জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল জামাতের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নাকি কওমি মাদ্রাসা বন্ধ করে দেওয়া হবে, এটি একটি জঘন্য মিথ্যাচার। আপনারা এসব মিথ্যার বিরুদ্ধে সতর্ক থাকবেন। কওমি মাদ্রাসা হলো আমাদের কলিজা।
তিনি বলেন, তারা দ্বীনকে ধরে রেখেছে। যারা আলেমদের ভয় দেখায়, তারা মূলত মতলববাজ। জামায়াতের বিরুদ্ধে চলমান অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সজাগ থেকে তিনি একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের গড়ার ডাক দেন।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ফেনীর পাইলট স্কুল মাঠে জেলা জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যের শুরুতেই জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জুলাই বিপ্লবে ফেনীর রাজপথে শাহাদাতবরণকারী তরুণদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বিশেষভাবে শহীদ আবরারের কথা স্মরণ করে বলেন, আবরার ফাহাদ এই দেশের সার্বভৌমত্ব ও ফেনী নদীর পানির জন্য নিজের জীবন দিয়েছিলেন। যতদিন পৃথিবী থাকবে, এই জাতি তাকে ভুলবে না। আপনারা ফেনীর মানুষও আবরারকে কোনোদিন ভুলবেন না। আধিপত্যবাদের দালালরা তাকে সহ্য করতে পারেনি, কিন্তু তার রক্ত আজ আমাদের প্রেরণা।
তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কথা স্মরণ করে বলেন, ফেনীর মাটির গর্বিত সন্তান বেগম খালেদা জিয়া। তিনি কখনো আধিপত্যবাদকে প্রশ্রয় দেননি। মহান আল্লাহ উনাকে জান্নাতুল ফেরদাউসের বাসিন্দা বানিয়ে দিন।
জামায়াতে ইসলামীর আমির দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ফেনীর উন্নয়নে তার দলের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। ‘রক্তের সাগরে’ ভেসে আসা নতুন বাংলাদেশে জুলুমের রাজত্ব অবসানের ডাক দিয়ে তিনি আরও বলেন, ১২ তারিখের নির্বাচনে কেবল একটি দলের বিজয় নয়, বরং ১৮ কোটি মানুষের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি ফেনীর উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, প্রতিটি জেলা যাতে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত না হয়, সেই লক্ষ্যে ফেনীতে একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে। লালপুলে যানজট নিরসনে একটি আধুনিক ওভারপাস নির্মাণ এবং বন্যা প্রতিরোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। জামায়াত ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ পেলে ফেনী তার পাওনা পেয়ে গর্বিত হবে বলে তিনি যোগ করেন। এ ছাড়া প্রত্যেক জেলায় সরকারিভাবে বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণে জামাতের পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি জানান।
বিগত বন্যায় ফেনীর ভয়াবহ ক্ষতির কথা স্মরণ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াত সে সময় রাজনৈতিক স্বার্থ না দেখে কোমর সমান পানি ভেঙে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছিল। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে গোটা দেশে রক্তে ভেসে গেছে। জামায়াত বিএনপির অনেক নেতাসহ বহু আলেম ওলামাকে হত্যা করা হয়েছে। দেশে তারা খুনের রাজত্ব শুরু করছিল। ফেনী ছিল সন্ত্রাসের রাজত্ব। এখানে যে পরিমাণ সন্ত্রাস হয়েছিল এটি অন্য কোনো জেলায় খুঁজে পাওয়া যায় না। ফেনীর তরুণ যুবসমাজের ও দেশের মায়েদের ত্যাগ ও আস্থার প্রতিদান দিতে জামায়াত শেষ পর্যন্ত লড়ে যাবে বলে আশ্বস্ত করে জামায়াত আমির উপস্থিত লক্ষাধিক জনতার উদ্দেশে বলেন, আগামী ১২ তারিখ সকলকে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে। তিনি একটি বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের প্রত্যাশা নিয়ে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
জেলা জামাতের আমির মুফতি মাওলানা আবদুল হান্নানের সভাপতিত্বে ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুর রহিমের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টি চেয়ারম্যান ও ১১ দলীয় জোটের ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মজিবুর রহমান মঞ্জু, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এ.টি.এম মাসুম, কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঁইয়া।
এতে অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেনফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী অ্যাডভোকেট এস.এম কামাল উদ্দিন, ফেনী-৩ আসনের সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, জামায়াতে ইসলামীর ফেনী জেলা নায়েবে আমির মাওলানা মাহমুদুল হক ও অধ্যাপক আবু ইউসুফ, সাবেক জেলা আমীর, এ. কে. এম. শামছুদ্দিন,জাতীয় নাগরিক পার্টির ফেনী জেলা আহবায়ক জাহিদ হোসেন সৈকত, ডাকসু ভিপি সাদিক কাইয়ুম, শিবিরের আন্তর্জাতিক বিষয়ক মোতাসিম বিল্লাহ শাহেদী খেলাফত মজলিশের কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও নোয়াখালী জোনের সহকারী পরিচালক মাওলানা মোহাম্মদ আলী মিল্লাত, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির ফেনী জেলা সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইসমাঈল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা জসিম উদ্দিন, ফেনী জেলা শিবিরের সভাপতি আবু হানিফ হেলাল, ফেনী শহর শাখার সভাপতি ওমর ফারুকসহ ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন স্তরের নেতারা।
২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:০০
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাংবাদিক শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপার বিষয়ে আগামী ৫ জানুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তাদের বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ দেন।
এর আগে, গত ১৭ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে ২৪ আগস্ট তাদের আদালতে হাজির করা হলে ট্রাইব্যুনাল তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু শাপলা চত্বর-সংক্রান্ত হত্যা মামলায় ট্রাইব্যুনালের আদেশে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। অন্যদিকে, সাংবাদিক শ্যামল দত্ত জুলাই আন্দোলন-সংক্রান্ত একটি মামলায় নিম্ন আদালতের আদেশে কারাগারে রয়েছেন।
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাংবাদিক শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপার বিষয়ে আগামী ৫ জানুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তাদের বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ দেন।
এর আগে, গত ১৭ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে ২৪ আগস্ট তাদের আদালতে হাজির করা হলে ট্রাইব্যুনাল তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু শাপলা চত্বর-সংক্রান্ত হত্যা মামলায় ট্রাইব্যুনালের আদেশে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। অন্যদিকে, সাংবাদিক শ্যামল দত্ত জুলাই আন্দোলন-সংক্রান্ত একটি মামলায় নিম্ন আদালতের আদেশে কারাগারে রয়েছেন।

২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:৫৩
মাদরাসায় বলাৎকার ও অশালীন কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। মাদরাসার মতো পবিত্র প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের গর্হিত কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনে যোগ দেন ধর্মমন্ত্রী। সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, মাদরাসার মতো পবিত্র স্থানে যাতে এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা আর না ঘটে, সে বিষয়ে ইমামদের সচেতনতামূলক বক্তব্য দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
এর আগে সম্মেলনে সারা দেশ থেকে আসা ইমামদের উদ্দেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। কেউ যেন উসকানি দিয়ে দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকার পরামর্শ দেন ধর্মমন্ত্রী।
জুমার খুতবায় মাদক, সন্ত্রাসসহ সব ধরনের সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে জোরালো বক্তব্য তুলে ধরার জন্য ইমামদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। ধর্মমন্ত্রীর মতে, সমাজে ইমামদের ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। এই গ্রহণযোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে অপরাধ প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন তারা।
এদিকে সম্মেলনে ইমাম সমিতির নেতারা বেতন-ভাতা বৃদ্ধি এবং নিজেদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন।
মাদরাসায় বলাৎকার ও অশালীন কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। মাদরাসার মতো পবিত্র প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের গর্হিত কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনে যোগ দেন ধর্মমন্ত্রী। সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, মাদরাসার মতো পবিত্র স্থানে যাতে এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা আর না ঘটে, সে বিষয়ে ইমামদের সচেতনতামূলক বক্তব্য দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
এর আগে সম্মেলনে সারা দেশ থেকে আসা ইমামদের উদ্দেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। কেউ যেন উসকানি দিয়ে দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকার পরামর্শ দেন ধর্মমন্ত্রী।
জুমার খুতবায় মাদক, সন্ত্রাসসহ সব ধরনের সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে জোরালো বক্তব্য তুলে ধরার জন্য ইমামদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। ধর্মমন্ত্রীর মতে, সমাজে ইমামদের ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। এই গ্রহণযোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে অপরাধ প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন তারা।
এদিকে সম্মেলনে ইমাম সমিতির নেতারা বেতন-ভাতা বৃদ্ধি এবং নিজেদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন।

১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ২৩:২৪
অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। আজ শনিবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ওই অভিযানের একটি ভিডিও আপলোড করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে পরে সামাজিকমাধ্যমে আলোচনা তৈরি হয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, নিজের নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-৬ আসনের গেন্ডারিয়া থানার ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের রেললাইন-সংলগ্ন বস্তিতে আকস্মিক অভিযানে যান প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। এ সময় আগ্নেয়াস্ত্র হাতে গাড়ি থেকে নেমে চিৎকার করে বলেন, ‘এই ধর ধর ধর...।’ পাশ থেকে আরেকজনকে বলতে শোনা যায়, ‘একেবারে গুলি করে দেব।’ প্রতিমন্ত্রীর দেহরক্ষীরা তখন দৌঁড়ে কয়েকজনকে ধরার চেষ্টা করেন। একজনকে লাথি মারেন এক দেহরক্ষী।
গেন্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান মনির সমকালকে জানান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন ছয়জনকে আটক করে থানায় ফোন দেন। পরে পুলিশ সদস্যরা গিয়ে তাদের নিয়ে আসে। ওসি আরও বলেন, আটক ব্যক্তিদের কাছে সাদা পাউডারজাতীয় পদার্থ পাওয়া গেছে। সেগুলো হেরোইন কিনা, তা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
প্রদর্শিত পিস্তলটির লাইসেন্স আছে কীনা জানতে চাইলে ইশরাক হোসেনের এপিএস আরিফুল ইসলাম সমকালকে বলেন, ‘পিস্তল নয়, তিনি লাঠি নিয়ে অভিযানে গেছেন।’
অস্ত্রহাতে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে আলোচনা চলছে। লাইসেন্স থাকলেও নিজের অস্ত্র এভাবে প্রদর্শন করা যায় কিনা সেই প্রশ্ন তোলেন কেউ কেউ। আইনজ্ঞরা বলছেন, একজন মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী নির্বাহী বিভাগের প্রধান বা নীতিনির্ধারক। মাঠপর্যায়ে তাদের সরাসরি অভিযান পরিচালনা বা আইন হাতে তুলে নেওয়ার বিশেষ ক্ষমতা সংবিধান বা ফৌজদারি কার্যবিধিতে নেই। তাছাড়া, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স প্রদান, নবায়ন ও ব্যবহার নীতিমালা অনুযায়ী বৈধ অস্ত্র ব্যবহার করে কাউকে ভয়ভীতি প্রদর্শন, প্রদর্শনীবাজি বা হয়রানি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
উচ্চ আদালতের আইনজীবী তাওহীদুল ইসলাম সমকালকে বলেন, আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স প্রদান, নবায়ন ও ব্যবহার নীতিমালা-২০২৫’-এর ২৫ (ক) ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি নিজের লাইসেন্সের বিপরীতে নেওয়া অস্ত্র শুধু আত্মরক্ষার জন্য বহন ও ব্যবহার করতে পারবেন। অন্যের ভীতি বা বিরক্তি তৈরি হতে পারে এমন ক্ষেত্রে অস্ত্র প্রদর্শন করা যাবে না। ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ২১ ধারা অনুযায়ী, লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গের অপরাধে অনূর্ধ্ব ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা অনূর্ধ্ব ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মুহাম্মদ নুরুল হুদা সমকালকে বলেন, আইন অনুযায়ী মূলত আত্মরক্ষার প্রয়োজনে বৈধ অস্ত্র প্রদর্শন করা যেতে পারে। কোনো অভিযানে গিয়ে একজন প্রতিমন্ত্রীর অস্ত্র প্রদর্শন না করাই ভালো। কারণ, তার নিরাপত্তার জন্য তো পুলিশ থাকার কথা। সেক্ষেত্রে নিজের অস্ত্র প্রদর্শনের প্রয়োজনীয়তা দেখি না।
এসব বিষয়ে জানার জন্য প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে ফোন করা হয়, হোয়াটসআপে ম্যাসেজ পাঠানো হয়, তবে তাতে তিনি সাড়া দেননি।
নিজের ফেসবুক পেজে আপলোড করা ভিডিওতে দেখা যায়, অভিযান শেষে ইশরাক বলেন- ঢাকা-৬ আসনকে মাদকমুক্ত না করা পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত রাখা হবে। মাদক কারবারিরা যে দলেরই হোক, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। এমনকি তার নিজ দলের কেউ মাদক কারবারে জড়িত থাকলে তার শাস্তি আরও বড় হবে।
এলাকাবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, এলাকায় যারা মাদক বিক্রি করে, তাদের স্থান আমার এই ঢাকা-৬ আসনে নেই। আমার এই এলাকা থেকে মাদকবিরোধী অভিযান শুরু হয়েছে। সারা বাংলাদেশে অভিযান চলবে, দেশের কোথাও মাদকের জায়গা হবে না।
আসনটি মাদকমুক্ত করতে অভিযান অব্যাহত রাখার পাশাপাশি এলাকাবাসীর সহযোগিতা চান প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।
অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। আজ শনিবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ওই অভিযানের একটি ভিডিও আপলোড করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে পরে সামাজিকমাধ্যমে আলোচনা তৈরি হয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, নিজের নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-৬ আসনের গেন্ডারিয়া থানার ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের রেললাইন-সংলগ্ন বস্তিতে আকস্মিক অভিযানে যান প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। এ সময় আগ্নেয়াস্ত্র হাতে গাড়ি থেকে নেমে চিৎকার করে বলেন, ‘এই ধর ধর ধর...।’ পাশ থেকে আরেকজনকে বলতে শোনা যায়, ‘একেবারে গুলি করে দেব।’ প্রতিমন্ত্রীর দেহরক্ষীরা তখন দৌঁড়ে কয়েকজনকে ধরার চেষ্টা করেন। একজনকে লাথি মারেন এক দেহরক্ষী।
গেন্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান মনির সমকালকে জানান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন ছয়জনকে আটক করে থানায় ফোন দেন। পরে পুলিশ সদস্যরা গিয়ে তাদের নিয়ে আসে। ওসি আরও বলেন, আটক ব্যক্তিদের কাছে সাদা পাউডারজাতীয় পদার্থ পাওয়া গেছে। সেগুলো হেরোইন কিনা, তা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
প্রদর্শিত পিস্তলটির লাইসেন্স আছে কীনা জানতে চাইলে ইশরাক হোসেনের এপিএস আরিফুল ইসলাম সমকালকে বলেন, ‘পিস্তল নয়, তিনি লাঠি নিয়ে অভিযানে গেছেন।’
অস্ত্রহাতে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে আলোচনা চলছে। লাইসেন্স থাকলেও নিজের অস্ত্র এভাবে প্রদর্শন করা যায় কিনা সেই প্রশ্ন তোলেন কেউ কেউ। আইনজ্ঞরা বলছেন, একজন মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী নির্বাহী বিভাগের প্রধান বা নীতিনির্ধারক। মাঠপর্যায়ে তাদের সরাসরি অভিযান পরিচালনা বা আইন হাতে তুলে নেওয়ার বিশেষ ক্ষমতা সংবিধান বা ফৌজদারি কার্যবিধিতে নেই। তাছাড়া, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স প্রদান, নবায়ন ও ব্যবহার নীতিমালা অনুযায়ী বৈধ অস্ত্র ব্যবহার করে কাউকে ভয়ভীতি প্রদর্শন, প্রদর্শনীবাজি বা হয়রানি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
উচ্চ আদালতের আইনজীবী তাওহীদুল ইসলাম সমকালকে বলেন, আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স প্রদান, নবায়ন ও ব্যবহার নীতিমালা-২০২৫’-এর ২৫ (ক) ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি নিজের লাইসেন্সের বিপরীতে নেওয়া অস্ত্র শুধু আত্মরক্ষার জন্য বহন ও ব্যবহার করতে পারবেন। অন্যের ভীতি বা বিরক্তি তৈরি হতে পারে এমন ক্ষেত্রে অস্ত্র প্রদর্শন করা যাবে না। ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ২১ ধারা অনুযায়ী, লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গের অপরাধে অনূর্ধ্ব ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা অনূর্ধ্ব ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মুহাম্মদ নুরুল হুদা সমকালকে বলেন, আইন অনুযায়ী মূলত আত্মরক্ষার প্রয়োজনে বৈধ অস্ত্র প্রদর্শন করা যেতে পারে। কোনো অভিযানে গিয়ে একজন প্রতিমন্ত্রীর অস্ত্র প্রদর্শন না করাই ভালো। কারণ, তার নিরাপত্তার জন্য তো পুলিশ থাকার কথা। সেক্ষেত্রে নিজের অস্ত্র প্রদর্শনের প্রয়োজনীয়তা দেখি না।
এসব বিষয়ে জানার জন্য প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে ফোন করা হয়, হোয়াটসআপে ম্যাসেজ পাঠানো হয়, তবে তাতে তিনি সাড়া দেননি।
নিজের ফেসবুক পেজে আপলোড করা ভিডিওতে দেখা যায়, অভিযান শেষে ইশরাক বলেন- ঢাকা-৬ আসনকে মাদকমুক্ত না করা পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত রাখা হবে। মাদক কারবারিরা যে দলেরই হোক, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। এমনকি তার নিজ দলের কেউ মাদক কারবারে জড়িত থাকলে তার শাস্তি আরও বড় হবে।
এলাকাবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, এলাকায় যারা মাদক বিক্রি করে, তাদের স্থান আমার এই ঢাকা-৬ আসনে নেই। আমার এই এলাকা থেকে মাদকবিরোধী অভিযান শুরু হয়েছে। সারা বাংলাদেশে অভিযান চলবে, দেশের কোথাও মাদকের জায়গা হবে না।
আসনটি মাদকমুক্ত করতে অভিযান অব্যাহত রাখার পাশাপাশি এলাকাবাসীর সহযোগিতা চান প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।

৩০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৮
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল জামাতের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নাকি কওমি মাদ্রাসা বন্ধ করে দেওয়া হবে, এটি একটি জঘন্য মিথ্যাচার। আপনারা এসব মিথ্যার বিরুদ্ধে সতর্ক থাকবেন। কওমি মাদ্রাসা হলো আমাদের কলিজা।
তিনি বলেন, তারা দ্বীনকে ধরে রেখেছে। যারা আলেমদের ভয় দেখায়, তারা মূলত মতলববাজ। জামায়াতের বিরুদ্ধে চলমান অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সজাগ থেকে তিনি একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের গড়ার ডাক দেন।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ফেনীর পাইলট স্কুল মাঠে জেলা জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যের শুরুতেই জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জুলাই বিপ্লবে ফেনীর রাজপথে শাহাদাতবরণকারী তরুণদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বিশেষভাবে শহীদ আবরারের কথা স্মরণ করে বলেন, আবরার ফাহাদ এই দেশের সার্বভৌমত্ব ও ফেনী নদীর পানির জন্য নিজের জীবন দিয়েছিলেন। যতদিন পৃথিবী থাকবে, এই জাতি তাকে ভুলবে না। আপনারা ফেনীর মানুষও আবরারকে কোনোদিন ভুলবেন না। আধিপত্যবাদের দালালরা তাকে সহ্য করতে পারেনি, কিন্তু তার রক্ত আজ আমাদের প্রেরণা।
তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কথা স্মরণ করে বলেন, ফেনীর মাটির গর্বিত সন্তান বেগম খালেদা জিয়া। তিনি কখনো আধিপত্যবাদকে প্রশ্রয় দেননি। মহান আল্লাহ উনাকে জান্নাতুল ফেরদাউসের বাসিন্দা বানিয়ে দিন।
জামায়াতে ইসলামীর আমির দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ফেনীর উন্নয়নে তার দলের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। ‘রক্তের সাগরে’ ভেসে আসা নতুন বাংলাদেশে জুলুমের রাজত্ব অবসানের ডাক দিয়ে তিনি আরও বলেন, ১২ তারিখের নির্বাচনে কেবল একটি দলের বিজয় নয়, বরং ১৮ কোটি মানুষের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি ফেনীর উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, প্রতিটি জেলা যাতে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত না হয়, সেই লক্ষ্যে ফেনীতে একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে। লালপুলে যানজট নিরসনে একটি আধুনিক ওভারপাস নির্মাণ এবং বন্যা প্রতিরোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। জামায়াত ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ পেলে ফেনী তার পাওনা পেয়ে গর্বিত হবে বলে তিনি যোগ করেন। এ ছাড়া প্রত্যেক জেলায় সরকারিভাবে বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণে জামাতের পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি জানান।
বিগত বন্যায় ফেনীর ভয়াবহ ক্ষতির কথা স্মরণ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াত সে সময় রাজনৈতিক স্বার্থ না দেখে কোমর সমান পানি ভেঙে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছিল। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে গোটা দেশে রক্তে ভেসে গেছে। জামায়াত বিএনপির অনেক নেতাসহ বহু আলেম ওলামাকে হত্যা করা হয়েছে। দেশে তারা খুনের রাজত্ব শুরু করছিল। ফেনী ছিল সন্ত্রাসের রাজত্ব। এখানে যে পরিমাণ সন্ত্রাস হয়েছিল এটি অন্য কোনো জেলায় খুঁজে পাওয়া যায় না। ফেনীর তরুণ যুবসমাজের ও দেশের মায়েদের ত্যাগ ও আস্থার প্রতিদান দিতে জামায়াত শেষ পর্যন্ত লড়ে যাবে বলে আশ্বস্ত করে জামায়াত আমির উপস্থিত লক্ষাধিক জনতার উদ্দেশে বলেন, আগামী ১২ তারিখ সকলকে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে। তিনি একটি বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের প্রত্যাশা নিয়ে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
জেলা জামাতের আমির মুফতি মাওলানা আবদুল হান্নানের সভাপতিত্বে ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুর রহিমের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টি চেয়ারম্যান ও ১১ দলীয় জোটের ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মজিবুর রহমান মঞ্জু, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এ.টি.এম মাসুম, কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঁইয়া।
এতে অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেনফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী অ্যাডভোকেট এস.এম কামাল উদ্দিন, ফেনী-৩ আসনের সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, জামায়াতে ইসলামীর ফেনী জেলা নায়েবে আমির মাওলানা মাহমুদুল হক ও অধ্যাপক আবু ইউসুফ, সাবেক জেলা আমীর, এ. কে. এম. শামছুদ্দিন,জাতীয় নাগরিক পার্টির ফেনী জেলা আহবায়ক জাহিদ হোসেন সৈকত, ডাকসু ভিপি সাদিক কাইয়ুম, শিবিরের আন্তর্জাতিক বিষয়ক মোতাসিম বিল্লাহ শাহেদী খেলাফত মজলিশের কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও নোয়াখালী জোনের সহকারী পরিচালক মাওলানা মোহাম্মদ আলী মিল্লাত, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির ফেনী জেলা সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইসমাঈল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা জসিম উদ্দিন, ফেনী জেলা শিবিরের সভাপতি আবু হানিফ হেলাল, ফেনী শহর শাখার সভাপতি ওমর ফারুকসহ ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন স্তরের নেতারা।
৩০ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:৫৯
২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:০৭
২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:০৮
২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:৫৭