
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:১৬
বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট জোট সমর্থিত বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মনোনীত প্রার্থী আজমুল হাসান জিহাদ বলেছেন, ‘ওসমান হাদির হত্যাকে নির্বাচনী ট্রামকার্ড বানানো হয়েছে। এতেই প্রমাণ হয় ওসমান হাদির হত্যাকান্ডের সাথে বর্তমান সরকার জড়িত। হাদির মামলা এবং বিচারে কোনো অগ্রগতি নেই। অথচ সবাই এই হত্যাকে ব্যবহার করে ফায়দা হাসিল করতে ব্যস্ত। হাদিকে নিয়ে নির্বাচনী ব্যবসা বন্ধ করতে হবে।’ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বরিশালের বাবুগঞ্জে ১৬ দফার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ওই নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণাকালে তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য সংরক্ষণের অভাবে বাজার সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে যায়। কম দামে আড়ৎদার-মজুতদারের কাছে বিক্রি করতে বাধ্য হয়। আমাদের গ্রামের অধিকাংশ বাড়িতে এখন রেফ্রিজারেটর আছে। অথচ রাষ্ট্র কৃষকদের জন্য কোনো রেফ্রিজারেটর তথা হিমাগারের ব্যবস্থা করেনি। আমরা প্রতি ইউনিয়নে কৃষকদের জন্য একটি কোল্ডস্টোরেজ করতে চাই।’
বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির বরিশাল জেলা সভাপতি অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান সেলিমের সভাপতিত্বে ওই ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের কেন্দ্রীয় সহ-সধারণ সম্পাদক কমরেড রাজেকুজ্জামান রতন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ মকবুল হোসেন। এসময় বাসদসহ গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট জোটের কেন্দ্রীয় ও বরিশাল জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। নদীভাঙন, শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি, ভূমি, স্বাস্থ্য, তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বেকারত্ব দূরীকরণসহ বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনার ১৬ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন প্রার্থী আজমুল হাসান জিহাদ। এসময় উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।
নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের কেন্দ্রীয় সহ-সধারণ সম্পাদক কমরেড রাজেকুজ্জামান রতন বলেন, ‘এদেশে বাহান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত প্রতিটি আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছে তরুণ সমাজ। অথচ সবসময় তরুণদের ব্যবহার করা হয়েছে। তাদের প্রতারিত করা হয়েছে। বিগত সরকারের আমলে ভোটকে পণ্য বানিয়ে বিক্রি করা হয়েছে। সংসদকে ব্যবসায়ীদের একটি ক্লাবে পরিনত করা হয়েছে। এখন বিপুল কালো টাকা ছাড়া নির্বাচনের নাম মুখে নেওয়াও যেন পাপ। আমরা এই ধারার অবসান ঘটানোর জন্যই লড়াই করছি এবং ১৪৭ আসনের মধ্যে অধিকাংশ আসনেই আমরা তরুণদের মনোনয়ন দিয়েছি।'
নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করছেন বরিশাল-৩ আসনের বাসদ প্রার্থী আজমুল হাসান জিহাদ।
বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট জোট সমর্থিত বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মনোনীত প্রার্থী আজমুল হাসান জিহাদ বলেছেন, ‘ওসমান হাদির হত্যাকে নির্বাচনী ট্রামকার্ড বানানো হয়েছে। এতেই প্রমাণ হয় ওসমান হাদির হত্যাকান্ডের সাথে বর্তমান সরকার জড়িত। হাদির মামলা এবং বিচারে কোনো অগ্রগতি নেই। অথচ সবাই এই হত্যাকে ব্যবহার করে ফায়দা হাসিল করতে ব্যস্ত। হাদিকে নিয়ে নির্বাচনী ব্যবসা বন্ধ করতে হবে।’ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বরিশালের বাবুগঞ্জে ১৬ দফার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ওই নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণাকালে তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য সংরক্ষণের অভাবে বাজার সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে যায়। কম দামে আড়ৎদার-মজুতদারের কাছে বিক্রি করতে বাধ্য হয়। আমাদের গ্রামের অধিকাংশ বাড়িতে এখন রেফ্রিজারেটর আছে। অথচ রাষ্ট্র কৃষকদের জন্য কোনো রেফ্রিজারেটর তথা হিমাগারের ব্যবস্থা করেনি। আমরা প্রতি ইউনিয়নে কৃষকদের জন্য একটি কোল্ডস্টোরেজ করতে চাই।’
বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির বরিশাল জেলা সভাপতি অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান সেলিমের সভাপতিত্বে ওই ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের কেন্দ্রীয় সহ-সধারণ সম্পাদক কমরেড রাজেকুজ্জামান রতন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ মকবুল হোসেন। এসময় বাসদসহ গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট জোটের কেন্দ্রীয় ও বরিশাল জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। নদীভাঙন, শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি, ভূমি, স্বাস্থ্য, তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বেকারত্ব দূরীকরণসহ বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনার ১৬ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন প্রার্থী আজমুল হাসান জিহাদ। এসময় উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।
নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের কেন্দ্রীয় সহ-সধারণ সম্পাদক কমরেড রাজেকুজ্জামান রতন বলেন, ‘এদেশে বাহান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত প্রতিটি আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছে তরুণ সমাজ। অথচ সবসময় তরুণদের ব্যবহার করা হয়েছে। তাদের প্রতারিত করা হয়েছে। বিগত সরকারের আমলে ভোটকে পণ্য বানিয়ে বিক্রি করা হয়েছে। সংসদকে ব্যবসায়ীদের একটি ক্লাবে পরিনত করা হয়েছে। এখন বিপুল কালো টাকা ছাড়া নির্বাচনের নাম মুখে নেওয়াও যেন পাপ। আমরা এই ধারার অবসান ঘটানোর জন্যই লড়াই করছি এবং ১৪৭ আসনের মধ্যে অধিকাংশ আসনেই আমরা তরুণদের মনোনয়ন দিয়েছি।'
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:১৬
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৩
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩৬
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৩

০৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৪
ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেন।
তাসনিম জারা এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ছিলেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ও সমমনা দলগুলোর সঙ্গে এনসিপির নির্বাচনী জোট নিয়ে দল থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। এরপর ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
হলফনামার তথ্য অনুসারে, তাসনিম জারার সম্পদ আছে ১৯ লাখ টাকার। তাসনিম জারার বার্ষিক আয় ৭ লাখ ১৩ হাজার ৫৯৭ টাকা, সম্পদ আছে ১৯ লাখ ১৩ হাজার ৫০৯ টাকার, আয়কর দিয়েছেন ৩৪ হাজার ৫৭ টাকা।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, কোনো মামলা, ঋণ, দায় বা সরকারি পাওনা নেই তার। নেই বাড়ি, ফ্ল্যাট, কৃষি বা অকৃষি জমিও। অলংকার আছে আড়াই লাখ টাকার। ব্যাংকে নিজ নাম জমা আছে ১০ হাজার ১৯ টাকা, হাতে নগদ আছে ১৬ লাখ টাকা ও ২ হাজার ২৭০ ব্রিটিশ পাউন্ড। স্বামী খালেদা সাইফুল্লাহর হাতে নগদ আছে ১৫ লাখ টাকা ও ৬ হাজার ব্রিটিশ পাউন্ড।
তাসনিম জারার বছরে চাকরি থেকে আয় ৭ লাখ ১৩ হাজার ৩৩৩ টাকা। ব্যাংকে আমানত ২৬৪ টাকা। দেশের বাইরে আয় ৩২০০ পাউন্ড। দেশের বাইরে স্বামীর আয় ৩৯ হাজার ৮০০ পাউন্ড।
জারা পেশায় চিকিৎসক, তার স্বামী উদ্যোক্তা ও গবেষক। এনসিপির সদ্য পদত্যাগী এ নেত্রীর জন্ম ১৯৯৪ সালের ৭ অক্টোবর। সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএসসি। তার মায়ের নাম আমেনা আক্তার দেওয়ান, বাবা ফখরুল হাসান। রাজধানীর খিলগাঁও চৌধুরীপাড়ার বাসিন্দা তিনি।
ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেন।
তাসনিম জারা এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ছিলেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ও সমমনা দলগুলোর সঙ্গে এনসিপির নির্বাচনী জোট নিয়ে দল থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। এরপর ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
হলফনামার তথ্য অনুসারে, তাসনিম জারার সম্পদ আছে ১৯ লাখ টাকার। তাসনিম জারার বার্ষিক আয় ৭ লাখ ১৩ হাজার ৫৯৭ টাকা, সম্পদ আছে ১৯ লাখ ১৩ হাজার ৫০৯ টাকার, আয়কর দিয়েছেন ৩৪ হাজার ৫৭ টাকা।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, কোনো মামলা, ঋণ, দায় বা সরকারি পাওনা নেই তার। নেই বাড়ি, ফ্ল্যাট, কৃষি বা অকৃষি জমিও। অলংকার আছে আড়াই লাখ টাকার। ব্যাংকে নিজ নাম জমা আছে ১০ হাজার ১৯ টাকা, হাতে নগদ আছে ১৬ লাখ টাকা ও ২ হাজার ২৭০ ব্রিটিশ পাউন্ড। স্বামী খালেদা সাইফুল্লাহর হাতে নগদ আছে ১৫ লাখ টাকা ও ৬ হাজার ব্রিটিশ পাউন্ড।
তাসনিম জারার বছরে চাকরি থেকে আয় ৭ লাখ ১৩ হাজার ৩৩৩ টাকা। ব্যাংকে আমানত ২৬৪ টাকা। দেশের বাইরে আয় ৩২০০ পাউন্ড। দেশের বাইরে স্বামীর আয় ৩৯ হাজার ৮০০ পাউন্ড।
জারা পেশায় চিকিৎসক, তার স্বামী উদ্যোক্তা ও গবেষক। এনসিপির সদ্য পদত্যাগী এ নেত্রীর জন্ম ১৯৯৪ সালের ৭ অক্টোবর। সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএসসি। তার মায়ের নাম আমেনা আক্তার দেওয়ান, বাবা ফখরুল হাসান। রাজধানীর খিলগাঁও চৌধুরীপাড়ার বাসিন্দা তিনি।

২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২০:২৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাঠে ম্যাজিস্ট্রেটের সংখ্যা বাড়ানোর দাবি করেছেন পুলিশ সুপাররা। এমনটি বাস্তবায়ন না হলে পুলিশের ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা চেয়েছেন তারা। নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের সম্মেলনে অংশ নিয়ে এ দাবি জানান তারা। পাশাপাশি সুষ্ঠু ভোটের জন্য নানান দাবির কথা তুলে ধরেন।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে ডিসি-এসপি, সব রেঞ্জের ডিআইজি, বিভাগীয় কমিশনার ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সম্মেলনে এমন দাবির কথা জানান এসপিরা।
এসপিরা বলেন, আমরা প্রতিনিয়ত অভিযান পরিচালনা করে আসামিসহ অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করছি। আমাদের যানবাহন সংকট রয়েছে। পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় জনবল বাড়ানো প্রয়োজন। একই দিনে দুটি নির্বাচন বড় চ্যালেঞ্জ হবে। নির্বাচনের দিন অসুস্থ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ভোট দিতে গেলে পুলিশকে বলা হয় সহযোগিতা করার জন্য। এখানে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কর্মীদের রাখার জন্য সুপারিশ করেন তারা।
পুলিশ সুপাররা আরও বলেন, বিগত নির্বাচনগুলোতে পুলিশের যে বাজেট ছিল এটা বৈষম্য ছিল। এই নির্বাচনে বাজেট বাড়ানো প্রয়োজন। পাশাপাশি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাড়ানোর জন্য সুপারিশ করছি। এছাড়া আমরা পুলিশের ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার চাই।
সম্মেলনে জেলা প্রশাসকরা বলেন, মাঠ পর্যায়ে এখনো যে বৈধ অস্ত্র রয়েছে, দ্রুত সেগুলো উদ্ধার করতে আপনাদের সহযোগিতা চাই। দূর অঞ্চলে যাতায়াতের জন্য হেলিকপ্টার দেওয়ার সুপারিশ করছি। এআই এবং অপতথ্য প্রচার আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছি। আইনের বাইরে আমরা একটি কাজও করতে রাজি নই। আমাদের অনেক উপজেলায় গাড়ি পুড়ে গেছে এবং সেসব উপজেলায় গাড়ি প্রয়োজন। এছাড়া গণভোটের প্রচারের জন্য সময় বাড়ানো দরকার। সীমান্ত জেলাগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানো প্রয়োজন বলেও জানান ডিসিরা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাঠে ম্যাজিস্ট্রেটের সংখ্যা বাড়ানোর দাবি করেছেন পুলিশ সুপাররা। এমনটি বাস্তবায়ন না হলে পুলিশের ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা চেয়েছেন তারা। নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের সম্মেলনে অংশ নিয়ে এ দাবি জানান তারা। পাশাপাশি সুষ্ঠু ভোটের জন্য নানান দাবির কথা তুলে ধরেন।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে ডিসি-এসপি, সব রেঞ্জের ডিআইজি, বিভাগীয় কমিশনার ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সম্মেলনে এমন দাবির কথা জানান এসপিরা।
এসপিরা বলেন, আমরা প্রতিনিয়ত অভিযান পরিচালনা করে আসামিসহ অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করছি। আমাদের যানবাহন সংকট রয়েছে। পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় জনবল বাড়ানো প্রয়োজন। একই দিনে দুটি নির্বাচন বড় চ্যালেঞ্জ হবে। নির্বাচনের দিন অসুস্থ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ভোট দিতে গেলে পুলিশকে বলা হয় সহযোগিতা করার জন্য। এখানে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কর্মীদের রাখার জন্য সুপারিশ করেন তারা।
পুলিশ সুপাররা আরও বলেন, বিগত নির্বাচনগুলোতে পুলিশের যে বাজেট ছিল এটা বৈষম্য ছিল। এই নির্বাচনে বাজেট বাড়ানো প্রয়োজন। পাশাপাশি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাড়ানোর জন্য সুপারিশ করছি। এছাড়া আমরা পুলিশের ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার চাই।
সম্মেলনে জেলা প্রশাসকরা বলেন, মাঠ পর্যায়ে এখনো যে বৈধ অস্ত্র রয়েছে, দ্রুত সেগুলো উদ্ধার করতে আপনাদের সহযোগিতা চাই। দূর অঞ্চলে যাতায়াতের জন্য হেলিকপ্টার দেওয়ার সুপারিশ করছি। এআই এবং অপতথ্য প্রচার আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছি। আইনের বাইরে আমরা একটি কাজও করতে রাজি নই। আমাদের অনেক উপজেলায় গাড়ি পুড়ে গেছে এবং সেসব উপজেলায় গাড়ি প্রয়োজন। এছাড়া গণভোটের প্রচারের জন্য সময় বাড়ানো দরকার। সীমান্ত জেলাগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানো প্রয়োজন বলেও জানান ডিসিরা।

০৩ নভেম্বর, ২০২৫ ২২:১৪
জিয়াউর রহমান মারা যাওয়ার পর বিএনপির দায়িত্ব নিয়ে ১৯৯১ সালে নির্বাচনী যাত্রা শুরু করেন খালেদা জিয়া। তারপর বিভিন্ন নির্বাচনে নানা আসন থেকে প্রার্থী হলেও কোনো আসনে কখনও হারেননি তিনি। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে তিনটি আসনে প্রার্থী হতে যাচ্ছেন তিনি; যার দুটিতে আগেও তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন, তার সঙ্গে নতুন এলাকা হিসেবে নিজের জন্মস্থানকে বেছে নিয়েছেন।
আগামী ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণা অন্তর্বর্তী সরকার দিয়েছে। সেই নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৩৭টিতে দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম আজ সোমবার প্রকাশ করেছে বিএনপি। তাতে দেখা যায়, বিএনপি চেয়ারপারসনের জন্য রাখা হয়েছে ফেনী–১, বগুড়া–৭ ও দিনাজপুর–৩ আসনগুলো।
আওয়ামী লীগ আমলে দণ্ড নিয়ে কারাগারে যাওয়া খালেদা জিয়া গত বছর জুলাই অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর খালাস পেয়ে কারামুক্ত হলেও অসুস্থতার জন্য তাঁর নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে যে সংশয় ছিল, তা কেটে গেল আজ প্রার্থীর তালিকা ঘোষণার পর।
ছাগলনাইয়া, ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলা নিয়ে গঠিত ফেনী–১ আসন থেকে বরাবরই প্রার্থী হয়ে জিতে আসছেন খালেদা জিয়া। ২০০১ সালে অবশ্য একাধিক আসনে জয়ী হওয়ার পর এই আসন ছেড়ে দিয়েছিলেন তিনি। তাতে উপনির্বাচনে বিএনপি থেকে সংসদ সদস্য হন তাঁর ভাই সাঈদ এস্কেন্দার (বর্তমানে প্রয়াত)। এই এলাকায় খালেদা জিয়ার পৈতৃক নিবাস। যদিও তাঁর পরিবার পরে দিনাজপুরে স্থায়ী হয়। তাঁর জন্মও দিনাজপুরেই।
দিনাজপুর সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত দিনাজপুর–১ আসনে খালেদা জিয়া আগে কখনো প্রার্থী হননি। ১৯৯৬ সালের দুটি নির্বাচনে আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী হয়েছিলেন তাঁর বোন খুরশীদ জাহান হক (বর্তমানে প্রয়াত)।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের বাড়ি গাবতলী উপজেলা নিয়ে গঠিত বগুড়া-৭ আসনেও বরাবর প্রার্থী হয়ে আসছেন খালেদা জিয়া। ১৯৯১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত প্রতিটি নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে জেতেন তিনি। তবে তিনি ছেড়ে দিলে উপনির্বাচনে তিনবার জয়ী হন বিএনপির স্থানীয় নেতা হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, একবার উপনির্বাচনে প্রার্থী করে জিতিয়ে আনা হয় কেন্দ্রীয় নেতা মওদুদ আহমদকে।
বগুড়া–৬ আসনে এবার প্রার্থী হচ্ছেন খালেদা জিয়ার ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বাবা–মায়ের পথ ধরে রাজনীতিতে নামা তারেক রহমান এবারই প্রথম ভোটের লড়াইয়ে নামছেন।
খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালে পাঁচটি আসনে প্রার্থী হয়ে প্রতিটিতেই জিতেছিলেন। তখন একজনের সর্বোচ্চ পাঁচ আসনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ ছিল। খালেদা জিয়া সেবার বগুড়া ও ফেনীর পাশাপাশি ঢাকা-৯, ঢাকা–৫ ও চট্টগ্রাম-৮ আসনে প্রার্থী হন। সেবার বিএনপি জয়ী হওয়ার পর সরকার গঠন করলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম শপথ নেন তিনি।
১৯৯৬ সালের সপ্তম সংসদ নির্বাচনে ফেনীর পাশাপাশি বগুড়ার দুটি আসনে প্রার্থী হন খালেদা জিয়া। পাশাপাশি লক্ষ্মীপুর-২ ও চট্টগ্রাম-১ আসনে প্রার্থী হয়েও ভোটে জেতেন তিনি। ২০১১ সালের নির্বাচনে বগুড়ার দুটি এবং ফেনীর একটির পাশাপাশি খুলনা-২ ও লক্ষ্মীপুর-২ আসনে ভোট করেন তিনি। সেবারও সব আসনেই জেতেন।
নির্বাচনী আইন সংশোধনের পর ২০০৮ সালে এক ব্যক্তির সর্বাধিক তিনটি আসনে প্রার্থী হওয়ার নিয়ম হয়। খালেদা জিয়া বগুড়া-৬, বগুড়া-৭ ও ফেনী-১ আসনে নির্বাচন করেন।
২০১৪ সালের নির্বাচন বর্জনের পর ২০১৮ সালের নির্বাচনে এই তিন আসনে ভোট করতে চেয়েছিলেন খালেদা জিয়া। কিন্তু দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হওয়ার কারণে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ তিনি আর পাননি। এক যুগ পর আবার ভোটের লড়াইয়ে নামতে যাচ্ছেন তিনি।
জিয়াউর রহমান মারা যাওয়ার পর বিএনপির দায়িত্ব নিয়ে ১৯৯১ সালে নির্বাচনী যাত্রা শুরু করেন খালেদা জিয়া। তারপর বিভিন্ন নির্বাচনে নানা আসন থেকে প্রার্থী হলেও কোনো আসনে কখনও হারেননি তিনি। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে তিনটি আসনে প্রার্থী হতে যাচ্ছেন তিনি; যার দুটিতে আগেও তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন, তার সঙ্গে নতুন এলাকা হিসেবে নিজের জন্মস্থানকে বেছে নিয়েছেন।
আগামী ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণা অন্তর্বর্তী সরকার দিয়েছে। সেই নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৩৭টিতে দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম আজ সোমবার প্রকাশ করেছে বিএনপি। তাতে দেখা যায়, বিএনপি চেয়ারপারসনের জন্য রাখা হয়েছে ফেনী–১, বগুড়া–৭ ও দিনাজপুর–৩ আসনগুলো।
আওয়ামী লীগ আমলে দণ্ড নিয়ে কারাগারে যাওয়া খালেদা জিয়া গত বছর জুলাই অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর খালাস পেয়ে কারামুক্ত হলেও অসুস্থতার জন্য তাঁর নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে যে সংশয় ছিল, তা কেটে গেল আজ প্রার্থীর তালিকা ঘোষণার পর।
ছাগলনাইয়া, ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলা নিয়ে গঠিত ফেনী–১ আসন থেকে বরাবরই প্রার্থী হয়ে জিতে আসছেন খালেদা জিয়া। ২০০১ সালে অবশ্য একাধিক আসনে জয়ী হওয়ার পর এই আসন ছেড়ে দিয়েছিলেন তিনি। তাতে উপনির্বাচনে বিএনপি থেকে সংসদ সদস্য হন তাঁর ভাই সাঈদ এস্কেন্দার (বর্তমানে প্রয়াত)। এই এলাকায় খালেদা জিয়ার পৈতৃক নিবাস। যদিও তাঁর পরিবার পরে দিনাজপুরে স্থায়ী হয়। তাঁর জন্মও দিনাজপুরেই।
দিনাজপুর সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত দিনাজপুর–১ আসনে খালেদা জিয়া আগে কখনো প্রার্থী হননি। ১৯৯৬ সালের দুটি নির্বাচনে আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী হয়েছিলেন তাঁর বোন খুরশীদ জাহান হক (বর্তমানে প্রয়াত)।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের বাড়ি গাবতলী উপজেলা নিয়ে গঠিত বগুড়া-৭ আসনেও বরাবর প্রার্থী হয়ে আসছেন খালেদা জিয়া। ১৯৯১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত প্রতিটি নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে জেতেন তিনি। তবে তিনি ছেড়ে দিলে উপনির্বাচনে তিনবার জয়ী হন বিএনপির স্থানীয় নেতা হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, একবার উপনির্বাচনে প্রার্থী করে জিতিয়ে আনা হয় কেন্দ্রীয় নেতা মওদুদ আহমদকে।
বগুড়া–৬ আসনে এবার প্রার্থী হচ্ছেন খালেদা জিয়ার ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বাবা–মায়ের পথ ধরে রাজনীতিতে নামা তারেক রহমান এবারই প্রথম ভোটের লড়াইয়ে নামছেন।
খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালে পাঁচটি আসনে প্রার্থী হয়ে প্রতিটিতেই জিতেছিলেন। তখন একজনের সর্বোচ্চ পাঁচ আসনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ ছিল। খালেদা জিয়া সেবার বগুড়া ও ফেনীর পাশাপাশি ঢাকা-৯, ঢাকা–৫ ও চট্টগ্রাম-৮ আসনে প্রার্থী হন। সেবার বিএনপি জয়ী হওয়ার পর সরকার গঠন করলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম শপথ নেন তিনি।
১৯৯৬ সালের সপ্তম সংসদ নির্বাচনে ফেনীর পাশাপাশি বগুড়ার দুটি আসনে প্রার্থী হন খালেদা জিয়া। পাশাপাশি লক্ষ্মীপুর-২ ও চট্টগ্রাম-১ আসনে প্রার্থী হয়েও ভোটে জেতেন তিনি। ২০১১ সালের নির্বাচনে বগুড়ার দুটি এবং ফেনীর একটির পাশাপাশি খুলনা-২ ও লক্ষ্মীপুর-২ আসনে ভোট করেন তিনি। সেবারও সব আসনেই জেতেন।
নির্বাচনী আইন সংশোধনের পর ২০০৮ সালে এক ব্যক্তির সর্বাধিক তিনটি আসনে প্রার্থী হওয়ার নিয়ম হয়। খালেদা জিয়া বগুড়া-৬, বগুড়া-৭ ও ফেনী-১ আসনে নির্বাচন করেন।
২০১৪ সালের নির্বাচন বর্জনের পর ২০১৮ সালের নির্বাচনে এই তিন আসনে ভোট করতে চেয়েছিলেন খালেদা জিয়া। কিন্তু দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হওয়ার কারণে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ তিনি আর পাননি। এক যুগ পর আবার ভোটের লড়াইয়ে নামতে যাচ্ছেন তিনি।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.