বরিশালের হিজলা উপজেলায় বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে চারটায় দিকে উপজেলার গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের কাউরিয়া বাজারে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন উপলক্ষে পথসভায় উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল গাফফার তালুকদারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাবেক এমপি মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ , এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক দেওয়ান মোঃ শহিদুল্লাহর যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি খালেক হাওলাদার,উত্তর জেলা বিএনপির নেতা ওয়াহিদ হারুন, সাবেক ছাত্রনেতা হেমায়েত উদ্দিন সোহরাব।
এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন হিজলা মেহেন্দিগঞ্জ আসনের আমরা ৫ জন মনোনয়ন প্রত্যাশীরা একমত পোষণ করেছি,দল যাকে মনোনয়ন দেয় তাকে ধানের শীষ প্রতীক বিপুল ভোটে বিজয়ী করব।
আমি বিশ্বাস করি তারেক রহমান কোনো চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী কে মনোনয়ন দিবে না। তিনি আরো বলেন দীর্ঘ ১৫ বছর স্বৈরাচার শেখ হাসিনা জোর করে ক্ষমতা দখল করে নিয়েছে। আমরা আন্দোলন সংগ্রাম করে তাকে বিদায় করেছি।আজ দেশে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়েছে। বর্তমান কিছু জনগন বিহীন দল নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা করছে।
পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও পথসভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক দেওয়ান সালাউদ্দিন রিমন, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান খান সজল সহ অনেকে। প্রধান অতিথি সহ সকল নেতাকর্মীরা বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন ও হিন্দু সম্প্রদায়ের খোঁজখবর নেন।

০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:৪৪
কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নূর ইসলামের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে এনবিআর কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে উল্লেখ করা ‘ফু-ওয়াং বোলিং অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড’সহ ঢাকার চারটি বার ও রেস্তোরাঁয় বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বিভিন্ন সংস্থা।
শনিবার সন্ধ্যায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি) জানিয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানে ‘অবৈধ উৎস’ থেকে অ্যালকোহল সংগ্রহ, শুল্ক-মূসক ও আয়কর ফাঁকি এবং ‘অননুমোদিত’ গ্রাহকের কাছে অ্যালকোহল সরবরাহের অভিযোগ অনুসন্ধানে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
অভিযানের আওতায় থাকা অন্য তিন প্রতিষ্ঠান হলো—ক্যানভাস রেস্টুরেন্ট, হাবিব হোটেল ইন্টারন্যাশনাল ও মার্গারিটা লাউঞ্জ।
সিআইআইডির সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অভিযোগ তদন্তে চারটি দল গঠন করা হয়েছে। অভিযানে সিআইআইডির পাশাপাশি এনবিআরের আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট, সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি), ভ্যাট গোয়েন্দা এবং ঢাকা উত্তর কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দক্ষিণ গুলশানের বন্ডেড ওয়্যারহাউজ টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেডে যৌথ অভিযান চালায় সিআইআইডি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করা মদ ‘অননুমোদিত’ দুটি গুদামে মজুত রাখার অভিযোগে সেগুলোসহ প্রতিষ্ঠানটির দুটি বৈধ গুদামও সিলগালা করা হয়।
এনবিআর কর্মকর্তারা শেখ নূর ইসলামকে টস বন্ডের মালিক হিসেবে উল্লেখ করলেও ফু-ওয়াং কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে শেখ নূর ইসলাম বা তাঁর পরিবারের কোনো সম্পর্ক নেই।
ফু-ওয়াংয়ের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, সালমান মুক্তাদিরের সঙ্গে শেখ নূর ইসলামের মেয়ে দিশা ইসলামের বিয়ে তাঁর পরিবার মেনে নেয়নি। বিয়ের পর থেকেই শেখ নূর ইসলাম ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সামাজিক ও পারিবারিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন রয়েছে বলে দাবি প্রতিষ্ঠানটির।
এদিকে দেশে মদ ও বার ব্যবসায় কথিত অনিয়মের পাশাপাশি কানাডায় শেখ নূর ইসলাম ও তাঁর পরিবারের নাগরিকত্ব এবং সম্পদের বিষয়ে তথ্য পাওয়ার পর কর-সংক্রান্ত গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তদন্ত করছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নূর ইসলামের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে এনবিআর কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে উল্লেখ করা ‘ফু-ওয়াং বোলিং অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড’সহ ঢাকার চারটি বার ও রেস্তোরাঁয় বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বিভিন্ন সংস্থা।
শনিবার সন্ধ্যায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি) জানিয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানে ‘অবৈধ উৎস’ থেকে অ্যালকোহল সংগ্রহ, শুল্ক-মূসক ও আয়কর ফাঁকি এবং ‘অননুমোদিত’ গ্রাহকের কাছে অ্যালকোহল সরবরাহের অভিযোগ অনুসন্ধানে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
অভিযানের আওতায় থাকা অন্য তিন প্রতিষ্ঠান হলো—ক্যানভাস রেস্টুরেন্ট, হাবিব হোটেল ইন্টারন্যাশনাল ও মার্গারিটা লাউঞ্জ।
সিআইআইডির সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অভিযোগ তদন্তে চারটি দল গঠন করা হয়েছে। অভিযানে সিআইআইডির পাশাপাশি এনবিআরের আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট, সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি), ভ্যাট গোয়েন্দা এবং ঢাকা উত্তর কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দক্ষিণ গুলশানের বন্ডেড ওয়্যারহাউজ টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেডে যৌথ অভিযান চালায় সিআইআইডি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করা মদ ‘অননুমোদিত’ দুটি গুদামে মজুত রাখার অভিযোগে সেগুলোসহ প্রতিষ্ঠানটির দুটি বৈধ গুদামও সিলগালা করা হয়।
এনবিআর কর্মকর্তারা শেখ নূর ইসলামকে টস বন্ডের মালিক হিসেবে উল্লেখ করলেও ফু-ওয়াং কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে শেখ নূর ইসলাম বা তাঁর পরিবারের কোনো সম্পর্ক নেই।
ফু-ওয়াংয়ের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, সালমান মুক্তাদিরের সঙ্গে শেখ নূর ইসলামের মেয়ে দিশা ইসলামের বিয়ে তাঁর পরিবার মেনে নেয়নি। বিয়ের পর থেকেই শেখ নূর ইসলাম ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সামাজিক ও পারিবারিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন রয়েছে বলে দাবি প্রতিষ্ঠানটির।
এদিকে দেশে মদ ও বার ব্যবসায় কথিত অনিয়মের পাশাপাশি কানাডায় শেখ নূর ইসলাম ও তাঁর পরিবারের নাগরিকত্ব এবং সম্পদের বিষয়ে তথ্য পাওয়ার পর কর-সংক্রান্ত গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তদন্ত করছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৩৯
বরিশাল নগরের রসুলপুর বরফকল এলাকায় পিকআপ ভ্যানে তৈরি করা হয়েছিল গোপন চেম্বার। সেই চেম্বারেই লুকিয়ে আনা হচ্ছিল বিপুল পরিমাণ গাঁজা। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ৯০ কেজি গাঁজা। আটক করা হয়েছে রাহুল হাওলাদার নামে এক যুবককে।
শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে রাত দেড়টা পর্যন্ত নগরের কোতোয়ালি মডেল থানার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রসুলপুর বরফকল এলাকায় অভিযান চালায় ডিএনসির বরিশাল বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের একটি দল।
ডিএনসি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পিকআপ ভ্যানটিতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় ভ্যানটির পাশে থাকা তিনজন পালানোর চেষ্টা করেন। ধাওয়া দিয়ে রাহুল হাওলাদারকে আটক করা সম্ভব হলেও পালিয়ে যান আরও দুজন।
পরে পিকআপের পেছনের ঢালাইয়ের ভেতরে বিশেষভাবে তৈরি গোপন চেম্বারের সন্ধান পান ডিএনসি সদস্যরা। চেম্বার খুলতেই বেরিয়ে আসে স্কচটেপে মোড়ানো ৩০টি পলিথিনের পোটলা। প্রতিটি পোটলায় ছিল তিন কেজি করে গাঁজা। সব মিলিয়ে উদ্ধার করা হয় ৯০ কেজি গাঁজা।
এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত পিকআপ ভ্যান এবং চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনের একটি কপিও জব্দ করা হয়।
আটক রাহুল হাওলাদার নগরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কলাপট্টি এলাকার বাসিন্দা। পলাতক দুজন হলেন মো. সিরাজ মিয়া (৩৭) এবং মো. পলাশ হাওলাদার (৪২)।
বরিশাল ডিএনসির বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ খোরশিদ আলম বলেন, “গাঁজা পরিবহনের জন্য পিকআপটির পেছনে বিশেষ কায়দায় গোপন চেম্বার তৈরি করা হয়েছিল। পলাতক দুজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে ডিএনসি।
বরিশাল নগরের রসুলপুর বরফকল এলাকায় পিকআপ ভ্যানে তৈরি করা হয়েছিল গোপন চেম্বার। সেই চেম্বারেই লুকিয়ে আনা হচ্ছিল বিপুল পরিমাণ গাঁজা। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ৯০ কেজি গাঁজা। আটক করা হয়েছে রাহুল হাওলাদার নামে এক যুবককে।
শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে রাত দেড়টা পর্যন্ত নগরের কোতোয়ালি মডেল থানার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রসুলপুর বরফকল এলাকায় অভিযান চালায় ডিএনসির বরিশাল বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের একটি দল।
ডিএনসি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পিকআপ ভ্যানটিতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় ভ্যানটির পাশে থাকা তিনজন পালানোর চেষ্টা করেন। ধাওয়া দিয়ে রাহুল হাওলাদারকে আটক করা সম্ভব হলেও পালিয়ে যান আরও দুজন।
পরে পিকআপের পেছনের ঢালাইয়ের ভেতরে বিশেষভাবে তৈরি গোপন চেম্বারের সন্ধান পান ডিএনসি সদস্যরা। চেম্বার খুলতেই বেরিয়ে আসে স্কচটেপে মোড়ানো ৩০টি পলিথিনের পোটলা। প্রতিটি পোটলায় ছিল তিন কেজি করে গাঁজা। সব মিলিয়ে উদ্ধার করা হয় ৯০ কেজি গাঁজা।
এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত পিকআপ ভ্যান এবং চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনের একটি কপিও জব্দ করা হয়।
আটক রাহুল হাওলাদার নগরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কলাপট্টি এলাকার বাসিন্দা। পলাতক দুজন হলেন মো. সিরাজ মিয়া (৩৭) এবং মো. পলাশ হাওলাদার (৪২)।
বরিশাল ডিএনসির বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ খোরশিদ আলম বলেন, “গাঁজা পরিবহনের জন্য পিকআপটির পেছনে বিশেষ কায়দায় গোপন চেম্বার তৈরি করা হয়েছিল। পলাতক দুজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে ডিএনসি।

০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৩৩
বরিশালের গৌরনদীর চাঁদশী গ্রামের এক সাধারণ ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্ম। সেখান থেকেই শুরু হয়েছিল এমন এক নারীর পথচলা, যিনি উনিশ শতকের পুরুষতান্ত্রিক সমাজের চোখে চোখ রেখে শিক্ষা, চিকিৎসা ও নারী অধিকার আন্দোলনে তৈরি করেছিলেন ইতিহাস। তিনি কাদম্বিনী বসু, বাংলার নারী জাগরণের অন্যতম অগ্রদূত।
১৮৬১ সালের ১৮ জুলাই চাঁদশী গ্রামে ব্রজকিশোর বসুর ঘরে জন্ম কাদম্বিনীর। ডাকনাম ছিল ‘বিনি’। বাবা ছিলেন বিহারের ভাগলপুর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। বাবার কাছেই শিক্ষার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় তাঁর। মাত্র ১৩ বছর বয়সে মেয়েকে নিয়ে কলকাতায় পাড়ি জমান ব্রজকিশোর।
কলকাতায় হিন্দু মহিলা বিদ্যালয়ে ভর্তি হন কাদম্বিনী। বিদ্যালয়টি বন্ধ হয়ে গেলে ভর্তি হন বঙ্গ মহিলা বিদ্যালয়ে। পরিবারের নিরাপদ গণ্ডি পেরিয়ে বোর্ডিংয়ে একা থাকা, পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া—সবকিছুই ধীরে ধীরে তাঁকে করে তোলে আত্মবিশ্বাসী।
সেখানেই শিক্ষক হিসেবে পান দ্বারকানাথ গাঙ্গুলীকে। পরে সেই শিক্ষকই হন তাঁর জীবনসঙ্গী। বিয়ের পর কাদম্বিনী বসু হয়ে ওঠেন কাদম্বিনী গাঙ্গুলী।
তখন নারীর উচ্চশিক্ষাই ছিল সমাজের চোখে ‘দুঃসাহস’। কিন্তু কাদম্বিনী থামেননি।
১৮৭৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট নারীদের প্রবেশিকা পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অনুমতি দেয়। ১৮৭৮ সালে শত শত ছাত্রের মধ্যে একমাত্র নারী হিসেবে প্রবেশিকা পরীক্ষায় বসেন কাদম্বিনী। মাত্র এক নম্বরের জন্য প্রথম শ্রেণি না পেলেও দ্বিতীয় শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়ে প্রথম বাঙালি নারী হিসেবে প্রবেশিকা পাসের ইতিহাস গড়েন তিনি।
তাঁর এই সাফল্য শুধু একটি পরীক্ষার ফল ছিল না, এটি ছিল নারীর উচ্চশিক্ষার দরজা খুলে দেওয়ার এক বড় ধাক্কা।
এরপর এফএ পাস করে বিএ পড়েন। ১৮৮৩ সালের জানুয়ারিতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তখন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের পরিসরে নারীর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ছিল বিরল ঘটনা। কাদম্বিনী গণিত নিয়ে স্নাতক হয়ে দেখিয়ে দেন, নারীর মেধার সামনে সমাজের তৈরি দেয়ালও টেকে না। কিন্তু এখানেই থামেননি তিনি।
স্নাতক হওয়ার পর চিকিৎসাশাস্ত্র পড়ার সিদ্ধান্ত নেন। ১৮৮৪ সালে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হয়ে নারী চিকিৎসাশিক্ষার ক্ষেত্রেও নতুন দরজা খুলে দেন। ১৮৮৬ সালে চিকিৎসাবিদ্যার ডিগ্রি অর্জনের পর চিকিৎসা পেশায় যুক্ত হন। নারী শিক্ষা, চিকিৎসা ও অধিকার আন্দোলনেও সক্রিয় ভূমিকা রাখেন তিনি।
একদিকে সমাজের কটাক্ষ, অন্যদিকে পুরুষতান্ত্রিক বাধা, কোনোটিই কাদম্বিনীর পথ আটকাতে পারেনি। তাঁর প্রতিটি অর্জন পরবর্তী প্রজন্মের নারীদের জন্য তৈরি করেছে নতুন পথ।
বরিশালের গৌরনদীর চাঁদশীর সেই কন্যাই হয়ে উঠেছিলেন বাংলার নারী জাগরণের এক উজ্জ্বল প্রতীক।
১৯২৩ সালের ৩ অক্টোবর কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন কাদম্বিনী গাঙ্গুলী। কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া ইতিহাস আজও বলে, একজন নারী যখন বাধার সামনে দাঁড়িয়ে পথ তৈরি করেন, সেই পথ দিয়েই একদিন এগিয়ে যায় গোটা সমাজব্যবস্থা।
বরিশালের গৌরনদীর চাঁদশী গ্রামের এক সাধারণ ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্ম। সেখান থেকেই শুরু হয়েছিল এমন এক নারীর পথচলা, যিনি উনিশ শতকের পুরুষতান্ত্রিক সমাজের চোখে চোখ রেখে শিক্ষা, চিকিৎসা ও নারী অধিকার আন্দোলনে তৈরি করেছিলেন ইতিহাস। তিনি কাদম্বিনী বসু, বাংলার নারী জাগরণের অন্যতম অগ্রদূত।
১৮৬১ সালের ১৮ জুলাই চাঁদশী গ্রামে ব্রজকিশোর বসুর ঘরে জন্ম কাদম্বিনীর। ডাকনাম ছিল ‘বিনি’। বাবা ছিলেন বিহারের ভাগলপুর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। বাবার কাছেই শিক্ষার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় তাঁর। মাত্র ১৩ বছর বয়সে মেয়েকে নিয়ে কলকাতায় পাড়ি জমান ব্রজকিশোর।
কলকাতায় হিন্দু মহিলা বিদ্যালয়ে ভর্তি হন কাদম্বিনী। বিদ্যালয়টি বন্ধ হয়ে গেলে ভর্তি হন বঙ্গ মহিলা বিদ্যালয়ে। পরিবারের নিরাপদ গণ্ডি পেরিয়ে বোর্ডিংয়ে একা থাকা, পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া—সবকিছুই ধীরে ধীরে তাঁকে করে তোলে আত্মবিশ্বাসী।
সেখানেই শিক্ষক হিসেবে পান দ্বারকানাথ গাঙ্গুলীকে। পরে সেই শিক্ষকই হন তাঁর জীবনসঙ্গী। বিয়ের পর কাদম্বিনী বসু হয়ে ওঠেন কাদম্বিনী গাঙ্গুলী।
তখন নারীর উচ্চশিক্ষাই ছিল সমাজের চোখে ‘দুঃসাহস’। কিন্তু কাদম্বিনী থামেননি।
১৮৭৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট নারীদের প্রবেশিকা পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অনুমতি দেয়। ১৮৭৮ সালে শত শত ছাত্রের মধ্যে একমাত্র নারী হিসেবে প্রবেশিকা পরীক্ষায় বসেন কাদম্বিনী। মাত্র এক নম্বরের জন্য প্রথম শ্রেণি না পেলেও দ্বিতীয় শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়ে প্রথম বাঙালি নারী হিসেবে প্রবেশিকা পাসের ইতিহাস গড়েন তিনি।
তাঁর এই সাফল্য শুধু একটি পরীক্ষার ফল ছিল না, এটি ছিল নারীর উচ্চশিক্ষার দরজা খুলে দেওয়ার এক বড় ধাক্কা।
এরপর এফএ পাস করে বিএ পড়েন। ১৮৮৩ সালের জানুয়ারিতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তখন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের পরিসরে নারীর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ছিল বিরল ঘটনা। কাদম্বিনী গণিত নিয়ে স্নাতক হয়ে দেখিয়ে দেন, নারীর মেধার সামনে সমাজের তৈরি দেয়ালও টেকে না। কিন্তু এখানেই থামেননি তিনি।
স্নাতক হওয়ার পর চিকিৎসাশাস্ত্র পড়ার সিদ্ধান্ত নেন। ১৮৮৪ সালে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হয়ে নারী চিকিৎসাশিক্ষার ক্ষেত্রেও নতুন দরজা খুলে দেন। ১৮৮৬ সালে চিকিৎসাবিদ্যার ডিগ্রি অর্জনের পর চিকিৎসা পেশায় যুক্ত হন। নারী শিক্ষা, চিকিৎসা ও অধিকার আন্দোলনেও সক্রিয় ভূমিকা রাখেন তিনি।
একদিকে সমাজের কটাক্ষ, অন্যদিকে পুরুষতান্ত্রিক বাধা, কোনোটিই কাদম্বিনীর পথ আটকাতে পারেনি। তাঁর প্রতিটি অর্জন পরবর্তী প্রজন্মের নারীদের জন্য তৈরি করেছে নতুন পথ।
বরিশালের গৌরনদীর চাঁদশীর সেই কন্যাই হয়ে উঠেছিলেন বাংলার নারী জাগরণের এক উজ্জ্বল প্রতীক।
১৯২৩ সালের ৩ অক্টোবর কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন কাদম্বিনী গাঙ্গুলী। কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া ইতিহাস আজও বলে, একজন নারী যখন বাধার সামনে দাঁড়িয়ে পথ তৈরি করেন, সেই পথ দিয়েই একদিন এগিয়ে যায় গোটা সমাজব্যবস্থা।

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৯:২৩
বরিশালের হিজলা উপজেলায় বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে চারটায় দিকে উপজেলার গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের কাউরিয়া বাজারে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন উপলক্ষে পথসভায় উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল গাফফার তালুকদারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাবেক এমপি মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ , এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক দেওয়ান মোঃ শহিদুল্লাহর যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি খালেক হাওলাদার,উত্তর জেলা বিএনপির নেতা ওয়াহিদ হারুন, সাবেক ছাত্রনেতা হেমায়েত উদ্দিন সোহরাব।
এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন হিজলা মেহেন্দিগঞ্জ আসনের আমরা ৫ জন মনোনয়ন প্রত্যাশীরা একমত পোষণ করেছি,দল যাকে মনোনয়ন দেয় তাকে ধানের শীষ প্রতীক বিপুল ভোটে বিজয়ী করব।
আমি বিশ্বাস করি তারেক রহমান কোনো চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী কে মনোনয়ন দিবে না। তিনি আরো বলেন দীর্ঘ ১৫ বছর স্বৈরাচার শেখ হাসিনা জোর করে ক্ষমতা দখল করে নিয়েছে। আমরা আন্দোলন সংগ্রাম করে তাকে বিদায় করেছি।আজ দেশে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়েছে। বর্তমান কিছু জনগন বিহীন দল নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা করছে।
পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও পথসভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক দেওয়ান সালাউদ্দিন রিমন, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান খান সজল সহ অনেকে। প্রধান অতিথি সহ সকল নেতাকর্মীরা বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন ও হিন্দু সম্প্রদায়ের খোঁজখবর নেন।