
২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:২৯
রাজধানীর ধানমন্ডিতে ঝটিকা মিছিলের সময় মহিলা আওয়ামী লীগের ৭ নেত্রী ও তাদের বহনকারী মাইক্রোবাসের চালককে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ভোর সোয়া ৬টার দিকে তাদের আটক করা হয়। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির ধানমন্ডি জোনের সহকারী কমিশনার শাহ মুস্তফা তারিকুজ্জামান।
শাহ মুস্তফা তারিকুজ্জামান বলেন, “ভোরে ধানমন্ডি-২ নম্বর সড়কের স্টার কাবাব রেস্তোরাঁর সামনে থেকে ২০-২৫ জন নারী একটি মিছিল বের করেন। ‘মুজিব প্রেমিক বাংলার নারীরা’ লেখা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে তারা বিভিন্ন স্লোগান দিতে দিতে ৩ নম্বর সড়কের দিকে যান।”
তিনি আরও বলেন, ‘মিছিলের খবর পেয়ে টহলরত মোবাইল টিম ঘটনাস্থলে গেলে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ হয়ে নারীরা পালানোর চেষ্টা করেন। এসময় ৭ নারীকে আটক করা হয়।
এ ছাড়া তাদের বহনকারী হায়েস মাইক্রোবাস জব্দ ও এর চালককে আটক করা হয়েছে।’ আটকদের বিরুদ্ধে ধানমন্ডি থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
রাজধানীর ধানমন্ডিতে ঝটিকা মিছিলের সময় মহিলা আওয়ামী লীগের ৭ নেত্রী ও তাদের বহনকারী মাইক্রোবাসের চালককে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ভোর সোয়া ৬টার দিকে তাদের আটক করা হয়। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির ধানমন্ডি জোনের সহকারী কমিশনার শাহ মুস্তফা তারিকুজ্জামান।
শাহ মুস্তফা তারিকুজ্জামান বলেন, “ভোরে ধানমন্ডি-২ নম্বর সড়কের স্টার কাবাব রেস্তোরাঁর সামনে থেকে ২০-২৫ জন নারী একটি মিছিল বের করেন। ‘মুজিব প্রেমিক বাংলার নারীরা’ লেখা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে তারা বিভিন্ন স্লোগান দিতে দিতে ৩ নম্বর সড়কের দিকে যান।”
তিনি আরও বলেন, ‘মিছিলের খবর পেয়ে টহলরত মোবাইল টিম ঘটনাস্থলে গেলে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ হয়ে নারীরা পালানোর চেষ্টা করেন। এসময় ৭ নারীকে আটক করা হয়।
এ ছাড়া তাদের বহনকারী হায়েস মাইক্রোবাস জব্দ ও এর চালককে আটক করা হয়েছে।’ আটকদের বিরুদ্ধে ধানমন্ডি থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২২:৫৯
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২১:৪৩
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২১:০৭
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৪

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪৭
সিলেটের ওসমানীনগরে মাঠ থেকে চুরি করা গরু জবাই করে সেই মাংস দিয়ে ইফতার মাহফিলের আয়োজনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার পশ্চিম পৈলনপুর ইউনিয়নের গলমুখাপন গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। গরু কেনার টাকা দেওয়ার পরও কেয়ারটেকারের এমন কর্মকাণ্ডে লজ্জায় দেশ ছেড়ে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান প্রবাসী আহমদ মধু।
গত মঙ্গলবারের ওই ইফতার মাহফিলে রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিরাসহ কয়েক গ্রামের প্রায় সহস্রাধিক রোজাদার অংশ নেন। চুরির গরুর মাংসে ইফতারের বিষয়টি জানাজানি হলে উপজেলাজুড়ে বইছে সমালোচনার ঝড়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গলমুখাপন গ্রামের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ইউনাইটেড গলমুখাপন ট্রাস্ট’-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আজাদ আহমদ সাদ মিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে গত মঙ্গলবার (৬ রমজান) এক ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। আয়োজনের দায়িত্বে ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আহমদ মধু ও সাধারণ সম্পাদক বুরহান মিয়া।
ইফতারের আগের দিন একই গ্রামের নাজমুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির একটি গরু পার্শ্ববর্তী মাঠ থেকে নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও গরুটির সন্ধান পাননি তিনি। এদিকে, যুক্তরাজ্য প্রবাসী আহমদ মধু ইফতারের জন্য তার বাড়ির কেয়ারটেকার সাঈদীকে তিনটি গরু কেনার টাকা দেন। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, কেয়ারটেকার সাঈদী গরু না কিনে নাজমুল ইসলামের হারিয়ে যাওয়া গরুটি মাঠ থেকে ধরে এনে জবাই করেন।
বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে গ্রামবাসী প্রবাসীর বাড়িতে গিয়ে কৈফিয়ত চান। পরে বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে দেখা যায়, ইফতারের জন্য জবাই করা গরুটি প্রকৃতপক্ষে নাজমুল ইসলামেরই ছিল। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর প্রবাসী আহমদ মধু তাৎক্ষণিকভাবে গরুর মালিককে নগদ ৭০ হাজার টাকা পরিশোধ করে বিষয়টি মীমাংসা করেন। বিব্রতকর এই পরিস্থিতির মধ্যে শুক্রবার রাতেই তিনি যুক্তরাজ্যের উদ্দেশ্যে দেশত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে।
গরুর মালিককে অর্থ পরিশোধের পর প্রবাসী নিজে এই ঘটনায় জড়িত নন দাবি করে একটি ভিডিও ধারণ করেন। ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত কেয়ারটেকার সাঈদী পলাতক রয়েছেন।
গ্রামবাসী জানান, আহমদ মধু এলাকায় দানশীল হিসেবে পরিচিত হলেও তার কেয়ারটেকারের এমন হীন কর্মকাণ্ডে তিনি নিজে এবং তার পরিবার সামাজিকভাবে চরম বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন।
ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুরশেদুল আলম ভূঁইয়া সাংবাদিকদের জানান, বিষয়টি সম্পর্কে আমাদের কাছে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য নেই। তবে এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
সিলেটের ওসমানীনগরে মাঠ থেকে চুরি করা গরু জবাই করে সেই মাংস দিয়ে ইফতার মাহফিলের আয়োজনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার পশ্চিম পৈলনপুর ইউনিয়নের গলমুখাপন গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। গরু কেনার টাকা দেওয়ার পরও কেয়ারটেকারের এমন কর্মকাণ্ডে লজ্জায় দেশ ছেড়ে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান প্রবাসী আহমদ মধু।
গত মঙ্গলবারের ওই ইফতার মাহফিলে রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিরাসহ কয়েক গ্রামের প্রায় সহস্রাধিক রোজাদার অংশ নেন। চুরির গরুর মাংসে ইফতারের বিষয়টি জানাজানি হলে উপজেলাজুড়ে বইছে সমালোচনার ঝড়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গলমুখাপন গ্রামের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ইউনাইটেড গলমুখাপন ট্রাস্ট’-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আজাদ আহমদ সাদ মিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে গত মঙ্গলবার (৬ রমজান) এক ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। আয়োজনের দায়িত্বে ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আহমদ মধু ও সাধারণ সম্পাদক বুরহান মিয়া।
ইফতারের আগের দিন একই গ্রামের নাজমুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির একটি গরু পার্শ্ববর্তী মাঠ থেকে নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও গরুটির সন্ধান পাননি তিনি। এদিকে, যুক্তরাজ্য প্রবাসী আহমদ মধু ইফতারের জন্য তার বাড়ির কেয়ারটেকার সাঈদীকে তিনটি গরু কেনার টাকা দেন। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, কেয়ারটেকার সাঈদী গরু না কিনে নাজমুল ইসলামের হারিয়ে যাওয়া গরুটি মাঠ থেকে ধরে এনে জবাই করেন।
বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে গ্রামবাসী প্রবাসীর বাড়িতে গিয়ে কৈফিয়ত চান। পরে বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে দেখা যায়, ইফতারের জন্য জবাই করা গরুটি প্রকৃতপক্ষে নাজমুল ইসলামেরই ছিল। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর প্রবাসী আহমদ মধু তাৎক্ষণিকভাবে গরুর মালিককে নগদ ৭০ হাজার টাকা পরিশোধ করে বিষয়টি মীমাংসা করেন। বিব্রতকর এই পরিস্থিতির মধ্যে শুক্রবার রাতেই তিনি যুক্তরাজ্যের উদ্দেশ্যে দেশত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে।
গরুর মালিককে অর্থ পরিশোধের পর প্রবাসী নিজে এই ঘটনায় জড়িত নন দাবি করে একটি ভিডিও ধারণ করেন। ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত কেয়ারটেকার সাঈদী পলাতক রয়েছেন।
গ্রামবাসী জানান, আহমদ মধু এলাকায় দানশীল হিসেবে পরিচিত হলেও তার কেয়ারটেকারের এমন হীন কর্মকাণ্ডে তিনি নিজে এবং তার পরিবার সামাজিকভাবে চরম বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন।
ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুরশেদুল আলম ভূঁইয়া সাংবাদিকদের জানান, বিষয়টি সম্পর্কে আমাদের কাছে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য নেই। তবে এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৮
চাঁদপুরের মতলব উত্তরের বাগানবাড়ি ইউনিয়নের রায়েরকান্দি গ্রামের নমপাড়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে কিশোর গ্যাংয়ের হামলার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে বরের বাবা, ভাই ও জেঠাসহ অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন।
আহতরা হলেন— ত্রিনাথ বিশ্বাস (৩২), বাবুলাল বিশ্বাস (৬০) ও বৃজন রানী (৪৫)। ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, এ ঘটনায় তারা থানায় মামলা করবেন।
স্থানীয়রা জানান, রায়েরকান্দি গ্রামের জীবন চন্দ্র দাসের বাড়িতে বাবুলাল বিশ্বাসের ছেলে সেম্বু নাথের বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। এ সময় পাশের এলাকার নবীর হোসেনের ছেলে মহন (২৫)-এর নেতৃত্বে আল আমিনের ছেলে আরমান (১৮), বারেক বকাউলের ছেলে আবির হোসেন (১৬) ও জিসান (১৮)সহ কয়েকজন অনুষ্ঠানে এসে প্রথমে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। পরে তারা চাঁদার পরিমাণ ৩০ হাজার টাকায় নামিয়ে আনে। পরিস্থিতি সামাল দিতে আয়োজকপক্ষ তিন হাজার টাকা দিলেও তারা তাতে সন্তুষ্ট হয়নি। একপর্যায়ে তারা হামলা চালিয়ে বরের পিতা বাবুলাল বিশ্বাস ও ভাই ত্রিনাথ বিশ্বাসকে মারধর করে। এ সময় টেবিল-চেয়ার ভাঙচুর করা হয় এবং আশপাশের বাড়িঘরেও হামলা চালানো হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতরা মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
আহত ত্রিনাথ বিশ্বাস অভিযোগ করে বলেন, আমরা প্রবাসে থাকি। ভাইয়ের বিয়েতে দেশে এসেছি। বৃহস্পতিবার রাতে বাড়িতে অনুষ্ঠান চলছিল, আমরা ক্যারাম খেলছিলাম। তখন কিশোর গ্যাং এসে হামলা চালায়। আমার গলার স্বর্ণের চেইন এবং ছোট ভাইয়ের গলার চেইন ছিনিয়ে নেয়। হামলায় আমার মাথা ফেটে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা রঘুনাথ বিশ্বাস বলেন, বিয়েবাড়িতে এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনায় আমরা আতঙ্কে আছি। প্রশাসনের কাছে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানাই।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. সেলিম মোল্লা বলেন, ঘটনার সময় আমরা তারাবির নামাজে ছিলাম। পরে খবর পেয়ে পুলিশকে জানাই। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আমিও পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। ভবিষ্যতে যাতে এমন ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
মতলব উত্তর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) প্রদীপ মন্ডল বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ধরনের চাঁদাবাজি বা সহিংসতার ঘটনায় জড়িতদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।
চাঁদপুরের মতলব উত্তরের বাগানবাড়ি ইউনিয়নের রায়েরকান্দি গ্রামের নমপাড়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে কিশোর গ্যাংয়ের হামলার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে বরের বাবা, ভাই ও জেঠাসহ অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন।
আহতরা হলেন— ত্রিনাথ বিশ্বাস (৩২), বাবুলাল বিশ্বাস (৬০) ও বৃজন রানী (৪৫)। ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, এ ঘটনায় তারা থানায় মামলা করবেন।
স্থানীয়রা জানান, রায়েরকান্দি গ্রামের জীবন চন্দ্র দাসের বাড়িতে বাবুলাল বিশ্বাসের ছেলে সেম্বু নাথের বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। এ সময় পাশের এলাকার নবীর হোসেনের ছেলে মহন (২৫)-এর নেতৃত্বে আল আমিনের ছেলে আরমান (১৮), বারেক বকাউলের ছেলে আবির হোসেন (১৬) ও জিসান (১৮)সহ কয়েকজন অনুষ্ঠানে এসে প্রথমে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। পরে তারা চাঁদার পরিমাণ ৩০ হাজার টাকায় নামিয়ে আনে। পরিস্থিতি সামাল দিতে আয়োজকপক্ষ তিন হাজার টাকা দিলেও তারা তাতে সন্তুষ্ট হয়নি। একপর্যায়ে তারা হামলা চালিয়ে বরের পিতা বাবুলাল বিশ্বাস ও ভাই ত্রিনাথ বিশ্বাসকে মারধর করে। এ সময় টেবিল-চেয়ার ভাঙচুর করা হয় এবং আশপাশের বাড়িঘরেও হামলা চালানো হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতরা মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
আহত ত্রিনাথ বিশ্বাস অভিযোগ করে বলেন, আমরা প্রবাসে থাকি। ভাইয়ের বিয়েতে দেশে এসেছি। বৃহস্পতিবার রাতে বাড়িতে অনুষ্ঠান চলছিল, আমরা ক্যারাম খেলছিলাম। তখন কিশোর গ্যাং এসে হামলা চালায়। আমার গলার স্বর্ণের চেইন এবং ছোট ভাইয়ের গলার চেইন ছিনিয়ে নেয়। হামলায় আমার মাথা ফেটে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা রঘুনাথ বিশ্বাস বলেন, বিয়েবাড়িতে এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনায় আমরা আতঙ্কে আছি। প্রশাসনের কাছে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানাই।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. সেলিম মোল্লা বলেন, ঘটনার সময় আমরা তারাবির নামাজে ছিলাম। পরে খবর পেয়ে পুলিশকে জানাই। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আমিও পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। ভবিষ্যতে যাতে এমন ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
মতলব উত্তর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) প্রদীপ মন্ডল বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ধরনের চাঁদাবাজি বা সহিংসতার ঘটনায় জড়িতদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিকে নিরাপত্তা ও সালাম দিতে যাওয়ার পথে পুলিশবাহী একটি গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গিয়ে সাত জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত দুজনকে রাজধানীর রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের দড়িভেলানগর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন নবীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিয়াস বসাক।
নবীনগর সার্কেল পুলিশ সূত্র জানায়, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিকে নিরাপত্তা ও গার্ড অফ অনার দিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ লাইনস থেকে একটি দল গাড়িতে রওনা হয়।
ভেলানগর এলাকায় পৌঁছলে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের ডান পাশে জমিতে উল্টে পড়ে। দুর্ঘটনায় নায়েক জুয়েল মিয়া ও কনস্টেবল শরিফ গুরুতর আহত হন। এছাড়া কনস্টেবল মহিউদ্দিন, মেহেদী হাসান, জহির রায়হান, আব্দুল সালাম, মাইনুল হাসান এবং এএসআই (এবি) নিজাম আহত হন।
আহতদের উদ্ধার করে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। গুরুতর আহত জুয়েল মিয়া ও শরিফকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকার কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, জুম্মা নামাজের পর বাঞ্ছারামপুর হাসপাতালে চিকিৎসারত পুলিশ সদস্যদের খোঁজ-খবর নিতে প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি ছুটে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসকদের যথাসম্ভব উন্নত চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশনা দেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিকে নিরাপত্তা ও সালাম দিতে যাওয়ার পথে পুলিশবাহী একটি গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গিয়ে সাত জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত দুজনকে রাজধানীর রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের দড়িভেলানগর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন নবীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিয়াস বসাক।
নবীনগর সার্কেল পুলিশ সূত্র জানায়, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিকে নিরাপত্তা ও গার্ড অফ অনার দিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ লাইনস থেকে একটি দল গাড়িতে রওনা হয়।
ভেলানগর এলাকায় পৌঁছলে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের ডান পাশে জমিতে উল্টে পড়ে। দুর্ঘটনায় নায়েক জুয়েল মিয়া ও কনস্টেবল শরিফ গুরুতর আহত হন। এছাড়া কনস্টেবল মহিউদ্দিন, মেহেদী হাসান, জহির রায়হান, আব্দুল সালাম, মাইনুল হাসান এবং এএসআই (এবি) নিজাম আহত হন।
আহতদের উদ্ধার করে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। গুরুতর আহত জুয়েল মিয়া ও শরিফকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকার কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, জুম্মা নামাজের পর বাঞ্ছারামপুর হাসপাতালে চিকিৎসারত পুলিশ সদস্যদের খোঁজ-খবর নিতে প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি ছুটে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসকদের যথাসম্ভব উন্নত চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশনা দেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.