
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৪:২০
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, উপযুক্ত সময়েই দলের নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই যাচাই-বাছাই করে যোগ্য ও সর্বোপরি জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য জনপ্রিয় প্রার্থীকেই বেছে নিয়ে তাদের নাম প্রকাশ করা হবে। কোনো নির্বাচনী এলাকায় কোনো প্রার্থীকে গ্রিন সিগন্যাল বা সবুজ সংকেত দেওয়া হয়নি। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সাংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
রিজভী বলেন, আমরা লক্ষ করছি সম্প্রতি কিছু পত্র-পত্রিকা, গণমাধ্যম এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় বিএনপির মনোনয়নের কথিত তালিকা, নাম প্রকাশ করে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি, অসন্তোষ এবং বিশৃঙ্খলা উসকে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে।
বিএনপিতে বিভেদ সৃষ্টির জন্য কিছু মিডিয়া মিথ্যা অপপ্রচার ও প্রোপাগান্ডায় লিপ্ত হয়েছে। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করছে।
তিনি বলেন, স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার যখন জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার পথে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন গভীর ষড়যন্ত্রের বীজ বুনতে শুরু করেছে কুচক্রীমহল।
ইতোমধ্যে তারা নানা বয়ান তৈরি করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্য একের পর এক বহুমুখী অশুভ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। যারা মিথ্যাচার করে বিএনপিকে নানা তকমা লাগানোর অপচেষ্টা করছে তারাই কিছু গণমাধ্যমকে ব্যবহার করে বিএনপির নামে অসত্য সংবাদ পরিবেশন করছে।
তিনি আরও বলেন, কোনো নির্বাচনী এলাকায় কোনো প্রার্থীকে গ্রিন সিগন্যাল বা সবুজ সংকেত দেওয়া হয়নি। মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে দলীয় নানা কার্যক্রমে যার পারফরম্যান্স ভালো তাকেই প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হবে। বিএনপির মনোনয়ন দেওয়া হয় তার নিজস্ব গঠনতান্ত্রিক উপায়ে।
কোনো সবুজ সংকেতের মাধ্যমে নয়। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কিংবা যে কোনো নির্বাচনে দলের প্রার্থী মনোনয়নের দায়িত্ব পার্লামেন্টারি বোর্ড পালন করে এবং এ ব্যাপারে বোর্ডের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হয়।
সুতরাং তপশিল ঘোষণার পরেই দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তথা বিএনপির কেন্দ্র থেকে ঘোষণা ব্যতীত এখন পত্রিকায় প্রকাশিত কোনো মনগড়া সংবাদে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সারা দেশের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
রিজভী বলেন, সবুজ সংকেত নয়, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রতিটি এলাকায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার সুনির্দিষ্ট ও যথাযথ নির্দেশনা দিচ্ছেন। তিনি তাগিদ দিচ্ছেন, বিএনপির নেতাকর্মীদের নিজেদের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
আমাদের ইস্পাত কঠিন ঐক্য ধরে রাখতে হবে, আমাদের প্রত্যেক গণসম্পৃক্ত কাজে সংশ্লিষ্ট থাকতে হবে। জনগণ বিরক্ত হয় এমন কোনো কাজে দলের নেতাকর্মীরা কখনোই লিপ্ত থাকবে না। তাহলে অবশ্যই জনগণের রায় ধানের শীষের পক্ষেই আসবে।
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নেতাকর্মীদের সারা দেশে ডোর টু ডোর গিয়ে আগামী দিনে জনগণের মুক্তির সনদ ৩১ দফা তুলে ধরার পরামর্শ দিচ্ছেন। তিনি মনোনয়নপ্রত্যাশীদের ঐক্য সুদৃঢ় করার এবং আরও জনবান্ধব হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি বলেন- তারেক রহমান বারবার একটি কথা বলেন, যা আমরা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি সেটি হলো, জনগণই বিএনপির সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। জনগণ আমাদের সঙ্গে থাকলে কোনো প্রোপাগান্ডাই বিএনপি থেকে জনগণকে বিচ্ছিন্ন করতে পারবে না ইনশাআল্লাহ। সারা দেশে বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী, শুভার্থী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি তারেক রহমানের আহ্বান- ‘জনগণের ভালোবাসায় থাকুন, জনগণকে ভালোবাসায় রাখুন’।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, উপযুক্ত সময়েই দলের নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই যাচাই-বাছাই করে যোগ্য ও সর্বোপরি জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য জনপ্রিয় প্রার্থীকেই বেছে নিয়ে তাদের নাম প্রকাশ করা হবে। কোনো নির্বাচনী এলাকায় কোনো প্রার্থীকে গ্রিন সিগন্যাল বা সবুজ সংকেত দেওয়া হয়নি। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সাংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
রিজভী বলেন, আমরা লক্ষ করছি সম্প্রতি কিছু পত্র-পত্রিকা, গণমাধ্যম এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় বিএনপির মনোনয়নের কথিত তালিকা, নাম প্রকাশ করে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি, অসন্তোষ এবং বিশৃঙ্খলা উসকে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে।
বিএনপিতে বিভেদ সৃষ্টির জন্য কিছু মিডিয়া মিথ্যা অপপ্রচার ও প্রোপাগান্ডায় লিপ্ত হয়েছে। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করছে।
তিনি বলেন, স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার যখন জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার পথে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন গভীর ষড়যন্ত্রের বীজ বুনতে শুরু করেছে কুচক্রীমহল।
ইতোমধ্যে তারা নানা বয়ান তৈরি করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্য একের পর এক বহুমুখী অশুভ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। যারা মিথ্যাচার করে বিএনপিকে নানা তকমা লাগানোর অপচেষ্টা করছে তারাই কিছু গণমাধ্যমকে ব্যবহার করে বিএনপির নামে অসত্য সংবাদ পরিবেশন করছে।
তিনি আরও বলেন, কোনো নির্বাচনী এলাকায় কোনো প্রার্থীকে গ্রিন সিগন্যাল বা সবুজ সংকেত দেওয়া হয়নি। মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে দলীয় নানা কার্যক্রমে যার পারফরম্যান্স ভালো তাকেই প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হবে। বিএনপির মনোনয়ন দেওয়া হয় তার নিজস্ব গঠনতান্ত্রিক উপায়ে।
কোনো সবুজ সংকেতের মাধ্যমে নয়। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কিংবা যে কোনো নির্বাচনে দলের প্রার্থী মনোনয়নের দায়িত্ব পার্লামেন্টারি বোর্ড পালন করে এবং এ ব্যাপারে বোর্ডের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হয়।
সুতরাং তপশিল ঘোষণার পরেই দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তথা বিএনপির কেন্দ্র থেকে ঘোষণা ব্যতীত এখন পত্রিকায় প্রকাশিত কোনো মনগড়া সংবাদে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সারা দেশের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
রিজভী বলেন, সবুজ সংকেত নয়, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রতিটি এলাকায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার সুনির্দিষ্ট ও যথাযথ নির্দেশনা দিচ্ছেন। তিনি তাগিদ দিচ্ছেন, বিএনপির নেতাকর্মীদের নিজেদের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
আমাদের ইস্পাত কঠিন ঐক্য ধরে রাখতে হবে, আমাদের প্রত্যেক গণসম্পৃক্ত কাজে সংশ্লিষ্ট থাকতে হবে। জনগণ বিরক্ত হয় এমন কোনো কাজে দলের নেতাকর্মীরা কখনোই লিপ্ত থাকবে না। তাহলে অবশ্যই জনগণের রায় ধানের শীষের পক্ষেই আসবে।
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নেতাকর্মীদের সারা দেশে ডোর টু ডোর গিয়ে আগামী দিনে জনগণের মুক্তির সনদ ৩১ দফা তুলে ধরার পরামর্শ দিচ্ছেন। তিনি মনোনয়নপ্রত্যাশীদের ঐক্য সুদৃঢ় করার এবং আরও জনবান্ধব হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি বলেন- তারেক রহমান বারবার একটি কথা বলেন, যা আমরা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি সেটি হলো, জনগণই বিএনপির সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। জনগণ আমাদের সঙ্গে থাকলে কোনো প্রোপাগান্ডাই বিএনপি থেকে জনগণকে বিচ্ছিন্ন করতে পারবে না ইনশাআল্লাহ। সারা দেশে বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী, শুভার্থী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি তারেক রহমানের আহ্বান- ‘জনগণের ভালোবাসায় থাকুন, জনগণকে ভালোবাসায় রাখুন’।

০৬ জুলাই, ২০২৬ ১৯:০৪
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে আইনগত কোনো বাধা নেই।
সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা পরিষদে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবসের অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন। পরে জামিনের আবেদন করবেন। ফৌজদারি কার্যবিধির (সিআরপিসি) স্বাভাবিক যে আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে, সেটিই অনুসরণ করবেন।’
বিরোধী দলের ঘোষিত ছায়া মন্ত্রিসভা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিরোধীদলের ছায়া মন্ত্রিসভাকেও আমি ওয়েলকাম জানাই।
সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

০৪ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৫৩
ওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, দলটির রাজনৈতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে এবং আইন অনুযায়ী তাদের বিচারের প্রক্রিয়াও এগিয়ে চলছে। একই সঙ্গে জুলাই অভ্যুত্থান, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আ. লীগের ভূমিকা নিয়েও কড়া বক্তব্য দেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পতন, নিপাত ও নির্মূল হয়েছে, আর দাফন হয়েছে দিল্লিতে। সেই আওয়ামী লীগ আর কোনোদিন বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারবে না। রাজনৈতিক দল হিসেবে তাদের বিচার দাবি করা হয়েছে, তদন্ত পরিচালিত হচ্ছে। খুব শিগগিরই তাদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে। আইন অনুযায়ী বিচার নিশ্চিত করা হবে।
শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানীর চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত জুলাই জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে গণহত্যা চালানোর পরও গণহত্যাকারী শেখ হাসিনার কোনো অনুশোচনা নেই। তাদের মধ্যে দোষ স্বীকারের কোনো চিন্তা নেই। এমনকি তারা জুলাই যোদ্ধাদের অপরাধী এবং অভ্যুত্থানকে জঙ্গি হিসেবে তকমা দিচ্ছে।
তাদের ভাষ্য মতে, দেশে নাকি জঙ্গি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর চেয়ে লজ্জার আর কিছু নেই। অনুশোচনা ও দোষ স্বীকারের ইতিহাস তাদের নেই। উল্টো তারা বিদেশে বসে গণতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।
জুলাই চেতনা নিয়ে কোনো ধরনের ফায়দা না তোলার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আগে যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলত, তারা এখন দিল্লিতে চলে গেছে। সুতরাং যারা চেতনা বিক্রি করবে, তাদের পরিণতিও ভালো হবে না।
জুলাই আন্দোলন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তখন তারেক রহমান ও আমি নির্বাসিত ছিলাম। আল্লাহর কী মহিমা! যদি আমরা নির্বাসিত না থাকতাম, তাহলে হয়তো জুলাইয়ের মতো অভ্যুত্থান সফলভাবে সমাপ্ত করা সম্ভব হতো না। এটাই হচ্ছে পর্দার অন্তরালের কথা।
তিনি আরও বলেন, ওই সময়ে আমরা কোনো দিন ঘুমাইনি। ২৪ ঘণ্টা সমন্বয় করে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিভিন্নভাবে সংগঠিত করে জুলাই যোদ্ধাদের সম্মুখে রেখে অরাজনৈতিক পরিচয়ে আন্দোলনকে একটি পর্যায়ে নিয়ে এসেছিলাম।’

২৪ জুন, ২০২৬ ০০:২১
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সন্ত্রাস, নাশকতা, নৈরাজ্য কিংবা যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করতে বরিশালের বাবুগঞ্জে বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়ক পাহারা দিয়েছে জাতীয়তাবাদী যুবদল। একইসাথে সাংগঠনিক সপ্তাহ উপলক্ষ্যে কেন্দ্র ঘোষিত প্রতিবাদ মিছিল-সমাবেশ কর্মসূচিও পালন করেছে তারা।
বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রকিবুল হাসান খান রাকিবের নেতৃত্বে সোমবার বিকাল থেকে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক-মহাসড়কে পাহারা বসায় যুবদলের নেতাকর্মীরা। এছাড়াও সাংগঠনিক সপ্তাহ উপলক্ষ্যে কেন্দ্র ঘোষিত অপপ্রচার ও শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার বিকেলে যুবদলের ওই বিক্ষোভ মিছিল দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে রহমতপুর ব্রিজ ও বাজার প্রদক্ষিণ করে বিমানবন্দর মোড়ে এসে শেষ হয়। এসময় সেখানে অনুষ্ঠিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে যুবদল আহবায়ক রকিবুল হাসান খান রাকিবের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রাফিল, সদস্য সচিব এবায়দুল হক, যুগ্ম-আহবায়ক মাহমুদুল হাসান লিমন সিকদার, এইচ.এম রিয়াজ মাহমুদ, ইশতিয়াক আহমেদ ভিপি জুয়েল, উজ্জ্বল হাওলাদার প্রমুখ। বক্তারা, আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য, বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করতে রাজপথে থাকার ঘোষণা দিয়ে সকল ধরনের অপপ্রচার, গুজব এবং শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতি বন্ধের আহবান জানান।
বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রকিবুল হাসান খান রাকিব বলেন, 'জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় সর্বদা রাজপথে থেকে প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করবে যুবদল। গতকাল বিকাল থেকে এখন পর্যন্ত নিষিদ্ধ সংগঠনের যেকোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, নাশকতা এবং বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে আমরা মাঠে রয়েছি। ভবিষ্যতেও যেকোনো নৈরাজ্য প্রতিহত করে জনগণের পাশে থাকবে বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদল।'
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে আইনগত কোনো বাধা নেই।
সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা পরিষদে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবসের অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন। পরে জামিনের আবেদন করবেন। ফৌজদারি কার্যবিধির (সিআরপিসি) স্বাভাবিক যে আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে, সেটিই অনুসরণ করবেন।’
বিরোধী দলের ঘোষিত ছায়া মন্ত্রিসভা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিরোধীদলের ছায়া মন্ত্রিসভাকেও আমি ওয়েলকাম জানাই।
সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
ওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, দলটির রাজনৈতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে এবং আইন অনুযায়ী তাদের বিচারের প্রক্রিয়াও এগিয়ে চলছে। একই সঙ্গে জুলাই অভ্যুত্থান, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আ. লীগের ভূমিকা নিয়েও কড়া বক্তব্য দেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পতন, নিপাত ও নির্মূল হয়েছে, আর দাফন হয়েছে দিল্লিতে। সেই আওয়ামী লীগ আর কোনোদিন বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারবে না। রাজনৈতিক দল হিসেবে তাদের বিচার দাবি করা হয়েছে, তদন্ত পরিচালিত হচ্ছে। খুব শিগগিরই তাদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে। আইন অনুযায়ী বিচার নিশ্চিত করা হবে।
শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানীর চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত জুলাই জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে গণহত্যা চালানোর পরও গণহত্যাকারী শেখ হাসিনার কোনো অনুশোচনা নেই। তাদের মধ্যে দোষ স্বীকারের কোনো চিন্তা নেই। এমনকি তারা জুলাই যোদ্ধাদের অপরাধী এবং অভ্যুত্থানকে জঙ্গি হিসেবে তকমা দিচ্ছে।
তাদের ভাষ্য মতে, দেশে নাকি জঙ্গি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর চেয়ে লজ্জার আর কিছু নেই। অনুশোচনা ও দোষ স্বীকারের ইতিহাস তাদের নেই। উল্টো তারা বিদেশে বসে গণতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।
জুলাই চেতনা নিয়ে কোনো ধরনের ফায়দা না তোলার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আগে যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলত, তারা এখন দিল্লিতে চলে গেছে। সুতরাং যারা চেতনা বিক্রি করবে, তাদের পরিণতিও ভালো হবে না।
জুলাই আন্দোলন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তখন তারেক রহমান ও আমি নির্বাসিত ছিলাম। আল্লাহর কী মহিমা! যদি আমরা নির্বাসিত না থাকতাম, তাহলে হয়তো জুলাইয়ের মতো অভ্যুত্থান সফলভাবে সমাপ্ত করা সম্ভব হতো না। এটাই হচ্ছে পর্দার অন্তরালের কথা।
তিনি আরও বলেন, ওই সময়ে আমরা কোনো দিন ঘুমাইনি। ২৪ ঘণ্টা সমন্বয় করে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিভিন্নভাবে সংগঠিত করে জুলাই যোদ্ধাদের সম্মুখে রেখে অরাজনৈতিক পরিচয়ে আন্দোলনকে একটি পর্যায়ে নিয়ে এসেছিলাম।’
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সন্ত্রাস, নাশকতা, নৈরাজ্য কিংবা যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করতে বরিশালের বাবুগঞ্জে বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়ক পাহারা দিয়েছে জাতীয়তাবাদী যুবদল। একইসাথে সাংগঠনিক সপ্তাহ উপলক্ষ্যে কেন্দ্র ঘোষিত প্রতিবাদ মিছিল-সমাবেশ কর্মসূচিও পালন করেছে তারা।
বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রকিবুল হাসান খান রাকিবের নেতৃত্বে সোমবার বিকাল থেকে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক-মহাসড়কে পাহারা বসায় যুবদলের নেতাকর্মীরা। এছাড়াও সাংগঠনিক সপ্তাহ উপলক্ষ্যে কেন্দ্র ঘোষিত অপপ্রচার ও শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার বিকেলে যুবদলের ওই বিক্ষোভ মিছিল দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে রহমতপুর ব্রিজ ও বাজার প্রদক্ষিণ করে বিমানবন্দর মোড়ে এসে শেষ হয়। এসময় সেখানে অনুষ্ঠিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে যুবদল আহবায়ক রকিবুল হাসান খান রাকিবের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রাফিল, সদস্য সচিব এবায়দুল হক, যুগ্ম-আহবায়ক মাহমুদুল হাসান লিমন সিকদার, এইচ.এম রিয়াজ মাহমুদ, ইশতিয়াক আহমেদ ভিপি জুয়েল, উজ্জ্বল হাওলাদার প্রমুখ। বক্তারা, আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য, বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করতে রাজপথে থাকার ঘোষণা দিয়ে সকল ধরনের অপপ্রচার, গুজব এবং শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতি বন্ধের আহবান জানান।
বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রকিবুল হাসান খান রাকিব বলেন, 'জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় সর্বদা রাজপথে থেকে প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করবে যুবদল। গতকাল বিকাল থেকে এখন পর্যন্ত নিষিদ্ধ সংগঠনের যেকোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, নাশকতা এবং বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে আমরা মাঠে রয়েছি। ভবিষ্যতেও যেকোনো নৈরাজ্য প্রতিহত করে জনগণের পাশে থাকবে বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদল।'
০৯ জুলাই, ২০২৬ ০০:১৭
০৮ জুলাই, ২০২৬ ২২:৩৬
০৮ জুলাই, ২০২৬ ২০:১৬
০৮ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৫১