
৩০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৮
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল জামাতের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নাকি কওমি মাদ্রাসা বন্ধ করে দেওয়া হবে, এটি একটি জঘন্য মিথ্যাচার। আপনারা এসব মিথ্যার বিরুদ্ধে সতর্ক থাকবেন। কওমি মাদ্রাসা হলো আমাদের কলিজা।
তিনি বলেন, তারা দ্বীনকে ধরে রেখেছে। যারা আলেমদের ভয় দেখায়, তারা মূলত মতলববাজ। জামায়াতের বিরুদ্ধে চলমান অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সজাগ থেকে তিনি একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের গড়ার ডাক দেন।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ফেনীর পাইলট স্কুল মাঠে জেলা জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যের শুরুতেই জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জুলাই বিপ্লবে ফেনীর রাজপথে শাহাদাতবরণকারী তরুণদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বিশেষভাবে শহীদ আবরারের কথা স্মরণ করে বলেন, আবরার ফাহাদ এই দেশের সার্বভৌমত্ব ও ফেনী নদীর পানির জন্য নিজের জীবন দিয়েছিলেন। যতদিন পৃথিবী থাকবে, এই জাতি তাকে ভুলবে না। আপনারা ফেনীর মানুষও আবরারকে কোনোদিন ভুলবেন না। আধিপত্যবাদের দালালরা তাকে সহ্য করতে পারেনি, কিন্তু তার রক্ত আজ আমাদের প্রেরণা।
তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কথা স্মরণ করে বলেন, ফেনীর মাটির গর্বিত সন্তান বেগম খালেদা জিয়া। তিনি কখনো আধিপত্যবাদকে প্রশ্রয় দেননি। মহান আল্লাহ উনাকে জান্নাতুল ফেরদাউসের বাসিন্দা বানিয়ে দিন।
জামায়াতে ইসলামীর আমির দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ফেনীর উন্নয়নে তার দলের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। ‘রক্তের সাগরে’ ভেসে আসা নতুন বাংলাদেশে জুলুমের রাজত্ব অবসানের ডাক দিয়ে তিনি আরও বলেন, ১২ তারিখের নির্বাচনে কেবল একটি দলের বিজয় নয়, বরং ১৮ কোটি মানুষের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি ফেনীর উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, প্রতিটি জেলা যাতে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত না হয়, সেই লক্ষ্যে ফেনীতে একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে। লালপুলে যানজট নিরসনে একটি আধুনিক ওভারপাস নির্মাণ এবং বন্যা প্রতিরোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। জামায়াত ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ পেলে ফেনী তার পাওনা পেয়ে গর্বিত হবে বলে তিনি যোগ করেন। এ ছাড়া প্রত্যেক জেলায় সরকারিভাবে বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণে জামাতের পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি জানান।
বিগত বন্যায় ফেনীর ভয়াবহ ক্ষতির কথা স্মরণ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াত সে সময় রাজনৈতিক স্বার্থ না দেখে কোমর সমান পানি ভেঙে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছিল। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে গোটা দেশে রক্তে ভেসে গেছে। জামায়াত বিএনপির অনেক নেতাসহ বহু আলেম ওলামাকে হত্যা করা হয়েছে। দেশে তারা খুনের রাজত্ব শুরু করছিল। ফেনী ছিল সন্ত্রাসের রাজত্ব। এখানে যে পরিমাণ সন্ত্রাস হয়েছিল এটি অন্য কোনো জেলায় খুঁজে পাওয়া যায় না। ফেনীর তরুণ যুবসমাজের ও দেশের মায়েদের ত্যাগ ও আস্থার প্রতিদান দিতে জামায়াত শেষ পর্যন্ত লড়ে যাবে বলে আশ্বস্ত করে জামায়াত আমির উপস্থিত লক্ষাধিক জনতার উদ্দেশে বলেন, আগামী ১২ তারিখ সকলকে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে। তিনি একটি বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের প্রত্যাশা নিয়ে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
জেলা জামাতের আমির মুফতি মাওলানা আবদুল হান্নানের সভাপতিত্বে ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুর রহিমের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টি চেয়ারম্যান ও ১১ দলীয় জোটের ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মজিবুর রহমান মঞ্জু, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এ.টি.এম মাসুম, কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঁইয়া।
এতে অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেনফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী অ্যাডভোকেট এস.এম কামাল উদ্দিন, ফেনী-৩ আসনের সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, জামায়াতে ইসলামীর ফেনী জেলা নায়েবে আমির মাওলানা মাহমুদুল হক ও অধ্যাপক আবু ইউসুফ, সাবেক জেলা আমীর, এ. কে. এম. শামছুদ্দিন,জাতীয় নাগরিক পার্টির ফেনী জেলা আহবায়ক জাহিদ হোসেন সৈকত, ডাকসু ভিপি সাদিক কাইয়ুম, শিবিরের আন্তর্জাতিক বিষয়ক মোতাসিম বিল্লাহ শাহেদী খেলাফত মজলিশের কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও নোয়াখালী জোনের সহকারী পরিচালক মাওলানা মোহাম্মদ আলী মিল্লাত, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির ফেনী জেলা সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইসমাঈল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা জসিম উদ্দিন, ফেনী জেলা শিবিরের সভাপতি আবু হানিফ হেলাল, ফেনী শহর শাখার সভাপতি ওমর ফারুকসহ ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন স্তরের নেতারা।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল জামাতের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নাকি কওমি মাদ্রাসা বন্ধ করে দেওয়া হবে, এটি একটি জঘন্য মিথ্যাচার। আপনারা এসব মিথ্যার বিরুদ্ধে সতর্ক থাকবেন। কওমি মাদ্রাসা হলো আমাদের কলিজা।
তিনি বলেন, তারা দ্বীনকে ধরে রেখেছে। যারা আলেমদের ভয় দেখায়, তারা মূলত মতলববাজ। জামায়াতের বিরুদ্ধে চলমান অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সজাগ থেকে তিনি একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের গড়ার ডাক দেন।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ফেনীর পাইলট স্কুল মাঠে জেলা জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যের শুরুতেই জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জুলাই বিপ্লবে ফেনীর রাজপথে শাহাদাতবরণকারী তরুণদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বিশেষভাবে শহীদ আবরারের কথা স্মরণ করে বলেন, আবরার ফাহাদ এই দেশের সার্বভৌমত্ব ও ফেনী নদীর পানির জন্য নিজের জীবন দিয়েছিলেন। যতদিন পৃথিবী থাকবে, এই জাতি তাকে ভুলবে না। আপনারা ফেনীর মানুষও আবরারকে কোনোদিন ভুলবেন না। আধিপত্যবাদের দালালরা তাকে সহ্য করতে পারেনি, কিন্তু তার রক্ত আজ আমাদের প্রেরণা।
তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কথা স্মরণ করে বলেন, ফেনীর মাটির গর্বিত সন্তান বেগম খালেদা জিয়া। তিনি কখনো আধিপত্যবাদকে প্রশ্রয় দেননি। মহান আল্লাহ উনাকে জান্নাতুল ফেরদাউসের বাসিন্দা বানিয়ে দিন।
জামায়াতে ইসলামীর আমির দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ফেনীর উন্নয়নে তার দলের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। ‘রক্তের সাগরে’ ভেসে আসা নতুন বাংলাদেশে জুলুমের রাজত্ব অবসানের ডাক দিয়ে তিনি আরও বলেন, ১২ তারিখের নির্বাচনে কেবল একটি দলের বিজয় নয়, বরং ১৮ কোটি মানুষের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি ফেনীর উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, প্রতিটি জেলা যাতে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত না হয়, সেই লক্ষ্যে ফেনীতে একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে। লালপুলে যানজট নিরসনে একটি আধুনিক ওভারপাস নির্মাণ এবং বন্যা প্রতিরোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। জামায়াত ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ পেলে ফেনী তার পাওনা পেয়ে গর্বিত হবে বলে তিনি যোগ করেন। এ ছাড়া প্রত্যেক জেলায় সরকারিভাবে বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণে জামাতের পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি জানান।
বিগত বন্যায় ফেনীর ভয়াবহ ক্ষতির কথা স্মরণ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াত সে সময় রাজনৈতিক স্বার্থ না দেখে কোমর সমান পানি ভেঙে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছিল। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে গোটা দেশে রক্তে ভেসে গেছে। জামায়াত বিএনপির অনেক নেতাসহ বহু আলেম ওলামাকে হত্যা করা হয়েছে। দেশে তারা খুনের রাজত্ব শুরু করছিল। ফেনী ছিল সন্ত্রাসের রাজত্ব। এখানে যে পরিমাণ সন্ত্রাস হয়েছিল এটি অন্য কোনো জেলায় খুঁজে পাওয়া যায় না। ফেনীর তরুণ যুবসমাজের ও দেশের মায়েদের ত্যাগ ও আস্থার প্রতিদান দিতে জামায়াত শেষ পর্যন্ত লড়ে যাবে বলে আশ্বস্ত করে জামায়াত আমির উপস্থিত লক্ষাধিক জনতার উদ্দেশে বলেন, আগামী ১২ তারিখ সকলকে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে। তিনি একটি বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের প্রত্যাশা নিয়ে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
জেলা জামাতের আমির মুফতি মাওলানা আবদুল হান্নানের সভাপতিত্বে ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুর রহিমের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টি চেয়ারম্যান ও ১১ দলীয় জোটের ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মজিবুর রহমান মঞ্জু, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এ.টি.এম মাসুম, কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঁইয়া।
এতে অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেনফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী অ্যাডভোকেট এস.এম কামাল উদ্দিন, ফেনী-৩ আসনের সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, জামায়াতে ইসলামীর ফেনী জেলা নায়েবে আমির মাওলানা মাহমুদুল হক ও অধ্যাপক আবু ইউসুফ, সাবেক জেলা আমীর, এ. কে. এম. শামছুদ্দিন,জাতীয় নাগরিক পার্টির ফেনী জেলা আহবায়ক জাহিদ হোসেন সৈকত, ডাকসু ভিপি সাদিক কাইয়ুম, শিবিরের আন্তর্জাতিক বিষয়ক মোতাসিম বিল্লাহ শাহেদী খেলাফত মজলিশের কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও নোয়াখালী জোনের সহকারী পরিচালক মাওলানা মোহাম্মদ আলী মিল্লাত, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির ফেনী জেলা সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইসমাঈল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা জসিম উদ্দিন, ফেনী জেলা শিবিরের সভাপতি আবু হানিফ হেলাল, ফেনী শহর শাখার সভাপতি ওমর ফারুকসহ ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন স্তরের নেতারা।

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:২৬
বাংলাদেশ জামায়াতের ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের প্রার্থিতা বাতিলের দাবিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন দেশের বিভিন্ন নারী নেত্রী ও অধিকারকর্মীরা। ডা. শফিকুর রহমানের ভ্যারিফায়েড ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট হ্যাকড করে নারীদের নিয়ে করা অবমাননাকর ও নারীবিদ্বেষী মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই এ দাবি জানানো হয়।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আবেদনপত্র জমা দেন তারা। এ সময় গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু সাংবাদিকদের জানান, একজন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার কাছ থেকে এ ধরনের মন্তব্য শুধু অগ্রহণযোগ্যই নয়, বরং তা সংবিধানস্বীকৃত নারী মর্যাদা ও সমতার সরাসরি লঙ্ঘন।
লিখিত আবেদনে উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি জামায়াত আমির তার ভ্যারিফায়েড এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে কর্মজীবী নারীদের সম্পর্কে যে মন্তব্য করেছেন, তা কুরুচিপূর্ণ, অবমাননাকর ও গভীরভাবে নারীবিদ্বেষী। এসব মন্তব্য দেশের কোটি কোটি শ্রমজীবী নারীর আত্মমর্যাদা, সামাজিক অবদান ও শ্রমের প্রতি চরম অবজ্ঞার শামিল।
পরে সংশ্লিষ্ট দলের পক্ষ থেকে ওই বক্তব্যকে ‘হ্যাকিং’-এর ফল বলে দাবি করা হলেও, একটি ভ্যারিফায়েড অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত বক্তব্যের ক্ষেত্রে এমন ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য নয় বলে আবেদনকারীরা মনে করেন।
আবেদনে আরও বলা হয়, কথিত হ্যাকিংয়ের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা, নিরপেক্ষ তদন্ত প্রতিবেদন কিংবা প্রামাণ্য তথ্য এখনো জনসমক্ষে আনা হয়নি। ফলে হ্যাকিংয়ের দাবি সন্দেহজনকই থেকে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ওই হ্যাকিং অভিযোগে বঙ্গভবনের এক কর্মীকে গ্রেপ্তার দেখানো হলেও পুলিশের পক্ষ থেকে এ নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে।
পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারাই স্বীকার করেন, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে হ্যাকিংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এই পুরো ঘটনাপ্রবাহ তথাকথিত হ্যাকিং দাবিকে আরও প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
নারী নেত্রীরা বলেন, গত কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পসহ বিভিন্ন খাতে শ্রমজীবী নারীরা তাদের নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে পরিবার, সমাজ এবং জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। সেই শ্রমজীবী নারীদের অবদানকে অবমূল্যায়ন করে প্রকাশ্যে এ ধরনের মন্তব্য সংবিধান, মানবাধিকার, নারী মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের পরিপন্থি।
আবেদনে আরও বলা হয়, এ ধরনের বক্তব্য নারীর প্রতি ঘৃণা, বৈষম্য ও সহিংসতার সংস্কৃতিকে উসকে দেয়, যা নারী শ্রমিকদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও কর্মপরিবেশকে সরাসরি হুমকির মুখে ফেলে। একজন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্বে থাকা ব্যক্তির কাছ থেকে এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
এই প্রেক্ষাপটে আবেদনকারীরা নির্বাচন কমিশনের কাছে একাধিক দাবি জানান। এর মধ্যে রয়েছে-অবিলম্বে ওই অবমাননাকর বক্তব্য প্রকাশ্যে প্রত্যাহার, কর্মজীবী নারী ও নারী শ্রমিকদের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা, ভবিষ্যতে নারীর মর্যাদা ও শ্রমকে হেয় করে এমন বক্তব্য না দেয়ার সুস্পষ্ট অঙ্গীকার এবং নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি ও নৈতিকতার আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ। পাশাপাশি তারা ডা. শফিকুর রহমানের প্রার্থিতা বাতিলের দাবি জানান।
সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সামিনা লুৎফা, গার্মেন্টস শ্রমিক মুক্তি আন্দোলনের সভাপতি শবনম হাফিজ, এনপিএ মুখপাত্র ফেরদৌস আরা রুমী, নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরামের সংগঠক নাফিসা রায়হানা এবং আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী তাবাসসুম মেহেনাজ মিমি।
প্রসঙ্গত, জামায়াত আমিরের ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট হ্যাকড হওয়ার পর সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিবাদ ও নিন্দা জানায় দলটি। সেই সঙ্গে অ্যাকাউন্ট হ্যাকিংয়ের বিস্তারিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরা হয়। পরবর্তীতে হ্যাকিংয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বঙ্গভবনের আইটি শাখার সহকারী প্রোগ্রামার মোহাম্মদ ছরওয়ারে আলমকে আটক করে ডিবি।
পরবর্তীতে গত বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) হাতিরঝিল থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে দায়ের করা মামলার শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জুনাইদ তার জামিন মঞ্জুর করেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী জামিনের বিরোধিতা করলেও, আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. আলমগীর জামিনের আবেদন করেন।
বাংলাদেশ জামায়াতের ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের প্রার্থিতা বাতিলের দাবিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন দেশের বিভিন্ন নারী নেত্রী ও অধিকারকর্মীরা। ডা. শফিকুর রহমানের ভ্যারিফায়েড ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট হ্যাকড করে নারীদের নিয়ে করা অবমাননাকর ও নারীবিদ্বেষী মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই এ দাবি জানানো হয়।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আবেদনপত্র জমা দেন তারা। এ সময় গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু সাংবাদিকদের জানান, একজন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার কাছ থেকে এ ধরনের মন্তব্য শুধু অগ্রহণযোগ্যই নয়, বরং তা সংবিধানস্বীকৃত নারী মর্যাদা ও সমতার সরাসরি লঙ্ঘন।
লিখিত আবেদনে উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি জামায়াত আমির তার ভ্যারিফায়েড এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে কর্মজীবী নারীদের সম্পর্কে যে মন্তব্য করেছেন, তা কুরুচিপূর্ণ, অবমাননাকর ও গভীরভাবে নারীবিদ্বেষী। এসব মন্তব্য দেশের কোটি কোটি শ্রমজীবী নারীর আত্মমর্যাদা, সামাজিক অবদান ও শ্রমের প্রতি চরম অবজ্ঞার শামিল।
পরে সংশ্লিষ্ট দলের পক্ষ থেকে ওই বক্তব্যকে ‘হ্যাকিং’-এর ফল বলে দাবি করা হলেও, একটি ভ্যারিফায়েড অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত বক্তব্যের ক্ষেত্রে এমন ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য নয় বলে আবেদনকারীরা মনে করেন।
আবেদনে আরও বলা হয়, কথিত হ্যাকিংয়ের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা, নিরপেক্ষ তদন্ত প্রতিবেদন কিংবা প্রামাণ্য তথ্য এখনো জনসমক্ষে আনা হয়নি। ফলে হ্যাকিংয়ের দাবি সন্দেহজনকই থেকে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ওই হ্যাকিং অভিযোগে বঙ্গভবনের এক কর্মীকে গ্রেপ্তার দেখানো হলেও পুলিশের পক্ষ থেকে এ নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে।
পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারাই স্বীকার করেন, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে হ্যাকিংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এই পুরো ঘটনাপ্রবাহ তথাকথিত হ্যাকিং দাবিকে আরও প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
নারী নেত্রীরা বলেন, গত কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পসহ বিভিন্ন খাতে শ্রমজীবী নারীরা তাদের নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে পরিবার, সমাজ এবং জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। সেই শ্রমজীবী নারীদের অবদানকে অবমূল্যায়ন করে প্রকাশ্যে এ ধরনের মন্তব্য সংবিধান, মানবাধিকার, নারী মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের পরিপন্থি।
আবেদনে আরও বলা হয়, এ ধরনের বক্তব্য নারীর প্রতি ঘৃণা, বৈষম্য ও সহিংসতার সংস্কৃতিকে উসকে দেয়, যা নারী শ্রমিকদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও কর্মপরিবেশকে সরাসরি হুমকির মুখে ফেলে। একজন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্বে থাকা ব্যক্তির কাছ থেকে এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
এই প্রেক্ষাপটে আবেদনকারীরা নির্বাচন কমিশনের কাছে একাধিক দাবি জানান। এর মধ্যে রয়েছে-অবিলম্বে ওই অবমাননাকর বক্তব্য প্রকাশ্যে প্রত্যাহার, কর্মজীবী নারী ও নারী শ্রমিকদের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা, ভবিষ্যতে নারীর মর্যাদা ও শ্রমকে হেয় করে এমন বক্তব্য না দেয়ার সুস্পষ্ট অঙ্গীকার এবং নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি ও নৈতিকতার আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ। পাশাপাশি তারা ডা. শফিকুর রহমানের প্রার্থিতা বাতিলের দাবি জানান।
সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সামিনা লুৎফা, গার্মেন্টস শ্রমিক মুক্তি আন্দোলনের সভাপতি শবনম হাফিজ, এনপিএ মুখপাত্র ফেরদৌস আরা রুমী, নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরামের সংগঠক নাফিসা রায়হানা এবং আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী তাবাসসুম মেহেনাজ মিমি।
প্রসঙ্গত, জামায়াত আমিরের ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট হ্যাকড হওয়ার পর সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিবাদ ও নিন্দা জানায় দলটি। সেই সঙ্গে অ্যাকাউন্ট হ্যাকিংয়ের বিস্তারিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরা হয়। পরবর্তীতে হ্যাকিংয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বঙ্গভবনের আইটি শাখার সহকারী প্রোগ্রামার মোহাম্মদ ছরওয়ারে আলমকে আটক করে ডিবি।
পরবর্তীতে গত বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) হাতিরঝিল থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে দায়ের করা মামলার শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জুনাইদ তার জামিন মঞ্জুর করেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী জামিনের বিরোধিতা করলেও, আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. আলমগীর জামিনের আবেদন করেন।

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪১
সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, সারা দেশে যান চলাচলে অস্থায়ী বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ভোটকে কেন্দ্র করে মোটরসাইকেল চলাচল টানা ৭২ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮-এর ৩২ ধারা অনুযায়ী, ভোটের দিন অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে। এই নিষেধাজ্ঞা ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
সেই সঙ্গে ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত, অর্থাৎ মোট ৭২ ঘণ্টা সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি প্রয়োজনে এবং নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কাজে এই বিধিনিষেধের ক্ষেত্রে বেশ কিছু শিথিলতা রাখা হয়েছে।
তবে জরুরি সেবা, নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কাজ, ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী পরিবহন, সংবাদপত্র পরিবহনসহ কিছু ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী যানবাহন বা স্থানীয় পর্যায়ে চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় যান চলাচলেও এই বিধিনিষেধ শিথিল থাকবে।
বিদেশগামী বা বিদেশফেরত যাত্রীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখিয়ে বিমানবন্দরে যাতায়াত করতে পারবেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন, অনুমোদিত পর্যবেক্ষক এবং নির্বাচন দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবেন। প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনী এজেন্টরা অনুমতি ও স্টিকার সাপেক্ষে একটি ছোট গাড়ি ব্যবহার করতে পারবেন।
সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকরাও অনুমোদন নিয়ে যানবাহন বা মোটরসাইকেল ব্যবহার করতে পারবেন। স্থানীয় পরিস্থিতি অনুযায়ী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কমিশনার প্রয়োজনে বিধিনিষেধ আরও কঠোর বা শিথিল করতে পারবেন।
এ ছাড়া টেলিযোগাযোগ সেবা বজায় রাখার স্বার্থে বিটিআরসি থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহনগুলোকেও জরুরি সেবা হিসেবে চলাচলের অনুমতি দেয়া হয়েছে।
সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, সারা দেশে যান চলাচলে অস্থায়ী বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ভোটকে কেন্দ্র করে মোটরসাইকেল চলাচল টানা ৭২ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮-এর ৩২ ধারা অনুযায়ী, ভোটের দিন অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে। এই নিষেধাজ্ঞা ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
সেই সঙ্গে ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত, অর্থাৎ মোট ৭২ ঘণ্টা সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি প্রয়োজনে এবং নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কাজে এই বিধিনিষেধের ক্ষেত্রে বেশ কিছু শিথিলতা রাখা হয়েছে।
তবে জরুরি সেবা, নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কাজ, ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী পরিবহন, সংবাদপত্র পরিবহনসহ কিছু ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী যানবাহন বা স্থানীয় পর্যায়ে চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় যান চলাচলেও এই বিধিনিষেধ শিথিল থাকবে।
বিদেশগামী বা বিদেশফেরত যাত্রীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখিয়ে বিমানবন্দরে যাতায়াত করতে পারবেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন, অনুমোদিত পর্যবেক্ষক এবং নির্বাচন দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবেন। প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনী এজেন্টরা অনুমতি ও স্টিকার সাপেক্ষে একটি ছোট গাড়ি ব্যবহার করতে পারবেন।
সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকরাও অনুমোদন নিয়ে যানবাহন বা মোটরসাইকেল ব্যবহার করতে পারবেন। স্থানীয় পরিস্থিতি অনুযায়ী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কমিশনার প্রয়োজনে বিধিনিষেধ আরও কঠোর বা শিথিল করতে পারবেন।
এ ছাড়া টেলিযোগাযোগ সেবা বজায় রাখার স্বার্থে বিটিআরসি থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহনগুলোকেও জরুরি সেবা হিসেবে চলাচলের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৫২
মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে দীর্ঘ দেড় বছর মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর হার মানলেন জুলাই যোদ্ধা আশরাফুল (৩২)। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা ৩ মিনিটে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট মিরপুর-১০ এলাকায় ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে তিনি মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার হওয়ার পর দেশে এবং বিদেশে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে থাইল্যান্ডে পাঠানো হয়, যেখানে তিনি ১৪ মাস নিবিড় পর্যবেক্ষণে ছিলেন।
পারিবারিক ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, থাইল্যান্ডে দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে গত ৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে ফেরানো হয়। দেশে ফেরার পরপরই ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।
সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। জানা গেছে, শহিদ আশরাফুলের জানাজা নামাজ আজ দুপুর ২.৩০ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে অনুষ্ঠিত হবে।
মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে দীর্ঘ দেড় বছর মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর হার মানলেন জুলাই যোদ্ধা আশরাফুল (৩২)। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা ৩ মিনিটে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট মিরপুর-১০ এলাকায় ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে তিনি মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার হওয়ার পর দেশে এবং বিদেশে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে থাইল্যান্ডে পাঠানো হয়, যেখানে তিনি ১৪ মাস নিবিড় পর্যবেক্ষণে ছিলেন।
পারিবারিক ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, থাইল্যান্ডে দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে গত ৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে ফেরানো হয়। দেশে ফেরার পরপরই ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।
সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। জানা গেছে, শহিদ আশরাফুলের জানাজা নামাজ আজ দুপুর ২.৩০ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে অনুষ্ঠিত হবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪৯
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২২
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০০
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩২