
২০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৪
ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেল এবং প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সোমবার রাতে ধানমন্ডি এলাকা থেকে শামীমা নাসরিন ও মোহাম্মদ রাসেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
জানা গেছে, শামীমা নাসরিন ও মোহাম্মদ রাসেলের বিরুদ্ধে দুই শতাধিক গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। এর মধ্যে ধানমন্ডি থানাতেই রয়েছে শতাধিক পরোয়ানা।
এর আগে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) প্রতারণার মামলায় মোহাম্মদ রাসেল ও শামীমা নাসরিনকে ১৫ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী মুসতাভী হাসান রাতুল বিষয়টি নিশ্চিত জানান, গত রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম আসামিদের অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।
কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা উপস্থিত না থাকায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আসামিরা প্রতারণার উদ্দেশ্যে চমকপ্রদ বিজ্ঞাপন দিয়ে গ্রাহকদের আকৃষ্ট করেছেন। বিভিন্ন সময়ে কোম্পানিটি তাদের ফেসবুক পেজের মাধ্যমে বিভিন্ন পণ্যের অফার দেয়। কোম্পানির এই বিজ্ঞাপন দেখে বাদী মো. বজলুর রহমান ২০২১ সালের ৪ জুন একটি মোটরসাইকেল (Honda Livo 110cc Motorbike) কেনার জন্য একষট্টি হাজার একশ চল্লিশ টাকা স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক লিমিটেডের ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে আসামিদের প্রতিষ্ঠানে অগ্রিম প্রদান করেন। নির্ধারিত সময় সীমার মধ্যে মোটরসাইকেল বাদীকে হস্তান্তর করতে ব্যর্থ হন। তার কেনা পণ্যটি ডেলিভারির জন্য বিভিন্ন আশ্বাস প্রদান করতে থাকে।
বাদীকে মামলা না করার জন্য অনুরোধ করে সময়ক্ষেপণ করতে থাকে। পরে বাদী সংবাদপত্রের মাধ্যমে জানতে পারেন ইভ্যালি ডট কম লিমিটেড তাদের প্রতিষ্ঠান বন্ধ করেছে এবং সেই সংবাদের ভিত্তিতে বাদী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে দেখতে পান যে আসামিদের প্রতিষ্ঠান বন্ধ। এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর বজলুর রহমান বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। এরপর গত বছরের ২৫ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে বাদী নিজে সাক্ষ্য প্রদান করেন।
ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেল এবং প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সোমবার রাতে ধানমন্ডি এলাকা থেকে শামীমা নাসরিন ও মোহাম্মদ রাসেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
জানা গেছে, শামীমা নাসরিন ও মোহাম্মদ রাসেলের বিরুদ্ধে দুই শতাধিক গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। এর মধ্যে ধানমন্ডি থানাতেই রয়েছে শতাধিক পরোয়ানা।
এর আগে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) প্রতারণার মামলায় মোহাম্মদ রাসেল ও শামীমা নাসরিনকে ১৫ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী মুসতাভী হাসান রাতুল বিষয়টি নিশ্চিত জানান, গত রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম আসামিদের অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।
কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা উপস্থিত না থাকায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আসামিরা প্রতারণার উদ্দেশ্যে চমকপ্রদ বিজ্ঞাপন দিয়ে গ্রাহকদের আকৃষ্ট করেছেন। বিভিন্ন সময়ে কোম্পানিটি তাদের ফেসবুক পেজের মাধ্যমে বিভিন্ন পণ্যের অফার দেয়। কোম্পানির এই বিজ্ঞাপন দেখে বাদী মো. বজলুর রহমান ২০২১ সালের ৪ জুন একটি মোটরসাইকেল (Honda Livo 110cc Motorbike) কেনার জন্য একষট্টি হাজার একশ চল্লিশ টাকা স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক লিমিটেডের ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে আসামিদের প্রতিষ্ঠানে অগ্রিম প্রদান করেন। নির্ধারিত সময় সীমার মধ্যে মোটরসাইকেল বাদীকে হস্তান্তর করতে ব্যর্থ হন। তার কেনা পণ্যটি ডেলিভারির জন্য বিভিন্ন আশ্বাস প্রদান করতে থাকে।
বাদীকে মামলা না করার জন্য অনুরোধ করে সময়ক্ষেপণ করতে থাকে। পরে বাদী সংবাদপত্রের মাধ্যমে জানতে পারেন ইভ্যালি ডট কম লিমিটেড তাদের প্রতিষ্ঠান বন্ধ করেছে এবং সেই সংবাদের ভিত্তিতে বাদী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে দেখতে পান যে আসামিদের প্রতিষ্ঠান বন্ধ। এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর বজলুর রহমান বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। এরপর গত বছরের ২৫ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে বাদী নিজে সাক্ষ্য প্রদান করেন।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:১৭
সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য নেই মন্তব্য করে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ঐক্য না থাকার কারণেই নানা পক্ষ সুযোগ নিয়ে সাংবাদিকদের হয়রানি করে থাকে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) ইউনেস্কো গ্লোবাল মিডিয়া ডিফেন্স ফান্ডের সহায়তায় গণমাধ্যম ও যোগাযোগ উন্নয়ন সংগঠন সমষ্টির উদ্যোগে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কাছে সাংবাদিক সহায়তা ডেস্ক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ইউনেস্কো বাংলাদেশ কার্যালয়ের প্রধান ও বাংলাদেশে ইউনেস্কোর প্রতিনিধি সুসান ভাইজ সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলসহ অনুষ্ঠানে সরকারের সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা, সাংবাদিক সংগঠনের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি, আইনগত সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার প্রতিনিধি, গণমাধ্যম পেশাজীবী এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা অংশগ্রহণ করেন।
সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য নেই মন্তব্য করে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ঐক্য না থাকার কারণেই নানা পক্ষ সুযোগ নিয়ে সাংবাদিকদের হয়রানি করে থাকে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) ইউনেস্কো গ্লোবাল মিডিয়া ডিফেন্স ফান্ডের সহায়তায় গণমাধ্যম ও যোগাযোগ উন্নয়ন সংগঠন সমষ্টির উদ্যোগে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কাছে সাংবাদিক সহায়তা ডেস্ক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ইউনেস্কো বাংলাদেশ কার্যালয়ের প্রধান ও বাংলাদেশে ইউনেস্কোর প্রতিনিধি সুসান ভাইজ সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলসহ অনুষ্ঠানে সরকারের সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা, সাংবাদিক সংগঠনের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি, আইনগত সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার প্রতিনিধি, গণমাধ্যম পেশাজীবী এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা অংশগ্রহণ করেন।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:২১
আদালতের আদেশ অমান্য করায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।
আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ।
আইনজীবী জানান, গত বছরের ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট কৃষক শ্রমিক জনতা পার্টি নামে একটি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বিষয়ে আবেদন প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। সিইসি আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করেননি। এই কারণে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আদালত অবমাননার আবেদন করা হয়।
আদালতের আদেশ অমান্য করায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।
আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ।
আইনজীবী জানান, গত বছরের ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট কৃষক শ্রমিক জনতা পার্টি নামে একটি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বিষয়ে আবেদন প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। সিইসি আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করেননি। এই কারণে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আদালত অবমাননার আবেদন করা হয়।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:১৩
যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে দ্বিতীয় সচিব পদে নিয়োগ পেয়েছেন ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম মুখ ও ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির মেজ ভাই শরীফ ওমর বিন হাদি।
এখনও তিনি যোগদান করেননি। যাওয়ার আগে শহীদ হাদির একমাত্র সন্তান ফিরনাস ইবনে ওসমান হাদিকেও সেখানে নিতে চান তিনি। তবে শহীদ হাদির স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম শম্পা তাতে আপত্তি জানিয়ে বলেছেন, ফিরনাসকে সবাই নিতে চাইবে এটাই স্বাভাবিক।
তবে তার বাবা একজনই, তিনি শহীদ ওসমান হাদি।
শনিবার ফেসবুকে আলাদা আলাদাভাবে পোস্টে এসব মন্তব্য করেন তারা। ইতিমধ্যে তাদের এসব পোস্ট সামাজিক মাধ্যমে আলোচনায় এসেছে।
জানা যায়, প্রথমে শরীফ ওমর বিন হাদি তার ছোট ভাই শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির একটি ছবি দিয়ে লেখেন, আমি ওসমান হাদির ভাই প্রমাণ করার মতো একটা ছবি পেয়েছি।
ভাই তোমরা হাদির যা ছিল সব নিয়ে নাও। এমনকি তার বউকে নিয়ে নাও, শুধু আমার সন্তানটা আমাকে দিয়ে দেও প্লিজ। নিরাপদ বসবাসের জন্য তাকে নিয়ে আমি যুক্তরাজ্যে চলে যাবো।
এরপর শহীদ হাদির স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম শম্পা সেই পোস্টটি শেয়ার দিয়ে লেখেন, মেজ ভাইয়া ওসমান হাদির বউ কোনো প্রোডাক্ট না যে কেউ চাইলেই নিয়ে নিবে।
আর ফিরনাসরে সবাই নিয়ে নিতেই চাইবে এটাই স্বাভাবিক। বাই দা ওয়ে ফিরনাসের বাবা একজনই শহীদ ওসমান হাদি। এদিকে, পরিবারের ভেতরের এই মতবিরোধ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা ও নানা প্রতিক্রিয়া।
অনেকে বিষয়টিকে পারিবারিক ও আইনি কাঠামোর মধ্যে সমাধানের আহ্বান জানাচ্ছেন, আবার কেউ কেউ সন্তানের সর্বোত্তম স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পক্ষে মত দিচ্ছেন।
জানা গেছে, সম্প্রতি অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে দ্বিতীয় সচিব পদে ওমর বিন হাদিকে তিন বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে জনস্বার্থে এ নিয়োগের কথা জানানো হয়। এর আগে গত ১২ ডিসেম্বর দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হয়ে ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে মারা যান শরিফ ওসমান হাদি। ২০ ডিসেম্বর তার জানাজায় লাখো মানুষ অংশ নেন।
যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে দ্বিতীয় সচিব পদে নিয়োগ পেয়েছেন ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম মুখ ও ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির মেজ ভাই শরীফ ওমর বিন হাদি।
এখনও তিনি যোগদান করেননি। যাওয়ার আগে শহীদ হাদির একমাত্র সন্তান ফিরনাস ইবনে ওসমান হাদিকেও সেখানে নিতে চান তিনি। তবে শহীদ হাদির স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম শম্পা তাতে আপত্তি জানিয়ে বলেছেন, ফিরনাসকে সবাই নিতে চাইবে এটাই স্বাভাবিক।
তবে তার বাবা একজনই, তিনি শহীদ ওসমান হাদি।
শনিবার ফেসবুকে আলাদা আলাদাভাবে পোস্টে এসব মন্তব্য করেন তারা। ইতিমধ্যে তাদের এসব পোস্ট সামাজিক মাধ্যমে আলোচনায় এসেছে।
জানা যায়, প্রথমে শরীফ ওমর বিন হাদি তার ছোট ভাই শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির একটি ছবি দিয়ে লেখেন, আমি ওসমান হাদির ভাই প্রমাণ করার মতো একটা ছবি পেয়েছি।
ভাই তোমরা হাদির যা ছিল সব নিয়ে নাও। এমনকি তার বউকে নিয়ে নাও, শুধু আমার সন্তানটা আমাকে দিয়ে দেও প্লিজ। নিরাপদ বসবাসের জন্য তাকে নিয়ে আমি যুক্তরাজ্যে চলে যাবো।
এরপর শহীদ হাদির স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম শম্পা সেই পোস্টটি শেয়ার দিয়ে লেখেন, মেজ ভাইয়া ওসমান হাদির বউ কোনো প্রোডাক্ট না যে কেউ চাইলেই নিয়ে নিবে।
আর ফিরনাসরে সবাই নিয়ে নিতেই চাইবে এটাই স্বাভাবিক। বাই দা ওয়ে ফিরনাসের বাবা একজনই শহীদ ওসমান হাদি। এদিকে, পরিবারের ভেতরের এই মতবিরোধ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা ও নানা প্রতিক্রিয়া।
অনেকে বিষয়টিকে পারিবারিক ও আইনি কাঠামোর মধ্যে সমাধানের আহ্বান জানাচ্ছেন, আবার কেউ কেউ সন্তানের সর্বোত্তম স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পক্ষে মত দিচ্ছেন।
জানা গেছে, সম্প্রতি অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে দ্বিতীয় সচিব পদে ওমর বিন হাদিকে তিন বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে জনস্বার্থে এ নিয়োগের কথা জানানো হয়। এর আগে গত ১২ ডিসেম্বর দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হয়ে ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে মারা যান শরিফ ওসমান হাদি। ২০ ডিসেম্বর তার জানাজায় লাখো মানুষ অংশ নেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.