
০৬ মে, ২০২৬ ০১:৫২
নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ-মাসদাইর এলাকার বোয়ালিয়া খাল সংলগ্ন লিচুবাগ এলাকায় সাদা পোশাকে তথ্য সংগ্রহে যাওয়া র্যাব সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে র্যাব-১১ এর তিন সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে অতিরিক্ত র্যাব ও পুলিশ সদস্য মোতায়েন করে অভিযানে নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
র্যাব ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বোয়ালিয়া খাল এলাকা মাদক কারবারি, কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইকারীদের আস্তানা হিসেবে পরিচিত। মঙ্গলবার দুপুরে র্যাব-১১ এর একটি গোয়েন্দা দল সাদা পোশাকে মাদক কারবারিদের অবস্থান ও তৎপরতা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে ওই এলাকায় যায়। এলাকায় প্রবেশের কিছুক্ষণের মধ্যেই স্থানীয় সন্ত্রাসীদের ৮ থেকে ১০ জনের একটি দল চাপাতি, রামদা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে র্যাব সদস্যদের ঘিরে ফেলে এবং অতর্কিত আক্রমণ করে। এতে র্যাব সদস্যদের মাথা, হাত ও শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর জখম হয়। পরে স্থানীয় লোকজন ও অন্য র্যাব সদস্যরা আহতদের নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে নিয়ে যান।
আহতরা হলেন র্যাব সদস্য নজিবুল, মাহি ও ইব্রাহিম। এর মধ্যে নজিবুলের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. জহিরুল ইসলাম জানান, আহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাত রয়েছে। একজনের মাথা ও হাতে গুরুতর ক্ষত হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
র্যাব ও পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হামলায় স্থানীয় চিহ্নিত সন্ত্রাসী জাহিদ ও মাসুদ ওরফে বুইট্টা মাসুদের সহযোগীরা জড়িত থাকতে পারে। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজে কয়েকজন যুবককে চাপাতি ও রামদা নিয়ে হামলা চালাতে দেখা যায়, যা ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মাহবুব জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ধরতে র্যাব ও পুলিশ যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করছে।
র্যাব-১১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে এ হামলা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। র্যাবের ওপর হামলা করে কেউ পার পাবে না। মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে র্যাবের অবস্থান জিরো টলারেন্স। জনগণের নিরাপত্তায় র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এক সময়ের সাধারণ চলাচলের জায়গাটি ধীরে ধীরে মাদকসেবী ও সন্ত্রাসীদের আড্ডাকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। সন্ধ্যার পর সাধারণ মানুষ এলাকাটি এড়িয়ে চলেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক বাসিন্দা বলেন, প্রতিদিন এখানে মাদকের আড্ডা বসে। মাঝেমধ্যে মারামারি হয়। প্রতিবাদ করলে উল্টো হুমকি দেওয়া হয়।'
নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ-মাসদাইর এলাকার বোয়ালিয়া খাল সংলগ্ন লিচুবাগ এলাকায় সাদা পোশাকে তথ্য সংগ্রহে যাওয়া র্যাব সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে র্যাব-১১ এর তিন সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে অতিরিক্ত র্যাব ও পুলিশ সদস্য মোতায়েন করে অভিযানে নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
র্যাব ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বোয়ালিয়া খাল এলাকা মাদক কারবারি, কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইকারীদের আস্তানা হিসেবে পরিচিত। মঙ্গলবার দুপুরে র্যাব-১১ এর একটি গোয়েন্দা দল সাদা পোশাকে মাদক কারবারিদের অবস্থান ও তৎপরতা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে ওই এলাকায় যায়। এলাকায় প্রবেশের কিছুক্ষণের মধ্যেই স্থানীয় সন্ত্রাসীদের ৮ থেকে ১০ জনের একটি দল চাপাতি, রামদা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে র্যাব সদস্যদের ঘিরে ফেলে এবং অতর্কিত আক্রমণ করে। এতে র্যাব সদস্যদের মাথা, হাত ও শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর জখম হয়। পরে স্থানীয় লোকজন ও অন্য র্যাব সদস্যরা আহতদের নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে নিয়ে যান।
আহতরা হলেন র্যাব সদস্য নজিবুল, মাহি ও ইব্রাহিম। এর মধ্যে নজিবুলের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. জহিরুল ইসলাম জানান, আহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাত রয়েছে। একজনের মাথা ও হাতে গুরুতর ক্ষত হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
র্যাব ও পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হামলায় স্থানীয় চিহ্নিত সন্ত্রাসী জাহিদ ও মাসুদ ওরফে বুইট্টা মাসুদের সহযোগীরা জড়িত থাকতে পারে। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজে কয়েকজন যুবককে চাপাতি ও রামদা নিয়ে হামলা চালাতে দেখা যায়, যা ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মাহবুব জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ধরতে র্যাব ও পুলিশ যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করছে।
র্যাব-১১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে এ হামলা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। র্যাবের ওপর হামলা করে কেউ পার পাবে না। মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে র্যাবের অবস্থান জিরো টলারেন্স। জনগণের নিরাপত্তায় র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এক সময়ের সাধারণ চলাচলের জায়গাটি ধীরে ধীরে মাদকসেবী ও সন্ত্রাসীদের আড্ডাকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। সন্ধ্যার পর সাধারণ মানুষ এলাকাটি এড়িয়ে চলেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক বাসিন্দা বলেন, প্রতিদিন এখানে মাদকের আড্ডা বসে। মাঝেমধ্যে মারামারি হয়। প্রতিবাদ করলে উল্টো হুমকি দেওয়া হয়।'

০৮ মে, ২০২৬ ০১:৩৪
চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায় গোলাগুলির ঘটনায় রাজু নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় রেশমি আক্তার নামের এক শিশু গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) দিবাগত রাতে থানার রৌফাবাদ কলোনির শহীদ মিনার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত শিশুটিকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়েছে।
নিহত রাজুর বাড়ি রাউজান উপজেলায়। তিনি নগরীর রৌফাবাদ এলাকায় বোনের বাসায় বেড়াতে এসে এ হামলার শিকার হন বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে রৌফাবাদ কলোনির শহীদ মিনার এলাকায় হঠাৎ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা রাজু গুলিবিদ্ধ হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। একই ঘটনায় পথচারী শিশু রেশমি আক্তারও গুলিবিদ্ধ হয়।
গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বায়েজিদ থানার ওসি মো. আবদুল করিম। তিনি বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে এবং কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
এদিকে গুলিবিদ্ধ শিশু রেশমি আক্তারকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
ঘটনার বিষয়ে শিশুটির ভাই ফয়সাল মাহমুদ গণমাধ্যমকে জানান, ঘটনার বিস্তারিত আমি জানি না। আমি দোকান করি। আমাদের বাসা রৌফাবাদ এলাকায়। আমার ছোট বোন চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে। শুনেছি, আম্মু তাকে একটি কাজে বাইরে পাঠিয়েছিলেন। তখন সে গোলাগুলির মধ্যে পড়ে যায়। বর্তমানে আমার বোন হাসপাতালে মৃত্যুশয্যায়।
ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কারা এ গোলাগুলির সঙ্গে জড়িত এবং এটি পূর্ব শত্রুতার জেরে নাকি অন্য কোনো কারণে সংঘটিত হয়েছে—তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।'
চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায় গোলাগুলির ঘটনায় রাজু নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় রেশমি আক্তার নামের এক শিশু গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) দিবাগত রাতে থানার রৌফাবাদ কলোনির শহীদ মিনার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত শিশুটিকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়েছে।
নিহত রাজুর বাড়ি রাউজান উপজেলায়। তিনি নগরীর রৌফাবাদ এলাকায় বোনের বাসায় বেড়াতে এসে এ হামলার শিকার হন বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে রৌফাবাদ কলোনির শহীদ মিনার এলাকায় হঠাৎ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা রাজু গুলিবিদ্ধ হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। একই ঘটনায় পথচারী শিশু রেশমি আক্তারও গুলিবিদ্ধ হয়।
গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বায়েজিদ থানার ওসি মো. আবদুল করিম। তিনি বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে এবং কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
এদিকে গুলিবিদ্ধ শিশু রেশমি আক্তারকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
ঘটনার বিষয়ে শিশুটির ভাই ফয়সাল মাহমুদ গণমাধ্যমকে জানান, ঘটনার বিস্তারিত আমি জানি না। আমি দোকান করি। আমাদের বাসা রৌফাবাদ এলাকায়। আমার ছোট বোন চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে। শুনেছি, আম্মু তাকে একটি কাজে বাইরে পাঠিয়েছিলেন। তখন সে গোলাগুলির মধ্যে পড়ে যায়। বর্তমানে আমার বোন হাসপাতালে মৃত্যুশয্যায়।
ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কারা এ গোলাগুলির সঙ্গে জড়িত এবং এটি পূর্ব শত্রুতার জেরে নাকি অন্য কোনো কারণে সংঘটিত হয়েছে—তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।'

০৭ মে, ২০২৬ ১৩:৪০
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে স্মার্টফোনে অনলাইন জুয়া খেলার অপরাধে মো. নজরুল ইসলাম (৩৩) নামে এক যুবককে তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০০ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
বুধবার (৬ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চৌমুহনী বাজারের হাজীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ দণ্ড দেওয়া হয়।
আদালত পরিচালনা করেন বেগমগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহাদাত হোসেন। দণ্ডপ্রাপ্ত নজরুল ইসলাম ওই এলাকার মমিন উল্যার ছেলে।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে হাজীপুর এলাকায় মাদক ও অনলাইন জুয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে স্থানীয়দের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া যায়।
এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রাতে সেখানে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহাদাত হোসেনের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় স্মার্টফোনে জুয়া খেলার সময় নজরুলকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
পরে তিনি অপরাধ স্বীকার করলে প্রকাশ্য জুয়া আইন, ১৮৬৭-এর ৪ ধারায় তাকে তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহাদাত হোসেন বলেন, আটক যুবককে ১০০ টাকা অর্থদণ্ড এবং তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জুয়া খেলা ও মাদক রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অভিযানে র্যাব-১১ সিপিসি-৩, নোয়াখালীর একটি দল অংশ নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করে।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে স্মার্টফোনে অনলাইন জুয়া খেলার অপরাধে মো. নজরুল ইসলাম (৩৩) নামে এক যুবককে তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০০ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
বুধবার (৬ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চৌমুহনী বাজারের হাজীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ দণ্ড দেওয়া হয়।
আদালত পরিচালনা করেন বেগমগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহাদাত হোসেন। দণ্ডপ্রাপ্ত নজরুল ইসলাম ওই এলাকার মমিন উল্যার ছেলে।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে হাজীপুর এলাকায় মাদক ও অনলাইন জুয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে স্থানীয়দের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া যায়।
এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রাতে সেখানে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহাদাত হোসেনের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় স্মার্টফোনে জুয়া খেলার সময় নজরুলকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
পরে তিনি অপরাধ স্বীকার করলে প্রকাশ্য জুয়া আইন, ১৮৬৭-এর ৪ ধারায় তাকে তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহাদাত হোসেন বলেন, আটক যুবককে ১০০ টাকা অর্থদণ্ড এবং তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জুয়া খেলা ও মাদক রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অভিযানে র্যাব-১১ সিপিসি-৩, নোয়াখালীর একটি দল অংশ নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করে।

০৭ মে, ২০২৬ ১৩:০৮
মুন্সীগঞ্জের লৌহজং-টঙ্গিবাড়ী উপজেলার ডহরী-তালতলা খালে চাঁদা দিয়ে চলছে বালুবাহী বাল্কহেড। প্রশাসন নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও চালকদের কাছ থেকে চাঁদা নিয়ে কয়েকটি চক্র বাল্কহেড চলাচলে সহায়তা করছে।
প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত খালে শতাধিক বাল্কহেড নিয়মিত চলাচল করছে বলে খালপাড়ের বাসিন্দারা জানিয়েছেন। এতে বিভিন্ন স্থানের খালপাড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে।
২০২৩ সালের ৫ আগস্ট খিদিরপাড়া ইউনিয়নের রসকাঠি এলাকায় বাল্কহেডের ধাক্কায় পিকনিকের ট্রলার ডুবে নারী ও শিশুসহ ১০ জন নিহত হন। এরপর প্রশাসন এই খালে বাল্কহেড চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেয়। কিন্তু এরপরও চাঁদাবাজ চক্রের সহায়তায় নির্বিঘ্নে চলাচল করছে বাল্কহেড।
গৌরগঞ্জ-তালতলা-ডহরী খাল নামে পরিচিত খালটি লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী উভয় উপজেলায় পড়েছে। পদ্মা নদীর ডহরী থেকে নূরপুর পর্যন্ত খালের দুই পাড় লৌহজং উপজেলায় এবং নূরপুর থেকে সুবচনী বাজার পর্যন্ত খালের পশ্চিম পাড় লৌহজং ও পূর্ব পাড় টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় অবস্থিত।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাল্কহেড চালকরা জানান, টঙ্গিবাড়ী উপজেলার বালিগাঁও বাজার এলাকার রাজন মুন্সী, সাজন মুন্সী এবং লৌহজং উপজেলার রুবেল মাদবর, শামুরবাড়ি গ্রামের রিপন ওস্তাকার, আনোয়ার ঢালী, রাহাত চাকলাদার, ওসমান ওস্তাকার, শাকিল ওস্তাকাররা বাল্কহেড পারাপার করে দিচ্ছেন। এজন্য যানপ্রতি তারা এক থেকে দুই হাজার টাকা নেন।
স্থানীয়রা জানান, মূলত অবৈধ বালুখেকো চক্র এ খাল ব্যবহার করে। পদ্মা নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে সহজে নারায়ণগঞ্জ, ঢাকার কামরাঙ্গীরচরসহ বিভিন্ন স্থানে পাঠাতে এ রুট ব্যবহার করা হয়। এ সুযোগে চলে চাঁদাবাজি।
গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর চাঁদাবাজ চক্রের সদস্য রাহাত চাকলাদার ও দীপু ওস্তাকারকে ডহরী খালে চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার করে লৌহজং থানা পুলিশ। চাঁদাবাজি ও হত্যা মামলার আসামি রিপন ওস্তাকারকে ১২ নভেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে ৪ সেপ্টেম্বর বাল্কহেড থেকে চাঁদাবাজির দায়ে রুবেল মাদবরকে দুই লাখ টাকা জরিমানা ও তিন মাসের কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও লৌহজং উপজেলার এসিল্যান্ড আব্দুল্লাহ আল ইমরান। তাদের গ্রেপ্তারের পর এলাকার জনমনে স্বস্তি ফিরেছিল।
তবে তারা কিছুদিন জেল খেটে জামিনে বেরিয়ে আবারও চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়েছেন। তাদের নামে লৌহজং, শরীয়তপুর সদর ও জাজিরা থানায় চাঁদাবাজি ও ডাকাতির একাধিক মামলা রয়েছে।
খালপাড়ের বাসিন্দাদের ভাষ্য, ডহরী-তালতলা খালে দিন-রাত চলছে বাল্কহেডগুলো। এগুলোর বেপরোয়া চলাচলে খালের দুই তীরে ভাঙন শুরু হয়েছে। অতিরিক্ত বাল্কহেড চলাচলে প্রতিদিন ঘটছে কোনো না কোনো দুর্ঘটনা।
আগের ইউএনও এসব বাল্কহেডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছিলেন। এই বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল বন্ধ করতে না পারলে একসময় বাপ-দাদার বসত ভিটে হারাতে হবে।
গাওদিয়া ইউনিয়নের হাড়িদিয়া গ্রামের খালপাড়ের বাসিন্দা লিটন ও স্বপন জানান, খালে পানি বাড়তে শুরু করায় বাল্কহেড চলাচল বেড়েছে। এতে খালের দুই পাড়ে ভাঙন শুরু হয়েছে।
খিদিরপাড়া ইউনিয়নের বাসুদিয়া গ্রামের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, বাল্কহেড চলাচলের কারণে ঢেউয়ের আঘাতে দুই বছরে আমার বসতবাড়ির অর্ধেক খালে বিলীন হয়ে গেছে। বাল্কহেড চলাচল বন্ধ না হলে অচিরেই পুরো বাড়িটা যাবে।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করলে চাঁদাবাজ চক্রের অন্যতম সদস্য রুবেল বলেন, বাল্কহেড আমরা একা পার করি না, ২০ থেকে ৩০ জন এর সঙ্গে যুক্ত। একাধিক মামলার কথা স্বীকার করে সব মামলায় জামিনে আছেন বলে জানান। তিনি বলেন, আমার আন্ডারে বাল্কহেড আসে, সুকানি ভাইরা খুশি হইয়া কিছু টাকা দেয়। কত পত্রিকায় রিপোর্ট করল বাল্কহেড তো থামল না।
লৌহজং ইউএনও ফারাজানা ববি মিতু বলেন, খালটি লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী উভয় উপজেলার অংশে রয়েছে। টঙ্গিবাড়ী ইউএনওর সঙ্গে আলোচনা করে বাল্কহেড বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মুন্সীগঞ্জের লৌহজং-টঙ্গিবাড়ী উপজেলার ডহরী-তালতলা খালে চাঁদা দিয়ে চলছে বালুবাহী বাল্কহেড। প্রশাসন নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও চালকদের কাছ থেকে চাঁদা নিয়ে কয়েকটি চক্র বাল্কহেড চলাচলে সহায়তা করছে।
প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত খালে শতাধিক বাল্কহেড নিয়মিত চলাচল করছে বলে খালপাড়ের বাসিন্দারা জানিয়েছেন। এতে বিভিন্ন স্থানের খালপাড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে।
২০২৩ সালের ৫ আগস্ট খিদিরপাড়া ইউনিয়নের রসকাঠি এলাকায় বাল্কহেডের ধাক্কায় পিকনিকের ট্রলার ডুবে নারী ও শিশুসহ ১০ জন নিহত হন। এরপর প্রশাসন এই খালে বাল্কহেড চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেয়। কিন্তু এরপরও চাঁদাবাজ চক্রের সহায়তায় নির্বিঘ্নে চলাচল করছে বাল্কহেড।
গৌরগঞ্জ-তালতলা-ডহরী খাল নামে পরিচিত খালটি লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী উভয় উপজেলায় পড়েছে। পদ্মা নদীর ডহরী থেকে নূরপুর পর্যন্ত খালের দুই পাড় লৌহজং উপজেলায় এবং নূরপুর থেকে সুবচনী বাজার পর্যন্ত খালের পশ্চিম পাড় লৌহজং ও পূর্ব পাড় টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় অবস্থিত।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাল্কহেড চালকরা জানান, টঙ্গিবাড়ী উপজেলার বালিগাঁও বাজার এলাকার রাজন মুন্সী, সাজন মুন্সী এবং লৌহজং উপজেলার রুবেল মাদবর, শামুরবাড়ি গ্রামের রিপন ওস্তাকার, আনোয়ার ঢালী, রাহাত চাকলাদার, ওসমান ওস্তাকার, শাকিল ওস্তাকাররা বাল্কহেড পারাপার করে দিচ্ছেন। এজন্য যানপ্রতি তারা এক থেকে দুই হাজার টাকা নেন।
স্থানীয়রা জানান, মূলত অবৈধ বালুখেকো চক্র এ খাল ব্যবহার করে। পদ্মা নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে সহজে নারায়ণগঞ্জ, ঢাকার কামরাঙ্গীরচরসহ বিভিন্ন স্থানে পাঠাতে এ রুট ব্যবহার করা হয়। এ সুযোগে চলে চাঁদাবাজি।
গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর চাঁদাবাজ চক্রের সদস্য রাহাত চাকলাদার ও দীপু ওস্তাকারকে ডহরী খালে চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার করে লৌহজং থানা পুলিশ। চাঁদাবাজি ও হত্যা মামলার আসামি রিপন ওস্তাকারকে ১২ নভেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে ৪ সেপ্টেম্বর বাল্কহেড থেকে চাঁদাবাজির দায়ে রুবেল মাদবরকে দুই লাখ টাকা জরিমানা ও তিন মাসের কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও লৌহজং উপজেলার এসিল্যান্ড আব্দুল্লাহ আল ইমরান। তাদের গ্রেপ্তারের পর এলাকার জনমনে স্বস্তি ফিরেছিল।
তবে তারা কিছুদিন জেল খেটে জামিনে বেরিয়ে আবারও চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়েছেন। তাদের নামে লৌহজং, শরীয়তপুর সদর ও জাজিরা থানায় চাঁদাবাজি ও ডাকাতির একাধিক মামলা রয়েছে।
খালপাড়ের বাসিন্দাদের ভাষ্য, ডহরী-তালতলা খালে দিন-রাত চলছে বাল্কহেডগুলো। এগুলোর বেপরোয়া চলাচলে খালের দুই তীরে ভাঙন শুরু হয়েছে। অতিরিক্ত বাল্কহেড চলাচলে প্রতিদিন ঘটছে কোনো না কোনো দুর্ঘটনা।
আগের ইউএনও এসব বাল্কহেডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছিলেন। এই বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল বন্ধ করতে না পারলে একসময় বাপ-দাদার বসত ভিটে হারাতে হবে।
গাওদিয়া ইউনিয়নের হাড়িদিয়া গ্রামের খালপাড়ের বাসিন্দা লিটন ও স্বপন জানান, খালে পানি বাড়তে শুরু করায় বাল্কহেড চলাচল বেড়েছে। এতে খালের দুই পাড়ে ভাঙন শুরু হয়েছে।
খিদিরপাড়া ইউনিয়নের বাসুদিয়া গ্রামের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, বাল্কহেড চলাচলের কারণে ঢেউয়ের আঘাতে দুই বছরে আমার বসতবাড়ির অর্ধেক খালে বিলীন হয়ে গেছে। বাল্কহেড চলাচল বন্ধ না হলে অচিরেই পুরো বাড়িটা যাবে।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করলে চাঁদাবাজ চক্রের অন্যতম সদস্য রুবেল বলেন, বাল্কহেড আমরা একা পার করি না, ২০ থেকে ৩০ জন এর সঙ্গে যুক্ত। একাধিক মামলার কথা স্বীকার করে সব মামলায় জামিনে আছেন বলে জানান। তিনি বলেন, আমার আন্ডারে বাল্কহেড আসে, সুকানি ভাইরা খুশি হইয়া কিছু টাকা দেয়। কত পত্রিকায় রিপোর্ট করল বাল্কহেড তো থামল না।
লৌহজং ইউএনও ফারাজানা ববি মিতু বলেন, খালটি লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী উভয় উপজেলার অংশে রয়েছে। টঙ্গিবাড়ী ইউএনওর সঙ্গে আলোচনা করে বাল্কহেড বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৮ মে, ২০২৬ ১৬:৩২
০৮ মে, ২০২৬ ১৬:৩০
০৮ মে, ২০২৬ ১৪:৪৫
০৮ মে, ২০২৬ ১৪:৩৪