
১৯ মে, ২০২৬ ২০:৩৬
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) সংলগ্ন ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক ও বরিশাল-ভোলা মহাসড়কে বেড়েছে ছাত্রদলের একাংশের দৌরাত্ম্য। গভীর রাতে মাছের পোনাবাহী গাড়ি আটকে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজি ও মারধরের ঘটনায় পরিবহন শ্রমিক ও মাছের পোনা ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় ছাত্রদলের কয়েকজন নেতার নাম ঘুরেফিরে সামনে আসছে।
অভিযোগ উঠেছে, ছাত্রদলের সদ্য ঘোষিত কমিটির শীর্ষ নেতারা এসব ঘটনায় জড়িত থাকায় দিনদিন মহাসড়কটিতে এ ঘটনা বেড়েই চলছে। অভিযোগ রয়েছে ছাত্রদলে সভাপতি মো. মেশারফ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসাইন শান্ত ও সাংগাঠনিক সম্পাদক মো. মিজানুর রহামানের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে মহাসড়কে এসব চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটছে নিয়মিত। চাঁদার টাকার ভাগ তাদের পকেটেও যায় বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে।
জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৯মে) ভোর ৫ টার দিকে পটুয়াখালী থেকে আসা চিংড়ির রেনুবাহী একটি গাড়ি বরিশাল জিরো পয়েন্ট থেকে ধাওয়া করে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ভোলা রোডে নিয়ে আটক করা হয়। গাড়ি আটকে বাসের হেল্পার ও ড্রাইভারকে মেরিন একাডেমির নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে মারধর করে ভয়ভীতি দেখিয়ে পোানার মালিককে কল দিয়ে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করা হয়। বিকাশে তিনটি নাম্বারে মোট ৯৫ হাজার টাকা এবং নগদ পাঁচহাজার টাকাসহ মোট ১লাখ টাকা দিয়ে গাড়ি উদ্ধার করেন। বিকাশের লেদনেদের একাধিক স্ক্রিনশট এই প্রতিবেদকের কাছে রয়েছে।
পরবর্তীতে, প্রথম গাড়িটি আটকের খবর পেয়ে চিংড়ি রেনু বহনকারি দ্বিতীয় কালো রঙের হায়েস মাইক্রোবাস বিশ্ববিদ্যালয়ের সংলগ্ন জিরোপয়েন্টে থামার সিংনাল দিলে চালক দ্রুত গাড়িটি নিয়ে রুপাতলির দিকে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ঘটনাস্থলে একটি মোটরসাইকেল ক্ষতিগ্রস্ত হয় ও একজন আহত হয়। পরে ঐ গাড়ির পিছু নেয় ববি ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। গাড়িটি রুপাতলী ট্রাফিক পুলিশ বক্সের কাছে পুলিশের টহল গাড়ির সামনে এসে দাঁড়ালে ববির ৭/৮ জন শিক্ষার্থী পুলিশের সামনেই মাইক্রোবাসের চালক ও হেলপারকে মারতে থাকে। এতে ড্রাইভার ও হেল্পার মারাত্মক আহত হন।এ সময় তারা মাইক্রোবাসটির গ্লাস ও অন্যান্য অংশে ভাঙচুর করে। আহত শিক্ষার্থী ববির ১০ ব্যাচের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলকর্মী মো: আরাফাত।
আজকের এই ঘটনায় প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা নড়েচড়ে বসেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য বরিশাল বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলামের কক্ষে সবাইকে ডেকে বিচার বসানো হয়। হাজির করা হয় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ শীর্ষ পাঁচ নেতাকে।
এর আগে গত ২৯ জানুয়ারি রাত ১১টার দিকে ভোলা-বরিশাল মহাসড়কের তালুকদার মার্কেট এলাকায় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মধ্যরাতে ভোলা-বরিশাল মহাসড়কে ইলিশ মাছের গাড়ি আটকে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি ও ড্রাইভারকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। চাঁদাবাজির হাত থেকে রেহায় পেতে ৯৯৯ এ কল দিয়ে পুলিশের কাছে সহায়তা চেয়েছে ট্রাক চালক।
মাছের গাড়ি আটকে মহাসড়কে চাঁদাবাজির ঘটনায় অভিযুক্তদের মধ্য রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির সহ-সভাপতি মিয়া বাবুল, সহ-সভাপতি মো. মিথুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. স্বজন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. ইমরান মাহমুদ, একাধিক নেতাকর্মী। অভিযুক্ত এসব নেতাকর্মীদেরকে একাধিকবার কল করলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।
আহত ছাত্রদলকর্মী মো. আরাফাত বলেন, 'আমি ফজরের নামাজ পড়ে ভোর পাঁচটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে ঘুরতে গিয়েছিলাম এমন সময় পিছন থেকে এসে একটি হাইসগাড়ি আমার মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয় এতে আমি পড়ে গিয়ে আহত হই এবং শেরে বাংলা মেডিকেলে চিকিৎসা নিয়েছি।
চাঁদাবাজির শিকার হওয়া প্রথম গাড়ি চিংড়ি রেনু মালিক মো. আফতাব হোসেন বলেন, "ওরা দুইটা নাম্বার থেকে ৯৫ হাজার টাকা বিকাশে নিয়েছে আর পাচ হাজার টাকা নগদ নিয়েছে এমনি বিকাশ খরচ পাচশত টাকা নিয়েছে , এবং ড্রাইভারের কাছে কিছু টাকা ছিলো সেই টাকাও ওরা নিয়েছে। ওদের দাবি ছিলো পাঁচ লাখ। ওরা আমাদের বলে এটা অবৈধ মাছ , টাকা দেওয়া লাগবে। আমি বলি এটা কোনো অবৈধ মাছ না। ওরা প্রায় ১৬/১৭ জন ছিলো।"
পোনা বহনকারী দ্বিতীয় মাইক্রোবাস চালক বলেন, 'ওরা প্রথম মাছের গাড়ি দাড় করিয়ে ইউনিভার্সিটিতে নিয়ে গেছে , এবং টাকা আদায় করেছে। প্রথম গাড়ি থেকে আমাদের ফোন দিয়ে বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে যেন গাড়ি না থামায়। তখন গাড়ি না থামিয়ে টান দেয়। তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে থেকে ৮/১০ টা মটর সাইকেল আমাদের ধাওয়া করে। সামনে পুলিশের গাড়ি দেখে গাড়ি থামালে আমাকে ওরা মারধর করে এবং গাড়ি ভাংচুর করেছে।'
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান বলেন, আজকে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীকে একটি মাইক্রোকার মেরে দেয়ায় সেটা নিয়ে মিমাংসার জন্য কোতোয়ালি মডেল থানায় গিয়েছিলাম ছাত্রদলে সভাপতি, সাধারণসম্পাদকসহ শীর্ষ পাঁচ নেতা। মহাসড়কে মাছের গাড়ি আটকে চাঁদাবাজির বিষয়টি তার জানা নেই বলে জানান। এবং বলেন আমাদের নাম ব্যবহার করে ছাত্রদলের কেউ যদি এমন চাঁদাবাজির সাথে যুক্ত থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, আমাদের অবস্থান একদম পরিষ্কার। দলের নাম ব্যবহার করে যদি কেউ অন্যায় অনিয়মের সাথে জড়িত থাকে এবং যদি প্রমাণিত হয় তাহলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নিবো। আমি ব্যক্তিগতভাবে এটার বিরুদ্ধে অবশ্যই পদক্ষেপ নিবো।
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ছেলেকে মোটরসাইকেলসহ মেরে দেয় একটি হায়েস মাইক্রোবাস পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ঐটা ধাওয়া করে। পরবর্তীতে মাইক্রোবাসচালক পুলিশের কাছে ৯৯৯ এ কল দিয়ে সাহায্য চাইলে পুলিশ তাদেরকে থানায় নিয়ে আসে। এবং যেহেতু এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ডাকা হয়েছিলো বিষয়টি মিমাংসা করে দেয়া হয়েছে। মাছের গাড়ি ছেড়ে দেয়া হয়েছে। গাড়ি আটক করে চাঁদাবাজির বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ওসি বলেন, এমন ঘটনা ঘটতেছে না বিষয়টি আমি বলবো না তবে এবিষয়টি যেহেতু বন্দরথানাধীন সংশ্লিষ্ট পুলিশ এটার বিষয়ে ব্যবস্থা নিবেন।'
বরিশাল টাইমস
ছবি- সংগৃহীত
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) সংলগ্ন ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক ও বরিশাল-ভোলা মহাসড়কে বেড়েছে ছাত্রদলের একাংশের দৌরাত্ম্য। গভীর রাতে মাছের পোনাবাহী গাড়ি আটকে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজি ও মারধরের ঘটনায় পরিবহন শ্রমিক ও মাছের পোনা ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় ছাত্রদলের কয়েকজন নেতার নাম ঘুরেফিরে সামনে আসছে।
অভিযোগ উঠেছে, ছাত্রদলের সদ্য ঘোষিত কমিটির শীর্ষ নেতারা এসব ঘটনায় জড়িত থাকায় দিনদিন মহাসড়কটিতে এ ঘটনা বেড়েই চলছে। অভিযোগ রয়েছে ছাত্রদলে সভাপতি মো. মেশারফ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসাইন শান্ত ও সাংগাঠনিক সম্পাদক মো. মিজানুর রহামানের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে মহাসড়কে এসব চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটছে নিয়মিত। চাঁদার টাকার ভাগ তাদের পকেটেও যায় বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে।
জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৯মে) ভোর ৫ টার দিকে পটুয়াখালী থেকে আসা চিংড়ির রেনুবাহী একটি গাড়ি বরিশাল জিরো পয়েন্ট থেকে ধাওয়া করে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ভোলা রোডে নিয়ে আটক করা হয়। গাড়ি আটকে বাসের হেল্পার ও ড্রাইভারকে মেরিন একাডেমির নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে মারধর করে ভয়ভীতি দেখিয়ে পোানার মালিককে কল দিয়ে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করা হয়। বিকাশে তিনটি নাম্বারে মোট ৯৫ হাজার টাকা এবং নগদ পাঁচহাজার টাকাসহ মোট ১লাখ টাকা দিয়ে গাড়ি উদ্ধার করেন। বিকাশের লেদনেদের একাধিক স্ক্রিনশট এই প্রতিবেদকের কাছে রয়েছে।
পরবর্তীতে, প্রথম গাড়িটি আটকের খবর পেয়ে চিংড়ি রেনু বহনকারি দ্বিতীয় কালো রঙের হায়েস মাইক্রোবাস বিশ্ববিদ্যালয়ের সংলগ্ন জিরোপয়েন্টে থামার সিংনাল দিলে চালক দ্রুত গাড়িটি নিয়ে রুপাতলির দিকে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ঘটনাস্থলে একটি মোটরসাইকেল ক্ষতিগ্রস্ত হয় ও একজন আহত হয়। পরে ঐ গাড়ির পিছু নেয় ববি ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। গাড়িটি রুপাতলী ট্রাফিক পুলিশ বক্সের কাছে পুলিশের টহল গাড়ির সামনে এসে দাঁড়ালে ববির ৭/৮ জন শিক্ষার্থী পুলিশের সামনেই মাইক্রোবাসের চালক ও হেলপারকে মারতে থাকে। এতে ড্রাইভার ও হেল্পার মারাত্মক আহত হন।এ সময় তারা মাইক্রোবাসটির গ্লাস ও অন্যান্য অংশে ভাঙচুর করে। আহত শিক্ষার্থী ববির ১০ ব্যাচের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলকর্মী মো: আরাফাত।
আজকের এই ঘটনায় প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা নড়েচড়ে বসেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য বরিশাল বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলামের কক্ষে সবাইকে ডেকে বিচার বসানো হয়। হাজির করা হয় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ শীর্ষ পাঁচ নেতাকে।
এর আগে গত ২৯ জানুয়ারি রাত ১১টার দিকে ভোলা-বরিশাল মহাসড়কের তালুকদার মার্কেট এলাকায় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মধ্যরাতে ভোলা-বরিশাল মহাসড়কে ইলিশ মাছের গাড়ি আটকে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি ও ড্রাইভারকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। চাঁদাবাজির হাত থেকে রেহায় পেতে ৯৯৯ এ কল দিয়ে পুলিশের কাছে সহায়তা চেয়েছে ট্রাক চালক।
মাছের গাড়ি আটকে মহাসড়কে চাঁদাবাজির ঘটনায় অভিযুক্তদের মধ্য রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির সহ-সভাপতি মিয়া বাবুল, সহ-সভাপতি মো. মিথুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. স্বজন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. ইমরান মাহমুদ, একাধিক নেতাকর্মী। অভিযুক্ত এসব নেতাকর্মীদেরকে একাধিকবার কল করলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।
আহত ছাত্রদলকর্মী মো. আরাফাত বলেন, 'আমি ফজরের নামাজ পড়ে ভোর পাঁচটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে ঘুরতে গিয়েছিলাম এমন সময় পিছন থেকে এসে একটি হাইসগাড়ি আমার মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয় এতে আমি পড়ে গিয়ে আহত হই এবং শেরে বাংলা মেডিকেলে চিকিৎসা নিয়েছি।
চাঁদাবাজির শিকার হওয়া প্রথম গাড়ি চিংড়ি রেনু মালিক মো. আফতাব হোসেন বলেন, "ওরা দুইটা নাম্বার থেকে ৯৫ হাজার টাকা বিকাশে নিয়েছে আর পাচ হাজার টাকা নগদ নিয়েছে এমনি বিকাশ খরচ পাচশত টাকা নিয়েছে , এবং ড্রাইভারের কাছে কিছু টাকা ছিলো সেই টাকাও ওরা নিয়েছে। ওদের দাবি ছিলো পাঁচ লাখ। ওরা আমাদের বলে এটা অবৈধ মাছ , টাকা দেওয়া লাগবে। আমি বলি এটা কোনো অবৈধ মাছ না। ওরা প্রায় ১৬/১৭ জন ছিলো।"
পোনা বহনকারী দ্বিতীয় মাইক্রোবাস চালক বলেন, 'ওরা প্রথম মাছের গাড়ি দাড় করিয়ে ইউনিভার্সিটিতে নিয়ে গেছে , এবং টাকা আদায় করেছে। প্রথম গাড়ি থেকে আমাদের ফোন দিয়ে বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে যেন গাড়ি না থামায়। তখন গাড়ি না থামিয়ে টান দেয়। তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে থেকে ৮/১০ টা মটর সাইকেল আমাদের ধাওয়া করে। সামনে পুলিশের গাড়ি দেখে গাড়ি থামালে আমাকে ওরা মারধর করে এবং গাড়ি ভাংচুর করেছে।'
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান বলেন, আজকে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীকে একটি মাইক্রোকার মেরে দেয়ায় সেটা নিয়ে মিমাংসার জন্য কোতোয়ালি মডেল থানায় গিয়েছিলাম ছাত্রদলে সভাপতি, সাধারণসম্পাদকসহ শীর্ষ পাঁচ নেতা। মহাসড়কে মাছের গাড়ি আটকে চাঁদাবাজির বিষয়টি তার জানা নেই বলে জানান। এবং বলেন আমাদের নাম ব্যবহার করে ছাত্রদলের কেউ যদি এমন চাঁদাবাজির সাথে যুক্ত থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, আমাদের অবস্থান একদম পরিষ্কার। দলের নাম ব্যবহার করে যদি কেউ অন্যায় অনিয়মের সাথে জড়িত থাকে এবং যদি প্রমাণিত হয় তাহলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নিবো। আমি ব্যক্তিগতভাবে এটার বিরুদ্ধে অবশ্যই পদক্ষেপ নিবো।
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ছেলেকে মোটরসাইকেলসহ মেরে দেয় একটি হায়েস মাইক্রোবাস পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ঐটা ধাওয়া করে। পরবর্তীতে মাইক্রোবাসচালক পুলিশের কাছে ৯৯৯ এ কল দিয়ে সাহায্য চাইলে পুলিশ তাদেরকে থানায় নিয়ে আসে। এবং যেহেতু এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ডাকা হয়েছিলো বিষয়টি মিমাংসা করে দেয়া হয়েছে। মাছের গাড়ি ছেড়ে দেয়া হয়েছে। গাড়ি আটক করে চাঁদাবাজির বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ওসি বলেন, এমন ঘটনা ঘটতেছে না বিষয়টি আমি বলবো না তবে এবিষয়টি যেহেতু বন্দরথানাধীন সংশ্লিষ্ট পুলিশ এটার বিষয়ে ব্যবস্থা নিবেন।'
বরিশাল টাইমস

২০ মে, ২০২৬ ২৩:১০
বরিশালের বাবুগঞ্জে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২০ মে) উপজেলা পরিষদ হলরুমে ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ওই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় গ্রাম আদালত সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের অংশগ্রহণে সমন্বিত বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা। সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্নার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আবদুর রহমান সন্ন্যামত, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমিন ডলি, প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান টুলু, চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আলী জীবন প্রমুখ।
গ্রাম আদালত থেকে সুফলভোগী নারী হেলেনা বেগম (ছদ্মনাম) বলেন, 'আমার স্বামী ২০২৩ সালে গোপনে আরেকটি বিয়ে করে আমাকে ত্যাগ করে সেই বউ নিয়ে ঢাকায় বসবাস শুরু করে। এরপরে আমার আর কোনো ভরণপোষণ বা খোঁজ-খবর নেয়নি। ছোট দুটি সন্তান নিয়ে আমি অথৈ সাগরে হাবুডুবু খেতে থাকি। থানা বা আদালতে গিয়ে পুলিশ আর উকিল-মহুরি খরচ চালিয়ে মামলা করার মতো আর্থিক অবস্থা আমার ছিল না। শেষে এক সাংবাদিকের পরামর্শে আমি ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে গিয়ে মামলা দায়ের করি। সেখান থেকে আমি খরচ, দৌড়াদৌড়ি আর হয়রানি ছাড়াই স্বামীর কাছ থেকে আমার এবং বাচ্চাদের ভরণপোষণ আদায় করার রায় পাই। যা আমাকে নতুন করে বাঁচার পথ দেখায়।'
গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের বাবুগঞ্জ উপজেলা সমন্বয়কারী মোঃ পারভেজ মারুফ জানান, বিগত ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে অদ্যাবধি বাবুগঞ্জ উপজেলার ৬ ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে মোট ৫৮৮টি মামলা দায়ের হয়েছে। এরমধ্যে উচ্চ আদালত থেকে প্রেরিত মামলার সংখ্যা ৩২টি। মামলা নিষ্পত্তির হার ৯৮.৮০%। বিভিন্ন মামলা থেকে বাদীর অনুকূলে মোট ১ কোটি ১৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ৬০০ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করে দেওয়া হয়েছে। গ্রাম আদালতের রায় বাস্তবায়নের হার ৯৬.৩৫%। মামলার বাদীদের মধ্যে নারীর সংখ্যা ১৭৪ জন, যা মোট আবেদনকারীর ২৯.৬০%। এই চিত্রই প্রমাণ করে গ্রাম আদালতের বিচারের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ছে।
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, 'ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত কার্যক্রম আরো সক্রিয় এবং গতিশীল করা গেলে প্রায় বিনা খরচে ছোটখাটো অনেক মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব। এতে আদালতে মামলার জট কমবে এবং বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা দূর হবে। বিচারপ্রার্থীর অর্থ অপচয়, হয়রানি আর ভোগান্তি অনেক কমে যাবে।' #
বরিশালের বাবুগঞ্জে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২০ মে) উপজেলা পরিষদ হলরুমে ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ওই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় গ্রাম আদালত সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের অংশগ্রহণে সমন্বিত বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা। সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্নার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আবদুর রহমান সন্ন্যামত, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমিন ডলি, প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান টুলু, চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আলী জীবন প্রমুখ।
গ্রাম আদালত থেকে সুফলভোগী নারী হেলেনা বেগম (ছদ্মনাম) বলেন, 'আমার স্বামী ২০২৩ সালে গোপনে আরেকটি বিয়ে করে আমাকে ত্যাগ করে সেই বউ নিয়ে ঢাকায় বসবাস শুরু করে। এরপরে আমার আর কোনো ভরণপোষণ বা খোঁজ-খবর নেয়নি। ছোট দুটি সন্তান নিয়ে আমি অথৈ সাগরে হাবুডুবু খেতে থাকি। থানা বা আদালতে গিয়ে পুলিশ আর উকিল-মহুরি খরচ চালিয়ে মামলা করার মতো আর্থিক অবস্থা আমার ছিল না। শেষে এক সাংবাদিকের পরামর্শে আমি ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে গিয়ে মামলা দায়ের করি। সেখান থেকে আমি খরচ, দৌড়াদৌড়ি আর হয়রানি ছাড়াই স্বামীর কাছ থেকে আমার এবং বাচ্চাদের ভরণপোষণ আদায় করার রায় পাই। যা আমাকে নতুন করে বাঁচার পথ দেখায়।'
গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের বাবুগঞ্জ উপজেলা সমন্বয়কারী মোঃ পারভেজ মারুফ জানান, বিগত ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে অদ্যাবধি বাবুগঞ্জ উপজেলার ৬ ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে মোট ৫৮৮টি মামলা দায়ের হয়েছে। এরমধ্যে উচ্চ আদালত থেকে প্রেরিত মামলার সংখ্যা ৩২টি। মামলা নিষ্পত্তির হার ৯৮.৮০%। বিভিন্ন মামলা থেকে বাদীর অনুকূলে মোট ১ কোটি ১৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ৬০০ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করে দেওয়া হয়েছে। গ্রাম আদালতের রায় বাস্তবায়নের হার ৯৬.৩৫%। মামলার বাদীদের মধ্যে নারীর সংখ্যা ১৭৪ জন, যা মোট আবেদনকারীর ২৯.৬০%। এই চিত্রই প্রমাণ করে গ্রাম আদালতের বিচারের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ছে।
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, 'ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত কার্যক্রম আরো সক্রিয় এবং গতিশীল করা গেলে প্রায় বিনা খরচে ছোটখাটো অনেক মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব। এতে আদালতে মামলার জট কমবে এবং বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা দূর হবে। বিচারপ্রার্থীর অর্থ অপচয়, হয়রানি আর ভোগান্তি অনেক কমে যাবে।' #

২০ মে, ২০২৬ ২০:১১
শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. নাসিরের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে বরিশালের উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।
বুধবার (২০ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মীরা অংশ নেন। মানববন্ধনে হাসপাতাল চত্বরে প্রতিবাদী পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ মাইদুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন ডা. নাজমুস সাকিব ও ডা. নাজমুল হাসান।
বক্তারা বলেন, দেশের চিকিৎসকরা দিন-রাত নিরলসভাবে মানুষের চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু একটি কুচক্রী মহল তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চিকিৎসকদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও হেনস্তার মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটাচ্ছে। এতে চিকিৎসকদের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি হচ্ছে এবং চিকিৎসাসেবার স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তারা আরও বলেন, চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা মারাত্মক সংকটে পড়বে। তাই কর্মস্থলে চিকিৎসকদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত, হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান বক্তারা।
মানববন্ধন শেষে চিকিৎসকদের সুরক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখার দাবিতে সংহতি প্রকাশ করা হয়।
শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. নাসিরের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে বরিশালের উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।
বুধবার (২০ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মীরা অংশ নেন। মানববন্ধনে হাসপাতাল চত্বরে প্রতিবাদী পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ মাইদুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন ডা. নাজমুস সাকিব ও ডা. নাজমুল হাসান।
বক্তারা বলেন, দেশের চিকিৎসকরা দিন-রাত নিরলসভাবে মানুষের চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু একটি কুচক্রী মহল তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চিকিৎসকদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও হেনস্তার মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটাচ্ছে। এতে চিকিৎসকদের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি হচ্ছে এবং চিকিৎসাসেবার স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তারা আরও বলেন, চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা মারাত্মক সংকটে পড়বে। তাই কর্মস্থলে চিকিৎসকদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত, হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান বক্তারা।
মানববন্ধন শেষে চিকিৎসকদের সুরক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখার দাবিতে সংহতি প্রকাশ করা হয়।

২০ মে, ২০২৬ ১৯:৫১
শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে আগামী ৫ জুন রক্ত রোগ, হিমোফিলিয়া ও থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জন্য ১০ শয্যা বিশিষ্ট হেমাটোলজি ডে কেয়ার ইউনিট চালুর ঘোষণা দিলেন পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা: এ কে এম মশিউল মুনীর।
আজ বুধবার (২০ মে) বিশ্ব হিমোফিলিয়া ও থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এই ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, ‘এই ডে কেয়ার ইউনিটে হিমোফিলিয়া ও থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগীদের পাশাপাশি ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা প্রদান করা হবে।’
পরিচালক বলেন, ‘বর্তমানে হেমাটোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা: মোহাম্মদ আলীর ঐকান্তিক প্রচেস্টায় হেমাটোলজি বহির্বিভাগ ও হেমাটোলজি ল্যাবরেটরি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ডে কেয়ার সেন্টারটি চালু করা হলে রোগীরা এখান থেকে আরো সেবা পাবেন।’
বেলা ১২টায় হাসপাতালের মেডিসিন কনফারেন্স রুমে বিশ্ব হিমোফিলিয়া ও থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্যে হেমাটোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা: মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশে হিমোফিলিয়া রোগে আক্রান্ত তিন হাজার ৩০০ রোগীর মধ্যে বরিশালেই রয়েছে ৩৪৭ জন। এই রোগে আক্রান্ত রোগীদের জন্য হাসপাতালের হেমাটোলজি বিভাগ কার্যকর ভূমিকা রাখছে। চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি থেকে এই পর্যন্ত এই বিভাগ থেকে চিকিৎসা সেবা পেয়েছেন ১২০৬ জন রোগী। এছাড়া ৩১ এপ্রিল থেকে থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত ৪৪ রোগীকে সেবা প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশ ভ্রমণ
হাসপাতালের সহকারি পরিচালক ডা: আবদুল মুনয়েম সাদের সঞ্চালনায় মেডিসিন কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি ডা: কামরুদ্দোজা হাফিজউল্লাহ, শিশু সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা: তৈহিদুর রহমান, হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ আরিফ ও কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মাদ নাজিম উদ্দিন।
উপস্থিত ছিলেন, হাপসাতালের উপ-পরিচালক ডা: একেএম নজমূল আহসান, মিড লেভেল ডাক্তার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ডা: মো: ফয়সাল আহম্মেদ, সিনিয়র ক্লিনিক্যাল প্যাথলজিস্ট ডা: আশিক দত্ত, হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশ বরিশাল অঞ্চল আহ্বায়ক রাহাত কাজী, যুগ্ম আহ্বায়ক মহাসিন চৌধুরী, সদস্য সচিব শাহিন চৌধুরী, জাহিদুল ও তৈশিক সহ সন্ধানী, মেডিসিন ক্লাব ও যুব রেড ক্রিসেন্ট এর শিক্ষার্থীরা।
শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে আগামী ৫ জুন রক্ত রোগ, হিমোফিলিয়া ও থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জন্য ১০ শয্যা বিশিষ্ট হেমাটোলজি ডে কেয়ার ইউনিট চালুর ঘোষণা দিলেন পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা: এ কে এম মশিউল মুনীর।
আজ বুধবার (২০ মে) বিশ্ব হিমোফিলিয়া ও থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এই ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, ‘এই ডে কেয়ার ইউনিটে হিমোফিলিয়া ও থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগীদের পাশাপাশি ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা প্রদান করা হবে।’
পরিচালক বলেন, ‘বর্তমানে হেমাটোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা: মোহাম্মদ আলীর ঐকান্তিক প্রচেস্টায় হেমাটোলজি বহির্বিভাগ ও হেমাটোলজি ল্যাবরেটরি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ডে কেয়ার সেন্টারটি চালু করা হলে রোগীরা এখান থেকে আরো সেবা পাবেন।’
বেলা ১২টায় হাসপাতালের মেডিসিন কনফারেন্স রুমে বিশ্ব হিমোফিলিয়া ও থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্যে হেমাটোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা: মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশে হিমোফিলিয়া রোগে আক্রান্ত তিন হাজার ৩০০ রোগীর মধ্যে বরিশালেই রয়েছে ৩৪৭ জন। এই রোগে আক্রান্ত রোগীদের জন্য হাসপাতালের হেমাটোলজি বিভাগ কার্যকর ভূমিকা রাখছে। চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি থেকে এই পর্যন্ত এই বিভাগ থেকে চিকিৎসা সেবা পেয়েছেন ১২০৬ জন রোগী। এছাড়া ৩১ এপ্রিল থেকে থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত ৪৪ রোগীকে সেবা প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশ ভ্রমণ
হাসপাতালের সহকারি পরিচালক ডা: আবদুল মুনয়েম সাদের সঞ্চালনায় মেডিসিন কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি ডা: কামরুদ্দোজা হাফিজউল্লাহ, শিশু সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা: তৈহিদুর রহমান, হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ আরিফ ও কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মাদ নাজিম উদ্দিন।
উপস্থিত ছিলেন, হাপসাতালের উপ-পরিচালক ডা: একেএম নজমূল আহসান, মিড লেভেল ডাক্তার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ডা: মো: ফয়সাল আহম্মেদ, সিনিয়র ক্লিনিক্যাল প্যাথলজিস্ট ডা: আশিক দত্ত, হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশ বরিশাল অঞ্চল আহ্বায়ক রাহাত কাজী, যুগ্ম আহ্বায়ক মহাসিন চৌধুরী, সদস্য সচিব শাহিন চৌধুরী, জাহিদুল ও তৈশিক সহ সন্ধানী, মেডিসিন ক্লাব ও যুব রেড ক্রিসেন্ট এর শিক্ষার্থীরা।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.