২৫ আগস্ট, ২০২৫ ১৪:১০
ফটিকছড়িতে এক ব্যবসায়ীর গোডাউন থেকে টিসিবির বিপুল সয়াবিন তেল জব্দ করেছে প্রশাসন। সোমবার (২৫ আগস্ট) সকালে উপজেলার নানুপুর বাজারের মেসার্স কামাল স্টোরে অভিযান চালিয়ে এ তেল জব্দ করা হয়।
এ সময় আটক করা হয় দোকান মালিক মোহাম্মদ ইকবালকে। মেসার্স কামাল স্টোরের গোডাউনে অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ২০ লিটার সয়াবিন তেল জব্দ করা হয়। অভিযানটি পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক চৌধুরী।
তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি, নানুপুর বাজারের এক ব্যবসায়ী টিসিবির বিপুল পণ্য মজুত করে এবং সকালে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ফটিকছড়ি থানা পুলিশ, আনসার বাহিনী, নানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধি ও গ্রাম পুলিশ অংশ নেন।
ফটিকছড়িতে এক ব্যবসায়ীর গোডাউন থেকে টিসিবির বিপুল সয়াবিন তেল জব্দ করেছে প্রশাসন। সোমবার (২৫ আগস্ট) সকালে উপজেলার নানুপুর বাজারের মেসার্স কামাল স্টোরে অভিযান চালিয়ে এ তেল জব্দ করা হয়।
এ সময় আটক করা হয় দোকান মালিক মোহাম্মদ ইকবালকে। মেসার্স কামাল স্টোরের গোডাউনে অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ২০ লিটার সয়াবিন তেল জব্দ করা হয়। অভিযানটি পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক চৌধুরী।
তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি, নানুপুর বাজারের এক ব্যবসায়ী টিসিবির বিপুল পণ্য মজুত করে এবং সকালে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ফটিকছড়ি থানা পুলিশ, আনসার বাহিনী, নানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধি ও গ্রাম পুলিশ অংশ নেন।

০৭ জুলাই, ২০২৬ ২০:১৭
ভোলার তজুমদ্দিনে চাঁদা না দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে এক নারী ও এক পুরুষকে মিথ্যা অপবাদে জুতার মালা দিয়ে প্রকাশ্যে হেনস্তার ঘটনায় নেট দুনিয়ায় প্রতিবাদের ঝড় উঠে। এ ঘটনায় তজুমদ্দিন থানায় মামলা করা হলে পুলিশ ৪ চাঁদাবাজ সন্ত্রাসকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।
গ্রেপ্তাররা হলেন, সজিব (২৮), রাকিব ভুট্টো, রায়হান (১৯) এবং রাসেল (২১)। তাদেরকে জেলহাজতে প্রেরণ করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, এক সময়ের মেঘনার জলদস্যু দুলাল বাহিনীর প্রধান দুলাল প্রধানের ছেলে সজিব উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড নিশ্চিন্তপুর গ্রামের শাহে আলমকে সরকারি আবাসনের ঘর দেওয়ার কথা বলে ২০ হাজার টাকা চাঁদা চান। শাহে আলম চাঁদা দিয়ে ঘর নেয়ায় ডাকাত সজিব তার ওপর ক্ষিপ্ত হতে থাকেন। একপর্যায়ে গতকাল ৬ জুলাই বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শাহে আলম (৫৮) ব্যক্তিগত কাজে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সহিদ মেম্বারের বাসায় যান। একই সময় ভুক্তভোগী নারী তাসলিমা বেগম (৫০) ব্যক্তিগত কাজে মেম্বারের বাসায় গেলে সজিবের নেতৃত্বে শরীফ জমাদার, ভুট্টো, সুমন ভূলাই, মহিউদ্দিন মাঝি, সবুজ ভূলাই, রুবেল, সিদ্দিক ও জুয়েল নারী-পুরুষকে অসামাজিক কার্যকলাপের অপবাদ দিয়ে পুনরায় ১লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এই চাঁদা না দেওয়ায় তাদেরকে এলোপাতাড়ি মারপিট করা হয়। এবং তাদের জোরপূর্বক জুতার মালা পরিয়ে জনসম্মুখে অপমান ও হেনস্তা করা হয়। এই ঘটনাটির ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নেট দুনিয়ায় নিন্দার ঝড় উঠে এবং এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শাহে আলম বাদী হয়ে ৯জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৮/১০ জনকে আসামী করে তজুমদ্দিন থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৪ আসামীকে গ্রেপ্তার করে।
কোরবানীর ঈদের আগে বোরহানউদ্দিন উপজেলার হাসারনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা জিল্লুর রহমানকে চাঁদার দাবিতে প্রকাশ্যে মধ্যযুগীয় কায়দায় মারপিট করে সেই ভিডিও এখন নেট দুনিয়ায় ভাইরাল। কিন্তু তাদের অপকর্ম এখানেই শেষ হয়নি।
২০২৫ সালে সোনপুর আবাসনের বাসিন্দা এক নারীকে কু-প্রস্তাব দেন সজিব। তাতে মহিলা রাজি না হওয়ায় গর্ভবতী সেই মহিলাকেও সেই সময় মধ্যযুগীয় কায়দায় মারপিট করেন। সজিবের বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ মোট ৬টি মামলা রয়েছে। সে মেঘনার কুখ্যাত জলদস্যু দুলাল বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ডের দায়িত্ব পালন করতেন।
তজুমদ্দিন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বরিশালটাইমসকে বলেন, ঘটনার বিষয়ে মামলা রুজু হয়েছে। ইতোমধ্যে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।’
ভোলার তজুমদ্দিনে চাঁদা না দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে এক নারী ও এক পুরুষকে মিথ্যা অপবাদে জুতার মালা দিয়ে প্রকাশ্যে হেনস্তার ঘটনায় নেট দুনিয়ায় প্রতিবাদের ঝড় উঠে। এ ঘটনায় তজুমদ্দিন থানায় মামলা করা হলে পুলিশ ৪ চাঁদাবাজ সন্ত্রাসকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।
গ্রেপ্তাররা হলেন, সজিব (২৮), রাকিব ভুট্টো, রায়হান (১৯) এবং রাসেল (২১)। তাদেরকে জেলহাজতে প্রেরণ করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, এক সময়ের মেঘনার জলদস্যু দুলাল বাহিনীর প্রধান দুলাল প্রধানের ছেলে সজিব উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড নিশ্চিন্তপুর গ্রামের শাহে আলমকে সরকারি আবাসনের ঘর দেওয়ার কথা বলে ২০ হাজার টাকা চাঁদা চান। শাহে আলম চাঁদা দিয়ে ঘর নেয়ায় ডাকাত সজিব তার ওপর ক্ষিপ্ত হতে থাকেন। একপর্যায়ে গতকাল ৬ জুলাই বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শাহে আলম (৫৮) ব্যক্তিগত কাজে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সহিদ মেম্বারের বাসায় যান। একই সময় ভুক্তভোগী নারী তাসলিমা বেগম (৫০) ব্যক্তিগত কাজে মেম্বারের বাসায় গেলে সজিবের নেতৃত্বে শরীফ জমাদার, ভুট্টো, সুমন ভূলাই, মহিউদ্দিন মাঝি, সবুজ ভূলাই, রুবেল, সিদ্দিক ও জুয়েল নারী-পুরুষকে অসামাজিক কার্যকলাপের অপবাদ দিয়ে পুনরায় ১লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এই চাঁদা না দেওয়ায় তাদেরকে এলোপাতাড়ি মারপিট করা হয়। এবং তাদের জোরপূর্বক জুতার মালা পরিয়ে জনসম্মুখে অপমান ও হেনস্তা করা হয়। এই ঘটনাটির ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নেট দুনিয়ায় নিন্দার ঝড় উঠে এবং এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শাহে আলম বাদী হয়ে ৯জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৮/১০ জনকে আসামী করে তজুমদ্দিন থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৪ আসামীকে গ্রেপ্তার করে।
কোরবানীর ঈদের আগে বোরহানউদ্দিন উপজেলার হাসারনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা জিল্লুর রহমানকে চাঁদার দাবিতে প্রকাশ্যে মধ্যযুগীয় কায়দায় মারপিট করে সেই ভিডিও এখন নেট দুনিয়ায় ভাইরাল। কিন্তু তাদের অপকর্ম এখানেই শেষ হয়নি।
২০২৫ সালে সোনপুর আবাসনের বাসিন্দা এক নারীকে কু-প্রস্তাব দেন সজিব। তাতে মহিলা রাজি না হওয়ায় গর্ভবতী সেই মহিলাকেও সেই সময় মধ্যযুগীয় কায়দায় মারপিট করেন। সজিবের বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ মোট ৬টি মামলা রয়েছে। সে মেঘনার কুখ্যাত জলদস্যু দুলাল বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ডের দায়িত্ব পালন করতেন।
তজুমদ্দিন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বরিশালটাইমসকে বলেন, ঘটনার বিষয়ে মামলা রুজু হয়েছে। ইতোমধ্যে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।’

০৭ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৫৮
পটুয়াখালীর বাউফলে নাসির উদ্দিন মৃধা (৪০) নামে এক যুবককে অপহরণ, নির্যাতন ও মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ এনে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতিসহ বিএনপির ১৪ জন নেতা কর্মীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের দায়িত্ব পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) কে দেওয়া দিয়েছেন। সোমবার (৬ জুলাই) পটুয়াখালীর অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ভুক্তভোগী নাসির উদ্দিন মৃধা বাদী হয়ে মামলাটি করেন। অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নওরিন করিম মামলাটি গ্রহণ করে ডিবিকে তদন্তের নির্দেশ দেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. বদলুল হক বাদল জানান, মামলায় বাউফল উপজেলা বিএনপির সদস্য ও দাসপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী আজম চৌধুরী, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, বাউফল পৌরসভা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ ওরফে হাজী পলাশসহ ১৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া সাত থেকে আটজন অজ্ঞাত নামা পরিচয় ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ১টার দিকে পটুয়াখালী শহরের হেতালিয়া বাঁধঘাট এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা নাসির উদ্দিনকে অপহরণ করে বাউফলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তার কাছে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয় এবং টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করা হয়। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর পেয়ে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে বাউফল থানার পুলিশ উপজেলার ইঞ্জিনিয়ার ফারুক আহমেদ তালুকদার মহিলা কলেজ এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে।
ভুক্তভোগী নাসির উদ্দিন অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওযায় তিনি এলাকায় যেতে পারছেন না এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকির কারণে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
তবে অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিএনপি নেতা আলী আজম চৌধুরী ও মাসুম বিল্লাহ ওরফে হাজী পলাশ। তাদের দাবি, অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত।
নাসির উদ্দিন মৃধা দাশপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এএনএম জাহাঙ্গীর হোসেনের সমর্থক ও কর্মী। অন্যদিকে ইউনিয়ন পরিষদকে নিয়ন্ত্রণ নেয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতা আলী আজম চৌধুরীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ রয়েছে এএনএম জাহাঙ্গীর হোসেনের সাথে। এর আগে ইউনিয়ন পরিষদে তালা দেওয়া এবং ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা সাইফুল ইসলাম মামুনকে মারধরের ঘটনায়ও আলী আজম চৌধুরীর বিরুদ্ধে পৃথক মামলা হয়েছে।
পটুয়াখালীর বাউফলে নাসির উদ্দিন মৃধা (৪০) নামে এক যুবককে অপহরণ, নির্যাতন ও মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ এনে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতিসহ বিএনপির ১৪ জন নেতা কর্মীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের দায়িত্ব পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) কে দেওয়া দিয়েছেন। সোমবার (৬ জুলাই) পটুয়াখালীর অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ভুক্তভোগী নাসির উদ্দিন মৃধা বাদী হয়ে মামলাটি করেন। অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নওরিন করিম মামলাটি গ্রহণ করে ডিবিকে তদন্তের নির্দেশ দেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. বদলুল হক বাদল জানান, মামলায় বাউফল উপজেলা বিএনপির সদস্য ও দাসপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী আজম চৌধুরী, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, বাউফল পৌরসভা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ ওরফে হাজী পলাশসহ ১৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া সাত থেকে আটজন অজ্ঞাত নামা পরিচয় ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ১টার দিকে পটুয়াখালী শহরের হেতালিয়া বাঁধঘাট এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা নাসির উদ্দিনকে অপহরণ করে বাউফলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তার কাছে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয় এবং টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করা হয়। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর পেয়ে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে বাউফল থানার পুলিশ উপজেলার ইঞ্জিনিয়ার ফারুক আহমেদ তালুকদার মহিলা কলেজ এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে।
ভুক্তভোগী নাসির উদ্দিন অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওযায় তিনি এলাকায় যেতে পারছেন না এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকির কারণে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
তবে অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিএনপি নেতা আলী আজম চৌধুরী ও মাসুম বিল্লাহ ওরফে হাজী পলাশ। তাদের দাবি, অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত।
নাসির উদ্দিন মৃধা দাশপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এএনএম জাহাঙ্গীর হোসেনের সমর্থক ও কর্মী। অন্যদিকে ইউনিয়ন পরিষদকে নিয়ন্ত্রণ নেয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতা আলী আজম চৌধুরীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ রয়েছে এএনএম জাহাঙ্গীর হোসেনের সাথে। এর আগে ইউনিয়ন পরিষদে তালা দেওয়া এবং ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা সাইফুল ইসলাম মামুনকে মারধরের ঘটনায়ও আলী আজম চৌধুরীর বিরুদ্ধে পৃথক মামলা হয়েছে।

০৭ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৫৪
বরিশাল নগরীর আমিরকুটির এলাকায় রাতের আঁধারে প্রায় শতবর্ষী একটি পুকুর ভরাটের অভিযোগ উঠেছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে গোপনে চলা এ কার্যক্রম নিয়ে এলাকাজুড়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি ছুটির দিন ও রাতের অন্ধকারকে কাজে লাগিয়ে ধাপে ধাপে পুকুরটি ভরাট করা হচ্ছে। বাইরে থেকে কেউ যাতে বিষয়টি বুঝতে না পারে সেজন্য চারপাশে বড় পর্দা টাঙিয়ে রাখা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, আমিরকুটির এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা ওভি মিয়ার (কাদের মিয়ার বাড়ি) বাড়ির ভেতরে অবস্থিত প্রায় ৩০ শতাংশ আয়তনের একটি বড় পুকুরে বালি ফেলা হচ্ছে। এলাকাবাসীর ভাষ্য, প্রায় একশো বছরের পুরোনো এই পুকুরটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার গুরুত্বপূর্ণ জলাধার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে এবং বর্ষাকালে অতিরিক্ত বৃষ্টির পানি ধারণেও ভূমিকা রাখে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রথমদিকে রাতের বেলায় বালি ফেলা শুরু হওয়ায় অনেকেই বিষয়টি বুঝতে পারেননি। কয়েকদিন পর পুকুর ভরাটের বিষয়টি নজরে এলে তারা মালিককে কাজ বন্ধ করার অনুরোধ জানান। কিন্তু সেই অনুরোধ উপেক্ষা করে এখনো ভরাট কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
এ বিষয়ে কথা বলতে ঘটনাস্থলে গিয়ে অভি মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সরাসরি কথা বলতে রাজি হননি। পরে মুঠোফোনে তিনি দাবি করেন, বরিশাল সিটি করপোরেশনের অনুমতি নিয়েই পুকুরটি ভরাট করছেন।
তবে অভি মিয়ার এই দাবির সঙ্গে একমত নয় বরিশাল সিটি করপোরেশন। সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী বলেন, "আমরা তাকে কোনো পুকুর ভরাটের অনুমতি দিইনি। সিটি করপোরেশন এ ধরনের অবৈধ কাজের অনুমোদন দেয় না। কোনো জলাশয় বা পুকুর ভরাট করা সরকারি আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ।"
অন্যদিকে পরিবেশ অধিদপ্তর, বরিশাল জেলার সহকারী পরিচালক কাজী সাইফুদ্দিন বলেন, "আমাদের জনবল সংকট রয়েছে। বর্তমানে একজন নারী পরিদর্শক কর্মরত আছেন। আমি এখনই তাকে নোটিশ পাঠানোর নির্দেশ দিচ্ছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
এ বিষয়ে বরিশালের জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার বলেন, "আমি নতুন যোগদান করেছি। ঘটনাস্থল সম্পর্কে এখনো অবগত নই। তবে তথ্য দিন, আমি এসিল্যান্ডের মাধ্যমে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভরাট কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেব।"
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) এর বরিশাল বিভাগীয় সমন্বয়কারী এবং বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) এর পরিচালক মো. রফিকুল আলম বলেন, নগর এলাকায় পুকুর ও জলাশয় ভরাট সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।পুকুর ভরাটের ফলে প্রাকৃতিক পানি ধারণক্ষমতা কমে যায়। এতে অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যায় এবং জীববৈচিত্র্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এছাড়া নগরীর পরিবেশগত ভারসাম্যও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আমার এলাকায় পুকুর ভরাট বন্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ২০২৩, বিভিন্ন নগর এলাকার মাস্টার প্ল্যান, এবং স্থানীয় সরকার সংস্থার বিধান অনুযায়ী অনুমোদন ছাড়া জলাশয় ভরাট করা বেআইনি। এছাড়া দেশের বিভিন্ন এলাকায় জলাধার সংরক্ষণ আইন ও সংশ্লিষ্ট আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রাকৃতিক জলাশয়, পুকুর ও খাল ভরাট নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। বিশেষ করে আবাসন বা বাণিজ্যিক কাজে জলাশয় ভরাটের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আইনগত অনুমোদন ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এ ধরনের কাজ করতে পারে না। প্রয়োজনে প্রশাসন ভরাট কার্যক্রম বন্ধ, জরিমানা, এমনকি অবৈধ ভরাট অপসারণের ব্যবস্থাও নিতে পারে।
এলাকাবাসীর দাবি, শতবর্ষী এই পুকুরটি অবিলম্বে ভরাট কার্যক্রম বন্ধ করে বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।’
বরিশাল নগরীর আমিরকুটির এলাকায় রাতের আঁধারে প্রায় শতবর্ষী একটি পুকুর ভরাটের অভিযোগ উঠেছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে গোপনে চলা এ কার্যক্রম নিয়ে এলাকাজুড়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি ছুটির দিন ও রাতের অন্ধকারকে কাজে লাগিয়ে ধাপে ধাপে পুকুরটি ভরাট করা হচ্ছে। বাইরে থেকে কেউ যাতে বিষয়টি বুঝতে না পারে সেজন্য চারপাশে বড় পর্দা টাঙিয়ে রাখা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, আমিরকুটির এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা ওভি মিয়ার (কাদের মিয়ার বাড়ি) বাড়ির ভেতরে অবস্থিত প্রায় ৩০ শতাংশ আয়তনের একটি বড় পুকুরে বালি ফেলা হচ্ছে। এলাকাবাসীর ভাষ্য, প্রায় একশো বছরের পুরোনো এই পুকুরটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার গুরুত্বপূর্ণ জলাধার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে এবং বর্ষাকালে অতিরিক্ত বৃষ্টির পানি ধারণেও ভূমিকা রাখে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রথমদিকে রাতের বেলায় বালি ফেলা শুরু হওয়ায় অনেকেই বিষয়টি বুঝতে পারেননি। কয়েকদিন পর পুকুর ভরাটের বিষয়টি নজরে এলে তারা মালিককে কাজ বন্ধ করার অনুরোধ জানান। কিন্তু সেই অনুরোধ উপেক্ষা করে এখনো ভরাট কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
এ বিষয়ে কথা বলতে ঘটনাস্থলে গিয়ে অভি মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সরাসরি কথা বলতে রাজি হননি। পরে মুঠোফোনে তিনি দাবি করেন, বরিশাল সিটি করপোরেশনের অনুমতি নিয়েই পুকুরটি ভরাট করছেন।
তবে অভি মিয়ার এই দাবির সঙ্গে একমত নয় বরিশাল সিটি করপোরেশন। সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী বলেন, "আমরা তাকে কোনো পুকুর ভরাটের অনুমতি দিইনি। সিটি করপোরেশন এ ধরনের অবৈধ কাজের অনুমোদন দেয় না। কোনো জলাশয় বা পুকুর ভরাট করা সরকারি আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ।"
অন্যদিকে পরিবেশ অধিদপ্তর, বরিশাল জেলার সহকারী পরিচালক কাজী সাইফুদ্দিন বলেন, "আমাদের জনবল সংকট রয়েছে। বর্তমানে একজন নারী পরিদর্শক কর্মরত আছেন। আমি এখনই তাকে নোটিশ পাঠানোর নির্দেশ দিচ্ছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
এ বিষয়ে বরিশালের জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার বলেন, "আমি নতুন যোগদান করেছি। ঘটনাস্থল সম্পর্কে এখনো অবগত নই। তবে তথ্য দিন, আমি এসিল্যান্ডের মাধ্যমে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভরাট কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেব।"
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) এর বরিশাল বিভাগীয় সমন্বয়কারী এবং বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) এর পরিচালক মো. রফিকুল আলম বলেন, নগর এলাকায় পুকুর ও জলাশয় ভরাট সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।পুকুর ভরাটের ফলে প্রাকৃতিক পানি ধারণক্ষমতা কমে যায়। এতে অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যায় এবং জীববৈচিত্র্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এছাড়া নগরীর পরিবেশগত ভারসাম্যও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আমার এলাকায় পুকুর ভরাট বন্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ২০২৩, বিভিন্ন নগর এলাকার মাস্টার প্ল্যান, এবং স্থানীয় সরকার সংস্থার বিধান অনুযায়ী অনুমোদন ছাড়া জলাশয় ভরাট করা বেআইনি। এছাড়া দেশের বিভিন্ন এলাকায় জলাধার সংরক্ষণ আইন ও সংশ্লিষ্ট আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রাকৃতিক জলাশয়, পুকুর ও খাল ভরাট নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। বিশেষ করে আবাসন বা বাণিজ্যিক কাজে জলাশয় ভরাটের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আইনগত অনুমোদন ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এ ধরনের কাজ করতে পারে না। প্রয়োজনে প্রশাসন ভরাট কার্যক্রম বন্ধ, জরিমানা, এমনকি অবৈধ ভরাট অপসারণের ব্যবস্থাও নিতে পারে।
এলাকাবাসীর দাবি, শতবর্ষী এই পুকুরটি অবিলম্বে ভরাট কার্যক্রম বন্ধ করে বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।’
০৭ জুলাই, ২০২৬ ২০:১৭
০৭ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৫৮
০৭ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৫৪
০৭ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৪৪