বাংলাদেশের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল নোয়াখালী, সিলেট ও চট্টগ্রাম বন্দর ভারতের নিয়ন্ত্রণে ফিরিয়ে নেওয়ার দাবি তুলেছেন ভারতের ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সংসদ সদস্য নিশিকান্ত দুবে। তাঁর এমন বক্তব্য ঘিরে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিশিকান্ত দুবে বলেন, পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীর (পিওকে) পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি দেশভাগের সময় ভারতের হাতছাড়া হওয়া অঞ্চলগুলোও ফিরিয়ে নেওয়া উচিত। এ সময় তিনি বাংলাদেশের নোয়াখালী, সিলেট ও চট্টগ্রাম বন্দরের নাম উল্লেখ করেন।
বিজেপির এই সংসদ সদস্যের দাবি, এসব অঞ্চল একসময় ত্রিপুরার টিপরা রাজ্যের অংশ ছিল। দেশভাগের সময় তৎকালীন ত্রিপুরার রাজা বীর বিক্রম সিংহ এসব অঞ্চল নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর আপত্তি উপেক্ষা করে নেহরু সরকার অঞ্চলগুলোর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করেছিল।
সাক্ষাৎকারে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর বিরুদ্ধেও অভিযোগ তোলেন নিশিকান্ত দুবে। তাঁর দাবি, ১৯৪৬ সালে নোয়াখালীতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার সময় নেহরু ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দুদের পাশে দাঁড়ানোর পরিবর্তে মুসলিম লীগকে সরকারে যুক্ত করা নিয়ে বেশি আগ্রহী ছিলেন। এ সময় নোয়াখালীতে এক দিনে প্রায় ১০ হাজার হিন্দু নিহত হওয়ার দাবিও করেন তিনি। তবে এ সংখ্যার পক্ষে কোনো নির্দিষ্ট প্রামাণ্য সূত্র তুলে ধরেননি।
চট্টগ্রাম বন্দরকে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে দুবে বলেন, এই বন্দরে প্রবেশাধিকার থাকলে উত্তর-পূর্ব ভারতের যোগাযোগ ও বাণিজ্যব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসত। অঞ্চলটির খনিজ সম্পদ ও প্রাকৃতিক গ্যাসের পূর্ণ ব্যবহারেও সুবিধা হতো।
এদিকে ত্রিপুরার রাজপরিবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট টিপরা মোথা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা প্রদ্যোৎ বিক্রম মানিক্য দেববর্মাও দেশভাগের সময় ত্রিপুরার ঐতিহাসিক ভূখণ্ড বিচ্ছিন্ন হওয়ার প্রসঙ্গ তুলেছেন।
তবে ইতিহাসের তথ্য অনুযায়ী, নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম তৎকালীন অবিভক্ত বাংলার অংশ ছিল। অন্যদিকে সিলেটের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হয়েছিল ১৯৪৭ সালের গণভোটের মাধ্যমে। ত্রিপুরা ছিল পৃথক দেশীয় রাজ্য। ফলে তিনটি অঞ্চলই ত্রিপুরার অংশ ছিল—এমন দাবির ঐতিহাসিক ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
বিজেপির এই সংসদ সদস্যের বক্তব্য বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রশ্নে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বন্দরের মতো কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এবং বাংলাদেশের জনবহুল অঞ্চলকে ভারতের ‘পুনরুদ্ধারযোগ্য’ ভূখণ্ড হিসেবে উল্লেখ করায় বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।
তবে নিশিকান্ত দুবে ভারতের ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্য হলেও তাঁর বক্তব্যকে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এ বিষয়ে ভারতের সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়া যায়নি।

০৬ নভেম্বর, ২০২৬ ১৪:০৯
ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রয়োজনে দেশটির বাকি অংশও ধ্বংস করে দিতে হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। একই সঙ্গে বলেছেন, এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা শিগগিরই জানা যাবে। তাঁর এই বক্তব্যে ইরানকে ঘিরে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প এসব মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি যেন আর কখনো পুনরায় চালু হতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও পদক্ষেপ নিতে হতে পারে।
ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি সম্ভব হলে ইরানের বাকি অংশ ধ্বংস করা থেকে বিরত থাকতে চান। তবে পরিস্থিতির প্রয়োজনে সে পথেও যেতে হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত শিগগিরই জানানো হবে বলেও মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
ট্রাম্পের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন ইরানকে নিয়ে পরবর্তী সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে ওয়াশিংটনে আলোচনা চলছে। মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্প জানান, ইরানের বিরুদ্ধে বড় পরিসরে সামরিক অভিযান আবার শুরু করা হবে কি না, সে বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
তবে নতুন হামলার বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী সম্ভাব্য অভিযান নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলেও, নতুন অভিযান শুরুর কোনো চূড়ান্ত নির্দেশ দেওয়া হয়েছে—এমন তথ্য পাওয়া যায়নি।
সামরিক হুমকির পাশাপাশি ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনাও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি কাতার, সৌদি আরব, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান ও মিসরের মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ এবং মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। নতুন করে হামলা শুরু হলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, জ্বালানি সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এর প্রভাব পড়তে পারে।
ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্যের পর এখন নজর যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে। সামরিক অভিযান বাড়ানো, নাকি আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথে এগোনো—ওয়াশিংটন কোন পথ বেছে নেয়, তা-ই পরিস্থিতির পরবর্তী গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
তবে ট্রাম্পের হুমকিকে এখনই ইরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলার চূড়ান্ত ঘোষণা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। পরবর্তী আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এবং দুই দেশের কূটনৈতিক তৎপরতার ওপরই নির্ভর করছে পরিস্থিতির ভবিষ্যৎ।
সূত্র: ৫ নভেম্বরের আন্তর্জাতিক সংবাদ প্রতিবেদন ও মার্কিন প্রশাসনের বক্তব্য।
ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রয়োজনে দেশটির বাকি অংশও ধ্বংস করে দিতে হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। একই সঙ্গে বলেছেন, এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা শিগগিরই জানা যাবে। তাঁর এই বক্তব্যে ইরানকে ঘিরে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প এসব মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি যেন আর কখনো পুনরায় চালু হতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও পদক্ষেপ নিতে হতে পারে।
ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি সম্ভব হলে ইরানের বাকি অংশ ধ্বংস করা থেকে বিরত থাকতে চান। তবে পরিস্থিতির প্রয়োজনে সে পথেও যেতে হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত শিগগিরই জানানো হবে বলেও মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
ট্রাম্পের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন ইরানকে নিয়ে পরবর্তী সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে ওয়াশিংটনে আলোচনা চলছে। মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্প জানান, ইরানের বিরুদ্ধে বড় পরিসরে সামরিক অভিযান আবার শুরু করা হবে কি না, সে বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
তবে নতুন হামলার বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী সম্ভাব্য অভিযান নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলেও, নতুন অভিযান শুরুর কোনো চূড়ান্ত নির্দেশ দেওয়া হয়েছে—এমন তথ্য পাওয়া যায়নি।
সামরিক হুমকির পাশাপাশি ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনাও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি কাতার, সৌদি আরব, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান ও মিসরের মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ এবং মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। নতুন করে হামলা শুরু হলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, জ্বালানি সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এর প্রভাব পড়তে পারে।
ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্যের পর এখন নজর যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে। সামরিক অভিযান বাড়ানো, নাকি আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথে এগোনো—ওয়াশিংটন কোন পথ বেছে নেয়, তা-ই পরিস্থিতির পরবর্তী গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
তবে ট্রাম্পের হুমকিকে এখনই ইরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলার চূড়ান্ত ঘোষণা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। পরবর্তী আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এবং দুই দেশের কূটনৈতিক তৎপরতার ওপরই নির্ভর করছে পরিস্থিতির ভবিষ্যৎ।
সূত্র: ৫ নভেম্বরের আন্তর্জাতিক সংবাদ প্রতিবেদন ও মার্কিন প্রশাসনের বক্তব্য।

০৪ নভেম্বর, ২০২৬ ০৫:৩৪
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে করা এক প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন ভারতের পররষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি এ উত্তর দেন।
‘দ্য হিন্দু’র কল্লোল ভট্টাচার্য বলেন, আমার প্রশ্নটি তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে। দীর্ঘদিন ধরেই আমরা তার এই সফরের অপেক্ষা করছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত সফরটি অনুষ্ঠিত হয়নি। এর কারণ কী? এখনো কেন সফরটি অনুষ্ঠিত হয়নি?
উত্তরে রণধীর বলেন, আমরা এরই মধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছি। আমরা তাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। দেখা যাক, কী হয়। এ বিষয়ে কোনো আপডেট তথ্য পাওয়া গেলে জানাবো।
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির বিষয়ে আগেও বলেছি, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি যৌথ নদী কমিশন রয়েছে। গঙ্গাসহ দুই দেশের অভিন্ন নদীগুলো নিয়ে আলোচনার জন্য এটিই নির্ধারিত কাঠামোগত ব্যবস্থা।
এ বিষয়ে নতুন কোনো অগ্রগতি থাকলে তা জানানোর মতো তথ্য এই মুহূর্তে আমার কাছে নেই।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে করা এক প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন ভারতের পররষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি এ উত্তর দেন।
‘দ্য হিন্দু’র কল্লোল ভট্টাচার্য বলেন, আমার প্রশ্নটি তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে। দীর্ঘদিন ধরেই আমরা তার এই সফরের অপেক্ষা করছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত সফরটি অনুষ্ঠিত হয়নি। এর কারণ কী? এখনো কেন সফরটি অনুষ্ঠিত হয়নি?
উত্তরে রণধীর বলেন, আমরা এরই মধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছি। আমরা তাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। দেখা যাক, কী হয়। এ বিষয়ে কোনো আপডেট তথ্য পাওয়া গেলে জানাবো।
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির বিষয়ে আগেও বলেছি, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি যৌথ নদী কমিশন রয়েছে। গঙ্গাসহ দুই দেশের অভিন্ন নদীগুলো নিয়ে আলোচনার জন্য এটিই নির্ধারিত কাঠামোগত ব্যবস্থা।
এ বিষয়ে নতুন কোনো অগ্রগতি থাকলে তা জানানোর মতো তথ্য এই মুহূর্তে আমার কাছে নেই।

২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:০৮
ইউরোপের বিভিন্ন দেশে শিক্ষা, আবাসনসংকট ও জীবনযাত্রার বাড়তি ব্যয় নিয়ে বিক্ষোভে নেমেছেন তরুণেরা। ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন, পর্তুগাল, গ্রিস ও সার্বিয়াসহ বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এই অসন্তোষ। আন্দোলনের সামনের সারিতে রয়েছেন জেনারেশন জেড বা জেন–জির তরুণেরা। তাঁদের অভিযোগ, বাড়তি ব্যয়ের চাপে শিক্ষা, আবাসন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ ক্রমেই সীমিত হয়ে আসছে।
বিভিন্ন দেশে তরুণদের এই বিক্ষোভ এখন শুধু জীবনযাত্রার ব্যয় কিংবা শিক্ষার মান নিয়ে ক্ষোভের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; কোথাও কোথাও তা সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। বিক্ষোভকারীদের একাংশ সরকার পতনের ডাকও দিয়েছেন। দেশভেদে আন্দোলনের কারণ আলাদা হলেও তরুণদের মধ্যে জমে থাকা অসন্তোষ ইউরোপের বিভিন্ন সরকারের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
কোথাও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুরবস্থা ও শিক্ষকসংকট, কোথাও আবাসনসংকট এবং বাড়িভাড়ার ঊর্ধ্বগতি আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটিয়েছে। আবার কোথাও শিক্ষা খাতে সরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো এবং জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর দাবিতে রাজপথে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা। তরুণদের আশঙ্কা, আগের প্রজন্মের মতো সুযোগ-সুবিধা পাওয়া তাঁদের জন্য ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ছে।
স্পেনে আবাসনসংকট নিয়ে ক্ষোভের একটি বড় উপলক্ষ হয়ে ওঠে ৮৭ বছর বয়সী মারিকারমেন অ্যাবাসকালকে তাঁর বাড়ি থেকে উচ্ছেদের ঘটনা। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাড়িভাড়া বৃদ্ধি ও আবাসনের ক্রমবর্ধমান ব্যয় নিয়ে নতুন করে প্রতিবাদ শুরু হয়। আবাসনসংকটের চাপ তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
ফ্রান্সে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে গুরুত্ব পেয়েছে শিক্ষকসংকট, বিদ্যালয়ের দুরবস্থা, জীবনযাত্রার বাড়তি ব্যয় ও সরকারি ব্যয় সংকোচনের বিরোধিতা। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষকেরাও আন্দোলনে যুক্ত হয়েছেন। বিক্ষোভের বিভিন্ন পর্যায়ে সহিংসতা, লুটপাট ও গ্রেপ্তারের ঘটনাও ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আলবেনিয়ায় কয়েক মাস ধরে দফায় দফায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ চলছে। বিলাসবহুল স্থাপনা নির্মাণের একটি পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে সেখানে আন্দোলনের সূত্রপাত। ওই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা ও উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনারের সম্পৃক্ততার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।
বিক্ষোভের প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে এক দেশ থেকে অন্য দেশে। ইতালি ও গ্রিসের তরুণেরা তাঁদের আন্দোলনে ফ্রান্সের বিক্ষোভকারীদের প্রতি সংহতি জানিয়েছেন। স্পেনে আবাসন নিয়ে শুরু হওয়া প্রতিবাদের ঢেউ পর্তুগালেও ছড়িয়েছে। বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থী সংগঠনগুলো নিজেদের অভিজ্ঞতা ও আন্দোলনের কৌশল নিয়ে যোগাযোগ রাখছে।
ফ্রান্সের শিক্ষার্থী সংগঠন ইউএনইএফের ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যালিস দ্য ব্রিতো সিএনএনকে বলেন, দেশগুলোর আন্দোলনে পার্থক্যের চেয়ে মিলই বেশি। শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয় ও তরুণদের জন্য বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি জীবনযাত্রা ও আবাসনের ব্যয় কমানোর দাবি রয়েছে এসব আন্দোলনে।
ইতালির ছাত্রনেতা সাবরিনা ব্রিজোলাও নিরাপদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান, সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যে তরুণদের দৈনন্দিন জীবনের অনিশ্চয়তা ও মৌলিক সেবার ঘাটতির বিষয়টি উঠে এসেছে।
গ্রিসেও শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর দাবিতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা বিক্ষোভ করেছেন। এথেন্সসহ বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া বিক্ষোভকারীরা বিনা মূল্যে সরকারি শিক্ষার দাবিতে স্লোগান দেন। ইতালির রাজধানী রোমে ৭ অক্টোবর একটি হাইস্কুলে বিক্ষোভ শুরু হয়। আন্দোলনকারীদের বিবৃতিতেও ফ্রান্সের আন্দোলনের প্রসঙ্গ উঠে আসে।
তবে ফ্রান্সের সঙ্গে ইতালির পরিস্থিতির মিল নেই বলে দাবি করেছেন ইতালির শিক্ষামন্ত্রী জুসেপ্পে ভালদিতারা। ফ্রান্সে অভিবাসী পরিবারের দ্বিতীয় প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর সমস্যা বিক্ষোভে ভূমিকা রাখছে বলে দাবি করেছে দেশটির কট্টর ডানপন্থীরা। বিপরীতে ইতালিতে এ ধরনের সমস্যা নেই বলে মন্তব্য করেছেন ইতালির শিক্ষামন্ত্রী।
সব মিলিয়ে ইউরোপের তরুণদের বিক্ষোভে শিক্ষা, আবাসন, কর্মসংস্থান ও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে জমে থাকা অসন্তোষ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এই ক্ষোভ কোথাও সরকারবিরোধী আন্দোলনের রূপ নিচ্ছে, কোথাও নির্দিষ্ট নীতির পরিবর্তনের দাবি তুলছে। তরুণদের এসব প্রতিবাদ ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সরকারকে তাঁদের দাবি ও সংকট মোকাবিলার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে।
ইউরোপের বিভিন্ন দেশে শিক্ষা, আবাসনসংকট ও জীবনযাত্রার বাড়তি ব্যয় নিয়ে বিক্ষোভে নেমেছেন তরুণেরা। ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন, পর্তুগাল, গ্রিস ও সার্বিয়াসহ বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এই অসন্তোষ। আন্দোলনের সামনের সারিতে রয়েছেন জেনারেশন জেড বা জেন–জির তরুণেরা। তাঁদের অভিযোগ, বাড়তি ব্যয়ের চাপে শিক্ষা, আবাসন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ ক্রমেই সীমিত হয়ে আসছে।
বিভিন্ন দেশে তরুণদের এই বিক্ষোভ এখন শুধু জীবনযাত্রার ব্যয় কিংবা শিক্ষার মান নিয়ে ক্ষোভের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; কোথাও কোথাও তা সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। বিক্ষোভকারীদের একাংশ সরকার পতনের ডাকও দিয়েছেন। দেশভেদে আন্দোলনের কারণ আলাদা হলেও তরুণদের মধ্যে জমে থাকা অসন্তোষ ইউরোপের বিভিন্ন সরকারের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
কোথাও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুরবস্থা ও শিক্ষকসংকট, কোথাও আবাসনসংকট এবং বাড়িভাড়ার ঊর্ধ্বগতি আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটিয়েছে। আবার কোথাও শিক্ষা খাতে সরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো এবং জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর দাবিতে রাজপথে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা। তরুণদের আশঙ্কা, আগের প্রজন্মের মতো সুযোগ-সুবিধা পাওয়া তাঁদের জন্য ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ছে।
স্পেনে আবাসনসংকট নিয়ে ক্ষোভের একটি বড় উপলক্ষ হয়ে ওঠে ৮৭ বছর বয়সী মারিকারমেন অ্যাবাসকালকে তাঁর বাড়ি থেকে উচ্ছেদের ঘটনা। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাড়িভাড়া বৃদ্ধি ও আবাসনের ক্রমবর্ধমান ব্যয় নিয়ে নতুন করে প্রতিবাদ শুরু হয়। আবাসনসংকটের চাপ তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
ফ্রান্সে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে গুরুত্ব পেয়েছে শিক্ষকসংকট, বিদ্যালয়ের দুরবস্থা, জীবনযাত্রার বাড়তি ব্যয় ও সরকারি ব্যয় সংকোচনের বিরোধিতা। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষকেরাও আন্দোলনে যুক্ত হয়েছেন। বিক্ষোভের বিভিন্ন পর্যায়ে সহিংসতা, লুটপাট ও গ্রেপ্তারের ঘটনাও ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আলবেনিয়ায় কয়েক মাস ধরে দফায় দফায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ চলছে। বিলাসবহুল স্থাপনা নির্মাণের একটি পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে সেখানে আন্দোলনের সূত্রপাত। ওই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা ও উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনারের সম্পৃক্ততার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।
বিক্ষোভের প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে এক দেশ থেকে অন্য দেশে। ইতালি ও গ্রিসের তরুণেরা তাঁদের আন্দোলনে ফ্রান্সের বিক্ষোভকারীদের প্রতি সংহতি জানিয়েছেন। স্পেনে আবাসন নিয়ে শুরু হওয়া প্রতিবাদের ঢেউ পর্তুগালেও ছড়িয়েছে। বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থী সংগঠনগুলো নিজেদের অভিজ্ঞতা ও আন্দোলনের কৌশল নিয়ে যোগাযোগ রাখছে।
ফ্রান্সের শিক্ষার্থী সংগঠন ইউএনইএফের ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যালিস দ্য ব্রিতো সিএনএনকে বলেন, দেশগুলোর আন্দোলনে পার্থক্যের চেয়ে মিলই বেশি। শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয় ও তরুণদের জন্য বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি জীবনযাত্রা ও আবাসনের ব্যয় কমানোর দাবি রয়েছে এসব আন্দোলনে।
ইতালির ছাত্রনেতা সাবরিনা ব্রিজোলাও নিরাপদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান, সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যে তরুণদের দৈনন্দিন জীবনের অনিশ্চয়তা ও মৌলিক সেবার ঘাটতির বিষয়টি উঠে এসেছে।
গ্রিসেও শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর দাবিতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা বিক্ষোভ করেছেন। এথেন্সসহ বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া বিক্ষোভকারীরা বিনা মূল্যে সরকারি শিক্ষার দাবিতে স্লোগান দেন। ইতালির রাজধানী রোমে ৭ অক্টোবর একটি হাইস্কুলে বিক্ষোভ শুরু হয়। আন্দোলনকারীদের বিবৃতিতেও ফ্রান্সের আন্দোলনের প্রসঙ্গ উঠে আসে।
তবে ফ্রান্সের সঙ্গে ইতালির পরিস্থিতির মিল নেই বলে দাবি করেছেন ইতালির শিক্ষামন্ত্রী জুসেপ্পে ভালদিতারা। ফ্রান্সে অভিবাসী পরিবারের দ্বিতীয় প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর সমস্যা বিক্ষোভে ভূমিকা রাখছে বলে দাবি করেছে দেশটির কট্টর ডানপন্থীরা। বিপরীতে ইতালিতে এ ধরনের সমস্যা নেই বলে মন্তব্য করেছেন ইতালির শিক্ষামন্ত্রী।
সব মিলিয়ে ইউরোপের তরুণদের বিক্ষোভে শিক্ষা, আবাসন, কর্মসংস্থান ও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে জমে থাকা অসন্তোষ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এই ক্ষোভ কোথাও সরকারবিরোধী আন্দোলনের রূপ নিচ্ছে, কোথাও নির্দিষ্ট নীতির পরিবর্তনের দাবি তুলছে। তরুণদের এসব প্রতিবাদ ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সরকারকে তাঁদের দাবি ও সংকট মোকাবিলার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে।

০৭ নভেম্বর, ২০২৬ ১২:২৮
বাংলাদেশের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল নোয়াখালী, সিলেট ও চট্টগ্রাম বন্দর ভারতের নিয়ন্ত্রণে ফিরিয়ে নেওয়ার দাবি তুলেছেন ভারতের ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সংসদ সদস্য নিশিকান্ত দুবে। তাঁর এমন বক্তব্য ঘিরে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিশিকান্ত দুবে বলেন, পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীর (পিওকে) পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি দেশভাগের সময় ভারতের হাতছাড়া হওয়া অঞ্চলগুলোও ফিরিয়ে নেওয়া উচিত। এ সময় তিনি বাংলাদেশের নোয়াখালী, সিলেট ও চট্টগ্রাম বন্দরের নাম উল্লেখ করেন।
বিজেপির এই সংসদ সদস্যের দাবি, এসব অঞ্চল একসময় ত্রিপুরার টিপরা রাজ্যের অংশ ছিল। দেশভাগের সময় তৎকালীন ত্রিপুরার রাজা বীর বিক্রম সিংহ এসব অঞ্চল নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর আপত্তি উপেক্ষা করে নেহরু সরকার অঞ্চলগুলোর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করেছিল।
সাক্ষাৎকারে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর বিরুদ্ধেও অভিযোগ তোলেন নিশিকান্ত দুবে। তাঁর দাবি, ১৯৪৬ সালে নোয়াখালীতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার সময় নেহরু ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দুদের পাশে দাঁড়ানোর পরিবর্তে মুসলিম লীগকে সরকারে যুক্ত করা নিয়ে বেশি আগ্রহী ছিলেন। এ সময় নোয়াখালীতে এক দিনে প্রায় ১০ হাজার হিন্দু নিহত হওয়ার দাবিও করেন তিনি। তবে এ সংখ্যার পক্ষে কোনো নির্দিষ্ট প্রামাণ্য সূত্র তুলে ধরেননি।
চট্টগ্রাম বন্দরকে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে দুবে বলেন, এই বন্দরে প্রবেশাধিকার থাকলে উত্তর-পূর্ব ভারতের যোগাযোগ ও বাণিজ্যব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসত। অঞ্চলটির খনিজ সম্পদ ও প্রাকৃতিক গ্যাসের পূর্ণ ব্যবহারেও সুবিধা হতো।
এদিকে ত্রিপুরার রাজপরিবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট টিপরা মোথা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা প্রদ্যোৎ বিক্রম মানিক্য দেববর্মাও দেশভাগের সময় ত্রিপুরার ঐতিহাসিক ভূখণ্ড বিচ্ছিন্ন হওয়ার প্রসঙ্গ তুলেছেন।
তবে ইতিহাসের তথ্য অনুযায়ী, নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম তৎকালীন অবিভক্ত বাংলার অংশ ছিল। অন্যদিকে সিলেটের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হয়েছিল ১৯৪৭ সালের গণভোটের মাধ্যমে। ত্রিপুরা ছিল পৃথক দেশীয় রাজ্য। ফলে তিনটি অঞ্চলই ত্রিপুরার অংশ ছিল—এমন দাবির ঐতিহাসিক ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
বিজেপির এই সংসদ সদস্যের বক্তব্য বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রশ্নে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বন্দরের মতো কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এবং বাংলাদেশের জনবহুল অঞ্চলকে ভারতের ‘পুনরুদ্ধারযোগ্য’ ভূখণ্ড হিসেবে উল্লেখ করায় বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।
তবে নিশিকান্ত দুবে ভারতের ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্য হলেও তাঁর বক্তব্যকে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এ বিষয়ে ভারতের সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়া যায়নি।
০৭ নভেম্বর, ২০২৬ ২৩:৫৩
০৭ নভেম্বর, ২০২৬ ২৩:৩৩
০৭ নভেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৮
০৭ নভেম্বর, ২০২৬ ২১:৫১