০৭ অক্টোবর, ২০২৫ ১৪:৫৬
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া পাঁচ জেলে ফিরে এসেছেন কুয়াকাটায়। আট দিন পর সুন্দরবনের গহীন এলাকা থেকে জীবিত ফিরে আসায় স্বস্তি ফিরেছে জেলে পরিবারগুলোতে।
সোমবার (৬ অক্টোবর) রাতে মিলন বিশ্বাস, মিরাজ বিশ্বাস, রায়হান হাওলাদার, কাইয়ুম ও ইউনুস এই পাঁচ জেলে বাড়ি ফিরলে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে খুশির সংবাদ।
জেলে মিলন বিশ্বাস বলেন, ২৮ সেপ্টেম্বর সকালে লাল রঙের ফাইবার বোটে করে আমরা বঙ্গোপসাগরে যাই। হঠাৎ শুরু হওয়া ঝড় আর উত্তাল ঢেউয়ে আমাদের ট্রলার ভেসে চলে যায় সুন্দরবনের দিকে। ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে যাওয়ায় আমরা পুরোপুরি আটকে পড়ি। আশপাশে কোনো মানুষ নেই, মোবাইলের নেটওয়ার্কও ছিল না।
বিজ্ঞাপন
জেলে রায়হান হাওলাদার বলেন, জীবনের ঝুঁকি মাথায় নিয়ে এক সময় ট্রলারের ইঞ্জিন নিজে হাতে মেরামত করা শুরু করি। পানি, খাবার ও নিরাপত্তাহীনতায় কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত ছিল বেঁচে থাকার লড়াই। শেষমেশ নিজেদের প্রচেষ্টায় ফিরে আসি নিরাপদে।
কুয়াকাটা নৌ পুলিশের ইনচার্জ বিকাশ মন্ডল বলেন, নিখোঁজ হওয়া পাঁচ জেলেকে খুঁজতে আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। কোস্টগার্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে অভিযান শুরু করেছিলাম। কিন্তু ইতিমধ্যেই স্বস্থির খবর চলে এসেছে,নিখোঁজ হওয়া পাঁচ জেলেকে জীবিত ফিরে এসেছে। মূলত তাদের ট্রলারের ইঞ্জিন ত্রুটির কারণে তারা নিখোঁজ হয়েছিল।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া পাঁচ জেলে ফিরে এসেছেন কুয়াকাটায়। আট দিন পর সুন্দরবনের গহীন এলাকা থেকে জীবিত ফিরে আসায় স্বস্তি ফিরেছে জেলে পরিবারগুলোতে।
সোমবার (৬ অক্টোবর) রাতে মিলন বিশ্বাস, মিরাজ বিশ্বাস, রায়হান হাওলাদার, কাইয়ুম ও ইউনুস এই পাঁচ জেলে বাড়ি ফিরলে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে খুশির সংবাদ।
জেলে মিলন বিশ্বাস বলেন, ২৮ সেপ্টেম্বর সকালে লাল রঙের ফাইবার বোটে করে আমরা বঙ্গোপসাগরে যাই। হঠাৎ শুরু হওয়া ঝড় আর উত্তাল ঢেউয়ে আমাদের ট্রলার ভেসে চলে যায় সুন্দরবনের দিকে। ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে যাওয়ায় আমরা পুরোপুরি আটকে পড়ি। আশপাশে কোনো মানুষ নেই, মোবাইলের নেটওয়ার্কও ছিল না।
বিজ্ঞাপন
জেলে রায়হান হাওলাদার বলেন, জীবনের ঝুঁকি মাথায় নিয়ে এক সময় ট্রলারের ইঞ্জিন নিজে হাতে মেরামত করা শুরু করি। পানি, খাবার ও নিরাপত্তাহীনতায় কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত ছিল বেঁচে থাকার লড়াই। শেষমেশ নিজেদের প্রচেষ্টায় ফিরে আসি নিরাপদে।
কুয়াকাটা নৌ পুলিশের ইনচার্জ বিকাশ মন্ডল বলেন, নিখোঁজ হওয়া পাঁচ জেলেকে খুঁজতে আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। কোস্টগার্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে অভিযান শুরু করেছিলাম। কিন্তু ইতিমধ্যেই স্বস্থির খবর চলে এসেছে,নিখোঁজ হওয়া পাঁচ জেলেকে জীবিত ফিরে এসেছে। মূলত তাদের ট্রলারের ইঞ্জিন ত্রুটির কারণে তারা নিখোঁজ হয়েছিল।

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৩
ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে ভোলার মেঘনা-তেতুলিয়া নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরার ওপর ২ মাসের সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকা সত্ত্বেও আসন্ন পহেলা বৈশাখকে ঘিরে ইলিশ ধরার মহোৎসবে মেতেছেন অসাধু জেলেরা।
এসব মাছ আবার প্রকাশ্যে হাঁকডাকে বিক্রি হচ্ছে নদী তীরবর্তী মাছঘাটগুলোতে ও বাজারে। এছাড়া আড়তদার ও বেপারীদের মাধ্যমে এসব ইলিশ চলে যাচ্ছে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়। দামও বেশ চড়া। তবে জেলেরা বলছেন, পেটের দায়ে পহেলা বৈশাখকে ঘিরে অতিরিক্ত মুনাফার আশায় অভিযানের মধ্যে প্রশাসনের জেল-জরিমানাকে উপেক্ষা করেই মাছ শিকার করছেন তারা।
সরেজমিনে ভোলা সদর উপজেলার মেঘনা নদীর তীরবর্তী ইলিশা চডার মাথা,তুলাতুলি ও ভোলারখাল ঘুরে দেখা যায়, হাজার হাজার জেলে জাল-ট্রলার নিয়ে নদীতে গিয়ে অবাধে মাছ ধরছে। কেউ জাল ফেলছেন, আবার কেউ টানছেন। আবার কোনো প্রকার বাঁধাবিপত্তি ছাড়াই এসব মাছ নদী তীরবর্তী মাছের আড়ৎগুলোতে প্রকাশ্যে হাঁকডাকে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে প্রশ্ন উঠছে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন নিয়ে।
মাছ ধরা শেষে জাল-ট্রলার ও ভাগীদের নিয়ে তীরে ফেরা লিটন মাঝি, সেরাজুল মাঝি সোহাগ মাঝি ও রাকিব মাঝি ঢাকা পোস্টকে বলেন, গত ১মার্চ থেকে নদীতে মাছ ধরার উপর সরকার অভিযান দিয়েছে,অভিযান মেনে এতোদিন খেয়ে না খেয়ে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে ঘরেই বসে ছিলাম। সরকার যে পরিমাণ চাল দিয়েছে তা আমাদের চাহিদার তুলনায় নামমাত্র। ঘরে খাবার না থাকায় বাধ্য হয়েই নদীতে গিয়েছি। সামনে পহেলা বৈশাখ আসতেছে, ইলিশের দাম অন্যান্য সময়ের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ, এর জন্য নদীতে গিয়ে মাছ ধরেছি। তবে নদীতে গিয়ে কাঙ্খিত পরিমাণে ইলিশ পাইনি।
আড়তে মাছ বিক্রির পর হিসাব মেলানো জেলে দুলাল, জুয়েল, ইব্রাহিম ও নাসির বলেন, পহেলা বৈশাখকে ঘিরে আড়তে ইলিশের দাম বেশি পাওয়ায় খরচের তুলনায় দুই তৃতীয়াংশ লাভ হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরেই দাম চড়া। আসলে নদীতে মাছ ধরতে না পারলে সংসার চলে না। পেটের দায়ে অভিযানের মধ্যে নদীতে গেলেও মাঝে মধ্যে প্রশাসন অভিযান চালিয়ে আমাদেরকে আটক করে জেল-জরিমানা করেন। তারপরও জেল-জরিমানার ঝুঁকি নিয়ে নদীতে যেতে হয়, না গিয়ে কী করব?
তবে কয়েকজন আড়তদার বলেন, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ইলিশের চাহিদা বেশি থাকলেও সরবরাহ কম,ফলে দামও বেশি। এক কেজি ওজনের প্রতি কেজি ইলিশ সাড়ে ৩ হাজার টাকা,৭৫০ গ্রাম ওজনের ২ হাজার ৭০০ টাকা ও ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ এক হাজার ৭০০ টাকা করে আড়তে বেচাকেনা চলছে।
টানা দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে নদীতে নিয়মিত টহল ও মোবাইল কোর্ট চালানো হচ্ছে বলে জানান ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, পহেলা বৈশাখকে ঘিরে কেউ আইন অমান্য করে ইলিশ শিকার করলে অভিযান চালিয়ে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
এদিকে গত ১ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এ নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকবে আগামী ৩০ এপ্রিল দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত। এ নিষেধাজ্ঞা আওতায় রয়েছে ভোলার মেঘনা তেতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকা।’
ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে ভোলার মেঘনা-তেতুলিয়া নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরার ওপর ২ মাসের সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকা সত্ত্বেও আসন্ন পহেলা বৈশাখকে ঘিরে ইলিশ ধরার মহোৎসবে মেতেছেন অসাধু জেলেরা।
এসব মাছ আবার প্রকাশ্যে হাঁকডাকে বিক্রি হচ্ছে নদী তীরবর্তী মাছঘাটগুলোতে ও বাজারে। এছাড়া আড়তদার ও বেপারীদের মাধ্যমে এসব ইলিশ চলে যাচ্ছে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়। দামও বেশ চড়া। তবে জেলেরা বলছেন, পেটের দায়ে পহেলা বৈশাখকে ঘিরে অতিরিক্ত মুনাফার আশায় অভিযানের মধ্যে প্রশাসনের জেল-জরিমানাকে উপেক্ষা করেই মাছ শিকার করছেন তারা।
সরেজমিনে ভোলা সদর উপজেলার মেঘনা নদীর তীরবর্তী ইলিশা চডার মাথা,তুলাতুলি ও ভোলারখাল ঘুরে দেখা যায়, হাজার হাজার জেলে জাল-ট্রলার নিয়ে নদীতে গিয়ে অবাধে মাছ ধরছে। কেউ জাল ফেলছেন, আবার কেউ টানছেন। আবার কোনো প্রকার বাঁধাবিপত্তি ছাড়াই এসব মাছ নদী তীরবর্তী মাছের আড়ৎগুলোতে প্রকাশ্যে হাঁকডাকে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে প্রশ্ন উঠছে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন নিয়ে।
মাছ ধরা শেষে জাল-ট্রলার ও ভাগীদের নিয়ে তীরে ফেরা লিটন মাঝি, সেরাজুল মাঝি সোহাগ মাঝি ও রাকিব মাঝি ঢাকা পোস্টকে বলেন, গত ১মার্চ থেকে নদীতে মাছ ধরার উপর সরকার অভিযান দিয়েছে,অভিযান মেনে এতোদিন খেয়ে না খেয়ে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে ঘরেই বসে ছিলাম। সরকার যে পরিমাণ চাল দিয়েছে তা আমাদের চাহিদার তুলনায় নামমাত্র। ঘরে খাবার না থাকায় বাধ্য হয়েই নদীতে গিয়েছি। সামনে পহেলা বৈশাখ আসতেছে, ইলিশের দাম অন্যান্য সময়ের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ, এর জন্য নদীতে গিয়ে মাছ ধরেছি। তবে নদীতে গিয়ে কাঙ্খিত পরিমাণে ইলিশ পাইনি।
আড়তে মাছ বিক্রির পর হিসাব মেলানো জেলে দুলাল, জুয়েল, ইব্রাহিম ও নাসির বলেন, পহেলা বৈশাখকে ঘিরে আড়তে ইলিশের দাম বেশি পাওয়ায় খরচের তুলনায় দুই তৃতীয়াংশ লাভ হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরেই দাম চড়া। আসলে নদীতে মাছ ধরতে না পারলে সংসার চলে না। পেটের দায়ে অভিযানের মধ্যে নদীতে গেলেও মাঝে মধ্যে প্রশাসন অভিযান চালিয়ে আমাদেরকে আটক করে জেল-জরিমানা করেন। তারপরও জেল-জরিমানার ঝুঁকি নিয়ে নদীতে যেতে হয়, না গিয়ে কী করব?
তবে কয়েকজন আড়তদার বলেন, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ইলিশের চাহিদা বেশি থাকলেও সরবরাহ কম,ফলে দামও বেশি। এক কেজি ওজনের প্রতি কেজি ইলিশ সাড়ে ৩ হাজার টাকা,৭৫০ গ্রাম ওজনের ২ হাজার ৭০০ টাকা ও ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ এক হাজার ৭০০ টাকা করে আড়তে বেচাকেনা চলছে।
টানা দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে নদীতে নিয়মিত টহল ও মোবাইল কোর্ট চালানো হচ্ছে বলে জানান ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, পহেলা বৈশাখকে ঘিরে কেউ আইন অমান্য করে ইলিশ শিকার করলে অভিযান চালিয়ে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
এদিকে গত ১ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এ নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকবে আগামী ৩০ এপ্রিল দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত। এ নিষেধাজ্ঞা আওতায় রয়েছে ভোলার মেঘনা তেতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকা।’

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩২
আইনজীবীদের একমাত্র নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আসন্ন নির্বাচনে কারাগার থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নিতে চান সাবেক সংসদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।
রোববার (১২ এপ্রিল) নির্বাচনে প্রার্থী হতে মনোনয়ন ফরমে তার স্বাক্ষরের অনুমতি চেয়ে ঢাকার জেলা প্রশাসক (ডিসি) বরাবর আবেদন করা হয়েছে। ব্যারিস্টার সুমনের পক্ষে তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট লিটন আহমেদ এই আবেদনটি জমা দেন।
জানা গেছে, আগামী ১৯ মে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারিত হয়েছে। এই নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় আগামী ১৬ এপ্রিল। যেহেতু ব্যারিস্টার সুমন বর্তমানে কারাবন্দি, তাই নির্বাচনি ফরমে তার স্বাক্ষর নেওয়ার জন্য জেল কোড অনুযায়ী জেলা প্রশাসকের অনুমতি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ প্রয়োজন।
এ বিষয়ে আইনজীবী লিটন আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, ব্যারিস্টার সুমন বার কাউন্সিল নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী। প্রার্থী হওয়ার জন্য নির্বাচনি ফরমে তার স্বাক্ষর প্রয়োজন। এ কারণেই আজ ঢাকার জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন জানানো হয়েছে যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে তার স্বাক্ষর সংগ্রহের ব্যবস্থা করা যায়।
এর আগে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর সরকার পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ২২ অক্টোবর রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার হন ব্যারিস্টার সুমন। হবিগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক এই সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে বর্তমানে আটটি মামলা রয়েছে বলেও জানা গেছে। কারাগারে থেকেও আইন পেশাজীবীদের সবচেয়ে বড় ও শীর্ষ সংগঠনের নির্বাচনে লড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।
আইনজীবীদের একমাত্র নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আসন্ন নির্বাচনে কারাগার থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নিতে চান সাবেক সংসদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।
রোববার (১২ এপ্রিল) নির্বাচনে প্রার্থী হতে মনোনয়ন ফরমে তার স্বাক্ষরের অনুমতি চেয়ে ঢাকার জেলা প্রশাসক (ডিসি) বরাবর আবেদন করা হয়েছে। ব্যারিস্টার সুমনের পক্ষে তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট লিটন আহমেদ এই আবেদনটি জমা দেন।
জানা গেছে, আগামী ১৯ মে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারিত হয়েছে। এই নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় আগামী ১৬ এপ্রিল। যেহেতু ব্যারিস্টার সুমন বর্তমানে কারাবন্দি, তাই নির্বাচনি ফরমে তার স্বাক্ষর নেওয়ার জন্য জেল কোড অনুযায়ী জেলা প্রশাসকের অনুমতি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ প্রয়োজন।
এ বিষয়ে আইনজীবী লিটন আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, ব্যারিস্টার সুমন বার কাউন্সিল নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী। প্রার্থী হওয়ার জন্য নির্বাচনি ফরমে তার স্বাক্ষর প্রয়োজন। এ কারণেই আজ ঢাকার জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন জানানো হয়েছে যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে তার স্বাক্ষর সংগ্রহের ব্যবস্থা করা যায়।
এর আগে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর সরকার পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ২২ অক্টোবর রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার হন ব্যারিস্টার সুমন। হবিগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক এই সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে বর্তমানে আটটি মামলা রয়েছে বলেও জানা গেছে। কারাগারে থেকেও আইন পেশাজীবীদের সবচেয়ে বড় ও শীর্ষ সংগঠনের নির্বাচনে লড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২২
ঝালকাঠির নলছিটিতে দুর্বৃত্তের হামলায় ইকবাল হোসেন (৪৫) নামের এক মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
রোববার (১২ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে স্থানীয় খাগড়াখানা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে দুর্বৃত্তরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। পরে রাতে বরিশাল শেবাচিমে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত ইকবাল হোসেন উপজেলার নাচনমহল ইউনিয়নের খাগড়াখানা গ্রামের আজহার আলী হাওলাদারের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয়রা জানায়, নিহত ইকবাল হোসেন বেশ কয়েক বছর ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন। রাতে কে বা কারা তাকে খাগড়াখানা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে নলছিটি থানার ওসি (তদন্ত) আশরাফ আলী জানান, মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকে কুপিয়ে ফেলে রাখার খবর পেয়ে পুলিশ আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করে। পরে বরিশাল শেবাচিমে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
বরিশাল টাইমস
ঝালকাঠির নলছিটিতে দুর্বৃত্তের হামলায় ইকবাল হোসেন (৪৫) নামের এক মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
রোববার (১২ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে স্থানীয় খাগড়াখানা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে দুর্বৃত্তরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। পরে রাতে বরিশাল শেবাচিমে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত ইকবাল হোসেন উপজেলার নাচনমহল ইউনিয়নের খাগড়াখানা গ্রামের আজহার আলী হাওলাদারের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয়রা জানায়, নিহত ইকবাল হোসেন বেশ কয়েক বছর ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন। রাতে কে বা কারা তাকে খাগড়াখানা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে নলছিটি থানার ওসি (তদন্ত) আশরাফ আলী জানান, মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকে কুপিয়ে ফেলে রাখার খবর পেয়ে পুলিশ আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করে। পরে বরিশাল শেবাচিমে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৩
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩২
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২২
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:১৮