Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:২৯
বিচারহীনতার ১০০ দিন উপলক্ষে ঝালকাঠির নলছিটিতে শহীদ শরীফ ওসমান হাদির স্মরণে নতুন সংগঠন ‘ওসমান হাদি স্মৃতি মঞ্চ’ এর আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শহীদ ওসমান হাদির বোন মাসুমা হাদির উদ্যোগে এই সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়।
শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেলে নলছিটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- শহীদ ওসমান হাদির বোন মাসুমা হাদি, ভগ্নিপতি আমির হোসেন, শহীদ সেলিম তালুকদারের পিতা সুলতান তালুকদার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক তৌহিদ আলম মান্না, সাবেক কাউন্সিলর জিয়াউল কবির মিঠু, উপজেলা ছাত্রদল সদস্য সচিব সুজন খান, সাংবাদিক ইসমাইল মুসাফির, উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক লাভলু ব্যাপারী, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতা শাহাদাৎ ফকির, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মহুয়া ইসলাম, সমাজকর্মী বালী তূর্য, স্বেচ্ছাসেবী নেত্রী সাথী আক্তার, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র নেতা খালিদ সাইফুল্লাহ, ইমরান হোসেন, মারজান খান, আমিনুলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
মাসুমা হাদি বলেন, দেশের হারিয়ে যেতে বসা সংস্কৃতি রক্ষা এবং শহীদ ওসমান হাদির আদর্শ ও আজাদির লড়াইকে সারাদেশে ছড়িয়ে দিতেই এই উদ্যোগ। তার কণ্ঠে যেন ওসমান হাদির বার্তা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে যায় এ লক্ষ্যেই এ সংগঠন গড়ে তোলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ওসমান হাদির শাহাদাতের ১০০ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো বিচার না হওয়ায় উদ্বেগ রয়েছে। তদন্তের নামে সময়ক্ষেপণ করে বিচার প্রক্রিয়াকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে কি না এ প্রশ্নও তোলেন তিনি। একই সঙ্গে শহীদ হাদির খুনিদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
বিচারহীনতার ১০০ দিন উপলক্ষে ঝালকাঠির নলছিটিতে শহীদ শরীফ ওসমান হাদির স্মরণে নতুন সংগঠন ‘ওসমান হাদি স্মৃতি মঞ্চ’ এর আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শহীদ ওসমান হাদির বোন মাসুমা হাদির উদ্যোগে এই সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়।
শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেলে নলছিটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- শহীদ ওসমান হাদির বোন মাসুমা হাদি, ভগ্নিপতি আমির হোসেন, শহীদ সেলিম তালুকদারের পিতা সুলতান তালুকদার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক তৌহিদ আলম মান্না, সাবেক কাউন্সিলর জিয়াউল কবির মিঠু, উপজেলা ছাত্রদল সদস্য সচিব সুজন খান, সাংবাদিক ইসমাইল মুসাফির, উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক লাভলু ব্যাপারী, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতা শাহাদাৎ ফকির, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মহুয়া ইসলাম, সমাজকর্মী বালী তূর্য, স্বেচ্ছাসেবী নেত্রী সাথী আক্তার, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র নেতা খালিদ সাইফুল্লাহ, ইমরান হোসেন, মারজান খান, আমিনুলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
মাসুমা হাদি বলেন, দেশের হারিয়ে যেতে বসা সংস্কৃতি রক্ষা এবং শহীদ ওসমান হাদির আদর্শ ও আজাদির লড়াইকে সারাদেশে ছড়িয়ে দিতেই এই উদ্যোগ। তার কণ্ঠে যেন ওসমান হাদির বার্তা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে যায় এ লক্ষ্যেই এ সংগঠন গড়ে তোলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ওসমান হাদির শাহাদাতের ১০০ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো বিচার না হওয়ায় উদ্বেগ রয়েছে। তদন্তের নামে সময়ক্ষেপণ করে বিচার প্রক্রিয়াকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে কি না এ প্রশ্নও তোলেন তিনি। একই সঙ্গে শহীদ হাদির খুনিদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

২৯ মার্চ, ২০২৬ ১৩:০৫
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে ইতি চক্রবর্তী (৩৫) নামের এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরো তিনজন যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন।
রবিবার (২৯ মার্চ) সকালে বাটাজোর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ইতি চক্রবর্তী বরিশাল নগরীর কাউনিয়া এলাকার গুরুদাস চক্রবর্তীর স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বরিশালগামী গ্রীনভিউ পরিবহনের একটি বাস দ্রুতগতিতে চলার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে। এতে বাসের কয়েকজন যাত্রী আহত হন।
গৌরনদী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. মিজানুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত চার যাত্রীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসক ইতি চক্রবর্তীকে মৃত ঘোষণা করেন।
গৌরনদী হাইওয়ে থানার ওসি মো. শামীম শেখ জানান, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি জব্দ করা হয়েছে। ঘটনার কারণ তদন্ত চলছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময় যান চলাচল ব্যাহত হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

২৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০
খেলনা পিস্তল ও কার্তুজের ছবি পাঠিয়ে ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগে সাব্বির নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে একটি খেলনার পিস্তল ও কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে তাকে চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আটক যুবক সাব্বির (৩০) বানারীপাড়া পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মাছরং গ্রামের বাসিন্দা।
এর আগে শুক্রবার (২৭ মার্চ) দিবাগত রাতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বরিশালের বানারীপাড়ায় নিজ গ্রামের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে বরিশাল মেট্রোপলিটনের কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ।
ভুক্তভোগী মিরাজ বলেন, ঈদের তৃতীয় দিন তার মোবাইল নম্বরে ফোন করে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে সাব্বির নামের ওই যুবক। হোয়াটসঅ্যাপ একটি পিস্তল এবং কার্তুজের ছবি পাঠিয়ে ভয় দেখায়। চাঁদা না দিলে ক্ষতি হবে বলে হুমকি দেয়।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। পরবর্তীতে কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে সাব্বিরকে আটক করে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী নগরীর গির্জা মহল্লা এলাকার মোবাইল ব্যবসায়ী মিরাজ টেলিকমের মালিক মিরাজ বাদী হয়ে ওই যুবকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।
তিনি বলেন, বিশেষ অভিযান চালিয়ে সাব্বিরকে আটক করা হয়েছে। সে যেই পিস্তল এবং কার্তুজের ছবি পাঠিয়ে হুমকি দিয়েছে সেগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। এগুলো খেলনা সাদৃশ্য পিস্তল এবং তিনটি কার্তুজ। যা আলামত হিসেবে জব্দ দেখিয়ে শনিবার আদালতে সোপর্দ করা হয়।

২৮ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৮
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে ইতি চক্রবর্তী (৩৫) নামের এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরো তিনজন যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন।
রবিবার (২৯ মার্চ) সকালে বাটাজোর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ইতি চক্রবর্তী বরিশাল নগরীর কাউনিয়া এলাকার গুরুদাস চক্রবর্তীর স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বরিশালগামী গ্রীনভিউ পরিবহনের একটি বাস দ্রুতগতিতে চলার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে। এতে বাসের কয়েকজন যাত্রী আহত হন।
গৌরনদী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. মিজানুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত চার যাত্রীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসক ইতি চক্রবর্তীকে মৃত ঘোষণা করেন।
গৌরনদী হাইওয়ে থানার ওসি মো. শামীম শেখ জানান, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি জব্দ করা হয়েছে। ঘটনার কারণ তদন্ত চলছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময় যান চলাচল ব্যাহত হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
খেলনা পিস্তল ও কার্তুজের ছবি পাঠিয়ে ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগে সাব্বির নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে একটি খেলনার পিস্তল ও কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে তাকে চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আটক যুবক সাব্বির (৩০) বানারীপাড়া পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মাছরং গ্রামের বাসিন্দা।
এর আগে শুক্রবার (২৭ মার্চ) দিবাগত রাতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বরিশালের বানারীপাড়ায় নিজ গ্রামের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে বরিশাল মেট্রোপলিটনের কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ।
ভুক্তভোগী মিরাজ বলেন, ঈদের তৃতীয় দিন তার মোবাইল নম্বরে ফোন করে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে সাব্বির নামের ওই যুবক। হোয়াটসঅ্যাপ একটি পিস্তল এবং কার্তুজের ছবি পাঠিয়ে ভয় দেখায়। চাঁদা না দিলে ক্ষতি হবে বলে হুমকি দেয়।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। পরবর্তীতে কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে সাব্বিরকে আটক করে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী নগরীর গির্জা মহল্লা এলাকার মোবাইল ব্যবসায়ী মিরাজ টেলিকমের মালিক মিরাজ বাদী হয়ে ওই যুবকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।
তিনি বলেন, বিশেষ অভিযান চালিয়ে সাব্বিরকে আটক করা হয়েছে। সে যেই পিস্তল এবং কার্তুজের ছবি পাঠিয়ে হুমকি দিয়েছে সেগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। এগুলো খেলনা সাদৃশ্য পিস্তল এবং তিনটি কার্তুজ। যা আলামত হিসেবে জব্দ দেখিয়ে শনিবার আদালতে সোপর্দ করা হয়।
জ্বালানি সংকট বরিশালেও প্রকট আকার ধারণ করেছে। ডিলার বা পাম্প মালিকদের চাহিদা অনুযায়ী অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল সরবরাহ করতে ব্যর্থ হচ্ছে পদ্মা-মেঘনা এবং যমুনা ওয়েল কোম্পানি।
আবার যেটুকু সরকারি এই তিনটি প্রতিষ্ঠান পাম্প এবং ডিলারদের দিচ্ছে, তা বিক্রিতেও বড় ধরনের অনিয়ম হচ্ছে। কীর্তনখোলা নদীর তীরের বিভাগীয় শহর বরিশালে কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান পেট্রোল-অকটেন ১৫০–২০০ টাকা মূল্যে বিক্রি হচ্ছে।
পাশাপাশি শহরের পাম্পগুলোতেও কখনও কখনও জ্বালানি সংকটের অজুহাতে বিক্রি বন্ধ রাখতে দেখা যাচ্ছে। ফলে পরিবহনসংশ্লিষ্টরা এক ধরনের হয়রানির শিকার হয়ে হতাশায় ভুগছেন।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, বরিশাল বিভাগের ৬ জেলাসহ পার্শ্ববর্তী মাদারীপুর ও শরীয়তপুরে প্রতিদিনের ডিজেলের চাহিদা প্রায় ৬ লাখ ৬০ হাজার লিটার, অকটেন ৬০ হাজার লিটার এবং পেট্রোল ২ লাখ ৪০ হাজার লিটার। কিন্তু চাহিদার তুলনায় ২০ শতাংশ কম জ্বালানি সরবরাহ করতে সক্ষম হচ্ছে পদ্মা-মেঘনা এবং যমুনা ওয়েল কোম্পানি। ডিপো থেকে কম প্রাপ্তি এবং জ্বালানি সরবরাহে চৌর্যবৃত্তির আশ্রয় নেওয়ায় খুচরা বাজারে অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি হয়।
ভুক্তভোগী, বিশেষ করে পরিবহনসংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, পাম্পগুলো জ্বালানি অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি করতে না পারলেও প্রতিদিন দীর্ঘ সময় ধরে সরবরাহ বন্ধ রাখে। এতে শহরের প্রতিটি পাম্পে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভিড় থাকে এবং স্থানীয় অলিগলির কিছু দোকানে বিক্রি হলেও তা নিতে অতিরিক্ত মূল্য দিতে হয়। অভিযোগ আছে, এই দোকানিরা মোটরসাইকেল আরোহীদের কাছে প্রতি লিটার অকটেন-পেট্রোল ১৫০–২০০ টাকা পর্যন্ত দাম নিচ্ছেন। ঈদ পূর্বাপর বরিশালের জ্বালানি বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের তদারকির অভাবে এই অনিয়ম চলছে।
তবে পাম্প মালিকেরা বলছেন, সরকার পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি সরবরাহ করতে পারছে না। তাছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মধ্যে জ্বালানির চাহিদা অধিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে পাম্পে গ্রাহকদের ভিড় থাকছে এবং সংকটে পড়ে কখনও কখনও অনিচ্ছা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ রাখতে হচ্ছে।
কম জ্বালানি সরবরাহের এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পদ্মা ওয়েল পিএলসি বরিশালের সেলস অফিসার শরীফুল ইসলাম মজুমদার। এই কর্মকর্তা জানান, তাঁর প্রতিষ্ঠান ডিজেল সরবরাহ করে থাকে। গত বছরের মার্চে যে পরিমাণ জ্বালানি বিক্রি করা হয়েছিল, এবারও সেই পরিমাণ পাম্প এবং ডিলারদের দেওয়া হয়েছে। এবং এই জ্বালানি কোথাও অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি বা মজুত করে রাখা হয়েছে কি না, অভিযোগ প্রাপ্তির সাথে সাথে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
তাহলে খোলা বাজারে ১৫০–২০০ টাকা দামে কীভাবে বিক্রি হয়—এমন প্রশ্নে শরীফুল ইসলাম বলেন, গুরুতর অভিযোগ পেলে জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক দামে ডিজেল বিক্রির দায়ে তিন দিন আগে, গত ২৬ মার্চ নগরীর পোর্ট রোডের মেসার্স ফারুক এন্টারপ্রাইজকে ১০ হাজার টাকা এবং ১০ লিটার ডিজেলে দেড়শ মিলিলিটার কম দেওয়ায় মেসার্স জিয়া ব্রাদার্সকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এই অনিয়ম রোধে খুচরা বাজার ভোক্তা অধিদপ্তরসহ জেলা প্রশাসন তদারকি করতে পারে, মাঝে মধ্যে করছেও- জানান পদ্মা ওয়েল কোম্পানির এই কর্মকর্তা।
তবে সংকটের মধ্যে জ্বালানি বিক্রিতে মাঠপর্যায়ে এই চৌর্যবৃত্তি বন্ধে বরিশাল জেলা প্রশাসনের তদারকি তেমন লক্ষ্যণীয় নয়। প্রাসঙ্গিক এই বিষয়ে জানতে জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমনকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। অনুরূপভাবে মেঘনা এবং যমুনা ডিপোর কর্মকর্তাদের ফোন করা হলেও তাদের তরফ থেকেও সাড়া মেলেনি।
অবশ্য বরিশালে জ্বালানি সংকট নিয়ে খোদ জেলা প্রশাসক খায়রুল আলমও বেশ বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন। শহরের জনৈক ডিলার, আওয়ামী লীগ নেতা আলাউদ্দিন আলো এবং জেলা প্রশাসকের জ্বালানি কাণ্ড নিয়ে স্থানীয় পত্রিকায় নেতিবাচক শিরোনাম হয়।
এমন প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সংকট কোথায় গিয়ে ঠেকে তা দেখার বিষয় হলেও পরিবহনসংশ্লিষ্টরা আছেন দুশ্চিন্তার মধ্যে। পাশাপাশি শহরবাসীর মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দেখা গেছে, কারণ জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ বা দাম বেড়ে গেলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর প্রভাব পড়ে, হু হু করে বেড়ে যায় সকল পণ্যের মূল্য। ফলে বলা যায়, আমেরিকা–ইসরায়েল এবং ইরানের যুদ্ধ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত জ্বালানি সংকট পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা ভরসা নয়।
জ্বালানি সংকট বরিশালেও প্রকট আকার ধারণ করেছে। ডিলার বা পাম্প মালিকদের চাহিদা অনুযায়ী অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল সরবরাহ করতে ব্যর্থ হচ্ছে পদ্মা-মেঘনা এবং যমুনা ওয়েল কোম্পানি।
আবার যেটুকু সরকারি এই তিনটি প্রতিষ্ঠান পাম্প এবং ডিলারদের দিচ্ছে, তা বিক্রিতেও বড় ধরনের অনিয়ম হচ্ছে। কীর্তনখোলা নদীর তীরের বিভাগীয় শহর বরিশালে কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান পেট্রোল-অকটেন ১৫০–২০০ টাকা মূল্যে বিক্রি হচ্ছে।
পাশাপাশি শহরের পাম্পগুলোতেও কখনও কখনও জ্বালানি সংকটের অজুহাতে বিক্রি বন্ধ রাখতে দেখা যাচ্ছে। ফলে পরিবহনসংশ্লিষ্টরা এক ধরনের হয়রানির শিকার হয়ে হতাশায় ভুগছেন।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, বরিশাল বিভাগের ৬ জেলাসহ পার্শ্ববর্তী মাদারীপুর ও শরীয়তপুরে প্রতিদিনের ডিজেলের চাহিদা প্রায় ৬ লাখ ৬০ হাজার লিটার, অকটেন ৬০ হাজার লিটার এবং পেট্রোল ২ লাখ ৪০ হাজার লিটার। কিন্তু চাহিদার তুলনায় ২০ শতাংশ কম জ্বালানি সরবরাহ করতে সক্ষম হচ্ছে পদ্মা-মেঘনা এবং যমুনা ওয়েল কোম্পানি। ডিপো থেকে কম প্রাপ্তি এবং জ্বালানি সরবরাহে চৌর্যবৃত্তির আশ্রয় নেওয়ায় খুচরা বাজারে অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি হয়।
ভুক্তভোগী, বিশেষ করে পরিবহনসংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, পাম্পগুলো জ্বালানি অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি করতে না পারলেও প্রতিদিন দীর্ঘ সময় ধরে সরবরাহ বন্ধ রাখে। এতে শহরের প্রতিটি পাম্পে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভিড় থাকে এবং স্থানীয় অলিগলির কিছু দোকানে বিক্রি হলেও তা নিতে অতিরিক্ত মূল্য দিতে হয়। অভিযোগ আছে, এই দোকানিরা মোটরসাইকেল আরোহীদের কাছে প্রতি লিটার অকটেন-পেট্রোল ১৫০–২০০ টাকা পর্যন্ত দাম নিচ্ছেন। ঈদ পূর্বাপর বরিশালের জ্বালানি বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের তদারকির অভাবে এই অনিয়ম চলছে।
তবে পাম্প মালিকেরা বলছেন, সরকার পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি সরবরাহ করতে পারছে না। তাছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মধ্যে জ্বালানির চাহিদা অধিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে পাম্পে গ্রাহকদের ভিড় থাকছে এবং সংকটে পড়ে কখনও কখনও অনিচ্ছা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ রাখতে হচ্ছে।
কম জ্বালানি সরবরাহের এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পদ্মা ওয়েল পিএলসি বরিশালের সেলস অফিসার শরীফুল ইসলাম মজুমদার। এই কর্মকর্তা জানান, তাঁর প্রতিষ্ঠান ডিজেল সরবরাহ করে থাকে। গত বছরের মার্চে যে পরিমাণ জ্বালানি বিক্রি করা হয়েছিল, এবারও সেই পরিমাণ পাম্প এবং ডিলারদের দেওয়া হয়েছে। এবং এই জ্বালানি কোথাও অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি বা মজুত করে রাখা হয়েছে কি না, অভিযোগ প্রাপ্তির সাথে সাথে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
তাহলে খোলা বাজারে ১৫০–২০০ টাকা দামে কীভাবে বিক্রি হয়—এমন প্রশ্নে শরীফুল ইসলাম বলেন, গুরুতর অভিযোগ পেলে জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক দামে ডিজেল বিক্রির দায়ে তিন দিন আগে, গত ২৬ মার্চ নগরীর পোর্ট রোডের মেসার্স ফারুক এন্টারপ্রাইজকে ১০ হাজার টাকা এবং ১০ লিটার ডিজেলে দেড়শ মিলিলিটার কম দেওয়ায় মেসার্স জিয়া ব্রাদার্সকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এই অনিয়ম রোধে খুচরা বাজার ভোক্তা অধিদপ্তরসহ জেলা প্রশাসন তদারকি করতে পারে, মাঝে মধ্যে করছেও- জানান পদ্মা ওয়েল কোম্পানির এই কর্মকর্তা।
তবে সংকটের মধ্যে জ্বালানি বিক্রিতে মাঠপর্যায়ে এই চৌর্যবৃত্তি বন্ধে বরিশাল জেলা প্রশাসনের তদারকি তেমন লক্ষ্যণীয় নয়। প্রাসঙ্গিক এই বিষয়ে জানতে জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমনকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। অনুরূপভাবে মেঘনা এবং যমুনা ডিপোর কর্মকর্তাদের ফোন করা হলেও তাদের তরফ থেকেও সাড়া মেলেনি।
অবশ্য বরিশালে জ্বালানি সংকট নিয়ে খোদ জেলা প্রশাসক খায়রুল আলমও বেশ বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন। শহরের জনৈক ডিলার, আওয়ামী লীগ নেতা আলাউদ্দিন আলো এবং জেলা প্রশাসকের জ্বালানি কাণ্ড নিয়ে স্থানীয় পত্রিকায় নেতিবাচক শিরোনাম হয়।
এমন প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সংকট কোথায় গিয়ে ঠেকে তা দেখার বিষয় হলেও পরিবহনসংশ্লিষ্টরা আছেন দুশ্চিন্তার মধ্যে। পাশাপাশি শহরবাসীর মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দেখা গেছে, কারণ জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ বা দাম বেড়ে গেলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর প্রভাব পড়ে, হু হু করে বেড়ে যায় সকল পণ্যের মূল্য। ফলে বলা যায়, আমেরিকা–ইসরায়েল এবং ইরানের যুদ্ধ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত জ্বালানি সংকট পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা ভরসা নয়।