
০৫ অক্টোবর, ২০২৫ ২০:১৭
ঝালকাঠিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। জেলার নলছিটি উপজেলার ১২৫ নং বাইতারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে পাওয়া এ অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত কাজ শুরু করেছে শিক্ষা বিভাগ।
গত বছরের (০১ জানুয়ারি) বরিশাল বিভাগীয় উপ-পরিচালক বরাবর ১৮ জন সাক্ষর করে এ অভিযোগটি করেন। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্বে অনিয়ম দুর্নীতি ও নির্যাতনের হাত থেকে এলাকাবাসীকে রক্ষার্থে সরজমিনে তদন্তের জন্য আসেন বরিশাল সদর উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষ অফিসার নাছির উদ্দিন খলিফা।
সম্প্রতি প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে উপজেলার সুবিদপুর ইউনিয়নের মজকুনী গ্রামের ১৮ জন বাসিন্দা নিজেদের স্বাক্ষরিত লিখিত অভিযোগ করেন। এরই মধ্যে দুই সদস্যবিশিষ্ট কমিটি অনিয়মের বিরুদ্বে তদন্ত শুরু করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে ওই স্কুলে কর্মরত আছেন। সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে তার নিজস্ব লোকজনকে নিয়ে স্কুলের বিদ্যোৎসাহী কমিটি গঠন করেছেন। ওই কমিটির সদস্যদের ছেলেমেয়েরা কেউ স্কুলের ছাত্রছাত্রী নয়।
এছাড়া প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে রয়েছে জমি দখলেরও অভিযোগ। স্থানীয় কবির হাওলাদারের জমি জোরপূর্বক দখল করে সেখানে একটি দোতলা ভবন নির্মাণ করছেন। ওই ভবনের ঠিকাদার অভিযুক্তের সঙ্গে যোগসাজশে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে ভবনের কাজ করছেন। ঠিকাদারের কাছে থেকে মোটা অঙ্কের টাকা ঘুস নিয়ে স্কুল কমিটির সদস্যদের নিয়ে ভাগবাটোয়ারা করা হয়েছে। স্কুলের বিভিন্ন খাতে আসা সরকারি অর্থও বণ্টন করা হয়। স্কুলের কোনো উন্নয়নমূলক কাজ করা হয় না।
তবে এই বিষয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। যার প্রমাণও আছে, এগুলো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির সদস্য কর্মকর্তা বরিশাল সদর উপজেলার প্রথমিক শিক্ষা অফিসার নাছির উদ্দিন খলিফা বলেন, আমরা বাদী-বিবাদীদের লিখিত ও মৌখিক বক্তব্য নিয়েছি। এর পাশাপশি প্রয়োজনীয় কিছু কাগজ সংগ্রহ করেছি। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’
ঝালকাঠিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। জেলার নলছিটি উপজেলার ১২৫ নং বাইতারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে পাওয়া এ অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত কাজ শুরু করেছে শিক্ষা বিভাগ।
গত বছরের (০১ জানুয়ারি) বরিশাল বিভাগীয় উপ-পরিচালক বরাবর ১৮ জন সাক্ষর করে এ অভিযোগটি করেন। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্বে অনিয়ম দুর্নীতি ও নির্যাতনের হাত থেকে এলাকাবাসীকে রক্ষার্থে সরজমিনে তদন্তের জন্য আসেন বরিশাল সদর উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষ অফিসার নাছির উদ্দিন খলিফা।
সম্প্রতি প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে উপজেলার সুবিদপুর ইউনিয়নের মজকুনী গ্রামের ১৮ জন বাসিন্দা নিজেদের স্বাক্ষরিত লিখিত অভিযোগ করেন। এরই মধ্যে দুই সদস্যবিশিষ্ট কমিটি অনিয়মের বিরুদ্বে তদন্ত শুরু করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে ওই স্কুলে কর্মরত আছেন। সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে তার নিজস্ব লোকজনকে নিয়ে স্কুলের বিদ্যোৎসাহী কমিটি গঠন করেছেন। ওই কমিটির সদস্যদের ছেলেমেয়েরা কেউ স্কুলের ছাত্রছাত্রী নয়।
এছাড়া প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে রয়েছে জমি দখলেরও অভিযোগ। স্থানীয় কবির হাওলাদারের জমি জোরপূর্বক দখল করে সেখানে একটি দোতলা ভবন নির্মাণ করছেন। ওই ভবনের ঠিকাদার অভিযুক্তের সঙ্গে যোগসাজশে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে ভবনের কাজ করছেন। ঠিকাদারের কাছে থেকে মোটা অঙ্কের টাকা ঘুস নিয়ে স্কুল কমিটির সদস্যদের নিয়ে ভাগবাটোয়ারা করা হয়েছে। স্কুলের বিভিন্ন খাতে আসা সরকারি অর্থও বণ্টন করা হয়। স্কুলের কোনো উন্নয়নমূলক কাজ করা হয় না।
তবে এই বিষয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। যার প্রমাণও আছে, এগুলো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির সদস্য কর্মকর্তা বরিশাল সদর উপজেলার প্রথমিক শিক্ষা অফিসার নাছির উদ্দিন খলিফা বলেন, আমরা বাদী-বিবাদীদের লিখিত ও মৌখিক বক্তব্য নিয়েছি। এর পাশাপশি প্রয়োজনীয় কিছু কাগজ সংগ্রহ করেছি। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’

০৮ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২৮
ঝালকাঠির পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে যোগদানের মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যেই ঢাকায় ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) থেকে আসা কর্মকর্তা মোহাম্মদ বদরুল আলম মোল্লাকে। পুলিশ মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) জরুরি তলবে সোমবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যায় তিনি ঢাকা ফিরে যান। ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে।
এর আগে ৫ জুলাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপসচিব তৌছিফ আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাকে ঝালকাঠির পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। সেই প্রজ্ঞাপনের আলোকে তিনি সোমবার বিকালে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
এদিকে,সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বদরুল আলম মোল্লার একটি কথোপকথনের অডিও ছড়িয়ে পড়ে। সাংবাদিক জাওয়াদ নির্ঝর তার ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, পুলিশ সুপার পদে নিয়োগকে কেন্দ্র করে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের বিষয় ওই অডিওতে উঠে এসেছে। তবে অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অভিযোগ অস্বীকার করে বদরুল আলম মোল্লা বললেন, ‘তার বদলি সম্পূর্ণ সরকারের সিদ্ধান্তে হয়েছে।এতে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন হয়নি। ভাইরাল হওয়া কল রেকর্ড বিকৃত ও বিভ্রান্তিকর এবং তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যেই এটি প্রচার করা হয়েছে।’
দৈনিক দেশ রূপান্তরের ঢাকা অফিসের সাংবাদিক হামিদের সঙ্গে তার কথোপকথনের একটি অংশ বিকৃতভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বর্তমানে ঝালকাঠির দায়িত্বে আছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বললেন, ‘আমাকে আপাতত ওয়েটিংয়ে রাখা হয়েছে। পরে জানানো হবে, কোন জেলায় দায়িত্ব দেওয়া হবে।’
এ বিষয়ে জানতে বরিশাল রেঞ্জের উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঝালকাঠির পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে যোগদানের মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যেই ঢাকায় ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) থেকে আসা কর্মকর্তা মোহাম্মদ বদরুল আলম মোল্লাকে। পুলিশ মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) জরুরি তলবে সোমবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যায় তিনি ঢাকা ফিরে যান। ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে।
এর আগে ৫ জুলাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপসচিব তৌছিফ আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাকে ঝালকাঠির পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। সেই প্রজ্ঞাপনের আলোকে তিনি সোমবার বিকালে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
এদিকে,সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বদরুল আলম মোল্লার একটি কথোপকথনের অডিও ছড়িয়ে পড়ে। সাংবাদিক জাওয়াদ নির্ঝর তার ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, পুলিশ সুপার পদে নিয়োগকে কেন্দ্র করে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের বিষয় ওই অডিওতে উঠে এসেছে। তবে অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অভিযোগ অস্বীকার করে বদরুল আলম মোল্লা বললেন, ‘তার বদলি সম্পূর্ণ সরকারের সিদ্ধান্তে হয়েছে।এতে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন হয়নি। ভাইরাল হওয়া কল রেকর্ড বিকৃত ও বিভ্রান্তিকর এবং তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যেই এটি প্রচার করা হয়েছে।’
দৈনিক দেশ রূপান্তরের ঢাকা অফিসের সাংবাদিক হামিদের সঙ্গে তার কথোপকথনের একটি অংশ বিকৃতভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বর্তমানে ঝালকাঠির দায়িত্বে আছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বললেন, ‘আমাকে আপাতত ওয়েটিংয়ে রাখা হয়েছে। পরে জানানো হবে, কোন জেলায় দায়িত্ব দেওয়া হবে।’
এ বিষয়ে জানতে বরিশাল রেঞ্জের উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

০৫ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৪৯
ঝালকাঠির নলছিটিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস সড়কের পাশের খাদে পড়ে গিয়ে বাসের সুপারভাইজার নিহত হয়েছেন। তবে বাসে থাকা অন্যান্য যাত্রীরা দ্রুত বের হয়ে আসতে সক্ষম হওয়ায় বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা এড়ানো গেছে। দুর্ঘটনার পর সাময়িকভাবে ঝালকাঠি-বরিশাল আঞ্চলিক মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। রোববার (৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নলছিটি উপজেলার পূর্ব রায়পুর বটতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল মেট্রো-১১-০০৭৩ নম্বরের নাহিদ সুপার পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থেকে যাত্রী নিয়ে বরিশালের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথে পূর্ব রায়পুর বটতলা এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাসকে ওভারটেক করার সময় দুই বাসের মাঝখানে একটি আলফা (থ্রি-হুইলার) চলে আসে। সেটিকে বাঁচাতে গিয়ে বাসচালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।
দুর্ঘটনার সময় বাসটির সুপারভাইজার বাসের নিচে চাপা পড়েন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহত সুপারভাইজারের পরিচয় জানা যায়নি।
ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাসুম ইফতেখার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছিল।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জান বরিশালটাইমসকে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বাসটি উদ্ধার করে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন যৌথভাবে কাজ করছে।
ঝালকাঠির নলছিটিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস সড়কের পাশের খাদে পড়ে গিয়ে বাসের সুপারভাইজার নিহত হয়েছেন। তবে বাসে থাকা অন্যান্য যাত্রীরা দ্রুত বের হয়ে আসতে সক্ষম হওয়ায় বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা এড়ানো গেছে। দুর্ঘটনার পর সাময়িকভাবে ঝালকাঠি-বরিশাল আঞ্চলিক মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। রোববার (৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নলছিটি উপজেলার পূর্ব রায়পুর বটতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল মেট্রো-১১-০০৭৩ নম্বরের নাহিদ সুপার পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থেকে যাত্রী নিয়ে বরিশালের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথে পূর্ব রায়পুর বটতলা এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাসকে ওভারটেক করার সময় দুই বাসের মাঝখানে একটি আলফা (থ্রি-হুইলার) চলে আসে। সেটিকে বাঁচাতে গিয়ে বাসচালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।
দুর্ঘটনার সময় বাসটির সুপারভাইজার বাসের নিচে চাপা পড়েন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহত সুপারভাইজারের পরিচয় জানা যায়নি।
ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাসুম ইফতেখার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছিল।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জান বরিশালটাইমসকে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বাসটি উদ্ধার করে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন যৌথভাবে কাজ করছে।

০৪ জুলাই, ২০২৬ ১৯:১৫
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় ফুটবল খেলা নিয়ে তর্কের জেরে এক যুবকের নাকের হাড় ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার ( ৩ জুলাই) বিকেলে কুলকাঠি ইউনিয়নের সরই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত যুবকের নাম হাসিবুল ইসলাম (২০)।তিনি বারইকরন গ্রামের ব্যবসায়ী কামাল হোসেনের ছেলে।
তাঁর পরিবারের অভিযোগ, ফুটবল খেলা নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে পাশের সরই গ্রামের আক্কেল আলী মোল্লার নাতি শুভ হোসেন তাঁকে ঘুষি মারেন। এতে হাসিবুল ইসলামের নাকে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে তাঁকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।চিকিৎসক জানান, তাঁর নাকের হাড় ভেঙে গেছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, আক্কেল আলী মোল্লার মেয়ের জামাই প্রবাসে থাকায় পরিবারটি আর্থিক প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছে। তাঁদের দাবি, এর আগেও বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে সংঘর্ষ ও মারধরের ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের নাম উঠে এসেছে।
এছাড়া অভিযুক্ত শুভর বিরুদ্ধে স্থানীয়ভাবে মাদকসেবনের অভিযোগও রয়েছে বলে কয়েকজন বাসিন্দা দাবি করেছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত বা তাঁর পরিবারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জান জানান, বিষয়টি আমাদের অবগত করা হয়েছে। আগে চিকিৎসা নিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় ফুটবল খেলা নিয়ে তর্কের জেরে এক যুবকের নাকের হাড় ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার ( ৩ জুলাই) বিকেলে কুলকাঠি ইউনিয়নের সরই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত যুবকের নাম হাসিবুল ইসলাম (২০)।তিনি বারইকরন গ্রামের ব্যবসায়ী কামাল হোসেনের ছেলে।
তাঁর পরিবারের অভিযোগ, ফুটবল খেলা নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে পাশের সরই গ্রামের আক্কেল আলী মোল্লার নাতি শুভ হোসেন তাঁকে ঘুষি মারেন। এতে হাসিবুল ইসলামের নাকে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে তাঁকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।চিকিৎসক জানান, তাঁর নাকের হাড় ভেঙে গেছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, আক্কেল আলী মোল্লার মেয়ের জামাই প্রবাসে থাকায় পরিবারটি আর্থিক প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছে। তাঁদের দাবি, এর আগেও বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে সংঘর্ষ ও মারধরের ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের নাম উঠে এসেছে।
এছাড়া অভিযুক্ত শুভর বিরুদ্ধে স্থানীয়ভাবে মাদকসেবনের অভিযোগও রয়েছে বলে কয়েকজন বাসিন্দা দাবি করেছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত বা তাঁর পরিবারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জান জানান, বিষয়টি আমাদের অবগত করা হয়েছে। আগে চিকিৎসা নিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
০৯ জুলাই, ২০২৬ ০০:১৭
০৮ জুলাই, ২০২৬ ২২:৩৬
০৮ জুলাই, ২০২৬ ২০:১৬
০৮ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৫১