পটুয়াখালীর দুমকিতে সরকারি রেকর্ডীয় হালট দখল করে পারিবারিক কবরস্থানের সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার সিকদার এবং তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে। এতে দীর্ঘদিনের চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে অবরুদ্ধ অবস্থায় পড়েছে একটি সাংবাদিক পরিবার। সরকারি জমির সীমানা নিয়ে বিরোধের জেরে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলার ২ নম্বর লেবুখালী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আঠারগাছিয়া গ্রামের সিকদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগী সাংবাদিক কামাল সিকদারের পরিবারের অভিযোগ, আঠারগাছিয়া মৌজার ১৫০২ নম্বর প্লটের সরকারি রেকর্ডীয় হালটের প্রায় ২৯ শতক জমি পারিবারিক কবরস্থানের সীমানার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করা হচ্ছে। অথচ হালটটি দীর্ঘদিন ধরে কার্তিকপাশা ও আঠারগাছিয়া গ্রামের মানুষের চলাচলের পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, সরকারি জমিতে নির্মাণকাজের বিষয়টি জানার পর ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা সেলিম উদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কাজ বন্ধ রাখার কথা বলেছিলেন। কিন্তু সেই নির্দেশনা উপেক্ষা করেই দেয়াল নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
ঘটনার সময় সাংবাদিক কামাল সিকদার পটুয়াখালীতে অবস্থান করছিলেন। পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে খবর পেয়ে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন। পরে দুমকি থানার এসআই শহিদুল ইসলাম ঘটনাস্থলে যান। কামাল সিকদারের ভাষ্য অনুযায়ী, পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে গিয়ে দেয়াল নির্মাণের কারণে চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি দেখতে পান।
কামাল সিকদার বলেন, ‘সরকারি হালট দখল করে দেয়াল নির্মাণ করায় আমাদের পরিবারের স্বাভাবিক চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। আমরা কোনো ব্যক্তিগত সুবিধা চাই না। সরকারি জমি উদ্ধার করে মানুষের চলাচলের পথ উন্মুক্ত রাখার দাবি জানাচ্ছি।’
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আবদুল জব্বার সিকদার ও তাঁর ভাই আবু সালেহ খোকন দাবি করেন, বিরোধপূর্ণ জায়গাটি তাঁদের বাপ-দাদার আমলের পারিবারিক কবরস্থানের অংশ। কবরস্থানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সেখানে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করা হচ্ছে। জায়গাটি সরকারি হালট কিংবা খাসজমি হয়ে থাকলে ভূমি প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে বলেও জানান তাঁরা।
এদিকে, জমিটির মালিকানা ও সীমানা নিয়ে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি দাবির মধ্যে প্রকৃত অবস্থা নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাঁদের মতে, আঠারগাছিয়া মৌজার ১৫০২ নম্বর প্লটের সরকারি রেকর্ড, মৌজা নকশা ও সরেজমিন জরিপের মাধ্যমে জমিটির প্রকৃত অবস্থান নির্ধারণ করা জরুরি।
স্থানীয়দের দাবি, সরকারি হালট দখলের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে দখলমুক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে সাংবাদিক পরিবারসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের চলাচলের পথ নিশ্চিত করতে ভূমি প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
সরকারি রেকর্ডে হালট হিসেবে থাকা জমির সীমানা কীভাবে পারিবারিক কবরস্থানের সীমানার মধ্যে যাচ্ছে, আর ভূমি কর্মকর্তার আপত্তির পরও নির্মাণকাজ চলার অভিযোগের সত্যতা কতটুকু—তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট করার দাবি উঠেছে।

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:২৯
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চারটি বিপন্ন পাহাড়ি বন্য বানর উদ্ধার করেছে পরিবেশবাদী সংগঠন এনিমেল লাভারস অব পটুয়াখালী। এ সময় বানর দিয়ে খেলা দেখানোর অভিযোগে চার বাজিকরকে আটক করা হয়। পরে ভবিষ্যতে বন্যপ্রাণী আটক বা লালন-পালন করবেন না—এমন লিখিত মুচলেকা নিয়ে তাঁদের ছেড়ে দেয় বন বিভাগ।
শনিবার(৩১ অক্টোবর) সকালে কলাপাড়া শহরের ব্রিজসংলগ্ন সিএনজি স্ট্যান্ড এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বন বিভাগের সহায়তায় এ অভিযান চালানো হয়।
উদ্ধার করা বানরগুলোর আনুমানিক বয়স ১৫ থেকে ২০ বছর। আটক ব্যক্তিরা হলেন চট্টগ্রামের মিরসরাই এলাকার বাসিন্দা মো. মোস্তাক, মো. লোকমান, মো. লিটন মীর ও মো. কামরুল।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে এসব বন্য বানর দিয়ে খেলা দেখিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন তাঁরা।
এনিমেল লাভারস অব পটুয়াখালীর কলাপাড়া শাখার টিম লিডার বায়োজিদ মুন্সী বলেন, উদ্ধার করা বানরগুলো বর্তমানে নিরাপদ হেফাজতে রাখা হয়েছে। এগুলোকে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবমুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি আরও বলেন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী, লাইসেন্স ছাড়া কোনো বন্যপ্রাণী আটক রাখা, কেনাবেচা কিংবা পরিবহন করা দণ্ডনীয় অপরাধ।
বন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে উদ্ধার করা বানরগুলোকে উপযুক্ত সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবমুক্ত করা হবে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চারটি বিপন্ন পাহাড়ি বন্য বানর উদ্ধার করেছে পরিবেশবাদী সংগঠন এনিমেল লাভারস অব পটুয়াখালী। এ সময় বানর দিয়ে খেলা দেখানোর অভিযোগে চার বাজিকরকে আটক করা হয়। পরে ভবিষ্যতে বন্যপ্রাণী আটক বা লালন-পালন করবেন না—এমন লিখিত মুচলেকা নিয়ে তাঁদের ছেড়ে দেয় বন বিভাগ।
শনিবার(৩১ অক্টোবর) সকালে কলাপাড়া শহরের ব্রিজসংলগ্ন সিএনজি স্ট্যান্ড এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বন বিভাগের সহায়তায় এ অভিযান চালানো হয়।
উদ্ধার করা বানরগুলোর আনুমানিক বয়স ১৫ থেকে ২০ বছর। আটক ব্যক্তিরা হলেন চট্টগ্রামের মিরসরাই এলাকার বাসিন্দা মো. মোস্তাক, মো. লোকমান, মো. লিটন মীর ও মো. কামরুল।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে এসব বন্য বানর দিয়ে খেলা দেখিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন তাঁরা।
এনিমেল লাভারস অব পটুয়াখালীর কলাপাড়া শাখার টিম লিডার বায়োজিদ মুন্সী বলেন, উদ্ধার করা বানরগুলো বর্তমানে নিরাপদ হেফাজতে রাখা হয়েছে। এগুলোকে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবমুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি আরও বলেন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী, লাইসেন্স ছাড়া কোনো বন্যপ্রাণী আটক রাখা, কেনাবেচা কিংবা পরিবহন করা দণ্ডনীয় অপরাধ।
বন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে উদ্ধার করা বানরগুলোকে উপযুক্ত সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবমুক্ত করা হবে।

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৩৭
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার মজিদবাড়িয়া কলেজ থেকে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন মাত্র একজন শিক্ষার্থী। তবে তিনিও উত্তীর্ণ হতে পারেননি। মানবিক বিভাগের ওই শিক্ষার্থী এক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন।
কলেজটিতে আটজন শিক্ষক কর্মরত থাকলেও একজন শিক্ষার্থীরও পাস করতে না পারার ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির পাঠদানের মান ও শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
কলেজের অধ্যক্ষ ফারুক ইকবাল জানান, ২০০২ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে প্রতিষ্ঠার দুই দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো এমপিওভুক্ত হয়নি প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে আটজন শিক্ষক থাকলেও নেই নিজস্ব কোনো পাকা একাডেমিক ভবন। টিনশেড ঘরেই চলছে পাঠদান।
অধ্যক্ষের দাবি, এমপিওভুক্ত না হওয়া এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধার অভাবে ভালো মানের শিক্ষার্থীরা এ কলেজে ভর্তি হতে আগ্রহী হয় না। ফলে দিন দিন কমছে শিক্ষার্থীর সংখ্যা। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বছর মানবিক বিভাগ থেকে মাত্র একজন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। রাজু আহমেদ নামের ওই শিক্ষার্থীও একটি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন।
কলেজটি প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীসংকট কাটেনি। আটজন শিক্ষক কর্মরত থাকা সত্ত্বেও একমাত্র পরীক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়ার ঘটনা প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা কার্যক্রমের মান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার মজিদবাড়িয়া কলেজ থেকে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন মাত্র একজন শিক্ষার্থী। তবে তিনিও উত্তীর্ণ হতে পারেননি। মানবিক বিভাগের ওই শিক্ষার্থী এক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন।
কলেজটিতে আটজন শিক্ষক কর্মরত থাকলেও একজন শিক্ষার্থীরও পাস করতে না পারার ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির পাঠদানের মান ও শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
কলেজের অধ্যক্ষ ফারুক ইকবাল জানান, ২০০২ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে প্রতিষ্ঠার দুই দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো এমপিওভুক্ত হয়নি প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে আটজন শিক্ষক থাকলেও নেই নিজস্ব কোনো পাকা একাডেমিক ভবন। টিনশেড ঘরেই চলছে পাঠদান।
অধ্যক্ষের দাবি, এমপিওভুক্ত না হওয়া এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধার অভাবে ভালো মানের শিক্ষার্থীরা এ কলেজে ভর্তি হতে আগ্রহী হয় না। ফলে দিন দিন কমছে শিক্ষার্থীর সংখ্যা। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বছর মানবিক বিভাগ থেকে মাত্র একজন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। রাজু আহমেদ নামের ওই শিক্ষার্থীও একটি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন।
কলেজটি প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীসংকট কাটেনি। আটজন শিক্ষক কর্মরত থাকা সত্ত্বেও একমাত্র পরীক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়ার ঘটনা প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা কার্যক্রমের মান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:২২
খাল নেই, নেই চলাচলের সংযোগ সড়ক। আশপাশে নেই দৃশ্যমান কোনো জলপ্রবাহের চিহ্নও। অথচ প্রায় আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে একটি গার্ডার সেতু। পটুয়াখালীর কুয়াকাটার ধূলাসার ইউনিয়নের গঙ্গামতি তেত্রিশকানি এলাকায় সরকারি অর্থায়নে চলমান এই সেতু নির্মাণকাজ ঘিরে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। স্থানীয়দের অভিযোগ, বাস্তব প্রয়োজন ও জনসাধারণের সুবিধা বিবেচনা না করেই নেওয়া হয়েছে প্রকল্পটি। ফলে বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্মিত সেতুটি শেষ পর্যন্ত কতটা জনকল্যাণে আসবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অধীনে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় প্রায় আড়াই কোটি টাকা। ২০২১-২২ অর্থবছরে নেওয়া প্রকল্পটির আওতায় ধূলাসার ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের গঙ্গামতি তেত্রিশকানি এলাকায় বেড়িবাঁধের বাইরে সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গত বছর কোরবানির ঈদের পর নির্মাণকাজ শুরু হয়। চলতি বছরের শেষ দিকে কাজ শেষ করার সময়সীমা নির্ধারিত রয়েছে বলে জানা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, নির্মাণাধীন সেতুটির আশপাশে কয়েকটি বসতঘর রয়েছে। তবে সেতুর দুই প্রান্তে দৃশ্যমান কোনো সংযোগ সড়ক কিংবা খালের অস্তিত্ব চোখে পড়েনি। এমন পরিস্থিতিতে সেতুটি নির্মাণের পর মানুষ কীভাবে সেখানে যাতায়াত করবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গিয়াস উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি সেতুটির নির্মাণকাজের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। ৫ আগস্টের পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পরিবর্তন হয়ে জসিম উদ্দিন খানের প্রতিষ্ঠানের হাতে যায়। তবে ঠিকাদার পরিবর্তন, কার্যাদেশ হস্তান্তর কিংবা এ-সংক্রান্ত প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় ট্যুর গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘আমাদের এলাকায় উন্নয়ন হোক, এটা আমরা চাই। কিন্তু যেখানে খাল নেই, রাস্তা নেই, সেখানে এত টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা কী? সেতু নির্মাণের আগে মানুষের চলাচলের ব্যবস্থা ও জায়গার বাস্তব অবস্থা বিবেচনা করা উচিত ছিল।’
স্থানীয় বাসিন্দা মতিউর রহমান বলেন, ‘সেতু হলে মানুষের উপকার হওয়ার কথা। কিন্তু এখানে সেতুর দুই পাশে যাওয়ার মতো রাস্তা নেই। খালেরও অস্তিত্ব দেখা যাচ্ছে না। তাহলে এই সেতু দিয়ে মানুষ চলাচল করবে কীভাবে? প্রকল্পের টাকা খরচ হলেই তো উন্নয়ন হয় না, মানুষের কাজে আসতে হবে। আমাদের এলাকায় সেতুর চেয়ে একটি সাইক্লোন শেল্টার বেশি জরুরি।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক বাসিন্দা বলেন, ‘সেতুর নির্মাণকাজের কারণে আশপাশের কয়েকটি পরিবার ভোগান্তিতে পড়েছে। কেউ কেউ ঘরবাড়ি নিয়েও সমস্যায় পড়েছেন। আমরা চাই, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে এসে বিষয়টি দেখুক। জনগণের টাকায় এমন কোনো প্রকল্প হওয়া উচিত নয়, যা শেষ পর্যন্ত মানুষের কোনো উপকারেই আসবে না।’
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, কয়েক দিন আগে এলাকায় খালের দৃশ্যমান অস্তিত্ব না থাকলেও ভেকু দিয়ে খালের নকশা তৈরির মতো কাজ করতে দেখা গেছে। তাঁদের প্রশ্ন, প্রকল্প গ্রহণের আগে যথাযথভাবে স্থান পরিদর্শন, খালের অস্তিত্ব যাচাই এবং সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করা হয়েছিল কি না।
এদিকে নির্মাণকাজের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী জসিম উদ্দিন খানের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তিনিও সংবাদ প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান। তবে প্রকল্পের বাস্তবতা ও নির্মাণকাজের যৌক্তিকতা নিয়ে ওঠা প্রশ্নের বিষয়ে তাঁর বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রকল্পের নথি ও জবাবদিহি চান স্থানীয়রা
প্রায় আড়াই কোটি টাকার এই প্রকল্পে সেতু নির্মাণের স্থান কীভাবে নির্বাচন করা হয়েছে, অনুমোদনের আগে খাল ও সংযোগ সড়কের অস্তিত্ব যাচাই করা হয়েছিল কি না, সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে কি না এবং পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা কী—এসব প্রশ্নের স্পষ্ট জবাব চান স্থানীয় বাসিন্দারা।
তাঁদের দাবি, প্রকল্পের নকশা, প্রাক্কলন, কার্যাদেশ, সম্ভাব্যতা যাচাই প্রতিবেদন ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ সরেজমিন পরিদর্শনের মাধ্যমে প্রকল্পটির প্রয়োজনীয়তা, ব্যয়ের যৌক্তিকতা ও জনস্বার্থ নিশ্চিত করতে হবে।
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সেতুটি স্থানীয়দের হাঁটাচলার সুবিধা দেবে। তবে প্রকল্পটির স্থান নির্বাচনের যৌক্তিকতা, নকশা, সম্ভাব্য উপকারভোগীর সংখ্যা, খালের অস্তিত্ব এবং পানি নিষ্কাশনের পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। এ সময় তিনিও সংবাদটি প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান।
উন্নয়ন প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করা। কিন্তু যে সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নেই, যে স্থানে খালের অস্তিত্ব নিয়েই প্রশ্ন রয়েছে, সেই সেতুর প্রয়োজনীয়তা কতটুকু—তা খতিয়ে দেখা জরুরি। প্রায় আড়াই কোটি টাকার সরকারি অর্থ ব্যয়ে নির্মিত এই অবকাঠামো শেষ পর্যন্ত জনসাধারণের কী কাজে আসবে, নাকি এটি অপ্রয়োজনীয় ব্যয়ের আরেকটি উদাহরণ হয়ে থাকবে—এখন সেই প্রশ্নের জবাব চান স্থানীয়রা।
খাল নেই, নেই চলাচলের সংযোগ সড়ক। আশপাশে নেই দৃশ্যমান কোনো জলপ্রবাহের চিহ্নও। অথচ প্রায় আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে একটি গার্ডার সেতু। পটুয়াখালীর কুয়াকাটার ধূলাসার ইউনিয়নের গঙ্গামতি তেত্রিশকানি এলাকায় সরকারি অর্থায়নে চলমান এই সেতু নির্মাণকাজ ঘিরে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। স্থানীয়দের অভিযোগ, বাস্তব প্রয়োজন ও জনসাধারণের সুবিধা বিবেচনা না করেই নেওয়া হয়েছে প্রকল্পটি। ফলে বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্মিত সেতুটি শেষ পর্যন্ত কতটা জনকল্যাণে আসবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অধীনে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় প্রায় আড়াই কোটি টাকা। ২০২১-২২ অর্থবছরে নেওয়া প্রকল্পটির আওতায় ধূলাসার ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের গঙ্গামতি তেত্রিশকানি এলাকায় বেড়িবাঁধের বাইরে সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গত বছর কোরবানির ঈদের পর নির্মাণকাজ শুরু হয়। চলতি বছরের শেষ দিকে কাজ শেষ করার সময়সীমা নির্ধারিত রয়েছে বলে জানা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, নির্মাণাধীন সেতুটির আশপাশে কয়েকটি বসতঘর রয়েছে। তবে সেতুর দুই প্রান্তে দৃশ্যমান কোনো সংযোগ সড়ক কিংবা খালের অস্তিত্ব চোখে পড়েনি। এমন পরিস্থিতিতে সেতুটি নির্মাণের পর মানুষ কীভাবে সেখানে যাতায়াত করবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গিয়াস উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি সেতুটির নির্মাণকাজের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। ৫ আগস্টের পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পরিবর্তন হয়ে জসিম উদ্দিন খানের প্রতিষ্ঠানের হাতে যায়। তবে ঠিকাদার পরিবর্তন, কার্যাদেশ হস্তান্তর কিংবা এ-সংক্রান্ত প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় ট্যুর গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘আমাদের এলাকায় উন্নয়ন হোক, এটা আমরা চাই। কিন্তু যেখানে খাল নেই, রাস্তা নেই, সেখানে এত টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা কী? সেতু নির্মাণের আগে মানুষের চলাচলের ব্যবস্থা ও জায়গার বাস্তব অবস্থা বিবেচনা করা উচিত ছিল।’
স্থানীয় বাসিন্দা মতিউর রহমান বলেন, ‘সেতু হলে মানুষের উপকার হওয়ার কথা। কিন্তু এখানে সেতুর দুই পাশে যাওয়ার মতো রাস্তা নেই। খালেরও অস্তিত্ব দেখা যাচ্ছে না। তাহলে এই সেতু দিয়ে মানুষ চলাচল করবে কীভাবে? প্রকল্পের টাকা খরচ হলেই তো উন্নয়ন হয় না, মানুষের কাজে আসতে হবে। আমাদের এলাকায় সেতুর চেয়ে একটি সাইক্লোন শেল্টার বেশি জরুরি।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক বাসিন্দা বলেন, ‘সেতুর নির্মাণকাজের কারণে আশপাশের কয়েকটি পরিবার ভোগান্তিতে পড়েছে। কেউ কেউ ঘরবাড়ি নিয়েও সমস্যায় পড়েছেন। আমরা চাই, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে এসে বিষয়টি দেখুক। জনগণের টাকায় এমন কোনো প্রকল্প হওয়া উচিত নয়, যা শেষ পর্যন্ত মানুষের কোনো উপকারেই আসবে না।’
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, কয়েক দিন আগে এলাকায় খালের দৃশ্যমান অস্তিত্ব না থাকলেও ভেকু দিয়ে খালের নকশা তৈরির মতো কাজ করতে দেখা গেছে। তাঁদের প্রশ্ন, প্রকল্প গ্রহণের আগে যথাযথভাবে স্থান পরিদর্শন, খালের অস্তিত্ব যাচাই এবং সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করা হয়েছিল কি না।
এদিকে নির্মাণকাজের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী জসিম উদ্দিন খানের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তিনিও সংবাদ প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান। তবে প্রকল্পের বাস্তবতা ও নির্মাণকাজের যৌক্তিকতা নিয়ে ওঠা প্রশ্নের বিষয়ে তাঁর বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রকল্পের নথি ও জবাবদিহি চান স্থানীয়রা
প্রায় আড়াই কোটি টাকার এই প্রকল্পে সেতু নির্মাণের স্থান কীভাবে নির্বাচন করা হয়েছে, অনুমোদনের আগে খাল ও সংযোগ সড়কের অস্তিত্ব যাচাই করা হয়েছিল কি না, সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে কি না এবং পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা কী—এসব প্রশ্নের স্পষ্ট জবাব চান স্থানীয় বাসিন্দারা।
তাঁদের দাবি, প্রকল্পের নকশা, প্রাক্কলন, কার্যাদেশ, সম্ভাব্যতা যাচাই প্রতিবেদন ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ সরেজমিন পরিদর্শনের মাধ্যমে প্রকল্পটির প্রয়োজনীয়তা, ব্যয়ের যৌক্তিকতা ও জনস্বার্থ নিশ্চিত করতে হবে।
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সেতুটি স্থানীয়দের হাঁটাচলার সুবিধা দেবে। তবে প্রকল্পটির স্থান নির্বাচনের যৌক্তিকতা, নকশা, সম্ভাব্য উপকারভোগীর সংখ্যা, খালের অস্তিত্ব এবং পানি নিষ্কাশনের পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। এ সময় তিনিও সংবাদটি প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান।
উন্নয়ন প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করা। কিন্তু যে সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নেই, যে স্থানে খালের অস্তিত্ব নিয়েই প্রশ্ন রয়েছে, সেই সেতুর প্রয়োজনীয়তা কতটুকু—তা খতিয়ে দেখা জরুরি। প্রায় আড়াই কোটি টাকার সরকারি অর্থ ব্যয়ে নির্মিত এই অবকাঠামো শেষ পর্যন্ত জনসাধারণের কী কাজে আসবে, নাকি এটি অপ্রয়োজনীয় ব্যয়ের আরেকটি উদাহরণ হয়ে থাকবে—এখন সেই প্রশ্নের জবাব চান স্থানীয়রা।

০৭ নভেম্বর, ২০২৬ ১৪:২৬
পটুয়াখালীর দুমকিতে সরকারি রেকর্ডীয় হালট দখল করে পারিবারিক কবরস্থানের সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার সিকদার এবং তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে। এতে দীর্ঘদিনের চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে অবরুদ্ধ অবস্থায় পড়েছে একটি সাংবাদিক পরিবার। সরকারি জমির সীমানা নিয়ে বিরোধের জেরে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলার ২ নম্বর লেবুখালী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আঠারগাছিয়া গ্রামের সিকদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগী সাংবাদিক কামাল সিকদারের পরিবারের অভিযোগ, আঠারগাছিয়া মৌজার ১৫০২ নম্বর প্লটের সরকারি রেকর্ডীয় হালটের প্রায় ২৯ শতক জমি পারিবারিক কবরস্থানের সীমানার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করা হচ্ছে। অথচ হালটটি দীর্ঘদিন ধরে কার্তিকপাশা ও আঠারগাছিয়া গ্রামের মানুষের চলাচলের পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, সরকারি জমিতে নির্মাণকাজের বিষয়টি জানার পর ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা সেলিম উদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কাজ বন্ধ রাখার কথা বলেছিলেন। কিন্তু সেই নির্দেশনা উপেক্ষা করেই দেয়াল নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
ঘটনার সময় সাংবাদিক কামাল সিকদার পটুয়াখালীতে অবস্থান করছিলেন। পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে খবর পেয়ে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন। পরে দুমকি থানার এসআই শহিদুল ইসলাম ঘটনাস্থলে যান। কামাল সিকদারের ভাষ্য অনুযায়ী, পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে গিয়ে দেয়াল নির্মাণের কারণে চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি দেখতে পান।
কামাল সিকদার বলেন, ‘সরকারি হালট দখল করে দেয়াল নির্মাণ করায় আমাদের পরিবারের স্বাভাবিক চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। আমরা কোনো ব্যক্তিগত সুবিধা চাই না। সরকারি জমি উদ্ধার করে মানুষের চলাচলের পথ উন্মুক্ত রাখার দাবি জানাচ্ছি।’
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আবদুল জব্বার সিকদার ও তাঁর ভাই আবু সালেহ খোকন দাবি করেন, বিরোধপূর্ণ জায়গাটি তাঁদের বাপ-দাদার আমলের পারিবারিক কবরস্থানের অংশ। কবরস্থানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সেখানে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করা হচ্ছে। জায়গাটি সরকারি হালট কিংবা খাসজমি হয়ে থাকলে ভূমি প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে বলেও জানান তাঁরা।
এদিকে, জমিটির মালিকানা ও সীমানা নিয়ে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি দাবির মধ্যে প্রকৃত অবস্থা নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাঁদের মতে, আঠারগাছিয়া মৌজার ১৫০২ নম্বর প্লটের সরকারি রেকর্ড, মৌজা নকশা ও সরেজমিন জরিপের মাধ্যমে জমিটির প্রকৃত অবস্থান নির্ধারণ করা জরুরি।
স্থানীয়দের দাবি, সরকারি হালট দখলের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে দখলমুক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে সাংবাদিক পরিবারসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের চলাচলের পথ নিশ্চিত করতে ভূমি প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
সরকারি রেকর্ডে হালট হিসেবে থাকা জমির সীমানা কীভাবে পারিবারিক কবরস্থানের সীমানার মধ্যে যাচ্ছে, আর ভূমি কর্মকর্তার আপত্তির পরও নির্মাণকাজ চলার অভিযোগের সত্যতা কতটুকু—তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট করার দাবি উঠেছে।
০৭ নভেম্বর, ২০২৬ ২৩:৫৩
০৭ নভেম্বর, ২০২৬ ২৩:৩৩
০৭ নভেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৮
০৭ নভেম্বর, ২০২৬ ২১:৫১