসি।
এ প্রসঙ্গে ইসি জানায়, গতকাল ১১২টি আবেদনের শুনানি হয়। এর মধ্যে ৩৭টি নামঞ্জুর হয়েছে। ৪৫টি মঞ্জুর হয়েছে। অপেক্ষাধীন আছে ১৯টি। নয়টি আবেদন প্রত্যাহারের কারণে উত্থাপিত হয়নি। দুটি আপিলের আবেদনকারী অনুপস্থিত ছিলেন। রোববার সকাল ১০টা থেকে আপিল শুনানির কথা রয়েছে। নির্ধারিত সময়ে মোট ৬৪৫টি আপিল ইসিতে জমা পড়েছিল।
গতকাল শনিবার শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, রোববার দুপুর ১২টা থেকে সব পেন্ডিং আবেদনের শুনানি শুরু হবে।
৭ প্রার্থীর বিরুদ্ধে বাদশা মিয়ার আপিল
সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাট-২ আসনে মোট ৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। স্থানীয় রিটার্নিং কর্মকর্তা সব মনোনয়নই বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। তাদের মধ্যে সিপিবিসহ সাতজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে ইসিতে একাই আপিল করেছেন বিএনএফ প্রার্থী বাদশা মিয়া। গতকাল শনিবার শুনানি শেষে ইসি সাত প্রার্থীর মনোনয়নই বৈধ ঘোষণা করেছে।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৫
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর সঙ্গে ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য।
গতকাল রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি- বুধ ও বৃহস্পতিবার সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়স্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং সরকারি, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকতা ও কর্মচারীদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোটগ্রহণের সুবিধার্থে সারাদেশে নির্বাচনকালীন নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি এবং শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক, কর্মচারীদের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হলো।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটের দিন বৃহস্পতিবার হওয়ায় এর পরের দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে। ফলে নির্বাচন উপলক্ষে শিল্পাঞ্চলে টানা পাঁচ দিন এবং অন্যদের জন্য চার দিন ছুটি থাকবে।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর সঙ্গে ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য।
গতকাল রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি- বুধ ও বৃহস্পতিবার সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়স্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং সরকারি, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকতা ও কর্মচারীদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোটগ্রহণের সুবিধার্থে সারাদেশে নির্বাচনকালীন নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি এবং শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক, কর্মচারীদের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হলো।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটের দিন বৃহস্পতিবার হওয়ায় এর পরের দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে। ফলে নির্বাচন উপলক্ষে শিল্পাঞ্চলে টানা পাঁচ দিন এবং অন্যদের জন্য চার দিন ছুটি থাকবে।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:১৭
সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য নেই মন্তব্য করে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ঐক্য না থাকার কারণেই নানা পক্ষ সুযোগ নিয়ে সাংবাদিকদের হয়রানি করে থাকে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) ইউনেস্কো গ্লোবাল মিডিয়া ডিফেন্স ফান্ডের সহায়তায় গণমাধ্যম ও যোগাযোগ উন্নয়ন সংগঠন সমষ্টির উদ্যোগে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কাছে সাংবাদিক সহায়তা ডেস্ক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ইউনেস্কো বাংলাদেশ কার্যালয়ের প্রধান ও বাংলাদেশে ইউনেস্কোর প্রতিনিধি সুসান ভাইজ সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলসহ অনুষ্ঠানে সরকারের সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা, সাংবাদিক সংগঠনের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি, আইনগত সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার প্রতিনিধি, গণমাধ্যম পেশাজীবী এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা অংশগ্রহণ করেন।
সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য নেই মন্তব্য করে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ঐক্য না থাকার কারণেই নানা পক্ষ সুযোগ নিয়ে সাংবাদিকদের হয়রানি করে থাকে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) ইউনেস্কো গ্লোবাল মিডিয়া ডিফেন্স ফান্ডের সহায়তায় গণমাধ্যম ও যোগাযোগ উন্নয়ন সংগঠন সমষ্টির উদ্যোগে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কাছে সাংবাদিক সহায়তা ডেস্ক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ইউনেস্কো বাংলাদেশ কার্যালয়ের প্রধান ও বাংলাদেশে ইউনেস্কোর প্রতিনিধি সুসান ভাইজ সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলসহ অনুষ্ঠানে সরকারের সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা, সাংবাদিক সংগঠনের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি, আইনগত সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার প্রতিনিধি, গণমাধ্যম পেশাজীবী এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা অংশগ্রহণ করেন।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:২১
আদালতের আদেশ অমান্য করায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।
আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ।
আইনজীবী জানান, গত বছরের ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট কৃষক শ্রমিক জনতা পার্টি নামে একটি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বিষয়ে আবেদন প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। সিইসি আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করেননি। এই কারণে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আদালত অবমাননার আবেদন করা হয়।
আদালতের আদেশ অমান্য করায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।
আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ।
আইনজীবী জানান, গত বছরের ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট কৃষক শ্রমিক জনতা পার্টি নামে একটি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বিষয়ে আবেদন প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। সিইসি আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করেননি। এই কারণে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আদালত অবমাননার আবেদন করা হয়।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৯
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৫
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৪
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০৮