বরিশালের নতুন ডিআইজি (উপ মহাপরিদর্শক) হিসেবে আসছেন মো. জুলফিকার আলী হায়দার। শিল্পাঞ্চল পুলিশের ডিআইজি থেকে সরিয়ে তাকে গতকাল বুধবার বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।
পুলিশ কর্মকর্তা রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি পদোন্নতি-বঞ্চনার শিকার হয়েছেন।
শিল্পাঞ্চল পুলিশের আগে তিনি খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) কমিশনার ছিলেন।
এর আগে তিনি বরিশাল রেঞ্জ পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও পালন করেছেন। সততা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের কারণে তিনি সহকর্মী ও সংশ্লিষ্ট মহলে একজন সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তা হিসেবে সমাধিক পরিচিত।

১২ আগস্ট, ২০২৬ ২৩:০২
বরিশালের বাকেরগঞ্জে রহস্যজনক বোমা বিস্ফোরণে দগ্ধ হনুফা বেগম (৫০) অবশেষে মৃত্যুর কাছে হার মেনেছেন। ৯ দিন ধরে জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর বুধবার (১২ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
গত ৩ আগস্ট সকাল ৬টার দিকে বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের দুধলমৌ গ্রামে শাহ আলম হাওলাদারের বাড়িতে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে দগ্ধ হন শাহ আলমের স্ত্রী হনুফা বেগম, মেয়ে ইতি ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাতি ফাহিম।
স্থানীয়রা প্রথমে তাদের বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়, এবং সেখান থেকেও পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকায় জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসনের উদ্যোগে ঢাকার জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয় তিনজনকেই।
চিকিৎসায় ইতি ও ফাহিম সুস্থ হয়ে উঠলেও হনুফা বেগমের অবস্থা ক্রমশ সংকটাপন্ন হতে থাকে। শেষ পর্যন্ত বুধবার বিকেলে তিনি মৃত্যুর কাছে হার মানেন।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার জানান, হনুফার জামাতা সুজনের মাধ্যমে তিনি মৃত্যুর খবর পান। আহতদের চিকিৎসার পুরো ব্যয় বহন করছে জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসন, একই সঙ্গে মরদেহ বরিশালে ফিরিয়ে আনার খরচও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বহন করা হবে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও জানান, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় নিজে হাসপাতালে গিয়ে আহতদের অবস্থার অবনতি দেখে দ্রুত ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করেছিলেন। তবে হনুফাকে শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি।
এ ঘটনায় বাকেরগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে।
থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) পলাশ চন্দ্র সরকার বরিশালটাইমসকে জানান, রহস্যজনক এই বিস্ফোরণের ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং ঢাকা থেকে আসা বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করেছেন।’
বরিশালের বাকেরগঞ্জে রহস্যজনক বোমা বিস্ফোরণে দগ্ধ হনুফা বেগম (৫০) অবশেষে মৃত্যুর কাছে হার মেনেছেন। ৯ দিন ধরে জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর বুধবার (১২ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
গত ৩ আগস্ট সকাল ৬টার দিকে বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের দুধলমৌ গ্রামে শাহ আলম হাওলাদারের বাড়িতে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে দগ্ধ হন শাহ আলমের স্ত্রী হনুফা বেগম, মেয়ে ইতি ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাতি ফাহিম।
স্থানীয়রা প্রথমে তাদের বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়, এবং সেখান থেকেও পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকায় জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসনের উদ্যোগে ঢাকার জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয় তিনজনকেই।
চিকিৎসায় ইতি ও ফাহিম সুস্থ হয়ে উঠলেও হনুফা বেগমের অবস্থা ক্রমশ সংকটাপন্ন হতে থাকে। শেষ পর্যন্ত বুধবার বিকেলে তিনি মৃত্যুর কাছে হার মানেন।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার জানান, হনুফার জামাতা সুজনের মাধ্যমে তিনি মৃত্যুর খবর পান। আহতদের চিকিৎসার পুরো ব্যয় বহন করছে জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসন, একই সঙ্গে মরদেহ বরিশালে ফিরিয়ে আনার খরচও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বহন করা হবে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও জানান, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় নিজে হাসপাতালে গিয়ে আহতদের অবস্থার অবনতি দেখে দ্রুত ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করেছিলেন। তবে হনুফাকে শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি।
এ ঘটনায় বাকেরগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে।
থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) পলাশ চন্দ্র সরকার বরিশালটাইমসকে জানান, রহস্যজনক এই বিস্ফোরণের ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং ঢাকা থেকে আসা বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করেছেন।’

১২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৪৪
বরিশাল আদালত চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে আদালত চত্বরে জুডিশিয়াল ভবনের সামনে এ বিস্ফোরণ ঘটে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
ঘটনার পর আদালত চত্বরে বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বরিশাল আদালত চত্বরে প্রবেশের মূল ফটকের কাছে জুডিশিয়াল ভবনের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই বিএমপি কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহসহ বরিশাল আদালতের বিচারকরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
বরিশাল মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট নাজিম উদ্দীন আহমেদ পান্না বলেন, অগণতান্ত্রিক শক্তি এ নাশকতার পেছনে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অ্যাডভোকেট এইচএম তসলিম উদ্দিন বলেন, ফ্যাসিস্টের দোসররা, যারা বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে, তারাই এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে তিনি মনে করেন। তাদের গ্রেপ্তার না করার কারণেই দেশ অশান্ত হয়ে পড়েছে। দেশকে অশান্ত করার পাঁয়তারা যারা করছে, তাদের রুখে দিতে জনগণ ও জাতীয়তাবাদী শক্তি মাঠে রয়েছে।
অ্যাডভোকেট একেএম মীর জাহিদুল কবির বলেন, নাশকতার উদ্দেশ্যেই ফ্যাসিস্টদের দোসররা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে।
আগামী ১৬ আগস্ট বরিশালে আইনমন্ত্রীর আসার কথা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করার জন্য একটি মহল পাঁয়তারা চালাচ্ছে।
এ বিষয়ে বিএমপি পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার সুশান্ত সরকার সাংবাদিকদের বলেন, সিআইডি টিম ঘটনাটি তদন্ত শুরু করেছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিস্তারিত বলা যাবে। ঘটনাটি ঘিরে আদালত এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।’
বরিশাল আদালত চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে আদালত চত্বরে জুডিশিয়াল ভবনের সামনে এ বিস্ফোরণ ঘটে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
ঘটনার পর আদালত চত্বরে বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বরিশাল আদালত চত্বরে প্রবেশের মূল ফটকের কাছে জুডিশিয়াল ভবনের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই বিএমপি কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহসহ বরিশাল আদালতের বিচারকরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
বরিশাল মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট নাজিম উদ্দীন আহমেদ পান্না বলেন, অগণতান্ত্রিক শক্তি এ নাশকতার পেছনে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অ্যাডভোকেট এইচএম তসলিম উদ্দিন বলেন, ফ্যাসিস্টের দোসররা, যারা বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে, তারাই এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে তিনি মনে করেন। তাদের গ্রেপ্তার না করার কারণেই দেশ অশান্ত হয়ে পড়েছে। দেশকে অশান্ত করার পাঁয়তারা যারা করছে, তাদের রুখে দিতে জনগণ ও জাতীয়তাবাদী শক্তি মাঠে রয়েছে।
অ্যাডভোকেট একেএম মীর জাহিদুল কবির বলেন, নাশকতার উদ্দেশ্যেই ফ্যাসিস্টদের দোসররা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে।
আগামী ১৬ আগস্ট বরিশালে আইনমন্ত্রীর আসার কথা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করার জন্য একটি মহল পাঁয়তারা চালাচ্ছে।
এ বিষয়ে বিএমপি পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার সুশান্ত সরকার সাংবাদিকদের বলেন, সিআইডি টিম ঘটনাটি তদন্ত শুরু করেছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিস্তারিত বলা যাবে। ঘটনাটি ঘিরে আদালত এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।’

১২ আগস্ট, ২০২৬ ০০:০৩
বরিশালের চরমোনাই এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে চারজনকে আটক করা হয়েছে। বরিশাল সদর নৌ থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে আটহাজার এলাকার ভারানী (বাইপাস) খালের উত্তর মাথায় আড়িয়াল খাঁ নদীর মুখ থেকে তাদের আটক করে। এর আগে স্থানীয় লোকজন তাদের আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন বলে জানা গেছে। ঘটনাটি সোমবারের।
আটক চারজনের মধ্যে তিনজনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন-মো. ইমাম হোসেন চৌকিদার ওরফে ইমরান ওরফে ইমন ওরফে সোহান চৌকিদার (২৫), মো. মাসুদ প্যাদা ওরফে হানিফ প্যাদা (৩৬) এবং মো. সাগর হাওলাদার (২৮)। অপরজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তার নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
আটক ইমাম হোসেন চৌকিদার উত্তর বাউশিয়া, ৯ নম্বর ওয়ার্ড, বড় জালিয়া ইউনিয়ন, হিজলা, বরিশালের বাসিন্দা। তার পিতা মৃত রতন চৌকিদার ওরফে বেল্লায়েত ওরফে বেলাল চৌকিদার এবং মাতা রেনু বেগম ওরফে কুলসুম বেগম।
মো. মাসুদ প্যাদা দড়িচর খাজুরিয়া (বামের চর), ৮ নম্বর ওয়ার্ড, দড়িচর খাজুরিয়া ইউনিয়ন, মেহেন্দিগঞ্জ, বরিশালের বাসিন্দা। তার পিতা মো. লালমিয়া প্যাদা এবং মাতা মোছা. নিলুফা বেগম।
মো. সাগর হাওলাদারের স্থায়ী ঠিকানা পটুয়াখালীর মহিপুরের নিজামপুর এলাকায়। তার পিতা মো. নিজাম হাওলাদার এবং মাতা মোছা. লিলি বেগম। বর্তমানে তিনি বরিশালের পলাশপুর ইসলাম নগর, কলমের চত্বর এলাকায় বসবাস করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক ইমাম হোসেন ও মাসুদ প্যাদার বিরুদ্ধে হিজলা ও মেহেন্দিগঞ্জ থানায় মোট ছয়টি ওয়ারেন্ট রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নদীপথে ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে স্থানীয় লোকজন প্রথমে চারজনকে আটক করেন। পরে তাদের বরিশাল সদর নৌ থানার পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। পুলিশ তাদের হেফাজতে নিয়ে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করে।
বরিশাল সদর নৌ থানার ওসি অসীম কুমার জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’
বরিশালের চরমোনাই এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে চারজনকে আটক করা হয়েছে। বরিশাল সদর নৌ থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে আটহাজার এলাকার ভারানী (বাইপাস) খালের উত্তর মাথায় আড়িয়াল খাঁ নদীর মুখ থেকে তাদের আটক করে। এর আগে স্থানীয় লোকজন তাদের আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন বলে জানা গেছে। ঘটনাটি সোমবারের।
আটক চারজনের মধ্যে তিনজনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন-মো. ইমাম হোসেন চৌকিদার ওরফে ইমরান ওরফে ইমন ওরফে সোহান চৌকিদার (২৫), মো. মাসুদ প্যাদা ওরফে হানিফ প্যাদা (৩৬) এবং মো. সাগর হাওলাদার (২৮)। অপরজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তার নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
আটক ইমাম হোসেন চৌকিদার উত্তর বাউশিয়া, ৯ নম্বর ওয়ার্ড, বড় জালিয়া ইউনিয়ন, হিজলা, বরিশালের বাসিন্দা। তার পিতা মৃত রতন চৌকিদার ওরফে বেল্লায়েত ওরফে বেলাল চৌকিদার এবং মাতা রেনু বেগম ওরফে কুলসুম বেগম।
মো. মাসুদ প্যাদা দড়িচর খাজুরিয়া (বামের চর), ৮ নম্বর ওয়ার্ড, দড়িচর খাজুরিয়া ইউনিয়ন, মেহেন্দিগঞ্জ, বরিশালের বাসিন্দা। তার পিতা মো. লালমিয়া প্যাদা এবং মাতা মোছা. নিলুফা বেগম।
মো. সাগর হাওলাদারের স্থায়ী ঠিকানা পটুয়াখালীর মহিপুরের নিজামপুর এলাকায়। তার পিতা মো. নিজাম হাওলাদার এবং মাতা মোছা. লিলি বেগম। বর্তমানে তিনি বরিশালের পলাশপুর ইসলাম নগর, কলমের চত্বর এলাকায় বসবাস করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক ইমাম হোসেন ও মাসুদ প্যাদার বিরুদ্ধে হিজলা ও মেহেন্দিগঞ্জ থানায় মোট ছয়টি ওয়ারেন্ট রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নদীপথে ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে স্থানীয় লোকজন প্রথমে চারজনকে আটক করেন। পরে তাদের বরিশাল সদর নৌ থানার পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। পুলিশ তাদের হেফাজতে নিয়ে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করে।
বরিশাল সদর নৌ থানার ওসি অসীম কুমার জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

১৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:২০
বরিশালের নতুন ডিআইজি (উপ মহাপরিদর্শক) হিসেবে আসছেন মো. জুলফিকার আলী হায়দার। শিল্পাঞ্চল পুলিশের ডিআইজি থেকে সরিয়ে তাকে গতকাল বুধবার বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।
পুলিশ কর্মকর্তা রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি পদোন্নতি-বঞ্চনার শিকার হয়েছেন।
শিল্পাঞ্চল পুলিশের আগে তিনি খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) কমিশনার ছিলেন।
এর আগে তিনি বরিশাল রেঞ্জ পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও পালন করেছেন। সততা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের কারণে তিনি সহকর্মী ও সংশ্লিষ্ট মহলে একজন সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তা হিসেবে সমাধিক পরিচিত।
১৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:২৭
১৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৪৯
১৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৩৬
১৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:৫৮