
১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:১০
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল শুনানিকালে বিএনপি প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহর মধ্যে হট্টগোল হয়েছে।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে এ ঘটনা ঘটে। এসময় দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে মানিকগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী আফরোজা খানমের মনোনয়নপত্রের বৈধতার বিরুদ্ধে আপিল শুনানির বিরতি চলছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুনানিতে আফরোজার দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে সংশ্লিষ্ট সিনিয়র আইনজীবীদের ব্যাখ্যা নেন ইসি। দুপুরে ব্যাখ্যা গ্রহণের শেষ দিকে শুনানি আধা ঘণ্টার জন্য বিরতি দেয় কমিশন। তখন প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) নেতৃত্বে পুরো কমিশন আসন ত্যাগ করার পরপরই আপিলের পক্ষে ও বিপক্ষের আইনজীবীরা বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন।
এ জটলার মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফেনী-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু। দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে তারও বৈধ মনোনয়নপত্র বাতিলের আপিল হয়েছে। এজন্য শুনানিতে অংশ নিতে তিনি ইসিতে আসেন। জটলায় তিনি মনোনয়ন বাতিল করতে চাওয়া পক্ষের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এসময় অন্য এক আপিলের শুনানির জন্য ইসি মিলনায়তনে উপস্থিত কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপি প্রার্থী আবুল হাসনাত (হাসনাত আব্দুল্লাহ) উত্তেজিত হয়ে পড়েন। তিনি আউয়াল মিন্টুর ক্ষোভ প্রকাশ নিয়ে আপত্তি তোলেন। সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে পড়ে। তখন আউয়াল মিন্টুকে আইনজীবীরা সরিয়ে নিলে তার ছেলে তাবিথ আউয়াল কথা বলে হাসনাতকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বিরতির পর শুনানি শুরু হলে হাসনাত কমিশনের কাছে অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, বিএনপি প্রার্থী আউয়াল মিন্টু অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেছেন। ব্লাডি সিটিজেন বলেছেন এবং বল প্রয়োগেরও চেষ্টা করেন।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘আমরা ঘটনাটি শুনেছি। এটাকে অনাকাঙ্ক্ষিত বলি। আশা করছি, কেউ আর এ ধরনের ঘটনা ঘটাবেন না।’ তিনি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য নির্বাচনি তদন্ত কমিটির কাছে অভিযোগ করার পরামর্শ দেন।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল শুনানিকালে বিএনপি প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহর মধ্যে হট্টগোল হয়েছে।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে এ ঘটনা ঘটে। এসময় দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে মানিকগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী আফরোজা খানমের মনোনয়নপত্রের বৈধতার বিরুদ্ধে আপিল শুনানির বিরতি চলছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুনানিতে আফরোজার দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে সংশ্লিষ্ট সিনিয়র আইনজীবীদের ব্যাখ্যা নেন ইসি। দুপুরে ব্যাখ্যা গ্রহণের শেষ দিকে শুনানি আধা ঘণ্টার জন্য বিরতি দেয় কমিশন। তখন প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) নেতৃত্বে পুরো কমিশন আসন ত্যাগ করার পরপরই আপিলের পক্ষে ও বিপক্ষের আইনজীবীরা বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন।
এ জটলার মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফেনী-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু। দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে তারও বৈধ মনোনয়নপত্র বাতিলের আপিল হয়েছে। এজন্য শুনানিতে অংশ নিতে তিনি ইসিতে আসেন। জটলায় তিনি মনোনয়ন বাতিল করতে চাওয়া পক্ষের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এসময় অন্য এক আপিলের শুনানির জন্য ইসি মিলনায়তনে উপস্থিত কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপি প্রার্থী আবুল হাসনাত (হাসনাত আব্দুল্লাহ) উত্তেজিত হয়ে পড়েন। তিনি আউয়াল মিন্টুর ক্ষোভ প্রকাশ নিয়ে আপত্তি তোলেন। সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে পড়ে। তখন আউয়াল মিন্টুকে আইনজীবীরা সরিয়ে নিলে তার ছেলে তাবিথ আউয়াল কথা বলে হাসনাতকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বিরতির পর শুনানি শুরু হলে হাসনাত কমিশনের কাছে অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, বিএনপি প্রার্থী আউয়াল মিন্টু অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেছেন। ব্লাডি সিটিজেন বলেছেন এবং বল প্রয়োগেরও চেষ্টা করেন।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘আমরা ঘটনাটি শুনেছি। এটাকে অনাকাঙ্ক্ষিত বলি। আশা করছি, কেউ আর এ ধরনের ঘটনা ঘটাবেন না।’ তিনি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য নির্বাচনি তদন্ত কমিটির কাছে অভিযোগ করার পরামর্শ দেন।
বরিশাল টাইমস

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৫
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের বহুল আলোচিত ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সূচিতেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শ্রীলঙ্কায় রবিবার অনুষ্ঠেয় এই ম্যাচ নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে বয়কটের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেছে পাকিস্তান সরকার।
তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি), পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মধ্যে কয়েক দিনের আলোচনা ও দেনদরবারের পর সোমবার সন্ধ্যায় পাকিস্তান সরকার দলকে মাঠে নামার নির্দেশ দেয়।
পাকিস্তান সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ক্রিকেটের চেতনাকে সমুন্নত রাখা এবং বিশ্বব্যাপী এই খেলাটির ধারাবাহিকতা রক্ষার স্বার্থেই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে।
গত সপ্তাহে ইসলামাবাদ সরকার পাকিস্তান দলকে ভারতের বিপক্ষে মাঠে না নামার পরামর্শ দেয়। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেছিলেন, বাংলাদেশকে ‘সমর্থন’ জানাতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশ তাদের ম্যাচগুলো ভারত থেকে অন্য দেশে সরানোর অনুরোধ জানালেও তা প্রত্যাখ্যাত হওয়ায় তারা টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ না হলে বৈশ্বিক ক্রিকেটে বড় ধরনের আর্থিক ও কাঠামোগত সংকট তৈরি হতে পারত। আইসিসির বর্তমান সম্প্রচার স্বত্ব ও ভবিষ্যৎ চুক্তি নিয়েও জটিলতা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা ছিল। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতো ছোট ও উদীয়মান ক্রিকেট দেশগুলো, যারা আইসিসির রাজস্ব বণ্টনের ওপর নির্ভরশীল।
আইসিসি এক বিবৃতিতে জানায়, পিসিবির সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে একটি সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। সংস্থাটি আরো জানায়, টুর্নামেন্ট বয়কট করায় বাংলাদেশকে কোনো ধরনের শাস্তি দেওয়া হবে না।
পাশাপাশি ২০২৮ থেকে ২০৩১ বিশ্বকাপ শুরুর আগের মধ্যে বাংলাদেশ একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ পাবে।
এর আগে সোমবারই বিসিবি পাকিস্তানকে ম্যাচটি খেলতে অনুরোধ জানায়। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘পুরো ক্রিকেট ব্যবস্থার স্বার্থে ম্যাচটি হওয়া জরুরি। এই সময়ে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর জন্য পাকিস্তানের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।’
শ্রীলঙ্কাও পাকিস্তানকে ম্যাচ খেলতে অনুরোধ জানায়। ম্যাচটি হলে টিকিট বিক্রি ও দর্শক আগমনে আয়বান্ধব সুফল পাবে স্বাগতিক দেশটি।
রাজনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে আগেই সিদ্ধান্ত হয়েছিল, আইসিসি ইভেন্টে ভারত ও পাকিস্তান মুখোমুখি হলে তারা নিরপেক্ষ ভেন্যুতে খেলবে। সে অনুযায়ী পাকিস্তানের সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের সূচি নির্ধারিত।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের এপ্রিলে কাশ্মীর ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চার দিনের সামরিক উত্তেজনা দেখা দেয়। এর আগেও ভারত পাকিস্তানে গিয়ে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেলতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের ম্যাচ সংযুক্ত আরব আমিরাতে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
বিশ্বকাপে দুই দলই নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয় পেয়েছে। পাকিস্তান মঙ্গলবার কলম্বোয় যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে খেলবে। অন্যদিকে ভারত বৃহস্পতিবার দিল্লিতে নামিবিয়ার মুখোমুখি হবে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের বহুল আলোচিত ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সূচিতেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শ্রীলঙ্কায় রবিবার অনুষ্ঠেয় এই ম্যাচ নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে বয়কটের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেছে পাকিস্তান সরকার।
তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি), পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মধ্যে কয়েক দিনের আলোচনা ও দেনদরবারের পর সোমবার সন্ধ্যায় পাকিস্তান সরকার দলকে মাঠে নামার নির্দেশ দেয়।
পাকিস্তান সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ক্রিকেটের চেতনাকে সমুন্নত রাখা এবং বিশ্বব্যাপী এই খেলাটির ধারাবাহিকতা রক্ষার স্বার্থেই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে।
গত সপ্তাহে ইসলামাবাদ সরকার পাকিস্তান দলকে ভারতের বিপক্ষে মাঠে না নামার পরামর্শ দেয়। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেছিলেন, বাংলাদেশকে ‘সমর্থন’ জানাতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশ তাদের ম্যাচগুলো ভারত থেকে অন্য দেশে সরানোর অনুরোধ জানালেও তা প্রত্যাখ্যাত হওয়ায় তারা টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ না হলে বৈশ্বিক ক্রিকেটে বড় ধরনের আর্থিক ও কাঠামোগত সংকট তৈরি হতে পারত। আইসিসির বর্তমান সম্প্রচার স্বত্ব ও ভবিষ্যৎ চুক্তি নিয়েও জটিলতা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা ছিল। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতো ছোট ও উদীয়মান ক্রিকেট দেশগুলো, যারা আইসিসির রাজস্ব বণ্টনের ওপর নির্ভরশীল।
আইসিসি এক বিবৃতিতে জানায়, পিসিবির সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে একটি সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। সংস্থাটি আরো জানায়, টুর্নামেন্ট বয়কট করায় বাংলাদেশকে কোনো ধরনের শাস্তি দেওয়া হবে না।
পাশাপাশি ২০২৮ থেকে ২০৩১ বিশ্বকাপ শুরুর আগের মধ্যে বাংলাদেশ একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ পাবে।
এর আগে সোমবারই বিসিবি পাকিস্তানকে ম্যাচটি খেলতে অনুরোধ জানায়। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘পুরো ক্রিকেট ব্যবস্থার স্বার্থে ম্যাচটি হওয়া জরুরি। এই সময়ে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর জন্য পাকিস্তানের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।’
শ্রীলঙ্কাও পাকিস্তানকে ম্যাচ খেলতে অনুরোধ জানায়। ম্যাচটি হলে টিকিট বিক্রি ও দর্শক আগমনে আয়বান্ধব সুফল পাবে স্বাগতিক দেশটি।
রাজনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে আগেই সিদ্ধান্ত হয়েছিল, আইসিসি ইভেন্টে ভারত ও পাকিস্তান মুখোমুখি হলে তারা নিরপেক্ষ ভেন্যুতে খেলবে। সে অনুযায়ী পাকিস্তানের সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের সূচি নির্ধারিত।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের এপ্রিলে কাশ্মীর ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চার দিনের সামরিক উত্তেজনা দেখা দেয়। এর আগেও ভারত পাকিস্তানে গিয়ে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেলতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের ম্যাচ সংযুক্ত আরব আমিরাতে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
বিশ্বকাপে দুই দলই নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয় পেয়েছে। পাকিস্তান মঙ্গলবার কলম্বোয় যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে খেলবে। অন্যদিকে ভারত বৃহস্পতিবার দিল্লিতে নামিবিয়ার মুখোমুখি হবে।

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৩
আসন্ন নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে টানা চার দিনের ছুটি ঘোষণা করায় শিল্পাঞ্চল গাজীপুরের মহাসড়কে ঘরমুখী মানুষের ঢল নেমেছে। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক দীর্ঘ ৫০ কিলোমিটারজুড়ে যানজট দেখা দিয়েছে।
সোমবার বিকেল থেকে সাভার-আশুলিয়া, গাজীপুর, টঙ্গী ও শ্রীপুর এলাকার সড়ক ও মহাসড়কে শ্রমিকদের বাড়ি যাওয়ার চাপে দেখা দেয় ভয়াবহ যানজট।
সরেজমিনে দেখা যায়, হেমায়েতপুর, আশুলিয়া, বিশমাইল, নবীনগর, বাইপাইল, টঙ্গী ও শ্রীপুরের বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে শ্রমিকদের দীর্ঘ সারি। অনেককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। ছুটি উপলক্ষে এ যাত্রা অনেকটাই ঈদের সময়ের ভিড়ের সঙ্গে তুলনীয় হয়ে উঠেছে।
অতিরিক্ত যাত্রী চাপের সুযোগে কিছু পরিবহনে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি টাকা আদায়ের অভিযোগ করেন শ্রমিকরা। তবুও ভোটের আগে পরিবার-পরিজনের কাছে ফিরে যাওয়ার তাগিদেই তারা ঝুঁকি নিয়ে যাত্রা করছেন বলে জানান।
একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক শ্রমিক শিল্পাঞ্চল ছাড়ায় ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। বিশেষ করে বাইপাইল-চন্দ্রা, টঙ্গী স্টেশন রোড ও শ্রীপুর সংযোগ সড়কে দীর্ঘ সময় যানবাহন আটকে থাকে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রী, অফিসগামী মানুষ ও পণ্যবাহী যানচালকেরা।
যানজট নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। তারা সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ও যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছেন।
সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, ছুটির শেষ দিনগুলোতে সমন্বিত ব্যবস্থাপনা না থাকলে শিল্পাঞ্চলকেন্দ্রিক সড়কগুলোতে যানজটের মাত্রা আরও বাড়তে পারে।
আসন্ন নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে টানা চার দিনের ছুটি ঘোষণা করায় শিল্পাঞ্চল গাজীপুরের মহাসড়কে ঘরমুখী মানুষের ঢল নেমেছে। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক দীর্ঘ ৫০ কিলোমিটারজুড়ে যানজট দেখা দিয়েছে।
সোমবার বিকেল থেকে সাভার-আশুলিয়া, গাজীপুর, টঙ্গী ও শ্রীপুর এলাকার সড়ক ও মহাসড়কে শ্রমিকদের বাড়ি যাওয়ার চাপে দেখা দেয় ভয়াবহ যানজট।
সরেজমিনে দেখা যায়, হেমায়েতপুর, আশুলিয়া, বিশমাইল, নবীনগর, বাইপাইল, টঙ্গী ও শ্রীপুরের বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে শ্রমিকদের দীর্ঘ সারি। অনেককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। ছুটি উপলক্ষে এ যাত্রা অনেকটাই ঈদের সময়ের ভিড়ের সঙ্গে তুলনীয় হয়ে উঠেছে।
অতিরিক্ত যাত্রী চাপের সুযোগে কিছু পরিবহনে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি টাকা আদায়ের অভিযোগ করেন শ্রমিকরা। তবুও ভোটের আগে পরিবার-পরিজনের কাছে ফিরে যাওয়ার তাগিদেই তারা ঝুঁকি নিয়ে যাত্রা করছেন বলে জানান।
একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক শ্রমিক শিল্পাঞ্চল ছাড়ায় ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। বিশেষ করে বাইপাইল-চন্দ্রা, টঙ্গী স্টেশন রোড ও শ্রীপুর সংযোগ সড়কে দীর্ঘ সময় যানবাহন আটকে থাকে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রী, অফিসগামী মানুষ ও পণ্যবাহী যানচালকেরা।
যানজট নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। তারা সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ও যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছেন।
সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, ছুটির শেষ দিনগুলোতে সমন্বিত ব্যবস্থাপনা না থাকলে শিল্পাঞ্চলকেন্দ্রিক সড়কগুলোতে যানজটের মাত্রা আরও বাড়তে পারে।

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:২৩
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটগ্রহণের দিন এবং এর আগে ও পরের দিন মধ্যরাত পর্যন্ত যানবাহন চলাচলের ওপর বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত অন্যান্য পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
সম্প্রতি জারি করা ইসির পরিপত্রে বলা হয়, ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।
তবে এই নিষেধাজ্ঞা সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের যানবাহন এই আওতামুক্ত থাকবে। এছাড়া জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন, ওষুধ, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা ও অনুরূপ কাজে ব্যবহৃত দ্রব্যাদি এবং সংবাদপত্র বহনকারী সকল ধরনের যানবাহন চলাচল করতে পারবে।
বিদেশগামী যাত্রী বা বিদেশফেরত আত্মীয়-স্বজনদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিমানবন্দরগামী বা বিমানবন্দর থেকে আসা যানবাহন চলাচলের সুযোগ থাকবে, তবে এক্ষেত্রে টিকেট বা অনুরূপ প্রমাণ প্রদর্শন করতে হবে। একই সঙ্গে দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী যানবাহন অথবা দূরপাল্লার যাত্রী হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে যাতায়াতের জন্য যে কোনো যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রেও এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনী এজেন্টদের জন্য রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে একটি করে ছোট গাড়ি (জিপ, কার বা মাইক্রোবাস) ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হবে।
নির্বাচন কমিশন আরো জানায়, সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক অথবা জরুরি কোনো কাজে ব্যবহৃত যানবাহন ও মোটরসাইকেল ইসি বা রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে চলতে পারবে। নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মোটরসাইকেল চলাচলের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। এ ছাড়া টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনা করে বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানসমূহের যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।
জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর ও আন্তঃজেলা বা মহানগর থেকে বের হওয়া বা প্রবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কগুলোতে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।
ইসির নির্দেশনায় আরো বলা হয়, স্থানীয় প্রয়োজনীয়তা ও বাস্তবতার নিরিখে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা ক্ষেত্রবিশেষে মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বা অন্যান্য কর্তৃপক্ষ চাইলে আরো কিছু যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ অথবা শিথিল করার ক্ষমতা রাখবেন।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটগ্রহণের দিন এবং এর আগে ও পরের দিন মধ্যরাত পর্যন্ত যানবাহন চলাচলের ওপর বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত অন্যান্য পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
সম্প্রতি জারি করা ইসির পরিপত্রে বলা হয়, ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।
তবে এই নিষেধাজ্ঞা সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের যানবাহন এই আওতামুক্ত থাকবে। এছাড়া জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন, ওষুধ, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা ও অনুরূপ কাজে ব্যবহৃত দ্রব্যাদি এবং সংবাদপত্র বহনকারী সকল ধরনের যানবাহন চলাচল করতে পারবে।
বিদেশগামী যাত্রী বা বিদেশফেরত আত্মীয়-স্বজনদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিমানবন্দরগামী বা বিমানবন্দর থেকে আসা যানবাহন চলাচলের সুযোগ থাকবে, তবে এক্ষেত্রে টিকেট বা অনুরূপ প্রমাণ প্রদর্শন করতে হবে। একই সঙ্গে দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী যানবাহন অথবা দূরপাল্লার যাত্রী হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে যাতায়াতের জন্য যে কোনো যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রেও এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনী এজেন্টদের জন্য রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে একটি করে ছোট গাড়ি (জিপ, কার বা মাইক্রোবাস) ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হবে।
নির্বাচন কমিশন আরো জানায়, সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক অথবা জরুরি কোনো কাজে ব্যবহৃত যানবাহন ও মোটরসাইকেল ইসি বা রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে চলতে পারবে। নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মোটরসাইকেল চলাচলের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। এ ছাড়া টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনা করে বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানসমূহের যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।
জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর ও আন্তঃজেলা বা মহানগর থেকে বের হওয়া বা প্রবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কগুলোতে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।
ইসির নির্দেশনায় আরো বলা হয়, স্থানীয় প্রয়োজনীয়তা ও বাস্তবতার নিরিখে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা ক্ষেত্রবিশেষে মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বা অন্যান্য কর্তৃপক্ষ চাইলে আরো কিছু যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ অথবা শিথিল করার ক্ষমতা রাখবেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৫
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৩
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:২৩
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪২