
০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৬
নবম জাতীয় পে স্কেল দ্রুত ঘোষণার দাবিতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে অনুষ্ঠিত অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এ ঘটনায় ৩২ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।
জানা গেছে, দুপুরের দিকে যমুনার সামনে জমায়েত হওয়া আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে। এ সময় ৩২ জন আন্দোলনকারী আহত হন। আহতরা হলেন- আব্দুল হান্নান (৪৫) জয় দাস (৩৫) আব্দুল আউয়াল (৪০) তন্ময় (৩২) জাকারিয়া (৬০) সিকান্দার (৪০) ওসমান গনি (৪০) আব্দুল্লাহ (৩১) অভিজিৎ (৩৫) আজিম উদ্দিন (৫০) সাইম (২৮) রিপন (৩২) মনসুর শামীম (৪৮) ইয়াসমিন (৪০) আব্দুল কুদ্দুস (৬০) জুয়েল (৩৪) আমিরুল ইসলাম (৩৪)।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক বলেন, যমুনার সামনে থেকে প্রায় ৩২জন আহত হয়ে হাসপাতালে এসেছে। জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা চলছে।
এদিকে সংঘর্ষের ঘটনার পর যমুনা ভবন সংলগ্ন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে আশপাশের সড়কে যান চলাচল সীমিত রাখা হয়েছে। এছাড়া সার্বিক পরিস্থিতি বর্তমানে পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
নবম জাতীয় পে স্কেল দ্রুত ঘোষণার দাবিতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে অনুষ্ঠিত অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এ ঘটনায় ৩২ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।
জানা গেছে, দুপুরের দিকে যমুনার সামনে জমায়েত হওয়া আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে। এ সময় ৩২ জন আন্দোলনকারী আহত হন। আহতরা হলেন- আব্দুল হান্নান (৪৫) জয় দাস (৩৫) আব্দুল আউয়াল (৪০) তন্ময় (৩২) জাকারিয়া (৬০) সিকান্দার (৪০) ওসমান গনি (৪০) আব্দুল্লাহ (৩১) অভিজিৎ (৩৫) আজিম উদ্দিন (৫০) সাইম (২৮) রিপন (৩২) মনসুর শামীম (৪৮) ইয়াসমিন (৪০) আব্দুল কুদ্দুস (৬০) জুয়েল (৩৪) আমিরুল ইসলাম (৩৪)।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক বলেন, যমুনার সামনে থেকে প্রায় ৩২জন আহত হয়ে হাসপাতালে এসেছে। জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা চলছে।
এদিকে সংঘর্ষের ঘটনার পর যমুনা ভবন সংলগ্ন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে আশপাশের সড়কে যান চলাচল সীমিত রাখা হয়েছে। এছাড়া সার্বিক পরিস্থিতি বর্তমানে পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৫২
০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩০
০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২৪
০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৪

০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৩
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আমরা আমাদের ৩১ দফার মাধ্যমে একটি প্রস্তাব জাতির সামনে অনেক আগেই দিয়েছিলাম। সেই প্রস্তাবটি হচ্ছে— যিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন, তার পদের মেয়াদ ১০ বছরের বেশি হবে না।
পরবর্তীতে সরকার গঠিত রিফর্ম কমিশনের সঙ্গে অন্যান্য অনেক দল আলোচনা করেছে, কিন্তু এই প্রস্তাবটি সর্বপ্রথম বিএনপি দিয়েছিল। এটি নথিবদ্ধ (ডকুমেন্টেড)। কাজেই এই কৃতিত্ব অবশ্যই আমরা গ্রহণ করতে চাই। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ইনশাআল্লাহ আমরা সরকার গঠনে সক্ষম হলে অবশ্যই দেশের আইনের মধ্যে এই বিষয়টি প্রবর্তন করব যে, একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার কার্যকাল অতিবাহিত করতে পারবেন।
তিনি বলেন, সাংবিধানিক সংস্কারের অনেক বিষয় আছে। আমাদের অনেক কিছু হয়তো করা প্রয়োজন। একটি বিষয় নিয়ে সুশীল সমাজ ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন মহলে দীর্ঘদিনের আলোচনা ছিল— সেটি হচ্ছে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ।
এটি নিয়ে অনেক তর্ক-বিতর্ক ও বিতর্ক ছিল। ৩১ দফা যেদিন আমরা উপস্থাপন করি, সেখানে আমরা বলেছিলাম যে, অবশ্যই আমরা এই ৭০ অনুচ্ছেদ বিষয়টিকে পর্যায়ক্রমিকভাবে একটি যৌক্তিক অবস্থানে নিয়ে আসতে চাই। দুই-একটি বিষয় ছাড়া এটি সম্পূর্ণভাবে ধীরে ধীরে আমরা উন্মুক্ত করে দিতে চাই।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশকে যদি গণতান্ত্রিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে হয়, তাহলে যেকোনো মূল্যে গণতান্ত্রিক চর্চা অর্থাৎ ভোটাধিকার বা ভোটের বিষয়টি আমাদের অব্যাহত রাখতে হবে। অবশ্যই তা হতে হবে নিরপেক্ষ ভোট— যে ব্যবস্থার ওপর দেশের মানুষের পূর্ণ আস্থা থাকবে।
তারেক রহমান উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মানুষের মনে করার কারণ আছে যে ৯১, ৯৬ এবং ২০০১ সালের নির্বাচনের মতো নিরপেক্ষ নির্বাচনের নিশ্চয়তা একমাত্র অরাজনৈতিক সরকার অর্থাৎ তত্ত্বাবধায়ক সরকারই দিতে পারে।
সেজন্যই আমরা ৩১ দফা উপস্থাপনের সময় বলেছি যে, আমরা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে চাই। পরবর্তীতে বিষয়টি অনেকেই বলেছেন এবং বর্তমান সরকারের সংস্কার কমিশনেও এটি আলোচিত হয়েছে।
দলের একজন সদস্য হিসেবে আমি এই কৃতিত্ব নিতেই চাইব যে, বাংলাদেশে সর্বপ্রথম আমরাই এই কথাটি বলেছি। অর্থাৎ, স্বৈরাচারের সময়ে আজ থেকে প্রায় আড়াই বছর আগে যখন আমরা ৩১ দফা উপস্থাপন করি, সেখানে পরিষ্কারভাবে বলেছি— বিএনপি দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলে এবং সংসদে প্রয়োজনীয় শক্তি থাকলে আমরা অবশ্যই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করব।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আমরা আমাদের ৩১ দফার মাধ্যমে একটি প্রস্তাব জাতির সামনে অনেক আগেই দিয়েছিলাম। সেই প্রস্তাবটি হচ্ছে— যিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন, তার পদের মেয়াদ ১০ বছরের বেশি হবে না।
পরবর্তীতে সরকার গঠিত রিফর্ম কমিশনের সঙ্গে অন্যান্য অনেক দল আলোচনা করেছে, কিন্তু এই প্রস্তাবটি সর্বপ্রথম বিএনপি দিয়েছিল। এটি নথিবদ্ধ (ডকুমেন্টেড)। কাজেই এই কৃতিত্ব অবশ্যই আমরা গ্রহণ করতে চাই। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ইনশাআল্লাহ আমরা সরকার গঠনে সক্ষম হলে অবশ্যই দেশের আইনের মধ্যে এই বিষয়টি প্রবর্তন করব যে, একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার কার্যকাল অতিবাহিত করতে পারবেন।
তিনি বলেন, সাংবিধানিক সংস্কারের অনেক বিষয় আছে। আমাদের অনেক কিছু হয়তো করা প্রয়োজন। একটি বিষয় নিয়ে সুশীল সমাজ ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন মহলে দীর্ঘদিনের আলোচনা ছিল— সেটি হচ্ছে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ।
এটি নিয়ে অনেক তর্ক-বিতর্ক ও বিতর্ক ছিল। ৩১ দফা যেদিন আমরা উপস্থাপন করি, সেখানে আমরা বলেছিলাম যে, অবশ্যই আমরা এই ৭০ অনুচ্ছেদ বিষয়টিকে পর্যায়ক্রমিকভাবে একটি যৌক্তিক অবস্থানে নিয়ে আসতে চাই। দুই-একটি বিষয় ছাড়া এটি সম্পূর্ণভাবে ধীরে ধীরে আমরা উন্মুক্ত করে দিতে চাই।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশকে যদি গণতান্ত্রিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে হয়, তাহলে যেকোনো মূল্যে গণতান্ত্রিক চর্চা অর্থাৎ ভোটাধিকার বা ভোটের বিষয়টি আমাদের অব্যাহত রাখতে হবে। অবশ্যই তা হতে হবে নিরপেক্ষ ভোট— যে ব্যবস্থার ওপর দেশের মানুষের পূর্ণ আস্থা থাকবে।
তারেক রহমান উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মানুষের মনে করার কারণ আছে যে ৯১, ৯৬ এবং ২০০১ সালের নির্বাচনের মতো নিরপেক্ষ নির্বাচনের নিশ্চয়তা একমাত্র অরাজনৈতিক সরকার অর্থাৎ তত্ত্বাবধায়ক সরকারই দিতে পারে।
সেজন্যই আমরা ৩১ দফা উপস্থাপনের সময় বলেছি যে, আমরা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে চাই। পরবর্তীতে বিষয়টি অনেকেই বলেছেন এবং বর্তমান সরকারের সংস্কার কমিশনেও এটি আলোচিত হয়েছে।
দলের একজন সদস্য হিসেবে আমি এই কৃতিত্ব নিতেই চাইব যে, বাংলাদেশে সর্বপ্রথম আমরাই এই কথাটি বলেছি। অর্থাৎ, স্বৈরাচারের সময়ে আজ থেকে প্রায় আড়াই বছর আগে যখন আমরা ৩১ দফা উপস্থাপন করি, সেখানে পরিষ্কারভাবে বলেছি— বিএনপি দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলে এবং সংসদে প্রয়োজনীয় শক্তি থাকলে আমরা অবশ্যই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করব।

০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৪৩
জাতিসংঘের অধীনে শরিফ ওসমান হাদি হত্যার তদন্ত ও হত্যার ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে আন্দোলন করছে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা।
বিক্ষোভের অংশ হিসেবে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে যাওযার সময় পুলিশ তাদের ওপর জলকামান সাউন্ডন গ্রেনেড ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করলে সংগঠনটির সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ প্রায় ৪০ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল থেকে যমুনা অভিমুখে যাওয়ার সময় পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগিয়ে যেতে গেলে পুলিশ ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের বাধা দেয়।
এসময় আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান ও টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড নিক্ষেপ করে। এতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ অন্যরা আহত হয়। হাসপাতালে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা দাবি করেন, জাবেরের পায়ে গুলি করেছে পুলিশ।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল সমানে থেকে ইনকিলাব মঞ্চের প্রায় ৪০জন নেতাকর্মী আহত হয়ে হাসপাতালে এসেছে। জরুরী বিভাগে তাদের চিকিৎসা চলছে।
এদিকে ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজের এক পোস্টে বলা হয়ছে। আব্দুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমাকে পুলিশ বুট দিয়ে আঘাত করেছে।
এর আগে বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় থেকে যমুনা অভিমুখে যাওয়ার সময় পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগিয়ে গেলে নেতাকর্মীদের বাধা দেয় পুলিশ।
এসময় আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে। এছাড়া, বাংলামোটর মোড়ে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে একাধিকবার সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করতে দেখা যায়।
জাতিসংঘের অধীনে শরিফ ওসমান হাদি হত্যার তদন্ত ও হত্যার ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে আন্দোলন করছে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা।
বিক্ষোভের অংশ হিসেবে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে যাওযার সময় পুলিশ তাদের ওপর জলকামান সাউন্ডন গ্রেনেড ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করলে সংগঠনটির সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ প্রায় ৪০ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল থেকে যমুনা অভিমুখে যাওয়ার সময় পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগিয়ে যেতে গেলে পুলিশ ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের বাধা দেয়।
এসময় আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান ও টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড নিক্ষেপ করে। এতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ অন্যরা আহত হয়। হাসপাতালে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা দাবি করেন, জাবেরের পায়ে গুলি করেছে পুলিশ।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল সমানে থেকে ইনকিলাব মঞ্চের প্রায় ৪০জন নেতাকর্মী আহত হয়ে হাসপাতালে এসেছে। জরুরী বিভাগে তাদের চিকিৎসা চলছে।
এদিকে ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজের এক পোস্টে বলা হয়ছে। আব্দুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমাকে পুলিশ বুট দিয়ে আঘাত করেছে।
এর আগে বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় থেকে যমুনা অভিমুখে যাওয়ার সময় পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগিয়ে গেলে নেতাকর্মীদের বাধা দেয় পুলিশ।
এসময় আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে। এছাড়া, বাংলামোটর মোড়ে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে একাধিকবার সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করতে দেখা যায়।

০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪৮
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সারাদেশে আনসার-ভিডিপির ৫ লাখ ৬০ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জেলার আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর নির্বাচনী প্রস্তুতিমূলক সমাবেশ শেষে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক বলেন, ‘ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সারাদেশে ৫ লাখ ৬০ হাজার আনসার-ভিডিপি সদস্য মোতায়েত করা হবে। সে লক্ষে আমাদের সকলের নির্বাচনী প্রস্তুতি দরকার।
আনসার-ভিডিপি একমাত্র বাহিনী তারা নিয়মিত সদস্য নয়। সমাজে এরা সাধারণ জীবন–যাপন করে। শুধু রাষ্ট্রের প্রয়োজনে তাদের জীবন জীবিকা থেকে বের হয়ে রাষ্ট্রকে সেবা দেওয়ার জন্য আসে। প্রথমবারের মতো প্রতিটি জেলায় আমরা এ আয়োজন করছি।’
মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ আরও বলেন, ‘নির্বাচনে আনসার সদস্যরা মূল ভূমিকা পালন করবে। প্রতিটি কেন্দ্রে ১৩ জন করে আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবে।
নির্বাচন কমিশন মোতাবেক সুরক্ষা অ্যাপসের মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম হচ্ছে। প্রত্যেকটি ভোট কেন্দ্রে আমাদের ২ থেকে ৩ জনকে অ্যাপসে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
সুরক্ষা অ্যাপসে মাধ্যমে নির্বাচনের দিন কোন ঝামেলার রিপোর্ট দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মোবাইল ট্রাইকিং ফোর্স সক্রিয়ভাবই সেখানে হাজির হয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। সকল বাহিনীর সমন্বয়নে আমরা ডিজিটালি ও ফিজিকক্যালি সমন্বয়ন করেছি। এটিই উপজেলা পর্যায়ে ভালো ভূমিকা রাখবে।’
আনসারের মহাপরিচালক বলেন, ‘নির্বাচনী ভোট কেন্দ্রে রাজনৈতিক প্রভাব মুক্ত করতে সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। আমরা আগের প্রচলিত অনিয়মের ধারা থেকে বের হতে পেরেছি। যেই অনিয়ম করবে তাদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।’
এসময় জেলা আনসার-ভিডিপির জেলা কমান্ড্যান্ট রেজাউল ইসলামসহ বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত আনসারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, টাঙ্গাইলের ৮টি আসনে নির্বাচনী ১৩ হাজার ৫ শতাধিক আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবে।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সারাদেশে আনসার-ভিডিপির ৫ লাখ ৬০ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জেলার আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর নির্বাচনী প্রস্তুতিমূলক সমাবেশ শেষে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক বলেন, ‘ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সারাদেশে ৫ লাখ ৬০ হাজার আনসার-ভিডিপি সদস্য মোতায়েত করা হবে। সে লক্ষে আমাদের সকলের নির্বাচনী প্রস্তুতি দরকার।
আনসার-ভিডিপি একমাত্র বাহিনী তারা নিয়মিত সদস্য নয়। সমাজে এরা সাধারণ জীবন–যাপন করে। শুধু রাষ্ট্রের প্রয়োজনে তাদের জীবন জীবিকা থেকে বের হয়ে রাষ্ট্রকে সেবা দেওয়ার জন্য আসে। প্রথমবারের মতো প্রতিটি জেলায় আমরা এ আয়োজন করছি।’
মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ আরও বলেন, ‘নির্বাচনে আনসার সদস্যরা মূল ভূমিকা পালন করবে। প্রতিটি কেন্দ্রে ১৩ জন করে আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবে।
নির্বাচন কমিশন মোতাবেক সুরক্ষা অ্যাপসের মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম হচ্ছে। প্রত্যেকটি ভোট কেন্দ্রে আমাদের ২ থেকে ৩ জনকে অ্যাপসে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
সুরক্ষা অ্যাপসে মাধ্যমে নির্বাচনের দিন কোন ঝামেলার রিপোর্ট দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মোবাইল ট্রাইকিং ফোর্স সক্রিয়ভাবই সেখানে হাজির হয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। সকল বাহিনীর সমন্বয়নে আমরা ডিজিটালি ও ফিজিকক্যালি সমন্বয়ন করেছি। এটিই উপজেলা পর্যায়ে ভালো ভূমিকা রাখবে।’
আনসারের মহাপরিচালক বলেন, ‘নির্বাচনী ভোট কেন্দ্রে রাজনৈতিক প্রভাব মুক্ত করতে সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। আমরা আগের প্রচলিত অনিয়মের ধারা থেকে বের হতে পেরেছি। যেই অনিয়ম করবে তাদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।’
এসময় জেলা আনসার-ভিডিপির জেলা কমান্ড্যান্ট রেজাউল ইসলামসহ বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত আনসারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, টাঙ্গাইলের ৮টি আসনে নির্বাচনী ১৩ হাজার ৫ শতাধিক আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.