বরিশালের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলতে আধুনিকায়ন করা হয়েছে নগরীর কবি জীবনানন্দ দাশ স্টেডিয়াম। প্রায় ৬৫ কোটি টাকা ব্যয়ে সংস্কার করা এই স্টেডিয়ামে যুক্ত হয়েছে নতুন চেয়ার, সংস্কার করা প্যাভিলিয়ন ও মিডিয়া ভবন, তিনতলা হোস্টেল এবং ফ্লাডলাইট। কিন্তু অবকাঠামোগত উন্নয়নের পরও স্থানীয় ক্রিকেটের নিয়মিত চর্চা, নতুন খেলোয়াড় তৈরি এবং খেলার মাঠের সংকট নিয়ে কাটেনি অনিশ্চয়তা।
১৯৬৬ সালে ২৯ দশমিক ১৫ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত স্টেডিয়ামটি প্রথমে বরিশাল স্টেডিয়াম নামে পরিচিত ছিল। ২০০৮ সালে এর নামকরণ করা হয় শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত স্টেডিয়াম। পরে ২০২৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় কবি জীবনানন্দ দাশ স্টেডিয়াম।
স্টেডিয়ামটির সংস্কারকাজ শুরু হয় ২০২১ সালে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে তা সম্পন্ন হয়নি। পরে কাজের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, গত অক্টোবরের শেষ দিকে সংস্কারকাজের প্রায় ৯৫ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছিল। অবশিষ্ট কাজ ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে শেষ করার আশা করা হচ্ছে।
সংস্কারের পর দর্শক ধারণক্ষমতা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৯ হাজারে। আগে গ্যালারিতে চেয়ার না থাকায় ধারণক্ষমতা ছিল প্রায় ৩৫ হাজার। অর্থাৎ দর্শকদের বসার ব্যবস্থা উন্নত হলেও ধারণক্ষমতা আগের তুলনায় কমেছে।
আধুনিকায়নের পর স্টেডিয়ামটিতে বড় পরিসরে ক্রিকেট আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক ও বরিশাল বিভাগের খেলোয়াড় নির্বাচনের সমন্বয়কারী মিজানুর রহমানের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ ডিসেম্বর সংস্কারকৃত স্টেডিয়াম চালু করে সেখানে ১৫ দিনের ডি-থ্রি টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। ছয় দলের এই প্রতিযোগিতায় বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন এলাকার ক্রিকেটারদের যুক্ত করার চেষ্টা চলছে।
তবে স্থানীয় ক্রিকেটের উন্নয়নে শুধু বড় টুর্নামেন্ট যথেষ্ট নয়। বরিশাল বিভাগীয় ক্রিকেট দলের সাবেক খেলোয়াড় ও কোচ এজাজ আল মাহমুদ মনে করেন, প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিভাগ ক্রিকেট লিগ নিয়মিত আয়োজন করা প্রয়োজন। এতে নতুন খেলোয়াড় উঠে আসার সুযোগ তৈরি হবে।
স্টেডিয়ামসংলগ্ন পরিত্যক্ত সুইমিংপুল নিয়েও নতুন করে ভাবছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। ২০০০ সালের ১১ এপ্রিল উদ্বোধন করা চাঁদমারি এলাকার সুইমিংপুলটি দীর্ঘ সময় ধরে কার্যকরভাবে ব্যবহার করা হয়নি। প্রায় ৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই স্থাপনাটি এখন অব্যবহৃত অবস্থায় রয়েছে।
বরিশাল বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব আনোয়ারুল হকের ভাষ্য অনুযায়ী, মাঠের সংকট কমাতে পরিত্যক্ত সুইমিংপুল সরিয়ে সেখানে আলাদা খেলার মাঠ তৈরির বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
স্টেডিয়ামটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের সম্ভাবনা তৈরি করলেও সে জন্য উন্নত আবাসন, যাতায়াতব্যবস্থা এবং বড় প্রতিযোগিতা পরিচালনার উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে ক্রিকেটের ভিত্তি শক্তিশালী করতে নিয়মিত লিগ, বয়সভিত্তিক প্রতিযোগিতা, প্রশিক্ষণ ও স্বচ্ছ খেলোয়াড় নির্বাচন প্রয়োজন।
বরিশালের ক্রীড়াঙ্গনের প্রত্যাশা, প্রায় ৬৫ কোটি টাকার উন্নয়ন যেন শুধু স্টেডিয়ামের সৌন্দর্যেই সীমাবদ্ধ না থাকে। নিয়মিত খেলার সুযোগ সৃষ্টি, সুইমিংপুলের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ এবং নতুন খেলোয়াড় তৈরিতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া গেলে কবি জীবনানন্দ দাশ স্টেডিয়াম দক্ষিণাঞ্চলের ক্রীড়া বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।'

০৬ নভেম্বর, ২০২৬ ০০:৩৩
বরিশালসহ দেশের দক্ষিণাঞ্চলের তিন বিভাগে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আগামী সোমবার খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াও বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
নভেম্বরের শুরুতে আবহাওয়ার এমন সম্ভাব্য পরিবর্তনে বরিশাল বিভাগের উপকূলীয় জনপদ, নদ-নদী ও নৌপথে চলাচলকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে নদীতে মাছ ধরতে যাওয়া জেলে এবং নৌযাত্রীদের আবহাওয়ার সর্বশেষ পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে হবে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানায় আবহাওয়া অধিদপ্তর।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবার ও শনিবার দেশের অধিকাংশ এলাকায় আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় আকাশ সাময়িকভাবে আংশিক মেঘলা থাকলেও উল্লেখযোগ্য বৃষ্টির সম্ভাবনা কম।
রোববার চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পরদিন সোমবার বৃষ্টির সম্ভাব্য বিস্তৃতি বাড়তে পারে। এদিন খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এদিকে, নভেম্বর মাসের দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়া পূর্বাভাসে বঙ্গোপসাগরে একাধিক লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর মধ্যে এক বা দুটি লঘুচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে সোমবারের সম্ভাব্য বৃষ্টির সঙ্গে ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাসকে এক করে দেখার সুযোগ নেই। বঙ্গোপসাগরে কোনো লঘুচাপ বা ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হলে তার গতিপথ ও প্রভাব সম্পর্কে পরবর্তী সময়ে বিস্তারিত জানা যাবে।
বরিশালসহ উপকূলীয় অঞ্চলের বাসিন্দাদের আবহাওয়ার নিয়মিত বুলেটিন অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে নদীপথে চলাচলকারী নৌযান, জেলে ও উপকূলের মানুষের সতর্ক থাকা জরুরি।
বরিশালসহ দেশের দক্ষিণাঞ্চলের তিন বিভাগে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আগামী সোমবার খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াও বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
নভেম্বরের শুরুতে আবহাওয়ার এমন সম্ভাব্য পরিবর্তনে বরিশাল বিভাগের উপকূলীয় জনপদ, নদ-নদী ও নৌপথে চলাচলকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে নদীতে মাছ ধরতে যাওয়া জেলে এবং নৌযাত্রীদের আবহাওয়ার সর্বশেষ পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে হবে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানায় আবহাওয়া অধিদপ্তর।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবার ও শনিবার দেশের অধিকাংশ এলাকায় আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় আকাশ সাময়িকভাবে আংশিক মেঘলা থাকলেও উল্লেখযোগ্য বৃষ্টির সম্ভাবনা কম।
রোববার চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পরদিন সোমবার বৃষ্টির সম্ভাব্য বিস্তৃতি বাড়তে পারে। এদিন খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এদিকে, নভেম্বর মাসের দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়া পূর্বাভাসে বঙ্গোপসাগরে একাধিক লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর মধ্যে এক বা দুটি লঘুচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে সোমবারের সম্ভাব্য বৃষ্টির সঙ্গে ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাসকে এক করে দেখার সুযোগ নেই। বঙ্গোপসাগরে কোনো লঘুচাপ বা ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হলে তার গতিপথ ও প্রভাব সম্পর্কে পরবর্তী সময়ে বিস্তারিত জানা যাবে।
বরিশালসহ উপকূলীয় অঞ্চলের বাসিন্দাদের আবহাওয়ার নিয়মিত বুলেটিন অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে নদীপথে চলাচলকারী নৌযান, জেলে ও উপকূলের মানুষের সতর্ক থাকা জরুরি।

০৫ নভেম্বর, ২০২৬ ২২:৪২
বরিশাল নগরসংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীতে ফুটবল তুলতে নেমে স্রোতের টানে নিখোঁজ হয়েছে মো. জুনায়েদ (১৩) নামে এক কিশোর। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে নগরের খেয়াঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ জুনায়েদ নগরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পলাশপুর এলাকার ৭ নম্বর গলির বাসিন্দা মো. জাকিরের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী কিশোর মো. সাইফুলের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় জুনায়েদের বড় ভাই জুবায়ের নদীর তীরে সাইকেল পরিষ্কার করছিলেন। অন্যদিকে জুনায়েদ নদীর পাড়ে ফুটবল খেলছিল। একপর্যায়ে তার খেলার বলটি নদীতে পড়ে যায়। বলটি উদ্ধারের জন্য পানিতে নামলে স্রোতের টানে ভেসে যেতে থাকে সে।
এ সময় ছোট ভাইকে বাঁচাতে নদীতে নেমে হাত বাড়িয়ে দেন জুবায়ের। একপর্যায়ে জুনায়েদের হাত ধরতে সক্ষম হলেও প্রবল স্রোতের কারণে তাকে তীরে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। মুহূর্তেই স্রোতে ভেসে নিখোঁজ হয় জুনায়েদ।
এ বিষয়ে কাউনিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বশির উদ্দিন জানান, ঘটনার সময় জুনায়েদ, তার বড় ভাই জুবায়ের ও প্রত্যক্ষদর্শী সাইফুল—কেউই সাঁতার জানত না। ফলে স্রোতে ভেসে যাওয়া কিশোরকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নদীতে তল্লাশি শুরু করেছে। পাশাপাশি ঘটনাস্থলে নৌ-পুলিশ ও থানা-পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন।
এ ঘটনায় খেয়াঘাট এলাকায় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়েছে। নিখোঁজ কিশোরের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চলছে।
বরিশাল নগরসংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীতে ফুটবল তুলতে নেমে স্রোতের টানে নিখোঁজ হয়েছে মো. জুনায়েদ (১৩) নামে এক কিশোর। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে নগরের খেয়াঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ জুনায়েদ নগরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পলাশপুর এলাকার ৭ নম্বর গলির বাসিন্দা মো. জাকিরের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী কিশোর মো. সাইফুলের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় জুনায়েদের বড় ভাই জুবায়ের নদীর তীরে সাইকেল পরিষ্কার করছিলেন। অন্যদিকে জুনায়েদ নদীর পাড়ে ফুটবল খেলছিল। একপর্যায়ে তার খেলার বলটি নদীতে পড়ে যায়। বলটি উদ্ধারের জন্য পানিতে নামলে স্রোতের টানে ভেসে যেতে থাকে সে।
এ সময় ছোট ভাইকে বাঁচাতে নদীতে নেমে হাত বাড়িয়ে দেন জুবায়ের। একপর্যায়ে জুনায়েদের হাত ধরতে সক্ষম হলেও প্রবল স্রোতের কারণে তাকে তীরে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। মুহূর্তেই স্রোতে ভেসে নিখোঁজ হয় জুনায়েদ।
এ বিষয়ে কাউনিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বশির উদ্দিন জানান, ঘটনার সময় জুনায়েদ, তার বড় ভাই জুবায়ের ও প্রত্যক্ষদর্শী সাইফুল—কেউই সাঁতার জানত না। ফলে স্রোতে ভেসে যাওয়া কিশোরকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নদীতে তল্লাশি শুরু করেছে। পাশাপাশি ঘটনাস্থলে নৌ-পুলিশ ও থানা-পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন।
এ ঘটনায় খেয়াঘাট এলাকায় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়েছে। নিখোঁজ কিশোরের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চলছে।

০৫ নভেম্বর, ২০২৬ ১৩:৫৫
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের মেধাবী শিক্ষার্থী মো. ফরহাদ হোসাইন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গবেষণার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ছড়িয়ে দেওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর নতুন গবেষণার বিষয় উপস্থাপনের সুযোগ হয়েছে International Conference on Physical Science 2026-এ, যা শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (SUST) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
এর আগে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (PUST) এবং মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি অব মালয়েশিয়া পারলিসের (UniMAP) যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত EFAST 2026 আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি নিজের গবেষণা উপস্থাপন করেন। সম্মেলনে উপস্থাপিত তাঁর গবেষণাপত্রটি বর্তমানে আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশের জন্য সংশোধন (Revision) পর্যায়ে রয়েছে। এ ছাড়া কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনেও তাঁর গবেষণা উপস্থাপিত হয়েছে।
আন্তর্জাতিক জার্নালে ফরহাদের মোট তিনটি গবেষণাপত্র রয়েছে, যেগুলোর সংশোধন-সংক্রান্ত কাজ সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি আরও দুটি উন্নতমানের গবেষণাপত্র নিয়ে কাজ করছেন তিনি। ভবিষ্যতে এসব গবেষণা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন জার্নালে প্রকাশের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন ফরহাদ।
মো. ফরহাদ হোসাইন ২০২৬ সালে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগ থেকে থিসিসসহ স্নাতকোত্তর (এমএস) ডিগ্রি অর্জন করেন। মাস্টার্সে তিনি ৪.০০-এর মধ্যে ৩.৮৯ সিজিপিএ অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি গবেষণার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
তাঁর গবেষণার মূল আগ্রহের ক্ষেত্র হলো Computational Fluid Dynamics (CFD), Natural Convection, Heat Transfer, Magnetohydrodynamics (MHD) এবং Thermal Performance Optimization। এসব বিষয়ে সংখ্যাতাত্ত্বিক সিমুলেশন, গাণিতিক মডেলিং ও আধুনিক গবেষণাপদ্ধতি প্রয়োগ করে কাজ করছেন তিনি।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে ফরহাদ হোসাইন জানান, বিদেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ অর্জন এবং পরবর্তী সময়ে দেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করা তাঁর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের মেধাবী শিক্ষার্থী মো. ফরহাদ হোসাইন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গবেষণার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ছড়িয়ে দেওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর নতুন গবেষণার বিষয় উপস্থাপনের সুযোগ হয়েছে International Conference on Physical Science 2026-এ, যা শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (SUST) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
এর আগে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (PUST) এবং মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি অব মালয়েশিয়া পারলিসের (UniMAP) যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত EFAST 2026 আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি নিজের গবেষণা উপস্থাপন করেন। সম্মেলনে উপস্থাপিত তাঁর গবেষণাপত্রটি বর্তমানে আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশের জন্য সংশোধন (Revision) পর্যায়ে রয়েছে। এ ছাড়া কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনেও তাঁর গবেষণা উপস্থাপিত হয়েছে।
আন্তর্জাতিক জার্নালে ফরহাদের মোট তিনটি গবেষণাপত্র রয়েছে, যেগুলোর সংশোধন-সংক্রান্ত কাজ সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি আরও দুটি উন্নতমানের গবেষণাপত্র নিয়ে কাজ করছেন তিনি। ভবিষ্যতে এসব গবেষণা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন জার্নালে প্রকাশের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন ফরহাদ।
মো. ফরহাদ হোসাইন ২০২৬ সালে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগ থেকে থিসিসসহ স্নাতকোত্তর (এমএস) ডিগ্রি অর্জন করেন। মাস্টার্সে তিনি ৪.০০-এর মধ্যে ৩.৮৯ সিজিপিএ অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি গবেষণার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
তাঁর গবেষণার মূল আগ্রহের ক্ষেত্র হলো Computational Fluid Dynamics (CFD), Natural Convection, Heat Transfer, Magnetohydrodynamics (MHD) এবং Thermal Performance Optimization। এসব বিষয়ে সংখ্যাতাত্ত্বিক সিমুলেশন, গাণিতিক মডেলিং ও আধুনিক গবেষণাপদ্ধতি প্রয়োগ করে কাজ করছেন তিনি।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে ফরহাদ হোসাইন জানান, বিদেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ অর্জন এবং পরবর্তী সময়ে দেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করা তাঁর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন।

০৬ নভেম্বর, ২০২৬ ১৯:৪৪
বরিশালের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলতে আধুনিকায়ন করা হয়েছে নগরীর কবি জীবনানন্দ দাশ স্টেডিয়াম। প্রায় ৬৫ কোটি টাকা ব্যয়ে সংস্কার করা এই স্টেডিয়ামে যুক্ত হয়েছে নতুন চেয়ার, সংস্কার করা প্যাভিলিয়ন ও মিডিয়া ভবন, তিনতলা হোস্টেল এবং ফ্লাডলাইট। কিন্তু অবকাঠামোগত উন্নয়নের পরও স্থানীয় ক্রিকেটের নিয়মিত চর্চা, নতুন খেলোয়াড় তৈরি এবং খেলার মাঠের সংকট নিয়ে কাটেনি অনিশ্চয়তা।
১৯৬৬ সালে ২৯ দশমিক ১৫ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত স্টেডিয়ামটি প্রথমে বরিশাল স্টেডিয়াম নামে পরিচিত ছিল। ২০০৮ সালে এর নামকরণ করা হয় শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত স্টেডিয়াম। পরে ২০২৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় কবি জীবনানন্দ দাশ স্টেডিয়াম।
স্টেডিয়ামটির সংস্কারকাজ শুরু হয় ২০২১ সালে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে তা সম্পন্ন হয়নি। পরে কাজের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, গত অক্টোবরের শেষ দিকে সংস্কারকাজের প্রায় ৯৫ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছিল। অবশিষ্ট কাজ ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে শেষ করার আশা করা হচ্ছে।
সংস্কারের পর দর্শক ধারণক্ষমতা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৯ হাজারে। আগে গ্যালারিতে চেয়ার না থাকায় ধারণক্ষমতা ছিল প্রায় ৩৫ হাজার। অর্থাৎ দর্শকদের বসার ব্যবস্থা উন্নত হলেও ধারণক্ষমতা আগের তুলনায় কমেছে।
আধুনিকায়নের পর স্টেডিয়ামটিতে বড় পরিসরে ক্রিকেট আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক ও বরিশাল বিভাগের খেলোয়াড় নির্বাচনের সমন্বয়কারী মিজানুর রহমানের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ ডিসেম্বর সংস্কারকৃত স্টেডিয়াম চালু করে সেখানে ১৫ দিনের ডি-থ্রি টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। ছয় দলের এই প্রতিযোগিতায় বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন এলাকার ক্রিকেটারদের যুক্ত করার চেষ্টা চলছে।
তবে স্থানীয় ক্রিকেটের উন্নয়নে শুধু বড় টুর্নামেন্ট যথেষ্ট নয়। বরিশাল বিভাগীয় ক্রিকেট দলের সাবেক খেলোয়াড় ও কোচ এজাজ আল মাহমুদ মনে করেন, প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিভাগ ক্রিকেট লিগ নিয়মিত আয়োজন করা প্রয়োজন। এতে নতুন খেলোয়াড় উঠে আসার সুযোগ তৈরি হবে।
স্টেডিয়ামসংলগ্ন পরিত্যক্ত সুইমিংপুল নিয়েও নতুন করে ভাবছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। ২০০০ সালের ১১ এপ্রিল উদ্বোধন করা চাঁদমারি এলাকার সুইমিংপুলটি দীর্ঘ সময় ধরে কার্যকরভাবে ব্যবহার করা হয়নি। প্রায় ৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই স্থাপনাটি এখন অব্যবহৃত অবস্থায় রয়েছে।
বরিশাল বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব আনোয়ারুল হকের ভাষ্য অনুযায়ী, মাঠের সংকট কমাতে পরিত্যক্ত সুইমিংপুল সরিয়ে সেখানে আলাদা খেলার মাঠ তৈরির বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
স্টেডিয়ামটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের সম্ভাবনা তৈরি করলেও সে জন্য উন্নত আবাসন, যাতায়াতব্যবস্থা এবং বড় প্রতিযোগিতা পরিচালনার উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে ক্রিকেটের ভিত্তি শক্তিশালী করতে নিয়মিত লিগ, বয়সভিত্তিক প্রতিযোগিতা, প্রশিক্ষণ ও স্বচ্ছ খেলোয়াড় নির্বাচন প্রয়োজন।
বরিশালের ক্রীড়াঙ্গনের প্রত্যাশা, প্রায় ৬৫ কোটি টাকার উন্নয়ন যেন শুধু স্টেডিয়ামের সৌন্দর্যেই সীমাবদ্ধ না থাকে। নিয়মিত খেলার সুযোগ সৃষ্টি, সুইমিংপুলের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ এবং নতুন খেলোয়াড় তৈরিতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া গেলে কবি জীবনানন্দ দাশ স্টেডিয়াম দক্ষিণাঞ্চলের ক্রীড়া বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।'
০৬ নভেম্বর, ২০২৬ ১৯:৪৪
০৬ নভেম্বর, ২০২৬ ১৫:০০
০৬ নভেম্বর, ২০২৬ ১৪:০৯
০৬ নভেম্বর, ২০২৬ ০০:৩৩