
১৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৫৪
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবোর) পুকুর দখল নিয়ে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনার ঘটেছে। এসময় একপক্ষের একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের ভাড়রা বাজার সংলগ্ন এলাকায় ভাড়রা ও যদুবয়রা ইউনিয়নের উত্তর চাঁদপুর গ্রামের একাংশের সঙ্গে এ ঘটনা ঘটে।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে হামলার এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা নেতৃত্ব দেন বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সান্দিয়ারা-লাহিনীপাড়া সড়কের ভাড়রা বাজার সংলগ্ন এলাকায় প্রায় ১২ বিঘা জমির পুকুর রয়েছে পাউবোর। যা স্থানীয় নামমাত্র খাজনা দিয়ে ‘সুফলভোগী ’ সংগঠনের নামে ভোগ করার কথা।
কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে স্থানীয় এমপি ডিও লেটারের মাধ্যমে চাপড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম রাশেদ টোটো তার সমর্থিতদের মাধ্যমে ভোগ করতেন। তিনি প্রতিবছরে সরকারে ৪০ হাজার টাকা পরিশোধ করতেন। আগামী ২০২৭ সাল পর্যন্ত সরকারের সঙ্গে তার চুক্তি রয়েছে।
আওয়ামী লীগ সরকার পালানোর পর স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা তা দখল করে নেওয়ার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে গেল বছর আওয়ামী লীগ নেতা টোটো ৭ লাখ টাকায় যদুবয়রা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য ও বিএনপি নেত্রী সাজেদা খাতুনের কাছে পুকুরটি হস্তান্তর করেন।
এ নিয়ে ভাড়রা ও উত্তর চাঁদপুর এই দুই গ্রামবাসী ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে বিরোধ ও উত্তেজনা চলছিল। এরই মধ্যে শুক্রবার দুপুরে যদুবয়রা ইউএনপির সার্চ কমিটির সাবেক সদস্য ফারুক হোসেন, বিএনপির কর্মী আসাদ, মতিয়ারসহ কয়েকজন মোটরসাইকেলে ওই পুকুর এলাকায় যান।
এসময় ভাড়রা গ্রামবাসী ও বিএনপির নেতাকর্মী মসজিদের মাইকে ‘সন্ত্রাসীরা পুকুরে মাছ মেরে নিচ্ছে, সবাই আসুন’ এমন ঘোষণা দেন। তখন কয়েকশ মানুষ দেশীয় অস্ত্র লাঠিসোঁঠা, দা, বটি, হাঁসুয়া নিয়ে ধাওয়া করলে প্রতিপক্ষরা একটি মোটরসাইকেল ফেলে পালিয়ে যায়। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাকা সড়ক ঘেঁষে বড় পুকুর। পাড়ে পড়ে আছে একটি মোটরসাইকেল। তাতে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়েছে। দেশীয় অস্ত্র হাতে কয়েকশ মানুষ ছোটাছুটি করছেন। এসময় ভাড়রার লোকজন গণমাধ্যমকর্মীদের ঘটনার চিত্র ধারণে বাধা দেন ও ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে বাধ্য করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, সরকারি পুকুর নিয়ে অনেকদিন ধরে ঝামেলা চলছে। উত্তর চাঁদপুরের কিছু লোক এসেছিল। তখন ভাড়রার লোকজন মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে হামলা করেন। তখন পালিয়ে গেলে একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।
কিছুক্ষণ পরে ফের সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছে। ভাড়রা ও চাঁদপুর বাজারে দুই গ্রামের লোকজন জড়ো হয়েছে। এসময় চাপড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুল ইসলাম বলেন, নিয়ম অনুযায়ী পুকুর ভোগ করবে ভাড়রাবাসী। ৩৩ জনের কমিটি করে বছর খানেক আগে প্রায় ১৫ লাখ টাকার মাছ দেওয়া হয়েছে পুকুরে।
কিন্তু উত্তর চাঁদপুর গ্রামের ফারুক, আসাদ, মতিয়ারসহ সন্ত্রাসী বাহিনী জোর করে মাছ ধরতে নেমেছিল। আমরা মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিলে গ্রামবাসী ছুটে আসেন। আর সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। কিন্তু ভাঙচুরের বিষয়ে কোনো কথা বলেননি তিনি।
তবে এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি যদুবয়রা ইউনিয়নের উত্তর চাঁদপুর গ্রামবাসী ও অভিযুক্ত বিএনপি নেতারা। ফোনে আওয়ামী লীগ নেতা এস এম রাসেদ টোটো জানান, ২০২৭ সাল পর্যন্ত সরকারের সঙ্গে চুক্তি রয়েছে তার।
প্রতিবছরই প্রায় ৪০ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেন তিনি। পুকুরে তার প্রায় ১৫ লাখ টাকার মাছ ছিল। কিন্তু সরকার পতনের পর নানান ঝামেলা হচ্ছিল। সেজন্য ইউপি সদস্য সাজেদার কাছে তিনি ৭ লাখ টাকায় হস্তান্তর করেছিলেন। কিন্তু ওই ইউপি সদস্য তাকে কোনো টাকা দেননি।
কুমারখালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, পুকুর নিয়ে দুইপক্ষের দ্বন্দ্বে একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়েছে। তবে তার মালিক পাওয়া যায়নি এখনও। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবোর) পুকুর দখল নিয়ে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনার ঘটেছে। এসময় একপক্ষের একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের ভাড়রা বাজার সংলগ্ন এলাকায় ভাড়রা ও যদুবয়রা ইউনিয়নের উত্তর চাঁদপুর গ্রামের একাংশের সঙ্গে এ ঘটনা ঘটে।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে হামলার এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা নেতৃত্ব দেন বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সান্দিয়ারা-লাহিনীপাড়া সড়কের ভাড়রা বাজার সংলগ্ন এলাকায় প্রায় ১২ বিঘা জমির পুকুর রয়েছে পাউবোর। যা স্থানীয় নামমাত্র খাজনা দিয়ে ‘সুফলভোগী ’ সংগঠনের নামে ভোগ করার কথা।
কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে স্থানীয় এমপি ডিও লেটারের মাধ্যমে চাপড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম রাশেদ টোটো তার সমর্থিতদের মাধ্যমে ভোগ করতেন। তিনি প্রতিবছরে সরকারে ৪০ হাজার টাকা পরিশোধ করতেন। আগামী ২০২৭ সাল পর্যন্ত সরকারের সঙ্গে তার চুক্তি রয়েছে।
আওয়ামী লীগ সরকার পালানোর পর স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা তা দখল করে নেওয়ার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে গেল বছর আওয়ামী লীগ নেতা টোটো ৭ লাখ টাকায় যদুবয়রা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য ও বিএনপি নেত্রী সাজেদা খাতুনের কাছে পুকুরটি হস্তান্তর করেন।
এ নিয়ে ভাড়রা ও উত্তর চাঁদপুর এই দুই গ্রামবাসী ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে বিরোধ ও উত্তেজনা চলছিল। এরই মধ্যে শুক্রবার দুপুরে যদুবয়রা ইউএনপির সার্চ কমিটির সাবেক সদস্য ফারুক হোসেন, বিএনপির কর্মী আসাদ, মতিয়ারসহ কয়েকজন মোটরসাইকেলে ওই পুকুর এলাকায় যান।
এসময় ভাড়রা গ্রামবাসী ও বিএনপির নেতাকর্মী মসজিদের মাইকে ‘সন্ত্রাসীরা পুকুরে মাছ মেরে নিচ্ছে, সবাই আসুন’ এমন ঘোষণা দেন। তখন কয়েকশ মানুষ দেশীয় অস্ত্র লাঠিসোঁঠা, দা, বটি, হাঁসুয়া নিয়ে ধাওয়া করলে প্রতিপক্ষরা একটি মোটরসাইকেল ফেলে পালিয়ে যায়। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাকা সড়ক ঘেঁষে বড় পুকুর। পাড়ে পড়ে আছে একটি মোটরসাইকেল। তাতে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়েছে। দেশীয় অস্ত্র হাতে কয়েকশ মানুষ ছোটাছুটি করছেন। এসময় ভাড়রার লোকজন গণমাধ্যমকর্মীদের ঘটনার চিত্র ধারণে বাধা দেন ও ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে বাধ্য করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, সরকারি পুকুর নিয়ে অনেকদিন ধরে ঝামেলা চলছে। উত্তর চাঁদপুরের কিছু লোক এসেছিল। তখন ভাড়রার লোকজন মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে হামলা করেন। তখন পালিয়ে গেলে একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।
কিছুক্ষণ পরে ফের সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছে। ভাড়রা ও চাঁদপুর বাজারে দুই গ্রামের লোকজন জড়ো হয়েছে। এসময় চাপড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুল ইসলাম বলেন, নিয়ম অনুযায়ী পুকুর ভোগ করবে ভাড়রাবাসী। ৩৩ জনের কমিটি করে বছর খানেক আগে প্রায় ১৫ লাখ টাকার মাছ দেওয়া হয়েছে পুকুরে।
কিন্তু উত্তর চাঁদপুর গ্রামের ফারুক, আসাদ, মতিয়ারসহ সন্ত্রাসী বাহিনী জোর করে মাছ ধরতে নেমেছিল। আমরা মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিলে গ্রামবাসী ছুটে আসেন। আর সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। কিন্তু ভাঙচুরের বিষয়ে কোনো কথা বলেননি তিনি।
তবে এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি যদুবয়রা ইউনিয়নের উত্তর চাঁদপুর গ্রামবাসী ও অভিযুক্ত বিএনপি নেতারা। ফোনে আওয়ামী লীগ নেতা এস এম রাসেদ টোটো জানান, ২০২৭ সাল পর্যন্ত সরকারের সঙ্গে চুক্তি রয়েছে তার।
প্রতিবছরই প্রায় ৪০ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেন তিনি। পুকুরে তার প্রায় ১৫ লাখ টাকার মাছ ছিল। কিন্তু সরকার পতনের পর নানান ঝামেলা হচ্ছিল। সেজন্য ইউপি সদস্য সাজেদার কাছে তিনি ৭ লাখ টাকায় হস্তান্তর করেছিলেন। কিন্তু ওই ইউপি সদস্য তাকে কোনো টাকা দেননি।
কুমারখালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, পুকুর নিয়ে দুইপক্ষের দ্বন্দ্বে একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়েছে। তবে তার মালিক পাওয়া যায়নি এখনও। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৫
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন লক্ষ করা গেছে। একটি ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সেক্রেটারিসহ বিএনপির ১৪০ নেতাকর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার লাহিড়ীতে আয়োজিত এক জনসভায় তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এই দলবদল করেন।
জানা গেছে, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ১নং পাড়িয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে বিএনপির একটি বড় অংশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
লাহিড়ীতে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় জামায়াতে ইসলামীর নেতারা তাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। যোগদানকারীদের স্বাগত জানান ঠাকুরগাঁও-২ আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা আব্দুল হাকিম।
জামায়াতে যোগদানকারী নেতাকর্মীরা জানান, দেশ ও জাতির কল্যাণে ইসলামী আদর্শভিত্তিক রাজনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তারা বিশ্বাস করেন, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জামায়াতে ইসলামীর আদর্শই দেশের মানুষের অধিকার আদায়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে। নতুন যোগদানকারীরা আগামী দিনে দলীয় কর্মসূচি আরও গতিশীল করতে সক্রিয়ভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীসহ পাশের এলাকাগুলোতে রাজনৈতিক তৎপরতা এখন তুঙ্গে। এমন সময়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের দলত্যাগ এবং জামায়াতে যোগদানের বিষয়টি ওই এলাকায় বেশ আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন লক্ষ করা গেছে। একটি ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সেক্রেটারিসহ বিএনপির ১৪০ নেতাকর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার লাহিড়ীতে আয়োজিত এক জনসভায় তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এই দলবদল করেন।
জানা গেছে, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ১নং পাড়িয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে বিএনপির একটি বড় অংশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
লাহিড়ীতে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় জামায়াতে ইসলামীর নেতারা তাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। যোগদানকারীদের স্বাগত জানান ঠাকুরগাঁও-২ আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা আব্দুল হাকিম।
জামায়াতে যোগদানকারী নেতাকর্মীরা জানান, দেশ ও জাতির কল্যাণে ইসলামী আদর্শভিত্তিক রাজনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তারা বিশ্বাস করেন, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জামায়াতে ইসলামীর আদর্শই দেশের মানুষের অধিকার আদায়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে। নতুন যোগদানকারীরা আগামী দিনে দলীয় কর্মসূচি আরও গতিশীল করতে সক্রিয়ভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীসহ পাশের এলাকাগুলোতে রাজনৈতিক তৎপরতা এখন তুঙ্গে। এমন সময়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের দলত্যাগ এবং জামায়াতে যোগদানের বিষয়টি ওই এলাকায় বেশ আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৭৮ ধারার বিধান অনুযায়ী ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে এবং ভোটগ্রহণ শেষের ৪৮ ঘণ্টা পর পর্যন্ত কোনো নির্বাচনী এলাকায় জনসভা বা মিছিল করা যাবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সভা ও মিছিল নিষিদ্ধ থাকবে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৭৮ ধারার বিধান অনুযায়ী ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে এবং ভোটগ্রহণ শেষের ৪৮ ঘণ্টা পর পর্যন্ত কোনো নির্বাচনী এলাকায় জনসভা বা মিছিল করা যাবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সভা ও মিছিল নিষিদ্ধ থাকবে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে।

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩৩
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও শঙ্কামুক্তভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের মধুপুরে যৌথ বাহিনীর সশস্ত্র মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন এবং সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজার নেতৃত্বে টহল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে বিজিবি, র্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।
মহড়া শুরু হয় বিএডিসি কাকরাইদ বাসস্ট্যান্ড থেকে, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অতিক্রম করে আনারস চত্বর, জামালপুর রোড প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে সমাবেশে শেষ হয়। এ সময় ভোটারদের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন বলেন, ভোটাররা যেন নির্ভয়ে এবং নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে যৌথ বাহিনীর টহল ও মহড়া চলছে।
সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজা জানান, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও সিভিল প্রশাসনের সহযোগিতায় মহড়া পরিচালনা করা হয়েছে। ভোটারদের কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই ভোট দেওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
স্থানীয়রা যৌথ বাহিনীর কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং জানিয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকলে তারা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও শঙ্কামুক্তভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের মধুপুরে যৌথ বাহিনীর সশস্ত্র মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন এবং সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজার নেতৃত্বে টহল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে বিজিবি, র্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।
মহড়া শুরু হয় বিএডিসি কাকরাইদ বাসস্ট্যান্ড থেকে, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অতিক্রম করে আনারস চত্বর, জামালপুর রোড প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে সমাবেশে শেষ হয়। এ সময় ভোটারদের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন বলেন, ভোটাররা যেন নির্ভয়ে এবং নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে যৌথ বাহিনীর টহল ও মহড়া চলছে।
সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজা জানান, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও সিভিল প্রশাসনের সহযোগিতায় মহড়া পরিচালনা করা হয়েছে। ভোটারদের কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই ভোট দেওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
স্থানীয়রা যৌথ বাহিনীর কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং জানিয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকলে তারা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২০
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৫
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৩
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৫