
২৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:২৯
বিচারহীনতার ১০০ দিন উপলক্ষে ঝালকাঠির নলছিটিতে শহীদ শরীফ ওসমান হাদির স্মরণে নতুন সংগঠন ‘ওসমান হাদি স্মৃতি মঞ্চ’ এর আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শহীদ ওসমান হাদির বোন মাসুমা হাদির উদ্যোগে এই সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়।
শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেলে নলছিটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- শহীদ ওসমান হাদির বোন মাসুমা হাদি, ভগ্নিপতি আমির হোসেন, শহীদ সেলিম তালুকদারের পিতা সুলতান তালুকদার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক তৌহিদ আলম মান্না, সাবেক কাউন্সিলর জিয়াউল কবির মিঠু, উপজেলা ছাত্রদল সদস্য সচিব সুজন খান, সাংবাদিক ইসমাইল মুসাফির, উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক লাভলু ব্যাপারী, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতা শাহাদাৎ ফকির, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মহুয়া ইসলাম, সমাজকর্মী বালী তূর্য, স্বেচ্ছাসেবী নেত্রী সাথী আক্তার, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র নেতা খালিদ সাইফুল্লাহ, ইমরান হোসেন, মারজান খান, আমিনুলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
মাসুমা হাদি বলেন, দেশের হারিয়ে যেতে বসা সংস্কৃতি রক্ষা এবং শহীদ ওসমান হাদির আদর্শ ও আজাদির লড়াইকে সারাদেশে ছড়িয়ে দিতেই এই উদ্যোগ। তার কণ্ঠে যেন ওসমান হাদির বার্তা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে যায় এ লক্ষ্যেই এ সংগঠন গড়ে তোলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ওসমান হাদির শাহাদাতের ১০০ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো বিচার না হওয়ায় উদ্বেগ রয়েছে। তদন্তের নামে সময়ক্ষেপণ করে বিচার প্রক্রিয়াকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে কি না এ প্রশ্নও তোলেন তিনি। একই সঙ্গে শহীদ হাদির খুনিদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
বিচারহীনতার ১০০ দিন উপলক্ষে ঝালকাঠির নলছিটিতে শহীদ শরীফ ওসমান হাদির স্মরণে নতুন সংগঠন ‘ওসমান হাদি স্মৃতি মঞ্চ’ এর আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শহীদ ওসমান হাদির বোন মাসুমা হাদির উদ্যোগে এই সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়।
শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেলে নলছিটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- শহীদ ওসমান হাদির বোন মাসুমা হাদি, ভগ্নিপতি আমির হোসেন, শহীদ সেলিম তালুকদারের পিতা সুলতান তালুকদার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক তৌহিদ আলম মান্না, সাবেক কাউন্সিলর জিয়াউল কবির মিঠু, উপজেলা ছাত্রদল সদস্য সচিব সুজন খান, সাংবাদিক ইসমাইল মুসাফির, উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক লাভলু ব্যাপারী, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতা শাহাদাৎ ফকির, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মহুয়া ইসলাম, সমাজকর্মী বালী তূর্য, স্বেচ্ছাসেবী নেত্রী সাথী আক্তার, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র নেতা খালিদ সাইফুল্লাহ, ইমরান হোসেন, মারজান খান, আমিনুলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
মাসুমা হাদি বলেন, দেশের হারিয়ে যেতে বসা সংস্কৃতি রক্ষা এবং শহীদ ওসমান হাদির আদর্শ ও আজাদির লড়াইকে সারাদেশে ছড়িয়ে দিতেই এই উদ্যোগ। তার কণ্ঠে যেন ওসমান হাদির বার্তা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে যায় এ লক্ষ্যেই এ সংগঠন গড়ে তোলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ওসমান হাদির শাহাদাতের ১০০ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো বিচার না হওয়ায় উদ্বেগ রয়েছে। তদন্তের নামে সময়ক্ষেপণ করে বিচার প্রক্রিয়াকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে কি না এ প্রশ্নও তোলেন তিনি। একই সঙ্গে শহীদ হাদির খুনিদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

১৩ মে, ২০২৬ ১৭:৩৪
বরিশালের বানারীপাড়ায় গাঁজাসহ আটক ইসরাফিল (২০) ও রিফাত সরদার(২৩) নামের দুই যুবককে পুলিশ আটক করার পরে মোবাইল কোর্টে সাজা দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে ইসরাফিলকে তিন মাস জেল ও ২০০ টাকা জরিমানা এবং রিফাত সরদারকে ১৫ দিনের জেল ও ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
বুধবার (১৩ মে) সকালে তাদের বরিশাল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (১২ মে) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয়ের সময় থানার উপ-পরিদর্শক মাসুম বিল্লাহর নেতৃত্বে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
এসময় আটককৃত রাজশাহীর গােদাগাড়ী থানার কেশবপুর গ্রামের মুনিরুল ইসলামের ছেলে ইসরাফিলের কাছ থেকে তিন পুড়িয়া ও বানারীপাড়ার চাখার ইউনিয়নের বড় চাউলাকাঠী গ্রামের রফিকুল ইসলাম সরদারের ছেলে .মোঃরিফাত সরদারের কাছ থেকে এক পুড়িয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পরে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ বায়েজিদুর রহমান মোবাইল কোর্টে তাদের এ সাজা দেন। বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান জানান মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামীকে বুধবার (১৩ মে) সকালে বরিশাল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বরিশালের বানারীপাড়ায় গাঁজাসহ আটক ইসরাফিল (২০) ও রিফাত সরদার(২৩) নামের দুই যুবককে পুলিশ আটক করার পরে মোবাইল কোর্টে সাজা দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে ইসরাফিলকে তিন মাস জেল ও ২০০ টাকা জরিমানা এবং রিফাত সরদারকে ১৫ দিনের জেল ও ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
বুধবার (১৩ মে) সকালে তাদের বরিশাল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (১২ মে) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয়ের সময় থানার উপ-পরিদর্শক মাসুম বিল্লাহর নেতৃত্বে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
এসময় আটককৃত রাজশাহীর গােদাগাড়ী থানার কেশবপুর গ্রামের মুনিরুল ইসলামের ছেলে ইসরাফিলের কাছ থেকে তিন পুড়িয়া ও বানারীপাড়ার চাখার ইউনিয়নের বড় চাউলাকাঠী গ্রামের রফিকুল ইসলাম সরদারের ছেলে .মোঃরিফাত সরদারের কাছ থেকে এক পুড়িয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পরে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ বায়েজিদুর রহমান মোবাইল কোর্টে তাদের এ সাজা দেন। বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান জানান মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামীকে বুধবার (১৩ মে) সকালে বরিশাল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

১৩ মে, ২০২৬ ১৫:৫৪
বরিশাল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ চৌমাথা সিএন্ডবি রোড এলাকায় রাস্তার মাঝখানে স্থাপিত বিতর্কিত ‘শাহান-আরা পার্ক’-এর অবশিষ্ট অংশ অপসারণ কার্যক্রম শুরু করেছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন।
বুধবার (১৩ মে) সকাল ১১টার দিকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
তিনি বলেন, “এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক। সাবেক মেয়র সাদেক আব্দুল্লাহ ক্ষমতার প্রভাবে মায়ের নামে অবৈধভাবে পার্কটি নির্মাণ করেছিলেন। ফলে দীর্ঘদিন ধরে এই সড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছিল।”
অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী, সাবেক কাউন্সিলর শাহ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপু, আ.ন.ম সাইফুল আহসান আজিম ও ইউনূস হোসেন।
এছাড়াও মহানগর বিএনপি নেতা সাজ্জাদ হোসেন, আহমেদ জ্যাকি অনুপম, নওশাদ হোসেন নান্টু, মাজহারুল ইসলাম জাহানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগের অবসান ঘটাতে এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। অভিযান চলাকালে স্থানীয় বাসিন্দারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সেখানে জড়ো হন এবং জনস্বার্থে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করায় প্রশাসককে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
বরিশাল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ চৌমাথা সিএন্ডবি রোড এলাকায় রাস্তার মাঝখানে স্থাপিত বিতর্কিত ‘শাহান-আরা পার্ক’-এর অবশিষ্ট অংশ অপসারণ কার্যক্রম শুরু করেছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন।
বুধবার (১৩ মে) সকাল ১১টার দিকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
তিনি বলেন, “এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক। সাবেক মেয়র সাদেক আব্দুল্লাহ ক্ষমতার প্রভাবে মায়ের নামে অবৈধভাবে পার্কটি নির্মাণ করেছিলেন। ফলে দীর্ঘদিন ধরে এই সড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছিল।”
অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী, সাবেক কাউন্সিলর শাহ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপু, আ.ন.ম সাইফুল আহসান আজিম ও ইউনূস হোসেন।
এছাড়াও মহানগর বিএনপি নেতা সাজ্জাদ হোসেন, আহমেদ জ্যাকি অনুপম, নওশাদ হোসেন নান্টু, মাজহারুল ইসলাম জাহানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগের অবসান ঘটাতে এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। অভিযান চলাকালে স্থানীয় বাসিন্দারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সেখানে জড়ো হন এবং জনস্বার্থে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করায় প্রশাসককে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

১৩ মে, ২০২৬ ১৪:৫২
বানারীপাড়ায় কোডেকের উদ্যোগে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের চোখের পরীক্ষা ও রেফারাল বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (কোডেক) পরিচালিত এবং বানারীপাড়া প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক এনজিও (CBM)-এর অর্থায়নে অন্তর্ভুক্তিমূলক চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্পের আওতায় উপজেলার সৈয়দ বজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য চোখের পরীক্ষা ও রেফারাল বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার, (১২ মে) বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়া বাকপুর ইউনিয়নের সৈয়দ বজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণে বিদ্যালয়ের ১০ জন শিক্ষক ও ২০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করেন প্রকল্পের সিনিয়র টেকনিক্যাল অফিসার এম. আতিকুর রহমান আতিক।
প্রশিক্ষণ শেষে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ উদ্যোগের জন্য কোডেক ও বানারীপাড়া প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদকে সাধুবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে তাদের প্রতিষ্ঠানে একটি চক্ষু পরীক্ষা ক্যাম্প আয়োজনের অনুরোধ করেন।
এ সময় বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম লিটনের হাতে শিক্ষার্থীদের চোখের পরীক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় মেডিকেল ইন্সট্রুমেন্ট এবং শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার জন্য খেলনা সামগ্রী প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ, কোডেকের উপজেলা কো-অর্ডিনেটর তোফায়েল আহমেদ, বানারীপাড়া প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের সহ-সভাপতি মোঃ রেজাউল ইসলাম বেল্লাল, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক অলিউল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
বানারীপাড়ায় কোডেকের উদ্যোগে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের চোখের পরীক্ষা ও রেফারাল বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (কোডেক) পরিচালিত এবং বানারীপাড়া প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক এনজিও (CBM)-এর অর্থায়নে অন্তর্ভুক্তিমূলক চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্পের আওতায় উপজেলার সৈয়দ বজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য চোখের পরীক্ষা ও রেফারাল বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার, (১২ মে) বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়া বাকপুর ইউনিয়নের সৈয়দ বজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণে বিদ্যালয়ের ১০ জন শিক্ষক ও ২০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করেন প্রকল্পের সিনিয়র টেকনিক্যাল অফিসার এম. আতিকুর রহমান আতিক।
প্রশিক্ষণ শেষে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ উদ্যোগের জন্য কোডেক ও বানারীপাড়া প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদকে সাধুবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে তাদের প্রতিষ্ঠানে একটি চক্ষু পরীক্ষা ক্যাম্প আয়োজনের অনুরোধ করেন।
এ সময় বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম লিটনের হাতে শিক্ষার্থীদের চোখের পরীক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় মেডিকেল ইন্সট্রুমেন্ট এবং শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার জন্য খেলনা সামগ্রী প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ, কোডেকের উপজেলা কো-অর্ডিনেটর তোফায়েল আহমেদ, বানারীপাড়া প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের সহ-সভাপতি মোঃ রেজাউল ইসলাম বেল্লাল, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক অলিউল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৩ মে, ২০২৬ ১৭:৩৪
১৩ মে, ২০২৬ ১৭:০৩
১৩ মে, ২০২৬ ১৫:৫৪
১৩ মে, ২০২৬ ১৫:২৫