
০২ মার্চ, ২০২৬ ১৩:০৫
সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে রাতের আঁধারে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।রোববার (১ মার্চ) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার নগরঘাটা ইউনিয়নের রাইচমিল মোড়ে অবস্থিত দলীয় কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, গভীর রাতে কার্যালয় থেকে আগুনের শিখা দেখতে পেয়ে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। পরে খবর পেয়ে সাতক্ষীরা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পাশাপাশি পাটকেলঘাটা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান মহব্বত আলী সরদার অভিযোগ করেন, দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে পেট্রোল ঢেলে কার্যালয়ে আগুন দিয়েছে।
এতে দলীয় কার্যালয়ে থাকা কিছু প্লাস্টিকের চেয়ার ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র পুড়ে নষ্ট হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম লুৎফর কবির বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে কয়েকটি চেয়ার পোড়া অবস্থায় পাওয়া গেছে। সেখান থেকে একটি খালি পেট্রোলের বোতল উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।
সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে রাতের আঁধারে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।রোববার (১ মার্চ) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার নগরঘাটা ইউনিয়নের রাইচমিল মোড়ে অবস্থিত দলীয় কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, গভীর রাতে কার্যালয় থেকে আগুনের শিখা দেখতে পেয়ে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। পরে খবর পেয়ে সাতক্ষীরা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পাশাপাশি পাটকেলঘাটা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান মহব্বত আলী সরদার অভিযোগ করেন, দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে পেট্রোল ঢেলে কার্যালয়ে আগুন দিয়েছে।
এতে দলীয় কার্যালয়ে থাকা কিছু প্লাস্টিকের চেয়ার ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র পুড়ে নষ্ট হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম লুৎফর কবির বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে কয়েকটি চেয়ার পোড়া অবস্থায় পাওয়া গেছে। সেখান থেকে একটি খালি পেট্রোলের বোতল উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।
০২ মার্চ, ২০২৬ ২৩:২০
০২ মার্চ, ২০২৬ ২৩:০৮
০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৯
০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৫

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০৫
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এ কম্পন অনুভূত হয়।
বিস্তারিত আসছে...
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এ কম্পন অনুভূত হয়।
বিস্তারিত আসছে...

০৯ অক্টোবর, ২০২৫ ১৮:৫০
২০১৮ সালের বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে হওয়া সব মামলা বাতিল করেছে বর্তমান সরকার। নতুন করে অনুমোদিত সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫-এর সংশোধনীতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ওই আইনে অভিযুক্ত এবং দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা সকলেই মুক্তি পাচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তিনি বলেন, `সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫-এর সংশোধনীর আওতায় ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে হওয়া সব মামলা, তদন্ত ও সাজা বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে অভিযুক্ত ও সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা মুক্তি পেয়েছেন।'
নতুন সংশোধনীতে বলা হয়েছে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮-এর ধারা ২১, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯ ও ৩১ এবং এসব ধারায় সহায়তার অভিযোগে চলমান সব মামলা ও তদন্ত কার্যক্রম বাতিল বলে গণ্য হবে। এসব ধারার অধীন আদালত বা ট্রাইব্যুনালের দেওয়া সব সাজা ও জরিমানাও বাতিল হিসেবে বিবেচিত হবে।
এছাড়া একই বৈঠকে ব্যক্তিগত ডাটা সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ এবং জাতীয় উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫-ও অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, `নতুন অধ্যাদেশগুলোর মাধ্যমে নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য ও উপাত্তের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে। এখন থেকে ডাটা ব্যবস্থাপনায় আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি থাকবে।'
২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে শুরু থেকেই সাংবাদিক, লেখক, অধিকারকর্মী ও আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচনা ছিল। ওই আইনে বহু ব্যক্তি গ্রেপ্তার ও হয়রানির শিকার হয়েছেন—এই সিদ্ধান্তকে তাদের অনেকেই স্বাগত জানাতে পারেন।’
২০১৮ সালের বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে হওয়া সব মামলা বাতিল করেছে বর্তমান সরকার। নতুন করে অনুমোদিত সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫-এর সংশোধনীতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ওই আইনে অভিযুক্ত এবং দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা সকলেই মুক্তি পাচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তিনি বলেন, `সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫-এর সংশোধনীর আওতায় ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে হওয়া সব মামলা, তদন্ত ও সাজা বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে অভিযুক্ত ও সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা মুক্তি পেয়েছেন।'
নতুন সংশোধনীতে বলা হয়েছে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮-এর ধারা ২১, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯ ও ৩১ এবং এসব ধারায় সহায়তার অভিযোগে চলমান সব মামলা ও তদন্ত কার্যক্রম বাতিল বলে গণ্য হবে। এসব ধারার অধীন আদালত বা ট্রাইব্যুনালের দেওয়া সব সাজা ও জরিমানাও বাতিল হিসেবে বিবেচিত হবে।
এছাড়া একই বৈঠকে ব্যক্তিগত ডাটা সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ এবং জাতীয় উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫-ও অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, `নতুন অধ্যাদেশগুলোর মাধ্যমে নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য ও উপাত্তের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে। এখন থেকে ডাটা ব্যবস্থাপনায় আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি থাকবে।'
২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে শুরু থেকেই সাংবাদিক, লেখক, অধিকারকর্মী ও আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচনা ছিল। ওই আইনে বহু ব্যক্তি গ্রেপ্তার ও হয়রানির শিকার হয়েছেন—এই সিদ্ধান্তকে তাদের অনেকেই স্বাগত জানাতে পারেন।’

১০ আগস্ট, ২০২৫ ১২:৪০
ফোন দিয়ে লাইভ করছিলেন কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মো. রাইয়ান হোসেইন। এ সময় ওই ফোন নিয়ে দৌড় দেয় ছিনতাইকারী। পরে ধাওয়া করে ফোনটি উদ্ধার করেন তিনি। শনিবার (৯ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
এ ব্যাপারে রাইয়ান হোসেইন বলেন, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে দৌড়ে ফোন উদ্ধার করলাম। ভিডিও রেকর্ড নিচ্ছিলাম, চোখের সামনে চিলের মতো টান দিয়ে অফিসের ফোনটা নিয়ে দৌড় দিল। আমিও ছাড়ার পাবলিক না, জীবন থাকতে ফোন দিবো না। মোবাইল ফোন উদ্ধার করেই ছেড়েছি।
ফোন দিয়ে লাইভ করছিলেন কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মো. রাইয়ান হোসেইন। এ সময় ওই ফোন নিয়ে দৌড় দেয় ছিনতাইকারী। পরে ধাওয়া করে ফোনটি উদ্ধার করেন তিনি। শনিবার (৯ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
এ ব্যাপারে রাইয়ান হোসেইন বলেন, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে দৌড়ে ফোন উদ্ধার করলাম। ভিডিও রেকর্ড নিচ্ছিলাম, চোখের সামনে চিলের মতো টান দিয়ে অফিসের ফোনটা নিয়ে দৌড় দিল। আমিও ছাড়ার পাবলিক না, জীবন থাকতে ফোন দিবো না। মোবাইল ফোন উদ্ধার করেই ছেড়েছি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.