
১৯ মে, ২০২৬ ১৫:৪৫
বরিশাল বেলভিউ হাসপাতাল এবং শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. আশীষ কুমার হালদারের অবহেলায় ও ভুল চিকিৎসায় এক চিকিৎসক দম্পতির নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। নবজাতকের বাবা বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের অর্থপেডিক বিভাগের মেডিকেল অফিসার এবং মা একজন এমবিবিএস ডাক্তার। ২১ দিন বয়সে নবজাতকের মৃত্যুর পর তার বাবা নিজের ফেসবুক ভেরিফাইড আইডিতে এই নির্মম অবহেলা জনিত মৃত্যুর বর্ণনা তুলে ধরলে এ নিয়ে নেট দুনিয়াসহ বরিশালের সচেতন মহলে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেতিবাচক পোস্ট দেখেই তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করেছে বেলভিউ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাদের হাসপাতাল স্টাফ বা কর্তৃপক্ষের কোন অবহেলা আছে কি না সে বিষয়ে সঠিক তথ্য উদঘাটন ও ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বেলভিউ মা ও শিশু হাসপাতলের সিইও রিয়াজ হাসান।
এদিকে পোস্টের শুরুতেই ডা. ইসতিয়াক অহমেদ রিফাত লিখেছেন, আমার ‘ইজান’ আল্লাহর হুকুমে আল্লাহর কাছে চলে গেছে। বিনিময়ে আমাকে দেখিয়ে গেছে বরিশালে শিশু চিকিৎসার করুণ অবস্থা। তাছাড়া বেলভিউ হাসপাতালে তেমন কোন চিকিৎসা না পেলেও তারা ১লক্ষ ১১ হাজার টাকা বিল গ্রহণ করেছেন বলে অভিযোগ তোলেন তিনি।
এরপর তিনি পুরো ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে লিখেন, ২১ এপ্রিল রাত এগারটায় জরুরিভিত্তিতে সিজারিয়ানের মাধ্যমে মমতা হাসপাতালে আমার একটি ফুটফুটে পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। গাইনি ম্যাম নিজেই ডা. আশিষ স্যারকে ডেলিভারির সময় বলে রাখেন। সিজার হলো, ইজান দুনিয়াতে আসলো। আশীষ স্যার প্রাইমারি রিসাসিটেশন করলেন। ইজান হালকা করে কাদলো। আশিষ স্যার প্রেসক্রিপশন করলেন, আর বললেন শেবাচিম অথবা বেলভিউ হাসপাতালে নিতে পারেন। সিজারের এক ঘণ্টা পর রাত ১২টার দিকে বেলভিউতে নিয়ে গেলাম। সেখানে গিয়ে আরেক ক্যাচাল। ডা. আশিষ স্যার তার প্রেসক্রিপশনে নরমল বেড বা ইনকিউবেটরে কিছুই লিখেন নাই। আর অত রাতে স্যারকে কল দেওয়া যাবে না। তাই তারা জেনারেল কেবিনে দিল। শুধু একটু অক্সিজেন লাগিয়ে দিল। আর ডাক্তার পরিচয় দেবার পরেও তাদের জঘন্য ব্যবহারের কথা আর নাই বলি। সারা রাতে একবার তারা খোঁজ নিতে আসলো না। হঠাৎ সন্ধ্যার পরে ইজান অসুস্থ হয়ে যায়। স্যাচুরেশন ফল করে। আবার অক্সিজেন লাগানো হলো। এরপরো অবস্থার উন্নতি না হওয়াতে আশিস স্যারকে ডিউটি ডাক্তার কল দেয়। সে রুডলি বলে শেবাচিম বা ঢাকা নিতে। এতটুকু অসুস্থ একটা বাচ্চাকে ঢাকা নেয়া পসিবল? আবার বাচ্চাটি বেশি অসুস্থ্য হয়ে পড়ার পর ডিউটি ডাক্তার কল দিল। আমি কল দিলাম। আমি কল দিয়ে পা ধরছি। তাও আশিষ স্যার আসবেন না। শেষে শেবাচিম ড্যাবের প্রেসিডেন্ট ডা. নজরুল স্যার কল দেওয়াতে তিনি আসেন এবং চিকিৎসা দেন। দিন দিন বাচ্চাটা ফ্লপি হয়ে যাচ্ছে সেটা আর খেয়াল করলেন না। আমাদেরও কিছু বলেন না। কথা একটাই,উন্নতি নাই। এর বাইরে কোন কাউন্সিলিং নাই।
এরপর আমরা ঢাকা যাওয়ার প্রস্তুতি নিলাম। বেলভিউর রিসিপশনে বললাম আমি ডাক্তার,আমার স্ত্রী ডাক্তার। তারপরও খুবই বাজে একটা মন্তব্য পাইলাম। একদিন দুপুরে দুর্ভাগ্যক্রমে আমার বউ ডা:নুসাইবা এবং তার এক মেয়ে কাজিন হাসপাতালে ছিল। ইজানকে জরুরী একটা টেস্ট করতে দেয়। আমার স্ত্রী নুসাইবা বেলভিউর কাউন্টারে গিয়ে ডাক্তার এবং মা পরিচয় দেবার পরেও বাজে বিহাভের স্বীকার হয়।
পোস্টের শেষে মন্তব্যে তিনি লিখেন, বেলভিউ কর্তৃপক্ষ ডাক্তার কাপলের সাথে যদি এরকমটা করতে পারে, তাহলে অন্যান্য মানুষের সাথে কি করবে?
এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজের শিশু বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক ডা. আশীষ কুমার হালদার। তার শশুর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নিশি ভোটের একাধিকবার এমপি। স্বাচিপের রাজনীতির সাথে জড়িত ডা. আশীষ এক সময় তার কলমের ধারে অনেক নীরিহ পেশাদার চিকিৎসককে হয়রানি হতে হয়েছে।
বরিশাল সদররোড বেলভিউতে তিনি নিজ মালিকানায় একটি এনআইসিইউ গড়ে তুলেছেন। শুধু বিল নেওয়ার বেলায় সেটি এনআইসিইউ হলেও সেখানে আসলে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সামগ্রী ও ব্যবস্থাপনা নেই। মানুষের চোখে ধুলো দিয়ে সেখান থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছেন ডা. আশীষ এবং বেলভিউ কতৃপক্ষ। এর পূর্বেও একাধিক বাচ্চাকে ভুল চিকিৎসা প্রদানের অভিযোগ রয়েছে ডা. আশীষের বিরূদ্ধে।
এ বিষয়ে শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজের শিশু বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক ডা. আশীষ কুমার হালদার সাংবাদিকদের বলেন, বাচ্চাটি আমার আন্ডারে বেলভিউতে ভর্তি ছিল। সাধ্যমত চিকিৎসা প্রদানের চেষ্টা করেছি, আমি আমার রাউন্ড ফি পর্যন্ত নেইনি। তাছাড়া কোন ডাক্তার ইচ্ছা করে কোন রোগীগে ভুল চিকিৎসা করেন না।
বেলভিউ মা ও শিশু হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রিয়াজ হাসান বলেন, এ বিষয়ে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে আসল তথ্য পাবো। যেহেতু আমাদের প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি তদন্তানাধীন তাই এর বেশি এখন বলা সম্ভব নয়।’
বরিশাল বেলভিউ হাসপাতাল এবং শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. আশীষ কুমার হালদারের অবহেলায় ও ভুল চিকিৎসায় এক চিকিৎসক দম্পতির নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। নবজাতকের বাবা বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের অর্থপেডিক বিভাগের মেডিকেল অফিসার এবং মা একজন এমবিবিএস ডাক্তার। ২১ দিন বয়সে নবজাতকের মৃত্যুর পর তার বাবা নিজের ফেসবুক ভেরিফাইড আইডিতে এই নির্মম অবহেলা জনিত মৃত্যুর বর্ণনা তুলে ধরলে এ নিয়ে নেট দুনিয়াসহ বরিশালের সচেতন মহলে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেতিবাচক পোস্ট দেখেই তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করেছে বেলভিউ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাদের হাসপাতাল স্টাফ বা কর্তৃপক্ষের কোন অবহেলা আছে কি না সে বিষয়ে সঠিক তথ্য উদঘাটন ও ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বেলভিউ মা ও শিশু হাসপাতলের সিইও রিয়াজ হাসান।
এদিকে পোস্টের শুরুতেই ডা. ইসতিয়াক অহমেদ রিফাত লিখেছেন, আমার ‘ইজান’ আল্লাহর হুকুমে আল্লাহর কাছে চলে গেছে। বিনিময়ে আমাকে দেখিয়ে গেছে বরিশালে শিশু চিকিৎসার করুণ অবস্থা। তাছাড়া বেলভিউ হাসপাতালে তেমন কোন চিকিৎসা না পেলেও তারা ১লক্ষ ১১ হাজার টাকা বিল গ্রহণ করেছেন বলে অভিযোগ তোলেন তিনি।
এরপর তিনি পুরো ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে লিখেন, ২১ এপ্রিল রাত এগারটায় জরুরিভিত্তিতে সিজারিয়ানের মাধ্যমে মমতা হাসপাতালে আমার একটি ফুটফুটে পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। গাইনি ম্যাম নিজেই ডা. আশিষ স্যারকে ডেলিভারির সময় বলে রাখেন। সিজার হলো, ইজান দুনিয়াতে আসলো। আশীষ স্যার প্রাইমারি রিসাসিটেশন করলেন। ইজান হালকা করে কাদলো। আশিষ স্যার প্রেসক্রিপশন করলেন, আর বললেন শেবাচিম অথবা বেলভিউ হাসপাতালে নিতে পারেন। সিজারের এক ঘণ্টা পর রাত ১২টার দিকে বেলভিউতে নিয়ে গেলাম। সেখানে গিয়ে আরেক ক্যাচাল। ডা. আশিষ স্যার তার প্রেসক্রিপশনে নরমল বেড বা ইনকিউবেটরে কিছুই লিখেন নাই। আর অত রাতে স্যারকে কল দেওয়া যাবে না। তাই তারা জেনারেল কেবিনে দিল। শুধু একটু অক্সিজেন লাগিয়ে দিল। আর ডাক্তার পরিচয় দেবার পরেও তাদের জঘন্য ব্যবহারের কথা আর নাই বলি। সারা রাতে একবার তারা খোঁজ নিতে আসলো না। হঠাৎ সন্ধ্যার পরে ইজান অসুস্থ হয়ে যায়। স্যাচুরেশন ফল করে। আবার অক্সিজেন লাগানো হলো। এরপরো অবস্থার উন্নতি না হওয়াতে আশিস স্যারকে ডিউটি ডাক্তার কল দেয়। সে রুডলি বলে শেবাচিম বা ঢাকা নিতে। এতটুকু অসুস্থ একটা বাচ্চাকে ঢাকা নেয়া পসিবল? আবার বাচ্চাটি বেশি অসুস্থ্য হয়ে পড়ার পর ডিউটি ডাক্তার কল দিল। আমি কল দিলাম। আমি কল দিয়ে পা ধরছি। তাও আশিষ স্যার আসবেন না। শেষে শেবাচিম ড্যাবের প্রেসিডেন্ট ডা. নজরুল স্যার কল দেওয়াতে তিনি আসেন এবং চিকিৎসা দেন। দিন দিন বাচ্চাটা ফ্লপি হয়ে যাচ্ছে সেটা আর খেয়াল করলেন না। আমাদেরও কিছু বলেন না। কথা একটাই,উন্নতি নাই। এর বাইরে কোন কাউন্সিলিং নাই।
এরপর আমরা ঢাকা যাওয়ার প্রস্তুতি নিলাম। বেলভিউর রিসিপশনে বললাম আমি ডাক্তার,আমার স্ত্রী ডাক্তার। তারপরও খুবই বাজে একটা মন্তব্য পাইলাম। একদিন দুপুরে দুর্ভাগ্যক্রমে আমার বউ ডা:নুসাইবা এবং তার এক মেয়ে কাজিন হাসপাতালে ছিল। ইজানকে জরুরী একটা টেস্ট করতে দেয়। আমার স্ত্রী নুসাইবা বেলভিউর কাউন্টারে গিয়ে ডাক্তার এবং মা পরিচয় দেবার পরেও বাজে বিহাভের স্বীকার হয়।
পোস্টের শেষে মন্তব্যে তিনি লিখেন, বেলভিউ কর্তৃপক্ষ ডাক্তার কাপলের সাথে যদি এরকমটা করতে পারে, তাহলে অন্যান্য মানুষের সাথে কি করবে?
এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজের শিশু বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক ডা. আশীষ কুমার হালদার। তার শশুর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নিশি ভোটের একাধিকবার এমপি। স্বাচিপের রাজনীতির সাথে জড়িত ডা. আশীষ এক সময় তার কলমের ধারে অনেক নীরিহ পেশাদার চিকিৎসককে হয়রানি হতে হয়েছে।
বরিশাল সদররোড বেলভিউতে তিনি নিজ মালিকানায় একটি এনআইসিইউ গড়ে তুলেছেন। শুধু বিল নেওয়ার বেলায় সেটি এনআইসিইউ হলেও সেখানে আসলে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সামগ্রী ও ব্যবস্থাপনা নেই। মানুষের চোখে ধুলো দিয়ে সেখান থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছেন ডা. আশীষ এবং বেলভিউ কতৃপক্ষ। এর পূর্বেও একাধিক বাচ্চাকে ভুল চিকিৎসা প্রদানের অভিযোগ রয়েছে ডা. আশীষের বিরূদ্ধে।
এ বিষয়ে শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজের শিশু বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক ডা. আশীষ কুমার হালদার সাংবাদিকদের বলেন, বাচ্চাটি আমার আন্ডারে বেলভিউতে ভর্তি ছিল। সাধ্যমত চিকিৎসা প্রদানের চেষ্টা করেছি, আমি আমার রাউন্ড ফি পর্যন্ত নেইনি। তাছাড়া কোন ডাক্তার ইচ্ছা করে কোন রোগীগে ভুল চিকিৎসা করেন না।
বেলভিউ মা ও শিশু হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রিয়াজ হাসান বলেন, এ বিষয়ে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে আসল তথ্য পাবো। যেহেতু আমাদের প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি তদন্তানাধীন তাই এর বেশি এখন বলা সম্ভব নয়।’

২০ মে, ২০২৬ ২৩:১০
বরিশালের বাবুগঞ্জে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২০ মে) উপজেলা পরিষদ হলরুমে ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ওই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় গ্রাম আদালত সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের অংশগ্রহণে সমন্বিত বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা। সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্নার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আবদুর রহমান সন্ন্যামত, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমিন ডলি, প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান টুলু, চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আলী জীবন প্রমুখ।
গ্রাম আদালত থেকে সুফলভোগী নারী হেলেনা বেগম (ছদ্মনাম) বলেন, 'আমার স্বামী ২০২৩ সালে গোপনে আরেকটি বিয়ে করে আমাকে ত্যাগ করে সেই বউ নিয়ে ঢাকায় বসবাস শুরু করে। এরপরে আমার আর কোনো ভরণপোষণ বা খোঁজ-খবর নেয়নি। ছোট দুটি সন্তান নিয়ে আমি অথৈ সাগরে হাবুডুবু খেতে থাকি। থানা বা আদালতে গিয়ে পুলিশ আর উকিল-মহুরি খরচ চালিয়ে মামলা করার মতো আর্থিক অবস্থা আমার ছিল না। শেষে এক সাংবাদিকের পরামর্শে আমি ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে গিয়ে মামলা দায়ের করি। সেখান থেকে আমি খরচ, দৌড়াদৌড়ি আর হয়রানি ছাড়াই স্বামীর কাছ থেকে আমার এবং বাচ্চাদের ভরণপোষণ আদায় করার রায় পাই। যা আমাকে নতুন করে বাঁচার পথ দেখায়।'
গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের বাবুগঞ্জ উপজেলা সমন্বয়কারী মোঃ পারভেজ মারুফ জানান, বিগত ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে অদ্যাবধি বাবুগঞ্জ উপজেলার ৬ ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে মোট ৫৮৮টি মামলা দায়ের হয়েছে। এরমধ্যে উচ্চ আদালত থেকে প্রেরিত মামলার সংখ্যা ৩২টি। মামলা নিষ্পত্তির হার ৯৮.৮০%। বিভিন্ন মামলা থেকে বাদীর অনুকূলে মোট ১ কোটি ১৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ৬০০ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করে দেওয়া হয়েছে। গ্রাম আদালতের রায় বাস্তবায়নের হার ৯৬.৩৫%। মামলার বাদীদের মধ্যে নারীর সংখ্যা ১৭৪ জন, যা মোট আবেদনকারীর ২৯.৬০%। এই চিত্রই প্রমাণ করে গ্রাম আদালতের বিচারের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ছে।
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, 'ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত কার্যক্রম আরো সক্রিয় এবং গতিশীল করা গেলে প্রায় বিনা খরচে ছোটখাটো অনেক মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব। এতে আদালতে মামলার জট কমবে এবং বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা দূর হবে। বিচারপ্রার্থীর অর্থ অপচয়, হয়রানি আর ভোগান্তি অনেক কমে যাবে।' #
বরিশালের বাবুগঞ্জে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২০ মে) উপজেলা পরিষদ হলরুমে ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ওই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় গ্রাম আদালত সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের অংশগ্রহণে সমন্বিত বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা। সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্নার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আবদুর রহমান সন্ন্যামত, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমিন ডলি, প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান টুলু, চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আলী জীবন প্রমুখ।
গ্রাম আদালত থেকে সুফলভোগী নারী হেলেনা বেগম (ছদ্মনাম) বলেন, 'আমার স্বামী ২০২৩ সালে গোপনে আরেকটি বিয়ে করে আমাকে ত্যাগ করে সেই বউ নিয়ে ঢাকায় বসবাস শুরু করে। এরপরে আমার আর কোনো ভরণপোষণ বা খোঁজ-খবর নেয়নি। ছোট দুটি সন্তান নিয়ে আমি অথৈ সাগরে হাবুডুবু খেতে থাকি। থানা বা আদালতে গিয়ে পুলিশ আর উকিল-মহুরি খরচ চালিয়ে মামলা করার মতো আর্থিক অবস্থা আমার ছিল না। শেষে এক সাংবাদিকের পরামর্শে আমি ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে গিয়ে মামলা দায়ের করি। সেখান থেকে আমি খরচ, দৌড়াদৌড়ি আর হয়রানি ছাড়াই স্বামীর কাছ থেকে আমার এবং বাচ্চাদের ভরণপোষণ আদায় করার রায় পাই। যা আমাকে নতুন করে বাঁচার পথ দেখায়।'
গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের বাবুগঞ্জ উপজেলা সমন্বয়কারী মোঃ পারভেজ মারুফ জানান, বিগত ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে অদ্যাবধি বাবুগঞ্জ উপজেলার ৬ ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে মোট ৫৮৮টি মামলা দায়ের হয়েছে। এরমধ্যে উচ্চ আদালত থেকে প্রেরিত মামলার সংখ্যা ৩২টি। মামলা নিষ্পত্তির হার ৯৮.৮০%। বিভিন্ন মামলা থেকে বাদীর অনুকূলে মোট ১ কোটি ১৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ৬০০ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করে দেওয়া হয়েছে। গ্রাম আদালতের রায় বাস্তবায়নের হার ৯৬.৩৫%। মামলার বাদীদের মধ্যে নারীর সংখ্যা ১৭৪ জন, যা মোট আবেদনকারীর ২৯.৬০%। এই চিত্রই প্রমাণ করে গ্রাম আদালতের বিচারের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ছে।
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, 'ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত কার্যক্রম আরো সক্রিয় এবং গতিশীল করা গেলে প্রায় বিনা খরচে ছোটখাটো অনেক মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব। এতে আদালতে মামলার জট কমবে এবং বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা দূর হবে। বিচারপ্রার্থীর অর্থ অপচয়, হয়রানি আর ভোগান্তি অনেক কমে যাবে।' #

২০ মে, ২০২৬ ২০:১১
শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. নাসিরের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে বরিশালের উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।
বুধবার (২০ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মীরা অংশ নেন। মানববন্ধনে হাসপাতাল চত্বরে প্রতিবাদী পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ মাইদুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন ডা. নাজমুস সাকিব ও ডা. নাজমুল হাসান।
বক্তারা বলেন, দেশের চিকিৎসকরা দিন-রাত নিরলসভাবে মানুষের চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু একটি কুচক্রী মহল তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চিকিৎসকদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও হেনস্তার মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটাচ্ছে। এতে চিকিৎসকদের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি হচ্ছে এবং চিকিৎসাসেবার স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তারা আরও বলেন, চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা মারাত্মক সংকটে পড়বে। তাই কর্মস্থলে চিকিৎসকদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত, হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান বক্তারা।
মানববন্ধন শেষে চিকিৎসকদের সুরক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখার দাবিতে সংহতি প্রকাশ করা হয়।
শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. নাসিরের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে বরিশালের উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।
বুধবার (২০ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মীরা অংশ নেন। মানববন্ধনে হাসপাতাল চত্বরে প্রতিবাদী পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ মাইদুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন ডা. নাজমুস সাকিব ও ডা. নাজমুল হাসান।
বক্তারা বলেন, দেশের চিকিৎসকরা দিন-রাত নিরলসভাবে মানুষের চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু একটি কুচক্রী মহল তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চিকিৎসকদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও হেনস্তার মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটাচ্ছে। এতে চিকিৎসকদের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি হচ্ছে এবং চিকিৎসাসেবার স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তারা আরও বলেন, চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা মারাত্মক সংকটে পড়বে। তাই কর্মস্থলে চিকিৎসকদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত, হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান বক্তারা।
মানববন্ধন শেষে চিকিৎসকদের সুরক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখার দাবিতে সংহতি প্রকাশ করা হয়।

২০ মে, ২০২৬ ১৯:৫১
শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে আগামী ৫ জুন রক্ত রোগ, হিমোফিলিয়া ও থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জন্য ১০ শয্যা বিশিষ্ট হেমাটোলজি ডে কেয়ার ইউনিট চালুর ঘোষণা দিলেন পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা: এ কে এম মশিউল মুনীর।
আজ বুধবার (২০ মে) বিশ্ব হিমোফিলিয়া ও থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এই ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, ‘এই ডে কেয়ার ইউনিটে হিমোফিলিয়া ও থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগীদের পাশাপাশি ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা প্রদান করা হবে।’
পরিচালক বলেন, ‘বর্তমানে হেমাটোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা: মোহাম্মদ আলীর ঐকান্তিক প্রচেস্টায় হেমাটোলজি বহির্বিভাগ ও হেমাটোলজি ল্যাবরেটরি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ডে কেয়ার সেন্টারটি চালু করা হলে রোগীরা এখান থেকে আরো সেবা পাবেন।’
বেলা ১২টায় হাসপাতালের মেডিসিন কনফারেন্স রুমে বিশ্ব হিমোফিলিয়া ও থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্যে হেমাটোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা: মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশে হিমোফিলিয়া রোগে আক্রান্ত তিন হাজার ৩০০ রোগীর মধ্যে বরিশালেই রয়েছে ৩৪৭ জন। এই রোগে আক্রান্ত রোগীদের জন্য হাসপাতালের হেমাটোলজি বিভাগ কার্যকর ভূমিকা রাখছে। চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি থেকে এই পর্যন্ত এই বিভাগ থেকে চিকিৎসা সেবা পেয়েছেন ১২০৬ জন রোগী। এছাড়া ৩১ এপ্রিল থেকে থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত ৪৪ রোগীকে সেবা প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশ ভ্রমণ
হাসপাতালের সহকারি পরিচালক ডা: আবদুল মুনয়েম সাদের সঞ্চালনায় মেডিসিন কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি ডা: কামরুদ্দোজা হাফিজউল্লাহ, শিশু সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা: তৈহিদুর রহমান, হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ আরিফ ও কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মাদ নাজিম উদ্দিন।
উপস্থিত ছিলেন, হাপসাতালের উপ-পরিচালক ডা: একেএম নজমূল আহসান, মিড লেভেল ডাক্তার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ডা: মো: ফয়সাল আহম্মেদ, সিনিয়র ক্লিনিক্যাল প্যাথলজিস্ট ডা: আশিক দত্ত, হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশ বরিশাল অঞ্চল আহ্বায়ক রাহাত কাজী, যুগ্ম আহ্বায়ক মহাসিন চৌধুরী, সদস্য সচিব শাহিন চৌধুরী, জাহিদুল ও তৈশিক সহ সন্ধানী, মেডিসিন ক্লাব ও যুব রেড ক্রিসেন্ট এর শিক্ষার্থীরা।
শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে আগামী ৫ জুন রক্ত রোগ, হিমোফিলিয়া ও থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জন্য ১০ শয্যা বিশিষ্ট হেমাটোলজি ডে কেয়ার ইউনিট চালুর ঘোষণা দিলেন পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা: এ কে এম মশিউল মুনীর।
আজ বুধবার (২০ মে) বিশ্ব হিমোফিলিয়া ও থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এই ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, ‘এই ডে কেয়ার ইউনিটে হিমোফিলিয়া ও থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগীদের পাশাপাশি ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা প্রদান করা হবে।’
পরিচালক বলেন, ‘বর্তমানে হেমাটোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা: মোহাম্মদ আলীর ঐকান্তিক প্রচেস্টায় হেমাটোলজি বহির্বিভাগ ও হেমাটোলজি ল্যাবরেটরি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ডে কেয়ার সেন্টারটি চালু করা হলে রোগীরা এখান থেকে আরো সেবা পাবেন।’
বেলা ১২টায় হাসপাতালের মেডিসিন কনফারেন্স রুমে বিশ্ব হিমোফিলিয়া ও থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্যে হেমাটোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা: মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশে হিমোফিলিয়া রোগে আক্রান্ত তিন হাজার ৩০০ রোগীর মধ্যে বরিশালেই রয়েছে ৩৪৭ জন। এই রোগে আক্রান্ত রোগীদের জন্য হাসপাতালের হেমাটোলজি বিভাগ কার্যকর ভূমিকা রাখছে। চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি থেকে এই পর্যন্ত এই বিভাগ থেকে চিকিৎসা সেবা পেয়েছেন ১২০৬ জন রোগী। এছাড়া ৩১ এপ্রিল থেকে থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত ৪৪ রোগীকে সেবা প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশ ভ্রমণ
হাসপাতালের সহকারি পরিচালক ডা: আবদুল মুনয়েম সাদের সঞ্চালনায় মেডিসিন কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি ডা: কামরুদ্দোজা হাফিজউল্লাহ, শিশু সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা: তৈহিদুর রহমান, হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ আরিফ ও কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মাদ নাজিম উদ্দিন।
উপস্থিত ছিলেন, হাপসাতালের উপ-পরিচালক ডা: একেএম নজমূল আহসান, মিড লেভেল ডাক্তার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ডা: মো: ফয়সাল আহম্মেদ, সিনিয়র ক্লিনিক্যাল প্যাথলজিস্ট ডা: আশিক দত্ত, হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশ বরিশাল অঞ্চল আহ্বায়ক রাহাত কাজী, যুগ্ম আহ্বায়ক মহাসিন চৌধুরী, সদস্য সচিব শাহিন চৌধুরী, জাহিদুল ও তৈশিক সহ সন্ধানী, মেডিসিন ক্লাব ও যুব রেড ক্রিসেন্ট এর শিক্ষার্থীরা।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.