
০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১১:১৫
পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থীকে মো. সহিদুল আলম তালুকদারকে কারণ দর্শানো নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের একাধিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি তাকে শোকজ করে।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) জেলার সিভিল জজ পটুয়াখালী-২ (বাউফল) এর নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির চেয়ারম্যান মো. খালিদ হাসানের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে নোটিশটি দ্রুত জারি ও কার্যকর করার জন্য বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অনুসন্ধান কমিটির নোটিশে উল্লেখ করা হয়, গত ২০ জানুয়ারি বাউফল এলাকায় প্রকাশ্যে আয়োজিত একটি দোয়া ও মিলাদ অনুষ্ঠানে সহিদুল আলম তালুকদার প্রতিদ্বন্দ্বী সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদকে উদ্দেশ্য করে উসকানিমূলক বক্তব্য দেন, যা নির্বাচনি পরিবেশকে উত্তপ্ত করার আশঙ্কা সৃষ্টি করে। একই ধারাবাহিকতায় গত ২৫ জানুয়ারি ১৩ নম্বর আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের হাজীর হাট বাজারে অনুষ্ঠিত একটি উঠান বৈঠকে তিনি প্রকাশ্যে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে উদ্দেশ্য করে আপত্তিকর ও মানহানিকর বক্তব্য দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া অভিযোগে বলা হয়, গত ৩০ জানুয়ারি বাউফল উপজেলার হোসনাবাদ এলাকার ১ নম্বর ওয়ার্ডে সহিদুল আলম তালুকদারের নেতাকর্মীরা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর একটি নির্বাচনি সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। একই সঙ্গে তার সমর্থকরা এলাকায় মোটরসাইকেল মহড়া দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিলে হত্যা ও বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন।
এসব কর্মকাণ্ড নির্বাচনি আচরণবিধির গুরুতর লঙ্ঘন বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী সহিদুল আলম তালুকদারকে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ১১টায় পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে অবস্থিত সিভিল জজ আদালতে সশরীরে অথবা প্রতিনিধির মাধ্যমে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা প্রদান না করলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণসহ বিষয়টি নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন আকারে প্রেরণ করা হবে বলে নোটিশে বলা হয়।
পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থীকে মো. সহিদুল আলম তালুকদারকে কারণ দর্শানো নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের একাধিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি তাকে শোকজ করে।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) জেলার সিভিল জজ পটুয়াখালী-২ (বাউফল) এর নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির চেয়ারম্যান মো. খালিদ হাসানের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে নোটিশটি দ্রুত জারি ও কার্যকর করার জন্য বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অনুসন্ধান কমিটির নোটিশে উল্লেখ করা হয়, গত ২০ জানুয়ারি বাউফল এলাকায় প্রকাশ্যে আয়োজিত একটি দোয়া ও মিলাদ অনুষ্ঠানে সহিদুল আলম তালুকদার প্রতিদ্বন্দ্বী সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদকে উদ্দেশ্য করে উসকানিমূলক বক্তব্য দেন, যা নির্বাচনি পরিবেশকে উত্তপ্ত করার আশঙ্কা সৃষ্টি করে। একই ধারাবাহিকতায় গত ২৫ জানুয়ারি ১৩ নম্বর আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের হাজীর হাট বাজারে অনুষ্ঠিত একটি উঠান বৈঠকে তিনি প্রকাশ্যে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে উদ্দেশ্য করে আপত্তিকর ও মানহানিকর বক্তব্য দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া অভিযোগে বলা হয়, গত ৩০ জানুয়ারি বাউফল উপজেলার হোসনাবাদ এলাকার ১ নম্বর ওয়ার্ডে সহিদুল আলম তালুকদারের নেতাকর্মীরা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর একটি নির্বাচনি সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। একই সঙ্গে তার সমর্থকরা এলাকায় মোটরসাইকেল মহড়া দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিলে হত্যা ও বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন।
এসব কর্মকাণ্ড নির্বাচনি আচরণবিধির গুরুতর লঙ্ঘন বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী সহিদুল আলম তালুকদারকে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ১১টায় পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে অবস্থিত সিভিল জজ আদালতে সশরীরে অথবা প্রতিনিধির মাধ্যমে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা প্রদান না করলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণসহ বিষয়টি নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন আকারে প্রেরণ করা হবে বলে নোটিশে বলা হয়।
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০২:৪৮
০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৬
০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৩

০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
লক্ষ্মীপুরে জাতীয় নির্বাচনে কারচুপির জন্য অবৈধভাবে প্রস্তুতকৃত ৬টি ভোটের সিলসহ সোহেল রানা নামে এক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শহরের পুরাতন আদালত রোডের মারইয়াম প্রেস থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় সিলসহ একটি মোবাইলফোন ও কম্পিউটার জব্দ করা হয়। গ্রেফতার সোহেল সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নের বাসিন্দা ও মারইয়াম প্রেসের স্বত্ত্বাধিকারী।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লক্ষ্মীপুর সদর থানা পুলিশ মারইয়াম প্রেসে অভিযান চালায়। এ সময় দোকান থেকে জাতীয় নির্বাচনে ব্যবহৃত ৬টি সিল উদ্ধার করা হয়। এরপর খবর পেয়ে নির্বাহী মাজিস্ট্রেট হাসান মাহমুদ নাহিদ ঘটনাস্থলে আসেন। পরে সিলগুলোসহ একটি মোবাইলফোন ও কম্পিউটার জব্দ করে সোহেলকে থানায় নিয়ে যান।
সোহেল রানা বলেন, ‘অর্ডার পেয়ে তিনি সিলগুলো বানিয়েছেন। তবে কে বা কারাসিল বানানোর অর্ডার দিয়েছেন তা প্রকাশ করেননি তিনি।’
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী মাজিস্ট্রেট হাসান মাহমুদ নাহিদ বলেন, ‘কোনোভাবেই এই প্রেসে ভোটের সিল বানানো যাবে না। এটি অবৈধ। তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা হবে।’
অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে এ ব্যাপারে তিনি কোনও বক্তব্য দেননি।
লক্ষ্মীপুরে জাতীয় নির্বাচনে কারচুপির জন্য অবৈধভাবে প্রস্তুতকৃত ৬টি ভোটের সিলসহ সোহেল রানা নামে এক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শহরের পুরাতন আদালত রোডের মারইয়াম প্রেস থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় সিলসহ একটি মোবাইলফোন ও কম্পিউটার জব্দ করা হয়। গ্রেফতার সোহেল সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নের বাসিন্দা ও মারইয়াম প্রেসের স্বত্ত্বাধিকারী।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লক্ষ্মীপুর সদর থানা পুলিশ মারইয়াম প্রেসে অভিযান চালায়। এ সময় দোকান থেকে জাতীয় নির্বাচনে ব্যবহৃত ৬টি সিল উদ্ধার করা হয়। এরপর খবর পেয়ে নির্বাহী মাজিস্ট্রেট হাসান মাহমুদ নাহিদ ঘটনাস্থলে আসেন। পরে সিলগুলোসহ একটি মোবাইলফোন ও কম্পিউটার জব্দ করে সোহেলকে থানায় নিয়ে যান।
সোহেল রানা বলেন, ‘অর্ডার পেয়ে তিনি সিলগুলো বানিয়েছেন। তবে কে বা কারাসিল বানানোর অর্ডার দিয়েছেন তা প্রকাশ করেননি তিনি।’
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী মাজিস্ট্রেট হাসান মাহমুদ নাহিদ বলেন, ‘কোনোভাবেই এই প্রেসে ভোটের সিল বানানো যাবে না। এটি অবৈধ। তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা হবে।’
অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে এ ব্যাপারে তিনি কোনও বক্তব্য দেননি।

০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৩
জামায়াতের কেউ ভোট কেন্দ্রে আসলে এবং ভোট দিলে দিনের বেলাতেই তাদের নেতাকর্মীদের রগ কাটার হুমকি দিয়েছেন পাবনার ঈশ্বরদীর সাহাপুর ইউনিয়ন কৃষকদলের আহ্বায়ক মক্কেল মৃধা। এর আগে পাবনা-৪ আসনের জামায়াতের প্রার্থী আবু তালেব মণ্ডলের গাড়িতে হামলা চালিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন তিনি এবং ওই ঘটনার মামলার প্রধান আসামি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মক্কেল মৃধার এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। গত রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সাহাপুর ইউনিয়নের চর গড়গড়ি দাখিল মাদরাসা মাঠে বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিবের নির্বাচনি জনসভায় এ হুমকি দেন তিনি।
ভিডিওতে মক্কেল মৃধা বলেন, রাজশাহী বিভাগের যতো প্রশাসন ছিল... আমার বাড়ির যতো খুনতা, নিড়িনি, কুড়িল, পাতিল হাড়ি এ জামায়াত সব লুট করে নিয়েছে। এই জামায়াতের কোনো প্রোগ্রাম চলবে না। এই জামায়াতকে যারা ভোট দিবে তাদের রাতের অন্ধকারে নয়, ..... আমি দিনের বেলায় তাদের রগ কাটবো, কোনো জামায়াত যদি সেন্টারে আসে। আমি বলতে চাই .... জামায়াত আসবে না।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত কৃষকদলের আহ্বায়ক মক্কেল মৃধার মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে বন্ধ থাকায় কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এ বিষয়ে পাবনা-৪ আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুর রহমান বলেন, আমরা ভিডিওটি পেয়েছি, আমরা লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছি। লিখিত অভিযোগ পেলেই আমরা ব্যবস্থা নেবে।
উল্লেখ্য, গত ২৭ নভেম্বর বিকেলে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের চরগড়গড়ি গ্রামে নির্বাচনি প্রচারণা চালাতে গেলে জামায়াতের প্রার্থীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
এ সময় জামায়াতের নেতাকর্মীদের মোটরসাইকেল লুট করা হয় পরে সেগুলো মক্কেল মৃধার বাড়ির পেছনের জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়। এসব ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মৃক্কেল মৃধা প্রধান আসামি। এছাড়াও ৫ আগস্ট পরবর্তীতে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগে আলোচিত মক্কেল মৃধা।
জামায়াতের কেউ ভোট কেন্দ্রে আসলে এবং ভোট দিলে দিনের বেলাতেই তাদের নেতাকর্মীদের রগ কাটার হুমকি দিয়েছেন পাবনার ঈশ্বরদীর সাহাপুর ইউনিয়ন কৃষকদলের আহ্বায়ক মক্কেল মৃধা। এর আগে পাবনা-৪ আসনের জামায়াতের প্রার্থী আবু তালেব মণ্ডলের গাড়িতে হামলা চালিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন তিনি এবং ওই ঘটনার মামলার প্রধান আসামি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মক্কেল মৃধার এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। গত রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সাহাপুর ইউনিয়নের চর গড়গড়ি দাখিল মাদরাসা মাঠে বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিবের নির্বাচনি জনসভায় এ হুমকি দেন তিনি।
ভিডিওতে মক্কেল মৃধা বলেন, রাজশাহী বিভাগের যতো প্রশাসন ছিল... আমার বাড়ির যতো খুনতা, নিড়িনি, কুড়িল, পাতিল হাড়ি এ জামায়াত সব লুট করে নিয়েছে। এই জামায়াতের কোনো প্রোগ্রাম চলবে না। এই জামায়াতকে যারা ভোট দিবে তাদের রাতের অন্ধকারে নয়, ..... আমি দিনের বেলায় তাদের রগ কাটবো, কোনো জামায়াত যদি সেন্টারে আসে। আমি বলতে চাই .... জামায়াত আসবে না।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত কৃষকদলের আহ্বায়ক মক্কেল মৃধার মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে বন্ধ থাকায় কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এ বিষয়ে পাবনা-৪ আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুর রহমান বলেন, আমরা ভিডিওটি পেয়েছি, আমরা লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছি। লিখিত অভিযোগ পেলেই আমরা ব্যবস্থা নেবে।
উল্লেখ্য, গত ২৭ নভেম্বর বিকেলে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের চরগড়গড়ি গ্রামে নির্বাচনি প্রচারণা চালাতে গেলে জামায়াতের প্রার্থীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
এ সময় জামায়াতের নেতাকর্মীদের মোটরসাইকেল লুট করা হয় পরে সেগুলো মক্কেল মৃধার বাড়ির পেছনের জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়। এসব ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মৃক্কেল মৃধা প্রধান আসামি। এছাড়াও ৫ আগস্ট পরবর্তীতে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগে আলোচিত মক্কেল মৃধা।

০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:০০
নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে গোপালগঞ্জ-১ আসনের বিএনপি প্রার্থী সেলিমুজ্জামান মোল্যা ও গোপালগঞ্জ-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুজ্জামান ভূঁইয়াকে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক আতাহার শাকিল এই জরিমানা করেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক আতাহার শাকিল জানান, কাশিয়ানী উপজেলার ফুকরা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় গোপালগঞ্জ-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুজ্জামান ভূঁইয়া তার নির্বাচনি প্রচারণায় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর পিভিসি ব্যানার ব্যবহার করে বিলবোর্ড স্থাপন করেন। নির্বাচনি আচরণবিধি অনুযায়ী এটি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ কারণে তাকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অপরদিকে, গোপালগঞ্জ-১ আসনের কাশিয়ানী অংশের বিএনপি প্রার্থী সেলিমুজ্জামান মোল্লার সমর্থকদের বহনকারী মাইক্রোবাসে বিভিন্ন ধরনের পোস্টার লাগানো থাকায় তাকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে গোপালগঞ্জ-১ আসনের বিএনপি প্রার্থী সেলিমুজ্জামান মোল্যা ও গোপালগঞ্জ-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুজ্জামান ভূঁইয়াকে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক আতাহার শাকিল এই জরিমানা করেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক আতাহার শাকিল জানান, কাশিয়ানী উপজেলার ফুকরা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় গোপালগঞ্জ-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুজ্জামান ভূঁইয়া তার নির্বাচনি প্রচারণায় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর পিভিসি ব্যানার ব্যবহার করে বিলবোর্ড স্থাপন করেন। নির্বাচনি আচরণবিধি অনুযায়ী এটি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ কারণে তাকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অপরদিকে, গোপালগঞ্জ-১ আসনের কাশিয়ানী অংশের বিএনপি প্রার্থী সেলিমুজ্জামান মোল্লার সমর্থকদের বহনকারী মাইক্রোবাসে বিভিন্ন ধরনের পোস্টার লাগানো থাকায় তাকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.