
১১ মে, ২০২৬ ১৮:১৪
পটুয়াখালীর বাউফল পৌর শহরে সাত বছরের এক শিশুকে টাকার লোভ দেখিয়ে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মো. বারেক বিশ্বাস (৫৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গতকাল রবিবার (১০ মে) সকালে পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর মা আসমা বেগম বাদী হয়ে বাউফল থানায় একটি মামলা দায়ের করলে রাতে অভিযুক্ত বারেক বিশ্বাসকে আটক করা হয়।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী। ঘটনার দিন সকালে শিশুটির বাবা কাজের প্রয়োজনে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান এবং মা গবাদি পশু নিয়ে মাঠে যান।
এই সুযোগে প্রতিবেশী বারেক বিশ্বাস শিশুটিকে টাকা দেওয়ার লোভ দেখিয়ে কৌশলে তার বসত ঘরের পেছনের বারান্দায় নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালানো হয়।
কিছুক্ষণ পর শিশুটির মা বাড়িতে ফিরে বড় মেয়েকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। ছোট মেয়ের কাছ থেকে জানতে পারেন বারেক বিশ্বাস তাকে ডেকে নিয়ে গেছে।
তাৎক্ষণিক ওই ব্যক্তির বাড়ির সামনে গিয়ে ডাকাডাকি করলে শিশুটি ঘর থেকে কান্নাজড়িত অবস্থায় বের হয়ে আসে। পরে বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে শিশুটি তার মায়ের কাছে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেয়।
ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় লোকজন ও স্বজনদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি থানা পুলিশকে অবহিত করা হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত বারেক বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করে।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, "লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরপরই আমরা দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।"
পটুয়াখালীর বাউফল পৌর শহরে সাত বছরের এক শিশুকে টাকার লোভ দেখিয়ে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মো. বারেক বিশ্বাস (৫৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গতকাল রবিবার (১০ মে) সকালে পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর মা আসমা বেগম বাদী হয়ে বাউফল থানায় একটি মামলা দায়ের করলে রাতে অভিযুক্ত বারেক বিশ্বাসকে আটক করা হয়।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী। ঘটনার দিন সকালে শিশুটির বাবা কাজের প্রয়োজনে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান এবং মা গবাদি পশু নিয়ে মাঠে যান।
এই সুযোগে প্রতিবেশী বারেক বিশ্বাস শিশুটিকে টাকা দেওয়ার লোভ দেখিয়ে কৌশলে তার বসত ঘরের পেছনের বারান্দায় নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালানো হয়।
কিছুক্ষণ পর শিশুটির মা বাড়িতে ফিরে বড় মেয়েকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। ছোট মেয়ের কাছ থেকে জানতে পারেন বারেক বিশ্বাস তাকে ডেকে নিয়ে গেছে।
তাৎক্ষণিক ওই ব্যক্তির বাড়ির সামনে গিয়ে ডাকাডাকি করলে শিশুটি ঘর থেকে কান্নাজড়িত অবস্থায় বের হয়ে আসে। পরে বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে শিশুটি তার মায়ের কাছে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেয়।
ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় লোকজন ও স্বজনদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি থানা পুলিশকে অবহিত করা হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত বারেক বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করে।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, "লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরপরই আমরা দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।"

১২ মে, ২০২৬ ১৭:০৭
পটুয়াখালীর বাউফলে স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর চার স্কুলছাত্রী নিখোঁজ হয়েছে। নিখোঁজের একদিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত তাদের কোনো সন্ধান মেলেনি। এ ঘটনায় পরিবারগুলোর মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
রোববার (১০ মে) উপজেলার নাজিরপুর-তাতেরকাঠি ইউনিয়নে নিখোঁজরা নিজ নিজ বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে যায়। এদিনই বাউফল থানায় নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যরা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
নিখোঁজ কিশোরীরা হলো-সানজিদা আক্তার (১২), ইসমত জেরিন (১২), সানজিদা আক্তার রায়সা (১৩) ও আয়শা আক্তার (১৫)।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকেই তাদের আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নিয়েও এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য মেলেনি।
নিখোঁজ সানজিদা আক্তার ও ইসমত জেরিন নাজিরপুর ছোট ডালিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সানজিদা আক্তার রায়সা একই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। অপরদিকে আয়শা আক্তার অন্য একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী।
নাজিরপুর ছোট ডালিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, নিখোঁজ তিন শিক্ষার্থী সেদিন শ্রেণিকক্ষে অনুপস্থিত ছিল। পরে বিকেলে অভিভাবকদের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন, শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। এরপর সহপাঠীদের সঙ্গে কথা বলে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নেওয়া হলেও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রথমে বিদ্যালয়ে এবং পরে আত্মীয়-স্বজনদের বাসায় খোঁজ করেও তাদের সন্ধান মেলেনি। পরে রাতে বাউফল থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই গোলাম মোস্তফা বলেন, নিখোঁজ ছাত্রীদের সঙ্গে কোনো মুঠোফোন নেই। ফলে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে, বাস ও লঞ্চসহ বিভিন্ন যাতায়াতমাধ্যমে খোঁজ নেওয়া হয়েছে। তাদের উদ্ধারে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পর চার শিক্ষার্থী বাড়ি ফেরেনি বলে আমরা জানতে পেরেছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তাদের উদ্ধারে পুলিশ কাজ করছে।
পটুয়াখালীর বাউফলে স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর চার স্কুলছাত্রী নিখোঁজ হয়েছে। নিখোঁজের একদিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত তাদের কোনো সন্ধান মেলেনি। এ ঘটনায় পরিবারগুলোর মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
রোববার (১০ মে) উপজেলার নাজিরপুর-তাতেরকাঠি ইউনিয়নে নিখোঁজরা নিজ নিজ বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে যায়। এদিনই বাউফল থানায় নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যরা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
নিখোঁজ কিশোরীরা হলো-সানজিদা আক্তার (১২), ইসমত জেরিন (১২), সানজিদা আক্তার রায়সা (১৩) ও আয়শা আক্তার (১৫)।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকেই তাদের আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নিয়েও এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য মেলেনি।
নিখোঁজ সানজিদা আক্তার ও ইসমত জেরিন নাজিরপুর ছোট ডালিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সানজিদা আক্তার রায়সা একই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। অপরদিকে আয়শা আক্তার অন্য একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী।
নাজিরপুর ছোট ডালিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, নিখোঁজ তিন শিক্ষার্থী সেদিন শ্রেণিকক্ষে অনুপস্থিত ছিল। পরে বিকেলে অভিভাবকদের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন, শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। এরপর সহপাঠীদের সঙ্গে কথা বলে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নেওয়া হলেও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রথমে বিদ্যালয়ে এবং পরে আত্মীয়-স্বজনদের বাসায় খোঁজ করেও তাদের সন্ধান মেলেনি। পরে রাতে বাউফল থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই গোলাম মোস্তফা বলেন, নিখোঁজ ছাত্রীদের সঙ্গে কোনো মুঠোফোন নেই। ফলে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে, বাস ও লঞ্চসহ বিভিন্ন যাতায়াতমাধ্যমে খোঁজ নেওয়া হয়েছে। তাদের উদ্ধারে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পর চার শিক্ষার্থী বাড়ি ফেরেনি বলে আমরা জানতে পেরেছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তাদের উদ্ধারে পুলিশ কাজ করছে।

১১ মে, ২০২৬ ১৭:৪৮
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের চরগরবদি এলাকায় বিরোধপূর্ণ জমিতে আদালতের স্থগিতাদেশ অমান্য করে বসতঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সালা-দুলাভাইয়ের মধ্যে চলমান বিরোধ নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয় সূত্র ও মামলার নথি থেকে জানা যায়, জোয়ারগরবদি মৌজার এসএ ৬৮/৬৯ এবং বর্তমান বিএস ৩৫৫ খতিয়ানের রেকর্ডভুক্ত মালিক রুস্তম আলীর ওয়ারিশদের কাছ থেকে পৃথক কবলা দলিলের মাধ্যমে প্রায় ৪২ দশমিক ৭৫ শতাংশ জমি ক্রয় করেন চরগরবদি গ্রামের বাসিন্দা মো. গোলাম রাব্বানী। পরে তিনি ওই জমিতে বসতবাড়ি নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন।
পরবর্তীতে একই খতিয়ানভুক্ত জমি থেকে বোনের জামাতা ফারুক হোসেনের নামে ৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ জমি ক্রয় করে দেন গোলাম রাব্বানী। তবে জমির সীমানা ও ভাগবণ্টন নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। এ নিয়ে একাধিকবার উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। একপর্যায়ে বিষয়টি আদালতে গড়ায়।
এ ঘটনায় গোলাম রাব্বানী ২০২২ সালে পটুয়াখালী জেলা যুগ্ম জজ আদালতে দেওয়ানি মামলা নং-৩৫৯/২০২২ দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। আদালত বিরোধপূর্ণ জমির ওপর স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন বলে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, আদালতের ওই নির্দেশনা উপেক্ষা করে রবিবার (১০ মে) ফারুক হোসেন বিরোধীয় জমিতে বিদ্যমান ঘরের সঙ্গে অতিরিক্ত প্রায় ১০ ফুট অংশ বৃদ্ধি করে নির্মাণকাজ শুরু করেন।
গোলাম রাব্বানী অভিযোগ করে বলেন, “আমি বাড়িতে না থাকার সুযোগে ফারুক ঘর নির্মাণের কাজ করেছে। বিষয়টি জানার পর আমার বাবা থানায় গেলেও তা গুরুত্বের সঙ্গে নেয়া হয়নি।”
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফারুক হোসেন। তিনি বলেন, “আমি আমার বৈধভাবে ক্রয়কৃত জমিতেই কাজ করছি। নতুন কোনো ঘর নির্মাণ করা হয়নি, শুধু আগের ঘরের ভেতরের কিছু কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরেই সেখানে আমার বসতঘর রয়েছে। ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে আমাকে হয়রানি করতে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে।”
এ বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অমান্যের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের চরগরবদি এলাকায় বিরোধপূর্ণ জমিতে আদালতের স্থগিতাদেশ অমান্য করে বসতঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সালা-দুলাভাইয়ের মধ্যে চলমান বিরোধ নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয় সূত্র ও মামলার নথি থেকে জানা যায়, জোয়ারগরবদি মৌজার এসএ ৬৮/৬৯ এবং বর্তমান বিএস ৩৫৫ খতিয়ানের রেকর্ডভুক্ত মালিক রুস্তম আলীর ওয়ারিশদের কাছ থেকে পৃথক কবলা দলিলের মাধ্যমে প্রায় ৪২ দশমিক ৭৫ শতাংশ জমি ক্রয় করেন চরগরবদি গ্রামের বাসিন্দা মো. গোলাম রাব্বানী। পরে তিনি ওই জমিতে বসতবাড়ি নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন।
পরবর্তীতে একই খতিয়ানভুক্ত জমি থেকে বোনের জামাতা ফারুক হোসেনের নামে ৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ জমি ক্রয় করে দেন গোলাম রাব্বানী। তবে জমির সীমানা ও ভাগবণ্টন নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। এ নিয়ে একাধিকবার উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। একপর্যায়ে বিষয়টি আদালতে গড়ায়।
এ ঘটনায় গোলাম রাব্বানী ২০২২ সালে পটুয়াখালী জেলা যুগ্ম জজ আদালতে দেওয়ানি মামলা নং-৩৫৯/২০২২ দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। আদালত বিরোধপূর্ণ জমির ওপর স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন বলে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, আদালতের ওই নির্দেশনা উপেক্ষা করে রবিবার (১০ মে) ফারুক হোসেন বিরোধীয় জমিতে বিদ্যমান ঘরের সঙ্গে অতিরিক্ত প্রায় ১০ ফুট অংশ বৃদ্ধি করে নির্মাণকাজ শুরু করেন।
গোলাম রাব্বানী অভিযোগ করে বলেন, “আমি বাড়িতে না থাকার সুযোগে ফারুক ঘর নির্মাণের কাজ করেছে। বিষয়টি জানার পর আমার বাবা থানায় গেলেও তা গুরুত্বের সঙ্গে নেয়া হয়নি।”
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফারুক হোসেন। তিনি বলেন, “আমি আমার বৈধভাবে ক্রয়কৃত জমিতেই কাজ করছি। নতুন কোনো ঘর নির্মাণ করা হয়নি, শুধু আগের ঘরের ভেতরের কিছু কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরেই সেখানে আমার বসতঘর রয়েছে। ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে আমাকে হয়রানি করতে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে।”
এ বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অমান্যের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

১১ মে, ২০২৬ ১৪:৪৩
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) ভিসি ড. কাজী রফিকুল ইসলামের অপসারণ দাবিতে চলা অবস্থান কর্মসূচিতে যুবদলের বহিষ্কৃত নেতার নেতৃত্বে বহিরাগতের হামলা, হট্টগোল ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (১১ মে) সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এতে শিক্ষক, কর্মকর্তাসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে আটজনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন- অধ্যাপক এবিএম সাইফুল ইসলাম, ড. আবদুল মালেক, ড. মো. আতিকুর রহমান, ড. নিজাম উদ্দীন, ড. মো. শহিদুল ইসলাম, ড. ননী গোপাল, ড. রিপন চন্দ্র পাল, পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মো. জসিম উদ্দিন এবং কর্মকর্তা নাসরিন আক্তার।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাংশের শিক্ষক, কর্মকর্তা- প্রশাসনিক ভবনের সামনে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা ভিসির অপসারণ দাবি এবং প্রো-ভিসি অধ্যাপক হেমায়েত জাহানের পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
এ সময় ভিসির সমর্থনে দুমকি উপজেলা যুবদলের বহিষ্কৃত সদস্য সচিব রিপন শরিফের নেতৃত্বে শতাধিক বহিরাগত ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে কর্মসূচিতে বাধা দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। আন্দোলনকারীদের দাবি, বহিষ্কৃত উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব রিপন শরীফের নেতৃত্বে আসা বহিরাগতরা, শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ওপর হামলা চালায়। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া, হট্টগোল ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর পুরো ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। হামলার প্রায় এক ঘণ্টা পরও ঘটনাস্থলে পুলিশ না পৌঁছানোর অভিযোগ করেন আন্দোলনকারীরা।অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ভিসি ড. কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, হামলার বিষয়ে কিছুই জানি না।
আগামীকাল প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে। ওই বৈঠকে যোগ দিতে আজ সকাল ৮টায় ক্যাম্পাস থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছি। বহিরাগতদের হামলার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক বলেন, ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশ ও হামলার ঘটনায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি জানিয়েছেন তারা।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) ভিসি ড. কাজী রফিকুল ইসলামের অপসারণ দাবিতে চলা অবস্থান কর্মসূচিতে যুবদলের বহিষ্কৃত নেতার নেতৃত্বে বহিরাগতের হামলা, হট্টগোল ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (১১ মে) সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এতে শিক্ষক, কর্মকর্তাসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে আটজনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন- অধ্যাপক এবিএম সাইফুল ইসলাম, ড. আবদুল মালেক, ড. মো. আতিকুর রহমান, ড. নিজাম উদ্দীন, ড. মো. শহিদুল ইসলাম, ড. ননী গোপাল, ড. রিপন চন্দ্র পাল, পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মো. জসিম উদ্দিন এবং কর্মকর্তা নাসরিন আক্তার।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাংশের শিক্ষক, কর্মকর্তা- প্রশাসনিক ভবনের সামনে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা ভিসির অপসারণ দাবি এবং প্রো-ভিসি অধ্যাপক হেমায়েত জাহানের পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
এ সময় ভিসির সমর্থনে দুমকি উপজেলা যুবদলের বহিষ্কৃত সদস্য সচিব রিপন শরিফের নেতৃত্বে শতাধিক বহিরাগত ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে কর্মসূচিতে বাধা দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। আন্দোলনকারীদের দাবি, বহিষ্কৃত উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব রিপন শরীফের নেতৃত্বে আসা বহিরাগতরা, শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ওপর হামলা চালায়। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া, হট্টগোল ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর পুরো ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। হামলার প্রায় এক ঘণ্টা পরও ঘটনাস্থলে পুলিশ না পৌঁছানোর অভিযোগ করেন আন্দোলনকারীরা।অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ভিসি ড. কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, হামলার বিষয়ে কিছুই জানি না।
আগামীকাল প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে। ওই বৈঠকে যোগ দিতে আজ সকাল ৮টায় ক্যাম্পাস থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছি। বহিরাগতদের হামলার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক বলেন, ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশ ও হামলার ঘটনায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি জানিয়েছেন তারা।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১২ মে, ২০২৬ ১৭:২১
১২ মে, ২০২৬ ১৭:০৭
১২ মে, ২০২৬ ১৭:০৩
১২ মে, ২০২৬ ১৬:৪৪