
১২ জুন, ২০২৫ ১৫:৫৭
বাইরের পৃথিবীতে ঈদের আনন্দ যতটাই রঙিন, তারই ছোঁয়া ছিল যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের চার দেয়ালের ভেতরও। ঈদের নামাজ, বিশেষ খাবার এবং সীমিত বিনোদনের মধ্য দিয়ে ঈদের দিনটি উদযাপন করেছেন কারাগারের ১ হাজার ২৫৫ জন বন্দি।
এদের মধ্যে নারী বন্দি রয়েছেন ৫৫ জন। ঈদে তাদেরকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান যশোরে কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেলসুপার নুরশেদ আহমেদ ভূইয়া। কারাগার সূত্র জানায়, শনিবার (১০ জুন) সকাল থেকেই বন্দিদের জন্য শুরু হয় ঈদের আয়োজন।
সব বন্দিই এতে অংশ নেন সমানভাবে খাবার ও আচরণে ছিল না কোনো শ্রেণিভিত্তিক বিভাজন। বন্দি অবস্থায় ঈদ উদযাপন করেছেন যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, যশোরের বিভিন্ন উপজেলা পর্যায়ের আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানরাও। কেউ কেউ ‘ভিআইপি’ সুবিধা প্রত্যাশা করলেও কারা কর্তৃপক্ষ তা মেনে নেয়নি।
কারা সূত্রে জানা যায়, বন্দিদের অনেক স্বজন বাড়িতে রান্না করা খাবার কারাগারে নিয়ে আসেন। সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নির্ধারিত বন্দিদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। এছাড়াও এদিন বন্দিদের স্বজনদের সাথে দেখার ব্যবস্থা কারে কর্তৃপক্ষ।
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার শরিফুল আলম জানান, বন্দিরা নিজেরা ঈদের আগের রাতেই কারাগারের ভেতরে রঙিন কাগজ দিয়ে নামাজের জায়গা সাজিয়ে নেন। এটি ছিল সম্পূর্ণ তাদের স্বতঃস্ফূর্ত উদ্যোগ।
ঈদের দিন সকাল সাড়ে ৮টায় কারাগারে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে মিষ্টিমুখ ও ফুলের শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয়। সকালবেলায় বন্দিদের দেওয়া হয় ফিরনি ও মুড়ি। দুপুরের খাবারে পরিবেশন করা হয় পোলাও, গরু ও খাসির মাংস, সালাদ, মিষ্টি এবং পান-সুপারি। আর রাতের মেন্যুতে ছিল সাদা ভাত, রুই মাছ ও আলুর দম। জেলার বলেন, চেষ্টা করেছি বন্দিরা যেন ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হন।
আমরা আন্তরিকভাবে আপ্যায়ন করেছি, এতে বন্দিরা সন্তুষ্ট হয়েছেন। উল্লেখ্য, যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে বর্তমানে বন্দির সংখ্যা এক হাজার ২৫৫ জন। এর মধ্যে এক হাজার ২০০ জন পুরুষ এবং ৫৫ জন নারী বন্দি।
জেলা আওয়ামলীগ সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক শেখ আতিকুর রহমান বাবু ছাড়াও কারাগারে ঈদ কাটিয়েছেন নরেন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাজু আহম্মেদ, চৌগাছা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ফুলসারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেহেদী মাসুদ চৌধুরী, বাঘারপাড়ার রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুনজুর রশিদ স্বপন, মনিরামপুরের রোহিতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন প্রমুখ।
বাইরের পৃথিবীতে ঈদের আনন্দ যতটাই রঙিন, তারই ছোঁয়া ছিল যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের চার দেয়ালের ভেতরও। ঈদের নামাজ, বিশেষ খাবার এবং সীমিত বিনোদনের মধ্য দিয়ে ঈদের দিনটি উদযাপন করেছেন কারাগারের ১ হাজার ২৫৫ জন বন্দি।
এদের মধ্যে নারী বন্দি রয়েছেন ৫৫ জন। ঈদে তাদেরকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান যশোরে কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেলসুপার নুরশেদ আহমেদ ভূইয়া। কারাগার সূত্র জানায়, শনিবার (১০ জুন) সকাল থেকেই বন্দিদের জন্য শুরু হয় ঈদের আয়োজন।
সব বন্দিই এতে অংশ নেন সমানভাবে খাবার ও আচরণে ছিল না কোনো শ্রেণিভিত্তিক বিভাজন। বন্দি অবস্থায় ঈদ উদযাপন করেছেন যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, যশোরের বিভিন্ন উপজেলা পর্যায়ের আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানরাও। কেউ কেউ ‘ভিআইপি’ সুবিধা প্রত্যাশা করলেও কারা কর্তৃপক্ষ তা মেনে নেয়নি।
কারা সূত্রে জানা যায়, বন্দিদের অনেক স্বজন বাড়িতে রান্না করা খাবার কারাগারে নিয়ে আসেন। সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নির্ধারিত বন্দিদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। এছাড়াও এদিন বন্দিদের স্বজনদের সাথে দেখার ব্যবস্থা কারে কর্তৃপক্ষ।
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার শরিফুল আলম জানান, বন্দিরা নিজেরা ঈদের আগের রাতেই কারাগারের ভেতরে রঙিন কাগজ দিয়ে নামাজের জায়গা সাজিয়ে নেন। এটি ছিল সম্পূর্ণ তাদের স্বতঃস্ফূর্ত উদ্যোগ।
ঈদের দিন সকাল সাড়ে ৮টায় কারাগারে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে মিষ্টিমুখ ও ফুলের শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয়। সকালবেলায় বন্দিদের দেওয়া হয় ফিরনি ও মুড়ি। দুপুরের খাবারে পরিবেশন করা হয় পোলাও, গরু ও খাসির মাংস, সালাদ, মিষ্টি এবং পান-সুপারি। আর রাতের মেন্যুতে ছিল সাদা ভাত, রুই মাছ ও আলুর দম। জেলার বলেন, চেষ্টা করেছি বন্দিরা যেন ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হন।
আমরা আন্তরিকভাবে আপ্যায়ন করেছি, এতে বন্দিরা সন্তুষ্ট হয়েছেন। উল্লেখ্য, যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে বর্তমানে বন্দির সংখ্যা এক হাজার ২৫৫ জন। এর মধ্যে এক হাজার ২০০ জন পুরুষ এবং ৫৫ জন নারী বন্দি।
জেলা আওয়ামলীগ সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক শেখ আতিকুর রহমান বাবু ছাড়াও কারাগারে ঈদ কাটিয়েছেন নরেন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাজু আহম্মেদ, চৌগাছা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ফুলসারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেহেদী মাসুদ চৌধুরী, বাঘারপাড়ার রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুনজুর রশিদ স্বপন, মনিরামপুরের রোহিতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন প্রমুখ।

২৬ মার্চ, ২০২৬ ২৩:০৩
কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় প্রাইভেটকারে থাকা একই পরিবারের চারজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া মিয়ামি হোটেলের সামনে স্টারলাইন পরিবহণের ধাক্কায় প্রাইভেটকারটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকার চালক জামাল হোসেন (৫২) নিহত হন।
মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুসহ ৪ প্রাইভেটকার আরোহীকে ক্যান্টনমেন্ট জেনারেল হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। পরে একে একে চারজনের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন- আব্দুল মুমিন (৪৮) ঝর্না আক্তার (৪২), লাবিবা আক্তার (১৪), আরশাদ (১০)। নিহতরা নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী এলাকার বাসিন্দা।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার ওসি আব্দুল মুমিন বলেন, স্টার লাইন পরিবহণের সঙ্গে প্রাইভেটকারের সংঘর্ষ হয়। এতে একই পরিবারের চারজন নিহত হয়। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং দুর্ঘটনা-কবলিত প্রাইভেটকারটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় প্রাইভেটকারে থাকা একই পরিবারের চারজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া মিয়ামি হোটেলের সামনে স্টারলাইন পরিবহণের ধাক্কায় প্রাইভেটকারটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকার চালক জামাল হোসেন (৫২) নিহত হন।
মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুসহ ৪ প্রাইভেটকার আরোহীকে ক্যান্টনমেন্ট জেনারেল হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। পরে একে একে চারজনের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন- আব্দুল মুমিন (৪৮) ঝর্না আক্তার (৪২), লাবিবা আক্তার (১৪), আরশাদ (১০)। নিহতরা নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী এলাকার বাসিন্দা।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার ওসি আব্দুল মুমিন বলেন, স্টার লাইন পরিবহণের সঙ্গে প্রাইভেটকারের সংঘর্ষ হয়। এতে একই পরিবারের চারজন নিহত হয়। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং দুর্ঘটনা-কবলিত প্রাইভেটকারটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

২৬ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৪৪
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার শিবপুর এলাকায় দুষ্কৃতিকারীদের গুলিতে হামজা মুন্সী (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি রুহুল আমিন মুন্সীর ছেলে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে উপজেলার শিবপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, একদল দুষ্কৃতিকারী বাড়িতে ঢুকে হামজা মুন্সীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহতের চাচা বাচ্চু মুন্সী জানান, গুলির শব্দ শুনে বাইরে বের হয়ে তিনি দেখতে পান, প্রায় ৬ জন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছে। হামজা মুন্সী খুলনায় বসবাস করতেন এবং খুলনার কিছু ব্যক্তি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।
নিহতের পিতা রুহুল আমিন মুন্সী বলেন, ১০ থেকে ১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল হঠাৎ করে আমাদের বাড়িতে ঢুকে আমার ছেলেকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই আমার ছেলে মারা যায়। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু করেছে।
বরিশাল টাইমস
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার শিবপুর এলাকায় দুষ্কৃতিকারীদের গুলিতে হামজা মুন্সী (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি রুহুল আমিন মুন্সীর ছেলে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে উপজেলার শিবপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, একদল দুষ্কৃতিকারী বাড়িতে ঢুকে হামজা মুন্সীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহতের চাচা বাচ্চু মুন্সী জানান, গুলির শব্দ শুনে বাইরে বের হয়ে তিনি দেখতে পান, প্রায় ৬ জন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছে। হামজা মুন্সী খুলনায় বসবাস করতেন এবং খুলনার কিছু ব্যক্তি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।
নিহতের পিতা রুহুল আমিন মুন্সী বলেন, ১০ থেকে ১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল হঠাৎ করে আমাদের বাড়িতে ঢুকে আমার ছেলেকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই আমার ছেলে মারা যায়। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু করেছে।
বরিশাল টাইমস

২৬ মার্চ, ২০২৬ ১১:৫২
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এবং জীবিত উদ্ধার হয়েছেন ৮ জন। এখনও আনুমানিক ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের উদ্ধারে কাজ করছেন ফায়ার সার্ভিস ও নৌবাহিনীর ডুবুরি দল। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বুধবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। প্রায় ৬০ ফুট গভীরে বাসটি ডুবে যায়। দীর্ঘ সময় অভিযান চালিয়ে রাত ১২টা ৩৮ মিনিটে বাসটি উদ্ধার করা হয়। বাসটিতে আনুমানিক ৪০ জন যাত্রী ছিলেন।
ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, উদ্ধারকারী দল ও স্থানীয়দের সহায়তায় ৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে ৩ জন পুরুষ ও ৫ জন নারী। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক দুই নারীকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাসের ভেতর থেকে ২২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ১১ জন নারী এবং ৫ জন শিশু (৪ জন ছেলে ও ১ জন মেয়ে) রয়েছে।
সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ জনে। এর মধ্যে ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার করেছে ২২ জন, স্থানীয়দের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া ২ জনকে হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয় এবং নৌবাহিনীর ডুবুরিরা উদ্ধার করেন ১ জন। আনুমানিক এখনও ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে চেষ্টা চলছে।
উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট ও ১০ জন ডুবুরি অংশ নেন। এছাড়া সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিআইডব্লিউটিএ, কোস্টগার্ড ও স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরাও যৌথভাবে উদ্ধার কাজে অংশগ্রহণ করেন।
ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এবং জীবিত উদ্ধার হয়েছেন ৮ জন। এখনও আনুমানিক ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের উদ্ধারে কাজ করছেন ফায়ার সার্ভিস ও নৌবাহিনীর ডুবুরি দল। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বুধবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। প্রায় ৬০ ফুট গভীরে বাসটি ডুবে যায়। দীর্ঘ সময় অভিযান চালিয়ে রাত ১২টা ৩৮ মিনিটে বাসটি উদ্ধার করা হয়। বাসটিতে আনুমানিক ৪০ জন যাত্রী ছিলেন।
ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, উদ্ধারকারী দল ও স্থানীয়দের সহায়তায় ৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে ৩ জন পুরুষ ও ৫ জন নারী। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক দুই নারীকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাসের ভেতর থেকে ২২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ১১ জন নারী এবং ৫ জন শিশু (৪ জন ছেলে ও ১ জন মেয়ে) রয়েছে।
সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ জনে। এর মধ্যে ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার করেছে ২২ জন, স্থানীয়দের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া ২ জনকে হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয় এবং নৌবাহিনীর ডুবুরিরা উদ্ধার করেন ১ জন। আনুমানিক এখনও ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে চেষ্টা চলছে।
উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট ও ১০ জন ডুবুরি অংশ নেন। এছাড়া সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিআইডব্লিউটিএ, কোস্টগার্ড ও স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরাও যৌথভাবে উদ্ধার কাজে অংশগ্রহণ করেন।
ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.