দেশের শীর্ষস্থানীয় দৈনিক প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও সংগঠিত সন্ত্রাসী হামলা, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট এবং দ্য ডেইলি নিউ এজের সম্পাদক নূরুল কবিরকে হেনস্তা ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ঘটনার প্রতিবাদে পটুয়াখালীর বাউফলে মানবন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাউফল প্রেসক্লাবের আয়োজনে সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বেলা ১১ টার দিকে বাউফল প্রেসক্লাবের বীর উত্তম সামসুল আলম তালুকদার ভবনের সামনের সড়কে এক ঘন্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নেয়।
বাউফল প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. জলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তৃতা করেন বাউফল প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সাবেক সভাপতি অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম, বাউফল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ভোরের কাগজের অতুল চন্দ্র পাল, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মানবকণ্ঠের মো. জসিম উদ্দিন, সমকালের জিতেন্দ্র নাথ রায়, ইত্তেফাকের কৃষ্ণ কান্ত কর্মকার,সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাইটিভির অহিদুজ্জামান ডিউক,ইনকিলাবের নূরুল ইসলাম ছিদ্দিকী মাসুম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মো. অলিয়ার রহমান, সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) বাউফল উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ফারুক তালুকদার মহিলা ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক অহিদুজ্জামান সুপন, বাউফল পৌরসভা বস্ত্র সমিতির সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সদস্য তরিকুল ইসলাম মোস্তফা, জুয়েলারি সমিতির বাউফল পৌরসভা শাখার সাধারণ সম্পাদক পলাশ কুমার দাস প্রমুখ। জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম বলেন,‘সাংবাদ মাধ্যম হল আলো। আলো কখনো পোড়ে না, পোড়ানো যায় না। আগুনে আলো আলোকিত হয় বহুগুনে। প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার সেই আলো,আগুনের আলো হয়ে ফিরেছে সবার মাঝে আলো ছড়িয়ে দিতে। অতুল চন্দ্র পাল বলেন,‘ সংবাদপত্রের কারণে যে কোনো সরকার স্বৈরাচার হতে ভয় পায়। গণতন্ত্র টিকে থাকে সংবাদপত্রের কারণে। সেখানে শীর্ষ সংবাদপত্র প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের ওপর আক্রমন স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর হুমকিস্বরূপ। এভাবে চলতে পারে না, চলতে দেওয়া যাবে না।’
সুজনের সহ-সভাপতি অহিদুজ্জামান সুপন বলেন,হামলা ও অগ্নিসংযোগ করে গণমাধ্যমের কণ্ঠ রোধ করা যাবে না। পতিত আওয়ামী লীগ সরকার প্রথম আলোকে সরকারি দপ্তরে নিষিদ্ধ করেছিল। সংসদে পতিত সরকারের প্রধান শেখ হাসিনা বলেছিলেন,প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার আওয়ামী লীগের শত্রু, গণতন্ত্রের শত্রু দেশের শত্রু। সেই দুটি পত্রিকার ভবনে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও আগুন দেওয়া খুবই দুঃখ ও ন্যক্কারজনক।
ব্যবসায়ী পলাশ কুমার দাস বলেন,‘ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছিল। অথচ একটি উগ্রগোষ্ঠী দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে মব সৃষ্টি করে এ ধরনের হামলা করে যাচ্ছে।
অহিদুজ্জামান ডিউক বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রথম আলো ও কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউয়ে দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা চালায়। ঢাকার কার্যালয় ছাড়াও দেশের বিভিন্ন বিভিন্ন এলাকায় প্রথম আলো কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর করা হয়েছে। এ ঘটনার দৃষ্ঠান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘ওই রাতে হামলা, লুটপাট ও অগুন দেওয়ার প্রতিবাদ করতে গিয়ে দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ের সামনে নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর যেভাবে হেনস্তা ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে তা সাংবাদিকদের জন্য এক কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত উগ্রগোষ্ঠীকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এ জাতীয় ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটানোর সাহস না দেখায়।

২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৫:১৫
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় এক সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার রাত ১১টার দিকে কুয়াকাটা পর্যটনকেন্দ্রের সৈকত হোটেলের সামনে তাঁকে পিটিয়ে আহত করা হয়। পরে তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে কুয়াকাটা ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের–ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আহত ব্যক্তির নাম কে এম বাচ্চু। তিনি একটি জাতীয় দৈনিকের স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ও কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট বোট মালিক সমিতির সভাপতি।
পৌর যুবদলের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক বায়জিদ, ৮ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি শহিদ সিকদার, স্থানীয় হারুন মুসল্লিসহ আরও কয়েকজন এ হামলায় অংশ নেন বলে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন কেএম বাচ্চুর ছোট ভাই সোহাগ খলিফা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে বায়জিদসহ অভিযুক্ত কয়েকজনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে বন্ধ পাওয়া গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, শুক্রবার রাত ১১টার দিকে সৈকত হোটেলের সামনে এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলছিলেন কে এম বাচ্চু। এ সময় বায়জিদ সেখানে এসে তাঁর প্রকাশিত একটি সংবাদ নিয়ে তর্কে জড়ান। একপর্যায়ে বায়জিদের সঙ্গে থাকা কয়েকজন লাঠি ও হাতুড়ি দিয়ে বাচ্চুর ওপর হামলা চালান। এতে তাঁর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। হামলাকারীরা বাচ্চুকে আহত অবস্থায় ফেলে চলে গেলে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। কুয়াকাটা ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তা আবদুল বাতেন বলেন, কে এম বাচ্চুর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন আছে।
ঘটনার সঙ্গে ছাত্রদলের কেউ জড়িত থাকলে তদন্ত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন কুয়াকাটা পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক জোবায়ের আহমেদ। একই কথা বলেছেন কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফারুকও।
মহিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার বরিশালটাইমসকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় এক সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার রাত ১১টার দিকে কুয়াকাটা পর্যটনকেন্দ্রের সৈকত হোটেলের সামনে তাঁকে পিটিয়ে আহত করা হয়। পরে তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে কুয়াকাটা ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের–ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আহত ব্যক্তির নাম কে এম বাচ্চু। তিনি একটি জাতীয় দৈনিকের স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ও কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট বোট মালিক সমিতির সভাপতি।
পৌর যুবদলের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক বায়জিদ, ৮ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি শহিদ সিকদার, স্থানীয় হারুন মুসল্লিসহ আরও কয়েকজন এ হামলায় অংশ নেন বলে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন কেএম বাচ্চুর ছোট ভাই সোহাগ খলিফা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে বায়জিদসহ অভিযুক্ত কয়েকজনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে বন্ধ পাওয়া গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, শুক্রবার রাত ১১টার দিকে সৈকত হোটেলের সামনে এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলছিলেন কে এম বাচ্চু। এ সময় বায়জিদ সেখানে এসে তাঁর প্রকাশিত একটি সংবাদ নিয়ে তর্কে জড়ান। একপর্যায়ে বায়জিদের সঙ্গে থাকা কয়েকজন লাঠি ও হাতুড়ি দিয়ে বাচ্চুর ওপর হামলা চালান। এতে তাঁর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। হামলাকারীরা বাচ্চুকে আহত অবস্থায় ফেলে চলে গেলে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। কুয়াকাটা ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তা আবদুল বাতেন বলেন, কে এম বাচ্চুর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন আছে।
ঘটনার সঙ্গে ছাত্রদলের কেউ জড়িত থাকলে তদন্ত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন কুয়াকাটা পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক জোবায়ের আহমেদ। একই কথা বলেছেন কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফারুকও।
মহিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার বরিশালটাইমসকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১৪:২১
পটুয়াখালীর মহিপুরে ছোয়ামনি (১১) নামের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে নূর মোহাম্মদ হাওলাদার (৬৫) নামে এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২২ জুলাই) ভুক্তভোগী শিশুর মা খাদিজা বেগম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। পরে অভিযোগের ভিত্তিতে মহিপুর থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ জুলাই দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে মহিপুর থানার ধুলাসার ইউনিয়নের পূর্ব নতুনপাড়া এলাকায় নিজ বাড়িতে ছোট ভাইকে নিয়ে অবস্থান করছিল ওই শিশু। এ সময় তার মা জরুরি কাজে এবং বাবা জীবিকার প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে ছিলেন।
অভিযোগে বলা হয়, এই সুযোগে একই এলাকার বাসিন্দা নূর মোহাম্মদ হাওলাদার শিশুটির বসতঘরে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় লোকজন চলে আসতে দেখে অভিযুক্ত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার পর সামাজিক লজ্জা ও স্থানীয়ভাবে সমাধানের আশায় তারা তাৎক্ষণিকভাবে থানায় অভিযোগ করেননি। দীর্ঘদিন স্থানীয়ভাবে সুবিচার পাওয়ার চেষ্টা করেও কোনো ফল না পাওয়ায় বুধবার (২২ জুলাই) শিশুটির মা মহিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ পাওয়ার পরপরই মহিপুর থানা পুলিশ মামলা রুজু করে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত নূর মোহাম্মদ হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করে।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পটুয়াখালীর মহিপুরে ছোয়ামনি (১১) নামের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে নূর মোহাম্মদ হাওলাদার (৬৫) নামে এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২২ জুলাই) ভুক্তভোগী শিশুর মা খাদিজা বেগম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। পরে অভিযোগের ভিত্তিতে মহিপুর থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ জুলাই দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে মহিপুর থানার ধুলাসার ইউনিয়নের পূর্ব নতুনপাড়া এলাকায় নিজ বাড়িতে ছোট ভাইকে নিয়ে অবস্থান করছিল ওই শিশু। এ সময় তার মা জরুরি কাজে এবং বাবা জীবিকার প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে ছিলেন।
অভিযোগে বলা হয়, এই সুযোগে একই এলাকার বাসিন্দা নূর মোহাম্মদ হাওলাদার শিশুটির বসতঘরে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় লোকজন চলে আসতে দেখে অভিযুক্ত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার পর সামাজিক লজ্জা ও স্থানীয়ভাবে সমাধানের আশায় তারা তাৎক্ষণিকভাবে থানায় অভিযোগ করেননি। দীর্ঘদিন স্থানীয়ভাবে সুবিচার পাওয়ার চেষ্টা করেও কোনো ফল না পাওয়ায় বুধবার (২২ জুলাই) শিশুটির মা মহিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ পাওয়ার পরপরই মহিপুর থানা পুলিশ মামলা রুজু করে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত নূর মোহাম্মদ হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করে।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২৪ জুলাই, ২০২৬ ১৪:১৬
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে প্রায় ৪০০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো মানুষ। চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়া এ সড়কে স্থানীয়রা বাধ্য হয়ে নিজ উদ্যোগে অস্থায়ী সাঁকো নির্মাণ করেছেন। সেই সাঁকোই এখন এলাকাবাসীর একমাত্র ভরসা।
মুরাদিয়া মহিলা ফাজিল মাদ্রাসা থেকে সালামপুর আমনিয়া কামিল মাদ্রাসা পর্যন্ত সংযোগকারী সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অসংখ্য শিক্ষার্থী যাতায়াত করে। বর্ষা মৌসুমে কাদাপানি ও জলাবদ্ধতার কারণে নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সড়কটি দিয়ে মুরাদিয়া মহিলা ফাজিল মাদ্রাসা, সালামপুর আমনিয়া কামিল মাদ্রাসা, একটি নূরানি মাদ্রাসা ও একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা নিয়মিত চলাচল করে। কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে তাদের।
মুরাদিয়া মহিলা ফাজিল মাদ্রাসার প্রধান কেরানি মাওলানা মহিবুল্লাহ সবুজ বলেন, “এটি আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় মানুষের প্রধান চলাচলের পথ। দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় থাকায় শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে। দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন।”
লেবুখালী মাদ্রাসার সুপার মাওলানা ফরিদ উদ্দিন উজ্জ্বল বলেন, “প্রতিদিন অসংখ্য শিক্ষার্থী এই রাস্তা ব্যবহার করে। বর্ষাকালে তাদের দুর্ভোগ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া উচিত।”
সমাজসেবক রেজাউল করিম বাবুল মৃধা বলেন, “এটি কোনো ব্যক্তিগত রাস্তা নয়; জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।”
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী জাকির হোসেন খান বলেন, “দৈনন্দিন চলাচলে এ রাস্তার দুরবস্থা এখন বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত সংস্কার না হলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে।”
বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত ইমদাদুল মৃধা বলেন, “জনগুরুত্বপূর্ণ এ সড়কের এমন অবস্থা কোনোভাবেই কাম্য নয়। মানুষের নিরাপদ চলাচলের স্বার্থে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।”
এ বিষয়ে মুরাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, “রাস্তাটির বিষয়ে আমি অবগত আছি। এটি গ্রামীণ অবকাঠামো খাতের আওতাভুক্ত। সেখানে প্রায় ৮০০ ফুট রাস্তা বেহাল অবস্থায় রয়েছে। আগামী জুন মাসে বাজেট এলে কোনো একটি প্রকল্পের মাধ্যমে সড়কটি সংস্কারের চেষ্টা করা হবে।”
এদিকে দ্রুত সড়কটি সংস্কার করে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে প্রায় ৪০০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো মানুষ। চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়া এ সড়কে স্থানীয়রা বাধ্য হয়ে নিজ উদ্যোগে অস্থায়ী সাঁকো নির্মাণ করেছেন। সেই সাঁকোই এখন এলাকাবাসীর একমাত্র ভরসা।
মুরাদিয়া মহিলা ফাজিল মাদ্রাসা থেকে সালামপুর আমনিয়া কামিল মাদ্রাসা পর্যন্ত সংযোগকারী সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অসংখ্য শিক্ষার্থী যাতায়াত করে। বর্ষা মৌসুমে কাদাপানি ও জলাবদ্ধতার কারণে নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সড়কটি দিয়ে মুরাদিয়া মহিলা ফাজিল মাদ্রাসা, সালামপুর আমনিয়া কামিল মাদ্রাসা, একটি নূরানি মাদ্রাসা ও একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা নিয়মিত চলাচল করে। কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে তাদের।
মুরাদিয়া মহিলা ফাজিল মাদ্রাসার প্রধান কেরানি মাওলানা মহিবুল্লাহ সবুজ বলেন, “এটি আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় মানুষের প্রধান চলাচলের পথ। দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় থাকায় শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে। দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন।”
লেবুখালী মাদ্রাসার সুপার মাওলানা ফরিদ উদ্দিন উজ্জ্বল বলেন, “প্রতিদিন অসংখ্য শিক্ষার্থী এই রাস্তা ব্যবহার করে। বর্ষাকালে তাদের দুর্ভোগ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া উচিত।”
সমাজসেবক রেজাউল করিম বাবুল মৃধা বলেন, “এটি কোনো ব্যক্তিগত রাস্তা নয়; জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।”
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী জাকির হোসেন খান বলেন, “দৈনন্দিন চলাচলে এ রাস্তার দুরবস্থা এখন বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত সংস্কার না হলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে।”
বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত ইমদাদুল মৃধা বলেন, “জনগুরুত্বপূর্ণ এ সড়কের এমন অবস্থা কোনোভাবেই কাম্য নয়। মানুষের নিরাপদ চলাচলের স্বার্থে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।”
এ বিষয়ে মুরাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, “রাস্তাটির বিষয়ে আমি অবগত আছি। এটি গ্রামীণ অবকাঠামো খাতের আওতাভুক্ত। সেখানে প্রায় ৮০০ ফুট রাস্তা বেহাল অবস্থায় রয়েছে। আগামী জুন মাসে বাজেট এলে কোনো একটি প্রকল্পের মাধ্যমে সড়কটি সংস্কারের চেষ্টা করা হবে।”
এদিকে দ্রুত সড়কটি সংস্কার করে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৬:১৭
দেশের শীর্ষস্থানীয় দৈনিক প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও সংগঠিত সন্ত্রাসী হামলা, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট এবং দ্য ডেইলি নিউ এজের সম্পাদক নূরুল কবিরকে হেনস্তা ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ঘটনার প্রতিবাদে পটুয়াখালীর বাউফলে মানবন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাউফল প্রেসক্লাবের আয়োজনে সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বেলা ১১ টার দিকে বাউফল প্রেসক্লাবের বীর উত্তম সামসুল আলম তালুকদার ভবনের সামনের সড়কে এক ঘন্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নেয়।
বাউফল প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. জলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তৃতা করেন বাউফল প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সাবেক সভাপতি অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম, বাউফল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ভোরের কাগজের অতুল চন্দ্র পাল, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মানবকণ্ঠের মো. জসিম উদ্দিন, সমকালের জিতেন্দ্র নাথ রায়, ইত্তেফাকের কৃষ্ণ কান্ত কর্মকার,সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাইটিভির অহিদুজ্জামান ডিউক,ইনকিলাবের নূরুল ইসলাম ছিদ্দিকী মাসুম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মো. অলিয়ার রহমান, সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) বাউফল উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ফারুক তালুকদার মহিলা ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক অহিদুজ্জামান সুপন, বাউফল পৌরসভা বস্ত্র সমিতির সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সদস্য তরিকুল ইসলাম মোস্তফা, জুয়েলারি সমিতির বাউফল পৌরসভা শাখার সাধারণ সম্পাদক পলাশ কুমার দাস প্রমুখ। জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম বলেন,‘সাংবাদ মাধ্যম হল আলো। আলো কখনো পোড়ে না, পোড়ানো যায় না। আগুনে আলো আলোকিত হয় বহুগুনে। প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার সেই আলো,আগুনের আলো হয়ে ফিরেছে সবার মাঝে আলো ছড়িয়ে দিতে। অতুল চন্দ্র পাল বলেন,‘ সংবাদপত্রের কারণে যে কোনো সরকার স্বৈরাচার হতে ভয় পায়। গণতন্ত্র টিকে থাকে সংবাদপত্রের কারণে। সেখানে শীর্ষ সংবাদপত্র প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের ওপর আক্রমন স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর হুমকিস্বরূপ। এভাবে চলতে পারে না, চলতে দেওয়া যাবে না।’
সুজনের সহ-সভাপতি অহিদুজ্জামান সুপন বলেন,হামলা ও অগ্নিসংযোগ করে গণমাধ্যমের কণ্ঠ রোধ করা যাবে না। পতিত আওয়ামী লীগ সরকার প্রথম আলোকে সরকারি দপ্তরে নিষিদ্ধ করেছিল। সংসদে পতিত সরকারের প্রধান শেখ হাসিনা বলেছিলেন,প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার আওয়ামী লীগের শত্রু, গণতন্ত্রের শত্রু দেশের শত্রু। সেই দুটি পত্রিকার ভবনে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও আগুন দেওয়া খুবই দুঃখ ও ন্যক্কারজনক।
ব্যবসায়ী পলাশ কুমার দাস বলেন,‘ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছিল। অথচ একটি উগ্রগোষ্ঠী দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে মব সৃষ্টি করে এ ধরনের হামলা করে যাচ্ছে।
অহিদুজ্জামান ডিউক বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রথম আলো ও কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউয়ে দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা চালায়। ঢাকার কার্যালয় ছাড়াও দেশের বিভিন্ন বিভিন্ন এলাকায় প্রথম আলো কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর করা হয়েছে। এ ঘটনার দৃষ্ঠান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘ওই রাতে হামলা, লুটপাট ও অগুন দেওয়ার প্রতিবাদ করতে গিয়ে দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ের সামনে নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর যেভাবে হেনস্তা ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে তা সাংবাদিকদের জন্য এক কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত উগ্রগোষ্ঠীকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এ জাতীয় ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটানোর সাহস না দেখায়।