
২৮ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫৩
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ধুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা উত্তম কুমার রয়। চিকিৎসাবিদ্যায় কখনো অধ্যায়ন করেনি। নেই কোনো চিকিৎসা সনদ। তারপরেও নিজেকে পরিচয় দেন চিকিৎসক হিসেবে। ব্যবস্থাপত্রে নামের আগে লিখেন ডাক্তার।
চিকিৎসা দেন সকল জটিল ও কঠিন রোগের। চিকিৎসা সনদ কিংবা অনুমোদন না থাকার পরেও এভাবেই গ্রামের সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করে আসছেন তিনি।
উপজেলার ধুলিয়া বাজারে উৎসব মেডিসিন কর্ণার নামে একটি ওষুধের দোকান রয়েছেন তার। ওই দোকানে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১ টা এবং বিকেল ৪টার থেকে রাত ১০ পর্যন্ত রোগী দেখেন সনদ বিহীন চিকিৎসক উত্তম কুমার।
সরেজমিন ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শিক্ষাজীবনে মাত্র উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছেন উত্তম কুমার। পড়াশুনা শেষ করে প্রথমে ধুলিয়া বাজারে একটি ওষুধের দোকান খুলে বসেন। পরে ভূয়া কাগজপত্র বানিয়ে নিজে চিকিৎসক বনে চলে যান।
নিজেকে পরিচয় দেন চিকিৎসক হিসেবে। চিকিৎসাপত্রে নামের আগে লিখেন ডাক্তার। নামের নিচে ডিগ্রি হিসেবে লেখা আছে অলটারনেটিভ মেডিসিন ( কলিকাতা) ও ডিপ্লোমা ইন ফার্মাসিস্ট ( ঢাকা)।
যদিও নিয়ম অনুযায়ী একজন এমবিবিএস সদনধারী চিকিৎসক বিএমডিসির অনুমোদন নিয়ে চিকিৎসা সেবা দিতে পারবেন। এছাড়াও উপসহকারি মেডিকেল অফিসাররা প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দিতে পারবে।
তবে উত্তম কুমার চিকিৎসা অনুষদে কোনো পড়াশুনা করেনি। এমনকি প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য দেশের অনুমোদিত কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে সল্প মেয়াদি কোনো কোর্সও সম্পন্ন করেনি।
তারপরেও তিনি সকল জটিল ও কঠিন রোগের চিকিৎসা দিয়েন থাকেন। নিয়মনীতি তোয়াকা না করে যত্রতত্র এন্টিবায়োটিক প্রয়োগ করেন। এভাবে সাধারণ মানুষের সাথে বছরের পর বছর ধরে প্রতারণা করে আসছেন।
রাকিবুল ইসলাম নামে স্থানীয় এক ভুক্তভোগী জানান, সামান্য জ্বর ঠান্ডা নিয়ে উত্তম কুমারের কাছে যান। এসময় তিনি কোনো পরীক্ষা নিরিক্ষা ছাড়াও ১৫শ টাকার এন্টিবায়োটিক ওষুধ দিয়ে দেন। ওই এন্টিবায়োটিক খেয়ে রোগী আরও অসুস্থ হয়ে পড়ে।
সঞ্জয় নামে আরেক ভুক্তভোগী জানান, গ্রামের সহজ সরল মানুষ না বুঝে তার কাছে চিকিৎসা নিতে যায়। ভূয়া চিকিৎসক উত্তম এসব সাধারণ মানুষদের জিম্মি করে হাজার হাজার টাকার ওষুধ ধরিয়ে দেন। এতে গ্রামের গরিব অসহায় মানুষেরা একদিকে প্রতারণার শিকার হচ্ছে। অন্যদিকে আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও উত্তম কুমারের অপচিকিৎসার শিকার শাকিল গাজী নামে এক ভুক্তভোগী জানান, চিকিৎসা বিজ্ঞানে তার কোনো জ্ঞান নেই। কোনো পড়াশুনা করেনি। তারপরেও নিজেকে চিকিৎসক দাবি করে প্রতারণা করে আসছে।
তার ভুল চিকিৎসক আমি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ি। পরে এমবিবিএস চিকিৎসকের শরনাপন্ন হলে সঠিক চিকিৎসায় মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসি।
স্থানীয় ব্যবসায়ী কাওসার আহমেদ বলেন, উত্তম কুমার প্রথমে ছিলেন ওষুধ ব্যবসায়ী। পরে রাতারাতি ডাক্তার হয়ে যান। চিকিৎসা সেবা একটি স্পর্শকাতর বিষয়। সেখানে একজন মাধ্যমিক পাশ মানুষ কিভাবে জটিল রোগের চিকিৎসা দেন।
এসব বিষয়ে জানতে গতকাল ধুলিয়া বাজারের উৎসব মেডিসিন কর্ণারে গিয়ে দেখা যায় উত্তম কুমার রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছেন। তার চিকিৎসা সনদ কিংবা কোনো অনুমোদন আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি ফার্মাসিস্ট কোর্সের একটি সদন বের করে দেখান।
ফার্মাসিস্ট সনদ দিয়ে ওষুধ বিক্রি করা যায় চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দেওয়া যায় না, তারপরেও কিভাবে সে নিজেকে চিকিৎসক দাবি করে চেম্বার খুলে বসেছেন জানতে চাইলে কোনো সদত্তোর দিতে পারেনি।
এবিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: আবদুর রউফ বলেন, ফার্মাসিস্ট হয়ে নিজেকে চিকিৎসক পরিচয় কিংবা চিকিৎসা সেবা দেওয়ার সুযোগ নেই। এন্টিবায়োটিক প্রয়োগের তো প্রশ্নই আসে না। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ধুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা উত্তম কুমার রয়। চিকিৎসাবিদ্যায় কখনো অধ্যায়ন করেনি। নেই কোনো চিকিৎসা সনদ। তারপরেও নিজেকে পরিচয় দেন চিকিৎসক হিসেবে। ব্যবস্থাপত্রে নামের আগে লিখেন ডাক্তার।
চিকিৎসা দেন সকল জটিল ও কঠিন রোগের। চিকিৎসা সনদ কিংবা অনুমোদন না থাকার পরেও এভাবেই গ্রামের সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করে আসছেন তিনি।
উপজেলার ধুলিয়া বাজারে উৎসব মেডিসিন কর্ণার নামে একটি ওষুধের দোকান রয়েছেন তার। ওই দোকানে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১ টা এবং বিকেল ৪টার থেকে রাত ১০ পর্যন্ত রোগী দেখেন সনদ বিহীন চিকিৎসক উত্তম কুমার।
সরেজমিন ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শিক্ষাজীবনে মাত্র উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছেন উত্তম কুমার। পড়াশুনা শেষ করে প্রথমে ধুলিয়া বাজারে একটি ওষুধের দোকান খুলে বসেন। পরে ভূয়া কাগজপত্র বানিয়ে নিজে চিকিৎসক বনে চলে যান।
নিজেকে পরিচয় দেন চিকিৎসক হিসেবে। চিকিৎসাপত্রে নামের আগে লিখেন ডাক্তার। নামের নিচে ডিগ্রি হিসেবে লেখা আছে অলটারনেটিভ মেডিসিন ( কলিকাতা) ও ডিপ্লোমা ইন ফার্মাসিস্ট ( ঢাকা)।
যদিও নিয়ম অনুযায়ী একজন এমবিবিএস সদনধারী চিকিৎসক বিএমডিসির অনুমোদন নিয়ে চিকিৎসা সেবা দিতে পারবেন। এছাড়াও উপসহকারি মেডিকেল অফিসাররা প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দিতে পারবে।
তবে উত্তম কুমার চিকিৎসা অনুষদে কোনো পড়াশুনা করেনি। এমনকি প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য দেশের অনুমোদিত কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে সল্প মেয়াদি কোনো কোর্সও সম্পন্ন করেনি।
তারপরেও তিনি সকল জটিল ও কঠিন রোগের চিকিৎসা দিয়েন থাকেন। নিয়মনীতি তোয়াকা না করে যত্রতত্র এন্টিবায়োটিক প্রয়োগ করেন। এভাবে সাধারণ মানুষের সাথে বছরের পর বছর ধরে প্রতারণা করে আসছেন।
রাকিবুল ইসলাম নামে স্থানীয় এক ভুক্তভোগী জানান, সামান্য জ্বর ঠান্ডা নিয়ে উত্তম কুমারের কাছে যান। এসময় তিনি কোনো পরীক্ষা নিরিক্ষা ছাড়াও ১৫শ টাকার এন্টিবায়োটিক ওষুধ দিয়ে দেন। ওই এন্টিবায়োটিক খেয়ে রোগী আরও অসুস্থ হয়ে পড়ে।
সঞ্জয় নামে আরেক ভুক্তভোগী জানান, গ্রামের সহজ সরল মানুষ না বুঝে তার কাছে চিকিৎসা নিতে যায়। ভূয়া চিকিৎসক উত্তম এসব সাধারণ মানুষদের জিম্মি করে হাজার হাজার টাকার ওষুধ ধরিয়ে দেন। এতে গ্রামের গরিব অসহায় মানুষেরা একদিকে প্রতারণার শিকার হচ্ছে। অন্যদিকে আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও উত্তম কুমারের অপচিকিৎসার শিকার শাকিল গাজী নামে এক ভুক্তভোগী জানান, চিকিৎসা বিজ্ঞানে তার কোনো জ্ঞান নেই। কোনো পড়াশুনা করেনি। তারপরেও নিজেকে চিকিৎসক দাবি করে প্রতারণা করে আসছে।
তার ভুল চিকিৎসক আমি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ি। পরে এমবিবিএস চিকিৎসকের শরনাপন্ন হলে সঠিক চিকিৎসায় মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসি।
স্থানীয় ব্যবসায়ী কাওসার আহমেদ বলেন, উত্তম কুমার প্রথমে ছিলেন ওষুধ ব্যবসায়ী। পরে রাতারাতি ডাক্তার হয়ে যান। চিকিৎসা সেবা একটি স্পর্শকাতর বিষয়। সেখানে একজন মাধ্যমিক পাশ মানুষ কিভাবে জটিল রোগের চিকিৎসা দেন।
এসব বিষয়ে জানতে গতকাল ধুলিয়া বাজারের উৎসব মেডিসিন কর্ণারে গিয়ে দেখা যায় উত্তম কুমার রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছেন। তার চিকিৎসা সনদ কিংবা কোনো অনুমোদন আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি ফার্মাসিস্ট কোর্সের একটি সদন বের করে দেখান।
ফার্মাসিস্ট সনদ দিয়ে ওষুধ বিক্রি করা যায় চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দেওয়া যায় না, তারপরেও কিভাবে সে নিজেকে চিকিৎসক দাবি করে চেম্বার খুলে বসেছেন জানতে চাইলে কোনো সদত্তোর দিতে পারেনি।
এবিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: আবদুর রউফ বলেন, ফার্মাসিস্ট হয়ে নিজেকে চিকিৎসক পরিচয় কিংবা চিকিৎসা সেবা দেওয়ার সুযোগ নেই। এন্টিবায়োটিক প্রয়োগের তো প্রশ্নই আসে না। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৩ মে, ২০২৬ ১৭:৩৪
১৩ মে, ২০২৬ ১৭:০৩
১৩ মে, ২০২৬ ১৫:৫৪
১৩ মে, ২০২৬ ১৫:২৫

১২ মে, ২০২৬ ২০:৪৪
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনায় এবার আরও দুই নেতাকে বহিষ্কার করেছে জাতীয়তাবাদী কৃষকদল।
মঙ্গলবার (১২ মে) জাতীয়তাবাদী কৃষকদল কেন্দ্রীয় সংসদের দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বহিষ্কৃতরা হলেন- দুমকি উপজেলা কৃষকদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম মীর এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল ওহাব।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের সংগঠনের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এছাড়াও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ না রাখার অনুরোধ জানানো হয়। জাতীয়তাবাদী কৃষকদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন এবং সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।
এর আগে, একই ঘটনায় বিএনপি, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলও কয়েকজন নেতাকে বহিষ্কার করে। বহিষ্কৃতদের মধ্যে রয়েছেন দুমকি উপজেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ বশির উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান ফারুক ও সুলতান শওকত হোসেন এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মুসা ফরাজী। এছাড়া বহিষ্কৃত সাবেক যুবদল নেতা রিপন শরীফসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, সোমবার সকালে পবিপ্রবির প্রশাসনিক ভবনের সামনে ভিসি ড. কাজী রফিকুল ইসলামের অপসারণ দাবিতে চলমান অবস্থান কর্মসূচিতে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, বহিরাগতরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ওপর হামলা চালায়।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনায় এবার আরও দুই নেতাকে বহিষ্কার করেছে জাতীয়তাবাদী কৃষকদল।
মঙ্গলবার (১২ মে) জাতীয়তাবাদী কৃষকদল কেন্দ্রীয় সংসদের দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বহিষ্কৃতরা হলেন- দুমকি উপজেলা কৃষকদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম মীর এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল ওহাব।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের সংগঠনের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এছাড়াও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ না রাখার অনুরোধ জানানো হয়। জাতীয়তাবাদী কৃষকদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন এবং সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।
এর আগে, একই ঘটনায় বিএনপি, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলও কয়েকজন নেতাকে বহিষ্কার করে। বহিষ্কৃতদের মধ্যে রয়েছেন দুমকি উপজেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ বশির উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান ফারুক ও সুলতান শওকত হোসেন এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মুসা ফরাজী। এছাড়া বহিষ্কৃত সাবেক যুবদল নেতা রিপন শরীফসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, সোমবার সকালে পবিপ্রবির প্রশাসনিক ভবনের সামনে ভিসি ড. কাজী রফিকুল ইসলামের অপসারণ দাবিতে চলমান অবস্থান কর্মসূচিতে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, বহিরাগতরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ওপর হামলা চালায়।

১২ মে, ২০২৬ ২০:১১
পটুয়াখালীর বাউফলে গ্রাম আদালত কার্যক্রম অগ্রগতি বিষয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর সাথে ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল ১১টায় বাউফল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এর আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্প স্থানীয় সরকার বিভাগ পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় এর আওতায় উপজেলা প্রশাসন এ সভার আয়োজন করেন।
গ্রাম আদালতের উপজেলা সমন্বয়কারী নাজমা বেগম এর সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সালেহ আহমেদ।
সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, কেন আমরা গ্রাম আদালতে যাবো, গ্রাম আদালত কিভাবে গ্রামের জনগনকে সহায়তা করতে পারে ও গ্রাম আদালত কি কি ধরনের বিরোধ নিস্পত্তি করতে পারে সে বিষয়ে সভায় অংশগ্রহণ কারীদের ধারনা দেন।
এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের গ্রাম আদলত সম্পর্কে ধারনা ও ইউনিয়ন পরিষদের বিচারিক কক্ষে বসে ফৌজদারি কার্যক্রম বিশেষ করে চুরি,দাঙ্গা, প্রতারণা ঝগড়া বিবাদ,মূল্যবান সম্পত্তি আত্মসাৎ করা অন্যায় নিয়ন্ত্রণ ও অন্যায় আটক ভয়ভীতি দেখানো ও হুমকি দেয়া কোন নারীর শালীনতাকে অমর্যদা বা অপমানের উদ্দেশ্যে কথা বলা, অঙ্গভঙ্গী করা সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। আয়োজিত সভায় ১৫টি ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটরগন অংশ গ্রহন করেন।
পটুয়াখালীর বাউফলে গ্রাম আদালত কার্যক্রম অগ্রগতি বিষয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর সাথে ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল ১১টায় বাউফল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এর আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্প স্থানীয় সরকার বিভাগ পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় এর আওতায় উপজেলা প্রশাসন এ সভার আয়োজন করেন।
গ্রাম আদালতের উপজেলা সমন্বয়কারী নাজমা বেগম এর সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সালেহ আহমেদ।
সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, কেন আমরা গ্রাম আদালতে যাবো, গ্রাম আদালত কিভাবে গ্রামের জনগনকে সহায়তা করতে পারে ও গ্রাম আদালত কি কি ধরনের বিরোধ নিস্পত্তি করতে পারে সে বিষয়ে সভায় অংশগ্রহণ কারীদের ধারনা দেন।
এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের গ্রাম আদলত সম্পর্কে ধারনা ও ইউনিয়ন পরিষদের বিচারিক কক্ষে বসে ফৌজদারি কার্যক্রম বিশেষ করে চুরি,দাঙ্গা, প্রতারণা ঝগড়া বিবাদ,মূল্যবান সম্পত্তি আত্মসাৎ করা অন্যায় নিয়ন্ত্রণ ও অন্যায় আটক ভয়ভীতি দেখানো ও হুমকি দেয়া কোন নারীর শালীনতাকে অমর্যদা বা অপমানের উদ্দেশ্যে কথা বলা, অঙ্গভঙ্গী করা সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। আয়োজিত সভায় ১৫টি ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটরগন অংশ গ্রহন করেন।

১২ মে, ২০২৬ ১৭:০৭
পটুয়াখালীর বাউফলে স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর চার স্কুলছাত্রী নিখোঁজ হয়েছে। নিখোঁজের একদিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত তাদের কোনো সন্ধান মেলেনি। এ ঘটনায় পরিবারগুলোর মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
রোববার (১০ মে) উপজেলার নাজিরপুর-তাতেরকাঠি ইউনিয়নে নিখোঁজরা নিজ নিজ বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে যায়। এদিনই বাউফল থানায় নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যরা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
নিখোঁজ কিশোরীরা হলো-সানজিদা আক্তার (১২), ইসমত জেরিন (১২), সানজিদা আক্তার রায়সা (১৩) ও আয়শা আক্তার (১৫)।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকেই তাদের আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নিয়েও এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য মেলেনি।
নিখোঁজ সানজিদা আক্তার ও ইসমত জেরিন নাজিরপুর ছোট ডালিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সানজিদা আক্তার রায়সা একই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। অপরদিকে আয়শা আক্তার অন্য একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী।
নাজিরপুর ছোট ডালিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, নিখোঁজ তিন শিক্ষার্থী সেদিন শ্রেণিকক্ষে অনুপস্থিত ছিল। পরে বিকেলে অভিভাবকদের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন, শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। এরপর সহপাঠীদের সঙ্গে কথা বলে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নেওয়া হলেও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রথমে বিদ্যালয়ে এবং পরে আত্মীয়-স্বজনদের বাসায় খোঁজ করেও তাদের সন্ধান মেলেনি। পরে রাতে বাউফল থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই গোলাম মোস্তফা বলেন, নিখোঁজ ছাত্রীদের সঙ্গে কোনো মুঠোফোন নেই। ফলে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে, বাস ও লঞ্চসহ বিভিন্ন যাতায়াতমাধ্যমে খোঁজ নেওয়া হয়েছে। তাদের উদ্ধারে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পর চার শিক্ষার্থী বাড়ি ফেরেনি বলে আমরা জানতে পেরেছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তাদের উদ্ধারে পুলিশ কাজ করছে।
পটুয়াখালীর বাউফলে স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর চার স্কুলছাত্রী নিখোঁজ হয়েছে। নিখোঁজের একদিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত তাদের কোনো সন্ধান মেলেনি। এ ঘটনায় পরিবারগুলোর মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
রোববার (১০ মে) উপজেলার নাজিরপুর-তাতেরকাঠি ইউনিয়নে নিখোঁজরা নিজ নিজ বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে যায়। এদিনই বাউফল থানায় নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যরা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
নিখোঁজ কিশোরীরা হলো-সানজিদা আক্তার (১২), ইসমত জেরিন (১২), সানজিদা আক্তার রায়সা (১৩) ও আয়শা আক্তার (১৫)।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকেই তাদের আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নিয়েও এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য মেলেনি।
নিখোঁজ সানজিদা আক্তার ও ইসমত জেরিন নাজিরপুর ছোট ডালিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সানজিদা আক্তার রায়সা একই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। অপরদিকে আয়শা আক্তার অন্য একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী।
নাজিরপুর ছোট ডালিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, নিখোঁজ তিন শিক্ষার্থী সেদিন শ্রেণিকক্ষে অনুপস্থিত ছিল। পরে বিকেলে অভিভাবকদের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন, শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। এরপর সহপাঠীদের সঙ্গে কথা বলে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নেওয়া হলেও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রথমে বিদ্যালয়ে এবং পরে আত্মীয়-স্বজনদের বাসায় খোঁজ করেও তাদের সন্ধান মেলেনি। পরে রাতে বাউফল থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই গোলাম মোস্তফা বলেন, নিখোঁজ ছাত্রীদের সঙ্গে কোনো মুঠোফোন নেই। ফলে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে, বাস ও লঞ্চসহ বিভিন্ন যাতায়াতমাধ্যমে খোঁজ নেওয়া হয়েছে। তাদের উদ্ধারে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পর চার শিক্ষার্থী বাড়ি ফেরেনি বলে আমরা জানতে পেরেছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তাদের উদ্ধারে পুলিশ কাজ করছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.