
১৪ জুন, ২০২৫ ১৯:৩৩
রংপুর নগরীর সরেয়ারতল এলাকায় যৌতুকের টাকা না পাওয়ায় স্বামীর বিরুদ্ধে গৃহবধূকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, মরদেহ নিয়ে থানায় এসে এজাহার দিলেও পুলিশ মামলা নিতে রাজি হয়নি। ওই গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে জানিয়ে আদালতে মামলা দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন থানার ওসি।
তবে মামলা করতে মেয়ের মরদেহ বাড়িতে রেখে এসে থানার সামনে দাঁড়িয়ে ভুক্তভোগীর বাবা ও তার স্বজনরা। শনিবার (১৪ জুন) দুপুর ১২টার দিকে নগরীর মাহিগঞ্জ থানায় গিয়ে দেখা যায় গৃহবধূ রেজোয়ানার পরিবারের সদস্যরা থানার সামনে অপেক্ষা করছেন।
জানা গেছে, গত রোববার (০৮ জুন) দুপুরে গৃহবধূ রেজোয়ানার গায়ে আগুন দেওয়া হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার ভোরে মারা যান। রাত ১২টার দিকে মরদেহ নিয়ে থানায় আসেন নিহতের পরিবার। শনিবার দুপুর পর্যন্ত থানায় অপেক্ষা করছেন তারা।
ভুক্তভোগী পরিবার জানিয়েছে, ঈদের পরদিন দুপুরে ঘরের দরজা বন্ধ করে হাত বেঁধে গৃহবধূ রেজোয়ানা দিল আফরোজের গায়ে আগুন দেয় তার স্বামী আব্দুল করিম। এ সময় রেজওয়ানার বাবা তার বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন। তাদের অভিযোগ কয়েক মাস ধরে যৌতুকের ৬ লাখ টাকার জন্য চাপ দিয়ে আসছিলেন স্বামী আব্দুল করিম।
নিহতের বাবা রেজাউল করিম জানান, ঈদের দিন রাতে মেয়ের বাড়িতে কোরবানির মাংস নিয়ে যান তিনি। পরদিন দুপুরে তিনি খাওয়া-দাওয়া করে রুমে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। এ সময় তার মেয়ে, জামাই ও তার মা খেতে বসেন। তিনি শুনতে পান তার মেয়ে বলছিলেন ‘আমার খেতে বসেও শান্তি নাই।’
তিনি ঘর থেকে বের হয়ে দেখেন তার মেয়ে-জামাই সেখানে নেই। একটু পর ঘরের ভেতর থেকে তার মেয়ে চিৎকার করে ‘আমাকে বাঁচাও’। এ সময় তিনি ঘরের দরজা খোলার চেষ্টা করলে দেখেন ভেতর থেকে লক করা। পরে বেলকনিতে গিয়ে গিয়ে দেখেন তার মেয়ের শরীরে আগুন জ্বলছে।
তার মেয়ে নিজেকে বাঁচাতে সেখানে ঘুরছেন। পরে স্থানীয়রা সেখানে এসে বেলকনির বাইরে থেকে পানি ঢেলে আগুন নিভিয়ে ফেলে। পরে তাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাৎক্ষণিক ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠান।
তিনি বলেন, ঢাকা মেডিকেলে ৪ দিন ধরে চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার ভোরে তার মেয়ে মারা যান। পরে অ্যাম্বুলেন্সযোগে মরদেহ নিয়ে আসার সময় ফোন করে পুলিশ তাদের নগরীর মাহীগঞ্জ থানায় ডাকেন। এ সময় হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত তার জামাই আব্দুল করিম, তার বোন পারভীন ও দুলাভাই ফখরুল তাদের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সে ছিলেন।
ভুক্তভোগী রেজোয়ানার মামা মনির হোসেন বলেন, রাত ১২টার দিকে মরদেহ নিয়ে থানায় আসার পর অভিযুক্ত তিনজনকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। কিন্তু আধাঘণ্টা পর পুলিশ পারভীন ও তার স্বামী ফখরুলকে ছেড়ে দেয়। পরে তারা থানার গেট থেকে তাদের আটক করে আবারও পুলিশের কাছে দেন। এ ঘটনায় মামলার এজাহার দেওয়া হলেও পুলিশ মামলা নিতে গড়িমসি করে। তারা পরিবারের লোকজন ১২ ঘণ্টা থেকে মামলা দিতে থানায় অবস্থান করছেন বলে জানান।
নিহতের চাচা মুকুল মিয়া বলেন, ভাতিজির মারা যাওয়ার খবর পেয়ে শুক্রবার বেলা ১১টায় তিনি থানায় আসেন। এ সময় থানায় ওসিকে না পেয়ে তাকে ফোনে কল দিয়ে মামলা করবেন বলে জানান। কিন্তু ওসি তাকে বলেন, ‘তার ভাতিজি আত্মহত্যা করেছেন। এ মামলা নেওয়া যাবে না। তারা যেন আদালতে গিয়ে মামলা করেন।’
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেন মাহিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল কুদ্দুস। তিনি বলেন, ‘এজাহারে কিছু ভুল থাকায় মামলা গ্রহণে বিলম্ব হচ্ছে।’ তবে তদন্তের আগে ওই গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে এমন কথা তিনি কীভাবে জানলেন এ প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো উত্তর দেননি।
এ সময় থানায় উপস্থিত সহকারী পুলিশ কমিশনার (মাহিগঞ্জ জোন) মারুফ আহমেদ বলেন, ‘এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। আটক তিনজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে।’ ওসির বিরুদ্ধে মামলা না নেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তদন্ত করে এ রকম কোনো ঘটনা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
রংপুর নগরীর সরেয়ারতল এলাকায় যৌতুকের টাকা না পাওয়ায় স্বামীর বিরুদ্ধে গৃহবধূকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, মরদেহ নিয়ে থানায় এসে এজাহার দিলেও পুলিশ মামলা নিতে রাজি হয়নি। ওই গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে জানিয়ে আদালতে মামলা দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন থানার ওসি।
তবে মামলা করতে মেয়ের মরদেহ বাড়িতে রেখে এসে থানার সামনে দাঁড়িয়ে ভুক্তভোগীর বাবা ও তার স্বজনরা। শনিবার (১৪ জুন) দুপুর ১২টার দিকে নগরীর মাহিগঞ্জ থানায় গিয়ে দেখা যায় গৃহবধূ রেজোয়ানার পরিবারের সদস্যরা থানার সামনে অপেক্ষা করছেন।
জানা গেছে, গত রোববার (০৮ জুন) দুপুরে গৃহবধূ রেজোয়ানার গায়ে আগুন দেওয়া হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার ভোরে মারা যান। রাত ১২টার দিকে মরদেহ নিয়ে থানায় আসেন নিহতের পরিবার। শনিবার দুপুর পর্যন্ত থানায় অপেক্ষা করছেন তারা।
ভুক্তভোগী পরিবার জানিয়েছে, ঈদের পরদিন দুপুরে ঘরের দরজা বন্ধ করে হাত বেঁধে গৃহবধূ রেজোয়ানা দিল আফরোজের গায়ে আগুন দেয় তার স্বামী আব্দুল করিম। এ সময় রেজওয়ানার বাবা তার বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন। তাদের অভিযোগ কয়েক মাস ধরে যৌতুকের ৬ লাখ টাকার জন্য চাপ দিয়ে আসছিলেন স্বামী আব্দুল করিম।
নিহতের বাবা রেজাউল করিম জানান, ঈদের দিন রাতে মেয়ের বাড়িতে কোরবানির মাংস নিয়ে যান তিনি। পরদিন দুপুরে তিনি খাওয়া-দাওয়া করে রুমে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। এ সময় তার মেয়ে, জামাই ও তার মা খেতে বসেন। তিনি শুনতে পান তার মেয়ে বলছিলেন ‘আমার খেতে বসেও শান্তি নাই।’
তিনি ঘর থেকে বের হয়ে দেখেন তার মেয়ে-জামাই সেখানে নেই। একটু পর ঘরের ভেতর থেকে তার মেয়ে চিৎকার করে ‘আমাকে বাঁচাও’। এ সময় তিনি ঘরের দরজা খোলার চেষ্টা করলে দেখেন ভেতর থেকে লক করা। পরে বেলকনিতে গিয়ে গিয়ে দেখেন তার মেয়ের শরীরে আগুন জ্বলছে।
তার মেয়ে নিজেকে বাঁচাতে সেখানে ঘুরছেন। পরে স্থানীয়রা সেখানে এসে বেলকনির বাইরে থেকে পানি ঢেলে আগুন নিভিয়ে ফেলে। পরে তাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাৎক্ষণিক ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠান।
তিনি বলেন, ঢাকা মেডিকেলে ৪ দিন ধরে চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার ভোরে তার মেয়ে মারা যান। পরে অ্যাম্বুলেন্সযোগে মরদেহ নিয়ে আসার সময় ফোন করে পুলিশ তাদের নগরীর মাহীগঞ্জ থানায় ডাকেন। এ সময় হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত তার জামাই আব্দুল করিম, তার বোন পারভীন ও দুলাভাই ফখরুল তাদের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সে ছিলেন।
ভুক্তভোগী রেজোয়ানার মামা মনির হোসেন বলেন, রাত ১২টার দিকে মরদেহ নিয়ে থানায় আসার পর অভিযুক্ত তিনজনকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। কিন্তু আধাঘণ্টা পর পুলিশ পারভীন ও তার স্বামী ফখরুলকে ছেড়ে দেয়। পরে তারা থানার গেট থেকে তাদের আটক করে আবারও পুলিশের কাছে দেন। এ ঘটনায় মামলার এজাহার দেওয়া হলেও পুলিশ মামলা নিতে গড়িমসি করে। তারা পরিবারের লোকজন ১২ ঘণ্টা থেকে মামলা দিতে থানায় অবস্থান করছেন বলে জানান।
নিহতের চাচা মুকুল মিয়া বলেন, ভাতিজির মারা যাওয়ার খবর পেয়ে শুক্রবার বেলা ১১টায় তিনি থানায় আসেন। এ সময় থানায় ওসিকে না পেয়ে তাকে ফোনে কল দিয়ে মামলা করবেন বলে জানান। কিন্তু ওসি তাকে বলেন, ‘তার ভাতিজি আত্মহত্যা করেছেন। এ মামলা নেওয়া যাবে না। তারা যেন আদালতে গিয়ে মামলা করেন।’
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেন মাহিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল কুদ্দুস। তিনি বলেন, ‘এজাহারে কিছু ভুল থাকায় মামলা গ্রহণে বিলম্ব হচ্ছে।’ তবে তদন্তের আগে ওই গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে এমন কথা তিনি কীভাবে জানলেন এ প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো উত্তর দেননি।
এ সময় থানায় উপস্থিত সহকারী পুলিশ কমিশনার (মাহিগঞ্জ জোন) মারুফ আহমেদ বলেন, ‘এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। আটক তিনজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে।’ ওসির বিরুদ্ধে মামলা না নেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তদন্ত করে এ রকম কোনো ঘটনা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

১২ মে, ২০২৬ ১২:২৩
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির পশুর হাট ও খামারগুলোতে এবারও দেখা মিলছে ব্যতিক্রমী নামের গরু-মহিষ। সেই তালিকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে নারায়ণগঞ্জের একটি খামারের একটি বিশাল আকৃতির মহিষ, যার নাম রাখা হয়েছে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’।
নারায়ণগঞ্জ শহরের পাইকপাড়ায় অবস্থিত রাবেয়া অ্যাগ্রো ফার্মে থাকা এই মহিষটির ওজন ৭০০ কেজিরও বেশি। খামারের স্বত্বাধিকারী জিয়াউদ্দিন মৃধা জানান, এটি এলভিনো জাতের মহিষ। এর গায়ের গোলাপি আভাযুক্ত সাদা রং এবং সামনের দিকের চুলের বিশেষ আকৃতির কারণে মজার ছলে এই নামটি রাখা হয়েছে।
খামার কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, নামটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই মহিষটি দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন অসংখ্য দর্শনার্থী। অনেক ক্রেতা এটি কেনার আগ্রহ দেখালেও ইতোমধ্যে একজন ক্রেতা মহিষটি বুকিং দিয়ে রেখেছেন।
খামারের কর্মচারীরা জানান, মহিষটি সাধারণ খাবার হিসেবে ঘাস, ভুট্টা ও ভুসি খায়। বিশেষ যত্নে লালন-পালন করা হয়েছে এটিকে।
স্থানীয়দের মতে, ঈদুল আজহায় বড় ও আকর্ষণীয় পশুর পাশাপাশি ব্যতিক্রমী নামের কারণে এসব পশু নিয়ে আলাদা আগ্রহ তৈরি হয়। প্রতিবছরই বিভিন্ন খামারে ‘রাজা’, ‘সুলতান’, ‘বাহুবলী’ কিংবা আলোচিত ব্যক্তিত্বদের নামে পশুর নাম রাখার প্রবণতা দেখা যায়, যা ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের মধ্যে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করে।
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির পশুর হাট ও খামারগুলোতে এবারও দেখা মিলছে ব্যতিক্রমী নামের গরু-মহিষ। সেই তালিকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে নারায়ণগঞ্জের একটি খামারের একটি বিশাল আকৃতির মহিষ, যার নাম রাখা হয়েছে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’।
নারায়ণগঞ্জ শহরের পাইকপাড়ায় অবস্থিত রাবেয়া অ্যাগ্রো ফার্মে থাকা এই মহিষটির ওজন ৭০০ কেজিরও বেশি। খামারের স্বত্বাধিকারী জিয়াউদ্দিন মৃধা জানান, এটি এলভিনো জাতের মহিষ। এর গায়ের গোলাপি আভাযুক্ত সাদা রং এবং সামনের দিকের চুলের বিশেষ আকৃতির কারণে মজার ছলে এই নামটি রাখা হয়েছে।
খামার কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, নামটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই মহিষটি দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন অসংখ্য দর্শনার্থী। অনেক ক্রেতা এটি কেনার আগ্রহ দেখালেও ইতোমধ্যে একজন ক্রেতা মহিষটি বুকিং দিয়ে রেখেছেন।
খামারের কর্মচারীরা জানান, মহিষটি সাধারণ খাবার হিসেবে ঘাস, ভুট্টা ও ভুসি খায়। বিশেষ যত্নে লালন-পালন করা হয়েছে এটিকে।
স্থানীয়দের মতে, ঈদুল আজহায় বড় ও আকর্ষণীয় পশুর পাশাপাশি ব্যতিক্রমী নামের কারণে এসব পশু নিয়ে আলাদা আগ্রহ তৈরি হয়। প্রতিবছরই বিভিন্ন খামারে ‘রাজা’, ‘সুলতান’, ‘বাহুবলী’ কিংবা আলোচিত ব্যক্তিত্বদের নামে পশুর নাম রাখার প্রবণতা দেখা যায়, যা ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের মধ্যে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করে।

১১ মে, ২০২৬ ১৯:৪৫
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে স্কুল ড্রেস পরে মডেল মসজিদে গিয়ে টিকটক ভিডিও ধারণ এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ছাত্রীকে বিদ্যালয় থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১১ মে) দুপুরে দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মশিহুর রহমানের সই করা এক নোটিশে ওই শিক্ষার্থীকে টিসি দেওয়ার বিষয়টি জানানো হয়।
জানা গেছে, ছাড়পত্র পাওয়া ওই শিক্ষার্থীর নাম মোছা. সিনথিয়া আক্তার শান্তা। তিনি দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ভোকেশনাল শাখার জেনারেল ইলেকট্রনিক্স ট্রেডের শিক্ষার্থী ছিলেন।
বিদ্যালয়ের প্রকাশিত ছাড়পত্রে উল্লেখ করা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কিছু টিকটক ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় ঐতিহ্যবাহী দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে, যা বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলার পরিপন্থী।
বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য রক্ষা এবং ভবিষ্যতে অন্য শিক্ষার্থীরা যেন এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াতে সাহস না পায়, সে কারণে তাকে বিদ্যালয় থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মশিহুর রহমান বলেন, বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও সুনাম রক্ষার্থে কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে। আমরা চাই শিক্ষার্থীরা নৈতিকতা ও শৃঙ্খলার মধ্যে থেকে নিজেদের পরিচালনা করুক।
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে স্কুল ড্রেস পরে মডেল মসজিদে গিয়ে টিকটক ভিডিও ধারণ এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ছাত্রীকে বিদ্যালয় থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১১ মে) দুপুরে দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মশিহুর রহমানের সই করা এক নোটিশে ওই শিক্ষার্থীকে টিসি দেওয়ার বিষয়টি জানানো হয়।
জানা গেছে, ছাড়পত্র পাওয়া ওই শিক্ষার্থীর নাম মোছা. সিনথিয়া আক্তার শান্তা। তিনি দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ভোকেশনাল শাখার জেনারেল ইলেকট্রনিক্স ট্রেডের শিক্ষার্থী ছিলেন।
বিদ্যালয়ের প্রকাশিত ছাড়পত্রে উল্লেখ করা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কিছু টিকটক ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় ঐতিহ্যবাহী দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে, যা বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলার পরিপন্থী।
বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য রক্ষা এবং ভবিষ্যতে অন্য শিক্ষার্থীরা যেন এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াতে সাহস না পায়, সে কারণে তাকে বিদ্যালয় থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মশিহুর রহমান বলেন, বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও সুনাম রক্ষার্থে কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে। আমরা চাই শিক্ষার্থীরা নৈতিকতা ও শৃঙ্খলার মধ্যে থেকে নিজেদের পরিচালনা করুক।

১১ মে, ২০২৬ ১৮:৪৮
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ছয়জন মারা গেছেন। তবে এই সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। এছাড়া চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়েছে।
সোমবার (১১ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত হামে ৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ৩৫০ জন।
১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ছয় হাজার ৯৩৭ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ হাজার ৫০০ জন।
এখন পর্যন্ত হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৫ হাজার ৯৮০ জন এবং সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৩১ হাজার ৯৯২ জন।
বরিশাল টাইমস
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ছয়জন মারা গেছেন। তবে এই সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। এছাড়া চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়েছে।
সোমবার (১১ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত হামে ৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ৩৫০ জন।
১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ছয় হাজার ৯৩৭ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ হাজার ৫০০ জন।
এখন পর্যন্ত হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৫ হাজার ৯৮০ জন এবং সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৩১ হাজার ৯৯২ জন।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.