
২০ মে, ২০২৬ ২০:৪৬
চট্টগ্রাম নগরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকের ধাক্কায় ছিটকে পড়ে আহত এক পুলিশ সদস্যের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। তার নাম আবদুল কুদ্দুস (৫৫)। তিনি নগর পুলিশের ট্রাফিক পশ্চিম বিভাগে কর্মরত ছিলেন। বুধবার (২০ মে) সকালে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ জানায়, গত শুক্রবার রাতে নগরের পাহাড়তলী থানার রাসমনি ঘাট এলাকায় একটি অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা আটক করেন আবদুল কুদ্দুস। এরপর তিনি সেটি চালকের সহায়তায় মনসুরাবাদের ডাম্পিং স্টেশনে নিয়ে যাচ্ছিলেন। অটোরিকশাটি নিয়ে যাওয়ার পথে চালক হঠাৎ পুলিশ সদস্য আবদুল কুদ্দুসকে ধাক্কা দিয়ে নিচে ফেলে দেন। তখন অটোরিকশা থেকে ছিটকে পড়ে সড়ক বিভাজকের সঙ্গে ধাক্কা লেগে আবদুল কুদ্দুস মাথায় গুরুতর আঘাত পান। তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয় লোকজন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকাল ১০টার দিকে মৃত্যু হয়।
নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী বলেন, ‘গত শুক্রবার অটোরিকশাচালকের ধাক্কায় মাথায় গুরুতর আঘাত পান পুলিশ সদস্য আবদুল কুদ্দুস।
আহত অবস্থায় তিনি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন। সেখানেই মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ সদস্যকে ধাক্কা দেওয়ার ঘটনায় ওই দিনই পাহাড়তলী থানায় একটি মামলা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় অটোরিকশাচালক আবদুল জলিলকে তখন গ্রেফতার করা হয়। তিনি বর্তমানে কারাগারে আছেন।’
চট্টগ্রাম নগরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকের ধাক্কায় ছিটকে পড়ে আহত এক পুলিশ সদস্যের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। তার নাম আবদুল কুদ্দুস (৫৫)। তিনি নগর পুলিশের ট্রাফিক পশ্চিম বিভাগে কর্মরত ছিলেন। বুধবার (২০ মে) সকালে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ জানায়, গত শুক্রবার রাতে নগরের পাহাড়তলী থানার রাসমনি ঘাট এলাকায় একটি অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা আটক করেন আবদুল কুদ্দুস। এরপর তিনি সেটি চালকের সহায়তায় মনসুরাবাদের ডাম্পিং স্টেশনে নিয়ে যাচ্ছিলেন। অটোরিকশাটি নিয়ে যাওয়ার পথে চালক হঠাৎ পুলিশ সদস্য আবদুল কুদ্দুসকে ধাক্কা দিয়ে নিচে ফেলে দেন। তখন অটোরিকশা থেকে ছিটকে পড়ে সড়ক বিভাজকের সঙ্গে ধাক্কা লেগে আবদুল কুদ্দুস মাথায় গুরুতর আঘাত পান। তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয় লোকজন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকাল ১০টার দিকে মৃত্যু হয়।
নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী বলেন, ‘গত শুক্রবার অটোরিকশাচালকের ধাক্কায় মাথায় গুরুতর আঘাত পান পুলিশ সদস্য আবদুল কুদ্দুস।
আহত অবস্থায় তিনি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন। সেখানেই মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ সদস্যকে ধাক্কা দেওয়ার ঘটনায় ওই দিনই পাহাড়তলী থানায় একটি মামলা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় অটোরিকশাচালক আবদুল জলিলকে তখন গ্রেফতার করা হয়। তিনি বর্তমানে কারাগারে আছেন।’

২০ মে, ২০২৬ ২০:০১
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার চুয়ামল্লিকপাড়া রেজওয়ানুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা পরীক্ষা কেন্দ্রে এসএসসি (দাখিল) পরীক্ষা চলাকালে হলের বাইরে থেকে খাতা লিখে দেওয়ার অভিযোগে তিন শিক্ষককে আটক করেছে র্যাব। একই ঘটনায় অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার অপরাধে এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বুধবার (২০ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চলমান দাখিল পরীক্ষার জীববিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষা চলাকালে এ জালিয়াতির ঘটনা ঘটে।
বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীর নাম মো. নাসিরুল্লাহ (১৬)। সে মহিষকুন্ডি মুসলিম নগর দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। জানা গেছে, নাসিরুল্লাহ ওই মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট মো. আব্দুল ওহাব বিশ্বাসের ছেলে। অন্যদিকে র্যাবের হাতে আটক তিন শিক্ষকও একই মাদ্রাসার কর্মরত শিক্ষক বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
আটককৃত শিক্ষকরা হলেন- মো. বজলুর রহমান (৪৮), মো. নুরুল ইসলাম (৪৫) ও মোছা. মাতোয়ারা খাতুন মায়া (৪০)। তবে তারা সংশ্লিষ্ট চুয়ামল্লিকপাড়া পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিদর্শক ছিলেন না বলে জানা গেছে।
র্যাব সূত্র জানায়, পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে অত্যন্ত গোপনে পরীক্ষার্থীর খাতা লিখে এনে হলের ভেতরে জমা দেওয়ার সময় র্যাবের একটি আভিযানিক দল তাদের হাতেনাতে আটক করে। প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, মোটা অঙ্কের অবৈধ অর্থের বিনিময়ে দীর্ঘদিন ধরেই একটি চক্র এ ধরনের অনিয়ম করে আসছিল। বুধবারও একই কৌশলে খাতা লিখে দেওয়ার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
এদিকে ঘটনার পর পরই আটক শিক্ষকদের ছাড়িয়ে নিতে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি তদবির ও চেষ্টা শুরু করেন। এ সময় পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে বহিরাগতদের উপস্থিতিতে এলাকায় সাময়িক উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
আটককৃত শিক্ষকরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দাবি করেছেন, তারা স্বেচ্ছায় এই কাজ করেননি। মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট মো. আব্দুল ওহাব বিশ্বাস তার ছেলের ভালো ফলাফলের জন্য তাদের এই অনৈতিক কাজ করতে বাধ্য করেছেন।
তবে এই অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্টের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরবর্তীতে তার বাড়িতে সরাসরি যোগাযোগ করা হলে তিনি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান।
ঘটনার খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে যান।
দৌলতপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শ্রী প্রদীপ কুমার দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, তদন্তে পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে থেকে খাতা লিখে এনে ভেতরে জমা দেওয়ার জালিয়াতির সত্যতা পাওয়া গেছে। র্যাবের হাতে তিন শিক্ষকের আটক হওয়ার বিষয়টিও প্রমাণিত হয়েছে। এসব তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীকে তাৎক্ষণিক বহিষ্কার করা হয়েছে। বর্তমানে আটককৃত শিক্ষকরা র্যাব হেফাজতে রয়েছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলার আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার চুয়ামল্লিকপাড়া রেজওয়ানুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা পরীক্ষা কেন্দ্রে এসএসসি (দাখিল) পরীক্ষা চলাকালে হলের বাইরে থেকে খাতা লিখে দেওয়ার অভিযোগে তিন শিক্ষককে আটক করেছে র্যাব। একই ঘটনায় অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার অপরাধে এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বুধবার (২০ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চলমান দাখিল পরীক্ষার জীববিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষা চলাকালে এ জালিয়াতির ঘটনা ঘটে।
বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীর নাম মো. নাসিরুল্লাহ (১৬)। সে মহিষকুন্ডি মুসলিম নগর দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। জানা গেছে, নাসিরুল্লাহ ওই মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট মো. আব্দুল ওহাব বিশ্বাসের ছেলে। অন্যদিকে র্যাবের হাতে আটক তিন শিক্ষকও একই মাদ্রাসার কর্মরত শিক্ষক বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
আটককৃত শিক্ষকরা হলেন- মো. বজলুর রহমান (৪৮), মো. নুরুল ইসলাম (৪৫) ও মোছা. মাতোয়ারা খাতুন মায়া (৪০)। তবে তারা সংশ্লিষ্ট চুয়ামল্লিকপাড়া পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিদর্শক ছিলেন না বলে জানা গেছে।
র্যাব সূত্র জানায়, পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে অত্যন্ত গোপনে পরীক্ষার্থীর খাতা লিখে এনে হলের ভেতরে জমা দেওয়ার সময় র্যাবের একটি আভিযানিক দল তাদের হাতেনাতে আটক করে। প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, মোটা অঙ্কের অবৈধ অর্থের বিনিময়ে দীর্ঘদিন ধরেই একটি চক্র এ ধরনের অনিয়ম করে আসছিল। বুধবারও একই কৌশলে খাতা লিখে দেওয়ার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
এদিকে ঘটনার পর পরই আটক শিক্ষকদের ছাড়িয়ে নিতে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি তদবির ও চেষ্টা শুরু করেন। এ সময় পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে বহিরাগতদের উপস্থিতিতে এলাকায় সাময়িক উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
আটককৃত শিক্ষকরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দাবি করেছেন, তারা স্বেচ্ছায় এই কাজ করেননি। মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট মো. আব্দুল ওহাব বিশ্বাস তার ছেলের ভালো ফলাফলের জন্য তাদের এই অনৈতিক কাজ করতে বাধ্য করেছেন।
তবে এই অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্টের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরবর্তীতে তার বাড়িতে সরাসরি যোগাযোগ করা হলে তিনি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান।
ঘটনার খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে যান।
দৌলতপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শ্রী প্রদীপ কুমার দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, তদন্তে পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে থেকে খাতা লিখে এনে ভেতরে জমা দেওয়ার জালিয়াতির সত্যতা পাওয়া গেছে। র্যাবের হাতে তিন শিক্ষকের আটক হওয়ার বিষয়টিও প্রমাণিত হয়েছে। এসব তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীকে তাৎক্ষণিক বহিষ্কার করা হয়েছে। বর্তমানে আটককৃত শিক্ষকরা র্যাব হেফাজতে রয়েছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলার আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

২০ মে, ২০২৬ ১৯:০১
চট্টগ্রাম নগরীর চাঁন্দগাঁওয়ে জ্বীন তাড়ানো, অলৌকিক আংটি ও লকেট দেওয়া এবং ব্যবসায়িক অংশীদার করার নামে এক নারীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠেছে।
বুধবার (২০ মে) চাঁদগাঁও থানায় এ ঘটনায় মামলা করেন ভুক্তভোগী ওই নারী। মামলায় মোট ৩২ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, মামলার বাদী তাজমিন আক্তার (৪৬) চান্দগাঁও থানার খাজা রোড এলাকার বাসিন্দা। অন্যদিকে অভিযুক্ত আসামি হলেন ফেরদৌস আলম নয়ন (৪৫)। তিনি কক্সবাজার জেলার রামু থানার কচ্ছপিয়া এলাকার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে চান্দগাঁও খাজা রোডের সিকদার ভবনের দ্বিতীয় তলায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছেন।
এজাহার অনুযায়ী, ২০২৪ সালের মার্চ থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত মধ্যবর্তী সময়ে বিভিন্ন সময়ে এই প্রতারণার ঘটনা ঘটে। তাজমিন আক্তারের ছেলে তাসিফুর রহমান (২৩) সাতকানিয়া এলাকায় একটি ফিড মিলের ব্যবসা পরিচালনা করেন। দীর্ঘদিনের শারীরিক অসুস্থতার কারণে এক ব্যক্তির মাধ্যমে ভুক্তভোগী তাজমিন আক্তার কবিরাজি চিকিৎসার জন্য ফেরদৌস আলমের বাসায় যান। সেখানে নয়ন নিজেকে একজন অভিজ্ঞ কবিরাজ হিসেবে পরিচয় দেন এবং তাজমিনের পরিবারকে বিভিন্ন কুসংস্কার ও অলৌকিক ভয়-ভীতি দেখাতে শুরু করেন।
একপর্যায়ে নয়ন তাজমিনের পরিবারকে জানান যে- তাদের ওপর বান মারা হয়েছে। এসবের হাত থেকে বাঁচতে হলে বিশেষ আংটি ও লকেট ব্যবহার করতে হবে। এসব অলৌকিক আংটি ও চিকিৎসার নামে ধাপে ধাপে বাদীর কাছ থেকে মোট ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন তিনি।
পরে তাজমিনকে মা ডেকে আবেগপ্রবণ করেন নয়ন। তার মাছ ধরার বোটে জলদস্যুদের হামলার নাটক সাজিয়ে জরুরি ভিত্তিতে টাকা ধার চান। জলদস্যুদের কবল থেকে বোট মুক্ত করার অজুহাতে তিনি তাজমিনের কাছ থেকে নগদ এবং স্বর্ণ বন্ধক রাখিয়ে আরও ১০ লাখ টাকা নেন। এরপর একইভাবে টেকনাফ হয়ে বার্মা থেকে বিশেষ মেডিসিন আনা এবং ছেলের চিকিৎসার অজুহাতে বিভিন্ন সময়ে ব্যাংক লেনদেন ও নগদ অর্থসহ মোট ৩২ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন।
টাকা ফেরতের জন্য চাপ দিলে গত ২৬ এপ্রিল তারিখে সন্ধ্যায় নয়ন টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং উল্টো তাজমিনকে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকিও দেন। এই ঘটনায় বুধবার চাঁন্দগাঁও থানায় মামলা করেন তাজমিন।
চাঁন্দগাঁও থানার ওসি মো. নূর হোসেন মামুন বলেন, ভুক্তভোগী নারীর লিখিত এজাহারের ভিত্তিতে আমরা মামলাটি দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪২০ ও ৫০৬ ধারায় রুজু করেছি।
চট্টগ্রাম নগরীর চাঁন্দগাঁওয়ে জ্বীন তাড়ানো, অলৌকিক আংটি ও লকেট দেওয়া এবং ব্যবসায়িক অংশীদার করার নামে এক নারীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠেছে।
বুধবার (২০ মে) চাঁদগাঁও থানায় এ ঘটনায় মামলা করেন ভুক্তভোগী ওই নারী। মামলায় মোট ৩২ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, মামলার বাদী তাজমিন আক্তার (৪৬) চান্দগাঁও থানার খাজা রোড এলাকার বাসিন্দা। অন্যদিকে অভিযুক্ত আসামি হলেন ফেরদৌস আলম নয়ন (৪৫)। তিনি কক্সবাজার জেলার রামু থানার কচ্ছপিয়া এলাকার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে চান্দগাঁও খাজা রোডের সিকদার ভবনের দ্বিতীয় তলায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছেন।
এজাহার অনুযায়ী, ২০২৪ সালের মার্চ থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত মধ্যবর্তী সময়ে বিভিন্ন সময়ে এই প্রতারণার ঘটনা ঘটে। তাজমিন আক্তারের ছেলে তাসিফুর রহমান (২৩) সাতকানিয়া এলাকায় একটি ফিড মিলের ব্যবসা পরিচালনা করেন। দীর্ঘদিনের শারীরিক অসুস্থতার কারণে এক ব্যক্তির মাধ্যমে ভুক্তভোগী তাজমিন আক্তার কবিরাজি চিকিৎসার জন্য ফেরদৌস আলমের বাসায় যান। সেখানে নয়ন নিজেকে একজন অভিজ্ঞ কবিরাজ হিসেবে পরিচয় দেন এবং তাজমিনের পরিবারকে বিভিন্ন কুসংস্কার ও অলৌকিক ভয়-ভীতি দেখাতে শুরু করেন।
একপর্যায়ে নয়ন তাজমিনের পরিবারকে জানান যে- তাদের ওপর বান মারা হয়েছে। এসবের হাত থেকে বাঁচতে হলে বিশেষ আংটি ও লকেট ব্যবহার করতে হবে। এসব অলৌকিক আংটি ও চিকিৎসার নামে ধাপে ধাপে বাদীর কাছ থেকে মোট ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন তিনি।
পরে তাজমিনকে মা ডেকে আবেগপ্রবণ করেন নয়ন। তার মাছ ধরার বোটে জলদস্যুদের হামলার নাটক সাজিয়ে জরুরি ভিত্তিতে টাকা ধার চান। জলদস্যুদের কবল থেকে বোট মুক্ত করার অজুহাতে তিনি তাজমিনের কাছ থেকে নগদ এবং স্বর্ণ বন্ধক রাখিয়ে আরও ১০ লাখ টাকা নেন। এরপর একইভাবে টেকনাফ হয়ে বার্মা থেকে বিশেষ মেডিসিন আনা এবং ছেলের চিকিৎসার অজুহাতে বিভিন্ন সময়ে ব্যাংক লেনদেন ও নগদ অর্থসহ মোট ৩২ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন।
টাকা ফেরতের জন্য চাপ দিলে গত ২৬ এপ্রিল তারিখে সন্ধ্যায় নয়ন টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং উল্টো তাজমিনকে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকিও দেন। এই ঘটনায় বুধবার চাঁন্দগাঁও থানায় মামলা করেন তাজমিন।
চাঁন্দগাঁও থানার ওসি মো. নূর হোসেন মামুন বলেন, ভুক্তভোগী নারীর লিখিত এজাহারের ভিত্তিতে আমরা মামলাটি দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪২০ ও ৫০৬ ধারায় রুজু করেছি।

২০ মে, ২০২৬ ১৫:৪৫
সুনামগঞ্জে বাস ও লেগুনার মুখোমুখি সংঘর্ষে লেগুনা চালকসহ দুজন নিহত হয়েছেন। তারা হলেন, শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কলস ইউনিয়নের লেগুনা চালক ইব্রাহিম মিয়া (২৫) এবং সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার নারায়নপুর গ্রামের জাহেদ মিয়া (১৮)।
বুধবার( ২০ মে) দুপুর ১টায় সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী আহসানমারা ব্রিজ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
এই ঘটনায় একই পরিবারের আরও পাঁচজন লেগুনা যাত্রী আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন, ছাতক উপজেলার সাদারাই গনিপুর গ্রামের আব্দুল জাহান (৪২) ও তার মেয়ে লুৎফা বেগম (৫), তৌরিজ মিয়া (৫৫) ও স্ত্রী কল্পনা বেগম (৪৫) এবং আব্দুল জাহার (৪২)।
প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুল জাহার জানান, সুনামগঞ্জ থেকে ছেড়ে যাওয়া লেগুনাযোগে সপরিবারে বাড়ি ফিরছিলেন তারা।
লেগুনাটি আহসানমারা ব্রিজের কাছাকাছি এলে ঢাকা থেকে আসা খাদিজা ভিআইপি নামক দূরপাল্লার বাস লেগুনার সামনে সজোরে ধাক্কা দেয়।
এসময় লেগুনার সামনে থাকা আব্দুল জাহার সড়কের পাশে ঝাপিয়ে পড়ে প্রাণে রক্ষা পান। তবে লেগুনার সামনে থাকা অন্য যাত্রী জাহেদ মিয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং লেগুনা চালক ইব্রাহিমকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সিলেট প্রেরণ করা হলে পথেই প্রাণ হারান।
শান্তিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ইকবাল হাসান ও সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি রতন সেখ দুইজনের মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
সুনামগঞ্জে বাস ও লেগুনার মুখোমুখি সংঘর্ষে লেগুনা চালকসহ দুজন নিহত হয়েছেন। তারা হলেন, শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কলস ইউনিয়নের লেগুনা চালক ইব্রাহিম মিয়া (২৫) এবং সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার নারায়নপুর গ্রামের জাহেদ মিয়া (১৮)।
বুধবার( ২০ মে) দুপুর ১টায় সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী আহসানমারা ব্রিজ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
এই ঘটনায় একই পরিবারের আরও পাঁচজন লেগুনা যাত্রী আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন, ছাতক উপজেলার সাদারাই গনিপুর গ্রামের আব্দুল জাহান (৪২) ও তার মেয়ে লুৎফা বেগম (৫), তৌরিজ মিয়া (৫৫) ও স্ত্রী কল্পনা বেগম (৪৫) এবং আব্দুল জাহার (৪২)।
প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুল জাহার জানান, সুনামগঞ্জ থেকে ছেড়ে যাওয়া লেগুনাযোগে সপরিবারে বাড়ি ফিরছিলেন তারা।
লেগুনাটি আহসানমারা ব্রিজের কাছাকাছি এলে ঢাকা থেকে আসা খাদিজা ভিআইপি নামক দূরপাল্লার বাস লেগুনার সামনে সজোরে ধাক্কা দেয়।
এসময় লেগুনার সামনে থাকা আব্দুল জাহার সড়কের পাশে ঝাপিয়ে পড়ে প্রাণে রক্ষা পান। তবে লেগুনার সামনে থাকা অন্য যাত্রী জাহেদ মিয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং লেগুনা চালক ইব্রাহিমকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সিলেট প্রেরণ করা হলে পথেই প্রাণ হারান।
শান্তিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ইকবাল হাসান ও সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি রতন সেখ দুইজনের মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.