
০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৩:৪২
জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী জসিম এখন চা দোকানী চুমকি বড় স্বার্থপর গানের অ্যালবাম করেই প্রশংসিত হয়েছিলেন কণ্ঠশিল্পী জসিম শাহ। তাঁর করা অ্যালবাম দেশ-বিদেশের দর্শকের কাছে দারুণ গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছিল। এরপর দুঃখে গড়া জীবন,তোমার জন্য কাঁদি আমি সহ একেরপর এক অ্যালবাম বেড় হয়েছিলো।
আর সেগুলো জনপ্রিয়তা পেয়েছিলো বেশ। বর্তমানে তিনি কাজের অভাবে নিজ জেলা ঝালকাঠির নলছিটিতে একটি চায়ের দোকান দিয়েছেন। আর এই ছোট্ট চায়ের দোকান থেকে যা আয় হয় তার দিয়ে চলে তার সংসার ।
কথা হয় কন্ঠশিল্পী জসিম সরদারের সাথে তিনি জানান, তার শুরুটা হয়েছিলো ২০০৬ তার গুরু গিয়াস উদ্দিন লিটু ভাইর মাধ্যমে। প্রথমে তার নিজ উপজেলায় বিভিন্ন অডিয়েন্সে গান করতেন। তারপর ঢাকা গিয়ে বিভিন্ন স্টাইলে গান করেন।এরপর সুরকার নাজির মাহমুদের সাথে পরিচয় হয়। তার মাধ্যমে সোনালী প্রোডাকসের কর্নধর ইকবাল ভাইয়ের কাছে যাই। প্রথমেই তার অ্যালবাম বের হয় চুমকি বড় স্বার্থপর। এটা ব্যাপক সাড়া পরে যায়।
এরপর একেরপর এক অ্যালবাম বের হয়।দীর্ঘদিন সংগীতের সাথে উঠাবসা ছিলো। সংগীতের অবস্থান ধরে রাখার জন্য অনেক চেষ্টা করেছেন কিন্তু আর্থিক সমস্যার কারণে আর ধরে রাখতে পারিনি। তাই নিজ এলাকায় একটি চায়ের দোকান দিয়েছেন। এখন কেউ যদি তাকে দিয়ে কাজ করাতে চায় তাহলে তিনি কাজ করতে চান।তিনি আরও জানান,আধুনিক, ফোক, ব্যান্ড সব গানের সাথে জড়িত রয়েছেন। নলছিটি পৌর শহরের স্থানীয়রা জানান, কন্ঠ শিল্পী জসিমের অনেক প্রতিভা রয়েছেন।
তার কন্ঠস্বর অনেক ভালো। তাকে আবার কেউ সুযোগ দিলে সে ভালো কিছু করতে পারবে। জসিমের ওস্তাদ গিয়াস উদ্দিন লিটু বলেন,জসিমের বাবাও একজন পুরানো দিনের শিল্পী ছিলেন।
জসিমের প্রতিভা অনেক ভালো ও ভালো কিছু করতে পারতো।কিন্তু কালের বিবর্তনের ফলে শিল্পীরা হারিয়ে যাচ্ছে। ভালো শিল্পীদের এখন আর মূল্যয়ন করা হয় না।
বর্তমানে গান ছেড়ে একটি চায়ের দোকান দিয়েছেন কিন্তু কেউ যদি তাকে সুযোগ দেয় তাহলে ভালো কিছু করতে পারতো। ওর গানের সুর এখনো অনেক সুন্দর। আমরা চাই সে আগের জায়গায় ফিরুক।
জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী জসিম এখন চা দোকানী চুমকি বড় স্বার্থপর গানের অ্যালবাম করেই প্রশংসিত হয়েছিলেন কণ্ঠশিল্পী জসিম শাহ। তাঁর করা অ্যালবাম দেশ-বিদেশের দর্শকের কাছে দারুণ গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছিল। এরপর দুঃখে গড়া জীবন,তোমার জন্য কাঁদি আমি সহ একেরপর এক অ্যালবাম বেড় হয়েছিলো।
আর সেগুলো জনপ্রিয়তা পেয়েছিলো বেশ। বর্তমানে তিনি কাজের অভাবে নিজ জেলা ঝালকাঠির নলছিটিতে একটি চায়ের দোকান দিয়েছেন। আর এই ছোট্ট চায়ের দোকান থেকে যা আয় হয় তার দিয়ে চলে তার সংসার ।
কথা হয় কন্ঠশিল্পী জসিম সরদারের সাথে তিনি জানান, তার শুরুটা হয়েছিলো ২০০৬ তার গুরু গিয়াস উদ্দিন লিটু ভাইর মাধ্যমে। প্রথমে তার নিজ উপজেলায় বিভিন্ন অডিয়েন্সে গান করতেন। তারপর ঢাকা গিয়ে বিভিন্ন স্টাইলে গান করেন।এরপর সুরকার নাজির মাহমুদের সাথে পরিচয় হয়। তার মাধ্যমে সোনালী প্রোডাকসের কর্নধর ইকবাল ভাইয়ের কাছে যাই। প্রথমেই তার অ্যালবাম বের হয় চুমকি বড় স্বার্থপর। এটা ব্যাপক সাড়া পরে যায়।
এরপর একেরপর এক অ্যালবাম বের হয়।দীর্ঘদিন সংগীতের সাথে উঠাবসা ছিলো। সংগীতের অবস্থান ধরে রাখার জন্য অনেক চেষ্টা করেছেন কিন্তু আর্থিক সমস্যার কারণে আর ধরে রাখতে পারিনি। তাই নিজ এলাকায় একটি চায়ের দোকান দিয়েছেন। এখন কেউ যদি তাকে দিয়ে কাজ করাতে চায় তাহলে তিনি কাজ করতে চান।তিনি আরও জানান,আধুনিক, ফোক, ব্যান্ড সব গানের সাথে জড়িত রয়েছেন। নলছিটি পৌর শহরের স্থানীয়রা জানান, কন্ঠ শিল্পী জসিমের অনেক প্রতিভা রয়েছেন।
তার কন্ঠস্বর অনেক ভালো। তাকে আবার কেউ সুযোগ দিলে সে ভালো কিছু করতে পারবে। জসিমের ওস্তাদ গিয়াস উদ্দিন লিটু বলেন,জসিমের বাবাও একজন পুরানো দিনের শিল্পী ছিলেন।
জসিমের প্রতিভা অনেক ভালো ও ভালো কিছু করতে পারতো।কিন্তু কালের বিবর্তনের ফলে শিল্পীরা হারিয়ে যাচ্ছে। ভালো শিল্পীদের এখন আর মূল্যয়ন করা হয় না।
বর্তমানে গান ছেড়ে একটি চায়ের দোকান দিয়েছেন কিন্তু কেউ যদি তাকে সুযোগ দেয় তাহলে ভালো কিছু করতে পারতো। ওর গানের সুর এখনো অনেক সুন্দর। আমরা চাই সে আগের জায়গায় ফিরুক।
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৯
ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে অব্যাহতি পাওয়া এক নেতাকে দলে ফিরিয়ে নিয়েছে বিএনপি। ঝালকাঠী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাড. মো. সৈয়দ হোসেন এবং সদস্য সচিব অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) জেলা বিএনপির সদস্য (দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত) অ্যাড. মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। অব্যাহতির আদেশ প্রত্যাহার হওয়া নেতা হলেন ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মো. শামসুল আলম।
এতে এতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে গত ২০২৪ সালের ৯ নভেম্বর মো. শামসুল আলমকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছিল। পরে ২০২৫ সনের ৮ জুন তার আবেদনের প্রেক্ষিতে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক অব্যাহতির আদেশ প্রত্যাহারপূর্বক তাকে স্ব-পদে বহাল করা হয়েছে।
ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে অব্যাহতি পাওয়া এক নেতাকে দলে ফিরিয়ে নিয়েছে বিএনপি। ঝালকাঠী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাড. মো. সৈয়দ হোসেন এবং সদস্য সচিব অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) জেলা বিএনপির সদস্য (দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত) অ্যাড. মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। অব্যাহতির আদেশ প্রত্যাহার হওয়া নেতা হলেন ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মো. শামসুল আলম।
এতে এতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে গত ২০২৪ সালের ৯ নভেম্বর মো. শামসুল আলমকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছিল। পরে ২০২৫ সনের ৮ জুন তার আবেদনের প্রেক্ষিতে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক অব্যাহতির আদেশ প্রত্যাহারপূর্বক তাকে স্ব-পদে বহাল করা হয়েছে।

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪১
জামায়াত জোটের প্রার্থীকে সমর্থন নিয়ে দলীয় সিদ্ধান্তে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসন থেকে নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি। ডা. মাহমুদা মিতু লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনোনয়ন প্রত্যাহার করলাম।
আমার জীবনের প্রথম ভোট ইনশাআল্লাহ দাঁড়িপাল্লায় হবে। কাঁঠালিয়া রাজাপুর আসনে যারা আমাকে ভালোবাসেন আমার পাশে থাকতে চেয়েছেন, তাদেরকে আমার ভাই ফয়জুল হক ভাইয়ের পাশে থাকার দাবি রইল।
এদিকে ওইদিন রাতে (২০ জানুয়ারি) দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই জানিয়ে ফেসবুক পেজে আরেকটি পোস্ট করেন ডা. মাহমুদা মিতু। ওই পোস্টে তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ সমর্থিত জামায়াত ইসলামের মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক ভাইকে সঙ্গে নিয়ে ১০ দলীয় জোটের জেলা উপজেলার দায়িত্বশীলদের সঙ্গে রাজাপুরে পরিচিতি সমন্বয় সভা।
ইনশাআল্লাহ আগামীকাল (২১ জানুয়ারি) কাঠালিয়ায় থাকব বিকেল ৪টায়। এখান থেকেই আমাদের ১০ দলীয় জোটের কার্যক্রম শুরু হলো আলহামদুলিল্লাহ। তিনি আরও বলেন, ঝালকাঠি–১ এর মাটিতে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই। আর ঢাকা ১১-তে শাপলা কলিতে ভোট চাই। পুরো বাংলাদেশে এবার ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ জোটের জয় হবে ইনশাআল্লাহ।
জামায়াত জোটের প্রার্থীকে সমর্থন নিয়ে দলীয় সিদ্ধান্তে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসন থেকে নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি। ডা. মাহমুদা মিতু লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনোনয়ন প্রত্যাহার করলাম।
আমার জীবনের প্রথম ভোট ইনশাআল্লাহ দাঁড়িপাল্লায় হবে। কাঁঠালিয়া রাজাপুর আসনে যারা আমাকে ভালোবাসেন আমার পাশে থাকতে চেয়েছেন, তাদেরকে আমার ভাই ফয়জুল হক ভাইয়ের পাশে থাকার দাবি রইল।
এদিকে ওইদিন রাতে (২০ জানুয়ারি) দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই জানিয়ে ফেসবুক পেজে আরেকটি পোস্ট করেন ডা. মাহমুদা মিতু। ওই পোস্টে তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ সমর্থিত জামায়াত ইসলামের মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক ভাইকে সঙ্গে নিয়ে ১০ দলীয় জোটের জেলা উপজেলার দায়িত্বশীলদের সঙ্গে রাজাপুরে পরিচিতি সমন্বয় সভা।
ইনশাআল্লাহ আগামীকাল (২১ জানুয়ারি) কাঠালিয়ায় থাকব বিকেল ৪টায়। এখান থেকেই আমাদের ১০ দলীয় জোটের কার্যক্রম শুরু হলো আলহামদুলিল্লাহ। তিনি আরও বলেন, ঝালকাঠি–১ এর মাটিতে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই। আর ঢাকা ১১-তে শাপলা কলিতে ভোট চাই। পুরো বাংলাদেশে এবার ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ জোটের জয় হবে ইনশাআল্লাহ।

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪৬
জামায়াত জোটের প্রার্থীকে সমর্থন নিয়ে দলীয় সিদ্ধান্তে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসন থেকে নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি। ডা. মাহমুদা মিতু লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনোনয়ন প্রত্যাহার করলাম। আমার জীবনের প্রথম ভোট ইনশাআল্লাহ দাঁড়িপাল্লায় হবে। কাঁঠালিয়া রাজাপুর আসনে যারা আমাকে ভালোবাসেন আমার পাশে থাকতে চেয়েছেন, তাদেরকে আমার ভাই ফয়জুল হক ভাইয়ের পাশে থাকার দাবি রইল।
এদিকে ওইদিন রাতে (২০ জানুয়ারি) দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই জানিয়ে ফেসবুক পেজে আরেকটি পোস্ট করেন ডা. মাহমুদা মিতু।
ওই পোস্টে তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ সমর্থিত জামায়াত ইসলামের মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক ভাইকে সঙ্গে নিয়ে ১০ দলীয় জোটের জেলা উপজেলার দায়িত্বশীলদের সঙ্গে রাজাপুরে পরিচিতি সমন্বয় সভা। ইনশাআল্লাহ আগামীকাল (২১ জানুয়ারি) কাঠালিয়ায় থাকব বিকেল ৪টায়। এখান থেকেই আমাদের ১০ দলীয় জোটের কার্যক্রম শুরু হলো আলহামদুলিল্লাহ। তিনি আরও বলেন, ঝালকাঠি–১ এর মাটিতে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই। আর ঢাকা ১১-তে শাপলা কলিতে ভোট চাই। পুরো বাংলাদেশে এবার ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ জোটের জয় হবে ইনশাআল্লাহ।
জামায়াত জোটের প্রার্থীকে সমর্থন নিয়ে দলীয় সিদ্ধান্তে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসন থেকে নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি। ডা. মাহমুদা মিতু লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনোনয়ন প্রত্যাহার করলাম। আমার জীবনের প্রথম ভোট ইনশাআল্লাহ দাঁড়িপাল্লায় হবে। কাঁঠালিয়া রাজাপুর আসনে যারা আমাকে ভালোবাসেন আমার পাশে থাকতে চেয়েছেন, তাদেরকে আমার ভাই ফয়জুল হক ভাইয়ের পাশে থাকার দাবি রইল।
এদিকে ওইদিন রাতে (২০ জানুয়ারি) দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই জানিয়ে ফেসবুক পেজে আরেকটি পোস্ট করেন ডা. মাহমুদা মিতু।
ওই পোস্টে তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ সমর্থিত জামায়াত ইসলামের মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক ভাইকে সঙ্গে নিয়ে ১০ দলীয় জোটের জেলা উপজেলার দায়িত্বশীলদের সঙ্গে রাজাপুরে পরিচিতি সমন্বয় সভা। ইনশাআল্লাহ আগামীকাল (২১ জানুয়ারি) কাঠালিয়ায় থাকব বিকেল ৪টায়। এখান থেকেই আমাদের ১০ দলীয় জোটের কার্যক্রম শুরু হলো আলহামদুলিল্লাহ। তিনি আরও বলেন, ঝালকাঠি–১ এর মাটিতে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই। আর ঢাকা ১১-তে শাপলা কলিতে ভোট চাই। পুরো বাংলাদেশে এবার ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ জোটের জয় হবে ইনশাআল্লাহ।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.