
১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৩
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দেবরের লাথিতে রওশনারা (৬৫) নামের এক নারী নিহত হয়েছেন। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রওশনারা ওই গ্রামের মজিবরের স্ত্রী। ঘটনার পর পুলিশ অভিযুক্ত হবিবরের স্ত্রী ফাতেমাকে আটক করেছে। তবে অভিযুক্ত হবিবর ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ ও নিহতের স্বামী মজিবর জানান, তার ছোট ভাই হবিবরের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. নাহিদকে জানানো হলে তিনি একটি সালিস বৈঠকের তারিখ নির্ধারণ করেন। রোববার দুপুরে মজিবর ও তার স্ত্রী রওশনারা জমিতে পানি দিতে গেলে হবিবর ও তার স্ত্রী ফাতেমা বাধা দেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা–কাটাকাটির একপর্যায়ে হবিবর রওশনারার পেটে সজোরে লাথি দেন। এতে তিনি সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্বামী মজিবর বাদী হয়ে ছোট ভাই হবিবর ও তার স্ত্রী ফাতেমাকে আসামি করে ঘাটাইল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) প্রভাষ কুমার বসু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, একজন আসামিকে আটক করা হয়েছে। পলাতক অপর আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দেবরের লাথিতে রওশনারা (৬৫) নামের এক নারী নিহত হয়েছেন। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রওশনারা ওই গ্রামের মজিবরের স্ত্রী। ঘটনার পর পুলিশ অভিযুক্ত হবিবরের স্ত্রী ফাতেমাকে আটক করেছে। তবে অভিযুক্ত হবিবর ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ ও নিহতের স্বামী মজিবর জানান, তার ছোট ভাই হবিবরের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. নাহিদকে জানানো হলে তিনি একটি সালিস বৈঠকের তারিখ নির্ধারণ করেন। রোববার দুপুরে মজিবর ও তার স্ত্রী রওশনারা জমিতে পানি দিতে গেলে হবিবর ও তার স্ত্রী ফাতেমা বাধা দেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা–কাটাকাটির একপর্যায়ে হবিবর রওশনারার পেটে সজোরে লাথি দেন। এতে তিনি সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্বামী মজিবর বাদী হয়ে ছোট ভাই হবিবর ও তার স্ত্রী ফাতেমাকে আসামি করে ঘাটাইল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) প্রভাষ কুমার বসু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, একজন আসামিকে আটক করা হয়েছে। পলাতক অপর আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

১৪ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৩০
রাজশাহীতে তারাবির নামাজের সময় বিকট শব্দে বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালানোর প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেছেন। শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাতে নগরীর কাজলা রুয়েট চত্বর থেকে মেহেরচণ্ডি ফ্লাইওভার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানায়, তারাবির নামাজ চলাকালে একদল যুবক ফ্লাইওভারের ওপর বিকট শব্দে ও বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালাতে থাকে। এতে আশপাশের মসজিদে নামাজ আদায়ে ব্যাঘাত ঘটে।
এতে ক্ষুব্ধ হয়ে এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে বাইক রেসারদের ধাওয়া দেন। একপর্যায়ে কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বাইক আরোহীরা দ্রুত সেখান থেকে সরে যান।
এদিকে ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে এবং স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাতে ফ্লাইওভারে বাইক রেসিংয়ের কারণে তারা ভোগান্তিতে পড়ছেন। স্থানীয়রা ফ্লাইওভারে বেপরোয়া মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে চন্দিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, গতকাল রাতে একদল উচ্চ শব্দের বাইক রেসার বার বার চলছিল। এত জনগণ ক্ষুব্ধ হয়ে তারে ধাওয়া দিয়ে কয়েকটি মোটরসাইকেল ভেঙে দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতির শান্ত করে।
রাজশাহীতে তারাবির নামাজের সময় বিকট শব্দে বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালানোর প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেছেন। শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাতে নগরীর কাজলা রুয়েট চত্বর থেকে মেহেরচণ্ডি ফ্লাইওভার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানায়, তারাবির নামাজ চলাকালে একদল যুবক ফ্লাইওভারের ওপর বিকট শব্দে ও বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালাতে থাকে। এতে আশপাশের মসজিদে নামাজ আদায়ে ব্যাঘাত ঘটে।
এতে ক্ষুব্ধ হয়ে এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে বাইক রেসারদের ধাওয়া দেন। একপর্যায়ে কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বাইক আরোহীরা দ্রুত সেখান থেকে সরে যান।
এদিকে ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে এবং স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাতে ফ্লাইওভারে বাইক রেসিংয়ের কারণে তারা ভোগান্তিতে পড়ছেন। স্থানীয়রা ফ্লাইওভারে বেপরোয়া মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে চন্দিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, গতকাল রাতে একদল উচ্চ শব্দের বাইক রেসার বার বার চলছিল। এত জনগণ ক্ষুব্ধ হয়ে তারে ধাওয়া দিয়ে কয়েকটি মোটরসাইকেল ভেঙে দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতির শান্ত করে।

১৪ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৫২
রাজশাহীর মোহনপুরে জামায়াত কর্মী হত্যা মামলার প্রধান আসামি স্থানীয় সংসদ সদস্যের সঙ্গে সেলফি তুলে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট পৌর ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক এবং বর্তমানে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাইসুল ইসলাম রাসেল শুক্রবার বিকেলে রাজশাহী বিমানবন্দরে রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল হক মিলনের সঙ্গে সেলফি তুলে ফেসবুকে পোস্ট করেন। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘এয়ারপোর্টে ভাইকে রিসিভ করলাম। তারপর কেশরহাটে ইফতার মাহফিলে যোগদানের উদ্দেশে রওনা।’
গত ৭ মার্চ শনিবার রাতে মোহনপুর উপজেলার সাঁকোয়া এলাকায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে মো. আলাউদ্দিন নামে এক জামায়াত কর্মী নিহত হন। রাইসুল ইসলাম ওই মামলার এজাহারনামীয় প্রধান আসামি। নিহত আলাউদ্দিন উপজেলা মডেল মসজিদের মুয়াজ্জিন ছিলেন।
ঈদের নামাজে ইমামতি করা নিয়ে কথা-কাটাকাটির জেরে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে এমরান আলী বাদী হয়ে মোহনপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে সাতজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, যার মধ্যে প্রধান আসামি করা হয়েছে রাইসুল ইসলামকে।
অভিযোগে বলা হয়, সংঘর্ষের সময় আলাউদ্দিনের বুকের ওপর উঠে লাফালাফি করে তাকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় থানায় আরও দুইটি মামলা দায়ের করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেলে ঢাকা থেকে রাজশাহীতে ফেরার সময় বিমানবন্দরে এমপি শফিকুল হক মিলনের সঙ্গে সেলফি তোলেন রাইসুল ইসলাম।
পরে গাড়িবহরের সঙ্গে তিনি মোহনপুর থানার সামনে দিয়ে কেশরহাটে একটি ইফতার মাহফিলে অংশ নেন। কেশরহাট পৌর বিএনপির আয়োজিত ওই ইফতার মাহফিলে হত্যা মামলার অন্য আসামিরাও উপস্থিত ছিলেন জানা গেছে।
এদিকে জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতারা দাবি করেছেন, হত্যা মামলার আসামিরা জামিন না নিয়েই প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করায় তারা বিস্মিত। কেশরহাট পৌরসভা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মোখলেসুর রহমান বলেন, হত্যা মামলার প্রধান আসামি এয়ারপোর্ট থেকে মোহনপুর থানার সামনে দিয়ে ইফতার মাহফিলে গেলেন, আর পুলিশ নাকি তাকে খুঁজে পাচ্ছে না- বিষয়টি আমাদের কাছে বিস্ময়কর। এতে আইনের শাসন নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
এ বিষয়ে শুক্রবার রাতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে রাইসুল ইসলাম বলেন, মামলায় এখনো তার জামিন হয়নি, তবে হাইকোর্ট থেকে জামিন হয়ে যাবে। জামিন না নিয়েই প্রকাশ্যে সংসদ সদস্যের সঙ্গে থাকা এবং ছবি পোস্ট করার বিষয়ে জানতে চাইলে ফোন কেটে দেন এবং পরে ফেসবুক থেকে ছবিটি সরিয়ে ফেলেন।
অন্যদিকে এ বিষয়ে সংসদ সদস্য শফিকুল হক মিলন বলেন, বিমানবন্দরে অনেক নেতাকর্মী ছিলেন। কে তার সঙ্গে সেলফি তুলেছেন, তা তিনি বুঝতে পারেননি।
জামায়াতকর্মী আলাউদ্দিন মারা গেছেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে দাবি করে তিনি আরও বলেন, হত্যা মামলাটা সঠিক না। আগে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন আসুক। তারপর জানা যাবে তিনি কিভাবে মারা গেছেন।
এসব বিষয়ে মোহনপুর থানার ওসির দায়িত্বে থাকা উপ-পরিদর্শক মোদাশ্বের হোসেন খান জানান, আসামিদের জামিনের কোনো কাগজপত্র তাদের কাছে নেই। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। আসামিরা পলাতক থাকায় কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
বিমানবন্দর ও ইফতার মাহফিলে আসামিদের উপস্থিতির বিষয়ে তিনি জানান, বিমানবন্দর মোহনপুর থানার আওতার মধ্যে নয়। আর ইফতার মাহফিলে তারা উপস্থিত ছিলেন কি না, সে বিষয়ে পুলিশের কাছে কোনো তথ্য নেই।
রাজশাহীর মোহনপুরে জামায়াত কর্মী হত্যা মামলার প্রধান আসামি স্থানীয় সংসদ সদস্যের সঙ্গে সেলফি তুলে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট পৌর ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক এবং বর্তমানে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাইসুল ইসলাম রাসেল শুক্রবার বিকেলে রাজশাহী বিমানবন্দরে রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল হক মিলনের সঙ্গে সেলফি তুলে ফেসবুকে পোস্ট করেন। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘এয়ারপোর্টে ভাইকে রিসিভ করলাম। তারপর কেশরহাটে ইফতার মাহফিলে যোগদানের উদ্দেশে রওনা।’
গত ৭ মার্চ শনিবার রাতে মোহনপুর উপজেলার সাঁকোয়া এলাকায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে মো. আলাউদ্দিন নামে এক জামায়াত কর্মী নিহত হন। রাইসুল ইসলাম ওই মামলার এজাহারনামীয় প্রধান আসামি। নিহত আলাউদ্দিন উপজেলা মডেল মসজিদের মুয়াজ্জিন ছিলেন।
ঈদের নামাজে ইমামতি করা নিয়ে কথা-কাটাকাটির জেরে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে এমরান আলী বাদী হয়ে মোহনপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে সাতজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, যার মধ্যে প্রধান আসামি করা হয়েছে রাইসুল ইসলামকে।
অভিযোগে বলা হয়, সংঘর্ষের সময় আলাউদ্দিনের বুকের ওপর উঠে লাফালাফি করে তাকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় থানায় আরও দুইটি মামলা দায়ের করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেলে ঢাকা থেকে রাজশাহীতে ফেরার সময় বিমানবন্দরে এমপি শফিকুল হক মিলনের সঙ্গে সেলফি তোলেন রাইসুল ইসলাম।
পরে গাড়িবহরের সঙ্গে তিনি মোহনপুর থানার সামনে দিয়ে কেশরহাটে একটি ইফতার মাহফিলে অংশ নেন। কেশরহাট পৌর বিএনপির আয়োজিত ওই ইফতার মাহফিলে হত্যা মামলার অন্য আসামিরাও উপস্থিত ছিলেন জানা গেছে।
এদিকে জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতারা দাবি করেছেন, হত্যা মামলার আসামিরা জামিন না নিয়েই প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করায় তারা বিস্মিত। কেশরহাট পৌরসভা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মোখলেসুর রহমান বলেন, হত্যা মামলার প্রধান আসামি এয়ারপোর্ট থেকে মোহনপুর থানার সামনে দিয়ে ইফতার মাহফিলে গেলেন, আর পুলিশ নাকি তাকে খুঁজে পাচ্ছে না- বিষয়টি আমাদের কাছে বিস্ময়কর। এতে আইনের শাসন নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
এ বিষয়ে শুক্রবার রাতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে রাইসুল ইসলাম বলেন, মামলায় এখনো তার জামিন হয়নি, তবে হাইকোর্ট থেকে জামিন হয়ে যাবে। জামিন না নিয়েই প্রকাশ্যে সংসদ সদস্যের সঙ্গে থাকা এবং ছবি পোস্ট করার বিষয়ে জানতে চাইলে ফোন কেটে দেন এবং পরে ফেসবুক থেকে ছবিটি সরিয়ে ফেলেন।
অন্যদিকে এ বিষয়ে সংসদ সদস্য শফিকুল হক মিলন বলেন, বিমানবন্দরে অনেক নেতাকর্মী ছিলেন। কে তার সঙ্গে সেলফি তুলেছেন, তা তিনি বুঝতে পারেননি।
জামায়াতকর্মী আলাউদ্দিন মারা গেছেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে দাবি করে তিনি আরও বলেন, হত্যা মামলাটা সঠিক না। আগে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন আসুক। তারপর জানা যাবে তিনি কিভাবে মারা গেছেন।
এসব বিষয়ে মোহনপুর থানার ওসির দায়িত্বে থাকা উপ-পরিদর্শক মোদাশ্বের হোসেন খান জানান, আসামিদের জামিনের কোনো কাগজপত্র তাদের কাছে নেই। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। আসামিরা পলাতক থাকায় কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
বিমানবন্দর ও ইফতার মাহফিলে আসামিদের উপস্থিতির বিষয়ে তিনি জানান, বিমানবন্দর মোহনপুর থানার আওতার মধ্যে নয়। আর ইফতার মাহফিলে তারা উপস্থিত ছিলেন কি না, সে বিষয়ে পুলিশের কাছে কোনো তথ্য নেই।

১৪ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৫
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দীনের বিরুদ্ধে ‘মব সৃষ্টি করে’ মেদনিসাগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ পরীক্ষার কাগজপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে হরিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। যার একটি ভিডিও ফুটেজ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
জানা যায়, শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকালে হরিপুর উপজেলার মেদনিসাগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী—আয়া ও পরিচ্ছন্নতা কর্মী পদে নিয়োগের জন্য লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোট আটজন প্রার্থী অংশ নেন। লিখিত পরীক্ষা শেষে মৌখিক পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল।
মেদনিসাগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের অধ্যক্ষ হারুনুর রশিদ জানান, লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর তারা ইউএনওর কক্ষে বসেছিলেন। এ সময় উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দীন ও তার কয়েকজন সহযোগী সেখানে গিয়ে নিরীক্ষকদের কাছ থেকে পরীক্ষার সব কাগজপত্র ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দীন বলেন, তারা কোনো কাগজপত্র নেননি। তার দাবি, প্রতিষ্ঠানটি আওয়ামী লীগ-ঘনিষ্ঠ হওয়ায় সেখানে দলীয় লোকদের নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা চলছিল। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে ইউএনও তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। তিনি আরও দাবি করেন, ইউএনও জামায়াতের লোক এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা।
এ বিষয়ে হরিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রায়হানুল ইসলাম বলেন, যথাযথ নিয়ম মেনে কলেজটির লিখিত নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় এবং পরে ভাইভা নেওয়া শুরু হয়।
ওই সময় বিএনপি সভাপতি ও তার সহযোগীরা ইউএনও কার্যালয়ে এসে মব সৃষ্টি করে নিরীক্ষকদের কাছ থেকে পরীক্ষার কাগজপত্র ছিনিয়ে নিয়ে যান। তিনি আরও জানান, ঘটনাটি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে এবং এ বিষয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দীনের বিরুদ্ধে ‘মব সৃষ্টি করে’ মেদনিসাগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ পরীক্ষার কাগজপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে হরিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। যার একটি ভিডিও ফুটেজ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
জানা যায়, শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকালে হরিপুর উপজেলার মেদনিসাগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী—আয়া ও পরিচ্ছন্নতা কর্মী পদে নিয়োগের জন্য লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোট আটজন প্রার্থী অংশ নেন। লিখিত পরীক্ষা শেষে মৌখিক পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল।
মেদনিসাগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের অধ্যক্ষ হারুনুর রশিদ জানান, লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর তারা ইউএনওর কক্ষে বসেছিলেন। এ সময় উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দীন ও তার কয়েকজন সহযোগী সেখানে গিয়ে নিরীক্ষকদের কাছ থেকে পরীক্ষার সব কাগজপত্র ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দীন বলেন, তারা কোনো কাগজপত্র নেননি। তার দাবি, প্রতিষ্ঠানটি আওয়ামী লীগ-ঘনিষ্ঠ হওয়ায় সেখানে দলীয় লোকদের নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা চলছিল। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে ইউএনও তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। তিনি আরও দাবি করেন, ইউএনও জামায়াতের লোক এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা।
এ বিষয়ে হরিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রায়হানুল ইসলাম বলেন, যথাযথ নিয়ম মেনে কলেজটির লিখিত নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় এবং পরে ভাইভা নেওয়া শুরু হয়।
ওই সময় বিএনপি সভাপতি ও তার সহযোগীরা ইউএনও কার্যালয়ে এসে মব সৃষ্টি করে নিরীক্ষকদের কাছ থেকে পরীক্ষার কাগজপত্র ছিনিয়ে নিয়ে যান। তিনি আরও জানান, ঘটনাটি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে এবং এ বিষয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.