
২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৬:১৭
দেশের শীর্ষস্থানীয় দৈনিক প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও সংগঠিত সন্ত্রাসী হামলা, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট এবং দ্য ডেইলি নিউ এজের সম্পাদক নূরুল কবিরকে হেনস্তা ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ঘটনার প্রতিবাদে পটুয়াখালীর বাউফলে মানবন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাউফল প্রেসক্লাবের আয়োজনে সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বেলা ১১ টার দিকে বাউফল প্রেসক্লাবের বীর উত্তম সামসুল আলম তালুকদার ভবনের সামনের সড়কে এক ঘন্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নেয়।
বাউফল প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. জলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তৃতা করেন বাউফল প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সাবেক সভাপতি অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম, বাউফল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ভোরের কাগজের অতুল চন্দ্র পাল, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মানবকণ্ঠের মো. জসিম উদ্দিন, সমকালের জিতেন্দ্র নাথ রায়, ইত্তেফাকের কৃষ্ণ কান্ত কর্মকার,সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাইটিভির অহিদুজ্জামান ডিউক,ইনকিলাবের নূরুল ইসলাম ছিদ্দিকী মাসুম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মো. অলিয়ার রহমান, সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) বাউফল উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ফারুক তালুকদার মহিলা ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক অহিদুজ্জামান সুপন, বাউফল পৌরসভা বস্ত্র সমিতির সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সদস্য তরিকুল ইসলাম মোস্তফা, জুয়েলারি সমিতির বাউফল পৌরসভা শাখার সাধারণ সম্পাদক পলাশ কুমার দাস প্রমুখ। জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম বলেন,‘সাংবাদ মাধ্যম হল আলো। আলো কখনো পোড়ে না, পোড়ানো যায় না। আগুনে আলো আলোকিত হয় বহুগুনে। প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার সেই আলো,আগুনের আলো হয়ে ফিরেছে সবার মাঝে আলো ছড়িয়ে দিতে। অতুল চন্দ্র পাল বলেন,‘ সংবাদপত্রের কারণে যে কোনো সরকার স্বৈরাচার হতে ভয় পায়। গণতন্ত্র টিকে থাকে সংবাদপত্রের কারণে। সেখানে শীর্ষ সংবাদপত্র প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের ওপর আক্রমন স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর হুমকিস্বরূপ। এভাবে চলতে পারে না, চলতে দেওয়া যাবে না।’
সুজনের সহ-সভাপতি অহিদুজ্জামান সুপন বলেন,হামলা ও অগ্নিসংযোগ করে গণমাধ্যমের কণ্ঠ রোধ করা যাবে না। পতিত আওয়ামী লীগ সরকার প্রথম আলোকে সরকারি দপ্তরে নিষিদ্ধ করেছিল। সংসদে পতিত সরকারের প্রধান শেখ হাসিনা বলেছিলেন,প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার আওয়ামী লীগের শত্রু, গণতন্ত্রের শত্রু দেশের শত্রু। সেই দুটি পত্রিকার ভবনে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও আগুন দেওয়া খুবই দুঃখ ও ন্যক্কারজনক।
ব্যবসায়ী পলাশ কুমার দাস বলেন,‘ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছিল। অথচ একটি উগ্রগোষ্ঠী দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে মব সৃষ্টি করে এ ধরনের হামলা করে যাচ্ছে।
অহিদুজ্জামান ডিউক বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রথম আলো ও কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউয়ে দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা চালায়। ঢাকার কার্যালয় ছাড়াও দেশের বিভিন্ন বিভিন্ন এলাকায় প্রথম আলো কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর করা হয়েছে। এ ঘটনার দৃষ্ঠান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘ওই রাতে হামলা, লুটপাট ও অগুন দেওয়ার প্রতিবাদ করতে গিয়ে দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ের সামনে নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর যেভাবে হেনস্তা ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে তা সাংবাদিকদের জন্য এক কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত উগ্রগোষ্ঠীকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এ জাতীয় ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটানোর সাহস না দেখায়।
দেশের শীর্ষস্থানীয় দৈনিক প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও সংগঠিত সন্ত্রাসী হামলা, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট এবং দ্য ডেইলি নিউ এজের সম্পাদক নূরুল কবিরকে হেনস্তা ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ঘটনার প্রতিবাদে পটুয়াখালীর বাউফলে মানবন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাউফল প্রেসক্লাবের আয়োজনে সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বেলা ১১ টার দিকে বাউফল প্রেসক্লাবের বীর উত্তম সামসুল আলম তালুকদার ভবনের সামনের সড়কে এক ঘন্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নেয়।
বাউফল প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. জলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তৃতা করেন বাউফল প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সাবেক সভাপতি অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম, বাউফল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ভোরের কাগজের অতুল চন্দ্র পাল, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মানবকণ্ঠের মো. জসিম উদ্দিন, সমকালের জিতেন্দ্র নাথ রায়, ইত্তেফাকের কৃষ্ণ কান্ত কর্মকার,সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাইটিভির অহিদুজ্জামান ডিউক,ইনকিলাবের নূরুল ইসলাম ছিদ্দিকী মাসুম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মো. অলিয়ার রহমান, সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) বাউফল উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ফারুক তালুকদার মহিলা ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক অহিদুজ্জামান সুপন, বাউফল পৌরসভা বস্ত্র সমিতির সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সদস্য তরিকুল ইসলাম মোস্তফা, জুয়েলারি সমিতির বাউফল পৌরসভা শাখার সাধারণ সম্পাদক পলাশ কুমার দাস প্রমুখ। জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম বলেন,‘সাংবাদ মাধ্যম হল আলো। আলো কখনো পোড়ে না, পোড়ানো যায় না। আগুনে আলো আলোকিত হয় বহুগুনে। প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার সেই আলো,আগুনের আলো হয়ে ফিরেছে সবার মাঝে আলো ছড়িয়ে দিতে। অতুল চন্দ্র পাল বলেন,‘ সংবাদপত্রের কারণে যে কোনো সরকার স্বৈরাচার হতে ভয় পায়। গণতন্ত্র টিকে থাকে সংবাদপত্রের কারণে। সেখানে শীর্ষ সংবাদপত্র প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের ওপর আক্রমন স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর হুমকিস্বরূপ। এভাবে চলতে পারে না, চলতে দেওয়া যাবে না।’
সুজনের সহ-সভাপতি অহিদুজ্জামান সুপন বলেন,হামলা ও অগ্নিসংযোগ করে গণমাধ্যমের কণ্ঠ রোধ করা যাবে না। পতিত আওয়ামী লীগ সরকার প্রথম আলোকে সরকারি দপ্তরে নিষিদ্ধ করেছিল। সংসদে পতিত সরকারের প্রধান শেখ হাসিনা বলেছিলেন,প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার আওয়ামী লীগের শত্রু, গণতন্ত্রের শত্রু দেশের শত্রু। সেই দুটি পত্রিকার ভবনে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও আগুন দেওয়া খুবই দুঃখ ও ন্যক্কারজনক।
ব্যবসায়ী পলাশ কুমার দাস বলেন,‘ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছিল। অথচ একটি উগ্রগোষ্ঠী দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে মব সৃষ্টি করে এ ধরনের হামলা করে যাচ্ছে।
অহিদুজ্জামান ডিউক বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রথম আলো ও কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউয়ে দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা চালায়। ঢাকার কার্যালয় ছাড়াও দেশের বিভিন্ন বিভিন্ন এলাকায় প্রথম আলো কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর করা হয়েছে। এ ঘটনার দৃষ্ঠান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘ওই রাতে হামলা, লুটপাট ও অগুন দেওয়ার প্রতিবাদ করতে গিয়ে দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ের সামনে নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর যেভাবে হেনস্তা ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে তা সাংবাদিকদের জন্য এক কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত উগ্রগোষ্ঠীকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এ জাতীয় ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটানোর সাহস না দেখায়।

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০২:০৩
পটুয়াখালীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি ভোটকেন্দ্রে অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ৯টার দিকে দুমকি উপজেলার পাংগাশিয়া নেছারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রের একটি কক্ষে এ আগুন দেয়। কেন্দ্রটি পটুয়াখালী-১ (পটুয়াখালী সদর-দুমকি-মির্জাগঞ্জ) আসনে অবস্থিত। আগুন দেওয়ার খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও বিজিবি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
পাংগাশিয়া নেছারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ওবায়দুল হক সাংবাদিকদের জানান, বিদ্যালয়ের পাসের মসজিদে নামাজ শেষে মুসল্লিরা বাড়িতে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে আগুন দেখতে পান তারা। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় নেভানোর চেষ্টা করা হয়। রাত ৯টার দিকে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। আগুনে কক্ষের বেঞ্চ এবং বেড়া পুড়ে যায়। কে বা কারা আগুন দিয়েছে, তা জানা যায়নি। তবে বেশি ক্ষতি হয়নি। একটি কক্ষে পুরোনো টায়ারে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।
স্থানীয়রা জানান, কেন্দ্রটির নিরাপত্তায় দুজন গ্রাম পুলিশ ও বিদ্যালয়ের একজন নৈশপ্রহরী দায়িত্বরত থাকলেও ঘটনার সময় তারা ছিলেন না। তারা নামাজে এবং খাবার খেতে বাড়িতে গিয়েছিলেন। এর ফাঁকে ঘটনা ঘটে।
দুমকি থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) মো. রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি, আমরা তদন্ত শুরু করছি। দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের অনুপস্থিতির বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
পটুয়াখালীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি ভোটকেন্দ্রে অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ৯টার দিকে দুমকি উপজেলার পাংগাশিয়া নেছারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রের একটি কক্ষে এ আগুন দেয়। কেন্দ্রটি পটুয়াখালী-১ (পটুয়াখালী সদর-দুমকি-মির্জাগঞ্জ) আসনে অবস্থিত। আগুন দেওয়ার খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও বিজিবি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
পাংগাশিয়া নেছারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ওবায়দুল হক সাংবাদিকদের জানান, বিদ্যালয়ের পাসের মসজিদে নামাজ শেষে মুসল্লিরা বাড়িতে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে আগুন দেখতে পান তারা। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় নেভানোর চেষ্টা করা হয়। রাত ৯টার দিকে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। আগুনে কক্ষের বেঞ্চ এবং বেড়া পুড়ে যায়। কে বা কারা আগুন দিয়েছে, তা জানা যায়নি। তবে বেশি ক্ষতি হয়নি। একটি কক্ষে পুরোনো টায়ারে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।
স্থানীয়রা জানান, কেন্দ্রটির নিরাপত্তায় দুজন গ্রাম পুলিশ ও বিদ্যালয়ের একজন নৈশপ্রহরী দায়িত্বরত থাকলেও ঘটনার সময় তারা ছিলেন না। তারা নামাজে এবং খাবার খেতে বাড়িতে গিয়েছিলেন। এর ফাঁকে ঘটনা ঘটে।
দুমকি থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) মো. রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি, আমরা তদন্ত শুরু করছি। দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের অনুপস্থিতির বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:০২
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও পটুয়াখালী-৩ (দশমিনা-গলাচিপা) আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুল হক নুর বলেছেন, জাতীয় সরকার গঠন হলে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাকে মন্ত্রী করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় গলাচিপা হাই স্কুল মাঠে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের শেষ দিনের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
নুরুল হক নুর বলেন, দশমিনা ও গলাচিপাকে আর পিছিয়ে থাকতে দেওয়া যাবে না। এই জনপদকে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে বহুদিন। তারেক রহমানের নেতৃত্বে জাতীয় সরকার গঠনে যদি ভূমিকা রাখতে চান, তাহলে আগামী ১২ তারিখ ট্রাক মার্কায় ভোট দিতে হবে।
তিনি বলেন, এই অঞ্চলের মানুষের হাতে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু ভুল সিদ্ধান্ত নিলে ভবিষ্যৎ শুধু দুর্ভোগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। এলাকার সার্বিক উন্নয়ন এবং তরুণদের চাকরি-বাকরির সুযোগ নিশ্চিত করতে হলে সচেতনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে।
ভিপি নুর আরও বলেন, আমি ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করি না। জনগণের অধিকার ও উন্নয়নের জন্য রাজনীতি করি। আপনারা যদি আমাকে নির্বাচিত করেন, তাহলে দশমিনা ও গলাচিপাকে একটি পরিকল্পিত ও উন্নত জনপদে রূপ দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।
জনসভায় বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, পটুয়াখালী-৩ আসনে নুরুল হক নূরের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও বিএনপির সাবেক নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন।
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও পটুয়াখালী-৩ (দশমিনা-গলাচিপা) আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুল হক নুর বলেছেন, জাতীয় সরকার গঠন হলে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাকে মন্ত্রী করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় গলাচিপা হাই স্কুল মাঠে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের শেষ দিনের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
নুরুল হক নুর বলেন, দশমিনা ও গলাচিপাকে আর পিছিয়ে থাকতে দেওয়া যাবে না। এই জনপদকে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে বহুদিন। তারেক রহমানের নেতৃত্বে জাতীয় সরকার গঠনে যদি ভূমিকা রাখতে চান, তাহলে আগামী ১২ তারিখ ট্রাক মার্কায় ভোট দিতে হবে।
তিনি বলেন, এই অঞ্চলের মানুষের হাতে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু ভুল সিদ্ধান্ত নিলে ভবিষ্যৎ শুধু দুর্ভোগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। এলাকার সার্বিক উন্নয়ন এবং তরুণদের চাকরি-বাকরির সুযোগ নিশ্চিত করতে হলে সচেতনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে।
ভিপি নুর আরও বলেন, আমি ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করি না। জনগণের অধিকার ও উন্নয়নের জন্য রাজনীতি করি। আপনারা যদি আমাকে নির্বাচিত করেন, তাহলে দশমিনা ও গলাচিপাকে একটি পরিকল্পিত ও উন্নত জনপদে রূপ দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।
জনসভায় বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, পটুয়াখালী-৩ আসনে নুরুল হক নূরের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও বিএনপির সাবেক নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন।

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:১৬
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনের বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থী গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের দশমিনা উপজেলার অস্থায়ী নির্বাচনী অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
গতকাল গভীর রাতে দশমিনা উপজেলার আলিপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত ওই অস্থায়ী নির্বাচনী অফিসে দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে আগুন দেয়। এতে অফিসের আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ঘটনার পর এলাকাজুড়ে চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা এ ধরনের ন্যাক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা দ্রুত দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করেন। এ বিষয়ে দশমিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হাসনাইন পারভেজ জানান, “গতকাল মধ্যরাতে দুর্বৃত্তরা অস্থায়ী নির্বাচনী অফিসে অগ্নিসংযোগ করে। এ ঘটনায় অন্য কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।”
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনের বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থী গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের দশমিনা উপজেলার অস্থায়ী নির্বাচনী অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
গতকাল গভীর রাতে দশমিনা উপজেলার আলিপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত ওই অস্থায়ী নির্বাচনী অফিসে দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে আগুন দেয়। এতে অফিসের আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ঘটনার পর এলাকাজুড়ে চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা এ ধরনের ন্যাক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা দ্রুত দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করেন। এ বিষয়ে দশমিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হাসনাইন পারভেজ জানান, “গতকাল মধ্যরাতে দুর্বৃত্তরা অস্থায়ী নির্বাচনী অফিসে অগ্নিসংযোগ করে। এ ঘটনায় অন্য কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।”

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০১
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২৩
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৫
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৫