Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১০ মে, ২০২৬ ১৮:০০
উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলমকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে কমপ্লিট শাটডাউনের (Complete Shutdown) কর্মসূচি দিয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। রোববার (১০ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমাজের ব্যানারে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এর আগে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের পদোন্নতির দাবিকে কেন্দ্র করে গত ২০ এপ্রিল থেকে টানা ১০ দিন আন্দোলন চলছিল। আন্দোলনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে এবং ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।
সূত্রে জানা যায়, বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে বিভিন্ন অনুষদের ডিনদের অংশগ্রহণে ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ তৈরি হয়। ওই বৈঠকের পর শিক্ষকরা কর্মসূচি শিথিল করলে বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্রুত ক্লাস-পরীক্ষা শুরু হওয়ার আশাবাদ তৈরি হয়েছিল।
শিক্ষক সমাজের অভিযোগ, ৩০ এপ্রিলের বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান আইন, নীতিমালা ও প্রচলিত চর্চা অনুযায়ী সংকট সমাধানের বিষয়ে সমঝোতা হলেও পরে সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বরং উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের পথে হাঁটছেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উপাচার্য গত ৮ মে রাত ১০টার দিকে নোটিস দিয়ে ৯ মে সকাল ১১টায় একটি জরুরি সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করেন। শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, ওই সভায় অধিকাংশ সম্মানিত সিন্ডিকেট সদস্যের মতামত উপেক্ষা করা হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সংকট নিরসনে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এতে করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এমন পরিস্থিতিতে রোববার অনুষ্ঠিত শিক্ষকদের সাধারণ সভায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভা থেকে আগামী ১১ মে থেকে উপাচার্যকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে ওই দিন থেকে ক্লাস, পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমসহ সব একাডেমিক কার্যক্রমে পূর্ণাঙ্গ শাটডাউনের ঘোষণা দেন শিক্ষকরা। এ ছাড়া প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা শিক্ষকদের পদত্যাগ করার সিদ্ধান্তও গৃহিত হয়।
শিক্ষক নেতারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা এবং চলমান সংকট সমাধানে তারা দীর্ঘদিন ধৈর্য ধরে আলোচনার পথ অনুসরণ করেছেন। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংকট নিরসনে কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য উদ্যোগ না নেওয়ায় তারা আবারও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছেন।
তাদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ে অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসনিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
এদিকে শিক্ষকদের নতুন কর্মসূচির ঘোষণায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আবারও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ শাটডাউনের কারণে ক্লাস-পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে গেলে সেশনজট আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন শিক্ষার্থীরা। দ্রুত সংকট সমাধানে সংশ্লিষ্টদের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।
এসব বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলমকে মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।’
উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলমকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে কমপ্লিট শাটডাউনের (Complete Shutdown) কর্মসূচি দিয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। রোববার (১০ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমাজের ব্যানারে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এর আগে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের পদোন্নতির দাবিকে কেন্দ্র করে গত ২০ এপ্রিল থেকে টানা ১০ দিন আন্দোলন চলছিল। আন্দোলনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে এবং ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।
সূত্রে জানা যায়, বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে বিভিন্ন অনুষদের ডিনদের অংশগ্রহণে ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ তৈরি হয়। ওই বৈঠকের পর শিক্ষকরা কর্মসূচি শিথিল করলে বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্রুত ক্লাস-পরীক্ষা শুরু হওয়ার আশাবাদ তৈরি হয়েছিল।
শিক্ষক সমাজের অভিযোগ, ৩০ এপ্রিলের বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান আইন, নীতিমালা ও প্রচলিত চর্চা অনুযায়ী সংকট সমাধানের বিষয়ে সমঝোতা হলেও পরে সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বরং উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের পথে হাঁটছেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উপাচার্য গত ৮ মে রাত ১০টার দিকে নোটিস দিয়ে ৯ মে সকাল ১১টায় একটি জরুরি সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করেন। শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, ওই সভায় অধিকাংশ সম্মানিত সিন্ডিকেট সদস্যের মতামত উপেক্ষা করা হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সংকট নিরসনে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এতে করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এমন পরিস্থিতিতে রোববার অনুষ্ঠিত শিক্ষকদের সাধারণ সভায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভা থেকে আগামী ১১ মে থেকে উপাচার্যকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে ওই দিন থেকে ক্লাস, পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমসহ সব একাডেমিক কার্যক্রমে পূর্ণাঙ্গ শাটডাউনের ঘোষণা দেন শিক্ষকরা। এ ছাড়া প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা শিক্ষকদের পদত্যাগ করার সিদ্ধান্তও গৃহিত হয়।
শিক্ষক নেতারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা এবং চলমান সংকট সমাধানে তারা দীর্ঘদিন ধৈর্য ধরে আলোচনার পথ অনুসরণ করেছেন। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংকট নিরসনে কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য উদ্যোগ না নেওয়ায় তারা আবারও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছেন।
তাদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ে অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসনিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
এদিকে শিক্ষকদের নতুন কর্মসূচির ঘোষণায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আবারও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ শাটডাউনের কারণে ক্লাস-পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে গেলে সেশনজট আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন শিক্ষার্থীরা। দ্রুত সংকট সমাধানে সংশ্লিষ্টদের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।
এসব বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলমকে মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।’

১২ মে, ২০২৬ ২০:০৬
মাইক্রোফাইন্যান্স দাবির অর্থায়নে কৃষাণিদের মাঝে উন্নত মানের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্র্যাক এর উদ্যোগ নিয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে উন্নত জাতের সবজি ও ধানের বীজ বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইলিয়াস সিকদার, বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আহসানুল হাবিব আল আজাদ জনি সহ অনেকে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার বিএম আফজাল হোসেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কৃষকদের স্বাবলম্বী করতে ব্র্যাক দীর্ঘদিন ধরে কৃষি সহায়তা, প্রশিক্ষণ ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।
বীজ পেয়ে কৃষকেরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার দাবি জানান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহকারী বিডিসি মোঃ মনজুরুল আলম।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পাপড়ী বাড়ৈ , আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক,বরিশাল-২,নিশাত তাসনিম লিজা ,আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক (জিজেডি) ,কিরণ চন্দ্র পান্ডে ,সিনিয়র এলাকা ব্যবস্থাপক মাইক্রোফাইন্যান্স (দাবি), শিশির কুসার গুহ,এলাকা ব্যবস্থাপক প্রগতি , মো: ইমতিয়াজ ওয়াহিদ ,শাখা ব্যবস্থাপক.দাবি, শান্তি রঞ্জন ভদ্র,উপজেলা হিসাব কর্মকর্তা,বিশ্বজিত কুমার পাল,কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ইলেকট্রনিক্স প্রিন্ট মিডিয়ার কর্মী বৃন্দ।

১২ মে, ২০২৬ ১৮:৩৯

১২ মে, ২০২৬ ১৭:২১
জীবনের কঠিন বাস্তবতা যেন খুব অল্প বয়সেই কাঁধে এসে ভর করেছে ছোট্ট লামিয়ার। মা মারা গেছেন অনেক আগেই। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ভ্যানচালক বাবা আল মাহমুদও বর্তমানে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। ফলে অভাব-অনটনের সংসারে নেমে আসে চরম সংকট। এমন পরিস্থিতিতে পরিবারের হাল ধরতে বাবার ভ্যান নিয়ে রাস্তায় নামতে বাধ্য হয় শিশু লামিয়া।
হৃদয়বিদারক সেই দৃশ্যের একটি ভিডিও মঙ্গলবার (১২ মে) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা হলে মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, ছোট্ট লামিয়া জীবিকার তাগিদে বাবার ভ্যান চালানোর চেষ্টা করছে। দৃশ্যটি অসংখ্য মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা ও সহানুভূতির ঝড়।
লামিয়ার বাড়ি বরিশালের উজিরপুরের গরিয়া নতুনহাট ডিসি বাড়ি এলাকায়। স্থানীয়রা জানান, পরিবারের আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। মা হারানোর শোক কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই বাবার অসুস্থতায় পরিবারটি মানবেতর জীবনযাপন করছে।
ভিডিওটি নজরে আসে উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজা-র। পরে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়ান। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিবারটিকে এক মাসের খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়। এছাড়াও ভবিষ্যতেও পরিবারটির পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত সৃষ্টি হয়েছে। ছোট্ট লামিয়ার সংগ্রামী জীবন দেখে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন। সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় ব্যক্তিদের পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
একটি ভাইরাল ভিডিও শুধু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেই আলোড়ন তোলেনি, বরং অসহায় একটি পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর মানবিক বার্তাও পৌঁছে দিয়েছে সবার কাছে।
মাইক্রোফাইন্যান্স দাবির অর্থায়নে কৃষাণিদের মাঝে উন্নত মানের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্র্যাক এর উদ্যোগ নিয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে উন্নত জাতের সবজি ও ধানের বীজ বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইলিয়াস সিকদার, বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আহসানুল হাবিব আল আজাদ জনি সহ অনেকে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার বিএম আফজাল হোসেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কৃষকদের স্বাবলম্বী করতে ব্র্যাক দীর্ঘদিন ধরে কৃষি সহায়তা, প্রশিক্ষণ ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।
বীজ পেয়ে কৃষকেরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার দাবি জানান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহকারী বিডিসি মোঃ মনজুরুল আলম।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পাপড়ী বাড়ৈ , আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক,বরিশাল-২,নিশাত তাসনিম লিজা ,আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক (জিজেডি) ,কিরণ চন্দ্র পান্ডে ,সিনিয়র এলাকা ব্যবস্থাপক মাইক্রোফাইন্যান্স (দাবি), শিশির কুসার গুহ,এলাকা ব্যবস্থাপক প্রগতি , মো: ইমতিয়াজ ওয়াহিদ ,শাখা ব্যবস্থাপক.দাবি, শান্তি রঞ্জন ভদ্র,উপজেলা হিসাব কর্মকর্তা,বিশ্বজিত কুমার পাল,কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ইলেকট্রনিক্স প্রিন্ট মিডিয়ার কর্মী বৃন্দ।
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়ন ও অতিরিক্ত দায়িত্ব চাঁদপাশা ইউনিয়নের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) জহিরুল ইসলামের প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা মুখে পড়েছেন উপজেলা প্রশাসন। ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ভূমি সংক্রান্ত সেবা নিতে আসা পাঞ্জাবি ও টুপি মাথায় এক বয়স্ক লোকের থেকে টাকা গ্রহন করে হাতে নিয়ে বনিবনা করছেন জহিরুল ইসলাম।
এ সময় মোবাইল দেখা তড়িঘড়ি করে টাকা পকেটে রেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ওই কর্মকর্তা। ইতোমধ্যে ওই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এতে উপজেলা প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকাবাসী। স্থানীয়রা জানান, ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে ঘুষ দিতে বাধ্য করছেন ওই কর্মকর্তা। এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে আচরণ করেন অসৌজন্যমূলক। ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি তার দুর্নীতি ও ঘুষ গ্রহনের সেই অভিযোগের বাস্তব চিত্র ফুটে ওঠেছে।
সেবা প্রত্যাশীদের অভিযোগ, অসাধু ওই কর্মকর্তার দৌরাত্ম্যে সেবা প্রার্থীরা জিম্মি হয়ে পড়েছেন। ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরও দৌরাত্ম্য কমেনি জহিরুল ইসলামের। সেবা প্রত্যাশীদের দাবি, তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ কতৃপক্ষের। এতে প্রশাসনের উপর আস্থা ফিরে আসবে জনগণের। রহমতপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের এক কর্মচারী জানান, তহশিলদার জহিরুল ইসলাম প্রতি সপ্তাহে বিমানে ঢাকা যাতায়াতে করে অফিস করেন।
যেদিন বিমান না থাকে সেদিন স্লিপার বাস যাতায়াত করেন। জহিরুল ইসলাম এর আগে বরিশাল সদরে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা হিসাবে কর্মরত ছিলেন। সেখান থেকেই অঢেল সম্পদের মালিক বনে গেছেন। বরিশাল বিএম কলেজ সংলগ্ন একটি ও ঢাকার কল্যাণপুরে একটি বহুতল বাড়ি রয়েছে এবং একাধিক ফ্ল্যাট রয়েছে তার। তিনি স্ত্রী সন্তান নিয়ে ঢাকায় বসবাস করেন। চাঁদপাশা ইউনিয়নের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক (ছদ্মনাম) হেমায়েত উদ্দিন বলেন, আমার জামিতে ১৫০ ধারা, রেকর্ড সংশোধনের প্রতিবেদন দিতে দশ হাজার টাকা দাবি করেন তহসিলদার জহিরুল ইসলাম। আমি তিন হাজার টাকা দিয়ে এসেছি। কিন্তু বাকি টাকার জন্য দুই মাস ধরে ঘুরাচ্ছে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চেয়ে ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) জহিরুল ইসলাম মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ঘুষ লেনদেন বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না বলেন, ভিডিওটি আমি দেখেছি। ঘুষের গ্রহণের বিষয়ে তহশিলদার জহিরুলকে জিজ্ঞেস করেছিলাম তিনি বিষয়টি অস্বীকার করে এড়িয়ে গেছেন। তবে আমার কাছে কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা উল হুসনা বলেন, বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। ভিডিওটি এনএসআই আমাকে পাঠিয়েছে এবং ফেসবুকে দেখেছি। এ বিষয়ে আমি ডিসি স্যারকে অবহিত করেছি।
বরিশাল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর সহকারী পরিচালক খন্দকার কামরুজ্জামান বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে, ঘুষ গ্রহণের ভিডিওটি আমরা দেখছি। তবে আমার কাছে অভিযোগ আসলেই আমরা ব্যবস্থা বা তদন্ত শুরু করবো।
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়ন ও অতিরিক্ত দায়িত্ব চাঁদপাশা ইউনিয়নের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) জহিরুল ইসলামের প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা মুখে পড়েছেন উপজেলা প্রশাসন। ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ভূমি সংক্রান্ত সেবা নিতে আসা পাঞ্জাবি ও টুপি মাথায় এক বয়স্ক লোকের থেকে টাকা গ্রহন করে হাতে নিয়ে বনিবনা করছেন জহিরুল ইসলাম।
এ সময় মোবাইল দেখা তড়িঘড়ি করে টাকা পকেটে রেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ওই কর্মকর্তা। ইতোমধ্যে ওই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এতে উপজেলা প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকাবাসী। স্থানীয়রা জানান, ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে ঘুষ দিতে বাধ্য করছেন ওই কর্মকর্তা। এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে আচরণ করেন অসৌজন্যমূলক। ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি তার দুর্নীতি ও ঘুষ গ্রহনের সেই অভিযোগের বাস্তব চিত্র ফুটে ওঠেছে।
সেবা প্রত্যাশীদের অভিযোগ, অসাধু ওই কর্মকর্তার দৌরাত্ম্যে সেবা প্রার্থীরা জিম্মি হয়ে পড়েছেন। ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরও দৌরাত্ম্য কমেনি জহিরুল ইসলামের। সেবা প্রত্যাশীদের দাবি, তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ কতৃপক্ষের। এতে প্রশাসনের উপর আস্থা ফিরে আসবে জনগণের। রহমতপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের এক কর্মচারী জানান, তহশিলদার জহিরুল ইসলাম প্রতি সপ্তাহে বিমানে ঢাকা যাতায়াতে করে অফিস করেন।
যেদিন বিমান না থাকে সেদিন স্লিপার বাস যাতায়াত করেন। জহিরুল ইসলাম এর আগে বরিশাল সদরে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা হিসাবে কর্মরত ছিলেন। সেখান থেকেই অঢেল সম্পদের মালিক বনে গেছেন। বরিশাল বিএম কলেজ সংলগ্ন একটি ও ঢাকার কল্যাণপুরে একটি বহুতল বাড়ি রয়েছে এবং একাধিক ফ্ল্যাট রয়েছে তার। তিনি স্ত্রী সন্তান নিয়ে ঢাকায় বসবাস করেন। চাঁদপাশা ইউনিয়নের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক (ছদ্মনাম) হেমায়েত উদ্দিন বলেন, আমার জামিতে ১৫০ ধারা, রেকর্ড সংশোধনের প্রতিবেদন দিতে দশ হাজার টাকা দাবি করেন তহসিলদার জহিরুল ইসলাম। আমি তিন হাজার টাকা দিয়ে এসেছি। কিন্তু বাকি টাকার জন্য দুই মাস ধরে ঘুরাচ্ছে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চেয়ে ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) জহিরুল ইসলাম মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ঘুষ লেনদেন বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না বলেন, ভিডিওটি আমি দেখেছি। ঘুষের গ্রহণের বিষয়ে তহশিলদার জহিরুলকে জিজ্ঞেস করেছিলাম তিনি বিষয়টি অস্বীকার করে এড়িয়ে গেছেন। তবে আমার কাছে কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা উল হুসনা বলেন, বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। ভিডিওটি এনএসআই আমাকে পাঠিয়েছে এবং ফেসবুকে দেখেছি। এ বিষয়ে আমি ডিসি স্যারকে অবহিত করেছি।
বরিশাল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর সহকারী পরিচালক খন্দকার কামরুজ্জামান বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে, ঘুষ গ্রহণের ভিডিওটি আমরা দেখছি। তবে আমার কাছে অভিযোগ আসলেই আমরা ব্যবস্থা বা তদন্ত শুরু করবো।
জীবনের কঠিন বাস্তবতা যেন খুব অল্প বয়সেই কাঁধে এসে ভর করেছে ছোট্ট লামিয়ার। মা মারা গেছেন অনেক আগেই। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ভ্যানচালক বাবা আল মাহমুদও বর্তমানে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। ফলে অভাব-অনটনের সংসারে নেমে আসে চরম সংকট। এমন পরিস্থিতিতে পরিবারের হাল ধরতে বাবার ভ্যান নিয়ে রাস্তায় নামতে বাধ্য হয় শিশু লামিয়া।
হৃদয়বিদারক সেই দৃশ্যের একটি ভিডিও মঙ্গলবার (১২ মে) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা হলে মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, ছোট্ট লামিয়া জীবিকার তাগিদে বাবার ভ্যান চালানোর চেষ্টা করছে। দৃশ্যটি অসংখ্য মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা ও সহানুভূতির ঝড়।
লামিয়ার বাড়ি বরিশালের উজিরপুরের গরিয়া নতুনহাট ডিসি বাড়ি এলাকায়। স্থানীয়রা জানান, পরিবারের আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। মা হারানোর শোক কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই বাবার অসুস্থতায় পরিবারটি মানবেতর জীবনযাপন করছে।
ভিডিওটি নজরে আসে উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজা-র। পরে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়ান। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিবারটিকে এক মাসের খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়। এছাড়াও ভবিষ্যতেও পরিবারটির পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত সৃষ্টি হয়েছে। ছোট্ট লামিয়ার সংগ্রামী জীবন দেখে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন। সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় ব্যক্তিদের পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
একটি ভাইরাল ভিডিও শুধু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেই আলোড়ন তোলেনি, বরং অসহায় একটি পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর মানবিক বার্তাও পৌঁছে দিয়েছে সবার কাছে।