
৩১ অক্টোবর, ২০২৫ ১৭:১০
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, গণভোট ইস্যুতে প্রধান উপদেষ্টা ও উপদেষ্টা পরিষদ সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে যে সিদ্ধান্তই নেওয়া হোক না কেন ১৫ ফেব্রুয়ারির আগে- ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কারণ অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচন করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এটাকে ঠেকানোর কোনো শক্তি নেই।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক দল থাকলে মতবিরোধ থাকবে, একেক পার্টি একেক কথা বলবে, এটাই নিয়ম। সারাবিশ্বে এমনই হয়। কিন্তু কোনো উত্তাপই নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না।
শুক্রবার দুপুরে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটরিয়ামে জুলাই কন্যা ফাউন্ডেশন আয়োজিত মাইন্ড ব্রিজ অ্যান্ড নলেজ কম্পিটিশনের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
সবাইকে ধৈর্য ধারণের অনুরোধ করে তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউনূস দেশের মানুষের মঙ্গলে, গণতন্ত্রের স্বার্থে এবং সব দলের জন্য মঙ্গল এমন সব কাজই করবেন। ইতোমধ্যে সরকার জুলাই সনদ ডিক্লেয়ার করেছে, জুলাই সনদে স্বাক্ষর হয়েছে। এর আগে অনেকগুলো কমিশন তাদের রিপোর্ট জমা দিয়েছে। অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করা গেছে, ট্রায়ালের কাজগুলো হচ্ছে।
তিনি বলেন, আগামী ১৮ তারিখ কোর্ট হয়ত জানাবে, শেখ হাসিনার যে ট্রায়াল হচ্ছে তার বিচারের দিন জানাবে। অন্যান্য যতগুলো ইস্যু আছে সবগুলো ইস্যু নিয়েই কাজ হচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকার ইতোমধ্যে অনেকগুলো বড় বড় কাজ করেছে।
জুলাই ফাউন্ডেশনের সভাপতি জান্নাতুন নাইম প্রমির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইসমাইল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইসমাইল হোসেন প্রমুখ।’
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, গণভোট ইস্যুতে প্রধান উপদেষ্টা ও উপদেষ্টা পরিষদ সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে যে সিদ্ধান্তই নেওয়া হোক না কেন ১৫ ফেব্রুয়ারির আগে- ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কারণ অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচন করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এটাকে ঠেকানোর কোনো শক্তি নেই।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক দল থাকলে মতবিরোধ থাকবে, একেক পার্টি একেক কথা বলবে, এটাই নিয়ম। সারাবিশ্বে এমনই হয়। কিন্তু কোনো উত্তাপই নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না।
শুক্রবার দুপুরে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটরিয়ামে জুলাই কন্যা ফাউন্ডেশন আয়োজিত মাইন্ড ব্রিজ অ্যান্ড নলেজ কম্পিটিশনের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
সবাইকে ধৈর্য ধারণের অনুরোধ করে তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউনূস দেশের মানুষের মঙ্গলে, গণতন্ত্রের স্বার্থে এবং সব দলের জন্য মঙ্গল এমন সব কাজই করবেন। ইতোমধ্যে সরকার জুলাই সনদ ডিক্লেয়ার করেছে, জুলাই সনদে স্বাক্ষর হয়েছে। এর আগে অনেকগুলো কমিশন তাদের রিপোর্ট জমা দিয়েছে। অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করা গেছে, ট্রায়ালের কাজগুলো হচ্ছে।
তিনি বলেন, আগামী ১৮ তারিখ কোর্ট হয়ত জানাবে, শেখ হাসিনার যে ট্রায়াল হচ্ছে তার বিচারের দিন জানাবে। অন্যান্য যতগুলো ইস্যু আছে সবগুলো ইস্যু নিয়েই কাজ হচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকার ইতোমধ্যে অনেকগুলো বড় বড় কাজ করেছে।
জুলাই ফাউন্ডেশনের সভাপতি জান্নাতুন নাইম প্রমির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইসমাইল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইসমাইল হোসেন প্রমুখ।’

০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:১৬
বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট জোট সমর্থিত বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মনোনীত প্রার্থী আজমুল হাসান জিহাদ বলেছেন, ‘ওসমান হাদির হত্যাকে নির্বাচনী ট্রামকার্ড বানানো হয়েছে। এতেই প্রমাণ হয় ওসমান হাদির হত্যাকান্ডের সাথে বর্তমান সরকার জড়িত। হাদির মামলা এবং বিচারে কোনো অগ্রগতি নেই। অথচ সবাই এই হত্যাকে ব্যবহার করে ফায়দা হাসিল করতে ব্যস্ত। হাদিকে নিয়ে নির্বাচনী ব্যবসা বন্ধ করতে হবে।’ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বরিশালের বাবুগঞ্জে ১৬ দফার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ওই নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণাকালে তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য সংরক্ষণের অভাবে বাজার সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে যায়। কম দামে আড়ৎদার-মজুতদারের কাছে বিক্রি করতে বাধ্য হয়। আমাদের গ্রামের অধিকাংশ বাড়িতে এখন রেফ্রিজারেটর আছে। অথচ রাষ্ট্র কৃষকদের জন্য কোনো রেফ্রিজারেটর তথা হিমাগারের ব্যবস্থা করেনি। আমরা প্রতি ইউনিয়নে কৃষকদের জন্য একটি কোল্ডস্টোরেজ করতে চাই।’
বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির বরিশাল জেলা সভাপতি অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান সেলিমের সভাপতিত্বে ওই ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের কেন্দ্রীয় সহ-সধারণ সম্পাদক কমরেড রাজেকুজ্জামান রতন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ মকবুল হোসেন। এসময় বাসদসহ গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট জোটের কেন্দ্রীয় ও বরিশাল জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। নদীভাঙন, শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি, ভূমি, স্বাস্থ্য, তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বেকারত্ব দূরীকরণসহ বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনার ১৬ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন প্রার্থী আজমুল হাসান জিহাদ। এসময় উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।
নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের কেন্দ্রীয় সহ-সধারণ সম্পাদক কমরেড রাজেকুজ্জামান রতন বলেন, ‘এদেশে বাহান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত প্রতিটি আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছে তরুণ সমাজ। অথচ সবসময় তরুণদের ব্যবহার করা হয়েছে। তাদের প্রতারিত করা হয়েছে। বিগত সরকারের আমলে ভোটকে পণ্য বানিয়ে বিক্রি করা হয়েছে। সংসদকে ব্যবসায়ীদের একটি ক্লাবে পরিনত করা হয়েছে। এখন বিপুল কালো টাকা ছাড়া নির্বাচনের নাম মুখে নেওয়াও যেন পাপ। আমরা এই ধারার অবসান ঘটানোর জন্যই লড়াই করছি এবং ১৪৭ আসনের মধ্যে অধিকাংশ আসনেই আমরা তরুণদের মনোনয়ন দিয়েছি।'
বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট জোট সমর্থিত বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মনোনীত প্রার্থী আজমুল হাসান জিহাদ বলেছেন, ‘ওসমান হাদির হত্যাকে নির্বাচনী ট্রামকার্ড বানানো হয়েছে। এতেই প্রমাণ হয় ওসমান হাদির হত্যাকান্ডের সাথে বর্তমান সরকার জড়িত। হাদির মামলা এবং বিচারে কোনো অগ্রগতি নেই। অথচ সবাই এই হত্যাকে ব্যবহার করে ফায়দা হাসিল করতে ব্যস্ত। হাদিকে নিয়ে নির্বাচনী ব্যবসা বন্ধ করতে হবে।’ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বরিশালের বাবুগঞ্জে ১৬ দফার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ওই নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণাকালে তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য সংরক্ষণের অভাবে বাজার সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে যায়। কম দামে আড়ৎদার-মজুতদারের কাছে বিক্রি করতে বাধ্য হয়। আমাদের গ্রামের অধিকাংশ বাড়িতে এখন রেফ্রিজারেটর আছে। অথচ রাষ্ট্র কৃষকদের জন্য কোনো রেফ্রিজারেটর তথা হিমাগারের ব্যবস্থা করেনি। আমরা প্রতি ইউনিয়নে কৃষকদের জন্য একটি কোল্ডস্টোরেজ করতে চাই।’
বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির বরিশাল জেলা সভাপতি অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান সেলিমের সভাপতিত্বে ওই ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের কেন্দ্রীয় সহ-সধারণ সম্পাদক কমরেড রাজেকুজ্জামান রতন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ মকবুল হোসেন। এসময় বাসদসহ গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট জোটের কেন্দ্রীয় ও বরিশাল জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। নদীভাঙন, শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি, ভূমি, স্বাস্থ্য, তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বেকারত্ব দূরীকরণসহ বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনার ১৬ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন প্রার্থী আজমুল হাসান জিহাদ। এসময় উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।
নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের কেন্দ্রীয় সহ-সধারণ সম্পাদক কমরেড রাজেকুজ্জামান রতন বলেন, ‘এদেশে বাহান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত প্রতিটি আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছে তরুণ সমাজ। অথচ সবসময় তরুণদের ব্যবহার করা হয়েছে। তাদের প্রতারিত করা হয়েছে। বিগত সরকারের আমলে ভোটকে পণ্য বানিয়ে বিক্রি করা হয়েছে। সংসদকে ব্যবসায়ীদের একটি ক্লাবে পরিনত করা হয়েছে। এখন বিপুল কালো টাকা ছাড়া নির্বাচনের নাম মুখে নেওয়াও যেন পাপ। আমরা এই ধারার অবসান ঘটানোর জন্যই লড়াই করছি এবং ১৪৭ আসনের মধ্যে অধিকাংশ আসনেই আমরা তরুণদের মনোনয়ন দিয়েছি।'

০৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৪
ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেন।
তাসনিম জারা এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ছিলেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ও সমমনা দলগুলোর সঙ্গে এনসিপির নির্বাচনী জোট নিয়ে দল থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। এরপর ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
হলফনামার তথ্য অনুসারে, তাসনিম জারার সম্পদ আছে ১৯ লাখ টাকার। তাসনিম জারার বার্ষিক আয় ৭ লাখ ১৩ হাজার ৫৯৭ টাকা, সম্পদ আছে ১৯ লাখ ১৩ হাজার ৫০৯ টাকার, আয়কর দিয়েছেন ৩৪ হাজার ৫৭ টাকা।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, কোনো মামলা, ঋণ, দায় বা সরকারি পাওনা নেই তার। নেই বাড়ি, ফ্ল্যাট, কৃষি বা অকৃষি জমিও। অলংকার আছে আড়াই লাখ টাকার। ব্যাংকে নিজ নাম জমা আছে ১০ হাজার ১৯ টাকা, হাতে নগদ আছে ১৬ লাখ টাকা ও ২ হাজার ২৭০ ব্রিটিশ পাউন্ড। স্বামী খালেদা সাইফুল্লাহর হাতে নগদ আছে ১৫ লাখ টাকা ও ৬ হাজার ব্রিটিশ পাউন্ড।
তাসনিম জারার বছরে চাকরি থেকে আয় ৭ লাখ ১৩ হাজার ৩৩৩ টাকা। ব্যাংকে আমানত ২৬৪ টাকা। দেশের বাইরে আয় ৩২০০ পাউন্ড। দেশের বাইরে স্বামীর আয় ৩৯ হাজার ৮০০ পাউন্ড।
জারা পেশায় চিকিৎসক, তার স্বামী উদ্যোক্তা ও গবেষক। এনসিপির সদ্য পদত্যাগী এ নেত্রীর জন্ম ১৯৯৪ সালের ৭ অক্টোবর। সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএসসি। তার মায়ের নাম আমেনা আক্তার দেওয়ান, বাবা ফখরুল হাসান। রাজধানীর খিলগাঁও চৌধুরীপাড়ার বাসিন্দা তিনি।
ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেন।
তাসনিম জারা এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ছিলেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ও সমমনা দলগুলোর সঙ্গে এনসিপির নির্বাচনী জোট নিয়ে দল থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। এরপর ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
হলফনামার তথ্য অনুসারে, তাসনিম জারার সম্পদ আছে ১৯ লাখ টাকার। তাসনিম জারার বার্ষিক আয় ৭ লাখ ১৩ হাজার ৫৯৭ টাকা, সম্পদ আছে ১৯ লাখ ১৩ হাজার ৫০৯ টাকার, আয়কর দিয়েছেন ৩৪ হাজার ৫৭ টাকা।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, কোনো মামলা, ঋণ, দায় বা সরকারি পাওনা নেই তার। নেই বাড়ি, ফ্ল্যাট, কৃষি বা অকৃষি জমিও। অলংকার আছে আড়াই লাখ টাকার। ব্যাংকে নিজ নাম জমা আছে ১০ হাজার ১৯ টাকা, হাতে নগদ আছে ১৬ লাখ টাকা ও ২ হাজার ২৭০ ব্রিটিশ পাউন্ড। স্বামী খালেদা সাইফুল্লাহর হাতে নগদ আছে ১৫ লাখ টাকা ও ৬ হাজার ব্রিটিশ পাউন্ড।
তাসনিম জারার বছরে চাকরি থেকে আয় ৭ লাখ ১৩ হাজার ৩৩৩ টাকা। ব্যাংকে আমানত ২৬৪ টাকা। দেশের বাইরে আয় ৩২০০ পাউন্ড। দেশের বাইরে স্বামীর আয় ৩৯ হাজার ৮০০ পাউন্ড।
জারা পেশায় চিকিৎসক, তার স্বামী উদ্যোক্তা ও গবেষক। এনসিপির সদ্য পদত্যাগী এ নেত্রীর জন্ম ১৯৯৪ সালের ৭ অক্টোবর। সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএসসি। তার মায়ের নাম আমেনা আক্তার দেওয়ান, বাবা ফখরুল হাসান। রাজধানীর খিলগাঁও চৌধুরীপাড়ার বাসিন্দা তিনি।

২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২০:২৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাঠে ম্যাজিস্ট্রেটের সংখ্যা বাড়ানোর দাবি করেছেন পুলিশ সুপাররা। এমনটি বাস্তবায়ন না হলে পুলিশের ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা চেয়েছেন তারা। নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের সম্মেলনে অংশ নিয়ে এ দাবি জানান তারা। পাশাপাশি সুষ্ঠু ভোটের জন্য নানান দাবির কথা তুলে ধরেন।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে ডিসি-এসপি, সব রেঞ্জের ডিআইজি, বিভাগীয় কমিশনার ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সম্মেলনে এমন দাবির কথা জানান এসপিরা।
এসপিরা বলেন, আমরা প্রতিনিয়ত অভিযান পরিচালনা করে আসামিসহ অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করছি। আমাদের যানবাহন সংকট রয়েছে। পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় জনবল বাড়ানো প্রয়োজন। একই দিনে দুটি নির্বাচন বড় চ্যালেঞ্জ হবে। নির্বাচনের দিন অসুস্থ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ভোট দিতে গেলে পুলিশকে বলা হয় সহযোগিতা করার জন্য। এখানে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কর্মীদের রাখার জন্য সুপারিশ করেন তারা।
পুলিশ সুপাররা আরও বলেন, বিগত নির্বাচনগুলোতে পুলিশের যে বাজেট ছিল এটা বৈষম্য ছিল। এই নির্বাচনে বাজেট বাড়ানো প্রয়োজন। পাশাপাশি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাড়ানোর জন্য সুপারিশ করছি। এছাড়া আমরা পুলিশের ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার চাই।
সম্মেলনে জেলা প্রশাসকরা বলেন, মাঠ পর্যায়ে এখনো যে বৈধ অস্ত্র রয়েছে, দ্রুত সেগুলো উদ্ধার করতে আপনাদের সহযোগিতা চাই। দূর অঞ্চলে যাতায়াতের জন্য হেলিকপ্টার দেওয়ার সুপারিশ করছি। এআই এবং অপতথ্য প্রচার আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছি। আইনের বাইরে আমরা একটি কাজও করতে রাজি নই। আমাদের অনেক উপজেলায় গাড়ি পুড়ে গেছে এবং সেসব উপজেলায় গাড়ি প্রয়োজন। এছাড়া গণভোটের প্রচারের জন্য সময় বাড়ানো দরকার। সীমান্ত জেলাগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানো প্রয়োজন বলেও জানান ডিসিরা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাঠে ম্যাজিস্ট্রেটের সংখ্যা বাড়ানোর দাবি করেছেন পুলিশ সুপাররা। এমনটি বাস্তবায়ন না হলে পুলিশের ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা চেয়েছেন তারা। নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের সম্মেলনে অংশ নিয়ে এ দাবি জানান তারা। পাশাপাশি সুষ্ঠু ভোটের জন্য নানান দাবির কথা তুলে ধরেন।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে ডিসি-এসপি, সব রেঞ্জের ডিআইজি, বিভাগীয় কমিশনার ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সম্মেলনে এমন দাবির কথা জানান এসপিরা।
এসপিরা বলেন, আমরা প্রতিনিয়ত অভিযান পরিচালনা করে আসামিসহ অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করছি। আমাদের যানবাহন সংকট রয়েছে। পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় জনবল বাড়ানো প্রয়োজন। একই দিনে দুটি নির্বাচন বড় চ্যালেঞ্জ হবে। নির্বাচনের দিন অসুস্থ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ভোট দিতে গেলে পুলিশকে বলা হয় সহযোগিতা করার জন্য। এখানে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কর্মীদের রাখার জন্য সুপারিশ করেন তারা।
পুলিশ সুপাররা আরও বলেন, বিগত নির্বাচনগুলোতে পুলিশের যে বাজেট ছিল এটা বৈষম্য ছিল। এই নির্বাচনে বাজেট বাড়ানো প্রয়োজন। পাশাপাশি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাড়ানোর জন্য সুপারিশ করছি। এছাড়া আমরা পুলিশের ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার চাই।
সম্মেলনে জেলা প্রশাসকরা বলেন, মাঠ পর্যায়ে এখনো যে বৈধ অস্ত্র রয়েছে, দ্রুত সেগুলো উদ্ধার করতে আপনাদের সহযোগিতা চাই। দূর অঞ্চলে যাতায়াতের জন্য হেলিকপ্টার দেওয়ার সুপারিশ করছি। এআই এবং অপতথ্য প্রচার আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছি। আইনের বাইরে আমরা একটি কাজও করতে রাজি নই। আমাদের অনেক উপজেলায় গাড়ি পুড়ে গেছে এবং সেসব উপজেলায় গাড়ি প্রয়োজন। এছাড়া গণভোটের প্রচারের জন্য সময় বাড়ানো দরকার। সীমান্ত জেলাগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানো প্রয়োজন বলেও জানান ডিসিরা।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.