বরিশাল নগরসংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীতে ফুটবল তুলতে নেমে স্রোতের টানে নিখোঁজ হয়েছে মো. জুনায়েদ (১৩) নামে এক কিশোর। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে নগরের খেয়াঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ জুনায়েদ নগরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পলাশপুর এলাকার ৭ নম্বর গলির বাসিন্দা মো. জাকিরের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী কিশোর মো. সাইফুলের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় জুনায়েদের বড় ভাই জুবায়ের নদীর তীরে সাইকেল পরিষ্কার করছিলেন। অন্যদিকে জুনায়েদ নদীর পাড়ে ফুটবল খেলছিল। একপর্যায়ে তার খেলার বলটি নদীতে পড়ে যায়। বলটি উদ্ধারের জন্য পানিতে নামলে স্রোতের টানে ভেসে যেতে থাকে সে।
এ সময় ছোট ভাইকে বাঁচাতে নদীতে নেমে হাত বাড়িয়ে দেন জুবায়ের। একপর্যায়ে জুনায়েদের হাত ধরতে সক্ষম হলেও প্রবল স্রোতের কারণে তাকে তীরে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। মুহূর্তেই স্রোতে ভেসে নিখোঁজ হয় জুনায়েদ।
এ বিষয়ে কাউনিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বশির উদ্দিন জানান, ঘটনার সময় জুনায়েদ, তার বড় ভাই জুবায়ের ও প্রত্যক্ষদর্শী সাইফুল—কেউই সাঁতার জানত না। ফলে স্রোতে ভেসে যাওয়া কিশোরকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নদীতে তল্লাশি শুরু করেছে। পাশাপাশি ঘটনাস্থলে নৌ-পুলিশ ও থানা-পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন।
এ ঘটনায় খেয়াঘাট এলাকায় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়েছে। নিখোঁজ কিশোরের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চলছে।

০৬ নভেম্বর, ২০২৬ ০০:৩৩
বরিশালসহ দেশের দক্ষিণাঞ্চলের তিন বিভাগে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আগামী সোমবার খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াও বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
নভেম্বরের শুরুতে আবহাওয়ার এমন সম্ভাব্য পরিবর্তনে বরিশাল বিভাগের উপকূলীয় জনপদ, নদ-নদী ও নৌপথে চলাচলকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে নদীতে মাছ ধরতে যাওয়া জেলে এবং নৌযাত্রীদের আবহাওয়ার সর্বশেষ পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে হবে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানায় আবহাওয়া অধিদপ্তর।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবার ও শনিবার দেশের অধিকাংশ এলাকায় আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় আকাশ সাময়িকভাবে আংশিক মেঘলা থাকলেও উল্লেখযোগ্য বৃষ্টির সম্ভাবনা কম।
রোববার চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পরদিন সোমবার বৃষ্টির সম্ভাব্য বিস্তৃতি বাড়তে পারে। এদিন খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এদিকে, নভেম্বর মাসের দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়া পূর্বাভাসে বঙ্গোপসাগরে একাধিক লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর মধ্যে এক বা দুটি লঘুচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে সোমবারের সম্ভাব্য বৃষ্টির সঙ্গে ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাসকে এক করে দেখার সুযোগ নেই। বঙ্গোপসাগরে কোনো লঘুচাপ বা ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হলে তার গতিপথ ও প্রভাব সম্পর্কে পরবর্তী সময়ে বিস্তারিত জানা যাবে।
বরিশালসহ উপকূলীয় অঞ্চলের বাসিন্দাদের আবহাওয়ার নিয়মিত বুলেটিন অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে নদীপথে চলাচলকারী নৌযান, জেলে ও উপকূলের মানুষের সতর্ক থাকা জরুরি।
বরিশালসহ দেশের দক্ষিণাঞ্চলের তিন বিভাগে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আগামী সোমবার খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াও বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
নভেম্বরের শুরুতে আবহাওয়ার এমন সম্ভাব্য পরিবর্তনে বরিশাল বিভাগের উপকূলীয় জনপদ, নদ-নদী ও নৌপথে চলাচলকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে নদীতে মাছ ধরতে যাওয়া জেলে এবং নৌযাত্রীদের আবহাওয়ার সর্বশেষ পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে হবে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানায় আবহাওয়া অধিদপ্তর।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবার ও শনিবার দেশের অধিকাংশ এলাকায় আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় আকাশ সাময়িকভাবে আংশিক মেঘলা থাকলেও উল্লেখযোগ্য বৃষ্টির সম্ভাবনা কম।
রোববার চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পরদিন সোমবার বৃষ্টির সম্ভাব্য বিস্তৃতি বাড়তে পারে। এদিন খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এদিকে, নভেম্বর মাসের দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়া পূর্বাভাসে বঙ্গোপসাগরে একাধিক লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর মধ্যে এক বা দুটি লঘুচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে সোমবারের সম্ভাব্য বৃষ্টির সঙ্গে ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাসকে এক করে দেখার সুযোগ নেই। বঙ্গোপসাগরে কোনো লঘুচাপ বা ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হলে তার গতিপথ ও প্রভাব সম্পর্কে পরবর্তী সময়ে বিস্তারিত জানা যাবে।
বরিশালসহ উপকূলীয় অঞ্চলের বাসিন্দাদের আবহাওয়ার নিয়মিত বুলেটিন অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে নদীপথে চলাচলকারী নৌযান, জেলে ও উপকূলের মানুষের সতর্ক থাকা জরুরি।

০৫ নভেম্বর, ২০২৬ ১৩:৫৫
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের মেধাবী শিক্ষার্থী মো. ফরহাদ হোসাইন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গবেষণার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ছড়িয়ে দেওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর নতুন গবেষণার বিষয় উপস্থাপনের সুযোগ হয়েছে International Conference on Physical Science 2026-এ, যা শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (SUST) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
এর আগে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (PUST) এবং মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি অব মালয়েশিয়া পারলিসের (UniMAP) যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত EFAST 2026 আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি নিজের গবেষণা উপস্থাপন করেন। সম্মেলনে উপস্থাপিত তাঁর গবেষণাপত্রটি বর্তমানে আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশের জন্য সংশোধন (Revision) পর্যায়ে রয়েছে। এ ছাড়া কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনেও তাঁর গবেষণা উপস্থাপিত হয়েছে।
আন্তর্জাতিক জার্নালে ফরহাদের মোট তিনটি গবেষণাপত্র রয়েছে, যেগুলোর সংশোধন-সংক্রান্ত কাজ সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি আরও দুটি উন্নতমানের গবেষণাপত্র নিয়ে কাজ করছেন তিনি। ভবিষ্যতে এসব গবেষণা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন জার্নালে প্রকাশের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন ফরহাদ।
মো. ফরহাদ হোসাইন ২০২৬ সালে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগ থেকে থিসিসসহ স্নাতকোত্তর (এমএস) ডিগ্রি অর্জন করেন। মাস্টার্সে তিনি ৪.০০-এর মধ্যে ৩.৮৯ সিজিপিএ অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি গবেষণার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
তাঁর গবেষণার মূল আগ্রহের ক্ষেত্র হলো Computational Fluid Dynamics (CFD), Natural Convection, Heat Transfer, Magnetohydrodynamics (MHD) এবং Thermal Performance Optimization। এসব বিষয়ে সংখ্যাতাত্ত্বিক সিমুলেশন, গাণিতিক মডেলিং ও আধুনিক গবেষণাপদ্ধতি প্রয়োগ করে কাজ করছেন তিনি।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে ফরহাদ হোসাইন জানান, বিদেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ অর্জন এবং পরবর্তী সময়ে দেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করা তাঁর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের মেধাবী শিক্ষার্থী মো. ফরহাদ হোসাইন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গবেষণার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ছড়িয়ে দেওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর নতুন গবেষণার বিষয় উপস্থাপনের সুযোগ হয়েছে International Conference on Physical Science 2026-এ, যা শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (SUST) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
এর আগে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (PUST) এবং মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি অব মালয়েশিয়া পারলিসের (UniMAP) যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত EFAST 2026 আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি নিজের গবেষণা উপস্থাপন করেন। সম্মেলনে উপস্থাপিত তাঁর গবেষণাপত্রটি বর্তমানে আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশের জন্য সংশোধন (Revision) পর্যায়ে রয়েছে। এ ছাড়া কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনেও তাঁর গবেষণা উপস্থাপিত হয়েছে।
আন্তর্জাতিক জার্নালে ফরহাদের মোট তিনটি গবেষণাপত্র রয়েছে, যেগুলোর সংশোধন-সংক্রান্ত কাজ সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি আরও দুটি উন্নতমানের গবেষণাপত্র নিয়ে কাজ করছেন তিনি। ভবিষ্যতে এসব গবেষণা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন জার্নালে প্রকাশের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন ফরহাদ।
মো. ফরহাদ হোসাইন ২০২৬ সালে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগ থেকে থিসিসসহ স্নাতকোত্তর (এমএস) ডিগ্রি অর্জন করেন। মাস্টার্সে তিনি ৪.০০-এর মধ্যে ৩.৮৯ সিজিপিএ অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি গবেষণার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
তাঁর গবেষণার মূল আগ্রহের ক্ষেত্র হলো Computational Fluid Dynamics (CFD), Natural Convection, Heat Transfer, Magnetohydrodynamics (MHD) এবং Thermal Performance Optimization। এসব বিষয়ে সংখ্যাতাত্ত্বিক সিমুলেশন, গাণিতিক মডেলিং ও আধুনিক গবেষণাপদ্ধতি প্রয়োগ করে কাজ করছেন তিনি।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে ফরহাদ হোসাইন জানান, বিদেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ অর্জন এবং পরবর্তী সময়ে দেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করা তাঁর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন।

০৪ নভেম্বর, ২০২৬ ২২:০৬
নদী-খালের শহর বরিশালকে জলাবদ্ধতামুক্ত, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে বড় ধরনের উন্নয়ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নগরীর ৩০টি খাল পুনরুদ্ধার, পুনঃখনন, পাড় সংরক্ষণ ও সৌন্দর্যবর্ধনে ৭৩০ কোটি টাকা ব্যয়ের একটি প্রকল্প অনুমোদনের কথা জানিয়েছে বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি)। প্রকল্পের আওতায় ১০টি খালের সৌন্দর্যবর্ধন এবং ২০টি খাল পুনঃখননের পরিকল্পনা রয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে বরিশাল নগরীর খালগুলো দখল, দূষণ, ভরাট ও নাব্যতা সংকটে অস্তিত্ব হারানোর পথে। একসময় নগরীর পানি নিষ্কাশন ও নৌযোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম ছিল এসব খাল। কিন্তু অপরিকল্পিত নগরায়ণ, অবৈধ দখল এবং বর্জ্য ফেলার কারণে অনেক খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছে।
নতুন প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নগরীর দীর্ঘদিনের পানি নিষ্কাশন সমস্যার সমাধানের পাশাপাশি খালকেন্দ্রিক পরিবেশ ও যোগাযোগব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বরিশালের খাল পুনরুদ্ধারে এর আগেও একাধিকবার উন্নয়ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। ২০২৫ সালে নগরীর খালগুলোর পাড় সংরক্ষণ, পুনরুদ্ধার ও পুনঃখননের জন্য ৭০১ কোটি ৫৩ লাখ টাকার একটি প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়। এতে ৫৬১ কোটি ২৩ লাখ টাকা সরকারি অনুদান এবং ১৪০ কোটি ৩০ লাখ টাকা ঋণ হিসেবে অর্থায়নের পরিকল্পনা ছিল। অর্থ বিভাগের পক্ষ থেকে সাতটি শর্তে অর্থায়নে সম্মতিও দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদনের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতির কথা জানানো হয়।
ওই পরিকল্পনায় নগরীর ৪৬টি খালের মধ্যে ২০টি খনন এবং আরও ৯টি খালের খনন, পাড় বাঁধাই, ওয়াকওয়ে নির্মাণ ও সৌন্দর্যবর্ধনের প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত ছিল।
এ ছাড়া এর আগে পানি উন্নয়ন বোর্ড নগরীর সাতটি খালের প্রায় ১৮ কিলোমিটার অংশ খননের উদ্যোগ নিয়েছিল। এ কাজে প্রায় সাত কোটি টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা ছিল। খালগুলোর মধ্যে ছিল সাগরদী, চাঁদমারী, ভাটার, জেল, আমানতগঞ্জ, পলাশপুর ও রূপাতলী খাল। প্রথম পর্যায়ে খনন এবং পরবর্তী সময়ে অবৈধ দখল উচ্ছেদ, সীমানা নির্ধারণ ও সৌন্দর্যবর্ধনের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছিল।
তবে বিভিন্ন সময়ে এসব উদ্যোগ ও পরিকল্পনা নেওয়া হলেও নগরীর সব খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ এখনো নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। ফলে নতুন ৭৩০ কোটি টাকার প্রকল্প ঘিরে এবার নগরবাসীর প্রত্যাশা আরও বেড়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রকল্পটি যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হলে বরিশাল নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসতে পারে। খালের নাব্যতা ফিরে এলে বৃষ্টির পানি দ্রুত নেমে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি খালকেন্দ্রিক নৌযোগাযোগ পুনরুজ্জীবিত হলে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের নতুন সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।
অন্যদিকে খালের পাড় সংরক্ষণ, ওয়াকওয়ে নির্মাণ ও পরিকল্পিত সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যমে নগরীতে নতুন নাগরিক পরিসর গড়ে উঠতে পারে। এতে নগরীর পরিবেশের উন্নতির পাশাপাশি মানুষের বিনোদন ও চলাচলের সুযোগও বাড়বে।
তবে প্রকল্পের সুফল দীর্ঘস্থায়ী করতে খালের সীমানা নির্ধারণ, অবৈধ দখল উচ্ছেদ, বর্জ্য ফেলা বন্ধ এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে, ৭৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩০টি খাল নিয়ে উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।
বুধবার (৪ নভেম্বর) বরিশাল সিটি করপোরেশনের নিজস্ব ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি বরিশালবাসীর পক্ষ থেকেও প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে প্রশাসক শিরিন বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নগরীর দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসন, আধুনিক পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, খালের নাব্যতা ফিরিয়ে আনা এবং নৌপথে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এ প্রকল্প বরিশালকে পরিচ্ছন্ন, পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে মাইলফলক হয়ে থাকবে। নগরবাসীর জীবনমান উন্নয়ন এবং বরিশালের নান্দনিক সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সব মিলিয়ে ৭৩০ কোটি টাকার এই প্রকল্প বরিশাল নগরীর জন্য সম্ভাবনাময় এক নতুন অধ্যায়। তবে নগরবাসীর প্রত্যাশা, অতীতের মতো প্রকল্পটি যেন কেবল পরিকল্পনা ও কাগজপত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে। দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে দখল-দূষণে হারিয়ে যাওয়া খালগুলো ফিরে পাক প্রাণ, আর বরিশাল ফিরে পাক তার ঐতিহ্যবাহী খালনির্ভর নগরীর পরিচয়।'
নদী-খালের শহর বরিশালকে জলাবদ্ধতামুক্ত, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে বড় ধরনের উন্নয়ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নগরীর ৩০টি খাল পুনরুদ্ধার, পুনঃখনন, পাড় সংরক্ষণ ও সৌন্দর্যবর্ধনে ৭৩০ কোটি টাকা ব্যয়ের একটি প্রকল্প অনুমোদনের কথা জানিয়েছে বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি)। প্রকল্পের আওতায় ১০টি খালের সৌন্দর্যবর্ধন এবং ২০টি খাল পুনঃখননের পরিকল্পনা রয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে বরিশাল নগরীর খালগুলো দখল, দূষণ, ভরাট ও নাব্যতা সংকটে অস্তিত্ব হারানোর পথে। একসময় নগরীর পানি নিষ্কাশন ও নৌযোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম ছিল এসব খাল। কিন্তু অপরিকল্পিত নগরায়ণ, অবৈধ দখল এবং বর্জ্য ফেলার কারণে অনেক খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছে।
নতুন প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নগরীর দীর্ঘদিনের পানি নিষ্কাশন সমস্যার সমাধানের পাশাপাশি খালকেন্দ্রিক পরিবেশ ও যোগাযোগব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বরিশালের খাল পুনরুদ্ধারে এর আগেও একাধিকবার উন্নয়ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। ২০২৫ সালে নগরীর খালগুলোর পাড় সংরক্ষণ, পুনরুদ্ধার ও পুনঃখননের জন্য ৭০১ কোটি ৫৩ লাখ টাকার একটি প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়। এতে ৫৬১ কোটি ২৩ লাখ টাকা সরকারি অনুদান এবং ১৪০ কোটি ৩০ লাখ টাকা ঋণ হিসেবে অর্থায়নের পরিকল্পনা ছিল। অর্থ বিভাগের পক্ষ থেকে সাতটি শর্তে অর্থায়নে সম্মতিও দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদনের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতির কথা জানানো হয়।
ওই পরিকল্পনায় নগরীর ৪৬টি খালের মধ্যে ২০টি খনন এবং আরও ৯টি খালের খনন, পাড় বাঁধাই, ওয়াকওয়ে নির্মাণ ও সৌন্দর্যবর্ধনের প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত ছিল।
এ ছাড়া এর আগে পানি উন্নয়ন বোর্ড নগরীর সাতটি খালের প্রায় ১৮ কিলোমিটার অংশ খননের উদ্যোগ নিয়েছিল। এ কাজে প্রায় সাত কোটি টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা ছিল। খালগুলোর মধ্যে ছিল সাগরদী, চাঁদমারী, ভাটার, জেল, আমানতগঞ্জ, পলাশপুর ও রূপাতলী খাল। প্রথম পর্যায়ে খনন এবং পরবর্তী সময়ে অবৈধ দখল উচ্ছেদ, সীমানা নির্ধারণ ও সৌন্দর্যবর্ধনের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছিল।
তবে বিভিন্ন সময়ে এসব উদ্যোগ ও পরিকল্পনা নেওয়া হলেও নগরীর সব খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ এখনো নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। ফলে নতুন ৭৩০ কোটি টাকার প্রকল্প ঘিরে এবার নগরবাসীর প্রত্যাশা আরও বেড়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রকল্পটি যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হলে বরিশাল নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসতে পারে। খালের নাব্যতা ফিরে এলে বৃষ্টির পানি দ্রুত নেমে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি খালকেন্দ্রিক নৌযোগাযোগ পুনরুজ্জীবিত হলে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের নতুন সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।
অন্যদিকে খালের পাড় সংরক্ষণ, ওয়াকওয়ে নির্মাণ ও পরিকল্পিত সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যমে নগরীতে নতুন নাগরিক পরিসর গড়ে উঠতে পারে। এতে নগরীর পরিবেশের উন্নতির পাশাপাশি মানুষের বিনোদন ও চলাচলের সুযোগও বাড়বে।
তবে প্রকল্পের সুফল দীর্ঘস্থায়ী করতে খালের সীমানা নির্ধারণ, অবৈধ দখল উচ্ছেদ, বর্জ্য ফেলা বন্ধ এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে, ৭৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩০টি খাল নিয়ে উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।
বুধবার (৪ নভেম্বর) বরিশাল সিটি করপোরেশনের নিজস্ব ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি বরিশালবাসীর পক্ষ থেকেও প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে প্রশাসক শিরিন বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নগরীর দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসন, আধুনিক পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, খালের নাব্যতা ফিরিয়ে আনা এবং নৌপথে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এ প্রকল্প বরিশালকে পরিচ্ছন্ন, পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে মাইলফলক হয়ে থাকবে। নগরবাসীর জীবনমান উন্নয়ন এবং বরিশালের নান্দনিক সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সব মিলিয়ে ৭৩০ কোটি টাকার এই প্রকল্প বরিশাল নগরীর জন্য সম্ভাবনাময় এক নতুন অধ্যায়। তবে নগরবাসীর প্রত্যাশা, অতীতের মতো প্রকল্পটি যেন কেবল পরিকল্পনা ও কাগজপত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে। দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে দখল-দূষণে হারিয়ে যাওয়া খালগুলো ফিরে পাক প্রাণ, আর বরিশাল ফিরে পাক তার ঐতিহ্যবাহী খালনির্ভর নগরীর পরিচয়।'

০৫ নভেম্বর, ২০২৬ ২২:৪২
বরিশাল নগরসংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীতে ফুটবল তুলতে নেমে স্রোতের টানে নিখোঁজ হয়েছে মো. জুনায়েদ (১৩) নামে এক কিশোর। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে নগরের খেয়াঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ জুনায়েদ নগরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পলাশপুর এলাকার ৭ নম্বর গলির বাসিন্দা মো. জাকিরের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী কিশোর মো. সাইফুলের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় জুনায়েদের বড় ভাই জুবায়ের নদীর তীরে সাইকেল পরিষ্কার করছিলেন। অন্যদিকে জুনায়েদ নদীর পাড়ে ফুটবল খেলছিল। একপর্যায়ে তার খেলার বলটি নদীতে পড়ে যায়। বলটি উদ্ধারের জন্য পানিতে নামলে স্রোতের টানে ভেসে যেতে থাকে সে।
এ সময় ছোট ভাইকে বাঁচাতে নদীতে নেমে হাত বাড়িয়ে দেন জুবায়ের। একপর্যায়ে জুনায়েদের হাত ধরতে সক্ষম হলেও প্রবল স্রোতের কারণে তাকে তীরে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। মুহূর্তেই স্রোতে ভেসে নিখোঁজ হয় জুনায়েদ।
এ বিষয়ে কাউনিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বশির উদ্দিন জানান, ঘটনার সময় জুনায়েদ, তার বড় ভাই জুবায়ের ও প্রত্যক্ষদর্শী সাইফুল—কেউই সাঁতার জানত না। ফলে স্রোতে ভেসে যাওয়া কিশোরকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নদীতে তল্লাশি শুরু করেছে। পাশাপাশি ঘটনাস্থলে নৌ-পুলিশ ও থানা-পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন।
এ ঘটনায় খেয়াঘাট এলাকায় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়েছে। নিখোঁজ কিশোরের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চলছে।
০৬ নভেম্বর, ২০২৬ ১৫:০০
০৬ নভেম্বর, ২০২৬ ১৪:০৯
০৬ নভেম্বর, ২০২৬ ০০:৩৩
০৫ নভেম্বর, ২০২৬ ২২:৪২