
০১ জুন, ২০২৫ ১২:২০
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল সমর্থিত একটি বিতর্কিত সংস্থার পরিচালিত ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে ইহুদিবাদী ইসরাইল। এ সময় দখলদার বাহিনীর গুলিতে ত্রাণ নিতে যাওয়া ৩০ ফিলিস্তিনি নিহত ও শতাধিক আহত হয়েছেন।
এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ গাজায় মার্কিন-সমর্থিত একটি সংস্থার ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে জড়ো হওয়া ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলি বাহিনী গুলি চালায়। এতে কমপক্ষে ৩০ জন নিহত এবং ১২০ জন আহত হন।
এদিকে গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া প্রস্তাবের জবাব দিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। গোষ্ঠীটি বলেছে, ‘আমরা গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি চাই। যুদ্ধবিরতির জন্য গাজা থেকে সব ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার করতে হবে।’
শনিবার (৩১ মে) হামাস এক বিবৃতিতে বলেছে, চুক্তিতে উল্লিখিত নির্দিষ্ট সংখ্যক ফিলিস্তিনি বন্দির মুক্তির বিনিময়ে তারা ১০ জন জীবিত ইসরাইলি জিম্মি এবং ১৮ জন মৃত জিম্মির মৃতদেহ হস্তান্তরে প্রস্তুত।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এই প্রস্তাবের লক্ষ্য স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, গাজা থেকে সব ইসরাইল সেনা প্রত্যাহার এবং আমাদের জনগণের জন্য মানবিক সহায়তার অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করা।
বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে সরাসরি কোনো সংশোধনীর কথা বলা হয়নি।তবে বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে জানান, হামাস প্রস্তাবে কিছু সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে। তা সত্ত্বেও সামগ্রিকভাবে তাদের প্রতিক্রিয়া ইতিবাচক।
হোয়াইট হাউসও জানিয়েছে, প্রস্তাবিত খসড়া সম্পর্কে হামাস তাদের আপত্তিও তুলে ধরেছে। বিস্তারিত প্রতিক্রিয়ায় হামাস তাদের সুপরিচিত শর্তগুলো পুনরাবৃত্তি করেছে: একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, গাজা থেকে সম্পূর্ণ ইসরাইলি প্রত্যাহার এবং মানবিক সহায়তার অব্যাহত প্রবাহের নিশ্চয়তা।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলি ভূখণ্ডে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এদিন তারা ১২০০ জনকে হত্যার পাশাপাশি ২৫১ জনকে জিম্মি করে নিয়ে যায়। হামাসের হামলার জবাব দিতে এবং জিম্মিদের মুক্ত করতে ওই দিন থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরাইলি বাহিনী। দেড় বছরের বেশি সময় ধরে চলা ইসরাইলের হামলায় অন্তত ৫৪ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল সমর্থিত একটি বিতর্কিত সংস্থার পরিচালিত ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে ইহুদিবাদী ইসরাইল। এ সময় দখলদার বাহিনীর গুলিতে ত্রাণ নিতে যাওয়া ৩০ ফিলিস্তিনি নিহত ও শতাধিক আহত হয়েছেন।
এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ গাজায় মার্কিন-সমর্থিত একটি সংস্থার ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে জড়ো হওয়া ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলি বাহিনী গুলি চালায়। এতে কমপক্ষে ৩০ জন নিহত এবং ১২০ জন আহত হন।
এদিকে গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া প্রস্তাবের জবাব দিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। গোষ্ঠীটি বলেছে, ‘আমরা গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি চাই। যুদ্ধবিরতির জন্য গাজা থেকে সব ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার করতে হবে।’
শনিবার (৩১ মে) হামাস এক বিবৃতিতে বলেছে, চুক্তিতে উল্লিখিত নির্দিষ্ট সংখ্যক ফিলিস্তিনি বন্দির মুক্তির বিনিময়ে তারা ১০ জন জীবিত ইসরাইলি জিম্মি এবং ১৮ জন মৃত জিম্মির মৃতদেহ হস্তান্তরে প্রস্তুত।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এই প্রস্তাবের লক্ষ্য স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, গাজা থেকে সব ইসরাইল সেনা প্রত্যাহার এবং আমাদের জনগণের জন্য মানবিক সহায়তার অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করা।
বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে সরাসরি কোনো সংশোধনীর কথা বলা হয়নি।তবে বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে জানান, হামাস প্রস্তাবে কিছু সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে। তা সত্ত্বেও সামগ্রিকভাবে তাদের প্রতিক্রিয়া ইতিবাচক।
হোয়াইট হাউসও জানিয়েছে, প্রস্তাবিত খসড়া সম্পর্কে হামাস তাদের আপত্তিও তুলে ধরেছে। বিস্তারিত প্রতিক্রিয়ায় হামাস তাদের সুপরিচিত শর্তগুলো পুনরাবৃত্তি করেছে: একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, গাজা থেকে সম্পূর্ণ ইসরাইলি প্রত্যাহার এবং মানবিক সহায়তার অব্যাহত প্রবাহের নিশ্চয়তা।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলি ভূখণ্ডে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এদিন তারা ১২০০ জনকে হত্যার পাশাপাশি ২৫১ জনকে জিম্মি করে নিয়ে যায়। হামাসের হামলার জবাব দিতে এবং জিম্মিদের মুক্ত করতে ওই দিন থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরাইলি বাহিনী। দেড় বছরের বেশি সময় ধরে চলা ইসরাইলের হামলায় অন্তত ৫৪ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪১

০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০৬

০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৫৫

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
ভারতের ছত্তিশগড় রাজ্যের গ্যারিয়াবন্দ জেলায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনায় অর্ধডজনের বেশি মুসলিম পরিবারের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে অন্তত সাতজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
গত ১ ফেব্রুয়ারি জেলার দুতকাইয়া গ্রামে কয়েক ঘণ্টাব্যাপী এই সহিংসতা চলে। দ্য হিন্দু–র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তেজিত জনতার হাত থেকে নারী ও শিশুসহ ২০ জনের বেশি মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে গিয়ে পুলিশকে চরম চাপে পড়তে হয়।
পুলিশ সূত্র জানায়, স্থানীয় কয়েকজনের ওপর কথিত হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সহিংসতার সূত্রপাত ঘটে। অভিযুক্তদের একজন আরিফ খান, যিনি ২০২৪ সালে একটি শিব মন্দির ভাঙচুরের মামলায় অভিযুক্ত হয়ে কিশোর সংশোধন কেন্দ্রে ছিলেন এবং বর্তমানে জামিনে মুক্ত আছেন।
গ্যারিয়াবন্দের পুলিশ সুপার বেদব্রত সিরমাউর জানান, আরিফ খান ও তার দুই সহযোগীর বিরুদ্ধে গ্রামের চবেশ্বর শিব মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠার পর তাকে সংশোধন কেন্দ্রে পাঠানো হয়।
জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি দীর্ঘদিন গ্রামে ফেরেননি। তবে ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার পর ১ ফেব্রুয়ারি ভোরে তিনি গ্রামে ফিরে এসে রায়পুর থেকে আসা দুই সহযোগীকে নিয়ে অন্তত চারজন স্থানীয় বাসিন্দাকে মারধর করেন। আহতদের মধ্যে মন্দির ভাঙচুর মামলার একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন।
এই ঘটনার পর লাঠি, ইট, পাথর ও কেরোসিনের বোতল হাতে নিয়ে দুতকাইয়া ও আশপাশের গ্রামের কয়েকশ মানুষ একত্রিত হয়ে অন্তত ১০টি মুসলিম পরিবারের বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা চালায়। পরিবারগুলো তখন দরজা বন্ধ করে ঘরের ভেতরে আশ্রয় নেয়।
এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, উত্তেজিত জনতা যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং মুসলিম পরিবারগুলোর বাড়িতে ঢোকার দাবি তোলে। রাজ্যের বৃহৎ ধর্মীয় সমাবেশ ‘রাজিম কুম্ভ’ চলার কারণে পুলিশ জনবল সংকটে ছিল। তবুও পুলিশ কয়েক ঘণ্টা ধরে পাহারা দিয়ে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করে।
পুলিশের সব শান্তিপূর্ণ প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে বলপ্রয়োগ করে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করা হয়। পরে একটি বাসে করে বাড়িগুলোতে আটকে থাকা ২০ জনের বেশি বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।
এই ঘটনায় দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক বাসিন্দা আহত হন। পাশাপাশি ছয়জন পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হন এবং একজন পুলিশ সদস্য জনতার ছোড়া ইটের আঘাতে মাথায় মারাত্মকভাবে আহত হন বলে দ্য হিন্দু জানিয়েছে।
ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর নিরাপত্তা ও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে প্রশাসন কাজ করছে।
ভারতের ছত্তিশগড় রাজ্যের গ্যারিয়াবন্দ জেলায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনায় অর্ধডজনের বেশি মুসলিম পরিবারের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে অন্তত সাতজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
গত ১ ফেব্রুয়ারি জেলার দুতকাইয়া গ্রামে কয়েক ঘণ্টাব্যাপী এই সহিংসতা চলে। দ্য হিন্দু–র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তেজিত জনতার হাত থেকে নারী ও শিশুসহ ২০ জনের বেশি মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে গিয়ে পুলিশকে চরম চাপে পড়তে হয়।
পুলিশ সূত্র জানায়, স্থানীয় কয়েকজনের ওপর কথিত হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সহিংসতার সূত্রপাত ঘটে। অভিযুক্তদের একজন আরিফ খান, যিনি ২০২৪ সালে একটি শিব মন্দির ভাঙচুরের মামলায় অভিযুক্ত হয়ে কিশোর সংশোধন কেন্দ্রে ছিলেন এবং বর্তমানে জামিনে মুক্ত আছেন।
গ্যারিয়াবন্দের পুলিশ সুপার বেদব্রত সিরমাউর জানান, আরিফ খান ও তার দুই সহযোগীর বিরুদ্ধে গ্রামের চবেশ্বর শিব মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠার পর তাকে সংশোধন কেন্দ্রে পাঠানো হয়।
জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি দীর্ঘদিন গ্রামে ফেরেননি। তবে ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার পর ১ ফেব্রুয়ারি ভোরে তিনি গ্রামে ফিরে এসে রায়পুর থেকে আসা দুই সহযোগীকে নিয়ে অন্তত চারজন স্থানীয় বাসিন্দাকে মারধর করেন। আহতদের মধ্যে মন্দির ভাঙচুর মামলার একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন।
এই ঘটনার পর লাঠি, ইট, পাথর ও কেরোসিনের বোতল হাতে নিয়ে দুতকাইয়া ও আশপাশের গ্রামের কয়েকশ মানুষ একত্রিত হয়ে অন্তত ১০টি মুসলিম পরিবারের বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা চালায়। পরিবারগুলো তখন দরজা বন্ধ করে ঘরের ভেতরে আশ্রয় নেয়।
এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, উত্তেজিত জনতা যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং মুসলিম পরিবারগুলোর বাড়িতে ঢোকার দাবি তোলে। রাজ্যের বৃহৎ ধর্মীয় সমাবেশ ‘রাজিম কুম্ভ’ চলার কারণে পুলিশ জনবল সংকটে ছিল। তবুও পুলিশ কয়েক ঘণ্টা ধরে পাহারা দিয়ে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করে।
পুলিশের সব শান্তিপূর্ণ প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে বলপ্রয়োগ করে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করা হয়। পরে একটি বাসে করে বাড়িগুলোতে আটকে থাকা ২০ জনের বেশি বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।
এই ঘটনায় দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক বাসিন্দা আহত হন। পাশাপাশি ছয়জন পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হন এবং একজন পুলিশ সদস্য জনতার ছোড়া ইটের আঘাতে মাথায় মারাত্মকভাবে আহত হন বলে দ্য হিন্দু জানিয়েছে।
ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর নিরাপত্তা ও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে প্রশাসন কাজ করছে।
ভারতের মধ্যপ্রদেশের সাগর জেলায় এক কমিউনিটি হেলথ সেন্টারের সামনে এক তরুণী নার্সকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। জনবহুল এলাকায় থানা থেকে কিছুটা দূরে এই ঘটনা ঘটায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। পুলিশ ঘটনার পেছনের কারণ খতিয়ে দেখছে এবং অভিযুক্তকে ধরতে অভিযান চালাচ্ছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, মধ্যপ্রদেশের সাগর জেলার শাহগড় এলাকায় বুধবার রাতে ওই নারী স্টাফ নার্সকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটে।
নিহত ওই নার্সের নাম দীপশিখা চাধার (২৫)। তিনি শাহগড় কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে নাইট শিফটে যোগ দেয়ার ঠিক আগে তাকে গুলি করা হয়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, দীপশিখা হাসপাতালের মূল প্রবেশপথে দাঁড়িয়ে দায়িত্ব শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন দীপশিখা চাধার। এ সময় এক অজ্ঞাত যুবক হঠাৎ তার সামনে এসে তাকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়। এরপর পরপর তিন রাউন্ড গুলি ছোড়ে, যার একটি তার পিঠে লাগে।
গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি মাটিতে পড়ে যান। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। গুলি চালানোর পরপরই হামলাকারী পালিয়ে যায়।
এতে ঘটনাস্থলে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। মূলত ঘটনাস্থলটি প্রধান বাসস্ট্যান্ডের কাছাকাছি হওয়ায় রাতের সময়ও সেখানে লোকজন চলাচল করে। গুলির শব্দে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, খবর পেয়ে শাহগড় থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পুলিশ এলাকা ঘিরে রেখে আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং ঘটনাস্থল থেকে ফরেনসিক আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি জব্বলপুর জেলার কাটাঙ্গি পাটান এলাকার বাসিন্দা হতে পারেন। তিনি শাহগড়ে এক বন্ধুর সঙ্গে থাকতেন। দীপশিখাও গত দুই বছর ধরে একই এলাকায় বসবাস করছিলেন এবং দুজনের মধ্যে পরিচয় ছিল বলে জানা গেছে।
সূত্র আরও জানায়, অভিযুক্ত যুবক দীপশিখাকে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। তিনি রাজি না হওয়ায় এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হবে না এবং সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ঘটনার পর হামলাকারী নিকটবর্তী একটি বনাঞ্চলের দিকে পালিয়ে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে। একাধিক পুলিশ দল গঠন করে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। শাহগড় শহর ঘিরে রাখা হয়েছে। পাশের ছত্তরপুর জেলার সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে, যাতে অভিযুক্ত পালাতে না পারে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সঞ্জীব কুমার উয়েকে বলেন, ‘দীপশিখা নামের এক স্টাফ নার্স রাত ৮টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের জন্য আসছিলেন।
এক অজ্ঞাত ব্যক্তি তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে গুলি করে পালিয়ে যায়। হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। একাধিক দল গঠন করে অভিযুক্তকে ধরতে অভিযান চলছে।’
ভারতের মধ্যপ্রদেশের সাগর জেলায় এক কমিউনিটি হেলথ সেন্টারের সামনে এক তরুণী নার্সকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। জনবহুল এলাকায় থানা থেকে কিছুটা দূরে এই ঘটনা ঘটায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। পুলিশ ঘটনার পেছনের কারণ খতিয়ে দেখছে এবং অভিযুক্তকে ধরতে অভিযান চালাচ্ছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, মধ্যপ্রদেশের সাগর জেলার শাহগড় এলাকায় বুধবার রাতে ওই নারী স্টাফ নার্সকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটে।
নিহত ওই নার্সের নাম দীপশিখা চাধার (২৫)। তিনি শাহগড় কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে নাইট শিফটে যোগ দেয়ার ঠিক আগে তাকে গুলি করা হয়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, দীপশিখা হাসপাতালের মূল প্রবেশপথে দাঁড়িয়ে দায়িত্ব শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন দীপশিখা চাধার। এ সময় এক অজ্ঞাত যুবক হঠাৎ তার সামনে এসে তাকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়। এরপর পরপর তিন রাউন্ড গুলি ছোড়ে, যার একটি তার পিঠে লাগে।
গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি মাটিতে পড়ে যান। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। গুলি চালানোর পরপরই হামলাকারী পালিয়ে যায়।
এতে ঘটনাস্থলে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। মূলত ঘটনাস্থলটি প্রধান বাসস্ট্যান্ডের কাছাকাছি হওয়ায় রাতের সময়ও সেখানে লোকজন চলাচল করে। গুলির শব্দে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, খবর পেয়ে শাহগড় থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পুলিশ এলাকা ঘিরে রেখে আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং ঘটনাস্থল থেকে ফরেনসিক আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি জব্বলপুর জেলার কাটাঙ্গি পাটান এলাকার বাসিন্দা হতে পারেন। তিনি শাহগড়ে এক বন্ধুর সঙ্গে থাকতেন। দীপশিখাও গত দুই বছর ধরে একই এলাকায় বসবাস করছিলেন এবং দুজনের মধ্যে পরিচয় ছিল বলে জানা গেছে।
সূত্র আরও জানায়, অভিযুক্ত যুবক দীপশিখাকে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। তিনি রাজি না হওয়ায় এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হবে না এবং সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ঘটনার পর হামলাকারী নিকটবর্তী একটি বনাঞ্চলের দিকে পালিয়ে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে। একাধিক পুলিশ দল গঠন করে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। শাহগড় শহর ঘিরে রাখা হয়েছে। পাশের ছত্তরপুর জেলার সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে, যাতে অভিযুক্ত পালাতে না পারে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সঞ্জীব কুমার উয়েকে বলেন, ‘দীপশিখা নামের এক স্টাফ নার্স রাত ৮টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের জন্য আসছিলেন।
এক অজ্ঞাত ব্যক্তি তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে গুলি করে পালিয়ে যায়। হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। একাধিক দল গঠন করে অভিযুক্তকে ধরতে অভিযান চলছে।’
মিনেসোটার মিনিয়াপোলিস শহরসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন এলাকায় ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) বিরোধী ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। মিনেসোটায় দুই মার্কিন নাগরিককে গুলি করে হত্যার ঘটনার পর ফেডারেল অভিবাসন কর্মকর্তাদের প্রত্যাহারের দাবিতে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। একই দাবিতে ক্যালিফোর্নিয়া থেকে নিউইয়র্ক পর্যন্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা ক্লাস বর্জন করেছেন।
অভিবাসনবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি মিনেসোটার মিনিয়াপোলিস শহরে আইসিইর তিন হাজার কর্মকর্তা মোতায়েন করেন। এ সংখ্যা শহরের পুলিশ বিভাগের সদস্যদের চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি। এ কর্মকর্তারা বিশেষ পোশাক পরে রাস্তায় টহল দিচ্ছেন।
সম্প্রতি মিনিয়াপোলিসে আইসিই কর্মকর্তাদের গুলিতে দুই মার্কিন নাগরিকের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে শহরটিতে আইসিইবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়।
গতকাল মিনিয়াপোলিস শহরে তীব্র ঠান্ডার মধ্যে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আইসিই সদস্যদের প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ করেন। বিক্ষোভে পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যদের সঙ্গে শিশুরাও যোগ দিয়েছিল।
কাতিয়া কাগান নামের এক বিক্ষোভকারী ‘নো আইসিই’ লেখা পোশাক পরে মোমবাতি হাতে অবস্থান করছিলেন। তাঁর মা-বাবা রুশ ইহুদি। তাঁরা নিজেদের নিরাপত্তা ও উন্নত জীবনের সন্ধানে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন।
কাগান বলেন, ‘আমি এখানে আছি। কারণ, আমি সেই মার্কিন স্বপ্ন পূরণের লড়াই করতে চাই, যেটার জন্য আমার মা-বাবা এখানে এসেছিলেন।’
কিম নামের ৬৫ বছর বয়সী এক যোগব্যায়ামের কোচও শনিবারের বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিলেন। তিনি তাঁর নামের শেষ অংশ প্রকাশ করতে রাজি হননি। কিম অভিবাসনবিরোধী অভিযানকে ‘নাগরিকদের ওপর ফেডারেল সরকারের পূর্ণাঙ্গ ফ্যাসিস্ট হামলা’ বলে উল্লেখ করেছেন।
মিনিয়াপোলিসের যে এলাকায় চলতি মাসে আইসিই সদস্যদের গুলিতে দুই মার্কিন নাগরিক নিহত হয়েছেন, সেখানকার স্থানীয় স্কুলের প্রায় ৫০ জন শিক্ষক ও কর্মী শনিবারে মিছিল করেছেন। আইসিই কর্মকর্তাদের গুলিতে নিহত ব্যক্তিরা হলেন অ্যালেক্স প্রেটি ও রেনি গুড।
রকস্টার ব্রুস স্প্রিংস্টিনও এ প্রতিবাদে অংশ নিয়েছেন। তিনি ডাউনটাউনে গুড ও প্রেটির জন্য আয়োজিত তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানের মঞ্চে গিয়ে তাঁর নতুন গান ‘স্ট্রিটস অব মিনিয়াপোলিস’ পরিবেশন করেছেন।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন। বিক্ষোভের মূল স্লোগান ছিল, ‘কোনো কাজ চলবে না, কোনো স্কুল চলবে না, কোনো কেনাকাটা চলবে না, আইসিইর জন্য অর্থায়ন বন্ধ করো।’
বরিশাল টাইমস
মিনেসোটার মিনিয়াপোলিস শহরসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন এলাকায় ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) বিরোধী ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। মিনেসোটায় দুই মার্কিন নাগরিককে গুলি করে হত্যার ঘটনার পর ফেডারেল অভিবাসন কর্মকর্তাদের প্রত্যাহারের দাবিতে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। একই দাবিতে ক্যালিফোর্নিয়া থেকে নিউইয়র্ক পর্যন্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা ক্লাস বর্জন করেছেন।
অভিবাসনবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি মিনেসোটার মিনিয়াপোলিস শহরে আইসিইর তিন হাজার কর্মকর্তা মোতায়েন করেন। এ সংখ্যা শহরের পুলিশ বিভাগের সদস্যদের চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি। এ কর্মকর্তারা বিশেষ পোশাক পরে রাস্তায় টহল দিচ্ছেন।
সম্প্রতি মিনিয়াপোলিসে আইসিই কর্মকর্তাদের গুলিতে দুই মার্কিন নাগরিকের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে শহরটিতে আইসিইবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়।
গতকাল মিনিয়াপোলিস শহরে তীব্র ঠান্ডার মধ্যে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আইসিই সদস্যদের প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ করেন। বিক্ষোভে পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যদের সঙ্গে শিশুরাও যোগ দিয়েছিল।
কাতিয়া কাগান নামের এক বিক্ষোভকারী ‘নো আইসিই’ লেখা পোশাক পরে মোমবাতি হাতে অবস্থান করছিলেন। তাঁর মা-বাবা রুশ ইহুদি। তাঁরা নিজেদের নিরাপত্তা ও উন্নত জীবনের সন্ধানে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন।
কাগান বলেন, ‘আমি এখানে আছি। কারণ, আমি সেই মার্কিন স্বপ্ন পূরণের লড়াই করতে চাই, যেটার জন্য আমার মা-বাবা এখানে এসেছিলেন।’
কিম নামের ৬৫ বছর বয়সী এক যোগব্যায়ামের কোচও শনিবারের বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিলেন। তিনি তাঁর নামের শেষ অংশ প্রকাশ করতে রাজি হননি। কিম অভিবাসনবিরোধী অভিযানকে ‘নাগরিকদের ওপর ফেডারেল সরকারের পূর্ণাঙ্গ ফ্যাসিস্ট হামলা’ বলে উল্লেখ করেছেন।
মিনিয়াপোলিসের যে এলাকায় চলতি মাসে আইসিই সদস্যদের গুলিতে দুই মার্কিন নাগরিক নিহত হয়েছেন, সেখানকার স্থানীয় স্কুলের প্রায় ৫০ জন শিক্ষক ও কর্মী শনিবারে মিছিল করেছেন। আইসিই কর্মকর্তাদের গুলিতে নিহত ব্যক্তিরা হলেন অ্যালেক্স প্রেটি ও রেনি গুড।
রকস্টার ব্রুস স্প্রিংস্টিনও এ প্রতিবাদে অংশ নিয়েছেন। তিনি ডাউনটাউনে গুড ও প্রেটির জন্য আয়োজিত তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানের মঞ্চে গিয়ে তাঁর নতুন গান ‘স্ট্রিটস অব মিনিয়াপোলিস’ পরিবেশন করেছেন।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন। বিক্ষোভের মূল স্লোগান ছিল, ‘কোনো কাজ চলবে না, কোনো স্কুল চলবে না, কোনো কেনাকাটা চলবে না, আইসিইর জন্য অর্থায়ন বন্ধ করো।’
বরিশাল টাইমস
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪৯
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২২
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০০
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩২