
০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২৪
ঝালকাঠির রাজাপুরে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের উত্তমপুরে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ. এম. আলী হায়দার নাফিজের উদ্যোগে এই ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।
জানা যায়, জনকল্যাণমূলক এই কার্যক্রমটি নির্বাচনের পরেও চলবে। এতে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন দুবাই যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. মাহমুদুল হাসান ফেরদৌস, ঝালকাঠি জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি আতিকুর রহমান আতিক এবং বড়ইয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ. এম. আলী হায়দার নাফিজ বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে নির্বাচনী আমেজ শুরু হয়েছে। তবে গ্রামাঞ্চলের মানুষ এখনো চিকিৎসাসেবা বঞ্চিত হওয়ায় তাদের মাঝে সেই আমেজ তৈরি হয়নি।
বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে প্রান্তিক অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার কথা রয়েছে। তবে আমরা সেটা নির্বাচনের আগেই শুরু করে দিয়েছি, যাতে গ্রামের সাধারণ মানুষের মাঝে স্বাস্থসেবা পৌঁছে দিতে পারি।
এতে তাদের মাঝেও নির্বাচনী আমেজ ফিরে আসবে। আমাদের এই কর্যক্রম রাজাপুর, কাঠালিয়া ও ঝালকাঠির বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনের পরেও চলবে।
ভ্রাম্যমাণ ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প এলাকাবাসীর জন্য অত্যন্ত সহায়ক হয়েছে বলে জানান চিকিৎসা নিতে আসা স্থানীয় বাসিন্দারা। এই ক্যাম্পে সাধারণ মানুষ, শিশু ও বৃদ্ধসহ সব বয়সের লোকরা স্বাস্থ্য পরীক্ষা, চিকিৎসা পরামর্শ এবং বিনামূল্যের ওষুধ সুবিধা নেন।
ঝালকাঠির রাজাপুরে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের উত্তমপুরে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ. এম. আলী হায়দার নাফিজের উদ্যোগে এই ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।
জানা যায়, জনকল্যাণমূলক এই কার্যক্রমটি নির্বাচনের পরেও চলবে। এতে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন দুবাই যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. মাহমুদুল হাসান ফেরদৌস, ঝালকাঠি জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি আতিকুর রহমান আতিক এবং বড়ইয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ. এম. আলী হায়দার নাফিজ বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে নির্বাচনী আমেজ শুরু হয়েছে। তবে গ্রামাঞ্চলের মানুষ এখনো চিকিৎসাসেবা বঞ্চিত হওয়ায় তাদের মাঝে সেই আমেজ তৈরি হয়নি।
বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে প্রান্তিক অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার কথা রয়েছে। তবে আমরা সেটা নির্বাচনের আগেই শুরু করে দিয়েছি, যাতে গ্রামের সাধারণ মানুষের মাঝে স্বাস্থসেবা পৌঁছে দিতে পারি।
এতে তাদের মাঝেও নির্বাচনী আমেজ ফিরে আসবে। আমাদের এই কর্যক্রম রাজাপুর, কাঠালিয়া ও ঝালকাঠির বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনের পরেও চলবে।
ভ্রাম্যমাণ ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প এলাকাবাসীর জন্য অত্যন্ত সহায়ক হয়েছে বলে জানান চিকিৎসা নিতে আসা স্থানীয় বাসিন্দারা। এই ক্যাম্পে সাধারণ মানুষ, শিশু ও বৃদ্ধসহ সব বয়সের লোকরা স্বাস্থ্য পরীক্ষা, চিকিৎসা পরামর্শ এবং বিনামূল্যের ওষুধ সুবিধা নেন।
০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৫২
০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩০
০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২৪
০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৪

০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৫৩
ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে শক্ত হাতে প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, কেউ যদি পেশি শক্তির মাধ্যমে ভোটকেন্দ্র দখল করতে আসে, তাদের হাত ধরে মুচড়ে দিতে হবে। মামলা করতে এলে বলতে হবে, শফিকুর রহমানের নামে মামলা করুন।
শুক্রবার দুপুরে ঝালকাঠি জেলা শহরের বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা এমন বাংলাদেশ চাই না, যেখানে মা-বোনদের ইজ্জতের কোনো গ্যারান্টি নেই। আমরা সেই বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে ঘরে-বাইরে, কর্মক্ষেত্রে ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মা-বোনেরা নিরাপদে থাকবে।
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে জনগণকে সচেতন থাকতে হবে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা সহিংসতা বরদাশত করা হবে না। বেকার যুবকদের এমভাবে তৈরি করতে হবে যাতে (তারা) চালকের আসনে বসতে পারে।
জনসভায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের জামায়াত নেতৃবৃন্দসহ বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। সভা ঘিরে মাঠ ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক জনসমাগম দেখা যায়।
ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে শক্ত হাতে প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, কেউ যদি পেশি শক্তির মাধ্যমে ভোটকেন্দ্র দখল করতে আসে, তাদের হাত ধরে মুচড়ে দিতে হবে। মামলা করতে এলে বলতে হবে, শফিকুর রহমানের নামে মামলা করুন।
শুক্রবার দুপুরে ঝালকাঠি জেলা শহরের বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা এমন বাংলাদেশ চাই না, যেখানে মা-বোনদের ইজ্জতের কোনো গ্যারান্টি নেই। আমরা সেই বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে ঘরে-বাইরে, কর্মক্ষেত্রে ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মা-বোনেরা নিরাপদে থাকবে।
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে জনগণকে সচেতন থাকতে হবে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা সহিংসতা বরদাশত করা হবে না। বেকার যুবকদের এমভাবে তৈরি করতে হবে যাতে (তারা) চালকের আসনে বসতে পারে।
জনসভায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের জামায়াত নেতৃবৃন্দসহ বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। সভা ঘিরে মাঠ ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক জনসমাগম দেখা যায়।

০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৪
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ঝালকাঠিতে নির্বাচনি জনসভা মঞ্চে এক স্থানীয়র কাছ থেকে শীতল পাটি উপহার পেয়ে মঞ্চেই শুয়ে পড়েছেন। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি উঠে উপস্থিত নেতাকর্মীদের সাথে কোলাকুলি করতে দখো যায়।
আজ শুক্রবার দুপুরে তিনি ঝালকাঠি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে নির্বাচনী জনসভায় উপস্থিত হলে এ ঘটনা ঘটে। দীর্ঘ বছরের ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পরে দলটির শীর্ষ এই নেতা তৃতীয়বারের মতো ঝালকাঠি সফর করছেন। জামায়াতের আমিরের এই সফরকে কেন্দ্র করে জেলার দুটি সংসদীয় আসনে তৈরি হয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ঝালকাঠিতে নির্বাচনি জনসভা মঞ্চে এক স্থানীয়র কাছ থেকে শীতল পাটি উপহার পেয়ে মঞ্চেই শুয়ে পড়েছেন। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি উঠে উপস্থিত নেতাকর্মীদের সাথে কোলাকুলি করতে দখো যায়।
আজ শুক্রবার দুপুরে তিনি ঝালকাঠি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে নির্বাচনী জনসভায় উপস্থিত হলে এ ঘটনা ঘটে। দীর্ঘ বছরের ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পরে দলটির শীর্ষ এই নেতা তৃতীয়বারের মতো ঝালকাঠি সফর করছেন। জামায়াতের আমিরের এই সফরকে কেন্দ্র করে জেলার দুটি সংসদীয় আসনে তৈরি হয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।

০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২১
রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে সংঘটিত এক হত্যা মামলার আসামি সৈয়দ রাজ্জাক আলী সেলিম ঝালকাঠি-২ (ঝালকাঠি সদর-নলছিটি) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তিনি ‘মোটরসাইকেল’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সৈয়দ রাজ্জাক আলী সেলিম ঝালকাঠি জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। জানা গেছে, পারস্পরিক যোগসাজশে হত্যা ও হত্যায় সহায়তার অভিযোগে জুলাই আন্দোলন ঘিরে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলাটি করা হয়।
মামলাটি করেন সবুজবাগ থানার মীম আক্তার আখি (২৮)। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নির্দেশে চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি মামলাটি যাত্রাবাড়ী থানায় এফআইআর হিসেবে রেকর্ড করা হয়।
মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ৩৮৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। সৈয়দ রাজ্জাক আলী সেলিম এ মামলার ২২৩ নম্বর আসামি।
যাত্রাবাড়ী থানার ওসি মো. খালেদ হাসান মামলাটি রেকর্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আদালতের নির্দেশে এফআইআর হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।
এদিকে হত্যা মামলার আসামি হয়েও নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং হলফনামায় মামলার তথ্য গোপনের অভিযোগে ঝালকাঠিতে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনা ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে রাজ্জাক সেলিম বলেন, ২৯ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় পর্যন্ত এ ধরনের কোনো মামলার তথ্য আমার জানা ছিল না। যে কারণে হলফনামা প্রদানের সময় পর্যন্ত এই মামলার বিষয় কোনো তথ্য উল্লেখের প্রশ্ন ওঠেনি। এখন যেহেতু একটি মামলা বিষয় আলোচনা হচ্ছে তাই আমি নিশ্চিত হওয়ার জন্য খোঁজ খবর নিচ্ছি।
ঝালকাঠি জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জাহিদ হোসেন বলেন, মামলার বিষয়টি আমরা গণমাধ্যম থেকেই শুনেছি। খোঁজ নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, সৈয়দ রাজ্জাক আলী সেলিম ২০০৯–২০১৩ সাল পর্যন্ত ঝালকাঠি সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলেন এবং দীর্ঘদিন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে তার মনোনয়ন বাতিল হলেও আপিলের মাধ্যমে তা ফিরে পান।
সবশেষ ২০২৪ সালে সহ-সভাপতি পদে থেকেই উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেয়। এ সময় আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীর সমর্থকদের সঙ্গে রাজ্জাক সেলিমের সমর্থকদের বিরোধে মামলার পর তিনি এলাকা ছেড়ে চলে যান।
রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে সংঘটিত এক হত্যা মামলার আসামি সৈয়দ রাজ্জাক আলী সেলিম ঝালকাঠি-২ (ঝালকাঠি সদর-নলছিটি) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তিনি ‘মোটরসাইকেল’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সৈয়দ রাজ্জাক আলী সেলিম ঝালকাঠি জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। জানা গেছে, পারস্পরিক যোগসাজশে হত্যা ও হত্যায় সহায়তার অভিযোগে জুলাই আন্দোলন ঘিরে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলাটি করা হয়।
মামলাটি করেন সবুজবাগ থানার মীম আক্তার আখি (২৮)। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নির্দেশে চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি মামলাটি যাত্রাবাড়ী থানায় এফআইআর হিসেবে রেকর্ড করা হয়।
মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ৩৮৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। সৈয়দ রাজ্জাক আলী সেলিম এ মামলার ২২৩ নম্বর আসামি।
যাত্রাবাড়ী থানার ওসি মো. খালেদ হাসান মামলাটি রেকর্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আদালতের নির্দেশে এফআইআর হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।
এদিকে হত্যা মামলার আসামি হয়েও নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং হলফনামায় মামলার তথ্য গোপনের অভিযোগে ঝালকাঠিতে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনা ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে রাজ্জাক সেলিম বলেন, ২৯ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় পর্যন্ত এ ধরনের কোনো মামলার তথ্য আমার জানা ছিল না। যে কারণে হলফনামা প্রদানের সময় পর্যন্ত এই মামলার বিষয় কোনো তথ্য উল্লেখের প্রশ্ন ওঠেনি। এখন যেহেতু একটি মামলা বিষয় আলোচনা হচ্ছে তাই আমি নিশ্চিত হওয়ার জন্য খোঁজ খবর নিচ্ছি।
ঝালকাঠি জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জাহিদ হোসেন বলেন, মামলার বিষয়টি আমরা গণমাধ্যম থেকেই শুনেছি। খোঁজ নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, সৈয়দ রাজ্জাক আলী সেলিম ২০০৯–২০১৩ সাল পর্যন্ত ঝালকাঠি সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলেন এবং দীর্ঘদিন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে তার মনোনয়ন বাতিল হলেও আপিলের মাধ্যমে তা ফিরে পান।
সবশেষ ২০২৪ সালে সহ-সভাপতি পদে থেকেই উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেয়। এ সময় আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীর সমর্থকদের সঙ্গে রাজ্জাক সেলিমের সমর্থকদের বিরোধে মামলার পর তিনি এলাকা ছেড়ে চলে যান।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.