আজ ৭ নভেম্বর, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের স্মারক এই দিন। ১৯৭৫ সালের উত্তাল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান দেশের ক্ষমতার রাজনীতিতে নিয়ে আসে নতুন বাঁক। সেই ঘটনাপ্রবাহের কেন্দ্রে উঠে আসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম।
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান। পরবর্তী সময়ে দেশের রাষ্ট্র পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থান করে নেয়। বিএনপির রাজনৈতিক ইতিহাস ও আদর্শে দিনটি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে বিশেষ মর্যাদায় স্মরণীয়।
জিয়াউর রহমানের নেতৃত্ব, স্বাধীনতার ঘোষণায় তাঁর ভূমিকা এবং পরবর্তী রাষ্ট্র পরিচালনার অধ্যায় তাঁকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের আলোচিত ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।
দিবসটি উপলক্ষে আজ সারা দেশে নানা কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। সকালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং রাজধানীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও এসব কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন।
৭ নভেম্বরের চেতনায় জাতীয় ঐক্য, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রত্যয়ই হোক আগামীর বাংলাদেশের অঙ্গীকার।

০৭ নভেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৮
‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে বিএনপির কর্মসূচিতে মাইকে হঠাৎ বেজে উঠেছে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে লেখা গান—‘বঙ্গবন্ধুর কন্যা তুমি বাংলাদেশের নেতা’। এ ঘটনার ৩৬ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ওই দিন জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে নগরের বিভিন্ন এলাকায় মাইকে দলীয় গান ও রাজনৈতিক বক্তব্য প্রচারের কর্মসূচি ছিল বিএনপির।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, আগ্রাবাদ এলাকার একটি মাইক থেকে ‘বঙ্গবন্ধুর কন্যা তুমি বাংলাদেশের নেতা’ গানটি বাজছে। এ সময় পাশের সড়ক দিয়ে রিকশা, অটোরিকশা ও সাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করছিল।
ঘটনাটি নিয়ে ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ ফয়সাল জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি নজরে আসার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আয়োজকদের সঙ্গে কথা বলে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আয়োজকেরা জানিয়েছেন, ইউটিউব থেকে একের পর এক দলীয় গান ও রাজনৈতিক বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছিল। এর মধ্যেই অসতর্কতাবশত শেখ হাসিনাকে নিয়ে লেখা গানটি বেজে ওঠে। বিষয়টি বুঝতে পেরে দ্রুত গানটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। তাঁদের দাবি, ইচ্ছাকৃতভাবে গানটি বাজানো হয়নি।
চট্টগ্রাম নগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত শওকত আজম খাজা জানিয়েছেন, আগ্রাবাদে অন্য দলের গান বাজানোর ভিডিও তাঁর নজরে এসেছে। তবে কারা গানটি বাজিয়েছেন, তা তিনি নিশ্চিত নন।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম নগর বিএনপির সদস্যসচিব নাজিমুর রহমান জানিয়েছেন, এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত জানেন না। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলেও জানান তিনি।
ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর রাজনৈতিক কর্মসূচিতে গান প্রচারের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে আয়োজকদের দাবি, ঘটনাটি ছিল অনিচ্ছাকৃত।
সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, বাংলা ট্রিবিউন ও দৈনিক ইত্তেফাকের প্রকাশিত প্রতিবেদন।
‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে বিএনপির কর্মসূচিতে মাইকে হঠাৎ বেজে উঠেছে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে লেখা গান—‘বঙ্গবন্ধুর কন্যা তুমি বাংলাদেশের নেতা’। এ ঘটনার ৩৬ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ওই দিন জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে নগরের বিভিন্ন এলাকায় মাইকে দলীয় গান ও রাজনৈতিক বক্তব্য প্রচারের কর্মসূচি ছিল বিএনপির।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, আগ্রাবাদ এলাকার একটি মাইক থেকে ‘বঙ্গবন্ধুর কন্যা তুমি বাংলাদেশের নেতা’ গানটি বাজছে। এ সময় পাশের সড়ক দিয়ে রিকশা, অটোরিকশা ও সাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করছিল।
ঘটনাটি নিয়ে ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ ফয়সাল জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি নজরে আসার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আয়োজকদের সঙ্গে কথা বলে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আয়োজকেরা জানিয়েছেন, ইউটিউব থেকে একের পর এক দলীয় গান ও রাজনৈতিক বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছিল। এর মধ্যেই অসতর্কতাবশত শেখ হাসিনাকে নিয়ে লেখা গানটি বেজে ওঠে। বিষয়টি বুঝতে পেরে দ্রুত গানটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। তাঁদের দাবি, ইচ্ছাকৃতভাবে গানটি বাজানো হয়নি।
চট্টগ্রাম নগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত শওকত আজম খাজা জানিয়েছেন, আগ্রাবাদে অন্য দলের গান বাজানোর ভিডিও তাঁর নজরে এসেছে। তবে কারা গানটি বাজিয়েছেন, তা তিনি নিশ্চিত নন।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম নগর বিএনপির সদস্যসচিব নাজিমুর রহমান জানিয়েছেন, এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত জানেন না। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলেও জানান তিনি।
ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর রাজনৈতিক কর্মসূচিতে গান প্রচারের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে আয়োজকদের দাবি, ঘটনাটি ছিল অনিচ্ছাকৃত।
সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, বাংলা ট্রিবিউন ও দৈনিক ইত্তেফাকের প্রকাশিত প্রতিবেদন।

১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:০৭
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন ইশরাক হোসেন। অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নেওয়া নিয়ে বিতর্কের মধ্যে তাঁর এই সিদ্ধান্ত সামনে এসেছে। ইশরাকের দাবি, তাঁকে টার্গেট করে হেয় করা হয়েছে। দলকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলতে চান না বলেই তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগের ঘোষণা দেন ইশরাক। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন এবং প্রধানমন্ত্রী তাতে সম্মতি দিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কাছে আজকের দিন থেকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি চেয়েছি। পুরো সময়টা ঢাকা-৬ আসন ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় মাদক নির্মূল এবং অন্যান্য সমস্যা নিয়ে কাজ করতে চাই। প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দিয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী, আমি পদত্যাগ করতে চাই। আমার জন্য যেন কাউকে বিব্রত হতে না হয়।’
সম্প্রতি অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে নামার ঘটনায় আলোচনায় আসেন ইশরাক হোসেন। তাঁর এই কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন মহলে সমালোচনা শুরু হয়। বিষয়টি দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমেও আলোচিত হয়। এর পরপরই তাঁর মন্ত্রিসভা থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়টি সামনে আসে।
এর আগে রোববার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে ইশরাককে ডেকে পাঠান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে তাঁকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্ট ঘটনার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে। পরদিন সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক নিজেই দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নেওয়ার ঘোষণা দেন।
গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ইশরাক বলেন, গত দুই-তিন দিন ধরে একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে। দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে কিছু সত্যের পাশাপাশি অতিরঞ্জিত তথ্যও প্রকাশ করা হয়েছে বলে তাঁর দাবি। তাঁর ভাষ্য, ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে কল্পকাহিনি তৈরি করা হয়েছে এবং তাঁকে হেয় করার চেষ্টা হয়েছে।
ইশরাকের অভিযোগ, এসব আলোচনায় তিনি ব্যক্তিগতভাবে লক্ষ্যবস্তু হয়েছেন এবং এতে দলও বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছে।
প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেও ঢাকা-৬ আসন ও আশপাশের এলাকায় মাদক নির্মূল এবং স্থানীয় সমস্যা সমাধানে কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন ইশরাক। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মন্ত্রিত্বের বাইরে থেকে এসব বিষয়ে বেশি সময় দিতে চান তিনি।
ইশরাকের পদত্যাগের ঘোষণার মধ্য দিয়ে অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযান ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক নতুন মাত্রা পেল। এখন তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং ঢাকা-৬ এলাকার সমস্যা সমাধানে ভূমিকা কতটা কার্যকর হয়, সেদিকেই নজর থাকবে।’
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন ইশরাক হোসেন। অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নেওয়া নিয়ে বিতর্কের মধ্যে তাঁর এই সিদ্ধান্ত সামনে এসেছে। ইশরাকের দাবি, তাঁকে টার্গেট করে হেয় করা হয়েছে। দলকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলতে চান না বলেই তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগের ঘোষণা দেন ইশরাক। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন এবং প্রধানমন্ত্রী তাতে সম্মতি দিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কাছে আজকের দিন থেকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি চেয়েছি। পুরো সময়টা ঢাকা-৬ আসন ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় মাদক নির্মূল এবং অন্যান্য সমস্যা নিয়ে কাজ করতে চাই। প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দিয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী, আমি পদত্যাগ করতে চাই। আমার জন্য যেন কাউকে বিব্রত হতে না হয়।’
সম্প্রতি অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে নামার ঘটনায় আলোচনায় আসেন ইশরাক হোসেন। তাঁর এই কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন মহলে সমালোচনা শুরু হয়। বিষয়টি দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমেও আলোচিত হয়। এর পরপরই তাঁর মন্ত্রিসভা থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়টি সামনে আসে।
এর আগে রোববার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে ইশরাককে ডেকে পাঠান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে তাঁকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্ট ঘটনার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে। পরদিন সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক নিজেই দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নেওয়ার ঘোষণা দেন।
গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ইশরাক বলেন, গত দুই-তিন দিন ধরে একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে। দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে কিছু সত্যের পাশাপাশি অতিরঞ্জিত তথ্যও প্রকাশ করা হয়েছে বলে তাঁর দাবি। তাঁর ভাষ্য, ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে কল্পকাহিনি তৈরি করা হয়েছে এবং তাঁকে হেয় করার চেষ্টা হয়েছে।
ইশরাকের অভিযোগ, এসব আলোচনায় তিনি ব্যক্তিগতভাবে লক্ষ্যবস্তু হয়েছেন এবং এতে দলও বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছে।
প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেও ঢাকা-৬ আসন ও আশপাশের এলাকায় মাদক নির্মূল এবং স্থানীয় সমস্যা সমাধানে কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন ইশরাক। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মন্ত্রিত্বের বাইরে থেকে এসব বিষয়ে বেশি সময় দিতে চান তিনি।
ইশরাকের পদত্যাগের ঘোষণার মধ্য দিয়ে অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযান ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক নতুন মাত্রা পেল। এখন তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং ঢাকা-৬ এলাকার সমস্যা সমাধানে ভূমিকা কতটা কার্যকর হয়, সেদিকেই নজর থাকবে।’

১৮ অক্টোবর, ২০২৬ ২২:১৭
অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নিয়ে বিতর্কের মুখে পড়া মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (১৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সরকার-সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে ডেকে পাঠান। সেখানে তাঁকে পদত্যাগ করতে বলা হয়। তবে প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত এ বিষয়ে সরকারের দায়িত্বশীল কারও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নেন ইশরাক হোসেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েকজনের হাতেও অস্ত্র দেখা যায়। অভিযানের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
ঘটনাটি নিয়ে বিএনপি ও সরকারের ভেতরেও অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার উদ্দেশ্য নিয়ে আপত্তি না থাকলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব একজন প্রতিমন্ত্রীর নিজের হাতে তুলে নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
এদিকে, ইশরাকের অস্ত্র হাতে অভিযানে অংশ নেওয়ার ঘটনা পর্যবেক্ষণ করছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ডিবি প্রধান জানিয়েছেন, ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করে প্রতিবেদন দিতে স্থানীয় জেলা প্রশাসককে বলা হয়েছে। আইনগত কোনো ব্যত্যয় পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় থাকবে।
ঘটনার পরদিনই প্রতিমন্ত্রীকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার খবর প্রকাশিত হয়। তবে পদত্যাগের নির্দেশ কার্যকর হয়েছে কি না, কিংবা এ বিষয়ে পরবর্তী কোনো সরকারি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কি না, তা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সূত্র: দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস, কালবেলা, প্রথম আলো ও বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিবেদন।
অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নিয়ে বিতর্কের মুখে পড়া মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (১৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সরকার-সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে ডেকে পাঠান। সেখানে তাঁকে পদত্যাগ করতে বলা হয়। তবে প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত এ বিষয়ে সরকারের দায়িত্বশীল কারও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নেন ইশরাক হোসেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েকজনের হাতেও অস্ত্র দেখা যায়। অভিযানের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
ঘটনাটি নিয়ে বিএনপি ও সরকারের ভেতরেও অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার উদ্দেশ্য নিয়ে আপত্তি না থাকলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব একজন প্রতিমন্ত্রীর নিজের হাতে তুলে নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
এদিকে, ইশরাকের অস্ত্র হাতে অভিযানে অংশ নেওয়ার ঘটনা পর্যবেক্ষণ করছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ডিবি প্রধান জানিয়েছেন, ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করে প্রতিবেদন দিতে স্থানীয় জেলা প্রশাসককে বলা হয়েছে। আইনগত কোনো ব্যত্যয় পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় থাকবে।
ঘটনার পরদিনই প্রতিমন্ত্রীকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার খবর প্রকাশিত হয়। তবে পদত্যাগের নির্দেশ কার্যকর হয়েছে কি না, কিংবা এ বিষয়ে পরবর্তী কোনো সরকারি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কি না, তা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সূত্র: দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস, কালবেলা, প্রথম আলো ও বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিবেদন।

০৭ নভেম্বর, ২০২৬ ১১:০৮
আজ ৭ নভেম্বর, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের স্মারক এই দিন। ১৯৭৫ সালের উত্তাল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান দেশের ক্ষমতার রাজনীতিতে নিয়ে আসে নতুন বাঁক। সেই ঘটনাপ্রবাহের কেন্দ্রে উঠে আসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম।
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান। পরবর্তী সময়ে দেশের রাষ্ট্র পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থান করে নেয়। বিএনপির রাজনৈতিক ইতিহাস ও আদর্শে দিনটি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে বিশেষ মর্যাদায় স্মরণীয়।
জিয়াউর রহমানের নেতৃত্ব, স্বাধীনতার ঘোষণায় তাঁর ভূমিকা এবং পরবর্তী রাষ্ট্র পরিচালনার অধ্যায় তাঁকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের আলোচিত ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।
দিবসটি উপলক্ষে আজ সারা দেশে নানা কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। সকালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং রাজধানীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও এসব কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন।
৭ নভেম্বরের চেতনায় জাতীয় ঐক্য, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রত্যয়ই হোক আগামীর বাংলাদেশের অঙ্গীকার।
০৭ নভেম্বর, ২০২৬ ২৩:৫৩
০৭ নভেম্বর, ২০২৬ ২৩:৩৩
০৭ নভেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৮
০৭ নভেম্বর, ২০২৬ ২১:৫১