ফটিকছড়িতে এক ব্যবসায়ীর গোডাউন থেকে টিসিবির বিপুল সয়াবিন তেল জব্দ করেছে প্রশাসন। সোমবার (২৫ আগস্ট) সকালে উপজেলার নানুপুর বাজারের মেসার্স কামাল স্টোরে অভিযান চালিয়ে এ তেল জব্দ করা হয়।
এ সময় আটক করা হয় দোকান মালিক মোহাম্মদ ইকবালকে। মেসার্স কামাল স্টোরের গোডাউনে অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ২০ লিটার সয়াবিন তেল জব্দ করা হয়। অভিযানটি পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক চৌধুরী।
তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি, নানুপুর বাজারের এক ব্যবসায়ী টিসিবির বিপুল পণ্য মজুত করে এবং সকালে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ফটিকছড়ি থানা পুলিশ, আনসার বাহিনী, নানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধি ও গ্রাম পুলিশ অংশ নেন।

০৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:৩৪
দুর্গাপুজোর বাজেট কয়েক লক্ষ টাকা। মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, প্রতিমা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে খাওয়াদাওয়া—সব ক্ষেত্রেই খরচের বহর চোখে পড়ার মতো। কিন্তু পাঁচ দিন ধরে পুজোর মূল আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা পুরোহিতের পারিশ্রমিকের হিসাবটা কি কখনও সামনে আসে?
পুজো শেষ হলে ক্লান্ত শরীর নিয়ে বাড়ি ফেরেন পুরোহিত। তখন অনেকের মুখে শোনা যায়, “পুজোয় তো ভালোই কামাই হয়েছে! ফল-মিষ্টি, শাড়ি-গামছাও তো পেয়েছেন।” অথচ বাস্তব চিত্র অনেক ক্ষেত্রেই অন্যরকম।
২০ লক্ষ টাকার বাজেটের পুজোতেও কোনও কোনও ক্ষেত্রে পুরোহিতের বরাদ্দ হতে পারে চারটি লালপাড় সাদা শাড়ি। সঙ্গে কয়েকটি গামছা এবং নির্ধারিত দক্ষিণা। এমনও অভিযোগ রয়েছে, পাওয়া শাড়িগুলির মধ্য থেকেও কিছু শাড়ি কমিটির পক্ষ থেকে রেখে দেওয়ার নির্দেশ থাকে। দক্ষিণার ক্ষেত্রেও থাকে নানা শর্ত ও কমিটির নিয়ন্ত্রণ।
এর মধ্যে পুজোর পাঁচ দিন পুরোহিতকে দীর্ঘ সময় ধরে উপবাস থেকে মন্ত্রোচ্চারণ করতে হয়। চণ্ডীপাঠ, হোম, পুজোর বিভিন্ন আচার—সব মিলিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা শারীরিক ও মানসিক পরিশ্রম করতে হয়। অনেক সময় উচ্চকণ্ঠে মন্ত্রোচ্চারণ করতে করতে পুজো শেষ হওয়ার আগেই বসে যায় গলার স্বর।
কিন্তু পুজো শেষ হলেই সেই পরিশ্রমের মূল্যায়ন হয় অন্যভাবে। পাড়ার পরিচিতদের কেউ বলেন, “ভালোই তো কামাই হয়েছে।” কেউ চান নারকেল, কেউ গামছা, কেউ শাড়ি। অথচ খুব কম মানুষই প্রশ্ন করেন—পাঁচ দিন ধরে যে মানুষটি অন্যের পরিবারের মঙ্গল কামনায় উপবাস করে পুজো করলেন, তাঁর নিজের পরিবারের জন্য কী রইল?
পুরোহিতদের আয় নিয়ে সমাজে প্রচলিত ধারণার সঙ্গেও বাস্তবতার বড় ফারাক রয়েছে। কালীঘাট, তিরুপতি বা জগন্নাথ মন্দিরের পুরোহিতদের আয়ের উদাহরণ দিয়ে সাধারণ পুরোহিতদের বিচার করা হয়। অথচ অধিকাংশ পুরোহিত সেই আয়ের ধারেকাছেও থাকেন না।
কোনও পরিবারের মাসিক আয় দেড় লক্ষ টাকার বেশি হলেও নারায়ণ পুজোর দক্ষিণা ৫১ টাকা দেওয়ার ঘটনাও সামনে আসে। দক্ষিণা বাড়ানোর কথা বললেই জোটে ‘পুরোহিত লোভী’ তকমা।
প্রশ্ন হল, অন্য পেশার মানুষ নিজের শ্রমের বিনিময়ে বেশি অর্থ পেলে তা স্বাভাবিক, কিন্তু পুরোহিত নিজের প্রাপ্য পারিশ্রমিক চাইলে সেটাই কেন লোভ?
নার্সিংহোমের বাড়তি বিল, স্কুলের ডোনেশন কিংবা বিভিন্ন পরিষেবার চড়া খরচ নিয়ে মানুষ প্রশ্ন তুললেও ধর্মীয় আচার সম্পন্ন করা পুরোহিতের পারিশ্রমিকের ক্ষেত্রে কেন এত কৃপণতা?
পুরোহিত কোনও যন্ত্র নন। তাঁরও পরিবার আছে, চিকিৎসার খরচ আছে, সন্তানের পড়াশোনা আছে, দৈনন্দিন জীবনযাপনের খরচ আছে। পাঁচ দিন উপবাস করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মন্ত্রোচ্চারণ করাও শ্রম। সেই শ্রমের মূল্য নির্ধারণ করাও স্বাভাবিক।
দুর্গাপুজোর বাজেট যদি লক্ষ লক্ষ টাকা হয়, তাহলে সেই পুজোর অন্যতম প্রধান কাজটি যিনি করেন, তাঁর ন্যায্য পারিশ্রমিক নিয়ে প্রশ্ন উঠবে না কেন?
‘পুরোহিত লোভী’ বলার আগে তাই একবার হিসাবটা দেখা দরকার—পুজোর মোট বাজেটের কত শতাংশ সত্যিই পুরোহিতের হাতে যায়?
দুর্গাপুজোর বাজেট কয়েক লক্ষ টাকা। মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, প্রতিমা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে খাওয়াদাওয়া—সব ক্ষেত্রেই খরচের বহর চোখে পড়ার মতো। কিন্তু পাঁচ দিন ধরে পুজোর মূল আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা পুরোহিতের পারিশ্রমিকের হিসাবটা কি কখনও সামনে আসে?
পুজো শেষ হলে ক্লান্ত শরীর নিয়ে বাড়ি ফেরেন পুরোহিত। তখন অনেকের মুখে শোনা যায়, “পুজোয় তো ভালোই কামাই হয়েছে! ফল-মিষ্টি, শাড়ি-গামছাও তো পেয়েছেন।” অথচ বাস্তব চিত্র অনেক ক্ষেত্রেই অন্যরকম।
২০ লক্ষ টাকার বাজেটের পুজোতেও কোনও কোনও ক্ষেত্রে পুরোহিতের বরাদ্দ হতে পারে চারটি লালপাড় সাদা শাড়ি। সঙ্গে কয়েকটি গামছা এবং নির্ধারিত দক্ষিণা। এমনও অভিযোগ রয়েছে, পাওয়া শাড়িগুলির মধ্য থেকেও কিছু শাড়ি কমিটির পক্ষ থেকে রেখে দেওয়ার নির্দেশ থাকে। দক্ষিণার ক্ষেত্রেও থাকে নানা শর্ত ও কমিটির নিয়ন্ত্রণ।
এর মধ্যে পুজোর পাঁচ দিন পুরোহিতকে দীর্ঘ সময় ধরে উপবাস থেকে মন্ত্রোচ্চারণ করতে হয়। চণ্ডীপাঠ, হোম, পুজোর বিভিন্ন আচার—সব মিলিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা শারীরিক ও মানসিক পরিশ্রম করতে হয়। অনেক সময় উচ্চকণ্ঠে মন্ত্রোচ্চারণ করতে করতে পুজো শেষ হওয়ার আগেই বসে যায় গলার স্বর।
কিন্তু পুজো শেষ হলেই সেই পরিশ্রমের মূল্যায়ন হয় অন্যভাবে। পাড়ার পরিচিতদের কেউ বলেন, “ভালোই তো কামাই হয়েছে।” কেউ চান নারকেল, কেউ গামছা, কেউ শাড়ি। অথচ খুব কম মানুষই প্রশ্ন করেন—পাঁচ দিন ধরে যে মানুষটি অন্যের পরিবারের মঙ্গল কামনায় উপবাস করে পুজো করলেন, তাঁর নিজের পরিবারের জন্য কী রইল?
পুরোহিতদের আয় নিয়ে সমাজে প্রচলিত ধারণার সঙ্গেও বাস্তবতার বড় ফারাক রয়েছে। কালীঘাট, তিরুপতি বা জগন্নাথ মন্দিরের পুরোহিতদের আয়ের উদাহরণ দিয়ে সাধারণ পুরোহিতদের বিচার করা হয়। অথচ অধিকাংশ পুরোহিত সেই আয়ের ধারেকাছেও থাকেন না।
কোনও পরিবারের মাসিক আয় দেড় লক্ষ টাকার বেশি হলেও নারায়ণ পুজোর দক্ষিণা ৫১ টাকা দেওয়ার ঘটনাও সামনে আসে। দক্ষিণা বাড়ানোর কথা বললেই জোটে ‘পুরোহিত লোভী’ তকমা।
প্রশ্ন হল, অন্য পেশার মানুষ নিজের শ্রমের বিনিময়ে বেশি অর্থ পেলে তা স্বাভাবিক, কিন্তু পুরোহিত নিজের প্রাপ্য পারিশ্রমিক চাইলে সেটাই কেন লোভ?
নার্সিংহোমের বাড়তি বিল, স্কুলের ডোনেশন কিংবা বিভিন্ন পরিষেবার চড়া খরচ নিয়ে মানুষ প্রশ্ন তুললেও ধর্মীয় আচার সম্পন্ন করা পুরোহিতের পারিশ্রমিকের ক্ষেত্রে কেন এত কৃপণতা?
পুরোহিত কোনও যন্ত্র নন। তাঁরও পরিবার আছে, চিকিৎসার খরচ আছে, সন্তানের পড়াশোনা আছে, দৈনন্দিন জীবনযাপনের খরচ আছে। পাঁচ দিন উপবাস করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মন্ত্রোচ্চারণ করাও শ্রম। সেই শ্রমের মূল্য নির্ধারণ করাও স্বাভাবিক।
দুর্গাপুজোর বাজেট যদি লক্ষ লক্ষ টাকা হয়, তাহলে সেই পুজোর অন্যতম প্রধান কাজটি যিনি করেন, তাঁর ন্যায্য পারিশ্রমিক নিয়ে প্রশ্ন উঠবে না কেন?
‘পুরোহিত লোভী’ বলার আগে তাই একবার হিসাবটা দেখা দরকার—পুজোর মোট বাজেটের কত শতাংশ সত্যিই পুরোহিতের হাতে যায়?

০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:৪৪
কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নূর ইসলামের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে এনবিআর কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে উল্লেখ করা ‘ফু-ওয়াং বোলিং অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড’সহ ঢাকার চারটি বার ও রেস্তোরাঁয় বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বিভিন্ন সংস্থা।
শনিবার সন্ধ্যায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি) জানিয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানে ‘অবৈধ উৎস’ থেকে অ্যালকোহল সংগ্রহ, শুল্ক-মূসক ও আয়কর ফাঁকি এবং ‘অননুমোদিত’ গ্রাহকের কাছে অ্যালকোহল সরবরাহের অভিযোগ অনুসন্ধানে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
অভিযানের আওতায় থাকা অন্য তিন প্রতিষ্ঠান হলো—ক্যানভাস রেস্টুরেন্ট, হাবিব হোটেল ইন্টারন্যাশনাল ও মার্গারিটা লাউঞ্জ।
সিআইআইডির সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অভিযোগ তদন্তে চারটি দল গঠন করা হয়েছে। অভিযানে সিআইআইডির পাশাপাশি এনবিআরের আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট, সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি), ভ্যাট গোয়েন্দা এবং ঢাকা উত্তর কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দক্ষিণ গুলশানের বন্ডেড ওয়্যারহাউজ টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেডে যৌথ অভিযান চালায় সিআইআইডি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করা মদ ‘অননুমোদিত’ দুটি গুদামে মজুত রাখার অভিযোগে সেগুলোসহ প্রতিষ্ঠানটির দুটি বৈধ গুদামও সিলগালা করা হয়।
এনবিআর কর্মকর্তারা শেখ নূর ইসলামকে টস বন্ডের মালিক হিসেবে উল্লেখ করলেও ফু-ওয়াং কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে শেখ নূর ইসলাম বা তাঁর পরিবারের কোনো সম্পর্ক নেই।
ফু-ওয়াংয়ের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, সালমান মুক্তাদিরের সঙ্গে শেখ নূর ইসলামের মেয়ে দিশা ইসলামের বিয়ে তাঁর পরিবার মেনে নেয়নি। বিয়ের পর থেকেই শেখ নূর ইসলাম ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সামাজিক ও পারিবারিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন রয়েছে বলে দাবি প্রতিষ্ঠানটির।
এদিকে দেশে মদ ও বার ব্যবসায় কথিত অনিয়মের পাশাপাশি কানাডায় শেখ নূর ইসলাম ও তাঁর পরিবারের নাগরিকত্ব এবং সম্পদের বিষয়ে তথ্য পাওয়ার পর কর-সংক্রান্ত গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তদন্ত করছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নূর ইসলামের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে এনবিআর কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে উল্লেখ করা ‘ফু-ওয়াং বোলিং অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড’সহ ঢাকার চারটি বার ও রেস্তোরাঁয় বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বিভিন্ন সংস্থা।
শনিবার সন্ধ্যায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি) জানিয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানে ‘অবৈধ উৎস’ থেকে অ্যালকোহল সংগ্রহ, শুল্ক-মূসক ও আয়কর ফাঁকি এবং ‘অননুমোদিত’ গ্রাহকের কাছে অ্যালকোহল সরবরাহের অভিযোগ অনুসন্ধানে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
অভিযানের আওতায় থাকা অন্য তিন প্রতিষ্ঠান হলো—ক্যানভাস রেস্টুরেন্ট, হাবিব হোটেল ইন্টারন্যাশনাল ও মার্গারিটা লাউঞ্জ।
সিআইআইডির সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অভিযোগ তদন্তে চারটি দল গঠন করা হয়েছে। অভিযানে সিআইআইডির পাশাপাশি এনবিআরের আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট, সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি), ভ্যাট গোয়েন্দা এবং ঢাকা উত্তর কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দক্ষিণ গুলশানের বন্ডেড ওয়্যারহাউজ টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেডে যৌথ অভিযান চালায় সিআইআইডি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করা মদ ‘অননুমোদিত’ দুটি গুদামে মজুত রাখার অভিযোগে সেগুলোসহ প্রতিষ্ঠানটির দুটি বৈধ গুদামও সিলগালা করা হয়।
এনবিআর কর্মকর্তারা শেখ নূর ইসলামকে টস বন্ডের মালিক হিসেবে উল্লেখ করলেও ফু-ওয়াং কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে শেখ নূর ইসলাম বা তাঁর পরিবারের কোনো সম্পর্ক নেই।
ফু-ওয়াংয়ের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, সালমান মুক্তাদিরের সঙ্গে শেখ নূর ইসলামের মেয়ে দিশা ইসলামের বিয়ে তাঁর পরিবার মেনে নেয়নি। বিয়ের পর থেকেই শেখ নূর ইসলাম ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সামাজিক ও পারিবারিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন রয়েছে বলে দাবি প্রতিষ্ঠানটির।
এদিকে দেশে মদ ও বার ব্যবসায় কথিত অনিয়মের পাশাপাশি কানাডায় শেখ নূর ইসলাম ও তাঁর পরিবারের নাগরিকত্ব এবং সম্পদের বিষয়ে তথ্য পাওয়ার পর কর-সংক্রান্ত গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তদন্ত করছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৩৯
বরিশাল নগরের রসুলপুর বরফকল এলাকায় পিকআপ ভ্যানে তৈরি করা হয়েছিল গোপন চেম্বার। সেই চেম্বারেই লুকিয়ে আনা হচ্ছিল বিপুল পরিমাণ গাঁজা। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ৯০ কেজি গাঁজা। আটক করা হয়েছে রাহুল হাওলাদার নামে এক যুবককে।
শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে রাত দেড়টা পর্যন্ত নগরের কোতোয়ালি মডেল থানার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রসুলপুর বরফকল এলাকায় অভিযান চালায় ডিএনসির বরিশাল বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের একটি দল।
ডিএনসি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পিকআপ ভ্যানটিতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় ভ্যানটির পাশে থাকা তিনজন পালানোর চেষ্টা করেন। ধাওয়া দিয়ে রাহুল হাওলাদারকে আটক করা সম্ভব হলেও পালিয়ে যান আরও দুজন।
পরে পিকআপের পেছনের ঢালাইয়ের ভেতরে বিশেষভাবে তৈরি গোপন চেম্বারের সন্ধান পান ডিএনসি সদস্যরা। চেম্বার খুলতেই বেরিয়ে আসে স্কচটেপে মোড়ানো ৩০টি পলিথিনের পোটলা। প্রতিটি পোটলায় ছিল তিন কেজি করে গাঁজা। সব মিলিয়ে উদ্ধার করা হয় ৯০ কেজি গাঁজা।
এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত পিকআপ ভ্যান এবং চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনের একটি কপিও জব্দ করা হয়।
আটক রাহুল হাওলাদার নগরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কলাপট্টি এলাকার বাসিন্দা। পলাতক দুজন হলেন মো. সিরাজ মিয়া (৩৭) এবং মো. পলাশ হাওলাদার (৪২)।
বরিশাল ডিএনসির বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ খোরশিদ আলম বলেন, “গাঁজা পরিবহনের জন্য পিকআপটির পেছনে বিশেষ কায়দায় গোপন চেম্বার তৈরি করা হয়েছিল। পলাতক দুজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে ডিএনসি।
বরিশাল নগরের রসুলপুর বরফকল এলাকায় পিকআপ ভ্যানে তৈরি করা হয়েছিল গোপন চেম্বার। সেই চেম্বারেই লুকিয়ে আনা হচ্ছিল বিপুল পরিমাণ গাঁজা। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ৯০ কেজি গাঁজা। আটক করা হয়েছে রাহুল হাওলাদার নামে এক যুবককে।
শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে রাত দেড়টা পর্যন্ত নগরের কোতোয়ালি মডেল থানার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রসুলপুর বরফকল এলাকায় অভিযান চালায় ডিএনসির বরিশাল বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের একটি দল।
ডিএনসি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পিকআপ ভ্যানটিতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় ভ্যানটির পাশে থাকা তিনজন পালানোর চেষ্টা করেন। ধাওয়া দিয়ে রাহুল হাওলাদারকে আটক করা সম্ভব হলেও পালিয়ে যান আরও দুজন।
পরে পিকআপের পেছনের ঢালাইয়ের ভেতরে বিশেষভাবে তৈরি গোপন চেম্বারের সন্ধান পান ডিএনসি সদস্যরা। চেম্বার খুলতেই বেরিয়ে আসে স্কচটেপে মোড়ানো ৩০টি পলিথিনের পোটলা। প্রতিটি পোটলায় ছিল তিন কেজি করে গাঁজা। সব মিলিয়ে উদ্ধার করা হয় ৯০ কেজি গাঁজা।
এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত পিকআপ ভ্যান এবং চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনের একটি কপিও জব্দ করা হয়।
আটক রাহুল হাওলাদার নগরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কলাপট্টি এলাকার বাসিন্দা। পলাতক দুজন হলেন মো. সিরাজ মিয়া (৩৭) এবং মো. পলাশ হাওলাদার (৪২)।
বরিশাল ডিএনসির বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ খোরশিদ আলম বলেন, “গাঁজা পরিবহনের জন্য পিকআপটির পেছনে বিশেষ কায়দায় গোপন চেম্বার তৈরি করা হয়েছিল। পলাতক দুজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে ডিএনসি।
২৫ আগস্ট, ২০২৫ ১৪:১০
ফটিকছড়িতে এক ব্যবসায়ীর গোডাউন থেকে টিসিবির বিপুল সয়াবিন তেল জব্দ করেছে প্রশাসন। সোমবার (২৫ আগস্ট) সকালে উপজেলার নানুপুর বাজারের মেসার্স কামাল স্টোরে অভিযান চালিয়ে এ তেল জব্দ করা হয়।
এ সময় আটক করা হয় দোকান মালিক মোহাম্মদ ইকবালকে। মেসার্স কামাল স্টোরের গোডাউনে অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ২০ লিটার সয়াবিন তেল জব্দ করা হয়। অভিযানটি পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক চৌধুরী।
তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি, নানুপুর বাজারের এক ব্যবসায়ী টিসিবির বিপুল পণ্য মজুত করে এবং সকালে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ফটিকছড়ি থানা পুলিশ, আনসার বাহিনী, নানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধি ও গ্রাম পুলিশ অংশ নেন।
০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:২২
০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ২২:৪৫
০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:১১
০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৪৯