Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১০ মে, ২০২৬ ১৮:০০
উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলমকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে কমপ্লিট শাটডাউনের (Complete Shutdown) কর্মসূচি দিয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। রোববার (১০ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমাজের ব্যানারে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এর আগে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের পদোন্নতির দাবিকে কেন্দ্র করে গত ২০ এপ্রিল থেকে টানা ১০ দিন আন্দোলন চলছিল। আন্দোলনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে এবং ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।
সূত্রে জানা যায়, বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে বিভিন্ন অনুষদের ডিনদের অংশগ্রহণে ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ তৈরি হয়। ওই বৈঠকের পর শিক্ষকরা কর্মসূচি শিথিল করলে বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্রুত ক্লাস-পরীক্ষা শুরু হওয়ার আশাবাদ তৈরি হয়েছিল।
শিক্ষক সমাজের অভিযোগ, ৩০ এপ্রিলের বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান আইন, নীতিমালা ও প্রচলিত চর্চা অনুযায়ী সংকট সমাধানের বিষয়ে সমঝোতা হলেও পরে সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বরং উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের পথে হাঁটছেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উপাচার্য গত ৮ মে রাত ১০টার দিকে নোটিস দিয়ে ৯ মে সকাল ১১টায় একটি জরুরি সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করেন। শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, ওই সভায় অধিকাংশ সম্মানিত সিন্ডিকেট সদস্যের মতামত উপেক্ষা করা হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সংকট নিরসনে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এতে করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এমন পরিস্থিতিতে রোববার অনুষ্ঠিত শিক্ষকদের সাধারণ সভায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভা থেকে আগামী ১১ মে থেকে উপাচার্যকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে ওই দিন থেকে ক্লাস, পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমসহ সব একাডেমিক কার্যক্রমে পূর্ণাঙ্গ শাটডাউনের ঘোষণা দেন শিক্ষকরা। এ ছাড়া প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা শিক্ষকদের পদত্যাগ করার সিদ্ধান্তও গৃহিত হয়।
শিক্ষক নেতারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা এবং চলমান সংকট সমাধানে তারা দীর্ঘদিন ধৈর্য ধরে আলোচনার পথ অনুসরণ করেছেন। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংকট নিরসনে কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য উদ্যোগ না নেওয়ায় তারা আবারও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছেন।
তাদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ে অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসনিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
এদিকে শিক্ষকদের নতুন কর্মসূচির ঘোষণায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আবারও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ শাটডাউনের কারণে ক্লাস-পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে গেলে সেশনজট আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন শিক্ষার্থীরা। দ্রুত সংকট সমাধানে সংশ্লিষ্টদের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।
এসব বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলমকে মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।’
উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলমকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে কমপ্লিট শাটডাউনের (Complete Shutdown) কর্মসূচি দিয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। রোববার (১০ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমাজের ব্যানারে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এর আগে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের পদোন্নতির দাবিকে কেন্দ্র করে গত ২০ এপ্রিল থেকে টানা ১০ দিন আন্দোলন চলছিল। আন্দোলনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে এবং ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।
সূত্রে জানা যায়, বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে বিভিন্ন অনুষদের ডিনদের অংশগ্রহণে ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ তৈরি হয়। ওই বৈঠকের পর শিক্ষকরা কর্মসূচি শিথিল করলে বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্রুত ক্লাস-পরীক্ষা শুরু হওয়ার আশাবাদ তৈরি হয়েছিল।
শিক্ষক সমাজের অভিযোগ, ৩০ এপ্রিলের বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান আইন, নীতিমালা ও প্রচলিত চর্চা অনুযায়ী সংকট সমাধানের বিষয়ে সমঝোতা হলেও পরে সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বরং উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের পথে হাঁটছেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উপাচার্য গত ৮ মে রাত ১০টার দিকে নোটিস দিয়ে ৯ মে সকাল ১১টায় একটি জরুরি সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করেন। শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, ওই সভায় অধিকাংশ সম্মানিত সিন্ডিকেট সদস্যের মতামত উপেক্ষা করা হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সংকট নিরসনে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এতে করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এমন পরিস্থিতিতে রোববার অনুষ্ঠিত শিক্ষকদের সাধারণ সভায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভা থেকে আগামী ১১ মে থেকে উপাচার্যকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে ওই দিন থেকে ক্লাস, পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমসহ সব একাডেমিক কার্যক্রমে পূর্ণাঙ্গ শাটডাউনের ঘোষণা দেন শিক্ষকরা। এ ছাড়া প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা শিক্ষকদের পদত্যাগ করার সিদ্ধান্তও গৃহিত হয়।
শিক্ষক নেতারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা এবং চলমান সংকট সমাধানে তারা দীর্ঘদিন ধৈর্য ধরে আলোচনার পথ অনুসরণ করেছেন। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংকট নিরসনে কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য উদ্যোগ না নেওয়ায় তারা আবারও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছেন।
তাদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ে অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসনিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
এদিকে শিক্ষকদের নতুন কর্মসূচির ঘোষণায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আবারও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ শাটডাউনের কারণে ক্লাস-পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে গেলে সেশনজট আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন শিক্ষার্থীরা। দ্রুত সংকট সমাধানে সংশ্লিষ্টদের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।
এসব বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলমকে মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।’

২৮ জুন, ২০২৬ ১৭:৫৮

২৮ জুন, ২০২৬ ১৭:০৪
বরিশালে একটি বাসার শোবার ঘরের এসির ইনডোর ইউনিট থেকে চারটি কালনাগিনী সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। দীর্ঘ সময়ের অভিযানে সাপগুলো জীবিত উদ্ধার করে হস্তান্তর করা হয় বন বিভাগের কাছে। তবে ধরা সম্ভব হয়নি এসির আউটডোর ইউনিটে থাকা আরও একটি সাপ।
গতকাল শনিবার বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া ইউনিয়নের কর্ণকাঠি গ্রামের সজিবুল হক সেন্টুর বাড়িতে এ উদ্ধার অভিযান চালান বন্যপ্রাণী উদ্ধারকারী সংগঠন এনিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর সদস্যরা।
সামাজিক বন বিভাগের বরিশাল সদর রেঞ্জের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুর রহমান জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া দুই জোড়া কালনাগিনী বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে রোববার সকালে সাপগুলোকে নিরাপদ বনাঞ্চলে অবমুক্ত করা হয়েছে।
বাড়ির মালিক সজিবুল হক সেন্টু জানিয়েছেন, শুক্রবার রাতে তিনি শোবার ঘরের এসির নিচের অংশে একটি সাপের লেজ দেখতে পান। এরপর পরিবারের সদস্যদের সতর্ক করে ওই কক্ষে প্রবেশ বন্ধ করে দেন। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে সেখান থেকে এনিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়। খবর পেয়ে শনিবার বিকালে উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান শুরু করেন।
এনিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর পরিচালক আসাদুল্লাহ হাসান মুসা জানিয়েছেন, দীর্ঘ চেষ্টার পর চারটি কালনাগিনী জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এসির আউটডোর ইউনিটে থাকা আরও একটি সাপ ধরা সম্ভব হয়নি। উদ্ধার করা সাপগুলো পরবর্তী ব্যবস্থাপনার জন্য বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এসির অভ্যন্তরে উষ্ণ ও নিরাপদ পরিবেশের কারণেই সাপগুলো সেখানে আশ্রয় নিয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে চলতি মাসেই বরিশাল রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি কার্যালয়ে ডিআইজির কক্ষ থেকে চারটি এবং নগরীর সাগরদী এলাকার বরিশাল মেডিক্যাল সার্ভিসেস ক্লিনিকের একটি এসি থেকে আরও একটি কালনাগিনী উদ্ধার করেছিলেন একই সংগঠন।’

২৭ জুন, ২০২৬ ১৮:৪১
বরিশালের হিজলা উপজেলা উপজেলার বাউশিয়া গ্রামসংলগ্ন মেঘনা নদীর থেকে এক অজ্ঞাত যুবকের ভাসমান লাশ উদ্ধার করেছে নৌপুলিশ। শনিবার সকালে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীতে স্থানীয় জেলেরা লাশটি ভাসতে দেখে থানায় খবর দেয়। সংবাদ পেয়ে হিজলা নৌপুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। পরে অজ্ঞাত যুবকের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
হিজলা নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ গৌতম চন্দ্র মন্ডল জানান, উদ্ধার হওয়া যুবকের বয়স আনুমানিক ৪০/৪৫ বছর হবে। তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে লাশের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন রয়েছে কি না, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ যুবকের পরিচয় শনাক্ত এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে। এবং নদীতে ভাসমান উদ্ধার যুবকের পোশাক নিয়ে স্থানীয় লোকজনের মাঝে নানা কৌতুহল সৃষ্টি হয়েছে।’
আটকে রাখল শতাধিক সিএনজি-অটোরিকশা
বরিশাল শহর অভ্যন্তরে যাত্রী পরিবহনকারী অটোরিকশা-সিএনজিগুলোতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে ফুঁসে উঠেছে শিক্ষার্থীরা। এই ভাড়া নৈরাজ্যের প্রতিবাদে রোববার সকালে অন্তত শতাধিক গণপরিবহন আটকে রাখা হয়। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় সামনের সড়ক থেকে আটক করে অটোরিকশা ও সিএনজিগুলো সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে নিয়ে রাখা হয়েছিল। পরে জেলা প্রশাসন ভাড়া নির্ধারণের আশ্বাস দিলে বিকেল সোয়া ৩টার দিকে গাড়িগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কিছুদিন ধরে বরিশাল নগরীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও সিএনজিতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় শুরু হয়। নথুল্লাবাদ টু লঞ্চঘাট এবং নথুল্লাবাদ-চৌমাথা টু রূপাতলী বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অন্তত ১০/২০ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে। এই অনিয়ম রোধে সপ্তাহখানেক আগে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হলেও ভাড়া নৈরাজ্য বন্ধে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে শিক্ষার্থীরা রোববার সকাল থেকে অটোরিকশা-সিএনজিগুলো আটক করেন।
ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও সিএনজির ভাড়া সিটি করপোরেশনের মাধ্যমে নির্ধারণ করে দিতে হবে, দাবি করেন শিক্ষার্থীরা। এর ব্যত্তয় হলে আটোরিকশা ও সিএনজি শহর অভ্যন্তরে চলতে দেওয়া হবে না- হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
তবে সিএনজি ও অটোরিকশা চালকেরা দাবি করেছেন গ্যাসসহ নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বাধ্য হয়ে যানবাহনের ভাড়া বাড়িয়েছেন। গ্যাস ৬৫০, মালিকের জমা ৬০০ টাকাসহ মোট ১ হাজার ২৫০ টাকা জমা দিতে হয়। এরপর আর তাদের সংসার চালানোর মতো টাকা থাকেনা। অবশ্য রোববার শিক্ষার্থীদের আটক অভিযানের পরে নির্ধারিত ভাড়া নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন অটোরিকশা ও সিএনজি চালকেরা।
মো. নান্নু এবং মো. মামুনসহ অটোরিকশা ও সিএনজি চালকরা জানান, আগামীতে তারা এক পয়সাও অতিরিক্ত আদায় করবেন না। বরং সিটি কর্পোরেশন বা জেলা প্রশাসন যে ভাড়া নির্ধারন করবে, তাতেই সন্তুষ্টু থাকবেন।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) লুৎফর রহমান রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, শিক্ষার্থী এবং শ্রমিকদের নিয়ে বিএম কলেজ ও পুলিশ প্রশাসনের মধ্যস্থতায় বৈঠক হয়েছে। সেখানে সোমবার জেলা প্রশাসন থেকে ভাড়া নির্ধারণ করে দেওয়ার বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়। তবে এ নিয়ে সোমবার আবার বৈঠক হবে, ওইদিন থেকে নতুন ভাড়া কার্যকর হবে। উভয়পক্ষ সিদ্ধান্তে সম্মতি প্রকাশ করায় বিকেল সোয়া ৩টার দিকে আটক করা যানবাহনগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, জানান ওসি।’
আটকে রাখল শতাধিক সিএনজি-অটোরিকশা
বরিশাল শহর অভ্যন্তরে যাত্রী পরিবহনকারী অটোরিকশা-সিএনজিগুলোতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে ফুঁসে উঠেছে শিক্ষার্থীরা। এই ভাড়া নৈরাজ্যের প্রতিবাদে রোববার সকালে অন্তত শতাধিক গণপরিবহন আটকে রাখা হয়। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় সামনের সড়ক থেকে আটক করে অটোরিকশা ও সিএনজিগুলো সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে নিয়ে রাখা হয়েছিল। পরে জেলা প্রশাসন ভাড়া নির্ধারণের আশ্বাস দিলে বিকেল সোয়া ৩টার দিকে গাড়িগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কিছুদিন ধরে বরিশাল নগরীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও সিএনজিতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় শুরু হয়। নথুল্লাবাদ টু লঞ্চঘাট এবং নথুল্লাবাদ-চৌমাথা টু রূপাতলী বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অন্তত ১০/২০ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে। এই অনিয়ম রোধে সপ্তাহখানেক আগে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হলেও ভাড়া নৈরাজ্য বন্ধে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে শিক্ষার্থীরা রোববার সকাল থেকে অটোরিকশা-সিএনজিগুলো আটক করেন।
ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও সিএনজির ভাড়া সিটি করপোরেশনের মাধ্যমে নির্ধারণ করে দিতে হবে, দাবি করেন শিক্ষার্থীরা। এর ব্যত্তয় হলে আটোরিকশা ও সিএনজি শহর অভ্যন্তরে চলতে দেওয়া হবে না- হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
তবে সিএনজি ও অটোরিকশা চালকেরা দাবি করেছেন গ্যাসসহ নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বাধ্য হয়ে যানবাহনের ভাড়া বাড়িয়েছেন। গ্যাস ৬৫০, মালিকের জমা ৬০০ টাকাসহ মোট ১ হাজার ২৫০ টাকা জমা দিতে হয়। এরপর আর তাদের সংসার চালানোর মতো টাকা থাকেনা। অবশ্য রোববার শিক্ষার্থীদের আটক অভিযানের পরে নির্ধারিত ভাড়া নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন অটোরিকশা ও সিএনজি চালকেরা।
মো. নান্নু এবং মো. মামুনসহ অটোরিকশা ও সিএনজি চালকরা জানান, আগামীতে তারা এক পয়সাও অতিরিক্ত আদায় করবেন না। বরং সিটি কর্পোরেশন বা জেলা প্রশাসন যে ভাড়া নির্ধারন করবে, তাতেই সন্তুষ্টু থাকবেন।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) লুৎফর রহমান রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, শিক্ষার্থী এবং শ্রমিকদের নিয়ে বিএম কলেজ ও পুলিশ প্রশাসনের মধ্যস্থতায় বৈঠক হয়েছে। সেখানে সোমবার জেলা প্রশাসন থেকে ভাড়া নির্ধারণ করে দেওয়ার বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়। তবে এ নিয়ে সোমবার আবার বৈঠক হবে, ওইদিন থেকে নতুন ভাড়া কার্যকর হবে। উভয়পক্ষ সিদ্ধান্তে সম্মতি প্রকাশ করায় বিকেল সোয়া ৩টার দিকে আটক করা যানবাহনগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, জানান ওসি।’
বরিশালে একটি বাসার শোবার ঘরের এসির ইনডোর ইউনিট থেকে চারটি কালনাগিনী সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। দীর্ঘ সময়ের অভিযানে সাপগুলো জীবিত উদ্ধার করে হস্তান্তর করা হয় বন বিভাগের কাছে। তবে ধরা সম্ভব হয়নি এসির আউটডোর ইউনিটে থাকা আরও একটি সাপ।
গতকাল শনিবার বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া ইউনিয়নের কর্ণকাঠি গ্রামের সজিবুল হক সেন্টুর বাড়িতে এ উদ্ধার অভিযান চালান বন্যপ্রাণী উদ্ধারকারী সংগঠন এনিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর সদস্যরা।
সামাজিক বন বিভাগের বরিশাল সদর রেঞ্জের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুর রহমান জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া দুই জোড়া কালনাগিনী বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে রোববার সকালে সাপগুলোকে নিরাপদ বনাঞ্চলে অবমুক্ত করা হয়েছে।
বাড়ির মালিক সজিবুল হক সেন্টু জানিয়েছেন, শুক্রবার রাতে তিনি শোবার ঘরের এসির নিচের অংশে একটি সাপের লেজ দেখতে পান। এরপর পরিবারের সদস্যদের সতর্ক করে ওই কক্ষে প্রবেশ বন্ধ করে দেন। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে সেখান থেকে এনিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়। খবর পেয়ে শনিবার বিকালে উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান শুরু করেন।
এনিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর পরিচালক আসাদুল্লাহ হাসান মুসা জানিয়েছেন, দীর্ঘ চেষ্টার পর চারটি কালনাগিনী জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এসির আউটডোর ইউনিটে থাকা আরও একটি সাপ ধরা সম্ভব হয়নি। উদ্ধার করা সাপগুলো পরবর্তী ব্যবস্থাপনার জন্য বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এসির অভ্যন্তরে উষ্ণ ও নিরাপদ পরিবেশের কারণেই সাপগুলো সেখানে আশ্রয় নিয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে চলতি মাসেই বরিশাল রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি কার্যালয়ে ডিআইজির কক্ষ থেকে চারটি এবং নগরীর সাগরদী এলাকার বরিশাল মেডিক্যাল সার্ভিসেস ক্লিনিকের একটি এসি থেকে আরও একটি কালনাগিনী উদ্ধার করেছিলেন একই সংগঠন।’
বরিশালের হিজলা উপজেলা উপজেলার বাউশিয়া গ্রামসংলগ্ন মেঘনা নদীর থেকে এক অজ্ঞাত যুবকের ভাসমান লাশ উদ্ধার করেছে নৌপুলিশ। শনিবার সকালে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীতে স্থানীয় জেলেরা লাশটি ভাসতে দেখে থানায় খবর দেয়। সংবাদ পেয়ে হিজলা নৌপুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। পরে অজ্ঞাত যুবকের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
হিজলা নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ গৌতম চন্দ্র মন্ডল জানান, উদ্ধার হওয়া যুবকের বয়স আনুমানিক ৪০/৪৫ বছর হবে। তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে লাশের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন রয়েছে কি না, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ যুবকের পরিচয় শনাক্ত এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে। এবং নদীতে ভাসমান উদ্ধার যুবকের পোশাক নিয়ে স্থানীয় লোকজনের মাঝে নানা কৌতুহল সৃষ্টি হয়েছে।’