
২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২২
বাগেরহাটের মোংলা উপজেলায় পশুর নদীর তীরে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে মোংলা নৌপুলিশ। উদ্ধারকৃত মরদেহটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। প্রাথমিকভাবে নিহতের বয়স আনুমানিক ৫০–৫৫ বছরের মধ্যে ধরা হলেও তার নাম পরিচয় এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে মোংলা উপজেলার সিগনাল টাওয়ার দক্ষিণ চর বালুর ডাইক সংলগ্ন পশুর নদীর তীরে স্থানীয়রা একটি মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে মোংলা নৌপুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি নদী থেকে উদ্ধার করে। স্থানীয়দের সহায়তায় নৌপুলিশ মরদেহটি প্রথমে প্রাথমিক সুরতহাল সম্পন্ন করে এবং পরে থানায় নিয়ে আসে।
প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে নিহতের শরীরে কোনো দৃশ্যমান আঘাত, ক্ষতচিহ্ন বা রক্তক্ষরণের আলামত পাওয়া যায়নি।
মোংলা নৌপুলিশ ফাঁড়ির কর্মকর্তা লুৎফুল কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বাহ্যিকভাবে শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। নিহতের পড়নে সাধারণ পোশাক ছিল, তবে তার কাছে কোনো পরিচয়পত্র বা কাগজপত্র পাওয়া যায়নি।
পরিচয় শনাক্তের জন্য আশপাশের থানাগুলোতে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে এবং নিখোঁজ সংক্রান্ত সাধারণ ডায়েরি (জিডি) আছে কিনা তা যাচাই করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ধারণা করছেন, নিহত ব্যক্তি হয়তো অন্য কোনো এলাকা থেকে নদী পথে এসে এখানে ভেসে উঠতে পারেন। কেউ কেউ বলছেন, অসুস্থতাজনিত কারণে কিংবা পানিতে ডুবে মৃত্যু ঘটেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত কিছু বলা সম্ভব নয়। মৃত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত ও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ঘটনায় কেউ নিখোঁজ হয়ে থাকলে বা মৃত ব্যক্তির বিষয়ে কোনো তথ্য জানলে নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করার জন্য পুলিশ অনুরোধ জানিয়েছে।
ewikvj UvBgm
ছবি: সংগৃহীত
বাগেরহাটের মোংলা উপজেলায় পশুর নদীর তীরে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে মোংলা নৌপুলিশ। উদ্ধারকৃত মরদেহটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। প্রাথমিকভাবে নিহতের বয়স আনুমানিক ৫০–৫৫ বছরের মধ্যে ধরা হলেও তার নাম পরিচয় এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে মোংলা উপজেলার সিগনাল টাওয়ার দক্ষিণ চর বালুর ডাইক সংলগ্ন পশুর নদীর তীরে স্থানীয়রা একটি মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে মোংলা নৌপুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি নদী থেকে উদ্ধার করে। স্থানীয়দের সহায়তায় নৌপুলিশ মরদেহটি প্রথমে প্রাথমিক সুরতহাল সম্পন্ন করে এবং পরে থানায় নিয়ে আসে।
প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে নিহতের শরীরে কোনো দৃশ্যমান আঘাত, ক্ষতচিহ্ন বা রক্তক্ষরণের আলামত পাওয়া যায়নি।
মোংলা নৌপুলিশ ফাঁড়ির কর্মকর্তা লুৎফুল কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বাহ্যিকভাবে শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। নিহতের পড়নে সাধারণ পোশাক ছিল, তবে তার কাছে কোনো পরিচয়পত্র বা কাগজপত্র পাওয়া যায়নি।
পরিচয় শনাক্তের জন্য আশপাশের থানাগুলোতে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে এবং নিখোঁজ সংক্রান্ত সাধারণ ডায়েরি (জিডি) আছে কিনা তা যাচাই করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ধারণা করছেন, নিহত ব্যক্তি হয়তো অন্য কোনো এলাকা থেকে নদী পথে এসে এখানে ভেসে উঠতে পারেন। কেউ কেউ বলছেন, অসুস্থতাজনিত কারণে কিংবা পানিতে ডুবে মৃত্যু ঘটেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত কিছু বলা সম্ভব নয়। মৃত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত ও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ঘটনায় কেউ নিখোঁজ হয়ে থাকলে বা মৃত ব্যক্তির বিষয়ে কোনো তথ্য জানলে নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করার জন্য পুলিশ অনুরোধ জানিয়েছে।
ewikvj UvBgm
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪২
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৫৯
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৭

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৭৮ ধারার বিধান অনুযায়ী ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে এবং ভোটগ্রহণ শেষের ৪৮ ঘণ্টা পর পর্যন্ত কোনো নির্বাচনী এলাকায় জনসভা বা মিছিল করা যাবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সভা ও মিছিল নিষিদ্ধ থাকবে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৭৮ ধারার বিধান অনুযায়ী ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে এবং ভোটগ্রহণ শেষের ৪৮ ঘণ্টা পর পর্যন্ত কোনো নির্বাচনী এলাকায় জনসভা বা মিছিল করা যাবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সভা ও মিছিল নিষিদ্ধ থাকবে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে।

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩৩
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও শঙ্কামুক্তভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের মধুপুরে যৌথ বাহিনীর সশস্ত্র মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন এবং সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজার নেতৃত্বে টহল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে বিজিবি, র্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।
মহড়া শুরু হয় বিএডিসি কাকরাইদ বাসস্ট্যান্ড থেকে, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অতিক্রম করে আনারস চত্বর, জামালপুর রোড প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে সমাবেশে শেষ হয়। এ সময় ভোটারদের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন বলেন, ভোটাররা যেন নির্ভয়ে এবং নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে যৌথ বাহিনীর টহল ও মহড়া চলছে।
সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজা জানান, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও সিভিল প্রশাসনের সহযোগিতায় মহড়া পরিচালনা করা হয়েছে। ভোটারদের কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই ভোট দেওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
স্থানীয়রা যৌথ বাহিনীর কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং জানিয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকলে তারা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও শঙ্কামুক্তভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের মধুপুরে যৌথ বাহিনীর সশস্ত্র মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন এবং সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজার নেতৃত্বে টহল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে বিজিবি, র্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।
মহড়া শুরু হয় বিএডিসি কাকরাইদ বাসস্ট্যান্ড থেকে, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অতিক্রম করে আনারস চত্বর, জামালপুর রোড প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে সমাবেশে শেষ হয়। এ সময় ভোটারদের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন বলেন, ভোটাররা যেন নির্ভয়ে এবং নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে যৌথ বাহিনীর টহল ও মহড়া চলছে।
সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজা জানান, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও সিভিল প্রশাসনের সহযোগিতায় মহড়া পরিচালনা করা হয়েছে। ভোটারদের কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই ভোট দেওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
স্থানীয়রা যৌথ বাহিনীর কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং জানিয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকলে তারা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০৯
সিলেট-২ আসনে মিছিলে গিয়ে অসুস্থ হয়ে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল আহমদ চৌধুরী মারা গেছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে বিশ্বনাথ উপজেলা শহরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনার জনসভায় এ ঘটনা ঘটে।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, সোমবার বিকেলে বিশ্বনাথে সিলেট-২ আসনের প্রার্থী নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনার শেষ নির্বাচনি জনসভা ছিল। জনসভায় মিছিল নিয়ে অংশগ্রহণ করছিলেন সোহেল চৌধুরী। মিছিলটি জনসভাস্থলে কাছাকাছি যেতেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন তিনি। এসময় নেতাকর্মীরা তাকে দ্রুত সিলেটের মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন বলেন, জনসভায় মিছিল নিয়ে প্রবেশ করার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সোহল চৌধুরী মৃত্যুবরণ করেছেন।
বরিশাল টাইমস
সিলেট-২ আসনে মিছিলে গিয়ে অসুস্থ হয়ে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল আহমদ চৌধুরী মারা গেছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে বিশ্বনাথ উপজেলা শহরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনার জনসভায় এ ঘটনা ঘটে।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, সোমবার বিকেলে বিশ্বনাথে সিলেট-২ আসনের প্রার্থী নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনার শেষ নির্বাচনি জনসভা ছিল। জনসভায় মিছিল নিয়ে অংশগ্রহণ করছিলেন সোহেল চৌধুরী। মিছিলটি জনসভাস্থলে কাছাকাছি যেতেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন তিনি। এসময় নেতাকর্মীরা তাকে দ্রুত সিলেটের মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন বলেন, জনসভায় মিছিল নিয়ে প্রবেশ করার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সোহল চৌধুরী মৃত্যুবরণ করেছেন।
বরিশাল টাইমস

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.