
০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৬
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী। নির্বাচন কমিশন, সরকার, প্রশাসন, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনী— সবাই এ বিষয়ে ঐকান্তিক। সুতরাং, নির্বাচন না হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য বিকাশের মতো মাধ্যমে কিছু অর্থের লেনদেন বা ‘মানি ট্রানজেকশন’ হতে পারে। এ বিষয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলেছি।
সেনাপ্রধান বলেন, প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় (কনস্টিটিউয়েন্সি) কিছু অপরাধী থাকতে পারে যারা ইলেকশন ডে-তে ব্যালট ছিনতাই বা ‘রিগিং’ করা এবং ভোটারদের পোলিং স্টেশনে যেতে বাধা দেওয়ার মতো অপকর্ম করতে পারে। আশা করি, আমাদের বাহিনী এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
তিনি আরও বলেন, অপরাধ অনুযায়ী আপনাদের হয় ডিটেনশন (আটক), না হয় মামলা— যেটি প্রয়োজন সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সভায় আসন্ন জাতীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়।
এর আগে গতকাল রোববার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ উপলক্ষে ময়মনসিংহ সফর করেন সেনাবাহিনী প্রধান। এ সময় নির্বাচন ও গণভোটকে শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পেশাদারি, শৃঙ্খলা ও নাগরিকবান্ধব আচরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় ও সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার কথাও বলেন।
সফরকালে তিনি ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের সম্মেলনকক্ষে ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও অসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।
মতবিনিময় সভায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা পরিকল্পনা, দায়িত্ব পালনে নিরপেক্ষতা এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় সেনাবাহিনী প্রধান পেশাদারি, ধৈর্য ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় মোতায়েন সেনাসদস্যদের কার্যক্রম তিনি সরেজমিন পরিদর্শন করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী। নির্বাচন কমিশন, সরকার, প্রশাসন, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনী— সবাই এ বিষয়ে ঐকান্তিক। সুতরাং, নির্বাচন না হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য বিকাশের মতো মাধ্যমে কিছু অর্থের লেনদেন বা ‘মানি ট্রানজেকশন’ হতে পারে। এ বিষয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলেছি।
সেনাপ্রধান বলেন, প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় (কনস্টিটিউয়েন্সি) কিছু অপরাধী থাকতে পারে যারা ইলেকশন ডে-তে ব্যালট ছিনতাই বা ‘রিগিং’ করা এবং ভোটারদের পোলিং স্টেশনে যেতে বাধা দেওয়ার মতো অপকর্ম করতে পারে। আশা করি, আমাদের বাহিনী এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
তিনি আরও বলেন, অপরাধ অনুযায়ী আপনাদের হয় ডিটেনশন (আটক), না হয় মামলা— যেটি প্রয়োজন সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সভায় আসন্ন জাতীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়।
এর আগে গতকাল রোববার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ উপলক্ষে ময়মনসিংহ সফর করেন সেনাবাহিনী প্রধান। এ সময় নির্বাচন ও গণভোটকে শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পেশাদারি, শৃঙ্খলা ও নাগরিকবান্ধব আচরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় ও সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার কথাও বলেন।
সফরকালে তিনি ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের সম্মেলনকক্ষে ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও অসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।
মতবিনিময় সভায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা পরিকল্পনা, দায়িত্ব পালনে নিরপেক্ষতা এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় সেনাবাহিনী প্রধান পেশাদারি, ধৈর্য ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় মোতায়েন সেনাসদস্যদের কার্যক্রম তিনি সরেজমিন পরিদর্শন করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

১৪ জুন, ২০২৬ ১৫:৫৪
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়।

০৯ জুন, ২০২৬ ১৩:২৬
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলের এই সাক্ষাৎ আজ (মঙ্গলবার) ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ কথা জানানো হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বিশেষ করে দু’দেশের মধ্যে সামরিক পর্যায়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিষয়ে তারা বিস্তারিত আলোচনা করেন।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এসময় বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রতিরক্ষা খাতে এই সহযোগিতা আগামী দিনে আরও বেগবান হবে বলেও আশা ব্যক্ত করেন।
এসময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব এবং শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
এই সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার প্রতিরক্ষা বিষয়ক সহযোগিতা এবং দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও সম্প্রসারিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলের এই সাক্ষাৎ আজ (মঙ্গলবার) ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ কথা জানানো হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বিশেষ করে দু’দেশের মধ্যে সামরিক পর্যায়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিষয়ে তারা বিস্তারিত আলোচনা করেন।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এসময় বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রতিরক্ষা খাতে এই সহযোগিতা আগামী দিনে আরও বেগবান হবে বলেও আশা ব্যক্ত করেন।
এসময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব এবং শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
এই সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার প্রতিরক্ষা বিষয়ক সহযোগিতা এবং দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও সম্প্রসারিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস

০৭ জুন, ২০২৬ ১১:৪৫
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে প্রথমে আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে আনা হয়। এরপর ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে আনা হয় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে। এসময় তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। রায় ঘোষণার আগে দুজনকেই এজলাসে তোলা হয়। বেলা ১১টার পর রায় পড়া শুরু করেন বিচারক।
এদিকে রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও তৎপর থাকতে দেখা গেছে।
গত ১৯ মে সকালে পল্লবীতে আলোচিত এই ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। পরদিন ২০ মে (১৯ মে দিবাগত রাত) ১২টা ৫ মিনিটে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের বিরুদ্ধে ভিকটিমকে ধর্ষণ করে মৃত্যু ঘটানো ও লাশ গুমে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়। এরপর তদন্তে মাঠে নামে পুলিশ। ঘটনার ৪ দিনের মাথায় ২৪ মে তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দেন। চার্জশিটে মোট ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়।
এর আগে, গত ৪ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজ দিন ধার্য করেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে নৃশংস এ ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় নজিরবিহীন গতিতে বিচার শেষ পর্যায়ে পৌঁছায়।
গত ১ জুন সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। ২ জুন শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। ওই দিন ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের জবানবন্দি ও জেরার মাধ্যমে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ করেন আদালত। পরে ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন আসামিরা।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। এ সময় তাকে কৌশলে নিজেদের বাসায় ডেকে নেন স্বপ্না। ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে সোহেলের দরজার সামনে মেয়ের জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সোহেলের শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং একটি বড় বালতির মধ্যে মাথা দেখতে পান। পরে জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরের মাধ্যমে কল পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে প্রথমে আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে আনা হয়। এরপর ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে আনা হয় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে। এসময় তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। রায় ঘোষণার আগে দুজনকেই এজলাসে তোলা হয়। বেলা ১১টার পর রায় পড়া শুরু করেন বিচারক।
এদিকে রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও তৎপর থাকতে দেখা গেছে।
গত ১৯ মে সকালে পল্লবীতে আলোচিত এই ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। পরদিন ২০ মে (১৯ মে দিবাগত রাত) ১২টা ৫ মিনিটে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের বিরুদ্ধে ভিকটিমকে ধর্ষণ করে মৃত্যু ঘটানো ও লাশ গুমে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়। এরপর তদন্তে মাঠে নামে পুলিশ। ঘটনার ৪ দিনের মাথায় ২৪ মে তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দেন। চার্জশিটে মোট ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়।
এর আগে, গত ৪ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজ দিন ধার্য করেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে নৃশংস এ ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় নজিরবিহীন গতিতে বিচার শেষ পর্যায়ে পৌঁছায়।
গত ১ জুন সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। ২ জুন শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। ওই দিন ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের জবানবন্দি ও জেরার মাধ্যমে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ করেন আদালত। পরে ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন আসামিরা।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। এ সময় তাকে কৌশলে নিজেদের বাসায় ডেকে নেন স্বপ্না। ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে সোহেলের দরজার সামনে মেয়ের জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সোহেলের শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং একটি বড় বালতির মধ্যে মাথা দেখতে পান। পরে জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরের মাধ্যমে কল পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.