Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৬
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী। নির্বাচন কমিশন, সরকার, প্রশাসন, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনী— সবাই এ বিষয়ে ঐকান্তিক। সুতরাং, নির্বাচন না হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য বিকাশের মতো মাধ্যমে কিছু অর্থের লেনদেন বা ‘মানি ট্রানজেকশন’ হতে পারে। এ বিষয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলেছি।
সেনাপ্রধান বলেন, প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় (কনস্টিটিউয়েন্সি) কিছু অপরাধী থাকতে পারে যারা ইলেকশন ডে-তে ব্যালট ছিনতাই বা ‘রিগিং’ করা এবং ভোটারদের পোলিং স্টেশনে যেতে বাধা দেওয়ার মতো অপকর্ম করতে পারে। আশা করি, আমাদের বাহিনী এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
তিনি আরও বলেন, অপরাধ অনুযায়ী আপনাদের হয় ডিটেনশন (আটক), না হয় মামলা— যেটি প্রয়োজন সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সভায় আসন্ন জাতীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়।
এর আগে গতকাল রোববার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ উপলক্ষে ময়মনসিংহ সফর করেন সেনাবাহিনী প্রধান। এ সময় নির্বাচন ও গণভোটকে শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পেশাদারি, শৃঙ্খলা ও নাগরিকবান্ধব আচরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় ও সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার কথাও বলেন।
সফরকালে তিনি ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের সম্মেলনকক্ষে ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও অসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।
মতবিনিময় সভায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা পরিকল্পনা, দায়িত্ব পালনে নিরপেক্ষতা এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় সেনাবাহিনী প্রধান পেশাদারি, ধৈর্য ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় মোতায়েন সেনাসদস্যদের কার্যক্রম তিনি সরেজমিন পরিদর্শন করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী। নির্বাচন কমিশন, সরকার, প্রশাসন, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনী— সবাই এ বিষয়ে ঐকান্তিক। সুতরাং, নির্বাচন না হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য বিকাশের মতো মাধ্যমে কিছু অর্থের লেনদেন বা ‘মানি ট্রানজেকশন’ হতে পারে। এ বিষয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলেছি।
সেনাপ্রধান বলেন, প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় (কনস্টিটিউয়েন্সি) কিছু অপরাধী থাকতে পারে যারা ইলেকশন ডে-তে ব্যালট ছিনতাই বা ‘রিগিং’ করা এবং ভোটারদের পোলিং স্টেশনে যেতে বাধা দেওয়ার মতো অপকর্ম করতে পারে। আশা করি, আমাদের বাহিনী এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
তিনি আরও বলেন, অপরাধ অনুযায়ী আপনাদের হয় ডিটেনশন (আটক), না হয় মামলা— যেটি প্রয়োজন সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সভায় আসন্ন জাতীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়।
এর আগে গতকাল রোববার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ উপলক্ষে ময়মনসিংহ সফর করেন সেনাবাহিনী প্রধান। এ সময় নির্বাচন ও গণভোটকে শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পেশাদারি, শৃঙ্খলা ও নাগরিকবান্ধব আচরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় ও সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার কথাও বলেন।
সফরকালে তিনি ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের সম্মেলনকক্ষে ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও অসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।
মতবিনিময় সভায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা পরিকল্পনা, দায়িত্ব পালনে নিরপেক্ষতা এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় সেনাবাহিনী প্রধান পেশাদারি, ধৈর্য ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় মোতায়েন সেনাসদস্যদের কার্যক্রম তিনি সরেজমিন পরিদর্শন করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

৩০ মার্চ, ২০২৬ ১১:৪৮
প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই)-এর সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বরখাস্ত) মো. আফজাল নাছেরকে (৬১) গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
সোমবার (৩০ মার্চ) ভোরে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস-এর একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আফজাল নাছের ২০০৭ সালের এক-এগারো সরকারের সময় ডিজিএফআইয়ের প্রভাবশালী কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
ডিবির একটি সূত্র গণমাধ্যমকে জানায়, এক-এগারোর অন্যতম প্রধান কুশীলব হিসেবে পরিচিত সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে জিজ্ঞাসাবাদের সূত্র ধরে আফজাল নাছেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে ওয়ান-ইলেভেনের সময় সরকারের দুই কুশীলব, বিতর্কিত সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে গ্রেপ্তার করে ডিবি।
তারা বর্তমানে ডিবির রিমান্ডে রয়েছেন। গ্রেপ্তার মো. আফজাল নাছের ২০০৭ সালের জুন থেকে ২০০৮ সালের মার্চ পর্যন্ত ডিজিএফআইয়ে দায়িত্বরত ছিলেন।
প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই)-এর সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বরখাস্ত) মো. আফজাল নাছেরকে (৬১) গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
সোমবার (৩০ মার্চ) ভোরে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস-এর একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আফজাল নাছের ২০০৭ সালের এক-এগারো সরকারের সময় ডিজিএফআইয়ের প্রভাবশালী কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
ডিবির একটি সূত্র গণমাধ্যমকে জানায়, এক-এগারোর অন্যতম প্রধান কুশীলব হিসেবে পরিচিত সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে জিজ্ঞাসাবাদের সূত্র ধরে আফজাল নাছেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে ওয়ান-ইলেভেনের সময় সরকারের দুই কুশীলব, বিতর্কিত সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে গ্রেপ্তার করে ডিবি।
তারা বর্তমানে ডিবির রিমান্ডে রয়েছেন। গ্রেপ্তার মো. আফজাল নাছের ২০০৭ সালের জুন থেকে ২০০৮ সালের মার্চ পর্যন্ত ডিজিএফআইয়ে দায়িত্বরত ছিলেন।

২৬ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৪২
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নবনিযুক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধে তিনি অন্যান্য আইন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এর আগে বুধবার (২৫ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলকে দেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়।
বরিশাল টাইমস
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নবনিযুক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধে তিনি অন্যান্য আইন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এর আগে বুধবার (২৫ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলকে দেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়।
বরিশাল টাইমস

২৬ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৪
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) পাঠানো বার্তায় শি জিনপিং বলেন, চীন ও বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী, বিশ্বস্ত বন্ধু এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশ সবসময় পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমতা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রেখে রাষ্ট্র-রাষ্ট্র সম্পর্কের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
চীনের রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, তিনি চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেন এবং দুই দেশের রাজনৈতিক আস্থা আরও গভীর করা, ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্ব জোরদার করা, বিভিন্ন ক্ষেত্রে উচ্চমানের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করতে একসঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।
এদিকে একই উপলক্ষে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পৃথক অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন। এ ছাড়া চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) পাঠানো বার্তায় শি জিনপিং বলেন, চীন ও বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী, বিশ্বস্ত বন্ধু এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশ সবসময় পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমতা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রেখে রাষ্ট্র-রাষ্ট্র সম্পর্কের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
চীনের রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, তিনি চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেন এবং দুই দেশের রাজনৈতিক আস্থা আরও গভীর করা, ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্ব জোরদার করা, বিভিন্ন ক্ষেত্রে উচ্চমানের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করতে একসঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।
এদিকে একই উপলক্ষে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পৃথক অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন। এ ছাড়া চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস