ঝালকাঠির নলছিটিতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ দপদপিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ও ইউপি সদস্য মো. সিরাজ মোল্লাকে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় পুলিশের পিকআপ ভ্যান ভাঙচুর করা হয়। হামলায় কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার দপদপিয়া ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে একজন গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জামান সোহাগের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল দপদপিয়া ফেরিঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে সিরাজ মোল্লাকে গ্রেপ্তার করে। তিনি দপদপিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ছাড়াও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের একজন সদস্য।
তবে তাঁর গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, সিরাজ মোল্লার তিন ভাইসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সংঘবদ্ধ হয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালান। একপর্যায়ে পুলিশের কাছ থেকে জোরপূর্বক সিরাজ মোল্লাকে ছিনিয়ে নিয়ে যান তাঁরা।
এ সময় পুলিশের পিকআপ ভ্যানে ভাঙচুর চালানো হয়। হামলায় কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। আকস্মিক এ হামলায় পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতির মুখে পড়েন বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর দপদপিয়া এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ছিনিয়ে নেওয়া আসামিকে পুনরায় গ্রেপ্তার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে ছিনিয়ে নেওয়ার এ ঘটনায় এলাকায় নানা আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মামলা, হামলাকারীদের শনাক্তকরণ কিংবা পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

০৩ নভেম্বর, ২০২৬ ১৬:১৭
ঝালকাঠির রাজাপুরে নুরে আলম নামে এক যুবককে তুলে নিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি মো. শাহজাহান হাওলাদারকে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার চার দিন পর সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার মধ্য কবুতরখালী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রাজাপুর থানা পুলিশের সেকেন্ড অফিসার মো. শহিদুল ইসলাম মঠবাড়িয়া থানা পুলিশের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করেন। পরে তাকে রাজাপুর থানায় নেওয়া হয়।
গ্রেপ্তার শাহজাহান হাওলাদার রাজাপুর উপজেলার সাতুরিয়া ইউনিয়নের উত্তর তারাবুনিয়া এলাকার মৃত আব্দুল ছত্তার হাওলাদারের ছেলে। পুলিশ জানায়, প্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।
পুলিশ জানায়, শাহজাহান হাওলাদারের বিরুদ্ধে কাউখালী থানায় এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রী হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতির মামলা রয়েছে।
রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস বলেন, নুরে আলম হত্যা মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারেও পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে রাজাপুরের নৈকাঠি এলাকার বাসিন্দা নুরে আলমকে ভাড়া বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে তাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর কাঠিপাড়া এলাকার কতবেলতলার একটি নালার মধ্যে তার মরদেহ ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা।
পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই মো. মাহে আলম বাদী হয়ে ওই দিনই রাজাপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।মামলায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে। এতে শাহজাহান হাওলাদারকে প্রধান আসামি করা হয়।
ঝালকাঠির রাজাপুরে নুরে আলম নামে এক যুবককে তুলে নিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি মো. শাহজাহান হাওলাদারকে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার চার দিন পর সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার মধ্য কবুতরখালী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রাজাপুর থানা পুলিশের সেকেন্ড অফিসার মো. শহিদুল ইসলাম মঠবাড়িয়া থানা পুলিশের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করেন। পরে তাকে রাজাপুর থানায় নেওয়া হয়।
গ্রেপ্তার শাহজাহান হাওলাদার রাজাপুর উপজেলার সাতুরিয়া ইউনিয়নের উত্তর তারাবুনিয়া এলাকার মৃত আব্দুল ছত্তার হাওলাদারের ছেলে। পুলিশ জানায়, প্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।
পুলিশ জানায়, শাহজাহান হাওলাদারের বিরুদ্ধে কাউখালী থানায় এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রী হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতির মামলা রয়েছে।
রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস বলেন, নুরে আলম হত্যা মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারেও পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে রাজাপুরের নৈকাঠি এলাকার বাসিন্দা নুরে আলমকে ভাড়া বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে তাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর কাঠিপাড়া এলাকার কতবেলতলার একটি নালার মধ্যে তার মরদেহ ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা।
পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই মো. মাহে আলম বাদী হয়ে ওই দিনই রাজাপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।মামলায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে। এতে শাহজাহান হাওলাদারকে প্রধান আসামি করা হয়।

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:১৮
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীন ছয় জেলার মধ্যে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হারে সবচেয়ে পিছিয়ে ঝালকাঠি। এ জেলা থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৪ হাজার ৬৯৯ শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১ হাজার ৬৫৩ জন। সেই হিসাবে পাসের হার ৩৫ দশমিক ১৮ শতাংশ। অকৃতকার্য হয়েছে ৩ হাজার ৪৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৮ জন।
ফলাফলের এ চিত্রে জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদান ও শিক্ষার মান নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়ার কারণ খুঁজে বের করা জরুরি।
প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এবার ঝালকাঠি থেকে ৪ হাজার ৬৯৯ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ হাজার ৬৫৩ জন। বাকি ৩ হাজার ৪৬ জন শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। অর্থাৎ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রতি তিনজনের মধ্যে দুজনের বেশি অকৃতকার্য হয়েছে।
শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, পরীক্ষার ফলাফল শিক্ষার মান যাচাইয়ের একমাত্র মাপকাঠি নয়। তবে পাসের হার এত কম হওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি, শিক্ষকসংকট এবং শিক্ষা প্রশাসনের তদারকির মতো বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা দরকার।
জেলার শিক্ষার এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানের দাবি জানিয়েছেন সচেতন ব্যক্তিরা। তাঁদের মতে, শুধু ফলাফল প্রকাশের পর উদ্বেগ জানিয়ে দায়িত্ব শেষ করলে চলবে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল পর্যালোচনা করে দুর্বলতা চিহ্নিত করতে হবে। পাশাপাশি পাঠদানের মান বাড়ানো ও শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনায় ফিরিয়ে আনতে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীন ছয় জেলার মধ্যে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হারে সবচেয়ে পিছিয়ে ঝালকাঠি। এ জেলা থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৪ হাজার ৬৯৯ শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১ হাজার ৬৫৩ জন। সেই হিসাবে পাসের হার ৩৫ দশমিক ১৮ শতাংশ। অকৃতকার্য হয়েছে ৩ হাজার ৪৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৮ জন।
ফলাফলের এ চিত্রে জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদান ও শিক্ষার মান নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়ার কারণ খুঁজে বের করা জরুরি।
প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এবার ঝালকাঠি থেকে ৪ হাজার ৬৯৯ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ হাজার ৬৫৩ জন। বাকি ৩ হাজার ৪৬ জন শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। অর্থাৎ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রতি তিনজনের মধ্যে দুজনের বেশি অকৃতকার্য হয়েছে।
শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, পরীক্ষার ফলাফল শিক্ষার মান যাচাইয়ের একমাত্র মাপকাঠি নয়। তবে পাসের হার এত কম হওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি, শিক্ষকসংকট এবং শিক্ষা প্রশাসনের তদারকির মতো বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা দরকার।
জেলার শিক্ষার এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানের দাবি জানিয়েছেন সচেতন ব্যক্তিরা। তাঁদের মতে, শুধু ফলাফল প্রকাশের পর উদ্বেগ জানিয়ে দায়িত্ব শেষ করলে চলবে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল পর্যালোচনা করে দুর্বলতা চিহ্নিত করতে হবে। পাশাপাশি পাঠদানের মান বাড়ানো ও শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনায় ফিরিয়ে আনতে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।

৩০ অক্টোবর, ২০২৬ ২৩:১৭
সড়ক দুর্ঘটনা থেকে প্রাণে বেঁচে ফিরেছেন দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের বরিশাল ব্যুরো চিফ, বরিশালটাইমসের প্রকাশক ও নিউজ এডিটরস কাউন্সিল বরিশালের সভাপতি হাসিবুল ইসলাম এবং ডিবিসির বরিশাল ব্যুরো চিফ জিয়াদ মাহমুদ।
বৃহস্পতিবার রাতে বরিশাল থেকে ঝালকাঠির উদ্দেশে মোটরসাইকেলে যাচ্ছিলেন তাঁরা। রাত আনুমানিক ১টার দিকে নলছিটির ষাটপাকিয়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে একটি বড় ট্রাক আসার সময় হঠাৎ এক ভবঘুরে ব্যক্তি মোটরসাইকেলের সামনে চলে আসেন। এতে প্রায় ৬০ কিলোমিটার গতিতে চলা মোটরসাইকেলটির সঙ্গে ওই ব্যক্তির ধাক্কা লাগে। মুহূর্তেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হন দুই সাংবাদিক।
দুর্ঘটনায় হাসিবুল ইসলাম মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে প্রায় ২০ ফুট দূরে পড়ে যান। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি জিয়াদ মাহমুদের মাথার ওপর দিয়ে দুটি ডিগবাজি খেয়ে সড়কে ছিটকে পড়েন। পিঠে থাকা পোশাকের ব্যাগটি তাঁকে বড় ধরনের আঘাত থেকে কিছুটা রক্ষা করেছে বলে মনে করছেন তিনি। দুর্ঘটনায় জিয়াদ মাহমুদ ও ওই ভবঘুরে ব্যক্তিও প্রাণে বেঁচে যান।
দুর্ঘটনার পর আহত দুই সাংবাদিককে উদ্ধারে এগিয়ে আসেন স্থানীয় এক দোকানি। পরে তাঁদের সফরসঙ্গী মৃত্যুঞ্জয় ও সিফাত এবং বরিশালটাইমস অফিসের সহকর্মী সাফায়াত ও মেহেদী ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তাঁদের সহযোগিতায় হাসিবুল ইসলামকে দ্রুত বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
রাত সাড়ে ৩টার দিকে এক্স-রে রিপোর্ট দেখে চিকিৎসক জানান, হাসিবুল ইসলামের ডান হাত ভাঙেনি, তবে প্রচণ্ড আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ওষুধ দিয়ে তাঁকে আপাতত বাড়িতে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত হাসপাতালে ফিরে আসতে বলা হয়েছে।
জানা গেছে, পাথরঘাটায় গিয়ে সকালে ইলিশ আহরণ নিয়ে সংবাদ সংগ্রহের উদ্দেশে বরিশাল থেকে যাত্রা করেছিলেন দুই সাংবাদিক। সেখানে অবস্থানের জন্য একটি সরকারি রেস্ট হাউজের ব্যবস্থাও করা হয়েছিল। ছোট ভাই সাইদুল তাঁদের অপেক্ষায় ছিলেন। তবে গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই ষাটপাকিয়ায় ভয়াবহ দুর্ঘটনার মুখোমুখি হন তাঁরা।
দুর্ঘটনার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে হাসিবুল ইসলাম বলেন, সাংবাদিকতার প্রয়োজনে প্রতিনিয়ত রাত-বিরাতে ছুটতে হয়। কিন্তু এই ঘটনা তাঁকে নতুন করে উপলব্ধি করিয়েছে, জীবনের চেয়ে মূল্যবান কোনো সংবাদ হতে পারে না।
এ সময় দুর্ঘটনার পর সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া সহকর্মী, সফরসঙ্গী ও স্থানীয় দোকানির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।'
সড়ক দুর্ঘটনা থেকে প্রাণে বেঁচে ফিরেছেন দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের বরিশাল ব্যুরো চিফ, বরিশালটাইমসের প্রকাশক ও নিউজ এডিটরস কাউন্সিল বরিশালের সভাপতি হাসিবুল ইসলাম এবং ডিবিসির বরিশাল ব্যুরো চিফ জিয়াদ মাহমুদ।
বৃহস্পতিবার রাতে বরিশাল থেকে ঝালকাঠির উদ্দেশে মোটরসাইকেলে যাচ্ছিলেন তাঁরা। রাত আনুমানিক ১টার দিকে নলছিটির ষাটপাকিয়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে একটি বড় ট্রাক আসার সময় হঠাৎ এক ভবঘুরে ব্যক্তি মোটরসাইকেলের সামনে চলে আসেন। এতে প্রায় ৬০ কিলোমিটার গতিতে চলা মোটরসাইকেলটির সঙ্গে ওই ব্যক্তির ধাক্কা লাগে। মুহূর্তেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হন দুই সাংবাদিক।
দুর্ঘটনায় হাসিবুল ইসলাম মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে প্রায় ২০ ফুট দূরে পড়ে যান। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি জিয়াদ মাহমুদের মাথার ওপর দিয়ে দুটি ডিগবাজি খেয়ে সড়কে ছিটকে পড়েন। পিঠে থাকা পোশাকের ব্যাগটি তাঁকে বড় ধরনের আঘাত থেকে কিছুটা রক্ষা করেছে বলে মনে করছেন তিনি। দুর্ঘটনায় জিয়াদ মাহমুদ ও ওই ভবঘুরে ব্যক্তিও প্রাণে বেঁচে যান।
দুর্ঘটনার পর আহত দুই সাংবাদিককে উদ্ধারে এগিয়ে আসেন স্থানীয় এক দোকানি। পরে তাঁদের সফরসঙ্গী মৃত্যুঞ্জয় ও সিফাত এবং বরিশালটাইমস অফিসের সহকর্মী সাফায়াত ও মেহেদী ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তাঁদের সহযোগিতায় হাসিবুল ইসলামকে দ্রুত বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
রাত সাড়ে ৩টার দিকে এক্স-রে রিপোর্ট দেখে চিকিৎসক জানান, হাসিবুল ইসলামের ডান হাত ভাঙেনি, তবে প্রচণ্ড আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ওষুধ দিয়ে তাঁকে আপাতত বাড়িতে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত হাসপাতালে ফিরে আসতে বলা হয়েছে।
জানা গেছে, পাথরঘাটায় গিয়ে সকালে ইলিশ আহরণ নিয়ে সংবাদ সংগ্রহের উদ্দেশে বরিশাল থেকে যাত্রা করেছিলেন দুই সাংবাদিক। সেখানে অবস্থানের জন্য একটি সরকারি রেস্ট হাউজের ব্যবস্থাও করা হয়েছিল। ছোট ভাই সাইদুল তাঁদের অপেক্ষায় ছিলেন। তবে গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই ষাটপাকিয়ায় ভয়াবহ দুর্ঘটনার মুখোমুখি হন তাঁরা।
দুর্ঘটনার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে হাসিবুল ইসলাম বলেন, সাংবাদিকতার প্রয়োজনে প্রতিনিয়ত রাত-বিরাতে ছুটতে হয়। কিন্তু এই ঘটনা তাঁকে নতুন করে উপলব্ধি করিয়েছে, জীবনের চেয়ে মূল্যবান কোনো সংবাদ হতে পারে না।
এ সময় দুর্ঘটনার পর সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া সহকর্মী, সফরসঙ্গী ও স্থানীয় দোকানির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।'

০৮ নভেম্বর, ২০২৬ ১৭:৪৮
ঝালকাঠির নলছিটিতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ দপদপিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ও ইউপি সদস্য মো. সিরাজ মোল্লাকে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় পুলিশের পিকআপ ভ্যান ভাঙচুর করা হয়। হামলায় কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার দপদপিয়া ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে একজন গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জামান সোহাগের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল দপদপিয়া ফেরিঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে সিরাজ মোল্লাকে গ্রেপ্তার করে। তিনি দপদপিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ছাড়াও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের একজন সদস্য।
তবে তাঁর গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, সিরাজ মোল্লার তিন ভাইসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সংঘবদ্ধ হয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালান। একপর্যায়ে পুলিশের কাছ থেকে জোরপূর্বক সিরাজ মোল্লাকে ছিনিয়ে নিয়ে যান তাঁরা।
এ সময় পুলিশের পিকআপ ভ্যানে ভাঙচুর চালানো হয়। হামলায় কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। আকস্মিক এ হামলায় পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতির মুখে পড়েন বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর দপদপিয়া এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ছিনিয়ে নেওয়া আসামিকে পুনরায় গ্রেপ্তার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে ছিনিয়ে নেওয়ার এ ঘটনায় এলাকায় নানা আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মামলা, হামলাকারীদের শনাক্তকরণ কিংবা পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
০৮ নভেম্বর, ২০২৬ ২৩:২৫
০৮ নভেম্বর, ২০২৬ ১৭:৪৮
০৮ নভেম্বর, ২০২৬ ১৫:৫৭
০৮ নভেম্বর, ২০২৬ ১২:৫৬