
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৪
এবারের নির্বাচনে আলেমদের মধ্যে একসঙ্গে দুটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন একমাত্র মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির। শায়খে চরমোনাই হিসেবে পরিচিত। নিজ এলাকা বরিশাল-৫ ও বরিশাল-৬ আসন থেকে তিনি হাতপাখা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দুটি আসনেই তিনি প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতার তালিকায় রয়েছেন।
শুরুতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ জোটে ছিল। মূলত এই জোটের উদ্যোক্তা ছিল ইসলামী আন্দোলন। আট দল মিলে বিভাগীয় সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালন করে। তবে শেষ মুহূর্তে আসন ভাগাভাগিসহ বিভিন্ন ইস্যুতে ইসলামী আন্দোলন ঘোষণা দিয়ে জোট থেকে বেরিয়ে যায়। ২৬০টি আসনে এককভাবেই লড়াই করছে ইসলামী আন্দোলন। দলটি যেসব আসন নিয়ে স্বপ্ন দেখছে এর মধ্যে শায়খে চরমোনাইয়ের দুটি আসনও রয়েছে। দুটি আসনেই জয় পাওয়ার সম্ভাবনা দেখছে ইসলামী আন্দোলন।
বরিশাল-৫ (সদর) আসনেই চরমোনাই দরবার অবস্থিত। আসনটি চরমোনাই পীরের নিজের আসন হিসেবে পরিচিত। প্রতিটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনেই এই আসনে চরমোনাই পীর পরিবারের কোনো না কোনো সদস্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। উল্লেখযোগ্য পরিমাণ একটা ভোটব্যাংকও আছে ইসলামী আন্দোলনের। মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীমও এই আসনে একাধিকবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তবে তিনি আলোচিত হন ২০২৩ সালে বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে। আওয়ামী লীগ শাসনামলে বিএনপির বর্জন করা সেই নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন শায়খে চরমোনাই। অনেকের ধারণা ছিল, সরকারবিরোধী জোয়ারের মধ্যে তিনি মেয়র পদে বাজিমাত করবেন। তবে ভোটের দিন ব্যাপক কারচুপির পাশাপাশি তার ওপর সরাসরি হামলা করা হয়। তার রক্তাক্ত ছবি সেই সময় আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল দেশজুড়ে।
শায়খে চরমোনাইয়ের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা মূল আসন হলো বরিশাল-৫। সিটি করপোরেশন ও কয়েকটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত আসনটি বরাবরই বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। তবে গত তিনটি নির্বাচনে আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে ছিল। ২০১৮ সালের রাতের ভোট হিসেবে পরিচিত নির্বাচনেও এখানে হাতপাখার প্রার্থী ছিলেন শায়খে চরমোনাই। তবে সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নগ্ন হস্তক্ষেপের সামনে কেউই পাত্তা পায়নি। এবার আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে আসনটি ঘিরে নতুন হিসাব-নিকাশ সামনে আসছে।
জামায়াতের সঙ্গে জোট ভেঙে গেলেও এই আসনটিতে ইসলামী আন্দোলনকে ছাড় দিয়েছে দলটি। এখানে জামায়াত বা ১১ দলীয় জোটের কোনো প্রার্থী রাখা হয়নি। ফলে এখানে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপির মজিবুর রহমান সরওয়ারের সঙ্গে শায়খে চরমোনাইয়ের। কোনো কোনো সমীকরণে বিএনপির প্রার্থী এগিয়ে থাকলেও সমানে সমানে ইসলামী আন্দোলনও। এখানে দলটির একটি শক্ত অবস্থান আছে। একটি বড় ভোটব্যাংকও রয়েছে। তাছাড়া ইসলামি অন্য কোনো দলের প্রার্থী না থাকা এবং আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতি মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীমকে বাড়তি সুবিধা এনে দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে যাওয়াও দলটির প্রতি অনেককে ক্ষেপিয়ে তুলছে। সেই সুবিধা এখানে শায়খে চরমোনাই পেতে পারেন। শেষ পর্যন্ত মজিবুর রহমান সরওয়ারের মতো হেভিওয়েট প্রাথীকে পরাজিত করে রেকর্ড সৃষ্টি করতে পারেন শায়খে চরমোনাই।
যদিও কেউ কেউ মনে করছেন, বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত আসনটিতে ইসলামী আন্দোলনের হানা দেওয়া কঠিন হবে। তাছাড়া জামায়াতে ইসলামী বাহ্যিকভাবে ঘোষণা দিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেও দলটি শেষ পর্যন্ত তাদের জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়া দলটির জয় চাইবে সেটা নিয়েও আছে সন্দেহ। সবমিলিয়েই এই আসনে শায়খে চরমোনাইয়ের জন্য উত্তরণ কঠিন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সদরের সঙ্গে লাগোয়া বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন শায়খে চরমোনাই। এখানেও তিনি মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। এখানে বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খান। বরিশাল-৫ আসনে শায়খে চরমোনাইয়ের সম্মানে প্রার্থী সরিয়ে নিলেও এই আসনে জামায়াত প্রার্থিতায় রয়েছে। এখানে জামায়াতের প্রার্থী হয়েছেন মাওলানা মাহমুদুন্নবী প্রার্থী। যদিও এখানে জামায়াতের ভোটের পরিমাণ কম বলে মনে করা হয়। ফলে এই আসনে বিএনপির সঙ্গে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা শায়খে চরমোনাইয়েরই হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইসলামি দলগুলোর মধ্যে একসঙ্গে দুটি আসনে প্রার্থী হওয়া মুফতি ফয়জুল করীম সম্ভাবনার দিক থেকে কোন আসনে এগিয়ে আছেন সেটা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। তবে দলটি দুটি আসনেই জয়ের আশা করছে। যদিও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা দুটি আসনেই সম্ভাবনার পাশাপাশি শঙ্কাও দেখছেন। বিজয়ী হয়ে সরকারে যাওয়ার সম্ভাবনায় থাকা বিএনপির প্রার্থীকে টেক্কা দিয়ে বিজয় ছিনিয়ে আনা কঠিন হবে বলেই মনে করছেন তারা।
এবারের নির্বাচনে আলেমদের মধ্যে একসঙ্গে দুটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন একমাত্র মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির। শায়খে চরমোনাই হিসেবে পরিচিত। নিজ এলাকা বরিশাল-৫ ও বরিশাল-৬ আসন থেকে তিনি হাতপাখা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দুটি আসনেই তিনি প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতার তালিকায় রয়েছেন।
শুরুতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ জোটে ছিল। মূলত এই জোটের উদ্যোক্তা ছিল ইসলামী আন্দোলন। আট দল মিলে বিভাগীয় সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালন করে। তবে শেষ মুহূর্তে আসন ভাগাভাগিসহ বিভিন্ন ইস্যুতে ইসলামী আন্দোলন ঘোষণা দিয়ে জোট থেকে বেরিয়ে যায়। ২৬০টি আসনে এককভাবেই লড়াই করছে ইসলামী আন্দোলন। দলটি যেসব আসন নিয়ে স্বপ্ন দেখছে এর মধ্যে শায়খে চরমোনাইয়ের দুটি আসনও রয়েছে। দুটি আসনেই জয় পাওয়ার সম্ভাবনা দেখছে ইসলামী আন্দোলন।
বরিশাল-৫ (সদর) আসনেই চরমোনাই দরবার অবস্থিত। আসনটি চরমোনাই পীরের নিজের আসন হিসেবে পরিচিত। প্রতিটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনেই এই আসনে চরমোনাই পীর পরিবারের কোনো না কোনো সদস্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। উল্লেখযোগ্য পরিমাণ একটা ভোটব্যাংকও আছে ইসলামী আন্দোলনের। মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীমও এই আসনে একাধিকবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তবে তিনি আলোচিত হন ২০২৩ সালে বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে। আওয়ামী লীগ শাসনামলে বিএনপির বর্জন করা সেই নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন শায়খে চরমোনাই। অনেকের ধারণা ছিল, সরকারবিরোধী জোয়ারের মধ্যে তিনি মেয়র পদে বাজিমাত করবেন। তবে ভোটের দিন ব্যাপক কারচুপির পাশাপাশি তার ওপর সরাসরি হামলা করা হয়। তার রক্তাক্ত ছবি সেই সময় আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল দেশজুড়ে।
শায়খে চরমোনাইয়ের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা মূল আসন হলো বরিশাল-৫। সিটি করপোরেশন ও কয়েকটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত আসনটি বরাবরই বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। তবে গত তিনটি নির্বাচনে আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে ছিল। ২০১৮ সালের রাতের ভোট হিসেবে পরিচিত নির্বাচনেও এখানে হাতপাখার প্রার্থী ছিলেন শায়খে চরমোনাই। তবে সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নগ্ন হস্তক্ষেপের সামনে কেউই পাত্তা পায়নি। এবার আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে আসনটি ঘিরে নতুন হিসাব-নিকাশ সামনে আসছে।
জামায়াতের সঙ্গে জোট ভেঙে গেলেও এই আসনটিতে ইসলামী আন্দোলনকে ছাড় দিয়েছে দলটি। এখানে জামায়াত বা ১১ দলীয় জোটের কোনো প্রার্থী রাখা হয়নি। ফলে এখানে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপির মজিবুর রহমান সরওয়ারের সঙ্গে শায়খে চরমোনাইয়ের। কোনো কোনো সমীকরণে বিএনপির প্রার্থী এগিয়ে থাকলেও সমানে সমানে ইসলামী আন্দোলনও। এখানে দলটির একটি শক্ত অবস্থান আছে। একটি বড় ভোটব্যাংকও রয়েছে। তাছাড়া ইসলামি অন্য কোনো দলের প্রার্থী না থাকা এবং আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতি মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীমকে বাড়তি সুবিধা এনে দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে যাওয়াও দলটির প্রতি অনেককে ক্ষেপিয়ে তুলছে। সেই সুবিধা এখানে শায়খে চরমোনাই পেতে পারেন। শেষ পর্যন্ত মজিবুর রহমান সরওয়ারের মতো হেভিওয়েট প্রাথীকে পরাজিত করে রেকর্ড সৃষ্টি করতে পারেন শায়খে চরমোনাই।
যদিও কেউ কেউ মনে করছেন, বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত আসনটিতে ইসলামী আন্দোলনের হানা দেওয়া কঠিন হবে। তাছাড়া জামায়াতে ইসলামী বাহ্যিকভাবে ঘোষণা দিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেও দলটি শেষ পর্যন্ত তাদের জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়া দলটির জয় চাইবে সেটা নিয়েও আছে সন্দেহ। সবমিলিয়েই এই আসনে শায়খে চরমোনাইয়ের জন্য উত্তরণ কঠিন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সদরের সঙ্গে লাগোয়া বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন শায়খে চরমোনাই। এখানেও তিনি মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। এখানে বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খান। বরিশাল-৫ আসনে শায়খে চরমোনাইয়ের সম্মানে প্রার্থী সরিয়ে নিলেও এই আসনে জামায়াত প্রার্থিতায় রয়েছে। এখানে জামায়াতের প্রার্থী হয়েছেন মাওলানা মাহমুদুন্নবী প্রার্থী। যদিও এখানে জামায়াতের ভোটের পরিমাণ কম বলে মনে করা হয়। ফলে এই আসনে বিএনপির সঙ্গে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা শায়খে চরমোনাইয়েরই হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইসলামি দলগুলোর মধ্যে একসঙ্গে দুটি আসনে প্রার্থী হওয়া মুফতি ফয়জুল করীম সম্ভাবনার দিক থেকে কোন আসনে এগিয়ে আছেন সেটা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। তবে দলটি দুটি আসনেই জয়ের আশা করছে। যদিও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা দুটি আসনেই সম্ভাবনার পাশাপাশি শঙ্কাও দেখছেন। বিজয়ী হয়ে সরকারে যাওয়ার সম্ভাবনায় থাকা বিএনপির প্রার্থীকে টেক্কা দিয়ে বিজয় ছিনিয়ে আনা কঠিন হবে বলেই মনে করছেন তারা।

০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৬
দীর্ঘ দুই দশক পর বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বরিশাল সফর ঘিরে দক্ষিণাঞ্চলের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। তাঁর আগমনকে ঘিরে শহরে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বরিশালে জনসভা করে তিনি যে বার্তা দেবেন, সেটিই এখন আলোচনার কেন্দ্রে।
বরিশালবাসীর স্মৃতিতে এখনো জ্বলজ্বল করছে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড। ১৯৭৯ সালে বরিশাল সার্কিট হাউজে মন্ত্রিসভার বৈঠকে বরিশাল বিভাগ গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। সেই ধারাবাহিকতায় ১৯৯৩ সালে বিভাগ হিসেবে বরিশালের উদ্বোধন করেন বেগম জিয়া।
তার শাসনামলেই বরিশাল বিমানবন্দর চালু, বরিশাল সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠা, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, বিভাগীয় গণগ্রন্থাগার, সার্কিট হাউজ, জেলা জজ আদালত ভবন, মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ বহু স্থাপনা গড়ে ওঠে।
ভোলার শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্রে গ্যাস আবিষ্কার হয় ১৯৯৫ সালে। যদিও আজও সেই গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়নি। একইভাবে বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক, দপদপিয়া সেতু, গাবখান সেতু, বেকুঠিয়া ফেরিঘাট, কুয়াকাটা পর্যটন মোটেল দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ও পর্যটনে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল।
কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে এই অঞ্চলে বড় কোনো দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়নি বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। ফরিদপুর-বরিশাল-পায়রা-কুয়াকাটা রেললাইন, বরিশালে ইপিজেড, নিয়মিত বিমান ফ্লাইট, চট্টগ্রাম-বরিশাল-যশোর আকাশপথ চালু, কুয়াকাটা সৈকত রক্ষা বাঁধ, বরিশাল বন্দরের নাব্যতা উন্নয়ন—সবই এখনো কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ।
বরিশাল বিএনপির নেতারা বলছেন, এই সফর থেকে একটি শক্ত রাজনৈতিক বার্তা যাবে—দক্ষিণাঞ্চল বিএনপির অগ্রাধিকার তালিকায় শীর্ষে।
এদিকে গত সোমবার বরিশাল বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন বলেন, তারেক রহমান দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে অত্যন্ত সজাগ। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে অতীতের মতো এবারও দক্ষিণাঞ্চলে উন্নয়নের নতুন মাইলফলক রচিত হবে।

০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২৪
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান কর্মজীবী নারীদেরকে কটুক্তি করার প্রতিবাদে বরিশালের বানারীপাড়ায় খেটে খাওয়া কর্মজীবী নারীরা ঝাড়ু মিছিল করেছেন।
মঙ্গলবার ( ৩ ফেব্রুয়ারী) সকাল ১০টায় ফেরীঘাট থেকে শুরু হয়ে পৌর শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ঝাড়ু মিছিলটি বাসস্ট্যান্ড চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। এতে শতাধিক নারী অংশগ্রহণ করেন।
মিছিলে তারা জামায়াত ও এর আমিরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এসময় বিক্ষুদ্ধ কর্মজীবী নারীরা বলেন, জামায়াতে ইসলাম একটি চরম নারী বিদ্বেষী দল।
এই দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান কর্মজীবী নারীদের নিয়ে অশালীন কটুক্তি করে সমগ্র নারী সমাজকে হেয় ও অসম্মানিত করেছেন। এর জন্য তাকে জাতির সামনে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। তারা এর বিচারও দাবি করেন।
এদিকে জামায়াতে ইসলামীর আমির নারীদেরকে কটুক্তি করার প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকালে উজিরপুর উপজেলায়ও নারীরা ঝাড়ু মিছিল করেছেন বলে জানা গেছে।

০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০৬
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বরিশাল-০৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে রাজনৈতিক মেরুকরণে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। এ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন খানকে আনুষ্ঠানিক সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী। ফলে দলটির (ট্রাক মার্কা) নেতারা এখন থেকে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করবেন।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ধানের শীষের প্রার্থী আবুল হোসেন খানের বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত ও সভাপতি নুরুল হক নুরের বিশেষ নির্দেশনায় এ ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৬ বছরের আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই এবং ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে দেশপ্রেমিক শক্তির ঐক্য এখন সময়ের দাবি। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে চলমান গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে সহমত জানিয়েছে এ নির্বাচনী জোট।
সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা করা হয়, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর নিজে পটুয়াখালী-০৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে বাকেরগঞ্জে নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বাকেরগঞ্জে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. সালাউদ্দিন মিয়া চলমান নির্বাচনী লড়াইয়ে বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে তিনি ও তার সমর্থকদের নিয়ে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে মাঠে কাজ করবেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- বরিশাল জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এইচএম হাসান, বরিশাল মহানগর গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. ফরহাদ হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের গণঅধিকার পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল রানা, যুব কেন্দ্রের মানবাধিকার সম্পাদক মিরাজ শিকদার, বাকেরগঞ্জ উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি সজল মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক নাঈম রাজ, দপ্তর সম্পাদক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।
সমর্থন পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বিএনপি প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন খান বলেন, তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক শক্তি গণঅধিকার পরিষদ আমাদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় বাকেরগঞ্জে গণতন্ত্রকামী মানুষের বিজয় সুনিশ্চিত হবে।
দীর্ঘ দুই দশক পর বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বরিশাল সফর ঘিরে দক্ষিণাঞ্চলের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। তাঁর আগমনকে ঘিরে শহরে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বরিশালে জনসভা করে তিনি যে বার্তা দেবেন, সেটিই এখন আলোচনার কেন্দ্রে।
বরিশালবাসীর স্মৃতিতে এখনো জ্বলজ্বল করছে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড। ১৯৭৯ সালে বরিশাল সার্কিট হাউজে মন্ত্রিসভার বৈঠকে বরিশাল বিভাগ গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। সেই ধারাবাহিকতায় ১৯৯৩ সালে বিভাগ হিসেবে বরিশালের উদ্বোধন করেন বেগম জিয়া।
তার শাসনামলেই বরিশাল বিমানবন্দর চালু, বরিশাল সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠা, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, বিভাগীয় গণগ্রন্থাগার, সার্কিট হাউজ, জেলা জজ আদালত ভবন, মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ বহু স্থাপনা গড়ে ওঠে।
ভোলার শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্রে গ্যাস আবিষ্কার হয় ১৯৯৫ সালে। যদিও আজও সেই গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়নি। একইভাবে বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক, দপদপিয়া সেতু, গাবখান সেতু, বেকুঠিয়া ফেরিঘাট, কুয়াকাটা পর্যটন মোটেল দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ও পর্যটনে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল।
কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে এই অঞ্চলে বড় কোনো দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়নি বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। ফরিদপুর-বরিশাল-পায়রা-কুয়াকাটা রেললাইন, বরিশালে ইপিজেড, নিয়মিত বিমান ফ্লাইট, চট্টগ্রাম-বরিশাল-যশোর আকাশপথ চালু, কুয়াকাটা সৈকত রক্ষা বাঁধ, বরিশাল বন্দরের নাব্যতা উন্নয়ন—সবই এখনো কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ।
বরিশাল বিএনপির নেতারা বলছেন, এই সফর থেকে একটি শক্ত রাজনৈতিক বার্তা যাবে—দক্ষিণাঞ্চল বিএনপির অগ্রাধিকার তালিকায় শীর্ষে।
এদিকে গত সোমবার বরিশাল বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন বলেন, তারেক রহমান দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে অত্যন্ত সজাগ। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে অতীতের মতো এবারও দক্ষিণাঞ্চলে উন্নয়নের নতুন মাইলফলক রচিত হবে।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান কর্মজীবী নারীদেরকে কটুক্তি করার প্রতিবাদে বরিশালের বানারীপাড়ায় খেটে খাওয়া কর্মজীবী নারীরা ঝাড়ু মিছিল করেছেন।
মঙ্গলবার ( ৩ ফেব্রুয়ারী) সকাল ১০টায় ফেরীঘাট থেকে শুরু হয়ে পৌর শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ঝাড়ু মিছিলটি বাসস্ট্যান্ড চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। এতে শতাধিক নারী অংশগ্রহণ করেন।
মিছিলে তারা জামায়াত ও এর আমিরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এসময় বিক্ষুদ্ধ কর্মজীবী নারীরা বলেন, জামায়াতে ইসলাম একটি চরম নারী বিদ্বেষী দল।
এই দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান কর্মজীবী নারীদের নিয়ে অশালীন কটুক্তি করে সমগ্র নারী সমাজকে হেয় ও অসম্মানিত করেছেন। এর জন্য তাকে জাতির সামনে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। তারা এর বিচারও দাবি করেন।
এদিকে জামায়াতে ইসলামীর আমির নারীদেরকে কটুক্তি করার প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকালে উজিরপুর উপজেলায়ও নারীরা ঝাড়ু মিছিল করেছেন বলে জানা গেছে।
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বরিশাল-০৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে রাজনৈতিক মেরুকরণে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। এ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন খানকে আনুষ্ঠানিক সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী। ফলে দলটির (ট্রাক মার্কা) নেতারা এখন থেকে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করবেন।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ধানের শীষের প্রার্থী আবুল হোসেন খানের বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত ও সভাপতি নুরুল হক নুরের বিশেষ নির্দেশনায় এ ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৬ বছরের আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই এবং ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে দেশপ্রেমিক শক্তির ঐক্য এখন সময়ের দাবি। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে চলমান গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে সহমত জানিয়েছে এ নির্বাচনী জোট।
সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা করা হয়, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর নিজে পটুয়াখালী-০৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে বাকেরগঞ্জে নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বাকেরগঞ্জে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. সালাউদ্দিন মিয়া চলমান নির্বাচনী লড়াইয়ে বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে তিনি ও তার সমর্থকদের নিয়ে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে মাঠে কাজ করবেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- বরিশাল জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এইচএম হাসান, বরিশাল মহানগর গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. ফরহাদ হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের গণঅধিকার পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল রানা, যুব কেন্দ্রের মানবাধিকার সম্পাদক মিরাজ শিকদার, বাকেরগঞ্জ উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি সজল মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক নাঈম রাজ, দপ্তর সম্পাদক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।
সমর্থন পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বিএনপি প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন খান বলেন, তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক শক্তি গণঅধিকার পরিষদ আমাদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় বাকেরগঞ্জে গণতন্ত্রকামী মানুষের বিজয় সুনিশ্চিত হবে।
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০২:৪৮
০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৬
০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৩