Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০১
দুলাভাইয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল শ্যালিকার। পরে সেই শ্যালিকার অন্যত্র বিয়ে হয়ে যাওয়ায় তীব্র ক্ষোভে পরিকল্পিতভাবে শ্যালিকার স্বামী রাজু মিঞাকে (১৯) ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়।
চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে। পুলিশ এ ঘটনায় হোতাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করেছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গ্রেপ্তার আসামি মো. ফিরোজ আহাম্মদ (৩৪) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
এর আগে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) কুমিল্লার কোতোয়ালি থানাধীন পাঁচথুবি এলাকা থেকে ফিরোজ আহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফিরোজের শাশুড়ি ফাতেমা বেগমকে (৪২) গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গত ২১ জানুয়ারি রাতে ফটিকছড়ি উপজেলার ধর্মপুর গ্রামের বাসিন্দা রাজু মিঞা তার মালিকানাধীন ভাঙারির দোকানে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেলে পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
বিজ্ঞাপন
খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে ধর্মপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বেড়িবাঁধসংলগ্ন পেয়ারুল ইসলামের সেগুন বাগানের পশ্চিম পাশে খনখাইয়া খালের ঢাল থেকে রাজুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ফটিকছড়ি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মামলাটি তদন্তের অংশ হিসেবে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় একাধিক স্থানে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এর ধারাবাহিকতার ভিত্তিতে মঙ্গলবার কুমিল্লা জেলার কোতোয়ালী থানাধীন পাঁচথুবি এলাকা থেকে মামলার মূল আসামি মো. ফিরোজ আহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন এবং ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেন।
ফিরোজ আহাম্মদের বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজান এলাকায়। তিনি ঢাকায় চাকরি করতেন। তার স্ত্রী ফটিকছড়ির ধর্মপুর এলাকায় বাবার বাড়িতে বসবাস করতেন। সেই সময় ফিরোজ তার স্ত্রীর ছোট বোনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরে সেই নারী প্রতিবেশী রাজু মিঞার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। সামাজিক মীমাংসার মাধ্যমে সম্প্রতি ভুক্তভোগী রাজুর সঙ্গে ফিরোজের শালীর বিয়ে হয়।
এই বিয়েকে কেন্দ্র করে ফিরোজ আহাম্মদ ও তার শাশুড়ি ফাতেমা বেগম ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। স্থানীয়ভাবে সামাজিক মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তাদের ক্ষোভ প্রশমিত হয়নি। একপর্যায়ে তারা রাজু মিঞাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।
চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী ২১ জানুয়ারি রাতে ফিরোজ আহাম্মদ কৌশলে রাজুকে তার স্ত্রীর একটি থ্রি-পিস দেওয়ার কথা বলে খনখাইয়া খালের পাড়ে ডেকে নেন। সেখানে পৌঁছানোর পর ধারালো ছুরি দিয়ে রাজুর পেট, গলা ও পিঠে একাধিক আঘাত করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই রাজুর মৃত্যু হয়।
হত্যার পর আসামি মরদেহ খালের ঢালে বালিচাপা দেন এবং হত্যায় ব্যবহৃত ছুরিটি খালের পানিতে ফেলে দেন। রাজুর সঙ্গে থাকা থ্রি-পিসটি পাশের সেগুন বাগানে ফেলে দিয়ে তিনি প্রথমে ঢাকায় এবং পরে কুমিল্লায় পালিয়ে যান।
তিনি আরও বলেন, আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ পরবর্তী অভিযানে হত্যার পরিকল্পনায় জড়িত অপর আসামি ফাতেমা বেগমকে গ্রেপ্তার করে। একইসঙ্গে খনখাইয়া খাল থেকে হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি এবং সেগুন বাগান থেকে থ্রি-পিস উদ্ধার করা হয়।
দুলাভাইয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল শ্যালিকার। পরে সেই শ্যালিকার অন্যত্র বিয়ে হয়ে যাওয়ায় তীব্র ক্ষোভে পরিকল্পিতভাবে শ্যালিকার স্বামী রাজু মিঞাকে (১৯) ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়।
চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে। পুলিশ এ ঘটনায় হোতাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করেছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গ্রেপ্তার আসামি মো. ফিরোজ আহাম্মদ (৩৪) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
এর আগে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) কুমিল্লার কোতোয়ালি থানাধীন পাঁচথুবি এলাকা থেকে ফিরোজ আহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফিরোজের শাশুড়ি ফাতেমা বেগমকে (৪২) গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গত ২১ জানুয়ারি রাতে ফটিকছড়ি উপজেলার ধর্মপুর গ্রামের বাসিন্দা রাজু মিঞা তার মালিকানাধীন ভাঙারির দোকানে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেলে পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
বিজ্ঞাপন
খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে ধর্মপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বেড়িবাঁধসংলগ্ন পেয়ারুল ইসলামের সেগুন বাগানের পশ্চিম পাশে খনখাইয়া খালের ঢাল থেকে রাজুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ফটিকছড়ি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মামলাটি তদন্তের অংশ হিসেবে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় একাধিক স্থানে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এর ধারাবাহিকতার ভিত্তিতে মঙ্গলবার কুমিল্লা জেলার কোতোয়ালী থানাধীন পাঁচথুবি এলাকা থেকে মামলার মূল আসামি মো. ফিরোজ আহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন এবং ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেন।
ফিরোজ আহাম্মদের বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজান এলাকায়। তিনি ঢাকায় চাকরি করতেন। তার স্ত্রী ফটিকছড়ির ধর্মপুর এলাকায় বাবার বাড়িতে বসবাস করতেন। সেই সময় ফিরোজ তার স্ত্রীর ছোট বোনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরে সেই নারী প্রতিবেশী রাজু মিঞার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। সামাজিক মীমাংসার মাধ্যমে সম্প্রতি ভুক্তভোগী রাজুর সঙ্গে ফিরোজের শালীর বিয়ে হয়।
এই বিয়েকে কেন্দ্র করে ফিরোজ আহাম্মদ ও তার শাশুড়ি ফাতেমা বেগম ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। স্থানীয়ভাবে সামাজিক মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তাদের ক্ষোভ প্রশমিত হয়নি। একপর্যায়ে তারা রাজু মিঞাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।
চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী ২১ জানুয়ারি রাতে ফিরোজ আহাম্মদ কৌশলে রাজুকে তার স্ত্রীর একটি থ্রি-পিস দেওয়ার কথা বলে খনখাইয়া খালের পাড়ে ডেকে নেন। সেখানে পৌঁছানোর পর ধারালো ছুরি দিয়ে রাজুর পেট, গলা ও পিঠে একাধিক আঘাত করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই রাজুর মৃত্যু হয়।
হত্যার পর আসামি মরদেহ খালের ঢালে বালিচাপা দেন এবং হত্যায় ব্যবহৃত ছুরিটি খালের পানিতে ফেলে দেন। রাজুর সঙ্গে থাকা থ্রি-পিসটি পাশের সেগুন বাগানে ফেলে দিয়ে তিনি প্রথমে ঢাকায় এবং পরে কুমিল্লায় পালিয়ে যান।
তিনি আরও বলেন, আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ পরবর্তী অভিযানে হত্যার পরিকল্পনায় জড়িত অপর আসামি ফাতেমা বেগমকে গ্রেপ্তার করে। একইসঙ্গে খনখাইয়া খাল থেকে হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি এবং সেগুন বাগান থেকে থ্রি-পিস উদ্ধার করা হয়।

৩০ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী তারেক রহমানের নির্বাচনে ব্যয় হয়েছে ২৩ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রোববার (২৯ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বিভাগীয় কমিশনারের কাছে ব্যয়ের হিসাব জমা দেন। সোমবার (৩০ মার্চ) নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইসি সচিবালয়ে জমা দেওয়া রিটার্নে উল্লেখিত ব্যয়ের খাত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রচার-প্রচারণায় ব্যয় হয়েছে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া পরিবহন বাবদ ১ লাখ ১০ হাজার টাকা, জনসভা আয়োজনের জন্য ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং নির্বাচনী ক্যাম্প পরিচালনায় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে।
রিটার্ন অনুযায়ী, নির্বাচনী ব্যয়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশ খরচ হয়েছে এজেন্ট ও অন্যান্য স্টাফ খাতে, যার পরিমাণ ৯ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। এছাড়া আবাসন ও প্রশাসনিক খাতে ৬৬ হাজার টাকা এবং বর্তমান সময়ের ডিজিটাল প্রচারণার অংশ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যয় করা হয়েছে ৫০ হাজার টাকা।
উল্লেখ্য, ঢাকা-১৭ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৭৭৭ জন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২ অনুযায়ী, নির্বাচনে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা অথবা ভোটারপ্রতি ১০ টাকা—এই দুইয়ের মধ্যে যেটি বেশি হবে, সেই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে পারবেন। তারেক রহমানের ব্যয় নির্ধারিত এই সীমার মধ্যেই রয়েছে।
আইনি বাধ্যবাধকতা আইন অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রার্থীর নাম গেজেটে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব (ফরম-২২) দাখিল করা বাধ্যতামূলক। নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮ অনুসারে নির্ধারিত ফরমে হলফনামাসহ এই রিটার্ন জমা দিতে হয় এবং এর অনুলিপি রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠাতে হয়। নির্ধারিত সময়ে হিসাব জমা না দিলে জেল-জরিমানাসহ প্রার্থীর সদস্যপদ বাতিলেরও বিধান রয়েছে।

৩০ মার্চ, ২০২৬ ১১:৩৩
সারা দেশে জ্বালানি তেল সংকটের মধ্যে পেট্রোল পাম্পগুলোতে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করেছে বগুড়া জেলা প্রশাসন। এখন থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স, হেলমেট ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া কোনো গ্রাহককে তেল দেওয়া হবে না।
রোববার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান। জেলা প্রশাসক জানান, সংকট মোকাবিলায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের যৌথ উদ্যোগে চেকপোস্ট বসিয়ে কাগজপত্র যাচাই করা হবে।
এছাড়া প্রতিটি পাম্পে এসব নির্দেশনা সংবলিত ব্যানার টাঙিয়ে দেওয়া হবে এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে কঠোর মনিটরিং চালানো হবে। জানা গেছে, বগুড়া জেলায় মোট ৭৮টি তেলের পাম্প রয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে রাজশাহী বিভাগীয় পেট্রোলিয়াম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি মিজানুর রহমান রতন জানান, সংকটের শুরুতে মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় জেলার অর্ধেকের বেশি পাম্প সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে পড়ে।
তবে বর্তমানে তেল সরবরাহ পুনরায় শুরু হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, খুব দ্রুতই জেলার সব ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি পৌঁছে যাবে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।

২৯ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২০
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে নিজ কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে মায়ের করা মামলার আসামি বাবা জসিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় এই তথ্য নিশ্চিত করেন শাহরাস্তি থানার ওসি মীর মাহবুবুর রহমান।
শাহরাস্তি থানা পুলিশ জানায়, গত ৬ মার্চ স্বামীর বিরুদ্ধে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ এনে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে শাহরাস্তি থানায় মামলা দায়ের করেন মেয়েটির মা। মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে অভিযুক্ত বাবা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আত্মগোপনে চলে যায়। কয়েকদিন পর মেয়েটির মা পালিয়ে এসে তার স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন।
মামলার সংবাদ পেয়ে জসিম উদ্দিন পরিবারের সদস্যদের রেখে পালিয়ে যান। শাহরাস্তি থানা পুলিশ জসিম উদ্দিনকে ধরতে বেশ কয়েকবার অভিযান পরিচালনা করেন। সর্বশেষ আজ (রোববার) থানার এসআই মিঠুন দাসের নেতৃত্বে একটি দল তাকে আটক করতে সক্ষম হয়।
শাহরাস্তি মডেল থানার ওসি মীর মাহবুবুর রহমান আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, থানা পুলিশ বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকার রায়েরবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। তাকে ঢাকা থেকে থানায় নিয়ে আসা হচ্ছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী তারেক রহমানের নির্বাচনে ব্যয় হয়েছে ২৩ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রোববার (২৯ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বিভাগীয় কমিশনারের কাছে ব্যয়ের হিসাব জমা দেন। সোমবার (৩০ মার্চ) নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইসি সচিবালয়ে জমা দেওয়া রিটার্নে উল্লেখিত ব্যয়ের খাত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রচার-প্রচারণায় ব্যয় হয়েছে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া পরিবহন বাবদ ১ লাখ ১০ হাজার টাকা, জনসভা আয়োজনের জন্য ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং নির্বাচনী ক্যাম্প পরিচালনায় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে।
রিটার্ন অনুযায়ী, নির্বাচনী ব্যয়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশ খরচ হয়েছে এজেন্ট ও অন্যান্য স্টাফ খাতে, যার পরিমাণ ৯ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। এছাড়া আবাসন ও প্রশাসনিক খাতে ৬৬ হাজার টাকা এবং বর্তমান সময়ের ডিজিটাল প্রচারণার অংশ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যয় করা হয়েছে ৫০ হাজার টাকা।
উল্লেখ্য, ঢাকা-১৭ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৭৭৭ জন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২ অনুযায়ী, নির্বাচনে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা অথবা ভোটারপ্রতি ১০ টাকা—এই দুইয়ের মধ্যে যেটি বেশি হবে, সেই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে পারবেন। তারেক রহমানের ব্যয় নির্ধারিত এই সীমার মধ্যেই রয়েছে।
আইনি বাধ্যবাধকতা আইন অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রার্থীর নাম গেজেটে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব (ফরম-২২) দাখিল করা বাধ্যতামূলক। নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮ অনুসারে নির্ধারিত ফরমে হলফনামাসহ এই রিটার্ন জমা দিতে হয় এবং এর অনুলিপি রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠাতে হয়। নির্ধারিত সময়ে হিসাব জমা না দিলে জেল-জরিমানাসহ প্রার্থীর সদস্যপদ বাতিলেরও বিধান রয়েছে।
সারা দেশে জ্বালানি তেল সংকটের মধ্যে পেট্রোল পাম্পগুলোতে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করেছে বগুড়া জেলা প্রশাসন। এখন থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স, হেলমেট ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া কোনো গ্রাহককে তেল দেওয়া হবে না।
রোববার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান। জেলা প্রশাসক জানান, সংকট মোকাবিলায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের যৌথ উদ্যোগে চেকপোস্ট বসিয়ে কাগজপত্র যাচাই করা হবে।
এছাড়া প্রতিটি পাম্পে এসব নির্দেশনা সংবলিত ব্যানার টাঙিয়ে দেওয়া হবে এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে কঠোর মনিটরিং চালানো হবে। জানা গেছে, বগুড়া জেলায় মোট ৭৮টি তেলের পাম্প রয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে রাজশাহী বিভাগীয় পেট্রোলিয়াম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি মিজানুর রহমান রতন জানান, সংকটের শুরুতে মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় জেলার অর্ধেকের বেশি পাম্প সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে পড়ে।
তবে বর্তমানে তেল সরবরাহ পুনরায় শুরু হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, খুব দ্রুতই জেলার সব ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি পৌঁছে যাবে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে নিজ কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে মায়ের করা মামলার আসামি বাবা জসিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় এই তথ্য নিশ্চিত করেন শাহরাস্তি থানার ওসি মীর মাহবুবুর রহমান।
শাহরাস্তি থানা পুলিশ জানায়, গত ৬ মার্চ স্বামীর বিরুদ্ধে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ এনে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে শাহরাস্তি থানায় মামলা দায়ের করেন মেয়েটির মা। মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে অভিযুক্ত বাবা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আত্মগোপনে চলে যায়। কয়েকদিন পর মেয়েটির মা পালিয়ে এসে তার স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন।
মামলার সংবাদ পেয়ে জসিম উদ্দিন পরিবারের সদস্যদের রেখে পালিয়ে যান। শাহরাস্তি থানা পুলিশ জসিম উদ্দিনকে ধরতে বেশ কয়েকবার অভিযান পরিচালনা করেন। সর্বশেষ আজ (রোববার) থানার এসআই মিঠুন দাসের নেতৃত্বে একটি দল তাকে আটক করতে সক্ষম হয়।
শাহরাস্তি মডেল থানার ওসি মীর মাহবুবুর রহমান আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, থানা পুলিশ বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকার রায়েরবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। তাকে ঢাকা থেকে থানায় নিয়ে আসা হচ্ছে।