ছবি: বরিশাল টাইমস
বরিশাল সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজে নবীনবরণ উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলাকালে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাত ১০টার দিকে কলেজের লাইব্রেরি সংলগ্ন এলাকায় এ সংঘর্ষ হয়। দুই পক্ষের মারামারি থামাতে গিয়ে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান খান আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে কলেজের লাইব্রেরির সামনে উচ্চমাধ্যমিক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ও কলেজ শাখা ছাত্রদলের কর্মীদের সঙ্গে বরিশাল বিএম কলেজের একদল ছাত্রদল কর্মীর কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অধ্যক্ষ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি আহত হন। সংঘর্ষের কারণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ব্যাহত হয় এবং দ্রুত শেষ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার কলেজের সামনে সিনিয়র-জুনিয়র বিরোধকে কেন্দ্র করে হাতেম আলী কলেজের উচ্চমাধ্যমিক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল কর্মী সিজানের অনুসারীদের সঙ্গে বিএম কলেজের ছাত্রদল কর্মী জিদানের অনুসারীদের সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনার জের ধরে বুধবার রাতেও দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।
সূত্র জানায়, নবীনবরণ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলাকালে বহিরাগত ছাত্রদল কর্মীদের একটি অংশ কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে। এ সময় সিজান ও জিদানের অনুসারীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। পরে রাত ১০টার দিকে কলেজের লাইব্রেরির সামনে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
হাতেম আলী কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. মোস্তাক সরদার শাওন বলেন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কনসার্টের শেষ দিকে কলেজের সামনের এলাকার ও লেকপাড়ের ছেলেদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কির সময় অধ্যক্ষের মাথায় আঘাত লাগে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তিনি দ্রুত বাড়ি চলে যান।
শাওন আরও বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ ব্যানারে ছাত্রদল এ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল।
কলেজের নবীনবরণ উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক নজমুল হক বলেন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শেষ দিকে কয়েকজন শিক্ষার্থী লাইব্রেরির পাশের ফুলের বাগানে ঘুষাঘুষিতে জড়িয়ে পড়েন। খবর পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে অধ্যক্ষের গালের ওপরের অংশ কেটে যায়। পরে তাঁকে দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান খানের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। হোয়াটসঅ্যাপেও যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়, তবে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ০২:৩১
আগামী ২৪ ঘণ্টায় বরিশালসহ দেশের তিন বিভাগে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় বরিশাল, খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। পূর্বাভাসটি দিয়েছেন আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল, খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা কম।
এদিকে, শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে বৃষ্টির উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনার কথা বলা হয়নি। এ সময়ে খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর প্রভাবে আগামী দুই দিন সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।
অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে পটুয়াখালীতে। একই সময়ে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ফরিদপুরে ৩৫ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়ায় ১৯ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আগামী ২৪ ঘণ্টায় বরিশালসহ দেশের তিন বিভাগে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় বরিশাল, খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। পূর্বাভাসটি দিয়েছেন আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল, খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা কম।
এদিকে, শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে বৃষ্টির উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনার কথা বলা হয়নি। এ সময়ে খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর প্রভাবে আগামী দুই দিন সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।
অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে পটুয়াখালীতে। একই সময়ে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ফরিদপুরে ৩৫ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়ায় ১৯ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

১৬ অক্টোবর, ২০২৬ ২২:১৬
একসময় কীর্তনখোলা নদীর তীরজুড়ে বিরাজ করত নৌযান নির্মাণের ব্যস্ততা। বিশাল আকৃতির যাত্রীবাহী লঞ্চ তৈরির মধ্য দিয়ে মুখর থাকত বরিশালের বিভিন্ন শিপইয়ার্ড। সময়ের পরিক্রমায় সেই কর্মচাঞ্চল্য এখন অনেকটাই স্তিমিত। নানা অর্থনৈতিক প্রতিবন্ধকতা, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং নৌপথে যাত্রীসংখ্যা হ্রাসের সম্মিলিত অভিঘাতে অস্তিত্বসংকটে পড়েছে বরিশালের ঐতিহ্যবাহী জাহাজ নির্মাণশিল্প।
স্থানীয়ভাবে প্রায় পাঁচ দশক ধরে এ শিল্পের অবকাঠামো একের পর এক বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। পদ্মা সেতু চালুর পর সড়কপথে যাতায়াতের প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় নৌপরিবহনে যাত্রীচাপ কমেছে বলে সংশ্লিষ্টদের অভিমত। একই সময়ে ইস্পাতসহ নির্মাণসামগ্রীর লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি উৎপাদনব্যয়কে অসহনীয় পর্যায়ে নিয়ে গেছে। ফলে কয়েকশ কোটি টাকার বিনিয়োগনির্ভর এ খাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে দেখা দিয়েছে গভীর অনিশ্চয়তা।
বরিশালে জাহাজ নির্মাণশিল্পের সূচনা হয়েছিল ষাটের দশকে, সুরভী শিপিং লাইন্সের প্রতিষ্ঠাতা ও লঞ্চ ব্যবসায়ী প্রয়াত গোলাম মাওলার উদ্যোগে। পরবর্তী সময়ে বেলতলা, দপদপিয়াসহ কীর্তনখোলার তীরবর্তী বিভিন্ন স্থানে গড়ে ওঠে একাধিক বৃহৎ শিপইয়ার্ড। সুরভী, সুন্দরবন, নিজাম, এম খান ও কে-কাদেরের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন ধরে দেশের নৌপরিবহন খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। ঢাকা-বরিশালসহ বিভিন্ন দূরপাল্লার নৌপথে চলাচলকারী বিলাসবহুল ডাবল ডেকার লঞ্চের উল্লেখযোগ্য অংশ নির্মিত হয়েছে এসব প্রতিষ্ঠানে। দেশের বৃহত্তম যাত্রীবাহী লঞ্চ হিসেবে পরিচিত ‘সুন্দরবন-১৬’-এর নির্মাণও এ শিল্পের সক্ষমতার পরিচায়ক।
একসময় বরিশালের শিপইয়ার্ডগুলোতে বছরে ছয়টিরও বেশি নতুন লঞ্চ নির্মাণ করা হতো। প্রতিটি নৌযান তৈরিতে ব্যয় হতো আনুমানিক ১৮ থেকে ২০ কোটি টাকা। কিন্তু ২০২২ সালে পদ্মা সেতু চালুর পর থেকে নতুন লঞ্চ নির্মাণের চাহিদা ক্রমশ সংকুচিত হতে থাকে। এর সঙ্গে যুক্ত হয় কাঁচামালের ঊর্ধ্বমূল্য ও পরিচালন ব্যয়ের চাপ। সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের শুরুর দিকে ‘এম খান-৭’ নদীতে নামার পর বরিশালের শিপইয়ার্ডগুলোতে নতুন নৌযান নির্মাণ কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী সুরভী শিপইয়ার্ডও পরিত্যক্ত অবস্থায় একপর্যায়ে নদীভাঙনের কবলে বিলীন হয়ে যায়।
বৃহৎ জাহাজ নির্মাণকেন্দ্রগুলোর পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৌযান নির্মাণ ও মেরামতনির্ভর ডকইয়ার্ডগুলোও অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে রয়েছে। নগরীর কেডিসি-সংলগ্ন চাঁদমারী এলাকা এবং সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত এসব প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশেই কাজের সংকট প্রকট। কিছু ডকইয়ার্ড সীমিত পরিসরে টিকে থাকলেও সেখানে নিয়মিত কর্মসংস্থানের সুযোগ প্রায় অনুপস্থিত।
শিল্পটির এই স্থবিরতার সবচেয়ে বড় অভিঘাত পড়েছে শ্রমজীবী মানুষের ওপর। সুন্দরবন শিপইয়ার্ডেই একসময় কর্মরত প্রায় দুই শতাধিক শ্রমিক কাজ হারিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে কারিগরি দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা অর্জন করা এসব কর্মীর অনেকেই এখন জীবিকা নির্বাহে হিমশিম খাচ্ছেন। বিকল্প কর্মসংস্থানের অভাবে তাঁদের কেউ কেউ পেশা পরিবর্তন করে দিনমজুরিতে যুক্ত হয়েছেন।
শিপইয়ার্ডের সাবেক শ্রমিক আসাদুজ্জামান জানান, দীর্ঘ সময় লঞ্চ নির্মাণের কাজে নিয়োজিত থাকার পর বর্তমানে তিনি কর্মহীন জীবনযাপন করছেন। তাঁর মতো অসংখ্য শ্রমিকের উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিবার-পরিজন নিয়ে তাঁরা চরম আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন।
একই দুরবস্থার কথা তুলে ধরেন রফিক নামের আরেক সাবেক শ্রমিক। তিনি জানান, কাজ বন্ধ হওয়ার পর সঞ্চিত অর্থ দিয়ে কয়েক মাস সংসার চালিয়েছিলেন। সেই অর্থ নিঃশেষ হয়ে যাওয়ার পর বর্তমানে একজন রাজমিস্ত্রির সহযোগী হিসেবে দিনমজুরির কাজ করছেন। পেশাগত দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও আগের কর্মক্ষেত্রে ফিরে যাওয়ার সুযোগ না থাকায় তাঁকে বিকল্প পেশা বেছে নিতে হয়েছে।
সুন্দরবন শিপইয়ার্ডের ব্যবস্থাপক সোহাগ হাওলাদারের মতে, পদ্মা সেতু চালুর পর নৌপথে যাত্রীসংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় নতুন লঞ্চ নির্মাণের কার্যাদেশ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। পাশাপাশি কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি উৎপাদন ব্যয় বাড়িয়ে দেওয়ায় বিনিয়োগকারীরা নতুন প্রকল্প গ্রহণে আগ্রহ হারাচ্ছেন। এ পরিস্থিতিতে শ্রমিকদের কর্মচ্যুত করা ছাড়া প্রতিষ্ঠানগুলোর সামনে কার্যকর বিকল্প ছিল না বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে, সুরভী শিপইয়ার্ডের পরিচালক রেজিন-উল কবির জানান, একসময়কার বৃহৎ নির্মাণকেন্দ্রটি দীর্ঘ আগেই বন্ধ হয়ে নদীভাঙনের কারণে বিলীন হয়েছে। নতুন নৌযান নির্মাণ বন্ধ থাকায় সংশ্লিষ্ট মালিকপক্ষকে বিপুল আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, বরিশালের জাহাজ নির্মাণশিল্পের পুনরুজ্জীবনে নৌপরিবহন খাতে চাহিদা বৃদ্ধি, নির্মাণসামগ্রীর মূল্য স্থিতিশীল রাখা, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং শ্রমিকদের বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা জরুরি। অন্যথায় দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য, বিপুল বিনিয়োগ ও দক্ষ জনশক্তিনির্ভর এ শিল্পের অবশিষ্ট অবকাঠামোও হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
একসময় কীর্তনখোলা নদীর তীরজুড়ে বিরাজ করত নৌযান নির্মাণের ব্যস্ততা। বিশাল আকৃতির যাত্রীবাহী লঞ্চ তৈরির মধ্য দিয়ে মুখর থাকত বরিশালের বিভিন্ন শিপইয়ার্ড। সময়ের পরিক্রমায় সেই কর্মচাঞ্চল্য এখন অনেকটাই স্তিমিত। নানা অর্থনৈতিক প্রতিবন্ধকতা, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং নৌপথে যাত্রীসংখ্যা হ্রাসের সম্মিলিত অভিঘাতে অস্তিত্বসংকটে পড়েছে বরিশালের ঐতিহ্যবাহী জাহাজ নির্মাণশিল্প।
স্থানীয়ভাবে প্রায় পাঁচ দশক ধরে এ শিল্পের অবকাঠামো একের পর এক বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। পদ্মা সেতু চালুর পর সড়কপথে যাতায়াতের প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় নৌপরিবহনে যাত্রীচাপ কমেছে বলে সংশ্লিষ্টদের অভিমত। একই সময়ে ইস্পাতসহ নির্মাণসামগ্রীর লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি উৎপাদনব্যয়কে অসহনীয় পর্যায়ে নিয়ে গেছে। ফলে কয়েকশ কোটি টাকার বিনিয়োগনির্ভর এ খাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে দেখা দিয়েছে গভীর অনিশ্চয়তা।
বরিশালে জাহাজ নির্মাণশিল্পের সূচনা হয়েছিল ষাটের দশকে, সুরভী শিপিং লাইন্সের প্রতিষ্ঠাতা ও লঞ্চ ব্যবসায়ী প্রয়াত গোলাম মাওলার উদ্যোগে। পরবর্তী সময়ে বেলতলা, দপদপিয়াসহ কীর্তনখোলার তীরবর্তী বিভিন্ন স্থানে গড়ে ওঠে একাধিক বৃহৎ শিপইয়ার্ড। সুরভী, সুন্দরবন, নিজাম, এম খান ও কে-কাদেরের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন ধরে দেশের নৌপরিবহন খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। ঢাকা-বরিশালসহ বিভিন্ন দূরপাল্লার নৌপথে চলাচলকারী বিলাসবহুল ডাবল ডেকার লঞ্চের উল্লেখযোগ্য অংশ নির্মিত হয়েছে এসব প্রতিষ্ঠানে। দেশের বৃহত্তম যাত্রীবাহী লঞ্চ হিসেবে পরিচিত ‘সুন্দরবন-১৬’-এর নির্মাণও এ শিল্পের সক্ষমতার পরিচায়ক।
একসময় বরিশালের শিপইয়ার্ডগুলোতে বছরে ছয়টিরও বেশি নতুন লঞ্চ নির্মাণ করা হতো। প্রতিটি নৌযান তৈরিতে ব্যয় হতো আনুমানিক ১৮ থেকে ২০ কোটি টাকা। কিন্তু ২০২২ সালে পদ্মা সেতু চালুর পর থেকে নতুন লঞ্চ নির্মাণের চাহিদা ক্রমশ সংকুচিত হতে থাকে। এর সঙ্গে যুক্ত হয় কাঁচামালের ঊর্ধ্বমূল্য ও পরিচালন ব্যয়ের চাপ। সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের শুরুর দিকে ‘এম খান-৭’ নদীতে নামার পর বরিশালের শিপইয়ার্ডগুলোতে নতুন নৌযান নির্মাণ কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী সুরভী শিপইয়ার্ডও পরিত্যক্ত অবস্থায় একপর্যায়ে নদীভাঙনের কবলে বিলীন হয়ে যায়।
বৃহৎ জাহাজ নির্মাণকেন্দ্রগুলোর পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৌযান নির্মাণ ও মেরামতনির্ভর ডকইয়ার্ডগুলোও অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে রয়েছে। নগরীর কেডিসি-সংলগ্ন চাঁদমারী এলাকা এবং সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত এসব প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশেই কাজের সংকট প্রকট। কিছু ডকইয়ার্ড সীমিত পরিসরে টিকে থাকলেও সেখানে নিয়মিত কর্মসংস্থানের সুযোগ প্রায় অনুপস্থিত।
শিল্পটির এই স্থবিরতার সবচেয়ে বড় অভিঘাত পড়েছে শ্রমজীবী মানুষের ওপর। সুন্দরবন শিপইয়ার্ডেই একসময় কর্মরত প্রায় দুই শতাধিক শ্রমিক কাজ হারিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে কারিগরি দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা অর্জন করা এসব কর্মীর অনেকেই এখন জীবিকা নির্বাহে হিমশিম খাচ্ছেন। বিকল্প কর্মসংস্থানের অভাবে তাঁদের কেউ কেউ পেশা পরিবর্তন করে দিনমজুরিতে যুক্ত হয়েছেন।
শিপইয়ার্ডের সাবেক শ্রমিক আসাদুজ্জামান জানান, দীর্ঘ সময় লঞ্চ নির্মাণের কাজে নিয়োজিত থাকার পর বর্তমানে তিনি কর্মহীন জীবনযাপন করছেন। তাঁর মতো অসংখ্য শ্রমিকের উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিবার-পরিজন নিয়ে তাঁরা চরম আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন।
একই দুরবস্থার কথা তুলে ধরেন রফিক নামের আরেক সাবেক শ্রমিক। তিনি জানান, কাজ বন্ধ হওয়ার পর সঞ্চিত অর্থ দিয়ে কয়েক মাস সংসার চালিয়েছিলেন। সেই অর্থ নিঃশেষ হয়ে যাওয়ার পর বর্তমানে একজন রাজমিস্ত্রির সহযোগী হিসেবে দিনমজুরির কাজ করছেন। পেশাগত দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও আগের কর্মক্ষেত্রে ফিরে যাওয়ার সুযোগ না থাকায় তাঁকে বিকল্প পেশা বেছে নিতে হয়েছে।
সুন্দরবন শিপইয়ার্ডের ব্যবস্থাপক সোহাগ হাওলাদারের মতে, পদ্মা সেতু চালুর পর নৌপথে যাত্রীসংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় নতুন লঞ্চ নির্মাণের কার্যাদেশ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। পাশাপাশি কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি উৎপাদন ব্যয় বাড়িয়ে দেওয়ায় বিনিয়োগকারীরা নতুন প্রকল্প গ্রহণে আগ্রহ হারাচ্ছেন। এ পরিস্থিতিতে শ্রমিকদের কর্মচ্যুত করা ছাড়া প্রতিষ্ঠানগুলোর সামনে কার্যকর বিকল্প ছিল না বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে, সুরভী শিপইয়ার্ডের পরিচালক রেজিন-উল কবির জানান, একসময়কার বৃহৎ নির্মাণকেন্দ্রটি দীর্ঘ আগেই বন্ধ হয়ে নদীভাঙনের কারণে বিলীন হয়েছে। নতুন নৌযান নির্মাণ বন্ধ থাকায় সংশ্লিষ্ট মালিকপক্ষকে বিপুল আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, বরিশালের জাহাজ নির্মাণশিল্পের পুনরুজ্জীবনে নৌপরিবহন খাতে চাহিদা বৃদ্ধি, নির্মাণসামগ্রীর মূল্য স্থিতিশীল রাখা, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং শ্রমিকদের বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা জরুরি। অন্যথায় দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য, বিপুল বিনিয়োগ ও দক্ষ জনশক্তিনির্ভর এ শিল্পের অবশিষ্ট অবকাঠামোও হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বরিশাল টাইমস

১৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:৩৬
বরিশালের গৌরনদীতে হানিফ পরিবহণের একটি যাত্রীবাহী বাসের চাপায় অপু মাঝি (২৮) নামে এক কাতার প্রবাসী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের তাঁরাকুপি গ্রামে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত অপু মাঝি গৌরনদী উপজেলার কটকস্থল গ্রামের ছালেক মাঝির ছেলে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা থেকে যাত্রী নিয়ে বরিশালের উদ্দেশে রওনা দেয় হানিফ পরিবহণের একটি বাস। সকাল ১০টার দিকে বাসটি গৌরনদীর তাঁরাকুপি এলাকা অতিক্রম করার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলকে চাপা দেয়।
এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে বাসের নিচে আটকে পড়ে। দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক অপু মাঝি ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
গৌরনদী হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রোমান মোল্লা জানান, দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। নিহতের স্বজনদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ তাঁদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।'
বরিশালের গৌরনদীতে হানিফ পরিবহণের একটি যাত্রীবাহী বাসের চাপায় অপু মাঝি (২৮) নামে এক কাতার প্রবাসী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের তাঁরাকুপি গ্রামে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত অপু মাঝি গৌরনদী উপজেলার কটকস্থল গ্রামের ছালেক মাঝির ছেলে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা থেকে যাত্রী নিয়ে বরিশালের উদ্দেশে রওনা দেয় হানিফ পরিবহণের একটি বাস। সকাল ১০টার দিকে বাসটি গৌরনদীর তাঁরাকুপি এলাকা অতিক্রম করার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলকে চাপা দেয়।
এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে বাসের নিচে আটকে পড়ে। দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক অপু মাঝি ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
গৌরনদী হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রোমান মোল্লা জানান, দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। নিহতের স্বজনদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ তাঁদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।'

১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:৪০
বরিশাল সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজে নবীনবরণ উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলাকালে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাত ১০টার দিকে কলেজের লাইব্রেরি সংলগ্ন এলাকায় এ সংঘর্ষ হয়। দুই পক্ষের মারামারি থামাতে গিয়ে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান খান আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে কলেজের লাইব্রেরির সামনে উচ্চমাধ্যমিক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ও কলেজ শাখা ছাত্রদলের কর্মীদের সঙ্গে বরিশাল বিএম কলেজের একদল ছাত্রদল কর্মীর কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অধ্যক্ষ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি আহত হন। সংঘর্ষের কারণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ব্যাহত হয় এবং দ্রুত শেষ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার কলেজের সামনে সিনিয়র-জুনিয়র বিরোধকে কেন্দ্র করে হাতেম আলী কলেজের উচ্চমাধ্যমিক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল কর্মী সিজানের অনুসারীদের সঙ্গে বিএম কলেজের ছাত্রদল কর্মী জিদানের অনুসারীদের সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনার জের ধরে বুধবার রাতেও দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।
সূত্র জানায়, নবীনবরণ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলাকালে বহিরাগত ছাত্রদল কর্মীদের একটি অংশ কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে। এ সময় সিজান ও জিদানের অনুসারীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। পরে রাত ১০টার দিকে কলেজের লাইব্রেরির সামনে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
হাতেম আলী কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. মোস্তাক সরদার শাওন বলেন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কনসার্টের শেষ দিকে কলেজের সামনের এলাকার ও লেকপাড়ের ছেলেদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কির সময় অধ্যক্ষের মাথায় আঘাত লাগে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তিনি দ্রুত বাড়ি চলে যান।
শাওন আরও বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ ব্যানারে ছাত্রদল এ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল।
কলেজের নবীনবরণ উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক নজমুল হক বলেন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শেষ দিকে কয়েকজন শিক্ষার্থী লাইব্রেরির পাশের ফুলের বাগানে ঘুষাঘুষিতে জড়িয়ে পড়েন। খবর পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে অধ্যক্ষের গালের ওপরের অংশ কেটে যায়। পরে তাঁকে দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান খানের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। হোয়াটসঅ্যাপেও যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়, তবে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ০২:৪৮
১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ০২:৩১
১৬ অক্টোবর, ২০২৬ ২২:১৬
১৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:৩৬