
২৮ আগস্ট, ২০২৫ ১৪:৪৭
পটুয়াখালীর দুমকিতে চাঁদার দাবিতে গণঅধিকারের আহ্বায়ক কর্তৃক এক ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যানকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৭ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টায় উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তার কক্ষে এ ঘটনাটি ঘটেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মুরাদিয়ার প্যানেল চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান ফোরকান মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তার অফিস কক্ষে মাতৃত্বকালীন ভাতার বিষয়ে কাজ করছিলেন।
এ সময় উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক মুন্না জহিরের নেতৃত্বে ৭-৮জন উচ্ছৃঙ্খল যুবক ওই কক্ষে ঢুকে হাফিজুর রহমান ফোরকানের ওপর চড়াও হয়ে এলোপাতাড়ি চড়-থাপ্পড়, কিলঘুষি মেরে একপর্যায়ে টেনেহিঁচড়ে বাইরে বের করে বেধড়ক মারধর করতে থাকে। এ সময় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ লোকজন জড়ো হলে হামলাকারীরা দ্রুত সটকে পড়ে।
মারধরের শিকার মুরাদিয়ার ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান ফোরকানের অভিযোগ, গণঅধিকারের আহ্বায়ক মুন্না জহির বেশ কয়েকদিন ধরে তার কাছে দল চালাতে খরচ লাগে, এ জন্য কিছু টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল।
টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে লোকজন নিয়ে তার ওপর হামলা চালিয়ে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছে। বিষয়টি ইউএনওকে অবহিত করে এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করবেন বলে জানিয়েছেন।
চাঁদা দাবির অভিযোগ অস্বীকার করে মুন্না জহির বলেন, এলাকার একটি রাস্তার কাজে বিলম্ব ও অনিয়ম নিয়ে তর্কবিতর্ক হয়েছে। তবে মারধরের অভিযোগ সঠিক নয়। এ বিষয়ে দুমকি থানার ওসি মো. জাকির হোসেন বলেন, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর দুমকিতে চাঁদার দাবিতে গণঅধিকারের আহ্বায়ক কর্তৃক এক ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যানকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৭ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টায় উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তার কক্ষে এ ঘটনাটি ঘটেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মুরাদিয়ার প্যানেল চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান ফোরকান মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তার অফিস কক্ষে মাতৃত্বকালীন ভাতার বিষয়ে কাজ করছিলেন।
এ সময় উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক মুন্না জহিরের নেতৃত্বে ৭-৮জন উচ্ছৃঙ্খল যুবক ওই কক্ষে ঢুকে হাফিজুর রহমান ফোরকানের ওপর চড়াও হয়ে এলোপাতাড়ি চড়-থাপ্পড়, কিলঘুষি মেরে একপর্যায়ে টেনেহিঁচড়ে বাইরে বের করে বেধড়ক মারধর করতে থাকে। এ সময় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ লোকজন জড়ো হলে হামলাকারীরা দ্রুত সটকে পড়ে।
মারধরের শিকার মুরাদিয়ার ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান ফোরকানের অভিযোগ, গণঅধিকারের আহ্বায়ক মুন্না জহির বেশ কয়েকদিন ধরে তার কাছে দল চালাতে খরচ লাগে, এ জন্য কিছু টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল।
টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে লোকজন নিয়ে তার ওপর হামলা চালিয়ে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছে। বিষয়টি ইউএনওকে অবহিত করে এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করবেন বলে জানিয়েছেন।
চাঁদা দাবির অভিযোগ অস্বীকার করে মুন্না জহির বলেন, এলাকার একটি রাস্তার কাজে বিলম্ব ও অনিয়ম নিয়ে তর্কবিতর্ক হয়েছে। তবে মারধরের অভিযোগ সঠিক নয়। এ বিষয়ে দুমকি থানার ওসি মো. জাকির হোসেন বলেন, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০১ মে, ২০২৬ ০০:২৩

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৫৩
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) কর্পূরকাঠী ইসলামিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে ডিসট্রেসড চিলড্রেন এন্ড ইনফ্যান্টস ইন্টারন্যাশনাল (ডিসিআই) ও রাইটস এন্ড সাইট ফর চিলড্রেন (আরএসসি) যৌথ ভাবে এ ক্যাম্পের আয়োজন করে। ক্যাম্পে মোট ৬৮৪ জন অসহায় মানুষ চিকিৎসা সেবা নেন।
এর মধ্যে ৮৩ জন ছানি রোগী, ২৭ জন নেত্রনালী সমস্যায় আক্রান্ত এবং ৩১৯ জনকে চশমার জন্য শনাক্ত করে চশমা দেওয়া হয়েছে, এছাড়া ৩১৪ জনকে প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়া হয়।
ছানি আক্রান্ত রোগীদের আগামী ২মে বরিশালের ইস্পাহানী আই ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে বিনামূল্যে অপারেশন করা হবে। ক্যাম্প বাস্তবায়নে সহযোগিতা করে শাহান শাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজ ভান্ডারী (ক.) ট্রাস্ট।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিক্ষক, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। ডিসিআই এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক ডা. এহসান হক বলেন, “ডিসিআই-আরএসসি চক্ষুক্যাম্পের উদ্দেশ্য হলো সুবিধা বঞ্চিতদের দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেওয়া এবং তাদের মধ্যে নতুন আশা জাগিয়ে তোলা।

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২৩
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড় ও টানা ভারি বৃষ্টিতে মুগ ডালসহ বিভিন্ন রবি ফসলের ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে উপজেলার শতাধিক কৃষক চরম ক্ষতির আশঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার বিকেলে কালবৈশাখী ঝড়ের পর টানা দুই দিনের ভারি বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় উপজেলার নিচু জমিগুলোতে পানি জমে যায়। ফলে মুগ ডালের ক্ষেত সম্পূর্ণ ডুবে যায়।
পাশাপাশি মরিচ, আলু, চিনাবাদাম ও অন্যান্য রবি ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক ক্ষেতেই গাছ নষ্ট হওয়ার উপক্রম হওয়ায় ফলন কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
উত্তর শ্রীরামপুর গ্রামের কৃষক গোলাম মস্তফা, আমির হোসেন মৃধা ও সোহরাব মৃধা জানান, মৌসুমের শুরুতে ভালো ফলনের আশায় মুগ ডালের আবাদ করেছিলেন। কিছু কৃষক আংশিক ফসল তুলতে পারলেও অধিকাংশ ক্ষেতেই ফসল মাঠেই রয়ে গেছে। আকস্মিক দুর্যোগে তাদের সেই আশা ভেস্তে যেতে বসেছে। দ্রুত পানি না নামলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
গাবতলী এলাকার কৃষক গাফফার হোসেন বলেন, “আমাদের এলাকায় এমন কোনো কৃষক নেই, যার অন্তত ৫০ হাজার টাকার মুগডাল নষ্ট হয়নি। গ্রামের সবাই এখন দিশেহারা।”
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার বিস্তীর্ণ জমি পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। কৃষকরা নালা কেটে পানি নামানোর চেষ্টা করছেন। তবে স্লুইস গেট খোলা থাকায় জোয়ারের পানি প্রবেশ করায় পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন জানান, একটি স্লুইস গেটের কপাট খোলা থাকায় বৃষ্টির পানির সঙ্গে জোয়ারের পানি ঢুকে কৃষিজমি প্লাবিত হয়েছে।
মুগ ডালের ক্ষতি সবচেয়ে বেশি হলেও সূর্যমুখী ক্ষেতেও আংশিক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় পৌর যুবদলের নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন পদবঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া নেতাকর্মীরা।বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৭টার দিকে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে পৌর এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে প্রতিবাদ সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
মিছিলে পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি-সম্পাদকসহ শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন।
এ সময় বিক্ষোভকারীরা পকেট কমিটি মানি না, মানবো না স্লোগান দেন এবং বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন করে গ্রহণযোগ্য কমিটি গঠনের দাবি জানান।
সমাবেশে বক্তব্য দেন ৯ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি শহিদ সিকদার, পৌর যুবদল নেতা হারুন মুসুল্লি, আবুবকরসহ আরও অনেকে। বক্তারা অভিযোগ করেন, ত্যাগী ও দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে গঠিত এই কমিটি দলীয় আদর্শ ও সাংগঠনিক নীতিমালার পরিপন্থী।
তাদের আরও অভিযোগ, নতুন কমিটিতে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং বহিষ্কৃত কয়েকজন নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা সংগঠনের জন্য বিব্রতকর ও প্রশ্নবিদ্ধ। ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি শহিদ শিকদার দাবি করেন, ছাত্রলীগের পদে থাকা শাকিব নামের একজনসহ বহিষ্কৃত তিনজনকে কমিটিতে রাখা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতা জানান, শাকিব পূর্বে ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন এবং জেলা কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
এদিকে পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক জুবায়ের আহমেদ রিয়াজ খানকে সাংগঠনিক পদ দেওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে বলেও জানা গেছে।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এমপি কুয়াকাটা পৌর যুবদলের ৭১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করেন। সংগঠনের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। নতুন কমিটিতে সৈয়দ মো. ফারুককে সভাপতি ও মো. জহিরুল ইসলাম মিরনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া আহমেদ বলেন, সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী একজন ব্যক্তি একাধিক সংগঠনে দায়িত্বে থাকতে পারেন। তবে দল চাইলে যেকোনো একটি পদ থেকে তাকে অব্যাহতি দিতে পারে।
বিক্ষোভকারীরা দ্রুত কমিটি পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে সতর্ক করে বলেন, দাবি মানা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ ফারুক মীর বলেন, ত্যাগী ও যোগ্য নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করেই ৭১ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। সবাইকে পদ দেওয়া সম্ভব নয়। যারা পদ পাননি, তাদের অনেকেই ওয়ার্ড পর্যায়ে দায়িত্বে আছেন। এছাড়া অভিযোগকারীদের মধ্যে কেউ কেউ বহিষ্কৃতও রয়েছেন।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় পৌর যুবদলের নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন পদবঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া নেতাকর্মীরা।বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৭টার দিকে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে পৌর এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে প্রতিবাদ সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
মিছিলে পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি-সম্পাদকসহ শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন।
এ সময় বিক্ষোভকারীরা পকেট কমিটি মানি না, মানবো না স্লোগান দেন এবং বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন করে গ্রহণযোগ্য কমিটি গঠনের দাবি জানান।
সমাবেশে বক্তব্য দেন ৯ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি শহিদ সিকদার, পৌর যুবদল নেতা হারুন মুসুল্লি, আবুবকরসহ আরও অনেকে। বক্তারা অভিযোগ করেন, ত্যাগী ও দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে গঠিত এই কমিটি দলীয় আদর্শ ও সাংগঠনিক নীতিমালার পরিপন্থী।
তাদের আরও অভিযোগ, নতুন কমিটিতে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং বহিষ্কৃত কয়েকজন নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা সংগঠনের জন্য বিব্রতকর ও প্রশ্নবিদ্ধ। ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি শহিদ শিকদার দাবি করেন, ছাত্রলীগের পদে থাকা শাকিব নামের একজনসহ বহিষ্কৃত তিনজনকে কমিটিতে রাখা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতা জানান, শাকিব পূর্বে ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন এবং জেলা কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
এদিকে পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক জুবায়ের আহমেদ রিয়াজ খানকে সাংগঠনিক পদ দেওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে বলেও জানা গেছে।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এমপি কুয়াকাটা পৌর যুবদলের ৭১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করেন। সংগঠনের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। নতুন কমিটিতে সৈয়দ মো. ফারুককে সভাপতি ও মো. জহিরুল ইসলাম মিরনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া আহমেদ বলেন, সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী একজন ব্যক্তি একাধিক সংগঠনে দায়িত্বে থাকতে পারেন। তবে দল চাইলে যেকোনো একটি পদ থেকে তাকে অব্যাহতি দিতে পারে।
বিক্ষোভকারীরা দ্রুত কমিটি পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে সতর্ক করে বলেন, দাবি মানা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ ফারুক মীর বলেন, ত্যাগী ও যোগ্য নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করেই ৭১ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। সবাইকে পদ দেওয়া সম্ভব নয়। যারা পদ পাননি, তাদের অনেকেই ওয়ার্ড পর্যায়ে দায়িত্বে আছেন। এছাড়া অভিযোগকারীদের মধ্যে কেউ কেউ বহিষ্কৃতও রয়েছেন।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) কর্পূরকাঠী ইসলামিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে ডিসট্রেসড চিলড্রেন এন্ড ইনফ্যান্টস ইন্টারন্যাশনাল (ডিসিআই) ও রাইটস এন্ড সাইট ফর চিলড্রেন (আরএসসি) যৌথ ভাবে এ ক্যাম্পের আয়োজন করে। ক্যাম্পে মোট ৬৮৪ জন অসহায় মানুষ চিকিৎসা সেবা নেন।
এর মধ্যে ৮৩ জন ছানি রোগী, ২৭ জন নেত্রনালী সমস্যায় আক্রান্ত এবং ৩১৯ জনকে চশমার জন্য শনাক্ত করে চশমা দেওয়া হয়েছে, এছাড়া ৩১৪ জনকে প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়া হয়।
ছানি আক্রান্ত রোগীদের আগামী ২মে বরিশালের ইস্পাহানী আই ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে বিনামূল্যে অপারেশন করা হবে। ক্যাম্প বাস্তবায়নে সহযোগিতা করে শাহান শাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজ ভান্ডারী (ক.) ট্রাস্ট।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিক্ষক, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। ডিসিআই এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক ডা. এহসান হক বলেন, “ডিসিআই-আরএসসি চক্ষুক্যাম্পের উদ্দেশ্য হলো সুবিধা বঞ্চিতদের দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেওয়া এবং তাদের মধ্যে নতুন আশা জাগিয়ে তোলা।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড় ও টানা ভারি বৃষ্টিতে মুগ ডালসহ বিভিন্ন রবি ফসলের ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে উপজেলার শতাধিক কৃষক চরম ক্ষতির আশঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার বিকেলে কালবৈশাখী ঝড়ের পর টানা দুই দিনের ভারি বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় উপজেলার নিচু জমিগুলোতে পানি জমে যায়। ফলে মুগ ডালের ক্ষেত সম্পূর্ণ ডুবে যায়।
পাশাপাশি মরিচ, আলু, চিনাবাদাম ও অন্যান্য রবি ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক ক্ষেতেই গাছ নষ্ট হওয়ার উপক্রম হওয়ায় ফলন কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
উত্তর শ্রীরামপুর গ্রামের কৃষক গোলাম মস্তফা, আমির হোসেন মৃধা ও সোহরাব মৃধা জানান, মৌসুমের শুরুতে ভালো ফলনের আশায় মুগ ডালের আবাদ করেছিলেন। কিছু কৃষক আংশিক ফসল তুলতে পারলেও অধিকাংশ ক্ষেতেই ফসল মাঠেই রয়ে গেছে। আকস্মিক দুর্যোগে তাদের সেই আশা ভেস্তে যেতে বসেছে। দ্রুত পানি না নামলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
গাবতলী এলাকার কৃষক গাফফার হোসেন বলেন, “আমাদের এলাকায় এমন কোনো কৃষক নেই, যার অন্তত ৫০ হাজার টাকার মুগডাল নষ্ট হয়নি। গ্রামের সবাই এখন দিশেহারা।”
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার বিস্তীর্ণ জমি পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। কৃষকরা নালা কেটে পানি নামানোর চেষ্টা করছেন। তবে স্লুইস গেট খোলা থাকায় জোয়ারের পানি প্রবেশ করায় পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন জানান, একটি স্লুইস গেটের কপাট খোলা থাকায় বৃষ্টির পানির সঙ্গে জোয়ারের পানি ঢুকে কৃষিজমি প্লাবিত হয়েছে।
মুগ ডালের ক্ষতি সবচেয়ে বেশি হলেও সূর্যমুখী ক্ষেতেও আংশিক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হবে।